Tag: Lok Sabha Election2024

Lok Sabha Election2024

  • Cooch Behar: ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    Cooch Behar: ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাত আনুমানিক বারোটা সাড়ে বারোটা নাগাদ কোচবিহার (Cooch Behar) ১ নম্বর ব্লকের চান্দামারী এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি শিব বর্মনের বিরুদ্ধে এলাকায় লাগানো বিজেপির ব্যানার ফেস্টুন খোলার অভিযোগ ওঠে। এই সময় ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী পূর্ণ বর্মনের বাড়ির সামনে পতাকা ফেস্টুন খোলার সময় ঘটনা তিনি দেখে ফেলেন। এরপর তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি কর্মীর উপর তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা করে মারধর করে। ঘটনায় গুরুতর জখম এক বিজেপি কর্মী। অপর দিকে অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

    আহত বিজেপি কর্মী হাসপাতালে ভর্তি (Cooch Behar)

    তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা চড়াও হয় বিজেপি কর্মী পূর্ণবাবুর উপর। সেই সঙ্গে চলে বেধড়ক মারধর। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে কোচবিহার (Cooch Behar) এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার কথা অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের কাছে শিবু বর্মন সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রবিবার সকালে আহত পূর্ণ বর্মনকে দেখতে হাসপাতালে উপস্থিত হন কোচবিহার বিজেপির সভাপতি সুকুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। গোটা ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি করে অভিযুক্ত শিব বর্মনকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন জেলা বিজেপি সভাপতি সুকুমার রায়।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির পক্ষ থেকে জেলা (Cooch Behar) সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, “গতকাল রাত ১২ টার সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে আমাদের বিজেপির কর্মীর উপর। আসলে তৃণমূলের লোকেরা রাস্তায় লাগানো বিজেপির পতাকা, ফেস্টুন ছিঁড়ছিল। ঠিক এমন সময় পূর্ণ বাবু দেখে ফেলায় প্রতিবাদ করেন। আর এই ঘটনায় তাঁকে লাঠি দিয়ে খুব মারধর করে তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী। তিনি এখন হাসপাতলে ভর্তি রয়েছেন। তৃণমূল হারার ভয়ে এই আচরণ করছে। আমরা কমিশনে যাবো।”

    আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    তৃণমূলের বক্তব্য

    জেলা (Cooch Behar) তৃণমূলের সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এটা বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল। এখানে তৃণমূলের কোনও ভূমিকা নেই। বিজেপির জেলা সভাপতির বক্তব্য গ্রহণ যোগ্য নয়। নিশীথ এবং মালতী দেবী দুই গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই চলছে।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    Birbhum: নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে বেড়িয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শতাব্দী রায়। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি -২ নম্বর ব্লকের নোয়াপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোকুলপুর গ্রামে। তবে এই তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে এরকম প্রতিবাদ নতুন কিছু নয়। নিজের সংসদীয় ক্ষেত্রে আগেও এলাকাবাসী নিজেদের প্রাপ্য ঘর, রাস্তা, পানীয় জল অথবা নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যায় ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে এই ভোটের প্রচারে ঘটনায় তীব্র অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে তাঁকে।

    রাস্তা সারাইয়ের দাবীতে বিক্ষোভ (Birbhum)

    আজ গোকুলপুর (Birbhum) গ্রামে ভোট প্রচারে যান বীরভূমের তিনবারের সাংসদ ও চতুর্থবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শতাব্দী রায়। সেই সময় গ্রামবাসীরা রাস্তা সারাইয়ের দাবীতে তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের মধ্যে শুভ্র মার্জিত অভিযোগ করে বলেন, “দীর্ঘদিন গ্রামের রাস্তা সারাই না হওয়ায় যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। তাই এদিন তাঁকে সেই ভাঙা-কর্দমাক্ত রাস্তায় পায়ে হেঁটে যাওয়ার দাবী করি আমরা। এই রাস্তা চলাচলের যোগ্য নয়। কোনও টোটো ঢুকতে পারে না। ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারছেনা। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বিরাট সমস্যা রয়েছে।” পরে শতাব্দী রায় প্রতিশ্রুতি দিলে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ সরিয়ে নেন। ঘটনায় বিরাট বিড়ম্বনায় পড়েন এই তৃণমূল প্রার্থী।

    আরও পড়ুনঃ মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালু বাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    শতাব্দীর বক্তব্য

    এই ঘটনায় এলাকার (Birbhum) গ্রামবাসীদের বক্তব্য, “আমি দেখলাম রাস্তা খুব খারাপ। এখানে কে জন প্রতিনিধি ছিল জানার দরকার নেই, আমি দায়িত্ব নেবো। তবে রাস্তার জন্য ৮০ লক্ষ বাজেট করা হয়েছে। আগামী ১৩ এপ্রিল তারিখের মধ্যে মোটামুটি চলাচলের যোগ্য করা হবে।” ঘটনায় এলাকার মধ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং পুরসভার নির্বাচনে বারবার মানুষের অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। একাধিক সময়ে আবার দলীয় কর্মীদের উপর নিজের রাগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। দলের কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন। সবটা মিলিয়ে এই তারকা প্রার্থীর প্রচার যে খুব একটা সহজ মসৃণ হচ্ছে না তাও আরও একবার প্রকাশিত হল। এখন মানুষের ভোট কোন দিকে যায় তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালুবাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    Malda: মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালুবাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির প্রশংসায় কংগ্রেসের ডালুবাবু। তৃণমূলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এবার অবশ্য লোকসভা ভোটের প্রার্থী হননি তিনি। মালদা (Malda) দক্ষিণের প্রার্থী হয়েছেন তাঁর ছেলে ইশা খান চৌধুরি। তাহলে দলের টিকিট না পেয়ে কি আবু হাসেম খান চৌধুরি ওরফে ডালুবাবু নতুন জল্পনার ইঙ্গিত দিলেন? প্রশ্ন উঠছে। আজ প্রধানমন্ত্রী ভূয়সী প্রশংসা করলেন তিনি। সিএএ নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে বিরোধীদের আক্রমণ করলেন তিনি। তবে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হননি বলে জানান।

    ঠিক কী বললেন ডালুবাবু (Malda)?

    মালদায় (Malda) কংগ্রেসের চার বারের সাংসদ ছিলেন আবু হাসেম খান চৌধরি। তিনি বলেন, “কাজের মানুষ এবং ভালো মানুষ হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই একটা প্রতীক ছিলেন। এখন ওঁর সামনে লোকেরা চুরি করছে। তৃণমূলের অবস্থা খুব খারাপ। চুরির বোঝায় এখন শেষের প্রহর গুনছে। শেষ আশা একটাই ভোটাররা যদি ক্ষমা করে। তবে তা সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে সকলেই বলবেন ওঁর সময় শেষের পথে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি লড়াই করছে বিজেপি। প্রত্যেক সপ্তাহে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের ধরপাকড় চলছে। নেতারা জেলে বন্দি। কেউ রেহাই পাচ্ছে না।”

    আরও পড়ুনঃ “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

    সিএএ নিয়ে কী বললেন?

    মালাদায় সিএএ নিয়ে ডালু বাবু বলেন, “সিএএ নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। মুসলমানদের ভুল বুঝিয়ে ভোট নেওয়ার রাজনীতি করছে তৃণমূল। মুসলমানেরা তৃণমূলকে বুঝে গিয়েছেন। এই আইনে ক্ষতি কী সেটা তৃণমূলকে বলতে হবে। এই তৃণমূলের শাসনে অবৈধ বাড়ি ভেঙে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ববি হাকিম কী করছিলেন? পাল্টা বিজেপিতে অনেক ভালো ভালো মানুষ রয়েছেন। মোদি সাহেব অত্যন্ত ভালো মানুষ। তবে তাঁকে খারাপ করে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি খারাপ লোক নন। মোদিকে খারাপ দেখিয়ে ভোট পাওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির শাসনে থাকা রাজ্যে কেউ অসুরক্ষিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jhargram: “বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়ে আদিবাসী সমাজের জন্য কাজ করব”, বললেন প্রণত টুডু

    Jhargram: “বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়ে আদিবাসী সমাজের জন্য কাজ করব”, বললেন প্রণত টুডু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকের চাকরি ছেড়ে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হলেন ডাক্তার প্রণত টুডু। গতকাল বিজেপির প্রার্থীর অষ্টম তালিকা প্রকাশিত হলে তাঁর নাম ঘোষণা হয়। অপর দিকে জনজাতি সংরক্ষিত আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন সাঁওতাল সাহিত্যিক কালীপদ সরেনকে। আগের বারের এই কেন্দ্রে বিজেপির জয়ী প্রার্থী ছিলেন কুনার হেমব্রম। কয়েকদিন আগে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন চিকিৎসক প্রণতবাবু। তিনি বলেন, “বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়ে আদিবাসী সমাজের জন্য কাজ করব”। নির্বাচনী প্রচারে এবার দুই ভূমিপুত্রের জমজামাট নির্বাচনী লড়াই হতে চলেছে। বিজেপি অবশ্য আত্মবিশ্বাসী।

    কে বিজেপি প্রার্থী (Jhargram)?

    প্রণতের আদি বাড়ি ঝাড়গ্রাম (Jhargram) লোকসভার অন্তর্গত পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় থানার দিবাটিতে। ডাক্তারি পেশার কাজে ঝাড়গ্রাম শহরে থাকেন তিনি। গত ১২ বছর তিনি রেডিয়োলজি বিভাগে ছিলেন। তিনি বিজেপির কাজের সঙ্গে অনেক দিন ধরেই যুক্ত ছিলেন। একই সঙ্গে নানা সমাজ সেবা মূলক কাজ, গ্রাম্য এলাকায় স্বাস্থ্য শিবির, জঙ্গল মহলের মনিষীদের জন্ম জয়ন্তী পালন, ভাষা শিক্ষা ইত্যাদি সামজিক কাজের জন্য কাজ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। আদিবাসী পিছিয়ে থাকা বর্গের মানুষের জন্য সমাজ সেবা মূলক অনেক কাজ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    কী বলেন প্রার্থী হয়ে?

    ঝাড়গ্রামের (Jhargram) বিজেপি প্রার্থী হয়ে প্রণত বলেন, “খুব ভালো লাগছে কেন্দ্র এবং রাজ্য নেতৃত্ব আমার উপর ভরসা করেছেন। বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়ে আমি আদিবাসী সমাজের জন্য সামাজিক কাজ করব। এলাকার মানুষকে অনেক প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনার শিকার হতে হয়েছে। সমাজের কাজের জন্য দল আমাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী দিনে ভালো ফল হবে। জয় ১০০ শতাংশ নিশ্চিত।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুমুন সাহু বলেন, “বিজেপি এত দিন প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছিল না। আমাদের লক্ষ্য জয়ের ব্যবধান বৃদ্ধি করা। রাজ্যের উন্নয়নের জন্য আরও কাজ করব আমরা। মানুষ তৃণমূলের পাশে রয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    Birbhum: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে বিজেপির প্রার্থী হলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা হবে তাঁর নির্বাচনী হাতিয়ার। বিজেপি লোকসভা নির্বাচনের অষ্টম লিস্টে বীরভূম (Birbhum) কেন্দ্র এবং ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আজ তাঁরাপীঠে পুজো দিয়ে নিজের কেন্দ্রে প্রচার শুরু করবেন বীরভূমের এই বিজেপি প্রার্থী।

    উল্লেখ্য, গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি ব্যাপক উত্তাল হয়ে গিয়েছিল। বুথ কেন্দ্র থেকে এক সাধারণ ভোটারকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যা করে। অপরে ভোট কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা করলে সিআইএসএফ জওয়ানরা গুলি চালায়। ঘটনায় কয়েকজন তৃণমূল দুষ্কৃতীর মৃত্যু হয়। এরপর রাজ্য সরকার ঘটনায় কেন্দ্রী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ায় বলে জানা যায়। সেই সময় জেলা পুলিশ সুপার ছিলেন দেবসিশ ধর। তাঁকেও শাসক দলের রোষে পড়তে হয়।

    কী বললেন দেবসিশ (Birbhum)?

    এদিন বীরভূমে (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী হয়ে দেবসিশ বলেন, “যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে এটা আমার জীবনের নতুন অধ্যায়। আমি যেন মানুষের জন্য কাজ করতে পারি। রাজ্যের পুলিশ এবং রাজনীতি প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত রয়েছে। একে অপরের পরিপূরক মাত্র। আমি যখন ল অ্যান্ড অর্ডার সামলাতে ইউনিফর্মে ছিলাম, তখন ছিলাম মুদ্রার এক দিকে। কিন্তু এখন আমি অন্য দিকে রয়েছি। এখন এই আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমার এক মাত্র লক্ষ্য। এই জেলায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। আমি চাই মানুষ সুবিচার পাক। আমার সঙ্গে  যে ঘটনা ঘটেছে তা যেন কোনও অপফিসারের সঙ্গে আর না ঘটে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    বীরভূমের আইন শৃঙ্ঘখলা?

    তৃণমূলের শাসনে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে তলানিতে নামিয়ে এনেছে শাসক দল। এই জেলায় (Birbhum) তৃণমূল নেতা কেষ্ট পালা করে একক দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের গাঁজা কেস এবং বাড়ি ঘর ভাংচুর করতেন। এমনকী থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত  দিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ কার্যত এমনটাই অভিযোগ করেন। বিজেপির দাবি প্রশাসন এবং তৃণমূল নেতাদের যৌথ উদ্যোগে কয়লা, বালি, গরু পাচার, শিক্ষক দুর্নীতিতে এই জেলা সব থেকে এগিয়ে। এইবারের নির্বাচনে তাই এই কেন্দ্রে ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষা’ একটি প্রধান বিষয় হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    Dilip Ghosh: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) কুমন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’ বললেন এই তৃণমূল প্রার্থী। এই মন্তব্যের জেরে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে দিলীপ এই তৃণমূল প্রার্থীকে আবার বাংলায় বহিরাগত বলেছিলেন। এই ঘটনার পর বর্ধমানে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক তর্জা শুরু হয়েছে।

    কী বলেছেন দিলীপকে (Dilip Ghosh)?

    শনিবার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কামনাড়ার গৌরকালী বাড়িতে পুজো দিয়েছেন বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর পুজো দিয়ে মন্দিরের পুরোহিতকে বলেন, “মাকে বলুন যাতে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের সম্মান রাখতে পারি। বহিরাগতদের যেন জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জামা কাপড় যেন রেখে পালিয়ে যায়।” কিন্তু অপর দিকে এদিন মন্তেশ্বরে ভোটের প্রচারে এসে তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ, দিলীপকে একেবারে অসুরের সঙ্গে তুলনা করে বসেন। তিনি কুমন্তব্য করে বলেন, “এমন মহিষাসুরকে বিজেপির লোক হাসপাতালে পাঠাক। না পাঠালে আমারা চাঁদা তুলে ওঁকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা করাবো। মমতাদিদির তৃণমূল টিম ঐ মহিষাসুরকে ভোটে হারিয়ে বধ করবে।”

    তবুও দিলীপ আত্ম বিশ্বাসী

    এদিন কীর্তি আজাদ দিলীপকে (Dilip Ghosh) উদ্দেশ্য করে আক্রমণ করে আরও বলেন, “দিলীপ ঘোষ এমন ব্যক্তি, যাঁর সমাজে কোনও জায়গা নেই। তিনি মা দুর্গা এবং মমতাদিদিকে অপমান করেছেন। মহিলাদের উনি অপমান করেন। দিলীপ ঘোষ এবং আরএসএস মহিলাদের সম্মান করতে জানেন না।” আগামী ৩১ মে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভায় ভোটের দিন। ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় কীর্তি। তিনি তৃণমূলের হয়ে এই প্রথম এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন। অপর দিকে ২০১৯ সালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ। এইবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল। তবে দিলীপ তাঁর নতুন লড়াইয়ের ময়দানে নিজের জয় নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে জেলার বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “তৃণমূল নেতারা বাংলার নারীদের অসম্মান করেন। এই এলাকার মানুষ চিনিয়ে দেবে কে আসল মহিষাসুর। বাংলায় নারী নির্যাতনে তৃণমূল সব সীমাকে ছাপিয়ে গিয়েছে।” আবার তৃণমূল নেতা তথা তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “দিলীপ (Dilip Ghosh) খারাপ কথা বলে বাংলার মানুষকে অপমান করে চলেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    Malda: মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ মালদা (Malda) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী শনিবার দুপুরে মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর হাটে এক অভিনব নির্বাচনী ভোট প্রচারে অংশ গ্রহণ করলেন। হাটে তিনি নিজের হাতে সবজি বিক্রি ও মাটির সামগ্রিক বিক্রি করেন। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মী নেতৃত্বদের নিয়ে চায়ের দোকানে নিজের হাতে চা বানিয়ে চায়ে পে চর্চা করতেও দেখা যায়। আসন্ন লোকসভার ভোটে এই অভিনব প্রচারে এলাকার ভোটারদের নজর কাড়লেন তিনি। এলাকায় ব্যাপক সাড়া বলে দাবি বিজেপির।

    হাটে এসে কী বললেন শ্রীরূপা?

    শনিবার দুপুরের মানিকচকের মথরাপুর হাটে এক অভিনব প্রচারে ভোটারদের কাছে গেলেন বিজেপি প্রার্থী। তিনি প্রচারে অংশ নিয়ে বলেন, “গ্রামের হাট হল গ্রামীণ বাংলার আসল চিত্র। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ এই কথা বলেছেন। এই হাট, গ্রাম বাংলার সচেতনতাকে উপস্থাপন করে। হাটে এলে সমগ্র পৃথিবীকে দেখতে পাই। মানুষ নিজের মনের কথা বলতে পারেন হাটে এসে। মানুষের সুবিধা-অসুবিধাকে প্রকাশ করে থাকেন এই বাজারে। হাটে বেচাকেনা মূল উদ্দেশ্যে নয় মানুষের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিকে তুলে ধরে মানুষ। আমি আজ এই নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে দিয়ে হাট-বাজারের মানুষের মনকে বুঝতে পরেছি। তাঁদের পছন্দ অপছন্দের ভাবকে বুঝতে এসেছি এই হাটে।”

    আরও পড়ুনঃ সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    সজনে ডাঁটা বিক্রি করলেন

    এদিন মাণিকচকের (Malda) হাটের সবজির দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করতে দেখা যায় মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্রকে। নিজের হাতে পাল্লা-বাটখারা নিয়ে সজনে ডাঁটা বিক্রি করতে দেখা যায় তাঁকে। নিজেই ক্রেতাদের কাছে সবজি বিক্রি করে হিসেবও করলেন। দোকানে সবজি হিসাবে ছিল ঢেরস, পটল, উচ্ছে, কাঁচা লঙ্কা, শাকপাতা ইত্যাদি। অপর দিকে নিজেই চায়ের দোকানে চা বানিয়ে কর্মীদের চা পান করালেন। একই সঙ্গে চায়ে পে চর্চায় মানুষের সঙ্গে জন সংযোগ করলেন।

    উল্লেখ্য, প্রথম থেকেই নির্বাচনী প্রচারে তিনি দৃষ্টি কেড়েছেন। সীমান্ত এলাকায় ভারত-বাংলাদেশের কাঁটা তারের ওপারে থাকা ভারতীয় পরিবারগুলির জীবন উন্নয়নের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। পানীয় জল, রেশনের সুবিধা থেকে বঞ্চনার অভিযোগে একাধিক বিষয়ে রাজ্যের শাসক দল এবং কংগ্রেসের সাংসদদের আক্রমণ করেন। তাঁর প্রচার অভিযানে মালদায় বিজেপির প্রচার এখন ব্যাপক জমজমাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    Malda: সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি ভবনে তৃণমূল দলীয় বৈঠক করার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করল বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে মালদায় (Malda)। লোকসভার নির্বাচনী বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জেলা পরিষদের গেস্ট হাউসে বৈঠক করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মূলত তৃণমূল দলের দলীয় নির্বাচনী বৈঠকের কথা জানা গিয়েছে।

    কীভাবে হল বৈঠক (Malda)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের লোকসভা নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ার পরেও শাসক দল নিজেদের নির্বাচনী কাজের জন্য সরকারি গেস্ট হাউসকে ব্যবহার করছে শাসক দল। রাজ্য সরকারের সরকারি দফতর, আধিকারিক এবং প্রশাসনকে তৃণমূলের হয়ে ভোট করানোর অভিযোগ উঠেছে। যদিও তৃণমূলের বক্তব্য সরকারি গেস্ট হাউস এক প্রকার ভাড়া নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ মালদায় (Malda) তৃণমূল হারার ভয়ে ভোট চুরির কৌশল করছে। তাই বিজেপির জেলা নেতৃত্ব নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছে।

    ৪০ জন তৃণমূল নেতা বৈঠক করেন

    গত বৃহস্পতিবার মালদা (Malda) জেলা পরিষদের গেস্ট হাউসে তৃণমূলের নির্বাচনী বৈঠক হয়েছিল। সেই সময় বৈঠকে হাজির ছিলেন জেলা সভাপতি আবদুল রহিম বক্সি, জেলার ২ প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রায়হান এবং তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে জেলার ৪০ জন নেতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দলীয় কাজে প্রশাসনকে কাজে লাগানোর কথা বলে আবদুল রহিমের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। একই ভাবে উত্তর মালদার বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু কমিশনে অভিযোগ করেন।

    বিজপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে মালদা (Malda) বিজেপি সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, “গত বৃহস্পতিবার বার্লো স্কুলের উল্টো দিকে জেলা পরিষদের অতিথি নিবাসে তৃণমূলের নির্বাচনী বৈঠক হয়। তৃণমূল সরকারি সম্পত্তিকে দলীয় সম্পত্তি হিসাবে ভাবতে শুরু করেছে। দলের জন্য সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করা ভীষণ অন্যায়।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল নেতা আবদুল রহিম বক্সি বলেন, “জেলা (Malda) পরিষদের অতিথি নিবাস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল আমাদের কাছে। আমরা ভাড়া নিয়ে কাজ করেছি। আমাদের কাছে রসিদ রয়েছে।” পাল্টা বিজেপির দাবি তৃণমূলের রসিদ ভুয়ো।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: স্কুলেই রাজনৈতিক সভা! ভোটের প্রচারে আইন ভাঙলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক

    Birbhum: স্কুলেই রাজনৈতিক সভা! ভোটের প্রচারে আইন ভাঙলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছুটির আগেই ছুটি হল স্কুলপড়ুয়াদের। এর কারণ হল স্কুলে হবে তৃণমূলের সভা। নির্বাচনী আইন ভঙ্গ করে বীরভূমে (Birbhum) রাজনৈতিক সভা করলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। স্কুলে এই সভা করার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি। বীরভূমের নানুরে সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে জনসভা করলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক ৷ বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের সমর্থনে জনসভায় আইনমন্ত্রী সহ উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও একাধিক বিধায়ক ৷ স্কুল পড়ুয়াদের স্কুল বাতিল করায় প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। রাজ্যের আইনমন্ত্রীই তাহলে কি আইন ভেঙে জনসভা করলেন? তবে মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি। 

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য(Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) পাপুড়ি হাইমাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ফকরুল আলম বলেন, “সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে ১৫ মিনিট পর্যন্ত আমাদের ক্লাস হয়। আমাদের ছুটি পরে যাচ্ছে রোজার জন্য। তাই আজ এক দুই পিয়ড করে ছুটি দিয়ে দিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের আগেই উত্তপ্ত ক্যানিং, বিজেপির কর্মীদের ব্যাপক মারধর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সভার জন্য স্কুল ছুটি?

    নুরের পাপুড়ি হাইমাদ্রাসায় (Birbhum) একটি জনসভা করে তৃণমূল-কংগ্রেস ৷ সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত মাদ্রাসার ক্লাস হয়ে থাকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী। কিন্তু, দেখা গেল এদিন বিকেল ৩ টে থেকে জনসভার ডাক দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ৩ টে বাজার অনেক আগেই ছুটি হয়ে গিয়েছে মাদ্রাসা। পুরো মাদ্রাসা তৃণমূলের দলীয় পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। বড় বড় মাইক, বক্স লাগিয়ে দুপুর থেকেই জনসভার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল তৃণমূলের নেতারা। এই জনসভার ডাক দিয়েছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক সহ নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাজি, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত কুমার মাল, কেতগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ প্রমুখ ৷ সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে জনসভা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ৷ খোদ রাজ্যের আইনমন্ত্রী কীভাবে এহেন কাজ করতে পারেন বলে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সব্যসাচী রায় বলেন, “আইন ভাঙায় ওস্তাদ তৃণমূল মন্ত্রী। কীভাবে মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে রাজ্যের আইনমন্ত্রী সভা করলেন। এই প্রশ্ন তুলে আমরা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিচ্ছি আজই।” আবার বোলপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নয় শাসকের আইন চলছে। রাজনৈতিক প্রোগাম কীভাবে স্কুলে হল এই বিষয় নিয়ে আমরা কমিশনের কাছে অভিযোগ করব। এই আইনমন্ত্রীকে কয়লা পাচারকাণ্ডে একাধিকবার তলব করা হয়েছিল কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি সিবিআই দফতরে। আইন মন্ত্রী আইন ভাঙেন শুধু।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    Howrah Station: লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার রাজ্যে। শুক্রবার সকালে হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার হল ২৭ লাখ টাকা। এই টাকার মধ্যে সব ছিল ৫০০ টাকার নোট। লোকসভা ভোটের আগে আগে এই ভাবে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার হল (Howrah Station)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও দিল্লি-হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস হাওড়ায় (Howrah Station) প্রবেশ করেছিল। ট্রেন স্টেশনে ঢোকার পর চেকিং করছিলেন জিআরপি। এরপর পাঁচ জনের গতিপ্রকৃতি দেখে সন্দেহ হয়। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি ব্যাগও ছিল। এরপর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তাঁরা ভয় পেয়ে যান। সেই সঙ্গে তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়লে ব্যাগে তল্লাশি শুরু হয়। এরপর বের হয় রাশি রাশি টাকার বান্ডিল।

    উদ্ধার হওয়া টাকা গুনতে হয় মেশিনের মাধ্যমে

    জানা গিয়েছে হাওড়ায় (Howrah Station) ধৃত পাঁচ জনের মধ্যে ২ জনের বাড়ি ধানবাদে। বাকি তিন জনের বাড়ি হল উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে। উদ্ধার হওয়া টাকা গুনতে রীতিমতো মেশিন লাগানো হয়। মেশিনে গুনে জানা যায় মোট টাকার পরিমাণ ২৭ লাখ। তবে এই টাকা কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই বিষয়ে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এখনও সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলে জানিয়েছেন জিআরপি। যদিও ধৃতরা জানিয়েছেন যে তাঁরা বড়বাজারে ব্যবসার সামগ্রী কেনার জন্য এসেছেন। কিন্তু এতো বিরাট অঙ্কের টাকা কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের কাছে কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না বললেই চলে।

    আরও পড়ুনঃ মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    আগেও উদ্ধার হয়েছে টাকা

    মাত্র হাতে গোনা কয়েক দিন আগেই এই হাওড়া স্টেশন (Howrah Station) থেকে একই ভাবে দিল্লি-হাওড়া রাজধানী থেকে টাকা উদ্ধার করেছিল রেল পুলিশ। এই বারও রাজধানী থেকে উদ্ধার হোল প্রচুর টাকা। লোকসভা ভোটে অবৈধ আর্থিক লেন-দেন এবং ভোট কেনার বিষয়ে ভীষণভাবে নজর রেখেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share