Tag: Lok Sabha Elections 2024

Lok Sabha Elections 2024

  • Mithun Chakraborty: ‘‘আমি বিজেপির ক্যাডার, লিডার নই’’, ৪০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ‘মহাগুরু’

    Mithun Chakraborty: ‘‘আমি বিজেপির ক্যাডার, লিডার নই’’, ৪০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ‘মহাগুরু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এবার ছবির কথা বলব। রাজনীতির কথা বলব না।” পয়লা জুন, লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর কথাগুলি বললেন অভিনেতা কাম রাজনীতিক বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তিনি বলেন,  ‘‘আমি বিজেপির ক্যাডার, লিডার নই”।

    ভোটের লাইনে মিঠুন

    বেলগাছিয়ার ২৪৮ নম্বর বুথের ভোটার মিঠুন। সকালেই চলে যান বুথে। লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতো। ঠায় চল্লিশ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন ‘অন্যায় অবিচারে’র নায়ক। যদিও তাঁকে এগিয়ে গিয়ে আগে ভোট দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন লাইনে দাঁড়ানো বেশ কয়েকজন ভোটার। তবে এই সুযোগ নিতে রাজি হননি এই অভিনেতা-রাজানীতিক। এদিকে, রূপোলি পর্দার ‘মহাগুরু’কে হাতের কাছে পেয়ে যথারীতি এল সেলফি তোলার আবেদন। মিঠুন তাতে রাজি হলে বাধ সাধেন তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তৃণমূলের দেবিকা চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করছেন মিঠুন। ততক্ষণাৎ অভিনেতা-কাম রাজনীতিক (Mithun Chakraborty) বলেন, “আমি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছি। এই বিষয়ে আমি কিছু বলব না। আমি কাউকে চিনি না।”

    কী বললেন অভিনেতা-রাজনীতিক?

    এর পরেই বিজেপির এই তারকা নেতা বলেন, “নির্বাচনের ডিউটি ছিল ৩০ মে পর্যন্ত। দলের নির্দেশ ছিল। আমি পূরণ করেছি। এবার আমার কাজ হল পেশাগত জীবনে চলে যাওয়া। শনিবার থেকে আমি আমার পেশাগত জীবনে ঢুকছি। এদিন থেকেই আমি ছবির কাজ করব।” পদ্ম শিবিরের এই তারকা রাজনীতিক বলেন, “আমি কোনও সময় দুটো কাজ এক সঙ্গে করি না। তাই এবার থেকে ছবির কথা বলব, রাজনীতির কথা নয়।”

    আর পড়ুন: শেষ দফা ভোটে অশান্ত ভাঙড়, জয়নগর, আক্রান্ত বিজেপি, জলে ফেলা হল ইভিএম

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি আয়োজিত ব্রিগেডের জনসভায় ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত মিঠুন হাতে তুলে নিয়েছিলেন গেরুয়া ঝান্ডা। তার আগে তিনি ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। পদ্ম-পার্টিতে যোগ দিয়েই জোর কদমে জনসভা করতে শুরু করেন মিঠুন। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময় এক এক দিনে মিঠুন সভা করেছিলেন চার-পাঁচটি করে। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনেও রাজ্যে সভা-সমাবেশ-মিছিল এবং রোড-শো করেছেন মিঠুন। তবে বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় কম। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এবার তুলনামূলকভাবে কম সভা করেছেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Lok Sabha Election 2024: কন্যাকুমারীতে ধ্যানমগ্ন প্রধানমন্ত্রী, আজ মোদি-গড় সামলাচ্ছেন বিশ্বস্ত অমিত

    Lok Sabha Election 2024: কন্যাকুমারীতে ধ্যানমগ্ন প্রধানমন্ত্রী, আজ মোদি-গড় সামলাচ্ছেন বিশ্বস্ত অমিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্যানে বসেছেন মোদি (PM Modi Meditation)। তাঁর হয়ে ভোট সামলাচ্ছেন অতি বিশ্বস্ত অমিত শাহ। শনিবার শেষ দফায় বারাণসী (Varanasi) কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালে ধ্যানে বসেছেন। শনিবারও যখন ভোট (Lok Sabha Election 2024) হবে, তখন তিনি ধ্যানমগ্ন থাকবেন। ভোটের দিন নিজের কেন্দ্র নিয়ে মাতামাতি নেই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে। তাঁর কেন্দ্র বারাণসীতে ভোটের লড়াইয়ের দেখভাল করবেন শাহ। যেহেতু বারাণসীর ভোটার নন শাহ (Amit Shah), তাই বারাণসী কেন্দ্রের আশেপাশে যেখানে ভোট নেই এমন কোনও জায়গায় ক্যাম্প করবেন তিনি।

    মোদির দুর্গ সামলাবেন শাহ

    দলীয় সূত্রে খবর শনিবার ভোটের (Lok Sabha Election 2024) সময় বিজেপির দিল্লির সদর দফতরে হাজির থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুষ গোয়েল, সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকরি এবং বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁরা শাহের কাছে থেকে বারাণসীর ভোটের হালচাল জানাবেন। প্রসঙ্গত বারাণসীতে এখন তীব্র গরম। গরম উপেক্ষা করে মানুষকে কীভাবে ভোটমুখী করা যায় তা নিয়ে এই চিন্তায় সমস্ত রাজনৈতিক দল। দলের অনুগত ভোটারদের যাতে বুথমুখী করা যায়, তার জন্য নানান চেষ্টা চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। ইতিমধ্যেই বারাণসী জেলায় শুক্রবার ৩৪ জন গরমে অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। শতাধিক মানুষ গরমের কারণে নানান অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে তীব্র তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে ভোটাররা কীভাবে লাইনে দাঁড়াবেন তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে রাজনৈতিক  দলগুলি।

    প্রধানমন্ত্রীর জয় নিয়ে সংশয় নেই বিজেপি শিবিরে (PM Modi Meditation)

    প্রধানমন্ত্রী জয় নিয়ে বিজেপি শিবিরে কোনও সংশয় নেই। তবে মার্জিন বিজেপির কাছে মান রক্ষার বিষয় হতে পারে। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে দাঁড়ানো প্রধানমন্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস প্রার্থী অজয় রাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর মার্জিন কমে গেলে সেটা কেও তাঁর হার হিসেবে গণ্য করা হবে। প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ৪ লক্ষ ৭৫ হাজারের ব্যবধানে জিতেছিলেন। এবার ৫ লক্ষের মার্জিন আশা করছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    কিন্তু এই মার্জিনে জিততে গেলে রেকর্ড সংখ্যায় ভোটারদের বুথমুখী করতে হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে ব্যস্ততার কারণে ১৬ দিনের মাত্র দুবার বারাণসী গিয়েছেন। একটি জনসভা ও একটি রোড শো করেছেন। তাঁর হয়ে প্রচার চালিয়েছেন দলের কর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী বারাণসী থেকে দাঁড়াচ্ছেন এটা বারাণসী কেন্দ্রের ভোটারদের কাছে একটি বাড়তি পাওনা (Lok Sabha Election 2024)। প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে ৪ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে প্রায় ৩৬ জন মন্ত্রী বারাণসীতে প্রচার চালিয়েছেন। প্রচারে নিরিখে বিজেপির ধারে কাছে পৌঁছতে পারেননি কংগ্রেস প্রার্থী। মার্জিন বাড়াতে এবার চোখ ধাঁধানো প্রচারের পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে জোর দিয়েছিল বিজেপি। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই নিশ্চিন্ত মনে ধ্যানে গিয়েছেন মোদি (PM Modi Meditation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    PM Modi: বিরোধীদের ‘ব্রহ্মাস্ত্রে’ই তাঁদের ঘায়েল করলেন প্রধানমন্ত্রী, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করেছিলেন বিরোধীরা। তবে অস্ত্র প্রয়োগের সঠিক কৌশল না জানলে যে সেটি বুমেরাং হয়ে ফিরতে পারে, তা বোধহয় জানা ছিল না ইন্ডি জোটের নেতাদের! বিরোধীদের সেই ব্রহ্মাস্ত্রকেই হাতিয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুধু হাতিয়ারই করলেন না, বিধোধীদের অস্ত্রেই কুপোকাত করলেন তাঁদের। হেঁয়ালি ছেড়ে আসা যাক খবরে।

    ‘ইন্ডি’র হাতিয়ার (PM Modi)

    দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ-পর্ব। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে পয়লা জুন। এই নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম ‘ইন্ডি’। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই জোটের নেতারাই বিভিন্ন জনসভায় দাবি করেছেন, কেন্দ্রে ফের মোদি সরকার এলে বিপন্ন হবে সংবিধান। এই সংবিধান রক্ষার্থেই ইন্ডিয়া ব্লককে ভোট দেওয়া প্রয়োজন বলে গলা ফাটিয়েছিলেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ইন্ডি জোটের বিভিন্ন নেতা।

    পাল্টা বাণ মোদির

    বিরোধীদের এই ব্রহ্মাস্ত্রকেই হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সেটি পাল্টা ছুড়েছেন বিরোধীদের দিকেই। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আপনারা যদি প্রকৃতই সংবিধান বাঁচাতে চান, গণতন্ত্র রক্ষা করতে চান, চান ওবিসিদের সংরক্ষণ, তাহলে আপনাদের উচিত বিজেপিকে ভোট দেওয়া।” কর্নাটকে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, “কীভাবে সংবিধানের বিধি লঙ্ঘন করে ধর্মের ভিত্তিতে মুসলমানদের সংরক্ষণের আওতায় আনা হল?”

    কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বড় খোলসা

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি যে নিছক কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মেলে কলকাতা হাইকোর্কের রায়েই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীনই ২০১০ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে যাঁদের ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেগুলিকে ‘অবৈধ’ তকমা সেঁটে দিয়ে তা বাতিল করে দেয় উচ্চতর আদালত। আদালতের এই রায়কেও হাতিয়ার করে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেসের চেয়ারম্যান হংসরাজ আহির জানান, রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ১৭৯টি শ্রেণির নাম রয়েছে। এর মধ্যে ১১৮টি শ্রেণিই মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত।

    আর পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    রাহুল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে সংবিধানকে দুর্বল করে দেওয়ার কথা বলছেন, তখনও তাকেই ‘বাণ’ হিসেবে বিরোধীদের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ওরা (কংগ্রেস) ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে সংবিধানকে অপমান করতে চায়। কিন্তু আমি তাদের বলতে চাই, যতদিন আমি বেঁচে থাকব, আমি তাদের দলিত, এসসি-এসটি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণের ভাগ কমিয়ে মুসলমানদের দিতে দেব না। ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে দেব না।”

    উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের এক জনসভায়ও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “বিরোধীরা মুসলমানদের সংরক্ষণের আওতায় আনতে সংবিধান বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” অন্যত্র তিনি বলেছিলেন, “ইন্ডি জোটের নেতারা সংবিধান বদলে দেবে। তারা আবার নতুন করে সংবিধান লিখবে। ভারতে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ECI: ভোটে নাক গলানোয় ওড়িশায় সাসপেন্ড আইপিএস অফিসার

    ECI: ভোটে নাক গলানোয় ওড়িশায় সাসপেন্ড আইপিএস অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে একশো শতাংশ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নির্বাচন কমিশন (ECI)। অযাচিতভাবে নির্বাচনে নাক গলানোয় এবার সাসপেন্ড করা হল এক আইপিএস অফিসারকে। এই আধিকারিকের নাম ডিএস কুট্টে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের তরফে এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কুট্টে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের স্পেশাল সেক্রেটারি। তিনি ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস অফিসার। অ্যাডিশনাল ডিজি পদমর্যাদার অফিসার তিনি।

    কমিশনের নির্দেশ (ECI) 

    কমিশনের (ECI) নির্দেশে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সচিব ডিএস কুট্টেকে নির্বাচন পরিচালনায় অযথা হস্তক্ষেপের জন্য প্রাসঙ্গিক পরিষেবা বিধির আওতায় সাসপেন্ড করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, কুট্টের সদর দফতর ওড়িশার রেসিডেন্ট কমিশনারের অফিসে ২৯ মে বিকেলের মধ্যে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, ওড়িশার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কুট্টেকে চার্জশিটের খসড়া সরবরাহ করবেন এবং ওড়িশার মুখ্যসচিব ৩০ মে বিকেল পাঁচটার মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরিষেবা বিধি অনুসারে চার্জশিটের ব্যবস্থা করবেন।

    কুট্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, গত মাসে কুট্টের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বসে বিজু জনতা দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ করেছিল বিজেপি। দ্রুত তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি কল ডিটেলস রেকর্ড পুনরুদ্ধার করার দাবি জানানো হয়। এদিকে, আর এক আইপিএস অফিসার আশিস সিংহকেও মেডিক্যাল টেস্টের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত ৪ মে থেকে মেডিক্যাল লিভে রয়েছেন তিনি। ৩০ মে-র মধ্যে তাঁকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য হাজিরা দিতে হবে। ভুবনেশ্বরের এইমসে এই পরীক্ষা হবে, পরীক্ষার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছে কমিশন। আশিস ২০১০ ব্যাচের আইপিএস।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    কমিশন সূত্রে খবর, গত ২৭ মে সিইওর তরফে অভিযোগ পেয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে এই দুই আইপিএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, খোরধা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা প্রার্থী প্রশান্ত জগদেবের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার একটি বুথে ইভিএম ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে (ECI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নির্বাচনী প্রচার শেষে তিনদিনের জন্য কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: নির্বাচনী প্রচার শেষে তিনদিনের জন্য কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মাস দুয়েক ধরে কার্যত চষে বেড়িয়েছেন গোটা দেশ। শেষ তথা সপ্তম দফার নির্বাচন হবে পয়লা জুন। তার আটচল্লিশ ঘণ্টা আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রচার। ভোটের ফল বের হবে ৪ জুন। মাঝের এই সময়টাকেই কন্যাকুমারীতে ধ্যানের জন্য বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    কেন কন্যাকুমারীকে বাছলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, ৩০ মে থেকে তিনদিনের জন্য এখানে ধ্যান করবেন প্রধানমন্ত্রী। কন্যাকুমারীতে একটি পাথর রয়েছে। হিন্দুদের বিশ্বাস, ভগবান শিবকে পতি হিসেবে পাওয়ার জন্য এই পাথরের ওপর এক পায়ে ঠায় দাঁড়িয়ে তপস্যা করেছিলেন কুমারী পার্বতী। তাই এই এখানকার নাম কন্যাকুমারী। ১৮৯২ সালে এই প্রস্তরখণ্ডের ওপর বসে তিনদিন ধরে তপস্যা করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দও। মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তাল সমুদ্র সাঁতরে তিনি গিয়েছিলেন ওই পাথরে। পরবর্তীকালে এই প্রস্তরখণ্ডের নাম হয় বিবেকানন্দ রক। ভারতের দক্ষিণতম বিন্দু এটি (PM Modi)। এবার সেই একই পাথরের ওপর বসে তিনদিন ধ্যান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। 

    প্রধানমন্ত্রী ধ্যান করেছেন আগেও

    ২০১৪ সালের প্রচার শেষেও (এই বছরই কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার) প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন শিবাজির প্রতাপগড়ে। এখানেই শিবাজির সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছিল আফজল খাঁর। উনিশের নির্বাচনের প্রচারের শেষে তিনি গিয়েছিলেন কেদারনাথের এক গুহায় ধ্যান করতে। এবার যাবেন তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারীতে।

    আর পড়ুন: “শুধু তাজমহলই ভারত নয়, এদেশে আরও অনেক পর্যটনস্থল রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মূল ভূখণ্ড থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের মধ্যে রয়েছে এই বিশেষ পাথর। পাথরটির চারদিকে খেলা করছে ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরের ঊর্মিমালারা। সেখানেই রয়েছে ‘ধ্যান মণ্ডপম’। এই মণ্ডপেই ধ্যানমগ্ন হবেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাঁকে দিয়ে কোনও বিশেষ কাজ করাতে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরমাত্মা। কীভাবে সেই কাজ তাঁকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছেন, তা তিনি জানেন না।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই পরমাত্মার সঙ্গে যোগসাধন করতেই ধ্যানমগ্ন হবেন ‘ঋষি’-প্রধানমন্ত্রী। কন্যাকুমারীতেই মিশেছে ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলও। রাজনৈতিক মহলের মতে, ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি এই জায়গায় ধ্যানমগ্ন হয়ে দেশবাসীকে ঐক্যের বার্তাও দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: তিলোত্তমায় প্রথম রোড-শো প্রধানমন্ত্রীর, কলকাতা দেখল গণ-উন্মাদনা

    PM Modi: তিলোত্তমায় প্রথম রোড-শো প্রধানমন্ত্রীর, কলকাতা দেখল গণ-উন্মাদনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় প্রথম রোড-শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গল-সন্ধ্যায় শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করে সূচনা হয়েছিল যে যাত্রার, সেই যাত্রাই শেষ হল আড়াই কিলোমিটার দূরে স্বামীজির বাড়ির সামনে গিয়ে, বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা জানিয়ে। কলকাতা উত্তর কেন্দ্রের প্রার্থী তাপস রায়ের সমর্থনে এদিন রোড-শো করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ফুলেল রাস্তার বুক চিরেই চলল প্রধানমন্ত্রী যান (PM Mod)

    রাজ্যের আরও আটটি আসনের সঙ্গে এই কেন্দ্রেও নির্বাচন হবে পয়লা জুন, সপ্তম তথা শেষ দফায়। রোড-শো শুরুর সময় প্রধানমন্ত্রীর দু’পাশে বঙ্গ বিজেপির দুই প্রধান সৈনিক – রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন দমদমের বিজেপি প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত-ও। রোড-শো শুরু হতেই তাপসকে এগিয়ে দিয়ে পিছনে চলে যান শুভেন্দু। যাত্রা পথের (PM Modi) পুরোটা জুড়েই ছিল ফুল ছড়ানো। সেই ফুলেল রাস্তার বুক চিরেই ধীর লয়ে এগিয়ে চলে প্রধানমন্ত্রীর যান। প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে রাস্তার দু’ধারে ভিড় করেছিলেন লাখো জনতা। তাঁরা কেউ স্লোগান দিয়েছেন জয় শ্রীরাম, কাউকে আবার বলতে শোনা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি জিন্দাবাদ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে হাতজোড় করে প্রণামও করতে দেখা গেল একজনকে।

    প্রধানমন্ত্রীর উদারতা

    রোড-শো শুরুর আগে বাগবাজারে সারদা দেবীর বাড়িতে গিয়ে প্রার্থনা করেন প্রধানমন্ত্রী। দেখা করেন মহারাজদের সঙ্গে। এখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রসাদী শাল, ধুতি, চাদর, বই, সারদা মায়ের ছবি এবং নির্মাল্য। প্রধানমন্ত্রী তাঁর হয়ে সভা করতে আসায় যারপরনাই খুশি তাপস। বলেন, “এ হল প্রধানমন্ত্রীর উদারতা। এত বড় নেতা, দেশের নেতা, উনি আমার জন্য প্রচার করতে এসেছেন।” রোড-শোয়ের আগে এদিন নির্বাচনী সভা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    সেখানে বলেন, “আগে আপনাদের বলেছিলাম না, না খায়ুঙ্গা, না খানে দুঙ্গা। কথা রেখেছি। গত দশ বছরে কেন্দ্রে কোনও দুর্নীতি হতে দিইনি। আর এবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বলছি, যারা দুর্নীতি করেছে, তাদের বের করে দেব। আর যাদের থেকে খেয়েছে, তাদের সব ফিরিয়ে দেব।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূলের নেতাদের কাছে যে নোটের পাহাড় দেখা গিয়েছে, সেই সব টাকার হিসেব হবে। কীভাবে ফেরত পাবেন, তা আমি দেখছি। আইন তৈরি করে সেই টাকা ফেরত দেব (PM Modi)।”

    আর পড়ুন: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

    PM Modi: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি।” কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’দিনের সফরে মঙ্গলবার কলকাতায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে জনসভা করেন বারুইপুরে। সন্ধেয় কলকাতায় রোড-শো করার কথা। তার আগে সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এক পেশে লড়াই হচ্ছে। এই লড়াই তৃণমূল লড়ছে স্রেফ অস্তিত্ব রক্ষার জন্য।”

    টিকে থাকার লড়াই তৃণমূলের! (PM Modi)

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। সাত দফায় নির্বাচন হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে এখনও ভোট হয়নি ৯টি কেন্দ্রে। পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে এই কেন্দ্রগুলিতে। তার আগে দু’দিনের বঙ্গ সফরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বাংলার ভোটে তৃণমূল দল কেবল টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন বাংলায় বিজেপির তিনটি আসন ছিল। সেখান থেকে বেড়ে ৮০টি (আসলে ৭৭টি) হয়েছিল। গত লোকসভা নির্বাচনে আমরা প্রচুর সমর্থন পেয়েছিলাম।”

    বেস্ট পারফর্মিং রাজ্য

    এর পরেই তিনি বলেন, “গোটা দেশের মধ্যে বাংলা হবে বিজেপির বেস্ট পারফর্মিং রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গে সব চেয়ে বেশি সাফল্য পাবে বিজেপি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় লাগাতার খুন আর হামলার ঘটনা ঘটছে। ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের জেলে ভরে দেওয়া হচ্ছে। এই সব অত্যাচার সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক মানুষ বেরিয়ে এসে নিজের ভোট নিজে দিচ্ছেন।” সাক্ষাৎকারে প্রত্যাশিতভাবেই ওঠে ওবিসিদের শংসাপত্র বাতিলের প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কলকাতা হাইকোর্ট বেআইনিভাবে দেওয়া ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূল এখন উচ্চ আদালতকে আক্রমণ করছে। বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে খারাপ কথা বলছে।”

    আর পড়ুন: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধের নির্দেশ, সময় বেঁধে দিল হাইকোর্ট

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণের লক্ষ্য ছিল কংগ্রেসও। তিনি বলেন, “ওদের একটা সুনির্দিষ্ট ছক রয়েছে। প্রথম পাপ ওরা করেছে অন্ধ্রপ্রদেশে। সেখানে মুসলমানদের সংরক্ষণ দেওয়ার পাপ করেছে। ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কোনও বিধান নেই সংবিধানে। তাই সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে। এবার ওরা পিছনের দরজা দিয়ে মুসলমানদের ওবিসির তালিকায় সংরক্ষণ দিতে চাইছে। কেড়ে নিতে চাইছে ওবিসিদের অধিকার।” নাম না করে ‘ইন্ডি’ জোটকেও আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “যাঁরা নতুন স্বপ্ন দেখে নতুন দৌড় শুরু করেছিলেন, তাঁদের কাছেও এটা শেষ দৌড়। কেবল নির্বাচনের নয়, ওদের অস্তিত্বেরই শেষ দৌড় (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: প্রধানমন্ত্রীকে রেকর্ড ভোটে জেতাতে বারাণসীতে বিজেপির তারকা প্রচারকের ভিড়

    Lok Sabha Elections 2024: প্রধানমন্ত্রীকে রেকর্ড ভোটে জেতাতে বারাণসীতে বিজেপির তারকা প্রচারকের ভিড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি বারাণসীর দু’বারের সাংসদ। এবারও বিশ্বনাথ ‘ধামে’ বিজেপির প্রার্থী তিনিই। সেই নরেন্দ্র মোদিকে বারাণসী কেন্দ্রে রেকর্ড ভোটে জেতাতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপির তারকা প্রচারকের দল (Lok Sabha Elections 2024)। পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে বারাণসীতে। সোমবার বিশ্বনাথের রাজ্য জয়ে বারাণসীতে ভিড় গেরুয়া পার্টির হেভিওয়েট নেতাদের। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন তামিল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মত বিনিময় করেন জয়শঙ্কর। পরে সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী বলেন (Lok Sabha Elections 2024), “বিশ্ব দেখবে, আগামী ৪ জুন ভারতে মোদি ৩.০ সরকার গঠন হবে। বারাণসী নিজেই দেশের পুরো জনগণকে একটি বার্তা দিচ্ছে যে আগামী ৪ জুন তৃতীয়বারের মতো একটি বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গঠিত হবে মোদি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ সারা বিশ্ব ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে আলোচনা করছে, যা দেশবাসীর জন্য গর্বের। আজ ভারতের ছবি ও সুনাম সারা বিশ্বে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে, মোদির দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের কারণে।”

    বিদেশনীতিতে নয়া দিগন্ত

    জয়শঙ্কর বলেন, “মোদির নেতৃত্বে ভারত তার বিদেশনীতিতে নয়া দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে এবং গতিশীল হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।” জয়শঙ্কর যখন বারাণসীর তামিল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মত বিনিময় করছিলেন, তখন যাদব অধ্যুষিত সীর গোবর্ধনপুর এলাকায় জনসভা করছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক নানা কাজকর্মের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

    আর পড়ুন: “যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন…”, সংরক্ষণ নিয়ে কী বললেন নাড্ডা?

    এই সময়সীমায় দেশ কীভাবে এগিয়েছে, কীভাবেইবা বিশ্বের দরবারে ভারতের স্থান উঁচুতে হয়েছে, তা-ও জানান মোহন। এদিনই সিটি সাউথ বিধানসভা এলাকায় বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় বক্তৃতা দেন ব্রজেশ। মোদি সরকারের উন্নয়নমূলক নানা কাজকর্মের ফিরিস্তিও দেন তিনি। পরে বিজেপির এই তারকা প্রচারক দল বারাণসীর বিভিন্ন অংশে গিয়ে মত বিনিময় করেন ভোটারদের সঙ্গে।

    এদিকে, রবিবারই বারাণসীতে ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং জয়শঙ্কর। নাড্ডা বলেন, “বারাণসী মোদির পরিবার। বারাণসীর বাসিন্দারা দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেছেন (Lok Sabha Elections 2024)।” আজ, সোমবার বারাণসীতে বিশাল শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Polls 2024: রেকর্ড ভোট অনন্তনাগ-রাজৌরি লোকসভা কেন্দ্রে, কত শতাংশ জানেন?

    Lok Sabha Polls 2024: রেকর্ড ভোট অনন্তনাগ-রাজৌরি লোকসভা কেন্দ্রে, কত শতাংশ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড ভোট পড়ল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ-রাজৌরি লোকসভা কেন্দ্রে (Lok Sabha Polls 2024)। শনিবার ষষ্ঠ দফায় নির্বাচন হয়েছে এই আসনে। দিনের শেষে দেখা গিয়েছে মতদান করেছেন ৫৩ শতাংশ ভোটার। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছিল মাত্র ৯ শতাংশ। এবার ভোটদানের হার বাড়ল ৬ গুণ।

    রেকর্ড ভোট (Lok Sabha Polls 2024)

    এদিন বেলা তিনটের মধ্যেই এই কেন্দ্রে ভোট পড়ে গিয়েছিল ৪৫ শতাংশ। বেলা ১টার মধ্যে ভোট পড়েছিল ৩৫ শতাংশ। রাজৌরির বুদ্ধল এলাকায় ভোট পড়েছে ৬৮ শতাংশ। কুলগাম বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৩৪ শতাংশের কিছু বেশি। সামগ্রিকভাবে অনন্তনাগ, কুলগাম, সোপিয়ান এবং পুলওয়ামার চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলায়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে এই দুই জেলায় ভোট পড়ে যায় (Lok Sabha Polls 2024) ৬৫ শতাংশ।

    ভোটারদের উৎসাহ 

    জম্মু-কাশ্মীরের পাঁচটি লোকসভা আসনে নির্বাচন হয়েছে পাঁচ দফায়। ষষ্ঠ দফায় ভোট হয়েছে অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে। এর আগে বেশি ভোট পড়েছিল শ্রীনগর ও বারামুল্লায়। শতাংশের হিসেবে এই দুই কেন্দ্রে ভোট পড়েছিল যথাক্রমে ৩৫ ও ৫৯। রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলায় ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। উনিশের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা ছিল ১৩.৯৩ লাখ। সেটাই এবার বেড়ে হয়েছে ১৮.৩৬ লাখ। এর মধ্যে প্রথমবার ভোট দেবেন এমন ভোটারের সংখ্যা ৮১ হাজার। এই লোকসভা কেন্দ্রে কাশ্মীরি পণ্ডিত ভোটার ছিলেন প্রায় ২৫ হাজার।

    আর পড়ুন: ফের জমি দখল! ১০ লক্ষ টাকা দাবি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ জমি মাফিয়ার, দায়ের হল অভিযোগ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রার্থী হাসনেইন মাসুদি। তিনি পেয়েছিলেন মাত্র ৪০ হাজার ১৮০টি ভোট। যদিও ভোটারের সংখ্যা সেবার ছিল ১৩ লাখের কিছু বেশি। ভোট দিয়েছিলেন মাত্র ৯ শতাংশ ভোটার। এই নির্বাচনের পরেই ভূস্বর্গে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই বাড়ল ভোটদানের হার। অথচ ২০১৪ সালে এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছিল ২৮ শতাংশ। এই কেন্দ্রে সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ১৯৮৪ সালে, ৭০ শতাংশ। আর সব চেয়ে কম ভোট পড়েছিল ১৯৮৯ সালে, মাত্র ৫ শতাংশ। বর্তমানে রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলা অনন্তনাগ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। সীমানা পুনর্বিন্যাসের ফলেই এটা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ১৯৬৭ সাল থেকে ২০২২ সালের আগে পর্যন্ত ভূস্বর্গে হয়নি সীমানা পুনর্বিন্যাস। ৩৭০ জারি থাকায় ওই কাজ হয়নি। উনিশে রদ হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই শুরু হয় সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ (Lok Sabha Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rajnath Singh: “৪০০ পার নিছক স্লোগান নয়…”, সাক্ষাৎকারে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “৪০০ পার নিছক স্লোগান নয়…”, সাক্ষাৎকারে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন পাবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এবার প্রধানমন্ত্রীর সেই কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের (Rajnath Singh) মুখেও।

    ৪০০ আসন পার… (Rajnath Singh)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি এবং তার জোটসঙ্গীরা লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন পাবে।” শনিবারই দেশে হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ভোট হয়েছে ৫৮টি আসনে। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে পয়লা জুন। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিজেপির অন্য শীর্ষ নেতারাও প্রত্যয়ী, এবার ৪০০ আসন পাবে বিজেপি। এবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির স্লোগান ছিল, ‘অব কি বার, ৪০০ পার’। এ প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “এটা নিছকই আমাদের প্রচারের স্লোগান নয়, এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা। আজ, ষষ্ঠ (২৫ মে) দফার নির্বাচন শেষে আমরা খুবই কনফিডেন্ট যে ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যাব আমরা।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    গত ১২ মে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার (Rajnath Singh) দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “এবার পূর্ব ভারতেও বিজেপি দাপিয়ে বেড়াবে। যার জেরে এনডিএ অনায়াসেই ৪০০ আসনের লক্ষ্মণরেখা অতিক্রম করে যাবে।” তিনি বলেছিলেন, “আমি ভারতের প্রায় সব কেন্দ্রেই গিয়েছি। আমি বলতে পারি, বিজেপিতে অনেক রং যোগ করেছে বিহার। তাই এনডিএর যে ৪০০ পারের রেজ্যুলিউশন, তা অতিক্রম করবে এনডিএ। কেবল বিহার নয়, এ ছবি কমবেশি গোটা দেশের একই।”

    আর পড়ুন: “কাঁথি-তমলুক বিজেপি জিতছে”, দিনভর তদারকি করে প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    এবারও উত্তরপ্রদেশের লখনউ আসনে লড়ছেন রাজনাথ। তিনি এই কেন্দ্রের দু’বারের সাংসদ। এক সময় এই আসনেই জয়ী হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ী। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে বিজেপি। উনিশের নির্বাচনে তার চেয়ে বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে পদ্ম-পার্টি। রাজনাথকে দেওয়া হয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গুরুদায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র স্লোগান মাথায় রেখে রাজনাথ ২০২০ সালেই ১০১টি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আমদানি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। তার পরের বছরও ১০৮টি মিলিটারি অস্ত্র এবং সিস্টেম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন রাজনাথ (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share