Tag: Lok sabha Vote 2024

Lok sabha Vote 2024

  • BJP Central Team: বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা, চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল পাঠাচ্ছে বিজেপি

    BJP Central Team: বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা, চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও ভোট-সন্ত্রাস হয়েছে শুধুমাত্র একটি রাজ্যে এবং তা হল পশ্চিমবঙ্গ। এমনই অভিযোগ কেন্দ্রীয় বিজেপির (BJP Central Team)। প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ প্রতিটি জেলাতেই বিজেপির পার্টি অফিসে ঢুকে হামলা বা বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের ওপর অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের লোকসভার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের (Post-Poll Violence) অভিযোগ রাজ্যপালের কাছে জানাতে গেলে রাজ্য পুলিশ বাধা দেয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। ঠিক এই আবহে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার খোঁজখবর নিতে পা রাখতে চলেছে বিজেপির চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল। যার আহ্বায়ক ত্রিপুরার বিপ্লব দেব।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে কারা রয়েছেন? 

    ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব দেব ছাড়াও দলে থাকছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ও বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশের রাজ্যসভা সাংসদ কবিতা পাতিদার। বিজেপির তরফে প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চার সদস্যের কেন্দ্রীয় দল (BJP Central Team) পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে (Post-Poll Violence)।

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ছায়া দেখা যাচ্ছে 

    বিজেপির অভিযোগ, ‘‘লোকসভা ভোটের পরে রাজ্যে যে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post-Poll Violence) চলছে, তাতে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ছায়া দেখা যাচ্ছে। আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। অথচ তাঁরই দলের দুষ্কৃতীরা বিরোধী দলের কর্মী এবং ভোটারদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’’ বিজেপির ওই প্রেস বিবৃতিতে আরও লেখা রয়েছে, ‘‘গোটা দেশে এ বার লোকসভা ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ ভাবে। ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লোকসভা ভোট ছাড়াও চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটিতে ক্ষমতার বদলও হয়েছে। কোথাও কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি (BJP Central Team)। হয়েছে শুধুমাত্র বাংলায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election Results: তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে! কী বলছে দল?

    Lok Sabha Election Results: তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে! কী বলছে দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য শেষ হয়েছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election Results)। সেই নির্বাচনের ফলাফলে রাজ্যে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও একাধিক বিধানসভায় হার হয়েছে তৃণমূলের। রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, রাজ্যে তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন তাঁদের বিধানসভা কেন্দ্রে। একইসঙ্গে নির্বাচনকালে জেলবন্দি চার বিধায়কের (TMC Ministers Defeated) এলাকায় দুটিতে হার হয়েছে তৃণমূলের। 

    রাজ্যের আট মন্ত্রীর বিধানসভায় হার তৃণমূলের (Lok Sabha Election Results)

    রাজ্যের এই মন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলেন শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজা এবং দমকলের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুজিত বসু। রিপোর্ট অনুযায়ী শশী পাঁজার বিধানসভা কেন্দ্র শ্যামপুকুরে (TMC Ministers Defeated) এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শ্যামপুকুর পড়ে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে। উত্তর কলকাতা লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেও শশীর শ্যামপুকুরে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির তাপস রায়। অন্যদিকে, কলকাতা লাগোয়া বিধাননগর বিধানসভাতেও পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। সেখানকার বিধায়ক রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। বারাসত লোকসভার মধ্যে অন্তর্গত বিধাননগর। বারাসত লোকসভা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি ওই কেন্দ্রে এই নিয়ে টানা চার বার জিতলেন। কিন্তু কাকলি লোকসভায় জিতলেও সুজিত বসুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল ১১ হাজার ভোটে পিছিয়ে। 

    এছাড়াও কৃষ্ণনগর লোকসভায় (Lok Sabha Election Results) জিতেছেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। কিন্তু দেখা যাচ্ছে কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভায় তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে ৯ হাজার ভোটে। কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস রাজ্যের বিজ্ঞান-প্রযুক্তিমন্ত্রী। অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের বিধানসভা কেন্দ্র হেমতাবাদে ৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল (TMC Ministers Defeated)। উত্তরবঙ্গের মালদহে দুই মন্ত্রী তাজমুল হোসেন এবং সাবিনা ইয়াসমিনের বিধানসভা কেন্দ্রেও পিছিয়ে তৃণমূল। একইসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুই মন্ত্রী অখিল গিরি এবং বিপ্লব রায়চৌধুরির বিধানসভাতেও পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশ জেতায় ছিটকে গেল শ্রীলঙ্কা, আফগানদের জয়ে নিউজিল্যান্ডের বিদায়

    জেলবন্দি চার বিধায়কের এলাকায় দুটিতে হার তৃণমূলের (Arrested TMC MLA) 

    এই আট মন্ত্রীর পাশাপাশি জেলবন্দি চার বিধায়কের এলাকাতেও দুটিতে হার হয়েছে তৃণমূলের (Lok Sabha Election Results) । রাজ্যের নিয়োগ ও রেশন দুর্নীতি মামলায় জেলে যেতে হয়েছে তৃণমূলের চার জন বিধায়ককে। এক জন অবশ্য তাঁর এলাকায় ভোটের পরেই জামিন পেয়েছেন। তিনি বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। কিন্তু এখনও জেলবন্দি (Arrested TMC MLA) রয়েছেন তিন জন। তাঁরা হলেন- পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মানিক ভট্টাচার্য। এই চার বিধায়কের বিধানসভাতে লোকসভার ফলাফল খতিয়ে দেখলে দেখা যাচ্ছে, চার জনের মধ্যে দুজন বিধায়কের বিধানসভায় তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে।   

    রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হাবরার বিধায়ক। হাবরা বারাসত লোকসভার অন্তর্গত। বারাসত লোকসভায় এ বার নিয়ে টানা চার বার জিতলেন তৃণমূলের কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তবে জ্যোতিপ্রিয় তথা বালুর হাবরায় কাকলি পিছিয়ে রয়েছেন ২০ হাজার ভোটে (TMC Ministers Defeated)। আর এই একই ছবি বড়ঞাতেও। কারন, জীবনকৃষ্ণের বড়ঞা পড়ে বহরমপুর লোকসভার মধ্যে। এই লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীকে হারিয়ে এ বারই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। বহরমপুর লোকসভায় (Lok Sabha Election Results) এবারের তৃণমূল প্রার্থী ছিল প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। তবে লোকসভা কেন্দ্রে জিতলেও দেখা যাচ্ছে বড়ঞায় ৫০০ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। 

    একাধিক বিধানসভায় পরাজয়ে কী সাফাই দিল তৃণমূল? 

    কেন ধরে রাখতে পারলেন না নিজেদের বিধানসভা, সেই প্রশ্নে একেক জন মন্ত্রী একেক রকম যুক্তি দিয়েছেন। হেমতাবাদের সত্যজিৎ এ প্রসঙ্গে সরাসরিই বলেছেন, ‘‘আমাদের জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে নিয়ে বিস্তর ক্ষোভ রয়েছে। এসসি সংরক্ষিত পদে এসটি-কে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ক্ষোভের কারণে রাজবংশী ভোট আমরা পাইনি।’’ আবার মোথাবাড়ির সাবিনার বক্তব্য, ‘‘ভোটের (Lok Sabha Election Results) দুদিন আগে সংখ্যালঘু ভোটের মন বদল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কোথাও দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেই। মালদহ দক্ষিণে কংগ্রেসের পক্ষে কোতোয়ালি বাড়ির আবেগ কাজ করেছে।’’ অন্যদিকে কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বলের বক্তব্য, ‘‘আগের লোকসভাতেও কৃষ্ণনগর দক্ষিণে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। সে সব মেরামত করেই আমাকে বিধানসভায় জিততে হয়েছিল।’’ একইসঙ্গে এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী তথা রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি স্পষ্টই জানিয়েছেন, এই হারের ‘কারণ’ খুঁজতে রবিবার তিনি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বুথ স্তরের নেতাদেরও। অতএব গোটা রাজ্যের ফলাফল (TMC Ministers Defeated) গভীর ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে ওপর ওপর তৃণমূল নিজেদের যতই শক্তিশালী ভাবুক না কেন তাদের ভিত বহু জায়গায় এখনও নড়বড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pralhad Joshi: ক্ষমতায় থাকতে বিনামূল্যে কংগ্রেস কেন রেশন দেয়নি? তোপ প্রহ্লাদ যোশীর

    Pralhad Joshi: ক্ষমতায় থাকতে বিনামূল্যে কংগ্রেস কেন রেশন দেয়নি? তোপ প্রহ্লাদ যোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লকডাউনের সময় থেকেই দেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষের জন্য বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা চালু করেছে মোদি সরকার। লোকসভা নির্বাচনের মাঝেই কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে জানান, ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে প্রত্যেককে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল-গম দেওয়া হবে। এ নিয়েই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘ইউপিএ সরকারের আমলে ১০ বছরে কংগ্রেস মানুষকে বিনা পয়সায় কেন ১০ কেজি আনাজ দিল না?’’

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? 

    সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Pralhad Joshi) বলেন, ‘‘এখন ১০ কেজি চালের কথা বলছেন। অথচ ইউপিএ সরকারের সময় ১০ বছরে কংগ্রেস মানুষকে বিনা পয়সায় কেন ১০ কেজি আনাজ দিলেন না? কংগ্রেস দারিদ্র্য নিয়ে বলছে, অথচ আমি ওদের আইএমএফের রিপোর্ট তুলে ধরেই বলতে চাই এনডিএ সরকার ১৩ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে এনেছে। ইন্ডি গঠবন্ধন মানে ঝুট আর লুট। মিথ্যা আর লুঠ করা।’’

    স্বাতী মালিওয়াল নিগ্রহকাণ্ড

    অন্যদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়িতে দলেরই সাংসদ স্বাতী মালিওয়ালের নিগ্রহকাণ্ডে কেজরিওয়াল সরকারকে এক হাত নেন প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, একজন রাজ্যসভার সাংসদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এমনটা হতে পারে তা তিনি ভাবতেও পারেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gangarampur: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে আক্রান্ত খোদ সরকারি আধিকারিক, কেড়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল

    Gangarampur: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে আক্রান্ত খোদ সরকারি আধিকারিক, কেড়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আগামীকাল চতুর্থ দফা নির্বাচন। বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য আটকাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সরকারি আধিকারিক। অবৈধ বালি পাচার আটকাতে গিয়ে খোদ সরকারি অফিসারকে অপদস্তু হতে হল, কেড়ে নেওয়া হল মোবাইল। ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের গঙ্গারামপুরে (Gangarampur)। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Gangarampur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুরের (Gangarampur) পুনর্ভবা নদীর বানগড় এবং নারায়ণপুরে এলাকার বালি মাফিয়ারা দেদার বালি পাচার করছিল। এই মাফিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হন খোদ সরকারি আধিকারিক। ঘটনার কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ভূমি ও ভূমি সংস্কর দফতরে। যদিও ঘটনায় বালি মাফিয়াদের সঙ্গে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে বিশেষ যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা বিজেপি। অপরে পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    কোনও ক্রমে প্রাণে বেঁচে যান

    সংবাদ মাধ্যমে এই খবর জানাজানি হতেই এলাকার প্রশাসন ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে। গত দুই দিন আগে এই গঙ্গারামপুরে (Gangarampur) পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩টি ট্রাক্টার এবং ২টি মোটর বাইক আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য রুখতে শনিবার গঙ্গারামপুরের পশ্চিম হালদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালাতে যায় ভূমি রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকেরা। মূলত অভিযোগ হল, অভিযান চালাতে গেলে ভূমি রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়। একই ভাবে তাঁদেরকে হেনস্থা করা হয় এবং জোর করে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় কোনও রকমে প্রাণে বেঁচে যান তাঁরা। ঘটনায় গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার কথাও জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকেরা। ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সব রকম আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: থানায় বিক্ষোভ বিজেপির, ভুয়ো ভিডিও বানাতে এসে বিধায়কের সামনেই মার খেলেন তৃণমূল কর্মী

    বিজেপির বক্তব্য

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Gangarampur) নদী থেকে বালি পাচার বন্ধ হওয়ার বিষয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেছেন, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদতে এই অবৈধ বালি পাচার চলছে। অবিলম্বে এই পাচার বন্ধ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। এই বালি পাচারের টাকা জেলার ব্লক থেকে কালীঘাট পর্যন্ত যায়। এই সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে।” একই ভাবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেছেন, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: থানায় বিক্ষোভ বিজেপির, ভুয়ো ভিডিও বানাতে এসে বিধায়কের সামনেই মার খেলেন তৃণমূল কর্মী

    Sandeshkhali: থানায় বিক্ষোভ বিজেপির, ভুয়ো ভিডিও বানাতে এসে বিধায়কের সামনেই মার খেলেন তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাকে বাড়ি থেকে বার করে মারধর করলেন গ্রামবাসীরা। ভুয়ো ভিডিও করতে এসে বিধায়কের সামনে তৃণমূল নেতাকে মাটিতে ফেলে লাঠিপেটা করলেন প্রতিবাদী মহিলারা। মূলত এলাকাবাসীর অভিযোগ হল, মিথ্যা মামলায় বিজেপির দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার করছে পুলিশ! এমনই অভিযোগ তুলে রবিবার দুপুরে সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি কর্মীসমর্থকরা। বিক্ষোভে এদিন নেতৃত্ব দেন বসিরহাটের এবারের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। ইতিমধ্যে জেলিয়াখালি এলাকায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে কয়েক জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Sandeshkhali)?

    চতুর্থ দফা নির্বাচনের আগের দিনেই ফের শিরোনামে নতুন করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিক এবং বিধায়ক সুকুমার মাহাতো সামনেই স্থানীয় তৃণমূল নেতা তাতান গায়েনকে মাটিতে ফেলে লাঠিপেটা করলেন গ্রামের মহিলারা। থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই ঘটল এমনই ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর সন্দেশখালিতে একটি বাড়িতে দিলীপ এবং সুকুমার ছিলেন সকাল থেকেই। খবর পেয়ে সেখানে চড়াও হন মহিলারা। এরপর তৃণমূল নেতাকে ওই বাড়ি থেকে বের করে এনে পেটান মহিলারা। এদিন মহিলা কর্মীদের অভিযোগ, অন্যায় ভাবে ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলেই পৌঁছে যায় পুলিশ।

    মহিলাদের বক্তব্য

    এদিন এলাকাবাসীর (Sandeshkhali) কয়েকজন মহিলা বলেন, “আমরা বিক্ষোভ করতে এসেছি কারণ আমাদের নামে ভিডিও ভাইরাল করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আমরা টাকা খেয়েছি। আমাদের নাকি টাকা দিয়ে পথে নামিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কে আমাদেরকে টাকা দিয়েছে তাকে আমাদের সামনে নিয়ে আসুক। মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে আমাদের নামে। পাশাপাশি মহিলারা আরো জানান, আমাদেরকে ঘরছাড়া করার হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূলের লোকজন। তাই আমরা এদিন রীতিমতো আটক করে রাখি তৃণমূল নেতা এবং বিধায়কদের।”

    এদিন বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “যা হয়েছে, তা কেউ ছড়িয়েছে, তবে কে প্ররোচনা দিয়েছে, তা আমরা জানি না। ঘটনায় কারও প্ররোচনা তো আছেই।”

    আরও পড়ুন: “১ নম্বর বোতাম টিপে ইভিএম মেশিন চেক করতে বলেছে তৃণমূল”, অভিযোগ সুভাষের

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলিয়াখালি এলাকার বিজেপির তরফ থেকে বারবার দাবি করা হচ্ছে, মিথ্যা ছিনতাইয়ের মামলা রুজু করে বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে। রবিবার আবারো প্রকাশ্যে এসেছে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) স্টিং ভিডিয়োর দ্বিতীয় পর্ব। এই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে সন্দেশখালির স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালকে। প্রথম ভিডিয়োতেই দেখা যায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কাছে গঙ্গাধর নিজে স্বীকার করছেন, সন্দেশখালির আন্দোলন সাজানো। কিন্তু আজ এলাকার মানুষ দাবি করেন, টাকার বিনিময়ে সন্দেশখালির আন্দোলন হয়েছে। ফলে এই নিয়ে প্রতিদিনই ভুয়ো ভিডিয়ো বানাচ্ছে তৃণমূল। এলাকার মানুষের আরও বক্তব্য, সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিক এক মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে টাকার বিনিময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ভিডিও বানিয়েছেন, যা কয়েকদিনের মধ্যেই আবার প্রকাশ্যে আসবে। এই এলাকার মহিলাদের আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করতেই তৃণমূল ষড়যন্ত্র করছে বলেও এদিন দাবি করা হয়। সাধারণ মানুষের এই অভিযোগকে এদিন তুলে ধরে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে দিলীপ-সহ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি তুলে থানার সামনে বসে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Subhash Sarkar: “১ নম্বর বোতাম টিপে ইভিএম মেশিন চেক করতে বলেছে তৃণমূল”, অভিযোগ সুভাষের

    Subhash Sarkar: “১ নম্বর বোতাম টিপে ইভিএম মেশিন চেক করতে বলেছে তৃণমূল”, অভিযোগ সুভাষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভিএম সম্পর্কে তৃণমূল ভুল বোঝাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে নালিশ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhash Sarkar)। তাঁর দাবি, “১ নম্বর বোতাম টিপে ইভিএম মেশিন চেক করতে বলেছে তৃণমূল”। কার্যত নির্বাচনে হারার ভয়ে তৃণমূল এই আচরণ করছে বলে বিজেপি অভিযোগ তুলেছে। পাল্টা তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

    ঠিক কী বললেন সুভাষ (Subhash Sarkar)?

    রবিবার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে জনসংযোগ এবং ডামি ভোটার স্লিপ বিতরণ করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhash Sarkar)। তিনি বাঁকুড়া পুরসভা নিয়ন্ত্রিত বাজারে প্রচার কর্মসূচিতে গিয়ে বলেন, “তৃণমূল নিশ্চিত হারবে, আর তাই মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। তৃণমূল বলছে আগে ১ নম্বর বোতাম টিপে দেখবেন মেশিন ঠিক আছে কি না, কিন্তু এই কথা অত্যন্ত অন্যায়। তৃণমূল মানুষের মধ্যে ভ্রান্তি তৈরি করছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগ জানাবো। ভোটাররা যাকে খুশি ভোট দেবেন।” তিনি আরও বলেন, “এলাকায় পান চাষের জন্য একটি শেড তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ত্রলাকার তৃণমূল বিধায়ক এই কাজ করতে দেননি। সাংসদ তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকার অনুমোদন দিয়েছিলাম। কিন্তু তৃণমূলের অপশাসনে কার্যকর হল না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই ঘটনায় তৃণমূলের প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “তৃণমূলের নাম রয়েছে ইভিএমে ১ নম্বরে। আর বিজেপির নাম রয়েছে ৪ নম্বরে। সুভাষবাবু (Subhash Sarkar) পাগল হয়ে গিয়েছেন। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

    রাজ্যের বিজেপি নেতা হিসাবে সুভাষ সরকার গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৎকালীন তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে ১ লাখের বেশি ভোটে হারিয়েছিলেন। পরবর্তী কালে তিনি কেন্দ্রের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। বাঁকুড়ার রাজনীতিতে সুভাষ সরকার বেশ পরিচিত মুখ। এইবারের নির্বাচনে তিনি নিজের জয় নিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। তাঁর প্রচার এলাকায় ব্যাপক জমজমাট।

    আরও পড়ুন: হাইওয়েতে উড়ছে টাকা, টেম্পো থেকে উদ্ধার থরে থরে বিপুল টাকা! চাঞ্চল্য

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Andhra Pradesh: হাইওয়েতে উড়ছে টাকা, টেম্পো থেকে উদ্ধার থরে থরে বিপুল টাকা! চাঞ্চল্য

    Andhra Pradesh: হাইওয়েতে উড়ছে টাকা, টেম্পো থেকে উদ্ধার থরে থরে বিপুল টাকা! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইরোডে যেন টাকা কুড়ানোর ধুম লেগে গেছে। জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ছোটা হাতি এবং আরেকটি টেম্পোকে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় টেম্পো। এবার এই টেম্পো থেকে হাওয়ায় উড়তে থাকে টাকা। পরে পুলিশ এসে টেম্পোর ভিতর থেকে উদ্ধার হয় কয়েক বাক্সে কোটি কোটি টাকা। ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh)।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Andhra Pradesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আর একদিন বাদেই লোকসভার চতুর্থ দফার নির্বাচন, ইতিমধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) জাতীয় সড়ক থেকে উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা। পূর্ব গোদাবরী জেলার একটি সড়ক দুর্ঘটনার জেরে এই কোটি কোটি টাকার সন্ধান মিলেছে। পুলিশ উল্টে যাওয়া টেম্পো থেকে বাক্সে বন্দি করা থরে থরে টাকা উদ্ধার করে। প্রথমে পথ চলতি মানুষ ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে ওই টেম্পো থেকে ৭ কোটি টাকা উদ্ধার করেন। আরও জানা গিয়েছিল গাড়িটি বিজয়ওয়াড়া থেকে বিশাখাপত্তনমের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ দুর্ঘটনা ঘটলে এই বিপত্তি ঘটে। ইতিমধ্যে গাড়ির চালককে গুরুতর অবস্থায় গোপালপুরম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। কিন্তু টাকার মালিক কে তা এখনও জানা যায়নি।

    আগেও উদ্ধার হয়েছে টাকা

    উল্লেখ্য লোকসভার ভোটে এই ভাবে টাকা উদ্ধারের ঘটনা এই প্রথম নয়, আগেও অনেক নগদ অঙ্কের টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই রাজ্য বাংলায় হাওড়া স্টেশন থেকে একাধিক বার রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। আবার দক্ষিণের এই রাজ্যে গত ১০ মে পুলিশ পাইপ বোঝাই একটি ট্রাক থেকে ৮ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে। অন্ধ্রপ্রেদেশের মোট ২৫ টি লোকসভার আসন। আগামীকাল ১৩ মে এই রাজ্যের নির্বাচন। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

    আরও পড়ুন: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Bribhum) জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)বোলপুরের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’-এর পতাকা। অনুব্রত জেলবন্দি থাকলেও পুলিশের নিরাপত্তাতেই রয়েছে দাপুটে এই তৃণমূল নেতার বাড়ি। কিন্তু তার মধ্যেই শনিবার সকালে দেখা গেল অন্য ছবি। পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেও অনুব্রতর বাড়ির ছাদে উড়ল গেরুয়া পতাকা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। 

    কে লাগাল পতাকা? (Anubrata Mondal)

    এক বছরের বেশির সময় বোলপুরের এই বাড়িতে নেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও তাঁর কন্যা সুকন্যা। তিহাড় জেলে বন্দি তারা। তাঁর স্ত্রী গত হয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। তবে কে লাগাল পতাকা? আগে একটা সময় ওই বাড়ির নীচে লাইন পড়ত মানুষের। এখন ফাঁকা পড়ে বাড়ি। নিরাপত্তারক্ষীরাই পাহারা দেন। মাঝে মাঝে আত্মীয়স্বজনরা আসেন। এছাড়া বাড়ির কাজের লোকেরাও মাঝে মধ্যে এসে ঘর পরিষ্কার করেন। তা ছাড়া আর কারও প্রবেশাধিকার নেই ওই বাড়িতে। বেশিরভাগ সময়েই তালবন্ধই হয়ে পড়ে থাকে। তালে  ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা ছাদের মাথায় কে লাগিয়ে গেল তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। নিরপত্তারক্ষীরাও জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না।    
    সম্প্রতি বীরভূমে (Bribhum) ভোট প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেষ্ট (Anubrata Mondal) ও তার মেয়েকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যাতে সে তৃণমূল করতে না পারে…আমি আপনাদের বলছি, দেখে নেবেন ভোটের পর ওদের ছেড়ে দেবে।”

     বিরোধীদের দাবি

    এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএমের মতো বিরোধীদের দাবি, বিজেপির সঙ্গে তলায় তলায় বোঝাপড়া রয়েছে তৃণমূল নেতাদের। তারই প্রকাশ হল ছাদের পতাকায়। বীরভূম (Bribhum) সিপিএম এর জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “ওদের সম্মতিতে এটা ঘটেছে। আমার কাছে যা খবর আছে তাতে মনে হয় ওদের পরিবারের লোকেরা তলে তলে বিজেপি করছে। এখন তৃণমূলের যা অবস্থান তাতে রাম নবমীর পতাকা ওরাই ঝোলাবে। আগে থেকে সবাই বুঝতে পারছেন যে, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই বেরোনোর ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরাও যোগাযোগ রাখছেন। ফলে অনুব্রত (Anubrata Mondal) যদি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বেরিয়ে আসেন, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।” অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জয়দেব মুখোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আগেই বোলপুর এসে অধীর চৌধুরী বলে গিয়েছিলেন যে, অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) জেল থেকে বের হতে গেলে হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে বেরোতে হবে। ফলে সে রকম কোনও ঘটনা ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”

    আরও পড়ুন: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    যদিও  এপ্রসঙ্গে দলের মুখপাত্র জামশেদ আলি খান বলেন, ‘‘অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) একজন ধর্মপরায়ণ মানুষ। ফলে তাঁর বাড়িতে যদি জয় শ্রীরামের পতাকা ওড়ে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর রাম তো কারও একার নয়, বাড়িতে রামের পতাকা ঝুলবে, এতে অবাক হওয়ার কী আছে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Banerjee: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট

    Kalyan Banerjee: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের তিনবারের সংসদ এবং হেভি ওয়েট নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerje)। আগে একবার বিধায়কও ছিলেন। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী। হুগলির শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের এই বারের প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তাঁরই মেয়ের প্রাক্তন জামাই কবীর শঙ্কর বোস। অপরে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছেন সিপিএমের প্রার্থী দিপ্সীতা ধর। নিজের মনোনয়ন জমা করে এদিন কল্যাণ নিজের হলফ নামায় সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়েছেন।

    সম্পত্তির পরিমাণ কত(Kalyan Banerje)?

    বছর সাতষট্টীর এই আইনজীবী তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ নিজের হলফ নামায় জানিয়েছেন ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষ পর্যন্ত আয়ের হিসেব জানিয়েছেন। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৬৩ হাজার ২৬৬ টাকা। তার আগের অর্থবর্ষ অর্থাৎ ২০২১-২২ এ তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫৪৪ টাকা। তিনি ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকা আয় করেছিলেন ২০২০-২১ অর্থবর্ষে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ২ কোটি ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তিনি ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮২০ টাকা আয় করেছিলেন।

    স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ কত?

    কল্যাণ নিজের হলফ নামায় স্ত্রী ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের হিসাবে জানিয়েছেন ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর স্ত্রীর আয় ছিল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয় ছিল ২ লক্ষ  ৮৮ হাজার ৫৩০ টাকা। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫০ টাকা আয় করেছিলেন ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগের অর্থবর্ষে ২০১৯-২০ তে তাঁর আয় ছিল ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫৪ টাকা। আর ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার ১২০ টাকা আয় করেছিলেন ছবিদেবী। মনোনয়ন পেশ করার সময় কল্যাণের (Kalyan Banerje) হাতে নগদ ছিল ৫০ হাজার টাকা। একাধিক ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে। একই ভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    রয়েছে দুটি গাড়ি

    হলফ নামায় কল্যাণ (Kaylan Banerje) জানিয়েছেন তাঁর দুটি গাড়ি রয়েছে। একটি গাড়ি ২০২১ সালে ২২ লক্ষ ৬৭ হাজার দিয়ে কিনেছেন। অপর আরেকটি গাড়ি ৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছেন। তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকার সোনা রয়েছে। স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৪ লক্ষ টাকার সোনা। তাঁর বাড়িতে আইনজীবী পেশার কারণে ১ কোটি টাকার বই রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ হল ২৪ কোটি ২০ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৩৫ টাকা। স্ত্রীর কাছে মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ রয়েছে ২ কোটি ৭১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫৩৬ টাকা। এছড়াও কালীঘাটে, দিল্লি এবং শ্রীরামপুরে ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর। তিনি ১৯৭৫ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম পাশ করেছিলেন। এরপর ১৯৭৯ সালে রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি পাশ করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Satabdi Roy: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    Satabdi Roy: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সামনেই রয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। আর চতুর্থ দফার ভোটে অন্যান্য কেন্দ্রের সঙ্গে ভোট রয়েছে বীরভূমেও। তাই ভোটপ্রচারের শেষ দিনে ঝড় তুলেছিলেন বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। কিন্তু, থমকাতে হল মগদমনগরের রাস্তায়। বিদায়ী সাংসদ এবং লোকসভার প্রার্থী শতাব্দীকে সামনে পেয়ে একের পর এক দাবি শোনাতে থাকেন গ্রামের মহিলারা।

    শতাব্দীকে ঘিরে আবারও বিক্ষোভ (Satabdi Roy)

    বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল প্রার্থী তথা তিনবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। এবারের লোকসভা ভোটেও তৃণমূল তাঁকেই প্রার্থী করেছে। তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ভোটের ময়দানে প্রচারে নেমে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বিদায়ী সাংসদকে (Satabdi Roy)। আর এবারও ঘটল সেই একই ঘটনা। প্রচারে নামতেই তাঁকে ছেঁকে ধরলেন গ্রামবাসীরা।

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ 

    উল্লেখ্য চতুর্থ দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) প্রচারের আগে শনিবার প্রচারে নামেন শতাব্দী। কিন্তু মহম্মদবাজার ব্লক এলাকার মগদমনগর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে (Satabdi Roy)। পানীয় জলের সমস্যা, এলাকায় উন্নয়নে খামতি, রাস্তাঘাট খারাপ-সহ একাধিক অভিযোগ শুনতে তাঁকে। যদিও সকলেরই অভিযোগ মোটামুটি এক—পানীয় জলের সমস্যা। সঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা না পাওয়ার অভিযোগও উঠল। কেউ কেউ অভিযোগ করলেন, বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন না। 
    এ প্রসঙ্গে,স্থানীয় বাসিন্দা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী পিয়া সর্দার বলেন, “সকলে টাকা পায়, আমি কেন টাকা পাই না? আমার স্কুলের সকলে টাকা পায়, অথচ আমি ক্লাস সিক্স থেকে টাকা পাই না। ওনাকে বললাম সেটাই। উনি তো কিছুই বললেন না।” অন্যদিকে এলাকার আরেক মহিলার অভিযোগ, “দিদি (Satabdi Roy)কিছু শোনেই না। কথাই বলতে পারলাম না। আমাদের কথা শুনবে না তো কার কথা শুনবে? কিছুই পাইনি আমরা।”
    যদিও এই বিক্ষোভের পরিস্থিতি এলাকার নেতারা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে বিক্ষোভের সময় গাড়ি থেকে নামেননি শতাব্দী (Satabdi Roy)। গাড়িতে সামনের সিটে বসে ছিলেন তিনি।  জানলা দিয়ে মুখ বার করে সবাইকে শান্ত হওয়ার আবেদন করেন তিনি। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনও কথা বলেননি শতাব্দী। তার পর গাড়ির জানলা দিয়ে সবাইকে হাতজোড় করে নমস্কার জানিয়ে এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যান। 

    আরও পড়ুন: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ

    এর আগেও প্রচারে নেমে গ্রামবাসীদের প্রচুর অভিযোগ শুনতে হয়েছিল শতাব্দী রায়কে (Satabdi Roy)। রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলির দিকে। যেখানেই গেছেন শতাব্দীকে সামনে পেয়ে রীতিমতো অভিযোগের ডালা সাজিয়ে ধরেছেন গ্রামবাসীরা। আবাসন প্রকল্পে ন্যায্য প্রাপকেরা বঞ্চিত হয়েছেন এই অভিযোগও এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যার কথা বললেও এই সমস্যার সুরাহা হয়নি এলাকায়। বহু গ্রামে ইটের রাস্তা রয়েছে, নেই কোনও পাকা রাস্তা,এমনও অভিযোগ রয়েছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share