Tag: Lok sabha Vote 2024

Lok sabha Vote 2024

  • Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত। কসবায় (Kasba Incident) বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশ (kolkata police) সূত্রে খবর, দুজনকেই সোমবার আদালতে তোলা হবে। সম্প্রতি ভোট প্রচারে (Lok sabha Vote 2024) বেরিয়ে কসবা বিধানসভা এলাকার আনন্দপুরে আক্রান্ত হন বিজেপি নেত্রী (BJP leader) সরস্বতী সরকার। ঘটনার পরেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। এরপরেই এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok sabha Vote 2024)?

    শনিবার রাতে কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আরবান কমপ্লেক্সের কাছে পূর্বপাড়ায় দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা (Lok sabha Vote 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই আচমকা তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁদের পোস্টার, ব্যানার। তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়া হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সরস্বতী সরকারকে কোপানো (Kasba Incident) হয়।গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তর নাম গৌর হরি গায়েন ও আসরাফ মোল্লা ওরফে ভুতো। দুজনের বিরুদ্ধেই এফআইআরে বিজেপির (BJP) নেত্রীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছিল।

    বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা (South Kolkata) জেলা সভাপতি অনুপম বলেছিলেন, ‘‘দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূলের গড় হলেও এ বারের ভোটে সেই গড় নড়ে যাবে। আমাদের প্রার্থী এবং কর্মীরা ভোটপ্রচারে (Lok sabha Vote 2024) নেমে যে ভাবে সাড়া পাচ্ছেন, তাতে ভয় পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেই ভয় থেকেই আমাদের মণ্ডল সভাপতি ও কর্মীদের ওপর হামলা (Kasba Incident) চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।’’

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না

    এই ঘটনায় আনন্দপুর পুলিশ স্টেশনের সামনে ধর্নায় বসেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Lok sabha Vote 2024) দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর দাবি, জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ হামলাকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে পুলিশকে মদত দিচ্ছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারার মামলা করার দাবিও জানিয়েছেন দেবশ্রী। যতক্ষণ না তা করা হবে ততক্ষণ ধর্না (Kasba Incident) চলবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্যদিকে শনিবার রাতেই আক্রান্ত বিজেপি নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় শিশু ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। একই সঙ্গে, তাঁর যাবতীয় খোঁজ খবরও নিয়েছেন মন্ত্রী৷ বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: ৪৪ ডিগ্রিতেও খামতি নেই! আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে মহাগুরু

    Mithun Chakraborty: ৪৪ ডিগ্রিতেও খামতি নেই! আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে মহাগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোদের গনগনে আঁচে পুড়ছে বাংলা। আর তার সাথে পুড়ছে শিল্পশহর আসানসোল। তবে এরমধ্যেও ভোটের প্রচারে খামতি নেই মহাগুরুর। ১৩ মে রাজ্যে চতুর্থ দফায় ভোট (lok sabha vote 2024) রয়েছে আসানসোলে। আর তার আগে ৪৪ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও শেষ মুহূর্তের প্রচারে আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী এসএস আলুয়ালিয়ার (S. S. Ahluwalia) সমর্থনে রবিবার আসানসোলে আসেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আর এদিনই নাম না করে শত্রুঘ্ন সিনহা প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।

    ঠিক কী বলেছিলেন (Mithun Chakraborty)?

    “উনি ছিলেন বিজেপির একজন লিডার, মন্ত্রী। রাজনীতিতে আমার থেকে অনেক বেশি জ্ঞান উনি রাখেন। কিন্তু উনি একটা দুর্নীতিগ্রস্ত দল বেছে নিয়েছেন। এটা আমার অনুভব।” নাম না করে আসানসোলের তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তারকা প্রার্থী তথা অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা (Shatrughan Sinha) প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।

    কোন প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য?

    প্রসঙ্গত আসানসোলের (Asansole) বিজেপি প্রার্থী এসএস আলুয়ালিয়ার নির্বাচনী প্রচারে আসেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। রবিবার এসএস আলুয়ালিয়ার সাথে একটি রোড শো (road show) এ অংশগ্রহণ করেন তিনি। এরপরে এক বেসরকারি হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্দে মেট্রোর ট্রায়াল রান শুরু জুলাইতে, জুড়বে ১২৪ শহরকে

    হুড খোলা গাড়িতে রোড শো

    এদিন হুড খোলা গাড়িতে চড়ে রোড শো শুরু হয়। মিঠুনের পাশে সেই গাড়িতে ছিলেন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী। আসানসোলের বটতলা বাজার এলাকায় এই রোড শো শেষ হওয়ার কথা ছিল, তার আগেই মিঠুন চক্রবর্তী রোড শো থেকে চলে আসেন। ফলে বটতলা বাজার এলাকায় সাধারণ মানুষ মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। যদিও এরপর এই ঘটনায় বিজেপি (BJP) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, “এতে বিজেপি কর্মীদের কোনও দোষ নেই, আমি পারছিলাম না। আমার পা কাঁপছিল।” একথা বলে এরপর সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন মহাগুরু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: “শাহজাহানকে আড়াল করেছেন মমতা”, বহরমপুরে তোপ জেপি নাড্ডার

    JP Nadda: “শাহজাহানকে আড়াল করেছেন মমতা”, বহরমপুরে তোপ জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৩ এপ্রিল বহরমপুরে (Beharampur) লোকসভা ভোট। আর তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর গড় বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। রবিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ প্রখর তাপদাহের মধ্যে বিধায়কহীন বড়ঞা বিধানসভায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে সভা করেন তিনি।

    কী বললেন নাড্ডা (JP Nadda)?

    বড়ঞার জালিবাগানের জনসভায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করার আহ্বান জানালেন জেপি নাড্ডা। এদিন প্রচারের পাশাপাশি ফের একবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রসঙ্গ উঠে এল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার মুখে। সন্দেশখালিতে যেভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন নাড্ডা। তিনি বলেন,”শেখ শাহজাহানকে (Sheikh shahjahan) আড়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee)। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন ব্যবহার একেবারে অনুচিত। সন্দেশখালির মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বাংলার মায়েদের উপর অত্যাচার করেছে তৃণমূলের নেতা।” এদিন নির্বাচনী জনসভায় (Lok Sabha Election Campaign) জেপি নাড্ডার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডক্টর নির্মল কুমার সাহা, বহরমপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি সহ বিজেপি নেতৃত্বরা ও প্রায় হাজার হাজার কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল দুষ্কৃতীর কোপে মাথা ফাটল মহিলা বিজেপি কর্মীর! থানায় বিক্ষোভ দেবশ্রীর

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    এই লোকসভায় এবার হাড্ডাহাড্ডি ত্রিমুখী লড়াই হতে চলেছে। আর এই সভা থেকেই এদিন জেপি নাড্ডা (JP Nadda) তৃণমূলের (TMC)বিরুদ্ধে চালচোর থেকে শুরু করে সন্দেশখালির ঘটনা, কাটমানি, শিক্ষক দুর্নীতি, জমি মাফিয়া সহ বিভিন্ন দুর্নীতির জন্য ক্ষোভ উগরে তীব্র কটাক্ষ করেন, এবং একই সঙ্গে বাংলার এই সরকারকে উচ্ছেদ করার ডাক দেন। উল্লেখ্য লোকসভা ভোটের মরশুমে এই প্রথমবার রাজ্যে এলেন বিজেপি নেতা। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ একাধিকবার বঙ্গে এলেও বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি এলেন প্রথম। আর সব শেষে এদিনের সভায় নাড্ডা এও বলেন যে, বিজেপি এখানে ৩৫ টির বেশি আসনে জিতবে। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার যে সুযোগ সুবিধাগুলি দিচ্ছে তা বঙ্গে হতে দিচ্ছে না মমতার সরকার। ফলে এই প্রকল্পগুলির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো”, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) জোর প্রচার চলছে বর্ধমানে। আর প্রচারের মাঝেই ফের দিলীপ ঘোষের নিশানায় তৃণমূল। এবার মারের বদলে পাল্টা মারের হুঁশিয়ারি দিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। “হামলা হলে হামলা হবে, চোখ দেখালে চোখ দেখাবো, লাঠি দেখালে লাঠি দেখাবো, আমি দিলীপ ঘোষ।” এভাবেই রবিবাসরীয় সকালে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের (Burdwan Durgapur Lok Sabha constituency) বিজেপি প্রার্থী।

    রবিবাসরীয় প্রচারে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)

    এদিন বর্ধমানের সাধনপুর হাইস্কুল মাঠে প্রাতঃভ্রমণ ও জনসংযোগ সারেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তারপর রোজকার মত চা চক্রের অনুষ্ঠানে হাজির হন। সেখানে তিনি বলেন, “আগামী ১৩ তারিখ পর্যন্ত যদি ভদ্রভাবে না থাকে, আমিতো পাঁচ বছর থাকবো তারপর হিসাব কেতাব বুঝে নেব। বিজেপি (BJP) এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়বে না। ওদের প্রার্থীকে এখনই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গরমে, রোদে কষ্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলেন লোক হলো না। ওদের সমস্যা ওদের ব্যাপার। পার্টি অফিসের সামনে থেকে গো ব্যাক বলছে, দম থাকলে বেড়িয়ে আয় আমাদের মতন রোদে গরমে।”

    এছাড়া এদিন প্রচারে বেড়িয়ে আরও একাধিক বিষয়ে মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। কেতুগ্রামে বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহার প্রচারে হামলার ঘটনায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওরা এসবই করবে। আরতো কিছু করার নেই ওদের।” একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে পাখা বিলি নিয়ে সিপিএমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষের পাল্টা দাবী, “ওদের তো হাওয়াও নেই। আমি পাখা বিলি করবো, ক্যালেণ্ডার বিলি করবো। আমি মনে করি এটা নির্বাচনের বিধিভঙ্গ নয় এটা নির্বাচনের অঙ্গ।” পাশাপাশি শনিবার জামালপুরে নির্বাচনী সভায় অভিষেক ব্যানার্জির মন্তব্য নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “উনি কি মনে করেন ডায়মণ্ড হারবার একমাত্র লোকসভা যে সব টাকা ওখানে খরচ হবে। আসলে উনি ডায়মণ্ড হারবার মডেল চালু করার চেষ্টা করছেন।”

    আরও পড়ুন: প্রায় ২৬ হাজার বাতিল চাকরির মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টে, সোমেই শুনানি

    অভিষেককে নিশানা দিলীপের

    উল্লেখ্য, শনিবার জামালপুরের সেলিমাবাদের মাঠে বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শর্মিলা সরকারের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় অভিষেক ব্যানার্জি ঘোষণা করেন লোকসভা নির্বাচনে যে পঞ্চায়েত, যে এলাকায়, যে ব্লকে, যে বিধানসভায় তৃণমূল (TMC) জিতবে সেই এলাকায় প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে যাবে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আর এবার সেই বিতর্কের মাঝেই অভিষেক ব্যানার্জিকে (Abhishekh banerjee) সরাসরি নিশানা করলেন দিলীপ ঘোষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Vote 2024: ভোট শুরু হতেই অশান্ত রায়গঞ্জ, দলের কর্মীকেই মারধর তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের

    Lok Sabha Vote 2024: ভোট শুরু হতেই অশান্ত রায়গঞ্জ, দলের কর্মীকেই মারধর তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে দ্বিতীয় দফার ভোট (Second Phase Vote) গ্রহণ। গরমের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ সকাল সকাল ভোট দিতে চাইছেন। ভোটকেন্দ্রের বাইরে লম্বা হচ্ছে ভোটারদের লাইন। আর ভোট শুরু হতেই অশান্তির ছবি রায়গঞ্জে। এক তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল খোদ তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের বিরুদ্ধে। গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জের (Raiganj) দেবীনগর ২৫নং ওয়ার্ডে। আহত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম শ্রীবাস ঢালি। ঘটনার পর তাকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    শুক্রবার সকালে রায়গঞ্জের দেবীনগর ২৫নং ওয়ার্ডে ভোটগ্রহন চলাকালীন তৃণমূল কর্মী শ্রীবাস বাবু স্থানীয় বুথের পাশে থাকা বাম-কংগ্রেসের টেন্টে বসেছিলেন। এরপর শ্রীবাস বাবুকে বাম-কংগ্রেসের টেন্টে বসতে দেখেই তার ওপর হামলা চালায় স্থানীয় তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর (TMC Coordinator) অসীম অধিকারী ও তার অনুগামীরা। তৃণমূল কর্মী হয়ে বাম-কংগ্রেসের টেন্টে বসার অপরাধে অসীম অধিকারী ও তার অনুগামীরা শ্রীবাস বাবুকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অসীম অধিকারী।

    রায়গঞ্জের প্রার্থী কে কে?

    প্রসঙ্গত, আজ, ২৬ এপ্রিল দেশে দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ বাংলার ৩ কেন্দ্রেও। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, বালুরঘাট রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট (Lok Sabha Vote 2024) চলছে। এ বার রায়গঞ্জে প্রার্থী বদল করেছে বিজেপি। রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থী করেছে কার্তিকচন্দ্র পালকে। তৃণমূল প্রার্থী করেছে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে। আর কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা আলি ইমরান (ভিক্টর)-কে। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে এই ৩টি আসনই বিজেপির দখলে ছিল। এবারে ৪ জুন ভোটের ফল প্রকাশ হলেই দেখা যাবে এই তিন কেন্দ্রে জয় কার হয়।

    আরও পড়ুন: ৩৭০ বিলোপের সুফল পাচ্ছে কাশ্মীর, পর্যটকদের রেকর্ড ভিড় টিউলিপ বাগানে

    মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    সুষ্ঠভাবে নির্বাচন করানোর লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (Election commission) আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি নির্বিঘ্নে ভোট করাতে মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিক্ষিপ্ত কয়েকটি অশান্তির ঘটনা ছাড়া এখন পর্যন্ত বড় কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে কমিশনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলেছে এমনটাই আদালতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই আবহে জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বুধবার কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে তদন্তের জন্য তাঁকে জেরা করার প্রয়োজন আছে জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকি এই মামলায় দ্রুত অয়ন শীল ও শান্তনু বন্দোপাধ্যায়কেও জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। আরও জানা গেছে আলিপুর আদালতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে এনিয়ে নগর দায়রা আদালত।

    রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কলকাতার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে একটি মুখ বন্ধ খামে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট তাদের দফতরে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে আনেননি। তবে দুই পক্ষের কথোপকথন থেকে জানা যায় কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট মিলেছে। তবে সেই রিপোর্টে খুশি নয় আদালত। কারণ কণ্ঠস্বর মেলার পর যা করণীয় তা করা হয়নি এমনটাই মনে করেছে আদালত। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কল রেকর্ডিং এবং পরে সংগ্রহ করা কণ্ঠস্বরের নমুনা ইতিবাচক রয়েছে একথা আদালতে জানানো হলেও যার সঙ্গে কথা সুজয়ের কথা হয়েছিল তাঁকে এখনও হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনার রিপোর্ট চলে আসায় সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে খবর।

    গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল। অসুস্থতার অজুহাতে কখনও সরকারি আবার কখনও বেসরকারি হাসপাতালে থেকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মাঝে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হার্টে অস্ত্রপচার করা হয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে ইডি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী উঠে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত ৩ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: গোষ্ঠীকোন্দল! ধারাল অস্ত্রের কোপ, দলীয় কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী

    Murshidabad: গোষ্ঠীকোন্দল! ধারাল অস্ত্রের কোপ, দলীয় কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল। এবার ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদ। প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। ২৬ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট। আর এরই মধ্যে বুধবার বিকেলে গন্ডগোলে উত্তপ্ত হয়ে উঠে এলাকা। 

    ঠিক কি ঘটেছিল? 

    জানা গেছে মিটিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে রঘুনাথগঞ্জের গিরিয়া অঞ্চলের ভৈরব টোলায় তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল শুরু হয়। পুরনো শত্রুতার জেরেই এই গণ্ডগোল এমনই অভিযোগ উঠছে। ঘটনায় গুরুতর জখম হয় তিনজন। ইতিমধ্যেই জখমদের উদ্ধার করে জঙ্গিপুর (Jangipur) মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও হাসান শেখ নামে এক ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজের (Baharampur Medical College) রেফার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। জঙ্গিপুর আউটপুস থানার ওসি (OC) সুমিত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পুলিশ এলাকায় তদন্ত (Investigation) চালাচ্ছেন। আক্রান্ত এক তৃণমূল কর্মী বলেন, দলেরই মিটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। মারধরের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    তৃণমূলে কোন্দল লেগেই রয়েছে!

    যদিও তৃণমূলের এই গোষ্ঠী কোন্দল কোনও নতুন ঘটনা নয়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনার তালিকা অনেক লম্বা। এর আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার থানার পূর্ব গ্রামে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল দলেরই এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে সম্প্রতি তৃণমূলের আরেক গোষ্ঠী কোন্দলের ঘটনা ঘটেছিল হুগলিতে। হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rachana Banerjee) সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় কেড়ে নেওয়া হল বলাগড় বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর (Manoranjan Byapari) মাইক। এই ঘটনায় মঞ্চ ছাড়েন ‘অপমানিত’ বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: উস্কানিমূলক মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়ককে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: উস্কানিমূলক মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়ককে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যে বিপাকে তৃণমূল বিধায়ক। এবার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগেই হামিদুল রহমানকে শোকজ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সম্প্রতি এক নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিরোধী ভোটারদের উদ্দেশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এবার তাঁকে শোকজ করল কমিশন।

    ঠিক কী বলেছিলেন (Election Commission)?

    সম্প্রতি দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গোপাল লামার সমর্থনে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রেখেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। চোপড়া (Chopra) ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের চুয়াগাড়ি চৌরঙ্গী মোড়ের সভায় বক্তব্যের মাঝে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে হামিদুল রহমান (Hamidul Rahaman) বলেছিলেন, “যে বিরোধী ভোটাররা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না তাঁদের মনে রাখতে হবে ২৬ এপ্রিল ভোটের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাবে। এলাকার বাহিনীর সঙ্গেই তখন থাকতে হবে। তখন কিছু হলে তাঁরা যেন বলতে না আসেন। তাই মূল্যবান ভোটগুলি নষ্ট করবেন না।” এই বক্তব্যের অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল বিধায়ককে শোকজ করেছে কমিশন (Election Commission)। ২৫ এপ্রিলের মধ্যে চোপড়ার বিধায়ককে জবাব দিহি করতে বলেছে কমিশন। যদিও এ ব্যাপারে চোপড়ার তৃণমূল বিধায়কের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি।

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কের এই বক্ত্যবের তীব্র নিন্দা করেছিল বিজেপি। চোপড়ার বিজেপি (BJP) নেতা বরুণ সিংহ পাল্টা সতর্ক করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে। অন্যদিকে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) হামিদুল রহমানের এই বক্তব্যের পরেই কমিশনে (Election Commission) অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, “নিশ্চিত পরাজয় বুঝে গিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা হুমকি দিতে শুরু করেছেন। পঞ্চাতের মত ভোটলুঠ এবার আমরা করতে দেব না।”

    আরও পড়ুনঃ প্রচারের শেষ দিনে সুকান্তর হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক হিংসা হয়েছিল

    প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের অন্যতম উত্তেজনার কেন্দ্র ছিল চোপড়া। সিপিএম ও কংগ্রেস মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় তাদের উপর গুলি চালানো ও বোমাবাজির অভিযোগও উঠেছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক সিপিএম কর্মীর মৃত্যুও হয়। আরও বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে আহতও হয়েছিল। এই ঘটনার পর উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। বিরোধীদের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের এই হামলার পর বিরোধীরা কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করতেই পারেনি। একপ্রকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Election Commission) জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই এবার লোকসভা ভোটে আর তৃণমূলকে (TMC) এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saokat Molla: “আরাবুল জেলে, শওকত বাইরে কেন?”, পোস্টারে শোরগোল ভাঙড়ে

    Saokat Molla: “আরাবুল জেলে, শওকত বাইরে কেন?”, পোস্টারে শোরগোল ভাঙড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে লোকসভা নির্বাচন (Lok sabha vote 2024), আর এরই মধ্যে ভাঙড়ে শোরগোল পড়েছে। শওকত মোল্লার (Saokat Molla) বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার। ক্যানিং পূর্বের এই তৃণমূল বিধায়ক গ্রেফতারির দাবিতে কলকাতা পুলিশের (Kolkata police) পোলেরহাট থানা এলাকার শ্যামনগরে পড়ল পোস্টার। ঘটনার জেরে শনিবার সকাল থেকে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    কী লেখা পোস্টারে?

    সাদা কাগজে কালো কালিতে কম্পিউটার প্রিন্টের পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে গোটা এলাকা। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে পোস্টারে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “ক্যানিং ও জীবনতলা থেকে লোক এনে ভাঙড়ে (Bhangar) সন্ত্রাস করে খুন করা হল। আর ওই খুনের দায়ে আরাবুল (Arabul Islam) জেলে কিন্তু শওকত মোল্লা বাইরে কেন? প্রশাসন জবাব দাও!” এর পাশাপাশি পোস্টারে আরও লেখা রয়েছে, “জনগনের প্রকল্পের টাকা চুরি করে নেতা-মন্ত্রীরা সব জেলে কেন? কয়লাকাণ্ডের অভিযুক্ত শওকাত মোল্লা জবাব দাও।” এর পাশাপাশি শওকতকে ভাঙড়ে বোমা-গুলির ‘মাস্টার মাইন্ড’ বলেও পোস্টারে কটাক্ষ করা হয়েছে। পোস্টারে লেখা হয়েছে, “‌মুখ্যমন্ত্রী দ্বারা স্বীকৃত বোমা, গুলির মাস্টারমাইন্ড শওকত মোল্লার ভাঙড়ে ঠাঁই নাই।”‌

    শওকত বিরোধী গোষ্ঠীর পোস্টার?

    তবে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই পোষ্টার (posters) লাগাল তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কেউ দিল, নাকি শাসক দলে শওকতের কোনও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কাজ এটা, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর ৷ কারণ, পোস্টারে কারও নাম না থাকলেও একাধিক ইস্যুতে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে শুধু শওকতকেই ৷

    আরও পড়ুনঃ মমতার বিরুদ্ধে এবার উস্কানি ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কমিশনে দ্বারস্থ বিজেপি

    শওকতের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা শওকত বলেন, “আমি জানি না কারা এই সব করেছে। পক্ষের লোক নাকি বিপক্ষের লোক। তবে যারাই করছে তারা আমাদের আশীর্বাদ করেছে, দোয়া করছে। কারণ এইসব করলে তৃণমূল (TMC) আরও বেশি শক্তিশালী হবে। ভাঙড়ের মানুষ মিথ্যাকে কখনও প্রশ্রয় দেবে না।” তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েত এলাকা জমি কমিটির আঁতুড়ঘর বলেই পরিচিত। তবে আইএসএফ শ্যামনগর এলাকায় যথেষ্ট শক্তি অর্জন করে রয়েছে। ফলে ওই এলাকায় শওকতের (Saokat Molla) বিরুদ্ধে এমন বিদ্বেষমূলক পোস্টার লাগানোর পিছনে জমি কমিটি নাকি আইএসএফ যুক্ত সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    Election Commission: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ এপ্রিল থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (lok sabha vote 2024), আর ভোট শুরু হতেই একেবারে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটের দিনেই শক্তিপুর (Saktipur PS) ও বেলডাঙা থানার (Beldanga PS) ওসিকে সরানোর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। শুক্রবার কমিশনের তরফে একটি চিঠিতে এই নির্দেশ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। 

    কমিশনের বক্তব্য (Election Commission)

    কমিশন চিঠিতে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, “অবিলম্বে ওঁই দুই পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট ফাইল করতে হবে। কারণ হিসাবে দুই পুলিশকর্তাকে নির্দিষ্ট ভাবে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার পরও তাঁরা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তাঁরা আর ভোটের কাজ করতে পারবেন না। শক্তিপুর এবং বেলডাঙার ওই দুই অফিসারের নাম যথাক্রমে রাজু মুখোপাধ্যায় এবং মহম্মদ জামালউদ্দিন মণ্ডল।”

    ঠিক কী ঘটেছিল (Election Commission)?

    গত সপ্তাহে শক্তিপুর এবং বেলডাঙায় যে অশান্তি হয়েছিল, তার জন্য এই দুই পুলিশকর্তার কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এই কারণেই দুই পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত পুলিশ হেডকোয়ার্টারেই (Headquater) থাকবেন তাঁরা।

    অন্যদিকে, ওই দুই পুলিশকর্তার বদলি হিসাবে তিন জন দক্ষ অফিসারের নামও পাঠাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। আগামিকাল বেলা ১১টার মধ্যেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ওই দুই থানার জন্য নতুন অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য বলেছে  কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককেই তাঁদের বদলি অফিসারের নাম পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সেই শীতলকুচিতে ভোট দিতে এসে পাথরে ক্ষতবিক্ষত ভোটারের চোখ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    আগেই বদল হয়েছে

    তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ভোটের মুখে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হওয়ার পর থেকে এমন অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজীব কুমারকে। একই সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূম–এই চার জেলার জেলাশাসকদেরও বদলি করা হয়েছিল কমিশন (Election commission) তরফে। এগুলি ছাড়া আরও একগুচ্ছ অফিসার বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এবার ভোট শুরু হতেই মুর্শিদাবাদ জেলার দুই থানার ওসিকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share