Tag: loc

loc

  • Jammu Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, আহত ৬ সেনা

    Jammu Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, আহত ৬ সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ভারতীয় সেনার ছ’জন জওয়ান। তাঁদের রাজৌরি (Landmine Blast in Rajouri) জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক জনের আঘাত গুরুতর। মঙ্গলবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর লাগোয়া রাজৌরি জেলার নওশেরার ভবানী সেক্টরে ওই ঘটনা ঘটেছে বলে ভারতীয় সেনার উত্তরাঞ্চলীয় (নর্দার্ন) কম্যান্ড সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    কী ঘটেছিল?

    প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এদিন সকাল ১০.৪৫ নাগাদ নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোর্খা রাইফেলসের জওয়ানরা টহল দিচ্ছিলেন। সেখানেই মাটিতে লুকনো ছিল ল্যান্ডমাইনটি। একজন সেনা জওয়ান ভুলবশত একটি ল্যান্ডমাইনের উপর পা দিয়ে দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক জনের আঘাত মারাত্মক হলেও বাকিদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন যে, অনুপ্রবেশ রোধে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় প্রায়শই ল্যান্ডমাইন পোঁতা থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কখনও ওই ল্যান্ডমাইনগুলি সরানোর কাজ চলে। যার ফলেই এ দিনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    নাশকতার ছক!

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ওই এলাকাতেই ‘অ্যান্টি পার্সোনেল’ ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক সেনা জওয়ানের পা উড়ে গিয়েছিল। এবার অবশ্য, প্রাথমিক চিকিৎসার পর জওয়ানরা সকলেই সুস্থ রয়েছেন বলে খবর।  তবে পাক জেহাদিরা ছক কষেই নাশকতার জন্য ল্যান্ডমাইন সরিয়ে এনেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছে সেনা।  

     

    আরও পড়ুন: বিশ্বের আধ্যাত্মিক হৃদয় মহাকুম্ভ, প্রয়াগরাজের মহাতীর্থে মিশল ইউরোপ থেকে আমেরিকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Attack: ডোডায় হামলাকারী জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ্যে, প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লাখ টাকা

    Terrorist Attack: ডোডায় হামলাকারী জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ্যে, প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লাখ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সেনার ওপর হামলায় (Terrorist Attack) জড়িত তিন জঙ্গির ছবি প্রকাশ করল পুলিশ। প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার স্কেচ প্রকাশ করে পুলিশ জানিয়েছে, “ডোডা এবং ডেসরা এলাকায় এই তিনজন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। জঙ্গির কার্যকলাপের এই তিনজনই যুক্ত ছিল।” পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয়দের কাছে ওই জঙ্গিদের ছবি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গিদের খোঁজ নেওয়ার জন্য একটি ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে।

    উর্দু ও পস্তো জানে জঙ্গিরা (Kupwara Encounter)

    জানা গিয়েছে জঙ্গিরা উর্দু এবং পাস্তো ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকা থেকে এই জঙ্গিদের নিয়োগ করা হয়েছে। জঙ্গিরা “জৈশ-এ-মোহাম্মদের” সঙ্গে যুক্ত। পাকিস্তানের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁরা তাঁদের হ্যান্ডেলারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তাঁদের অবস্থান যাতে চিহ্নিত না করতে পারে সেনা এবং পুলিশ, সেই কারণে নিজেদের ফোন ব্যবহার না করে অনেক ক্ষেত্রে জঙ্গিরা স্থানীয় বাসিন্দাদের ফোন এবং পাকিস্তানে যোগাযোগের জন্য হটস্পট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে।

    সেনার উপর ফের হামলা (Terrorist Attack)

    এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা (Kupwara Encounter) জেলার কুমকাডি ছাউনি লক্ষ্য করে পাক জঙ্গি ও সীমান্ত বাহিনীর যৌথ হামলায় (Terrorist Attack) এক ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে। মেজর পর্যায়ের পদমর্যাদার এক অফিসার সহ আরও চারজন সেনা পাকিস্তানের দিক থেকে ছুটে আসা গুলিতে আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে একজন পাক জঙ্গিও খতম হয়েছে বলে সেনা সুত্রে খবর। ইতিমধ্যেই সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গিদের খতম করতে অপারেশন সর্পবিনাশ শুরু করেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: অমরনাথ যাত্রায় হামলার ছক পাকিস্তান-খালিস্তানিদের! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি সীমান্ত লাগোয়া জঙ্গলঘেরা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে, এমনই খবর পেয়েছে সেনাবাহিনী। এমতাবস্থায় পাকিস্তানকে তাঁদের ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিহত জওয়ান, খতম এক পাকিস্তানি

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিহত জওয়ান, খতম এক পাকিস্তানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্গিল বিজয় দিবসের পরের দিনই নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হল কাশ্মীর উপত্যকায় (Jammu Kashmir)। শনিবার কুপওয়ারার (Kupwara) কামকারি এলাকায় নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত এক মেজর-সহ পাঁচ সেনা। ভারতীয় জওয়ানদের পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গির। 

    কী ঘটেছিল

    সেনা সূত্রে খবর, শনিবার ভোরে এলওসি-তে ওই হামলার (Jammu Kashmir) ঘটনায় পাক সেনার নর্দার্ন লাইট ইনফ্যান্ট্রি এবং জঙ্গিদের যৌথবাহিনী ‘বর্ডার অ্যাকশন টিম’ (ব্যাট) জড়িত। শুক্রবার ওই এলাকায় জঙ্গিদের গতিবিধির ‘খবর’ এসেছিল। তারই ভিত্তিতে অভিযানে নেমে হামলার মুখোমুখি হয় সেনা।

    ব্যাট কি

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা এই বাহিনীর সাহায্যেই উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করে। এখন জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের সময় ভৌগোলিক অবস্থান জানার জন্য অত্যাধুনিক জিপিএস ব্যবহার করছে। তাদের মোকাবিলায় সেনাও উন্নততর প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছে।

    পরপর সংঘর্ষ

    শুক্রবার কার্গিল বিজয় দিবসে প্রধানমন্ত্রী নেরন্দ্র মোদি জঙ্গিদমনে আরও কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ঠিক তার পরের দিনই উপত্যকায় জঙ্গি হামলা (Kupwara)। এর আগে গত ২৪ জুলাই লোলাব এলাকায় অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে এক সেনার মৃত্যু হয়েছিল। সেনার তরফে জানানো হয়, ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি এখন কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu & Kashmir: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ (Infiltration) রুখে দিল ভারতীয় সেনা। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) কুপওয়ারা জেলার কেরন সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করে ভিনদেশিরা। সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে অভিযান চালায় ভারতীয় সেনা। তাতে তিন জঙ্গি খতম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কী বলছেন ব্রিগেডিয়ার? (Jammu & Kashmir)

    সেনার এক আধিকারিক জানান, ১৩-১৪ জুলাই রাতে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে অনুপ্রবেশকারীরা সচরাচর যেসব রাস্তায় এ দেশে ঢোকে, সেই সব রুটে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই গুলি ছুড়তে শুরু করে অনুপ্রবেশকারীরা। পাল্টা গুলি চালায় সেনাও। তাতে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়। ২৬৮তম ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড, কেরন সেক্টরের ব্রিগেডিয়ার এনআর কুলকার্নি বলেন, “গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েছিলাম এলাকায় অশান্তি পাকাতে ভারতে অনুপ্রবেশ করছে জঙ্গিরা।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে খবর ছিল জঙ্গিকা এলাকায় অশান্তি পাকানোর পাশাপাশি অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর হামলা চালাতে পারে। ১২ জুলাই আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে নিশ্চিত খবর দেয়। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও এ বিষয়ে খবর পায়। তার পরেই চালানো হয় অভিযান।”

    যৌথ অভিযানেই মিলল সাফল্য

    তিনি বলেন, “বিদেশি জঙ্গিরা কেরন সেক্টর দিয়ে এ দেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিল। এই অঞ্চলটি ঘন জঙ্গলে ঢাকা। অনেকগুলি নালাও রয়েছে। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে (Jammu & Kashmir) অনুপ্রবেশ করার তালে ছিল জঙ্গিরা।” তিনি বলেন, “সেনা, বিএসএফ এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযানেই মিলেছে সাফল্য। ১৩-১৪ জুলাই চালানো হয় অভিযান। কয়েকজন খতম হয়। বাকিরা সম্ভবত ফিরে গিয়েছে।” ব্রিগেডিয়ার বলেন, “ওই এলাকায় আমরা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। ঘন জঙ্গল এবং কম দৃশ্যমানতার সুযোগ নিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা।“

    আরও পড়ুন: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    পাক মদতপুষ্ট ওই জঙ্গিরা অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত ছিল বলেও জানান কুলকার্নি। তিনি বলেন, “ওদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। সুসজ্জিত ছিল অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে।” তিনি বলেন, “বেশ খানিকক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়। ওই এলাকায় কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা (Infiltration) জানতে চলেছিল অভিযান। প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে এই অভিযানে (Jammu & Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    Ladakh: হড়পা বানে ভেসে গেল সেনার ট্যাঙ্ক, আধিকারিক-সহ মৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ি নদী পার হতে গিয়েই বিপত্তি। হড়পা বানে ভেসে গেলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক। ঘটনায় পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু। এঁদের মধ্যে একজন জুনিয়র কমিশনড অফিসার, বাকি চারজন জওয়ান। শুক্রবার সন্ধেয় ঘটনাটি ঘটে লাদাখের কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার নিকটবর্তী দৌলত বেগ ওল্ডি এলাকায়। মৃত জওয়ানদের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা।

    হড়পা বানে বিপত্তি (Ladakh)

    জানা গিয়েছে, এদিন টি-৭২ ট্যাঙ্কে চড়ে নদী পার হচ্ছিলেন ওই জওয়ানরা (Ladakh)। রাতের অন্ধকারে কীভাবে পাহাড়ি নদী পার হতে হয়, চলছিল তারই অনুশীলন। হঠাৎই নদীতে চলে আসে হড়পা বান। জলের তোড়ে ভেসে যায় ট্যাঙ্কটি। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। একে একে উদ্ধার হয় পাঁচজনেরই দেহ। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটে লাদাখ থেকে ১৪৮ কিলোমিটার দূরে মন্দির মোড় এলাকায়।

    হড়পা বানে আগেও ভেসেছেন জওয়ান

    গত বছর জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় হড়পা বানে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই জওয়ানের। কাকতালীয়ভাবে সেই দিনটিও ছিল শনিবার। সেনা সূত্রে খবর, সেদিন সুরানকোট এলাকার দগরা নালা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন নায়েব সুবেদার কুলদীপ সিং এবং সিপাই তেলু রাম। সেই সময়ই চলে আসে হড়পা বান। জলের তোড়ে ভেসে যান দুই জওয়ানই। পরে দেহ উদ্ধার হয়েছিল তাঁদের।

    আর পড়ুন: সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, জানাল নয়াদিল্লি

    কৌশলগতভাবে লাদাখের গুরুত্ব ভারত এবং চিন দুই দেশের কাছেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বছরভর এখানকার তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে থাকলেও, শত্রুর চোখে চোখ রেখে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতীয় সেনা বাহিনীর জওয়ানরা। এজন্য তাঁদের পার হতে হয় কঠোর অনুশীলন-পর্ব। এই অনুশীলন-পর্বের মধ্যেই রয়েছে রাতের অন্ধকারের বুক চিরে কীভাবে চালাতে হয় ট্যাঙ্ক, কীভাবেই বা পার হতে হয় পাহাড়ি নদী। সমস্তরকমের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও শত্রুর মোকাবিলা কীভাবে করতে, তাও শেখানো হয় জওয়ানদের। এদিন গভীর রাতে সেরকমই এক প্রশিক্ষণ-পর্ব চলাকালীন ঘটে দুর্ঘটনা। যে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জওয়ানের (Ladakh)।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • J&K Encounter: সীমান্তে পাক গুলি, নিহত বিএসএফ জওয়ান, সোপিয়ানে বাহিনীর হাতে নিকেশ জঙ্গি

    J&K Encounter: সীমান্তে পাক গুলি, নিহত বিএসএফ জওয়ান, সোপিয়ানে বাহিনীর হাতে নিকেশ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মুর আন্তর্জাতিক সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-র চৌকির উপর ফের হামলা চালাল পাকিস্তান।  পাক হামলায় নিহত হয়েছেন এক জওয়ান। অন্যদিক, উপত্যকায় ফের সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী (Security Force)। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ানে (Shopian) এনকাউন্টার (Encounter) অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। সংঘর্ষে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন দ্য রেসিস্টেন্স ফ্রন্টের (The Resistance Front) এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে। 

    রামগড় সেক্টরে পাক বাহিনীর গুলি

    সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরে বুধবার রাত থেকে টানা পাক বাহিনীর গুলিগোলায় এক বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, রামগড় সেক্টরে একাধিক সীমান্ত চৌকিতে বুধবার রাত ১২টার পর থেকে বিনা প্ররোচনায় পাক বাহিনী হামলা চালায়। পাকিস্তান রেঞ্জার্স বাহিনীর পাশাপাশি পাক জঙ্গিরাও হামলায় অংশ নিয়েছিল বলে বিএসএফের একটি সূত্রের খবর। বিএসএফের তরফেও পাক গুলির ‘জবাব’ দেওয়া হয়। শীত পড়ার আগে উপত্যকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিতেই এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। পাক বাহিনীর গুলিতে গুরুতর জখম এক জওয়ানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

    সোপিয়ানে সেনার সাফল্য

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যদিকে গোপন সূত্রে জঙ্গিদের খবর পেয়েই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও ভারতীয় সেনা বাহিনী সোপিয়ানে যৌথ অভিযান শুরু করে। সোপিয়ানের কাথোহালানে তল্লাশি অভিযান শুরু করতেই হামলা চালায় জঙ্গিরা। শেষ খবর অনুযায়ী, সেনার গুলিতে দ্য় রেসিস্টেন্স ফোর্সের এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি জঙ্গিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।

    কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলা হয়েছে, “সোপিয়ান এনকাউন্টার আপডেট: সন্ত্রাসবাদী সংগঠন টিআরএফের সঙ্গে যুক্ত এক জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sharda Temple: স্বাধীনতার পর এই প্রথম পালন হচ্ছে নবরাত্রি, কাশ্মীরের শারদা পীঠে ভক্তের ঢল  

    Sharda Temple: স্বাধীনতার পর এই প্রথম পালন হচ্ছে নবরাত্রি, কাশ্মীরের শারদা পীঠে ভক্তের ঢল  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৫ বছর পরে ঘটা করে শারদ নবরাত্রি উৎসব পালন করা হচ্ছে কাশ্মীরের শারদা মন্দিরে (Sharda Temple)। দেশ-বিদেশের বহু ভক্ত নিত্য দিন যোগ দিচ্ছেন উৎসবে। স্বাভাবিকভাবেই খুশি মন্দির কর্তৃপক্ষ। খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও।

    নবনির্মিত শারদা মন্দির

    কাশ্মীরের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছেই তৈরি হয়েছে নবনির্মিত শারদা মন্দির। অবিভক্ত ভারতবর্ষে শারদাপীঠে নিত্যপুজো হত। দেশ-বিদেশের লোকজন আসতেন এই সতীপীঠ দর্শনে। কহ্লনের ‘রাজতরঙ্গিনী’ গ্রন্থে এই পীঠের উল্লেখ রয়েছে। হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এহেন একটি পীঠে পুজোপাঠ বন্ধ হয়ে যায় দেশভাগের পর। লোপাট হয়ে যায় মন্দিরের বিগ্রহ। পরে অশান্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর। দলে দলে হিন্দু পণ্ডিতরা উপত্যকা ছাড়তে থাকেন। ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে ইতিহাসখ্যাত এই মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ।

    শারদ নবরাত্রির পুজোপাঠ

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  উদ্যোগী হন শারদাপীঠ (Sharda Temple) পুনর্নির্মাণে। তার আগে কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। ধীরে ধীরে ভূস্বর্গ ফিরে যেতে থাকে হিংসা-পর্বের আগের অধ্যায়ে। নতুন করে তৈরি করা হয় শারদা মন্দির। প্রতিষ্ঠা করা হয় বিগ্রহও। সেই মন্দিরেই চলছে শারদ নবরাত্রির পুজোপাঠ। মহালয়ার পর প্রতিপদ থেকে টানা ন’ দিন ধরে মহামায়ার ন’টি রূপের পুজো হয়। একেই বলা হয় নবরাত্রি উৎসব। এই উৎসবই এবার ঘটা করে পালন করা হচ্ছে শারদাপীঠে।

    আরও পড়ুুন: নবদুর্গার দ্বিতীয় রূপ দেবী ব্রহ্মচারিণী, জানুন তাঁর পৌরাণিক আখ্যান

    হাম্পির স্বামী গোবিন্দানন্দ সরস্বতী কর্নাটক থেকে এখানে এসে পৌঁছেছেন। কাশ্মীরি পণ্ডিতদেরও কয়েকজন উপস্থিত হয়েছেন ভূস্বর্গের এই তীর্থে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন একে রায়না। পেশায় নাট্যকর্মী রায়না অভিনয় করেছিলেন ‘কাশ্মীর ফাইলস’ সিনেমায়ও।

    ‘সেভ শারদা কমিটি কাশ্মীরে’র প্রধান রবীন্দর পণ্ডিত বলেন, “নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে দেশভাগের পর এই প্রথম হচ্ছে নবরাত্রি উৎসব পালন। এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১৯৪৭ সালে হিংসার আগুন পুড়ে গিয়েছিল শারদা মন্দির (Sharda Temple) এবং একটি গুরুদ্বার। সেই একই জমিতে ফের গড়ে তোলা হয়েছে মন্দির এবং গুরুদ্বার। পুরানো মন্দির ও গুরুদ্বারের আদলেই তৈরি করা হয়েছে নতুনগুলি। চলতি বছর ২৩ মার্চ এই মন্দির ও গুরুদ্বারের উদ্বোধন করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।”

    মন্দিরে ফের ঘটা করে পুজোপাঠ হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা। আজাজ খান নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাইছিলাম। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য ফিরে আসার সাক্ষী হতে পেরেছি বলে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।”

    ভূস্বর্গে হাসি ফিরিয়ে আনলেন প্রধানমন্ত্রী মোদিই!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    Indian Army: স্বামী শহিদ হন গালওয়ান সংঘর্ষে, সেনায় যোগ দিয়ে চিন সীমান্তে গেলেন স্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে গালওয়ানে চিনা ফৌজের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন স্বামী নায়েক দীপক সিং। শনিবার সেই শহিদ সেনার স্ত্রী রেখা সিং লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায়। তিনি পোস্টিং পেলেন পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। জানা গিয়েছে, গত একবছর ধরে তিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন চেন্নাইয়ে। শনিবার সেই প্রশিক্ষণ শেষে তিনি যোগ দিলেন ভারতীয় সেনায় (Indian Army)। প্রসঙ্গত, রেখার স্বামী দীপক ছিলেন, বিহার রেজিমেন্টের ষোড়শ ব্যাটেলিয়নে। ২০২১ সালে তাঁকে মরণোত্তর বীর চক্রে ভূষিত করা হয়। পরের বছরই রেখা মহিলা ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেন। অবশেষে তিনি যোগ দিলেন লেফটেন্যান্ট হিসেবে।

    ভারতীয় সেনায় যোগ দিয়ে রেখা কী বললেন সাংবাদিকদের?

    ভারতীয় সেনায় (Indian Army) যোগ দিয়ে রেখা সিং সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “আজ আমার প্রশিক্ষণ শেষ হল। আমি এখন থেকে লেফটেন্যান্ট পদে কাজ করব। সেনায় যোগ দিতে পেরে অত্যন্ত গর্ববোধ হচ্ছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্থির করেছিলাম সেনায় যোগ দেব। আজ সেই স্বপ্ন, সেই লক্ষ্যপূরণ করতে পারলাম।”

    রেখার সঙ্গে আরও ৫ জন যোগ দিলেন গোলন্দাজ বাহিনীতে 

    তবে শুধুমাত্র রেখাই নন, শনিবার একসঙ্গে পাঁচজন মহিলা আর্মি অফিসার হিসেবে গোলন্দাজ বাহিনীতে যোগ দিলেন সেনায়। তাঁরা সকলেই চেন্নাইয়ের ‘অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি’তে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পাঁচ মহিলা অফিসারের মধ্যে দু’জনকে পাক সীমান্তের কাছে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজন (রেখা-সহ) যোগ দিচ্ছেন লাদাখে চিনের সীমান্তের কাছে। তাঁদের সঙ্গে ১৯ জন পুরুষ অফিসারও যোগ দিলেন রেজিমেন্টে। গত জানুয়ারিতে চিফ অফ আর্মি স্টাফ জেনারেল মনোজ পান্ডে জানিয়েছিলেন মহিলা অফিসারদের গোলন্দাজ বাহিনীতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা। পরে তাঁর প্রস্তাবে সম্মতি দেয় সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu & Kashmir: কুপওয়ারায় খতম ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Jammu & Kashmir: কুপওয়ারায় খতম ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাশ্মীরে (Kashmir) জঙ্গি (Terrorist) দমনে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার কাশ্মীর উপত্যকার কুপওয়ারায় (Kupwara) LoC-এর কাছে সেনা ও জঙ্গির ওভারগ্রাউন্ড কর্মীদের সংঘর্ষে ২ জন ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের (Overground Workers) (OGWs) নিকেশ করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তিদের থেকে প্রচুর অস্ত্র ও মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। সেনাদের থেকে জানা যায়, গতকাল অর্থাৎ ২৮ জুন কুপওয়ারার বিচু (Bichu) নামক এলাকায় ইন্ডিয়া গেটের কাছে এই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের দেখে সন্দেহ হয় সেনাদের। তারপরেই সেনা ও জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে এই দুজন জঙ্গিকে খতম করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত জঙ্গিদের থেকে   ৪টি একে রাইফেল (AK rifle), মাদকের দুটো প্যাকেট, আটটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। অন্যজনের থেকে দুটো রাইফেল সহ ৮টি গ্রেনেড(Grenades) উদ্ধার করা হয়।

    আরও পড়ুন:’মৃত’ জঙ্গিকে ‘গ্রেফতার’, ধূসর তালিকা থেকে বেরোতে মরিয়া পাকিস্তান?

    পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত ওই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের নাম মজিদ ছেচি (Majid Chechi) ও  সামসুদিন বেইগ (Samsudin Beigh)। পুলিশ জানায়, এই ওয়ার্কাররা মাদক ও অস্ত্রগুলো নিতে ও জঙ্গিদের রাউতা নর (Rauta nar) নামক এলাকায় প্রবেশ করাতে এসেছিল। তিনি আরও জানান, অভিযান চলাকালীন একটি ওয়ারলাইক স্টোর (Warlike store) উদ্ধার করা হয় যেখান থেকে একে ৪৭ ও ৫৬ রাইফেল সহ প্রচুর মাদক, গ্রেনেড পাওয়া যায়। এখনও এই নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান (Anti-Militancy Operation) চলাকালীন কাশ্মীরে ৪ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। চলতি মাসেই ২৮ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়, এর মধ্যে ১১ জনকে তিনদিনের মধ্যে খতম করা হয়েছিল। এই বছরে এখনও পর্যন্ত মোট ১১৮ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে। জঙ্গি হামলা দিনের পর দিন বেড়ে চলায় কাশ্মীরের কুপওয়ারায় যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালানোর বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ ও সেনা।

    আরও পড়ুন: অমরনাথ যাত্রার আগেই কাশ্মীরে জোড়া এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

  • Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবানলের(forest fire) আগুনের আঁচ ল্যান্ডমাইনে (landmine)। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ(poonch) এলাকা। ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের জেরেই এলাকা কেঁপেছে। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসা দাবানলের আগুনেই ঘটেছে বিস্ফোরণ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর যে ল্যান্ডমাইন পোঁতা হয়েছিল, তার মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেই সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর।

    জানা গিয়েছে, সীমান্তরেখা বরাবর ভারতের দিকের মেনধর জেলায় ওপার থেকে দাবানল চলে এসেছিল গত সোমবার। তিন দিন ধরে বনকর্মী ও ভারতীয় সেনা জওয়ানরা প্রাণপাত করে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছেন। মঙ্গলবার রাতের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। বুধবার ভোরে ফের দারামশাল ব্লকে আগুন লাগে। প্রবল বাতাসে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফরেস্টার কানার হুসেন শাহ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গত তিন দিন ধরে বনে আগুন জ্বলছে। আমরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগুন নেভাচ্ছি।

    জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর পোঁতা হয়েছিল ল্যান্ডমাইন। আগুনের প্রবল তাপে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে সেগুলিতে। বুধবার বিকেলে প্রায় ছটি মাইন বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা।  

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের

    বন দফতরের এক আধিকারিক জানান, বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেনা বাহিনীর সাহায্যে সেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

    এদিকে, রাজৌরি জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা সুন্দরবান্দিতেও একটি বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গম্ভীর, নিক্কা, পাঞ্জগ্রায়ে, ব্রাহামানা, মোঘলা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বনাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কালাকোটের কালার, রনথাল, চিঙ্গি বনাঞ্চলেও আগুন লেগেছে। জম্মুর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকেও আগুন লাগার খবর মিলেছে। বন দফতরের কর্তাদের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটে। বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, আগুনটি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছিল এবং উচ্চ কাংদি, ডক বানিয়াদের এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, কোনও মানবিক ক্ষতি ছাড়াই দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন :কাশ্মীরে ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা?

    নভেম্বর থেকে জুন মাস পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন জঙ্গলে দাবানলের প্রকোপ দেখা যায়। ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৩৬ শতাংশ জঙ্গলে ঘন ঘন দাবানলের ঝুঁকি রয়েছে। শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের মরশুমে বনাঞ্চলে জমা হয় শুকনো গাছপালা, ঘাস-পাতার মতো জৈব জ্বালানি। তার জেরেই শুখা মরশুমে দাবানলের মতো ঘটনা বেশি ঘটে।  

     

LinkedIn
Share