Tag: Lok

  • Shanti Bill: লোকসভায় পাশ ঐতিহাসিক ‘শান্তি বিল’, কী রয়েছে নয়া এই বিলে? কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Shanti Bill: লোকসভায় পাশ ঐতিহাসিক ‘শান্তি বিল’, কী রয়েছে নয়া এই বিলে? কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হয়ে গেল ‘সাসটেনেবল হার্নেসিং অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ নিউক্লিয়ার এনার্জি ফর ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া’, সংক্ষেপে ‘শান্তি বিল ২০২৫’। বুধবারই লোকসভায় পাশ হয়েছে (Shanti Bill) বিলটি। পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বাড়াতে এই নয়া আইন পাশ করল কেন্দ্র। ভারতের কঠোর পারমাণবিক দায়বদ্ধতা কাঠামো শিল্পের মধ্যে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করেছে, নিরুৎসাহিত করেছে সহযোগিতাকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দাবি, নয়া শান্তি বিলটি সেই অচলাবস্থা ভেঙে ফেলার জন্য এবং পারমাণবিক শক্তিতে বেসরকারি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।

    ধ্বনিভোটে পাশ শান্তি বিল (Shanti Bill)

    মন্ত্রী এই মন্তব্যগুলি করেন সংসদে এক বিতর্কের জবাবে, যখন শান্তি বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ হয় লোকসভায়। এই সময় বিরোধী দলগুলি ওয়াকআউট করে। তাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে পারমাণবিক যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীদের দায়বদ্ধতার কাঠামোর বাইরে রাখার মাধ্যমে সরকার জনসাধারণের সুরক্ষা দুর্বল করছে। বিরোধীদের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সিং বলেন, দায়বদ্ধতা স্পষ্টভাবেই বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালকদের ওপর বর্তাবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিমন্ত্রী এবং পরমাণু শক্তি দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিং বলেন, “সরকার কেবলমাত্র অপারেটরের সঙ্গেই লেনদেন করবে, সরবরাহকারীর সঙ্গে বিষয়টি মেটানো অপারেটরের দায়িত্ব।” তিনি জানান, চুল্লির আকারের ভিত্তিতে দায়বদ্ধতার সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রীর মতে, এটি ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর-সহ উদীয়মান প্রযুক্তি আকর্ষণের জন্য অপরিহার্য (Lok Sabha)।

    ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা

    মন্ত্রী বলেন, ‘‘ভুক্তভোগীরা যাতে একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পান, সেই লক্ষ্যেই বিলটির কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অপারেটরের দায়বদ্ধতা, সরকারের সমর্থনে প্রস্তাবিত একটি নিউক্লিয়ার দায়বদ্ধতা তহবিল এবং ‘কনভেনশন অন সাপ্লিমেন্টারি কম্পেনসেশনে’ ভারতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও।” ভারতে বর্তমানে রয়েছে ‘সিভিল লায়াবিলিটি ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজ’ আইন (Shanti Bill)। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “সেখানে সরবরাহকারীর দায়বদ্ধতার সংজ্ঞা এতটাই ব্যাপক ছিল যে কার্যত তা বিক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণকে স্থবির করে দিয়েছিল। কেউই এগিয়ে আসতে চাইছিল না। এর ফলে দায়বদ্ধতার একটি অন্তহীন শৃঙ্খল তৈরি হয় এবং সরবরাহকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই কারণে গত দশ বছরে আমরা সহযোগিতার সুযোগ হারিয়েছি।” তিনি জানান, শান্তি বিলের উদ্দেশ্যই হল ভারতের পারমাণবিক ব্যবস্থাকে বর্তমান প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা। এর পাশাপাশি ১৯৬২ সালের পারমাণবিক শক্তি আইন থেকে গড়ে ওঠা নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে অক্ষুণ্ণ রাখা।

    টার্নিং পয়েন্ট

    এটিকে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “এই আইন ভারতের উন্নয়নের গতিপথকে নতুনভাবে নির্ধারণ করবে। ভূ-রাজনীতিতে ভারতের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে। যদি আমাদের বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হয়, তবে আমাদের বৈশ্বিক মানদণ্ড ও বৈশ্বিক কৌশল অনুসরণ করতে হবে (Shanti Bill)। বিশ্ব ক্লিন এনার্জির দিকে এগোচ্ছে। আমরাও ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি (Lok Sabha)।” তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির মোকাবিলা করতে এবং সামগ্রিক জ্বালানি মিশ্রণে পারমাণবিক শক্তির অংশীদারিত্ব প্রায় ১০ শতাংশে উন্নীত করতে এই সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল (Shanti Bill)।”

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

  • Raj Bhavan: রাজভবনের নাম বদলে হল লোকভবন, কেন এই সিদ্ধান্ত জানেন?

    Raj Bhavan: রাজভবনের নাম বদলে হল লোকভবন, কেন এই সিদ্ধান্ত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোল নয়, নাম বদলে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের রাজভবনের (Raj Bhavan)। এ রাজ্যে রাজভবন রয়েছে কলকাতা, দার্জিলিং এবং ব্যারাকপুরে। এই তিন জায়গারই রাজভবনের নাম বদলে হচ্ছে লোকভবন (Lok Bhavan)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারা দেশে রাজভবন এবং রাজনিবাসের নামকরণ যথাক্রমে লোকভবন এবং লোকনিবাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেন, “এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী রাজভবনগুলির নামকরণ হয়েছে লোকভবন।”

    আনন্দ বোসের বিজ্ঞপ্তি (Raj Bhavan)

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিও এই নিয়ে জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাজ্যপালের অনুরোধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৎকালীন রাজভবনের প্রতীকী চাবি হস্তান্তর করেন। তারপর জনগণের রাজভবন – জন রাজভবনের এক নয়া যুগের সূচনা হয়। গত ২৫ নভেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, এবার থেকে রাজভবনের নাম হবে লোকভবন (Lok Bhavan)।

    রাজভবনের বক্তব্য

    বর্তমান রাজ্যপালের (Raj Bhavan) বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেন, “কলকাতার তৎকালীন রাজভবন কর্তৃক জনরাজ ভবন ধারণাটি জনগণের চাহিদা, আশা ও তাদের আকাঙ্খা, তাদের সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করার তাগিদেই তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে এই বিশাল ভবনটি ছিল ভয় ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সমাজের সকলস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে নিরাপদ উন্মুক্ত রাজভবন করে তোলা। যার মাধ্যমে গত তিন বছরে বেশ কয়েকটি গঠনমূলক জনকেন্দ্রিক কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রূপান্তরমূলক এবং অনুপ্রেরণামূলক নেতৃত্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, বাংলাকেও বিকশিত ভারতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য (Lok Bhavan)।”

    এদিকে, আনুষ্ঠানিকভাবে রাজভবনের নাম বদলে যাওয়ার পরে ভিক্টোরিয়া চত্বরে গিয়ে চা পান করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পরে করেন (Raj Bhavan) সাংবাদিক বৈঠক। সেখানে তিনি বলেন, “এই নাম বদলের পরে সাধারণ মানুষের অ্যাক্সেস আরও বাড়বে। সহজেই সাধারণ মানুষ লোকভবনে যোগাযোগ করতে পারবেন। ডিরেক্ট টু পাবলিক। এই জন্যই লোকভবন।” প্রসঙ্গত, গোটা দেশের সমস্ত রাজভবনের নাম পাল্টে লোকভবন করার প্রস্তাব পাশ হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। যুক্তি ছিল, রাজভবন নামটির সঙ্গে রাজত্ব করার ধারণা জড়িয়ে রয়েছে (Lok Bhavan)। জানা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত (Raj Bhavan)।

LinkedIn
Share