Tag: Lok Sabha Elections 2024

Lok Sabha Elections 2024

  • Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

    Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় নাম সংযুক্তিকরণ, পরিমার্জন ও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দুই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। রবিবার রাজ্যে আসছেন নীতেশ ব্যাস এবং ধর্মেন্দ্র শর্মা। সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সহ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Lok Sabha Elections 2024) অন্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। জেলাগুলির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্টও খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। এজন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে জেলাশাসকদেরও।  

    লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। কমিশন সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই বাংলায় আসছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজ্যে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমশনের দুই ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার। পরের দিন সকাল ৯টা থেকে ম্যারাথন বৈঠক করবেন তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের সব জেলাশাসকরা। লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) কাজ কতটা এগিয়েছে, কোন কোন দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন, মূলত সেই সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে বৈঠকে। আগামী লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে জুলাই মাস থেকেই। ওই মাসেই রাজ্যের সব জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। ১ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে ইভিএম পরীক্ষার কাজও। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে সেই কাজ। কিছু দিন আগেই শেষ হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ফল প্রকাশও হয়ে গিয়েছে।

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের তোড়জোড় 

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া থেকে ফল (Lok Sabha Elections 2024) প্রকাশ পর্যন্ত যেভাবে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা, লোকসভা নির্বাচনে সেরকম যাতে না হয়, তাই কোনও ফাঁক-ফোকর রাখতে চাইছে না জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সাগরদিঘি নির্বাচন যেভাবে শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাত বিহীন হয়েছে, সেইভাবেই সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, কিছুদিন আগেই ৮০ হাজার ৯০৯টি বুথের উল্লেখ করে রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। এক লক্ষ ১৪ হাজার ৯৯৪টি কন্ট্রোল ইউনিটও খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। পরীক্ষা করা হবে লাখ দেড়েক ভিভিপ্যাটও। এসব কাজের পাশাপাশি ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজও চালানো হবে। 

    আরও পড়ুুন: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রক্তের, মোদিকে সাফ জানালেন হাসিনা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    PM Modi: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে দেশের বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। সংগঠনের নাম ‘ইন্ডিয়া’। এই জোটের তৃতীয় বৈঠকটি হয়ে গেল বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে। তবে বিরোধীরা যতই জোট বাঁধুন না কেন, তৃতীয়বার কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জিতবে বিজেপি-ই

    বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই তিনি বলতে শুরু করেছেন, কেন্দ্রের কুর্সিতে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি-ই। তাঁর জমানায় যে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং তার জেরে যে আমভারতবাসী বিজেপিকেই ভোট দেবেন, সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও বিজেপি যে ক্ষমতায় ফিরছে, তা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। কেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই দিল্লির তখতে বসছে, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অর্থনীতির ব্যাপক উন্নয়ন

    তাঁর সরকারের আমলে অর্থনীতির ব্যাপক উন্নয়নই তাঁদের ফের ক্ষমতায় ফেরাবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে এনডিএ সরকার। সেই সময় বৃহত্তর অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশম স্থানে ছিল ভারত। আর মোদির ন’ বছর শাসনে দেশের ঠাঁই হয়েছে ওই তালিকার পঞ্চম স্থানে। দীর্ঘদিন যে জায়গাটা ধরে রেখেছিল ইংল্যান্ড। সেই রাজার দেশকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে মোদির ভারত।

    আরও পড়ুুন: জি২০ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন-মাঁক্র, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি?

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিরিখে যদি দেশবাসী বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরাতে মনস্থ করেন, তাহলে আরও আছে। তাঁর আমলেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে চন্দ্রযান ৩। ভারত যেদিন চন্দ্রবিজয় করেছে, তারই দিন কয়েক আগে চাঁদের মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে রাশিয়ার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের স্বপ্ন। তাই বিশ্ববাসীর চোখে আক্ষরিক অর্থে হিরো হয়ে গিয়েছে মোদির ভারত। চাঁদমারি সফল হওয়ার পর পরই সূর্যালোকে আদিত্য এল ওয়ান পাঠিয়েছে ভারত। দূর থেকে সূর্যের হালহকিকৎ বোঝার চেষ্টা করবে ইসরো প্রেরিত এই যান।

    জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্বও ভারত পেয়েছে মোদির (PM Modi) জমানায়। দেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে সম্মান অর্জন করেছেন, সাম্প্রতিক অতীতে তা পাননি কোনও প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির আমলেই চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যার জেরে কমেছে দারিদ্র। তাই ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি-ই ফের ক্ষমতায় আসছে বলে জানান মোদি। তাঁর আমলেই ভারত যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা করে নেবে, সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

        

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন 

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর বিষয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং আমজনতার মতামত জানতে চাইল কেন্দ্র। বুধবার আইন কমিশনের (ল’কমিশন) তরফে এ সংক্রান্ত  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মতামত জানাতে হবে নাগরিক নির্বিশেষে সরকারি সিলমোহরপ্রাপ্ত ধর্মীয় সংগঠনগুলিকে। 

    এক পরিবার এক আইন

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালু হলে সব ধর্মের মানুষ একই রকম পারিবারিক, বিবাহ ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইন মানতে বাধ্য থাকবেন। ওই আইন কার্যকর হলে মুসলিমদের পার্সোনাল ল’বোর্ডের কার্যত কোনও ভূমিকা থাকবে না। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, সন্তান দত্তক নেওয়া থেকে সম্পত্তির উত্তরাধিকার চয়ন নিয়ে এক এক দেশে ধর্ম এবং জাতি নির্বিশেষে নিজস্ব আইন-কানুন রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হলে দেশের সমস্ত নাগরিককে একই পারিবারিক আইন মেনে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    নয়ের দশক থেকেই দেশে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর প্রস্তাব দিয়ে আসছে বিজেপি। এমনকি তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারেও লাগাতার জায়গা পেয়ে এসেছে বিষয়টি। সামনে আসে খসড়া নীতিও। বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যেও ওই বিধি চালুর প্রস্তাব উঠতে দেখা যায়। ‘২৪-এর নির্বাচনের আগে সেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করতে নতুন করে তৎপর হল কেন্দ্র। জনমনে এ নিয়ে কী  ভাবনা, মতামত রয়েছে, তা জানতে তৎপর হল ২২তম আইন কমিশন। সরকারি সিলমোহর প্রাপ্ত ধর্মীয় সংগঠনগুলির মতামতও গ্রহণ করা হবে। তার জন্য সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হল। বুধবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এখন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন আগ্রহী নাগরিক এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলি। তার জন্য আইন কমিশনের ওয়েবসাইট https://lawcommissionofindia.nic.in/notice/uniform-civil-code-public-notice/-এ গিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে থাকা  ‘Click Here‘ অপশন বেছে নিতে হবে। অথবা ‘membersecretary-lci@gov.in‘ আইডি-তে ইমেল করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন তালাক, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পরে দেশ এ বার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়ন করতে চলেছে মোদি সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share