Tag: Lok Sabha Vote

Lok Sabha Vote

  • Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই রবিবার বাংলা নববর্ষের দিনেও চুটিয়ে ভোট প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। জনসংযোগ বাড়াতে এবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ করতে দেখা গেল বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারকে (Subhas Sarkar )। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

    জুতো পালিশ করে প্রচার (Subhas Sarkar)

    রবিবার ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের (B.R Ambedkar) জন্মদিন উপলক্ষে বাঁকুড়ার মাচানতলা থেকে লালবাজার পর্যন্ত বিশেষ পদযাত্রায় অংশ নেন বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar)। সেখানেই হুড খোলা গাড়িতে চড়ে নিজের জুতো পালিশ করলেন তিনি। মিছিলে প্রচার চালাতে চালাতে হঠাৎই তিনি নিজের হাতে তুলে নেন নিজের জুতো। গাড়িতে দাঁড়িয়েই ব্রাশ দিয়ে সেই জুতো পালিশ করতে শুরু করেন তিনি।

    সুভাষ সরকারের বক্তব্য (Subhas Sarkar )

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar ) বলেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে কোনও কাজই ছোটো নয়। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকর দলিত ও অত্যন্ত নিম্নবর্গ থেকে উঠে এসে সংবিধান প্রণয়নের মতো মহান কাজ করেছিলেন। একই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নাম করে তিনি বলেন, “অম্বেডকরের স্বপ্ন আজ পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের সেই ভাবনা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই আজ জুতো পালিশ করলাম।”

    তৃণমূলের কটাক্ষ

    জুতো পালিশের বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা কি জনগণের জুতো পালিশ হচ্ছে। সেটা তো হয়নি। জনগণকে তো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। এসব করে নাটক করছেন সুভাষবাবু (Subhas Sarkar )। এতে কি ভোট বাড়ে।”

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    নানা প্রচারের প্রার্থীরা

    যদিও এমন ঘটনা আশ্চর্যের নয়। ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এর আগে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলকে কখনও চুল কাটতে দেখা গিয়েছে ,কখনও আবার দেখা গেছে চা, চপ, পাঁপড় ভেজে তা বিক্রি করতে। কোনও প্রার্থীকে আবার দেখা গেছে টোটো চালাতে, কাউকে আবার দেখা গেছে সবজি বিক্রি করতে। তাই এই কাজকে জনগনের হয়ে  অম্বেডকরের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ছাড়া আর কিছুই না বলে মনে করেন না সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar )।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে, জানালেন অমিত মালব্য

    Murshidabad: নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে, জানালেন অমিত মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বুধবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা বিজেপির পার্টি অফিসে (BJP party office) সংগঠনিক বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সহরকারী পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য (amit malviya)। এদিন অমিত মালব্য বিজেপির প্রার্থীর (BJP candidate) হাতে সিম্বল তুলে দেন এবং নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে তাও বলে দিলেন। যদিও তিনি সাংবাদিকদের সামনে কোনও কথা বলতে রাজি হননি তিনি। অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার বহরমপুরের কারবালা রোডে এক বেসরকারি অতিথি আবাসনে লোকসভা ভোটের জন্য বিজেপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এখানেই আজ লোকসভার ইলেকশন (lok sabha election) ম্যানেজমেন্ট টিমের বৈঠক করা হয়।

    বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর ঘোষের বক্তব্য (Murshidabad)

    এদিন মুর্শিদবাদে (Murshidabad) অমিত মালব্য, বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক আছে বলে জানান গৌরীশংকর ঘোষ। এখানে নির্বাচনে কী রকম লড়াই হবে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, “লড়াই বলতে তো মূলত মানুষের ভোট। এই ভোট মানুষ কেন বিজেপি (BJP) কে দেবে, সেটা মানুষকে বোঝাতে হবে। আজ রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের যে সন্ত্রাস চলছে, চাকরি চুরি, রেশন চুরি, গরু পাচারেও তৃণমূল (TMC) রেকর্ড তৈরি করেছে। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচারের কথা সারা রাজ্য জুরে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে বিগত ১০ বছর ধরে সব কা সাথ সবকা বিকাশ, সেবা, সুশাসন মানুষকে যেভাবে মোদি দিচ্ছেন সেই সার্বিক সুবিধাগুলি জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে।”

    করণীয় কাজ বলে দিলেন অমিত মালব্য

    মুর্শিদবাদ (Murshidabad) জেলা বিজেপি সভাপতি শাখারাভ সরকার বলেন, “লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে আজকে কারবালা রোডে (karbala road) নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সহকারী পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। আজ আলোচনা হয় কীভাবে এই লোকসভা নির্বাচনে (general election 2024) দল কাজ করবে। সমস্ত বিষয়টি তিনি আজকে এখানে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন। করণীয় কাজ এবং মানুষের কাছে গিয়ে কী কী বলা হবে সেই সমস্ত নিয়ে আলোচনা হয়।”

    আরও পড়ুনঃ কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    ৭ মে বিশেষ আলোচনা সভা

    উল্লেখ্য, আগামী ৭ই মে ভারতীয় জনতা পার্টি (bharatiya janata party) মন্ডল স্তরের কার্যকর্তা, বিধানসভার স্তরের কার্যকর্তা এবং এই জেলা (Murshidabad) কমিটিকে নিয়ে লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি সার্বিক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মূলত কীভাবে মানুষের কাছে যেতে হবে, কীভাবে লড়াই করতে হবে এবং বিষয় ঠিক করা হবে উক্ত বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: মিটিংয়ে-মিছিলে ৮০ আসনের উত্তরপ্রদেশকেও পিছনে ফেলেছে ৪২-এর বাংলা!

    Lok Sabha Election 2024: মিটিংয়ে-মিছিলে ৮০ আসনের উত্তরপ্রদেশকেও পিছনে ফেলেছে ৪২-এর বাংলা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাতে (Lok Sabha Election 2024) সব থেকে বেশি আসন রয়েছে উত্তরপ্রদেশে, ৮০টি। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে প্রায় তার অর্ধেক ৪২টি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, উত্তরপ্রদেশের থেকেও বেশি মিছিল-মিটিং সহ নির্বাচনী প্রচারের আবেদন জমা পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। রাজনৈতিক কর্মসূচির দৌড়ে পশ্চিমবঙ্গ ৮০ আসনের উত্তরপ্রদেশকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। তবে রাজনৈতিক কর্মসূচির দৌড়ে পশ্চিমবঙ্গের স্থান দ্বিতীয়। প্রথম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু।

    আরও পড়ুন: “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    প্রচারের অনুমতির জন্য নির্বাচন কমিশন চালু করেছে ‘সুবিধা অ্যাপ’

    নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, সারা দেশে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারের যত আবেদন জমা পড়েছে তার মধ্যে ১৬ শতাংশই হল পশ্চিমবঙ্গের। অন্যদিকে, তামিলনাড়ু থেকে ভোট প্রচারের সবথেকে বেশি আবেদন জমা পড়েছে। প্রসঙ্গত, ভোটের সভা মিছিল মিটিং বা যেকোনও ধরনের নির্বাচনী প্রচারের জন্য অনুমতির জন্য নির্বাচন কমিশন চালু করেছে ‘সুবিধা অ্যাপ’। তারা আগেই জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের যাবতীয় অনুমতি এই অ্যাপের মাধ্যমে নিতে হবে স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুমতি যারা আগে জানাবেন তাদের আগে দেওয়া হবে।

    দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারের ৭৩ হাজার ৩৬৯ আবেদন জমা পড়েছে 

    রবিবারই এক বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024) জানিয়েছে, গত ১৬ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারের ৭৩ হাজার ৩৬৯ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনুমতি দেওয়া হয়েছে ৪৪ হাজার ৬২৬টি আবেদনের। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হিসাব বলছে, বিগত দিনগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আবেদন জমা পড়েছে ১১,৯৭৬। অন্যদিকে, ৮০ আসনের উত্তরপ্রদেশের মিটিং মিছিলের আবেদন সংখ্যা অনেকটাই কম। যোগী রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের আবেদন জমা পড়েছে ৩,২৭৩।

    আরও পড়ুুন: “আইন এবং সংবিধানকে নষ্ট করার দল হচ্ছে তৃণমূল”, তোপ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tea Stall: বিশৃঙ্খলা আটকাতে চায়ের দোকানে ঝুলল বোর্ড- “নো রাজনৈতিক চর্চা” 

    Tea Stall: বিশৃঙ্খলা আটকাতে চায়ের দোকানে ঝুলল বোর্ড- “নো রাজনৈতিক চর্চা” 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই চায়ের দোকান (Tea Stall) মানেই বিভিন্ন বিষয়ে আড্ডা-তর্ক ও রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্র। আর এই ভোটের মরসুমে চায়ের দোকান বাঙালির কাছে যে রাজনৈতিক আলোচনার পীঠস্থান তা বলাই বাহুল্য। আর রাজনৈতিক আলোচনা (Political Discussion) মানে এক কথা দু কথায় তর্কাতর্কি বিতর্ক। আর এই বিতর্ক আটকাতেই এক অভিনব উপায় বের করেছে পূর্ব বর্ধমানের এক চা ব্যবসায়ী। 
    বর্ধমান শহরের চা দোকানের মালিক অমিত দাসের এসব রাজনৈতিক তর্কাতর্কি একেবারে নাপসন্দ। তাই চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে আর রাজনৈতিক আলোচনা করা যাবে না, এমনই এক পোস্টার দিয়ে  দোকানের খদ্দেরদের কাছে আবেদন তাঁর।

    ‘এখানে রাজনৈতিক আলোচনা করিবেন না’

    বাঙালির একটা ইস্যু পেলেই হল। ভোটের বাজারে এক কাপ চায়ে চুমুক দিয়ে রাজনৈতিক আলোচনায় (Political Discussion) চায়ের আড্ডায় ঝড় ওঠে। এক কাপ চা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলতে পারে তর্ক বিতর্ক। তাই বিতর্ক এড়াতেই এবার তার সোজা সাপটা পদক্ষেপ। দোকানের বাইরে পোস্টার দিয়ে সাফ জানিয়েছেন, ‘এখানে রাজনৈতিক আলোচনা করিবেন না।’ 
    প্রসঙ্গত, বর্ধমান শহরের পার্কাস রোডের চার্চ মোড় এলাকায় চায়ের দোকান অমিতকুমার দাসের। অমিত দাসের কথায়, “সামনে ভোট। দোকানে বিভিন্ন মানুষ চা খেতে আসেন। আর তাঁদের নানা রকম আলোচনা হয়। তার মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা করতে করতে তর্ক বিতর্কও হয়। এই পোস্টারটা দেখে মানুষ যাতে একটু সচেতন হয়। চায়ের আড্ডায় কোনও বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়।”

    এমন ঘটনা নতুন নয়

    তবে এই পোস্টারের প্রশংসা করছেন অনেকেই। ভালই ফিডব্যাক পাচ্ছেন চা দোকানের মালিক (Tea Stall) অমিত। অমিত জানায়,”চা খেতে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। তিনিও বলছেন, খারাপ নয় ব্যাপারটা। চা খেতে এসে রাজনৈতিক আলোচনা থেকে ঝগড়া লেগে আরেক কাণ্ড বাধবে। তার থেকে এসব বন্ধ রাখাই ভাল।” যদিও এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও পঞ্চায়েত ভোটের সময় পূর্ব বর্ধমানেরই এক চায়ের দোকানে রাজনীতির ‘চায়ে পে চর্চা’য় আপত্তি নিয়ে পোস্টার পড়েছিল। আর এবার আবারও লোকসভা ভোটের (lok sabha vote) আগে সেই একই চিত্র দেখা গেল  অমিতকুমার দাসের চায়ের দোকানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bratya Basu: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    Bratya Basu: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার রাজ্য বনাম রাজ্যপাল বিতর্ক সামনে! রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে (Bratya Basu) মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রে খবর, এই সুপারিশের নেপথ্যে রয়েছে, গত ৩০ মার্চের একটি ঘটনা।

    কেন সরানোর সুপারিশ? 

    প্রসঙ্গত, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যেই তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠনের একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল ৩০ মার্চ। বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। ভোটের প্রচার নিয়েও কথা বলা হয় সেদিন। গত মার্চ মাসের ১৬ তারিখ ঘোষণা হয়েছে নির্বাচন। ভোট ঘোষণার পরেই লাগু হয়ে যায়, আদর্শ আচরণ বিধি। বিধি লাগু হওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসের মধ্যে প্রচার করা কতটা সঙ্গত তা নিয়েই ওঠে প্রশ্ন। সেই ঘটনাতেই ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে নির্বাচনী ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। এরপরেই তাঁকে মন্ত্রিসভা সরানোর সুপারিশ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    রাজ্যপালের বিবৃতি

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত নতুন কিছু নয়। একাধিক ইস্যুতে দুতরফের বিবাদ সামনে এসেছে। রাজভবনের তরফে জারি করা এই বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘রাজ্য সরকারের উচ্চ শিক্ষা দফতরের বেআইনি আদেশে যে সকল উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ স্তব্ধ করে রেখেছেন, আচার্য তাঁদের সতর্ক করছেন।’’ রাজ্য সরকারের নানা ভূমিকা নিয়েই সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। রাজভবনের সামনে তৃণমূলের বুদ্ধিজীবী সংগঠনের বিক্ষোভও (Bratya Basu) দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক গত বছরেই সামনে এসেছে। এরপরে ফের লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য-রাজ্যপাল বিতর্ক দেখা গেল। প্রসঙ্গত, রাজ্য জুড়ে গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় হিংসা ছড়ায়। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। তখনও রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করতে শোনা গিয়েছিল রাজ্যপালকে। খুলেছিলেন পিস রুমও। এবারের লোকসভা ভোটও যাতে অবাধ হয়, সেই লক্ষ্যে রাজভবন কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সিভি বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress News: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস

    Congress News: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল কংগ্রেস। বেশ কয়েকটি রাজ্যের প্রার্থীদের নাম মঙ্গলবার ঘোষণা করে হাত শিবির। কংগ্রেসের (Congress News) ঘোষণা করার প্রার্থী তালিকায় দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম রয়েছে। এই আসন থেকে হাত চিহ্নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মুণিশ তামাং। ওড়িশারও বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে শতাব্দীপ্রাচীন দলটি।

    দার্জিলিং আসন ২০০৯ থেকেই বিজেপির দখলে

    এদিন পশ্চিমবঙ্গের  দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করল কংগ্রেস। ২০০৯ সাল থেকেই এই কেন্দ্রটি বিজেপির দখলে রয়েছে। সে বছর জয়লাভ করেন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী যশবন্ত সিং। ২০১৪ সালে ওই কেন্দ্রে জয়ী হন সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। ২০১৯ সালে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে জয়ী হন রাজু বিস্ত। ২০২৪ সালে রাজু বিস্তের ওপরেই ভরসা রেখেছে গেরুয়া শিবির। বেশিরভাগ সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, দার্জিলিং আসনে বিজেপির জয় নিশ্চিত। তৃণমূল কংগ্রেস লোকসভা ভোটের ময়দানে দার্জিলিং কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে গোপাল লামাকে। এবার সেই আসনে প্রার্থী দিল কংগ্রেস (Congress News)। রাজ্যে বাম কংগ্রেসের জোট রয়েছে, তাই স্বাভাবিকভাবে দার্জিলিং আসনে বামফ্রন্টের কোনও প্রার্থী থাকবে না।

    দার্জিলিঙে কংগ্রেসের প্রার্থী জট

    এদিন মোট ১৭ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন কংগ্রেসের নেতৃত্ব। যদিও দার্জিলিং আসন নিয়ে জট কম হয়নি। একদা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বিনয় তামাং কংগ্রেসের যোগদান করেন টিকিটের দাবিতে। প্রার্থী ঘোষণায় (Congress News) দেরি হওয়াতেও তিনি ক্ষোভ উগরে দেন দলের বিরুদ্ধে। এরই মাঝে দেখা গেল মুণিশ তামাং কংগ্রেসে যোগ দিয়ে টিকিট পেলেন। আগেই বিনয় তামাং হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, মুণিশ তামাং টিকিট পেলে তিনি দল ছাড়বেন। এখন দেখার তিনি দল ছাড়েন কিনা।

     

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Polls 2024: বীরভূম ও ঝাড়গ্রাম আসনে প্রার্থী ঘোষণা গেরুয়া শিবিরের

    Lok Sabha Polls 2024: বীরভূম ও ঝাড়গ্রাম আসনে প্রার্থী ঘোষণা গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আরও দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। তবে এই দফাতেও বাদ রইল ডায়মন্ডহারবার ও আসানসোলে। শনিবার সন্ধেবেলা বীরভূম ও ঝাড়গ্রাম আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। চব্বিশের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Polls 2024) বীরভূমে চমক বিজেপি, এখানকার প্রার্থী আইপিএস তথা প্রাক্তন পুলিশ সুপার দেবাশিস ধর। আর ঝাড়গ্রামে লড়বেন ডাক্তার প্রণোৎ টুডু। এনিয়ে রাজ্যের মোট ৪০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেওয়া হল বিজেপির তরফে। বাকি দুই আসনে কবে প্রার্থী ঘোষণা হবে, সে ব্যাপারে কিছু জানায়নি গেরুয়া শিবির।

    বীরভূমের প্রার্থী 

    বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী আইপিএস দেবাশিস ধরকে নিয়ে জল্পনা ছিল আগে থেকেই। কোচবিহারের প্রাক্তন পুলিশ সুপার চলতি মাসের ২১ তারিখ ইস্তফা দেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শীতলকুচি গুলিকাণ্ডের জেরে তাঁকে সাসপেন্ড  করা হয়েছিল। পরে কাজে যোগ দিলেও কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে ছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তাঁর আচমকা ইস্তফা দেন। যদিও পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করেছিলেন। বীরভূমের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে (Lok Sabha Polls 2024) এবার গেরুয়া শিবির ভরসা রাখল আইপিএস-র ওপরেই।

    ঝাড়গ্রামের প্রার্থী 

    ঝাড়গ্রাম থেকে এবার লোকসভা নির্বাচনে লড়বেন ডাক্তার প্রণোৎ টুডু। ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের চিকিৎসক তিনি। কিন্তু আগেই হাসপাতালে পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর ইস্তফাপত্র (Lok Sabha Polls 2024) গ্রহণ করেছে। ফলে নির্বাচনে লড়তে আর বাধা নেই প্রণোৎ টুডুর। তিনি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আদিবাসী চিকিৎসক এবং ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই সংগঠনগুলির মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্য শিবির, রক্তদান শিবির-সহ বিভিন্ন সমাজ সচেতনামূলক কাজ করে থাকেন গ্রামে গ্রামে। প্রার্থী হওয়ার খবরে চিকিৎসক প্রণোৎ টুডু বলেন, “দল আমাকে ঝাড়গ্রাম আসন থেকে প্রার্থী করেছেন। বিজেপি দলের হয়ে জয় যুক্ত হয়ে আদিবাসী সমাজ-সহ সার্বিক উন্নয়নের কাজকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ইন্ডি জোটে জট, কোচবিহার আসনে বামের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী

    Lok Sabha Election 2024: ইন্ডি জোটে জট, কোচবিহার আসনে বামের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাতে ফের জটে ইন্ডি জোট। লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগেই একা লড়ার বার্তা দিয়েছিলেন অন্যতম শরিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পরবর্তীতে জোটে থেকে যায় বামদলগুলি এবং কংগ্রেস। সেইমতো প্রার্থীও ঘোষণা করে তারা। কিন্তু গতকালই সারাদেশের ৪৬টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। তালিকায় রয়েছে কোচবিহার আসনটিও। সেখানে হাত চিহ্নে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন প্রিয়া রায়চৌধুরী। অন্যদিকে এই কোচবিহার কেন্দ্রেই রাজ্য বামফ্রন্ট তাদের প্রথম পর্যায়ের যে তালিকা প্রকাশ করে সেখানে ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। রাজ্য বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু জানিয়েছিলেন, কোচবিহার কেন্দ্রে বাম সমর্থিত ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী নীতিশ চন্দ্র রায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবার সেখানেই কংগ্রেসকেও প্রার্থী ঘোষণা করতে দেখা গেল।

    দড়ি টানাটানি পুরুলিয়া আসন নিয়েও

    অন্যদিকে, পুরুলিয়া আসন নিয়ে (Lok Sabha Election 2024) কংগ্রেস এবং বামেদের চাপানউতোর চলছে। সেখানে কংগ্রেস ইতিমধ্যে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে নেপাল মাহাতোকে। বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক নাছোড়বান্দা রয়েছে।  তারা ওই আসন কোনওভাবেই ছাড়বে না। প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া আসনে বর্তমানে বিজেপির দখলে রয়েছে। খুব অঘটন না ঘটলে এখানে বিজেপিই জিততে চলেছে সব ঠিকঠাক থাকলে, এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    পরিবারতন্ত্র বজায় থাকল কংগ্রেসে

    শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার আসন (Lok Sabha Election 2024) ছাড়া অসমের ১টি, ছত্তিশগড়ের ১টি, জম্মু ও কাশ্মীরের ২টি, মধ্য প্রদেশের ১২টি আসনে, মহারাষ্ট্রের ৩টি আসনে, মণিপুরের ২টি আসনে, মিজোরামের ১টি আসনে, রাজস্থানের ৩টি আসনে, তামিলনাড়ুর ৭টি আসনে, উত্তর প্রদেশের ৯টি আসনে এবং উত্তরাখণ্ডের ২টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই প্রার্থী তালিকায় রয়েছে পি চিদাম্বরমের পুত্র কার্তি চিদাম্বরমের নাম। প্রতিটি পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণায় কংগ্রেস পরিবারতন্ত্রের ছাপ রেখেই চলেছে। অন্যদিকে প্রার্থী তালিকায় স্থান পেয়েছেন দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো কট্টর হিন্দু বিরোধী নেতাও।

     

    আরও পড়ুন: বিজেডির সঙ্গে জোট নয়, লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় একাই লড়বে বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটের আগে ‘লোগ সভা’ পোর্টাল চালু রাজভবনের, জানানো যাবে অভিযোগ

    Lok Sabha Election 2024: ভোটের আগে ‘লোগ সভা’ পোর্টাল চালু রাজভবনের, জানানো যাবে অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই নয়া উদ্যোগ নিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সরাসরি জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ‘লোগ সভা’-নামের পোর্টাল চালু করলেন। জানা গিয়েছে, এই পোর্টালে মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি ইমেল মারফত রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তাঁরা সেখানে নিজেদের অভিযোগ, অনুযোগের কথা সরাসরি জানাতে পারবেন সিভি বোসকে।

    পোর্টালের খুঁটিনাটি

    রবিবারই রাজভবনের তরফ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয় এই বিষয়ে। সেখানে জানানো হয়েছে, logsabha.rajbhavankolkata@gmail.com-এ জনসাধারণ তাঁদের অভিযোগের কথা জানাতে পারবেন সরাসরি রাজ্যপালকে। তবে শুধুমাত্র অভিযোগই (Lok Sabha Election 2024) নয়, তাঁরা যে কোনও বিষয়ে নিজেদের পরামর্শও দিতে পারবেন। নাগরিকদের ইমেলের ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে রাজভবন। এই পোর্টালের জন্য এক জন নোডাল অফিসারকেও নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল। অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (OSD) সন্দীপ রাজপুত এই ‘লোগ সভা’র নোডাল অফিসার। রাজ্যপাল এবিষয়ে জানিয়েছেন, লোকসভা ভোটের সময় রাজভবনের মূল নজর থাকবে যাতে কোথাও কোনওরকম হিংসা অশান্তির ঘটনা না ঘটে। তাঁর কথায়, ‘‘শান্তিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারাটা বাংলার মানুষের অধিকারের মধ্যে পড়ে।’’

    বাংলার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) পাহারা দেবে ‘ভ্রাম্যমাণ রাজভবন’

    লোকসভা ভোটের আগে হিংসা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রাজ্যপাল। তিনি পঞ্চায়েত ভোটের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যবাসীকে। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। তাই লোকসভা ভোটের জন্য সতর্ক করছেন রাজ্যবাসীকে। হিংসা রুখতে গোটা রাজভবনকেই তিনি বাংলার রাস্তায় নিয়ে আসতে চলেছেন। বাংলার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) পাহারা দেবে ‘ভ্রাম্যমাণ রাজভবন’। প্রসঙ্গত, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের সময় রাজভবনে ‘শান্তিকক্ষ’ (পিস রুম) খুলেছিলেন রাজ্যপাল। রাজভবনের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করতে পারতেন রাজ্যপাল। লোকসভার আগেও একই উদ্যোগ নিতে দেখা গেল রাজ্যপালকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Model Code of Conduct: চালু হল আদর্শ আচরণবিধি, কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    Model Code of Conduct: চালু হল আদর্শ আচরণবিধি, কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে কমিশন। ৭ দফায় ভোট হবে দেশে। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফা। শেষ দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১ জুন। ভোটের ফল বের হবে ৪ জুন। কমিশনের ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct)। নির্দেশিকা জারির পর থেকে সব দলের প্রার্থী, রাজনৈতিক দলগুলিকে মানতে হবে এই বিধি। ফলঘোষণা পর্যন্ত এই বিধি জারি থাকবে। প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলি এই বিধি না মানলে পদক্ষেপ করে কমিশন। ১৯৬০ সালে কেরলে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম বার এই নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি করা হয়েছিল। ১৯৬২ সালে লোকসভা নির্বাচন থেকে গোটা দেশে এই বিধি জারি করে নির্বাচন কমিশন।

    আদর্শ আচরণবিধিতে কী কী নিষিদ্ধ?

    সরকারের মন্ত্রীরা সরকারি খরচে কোনও নির্বাচনী সমাবেশ (Model Code of Conduct) করতে পারবেন না। এই সময়ে মন্ত্রীরা তাঁদের বাসভবন থেকে অফিসে যাওয়ার জন্য শুধুমাত্র সরকারি যানবাহন ব্যবহার করতে পারেন। সরকারি গাড়ি নির্বাচনী সমাবেশ ও সফরে ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকারি ঘোষণা, প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ইত্যাদি সব ধরনের অনুষ্ঠান স্থগিত রাখতে হবে।

    মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার বা কোনও ধর্মীয় স্থানকে নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকার এই সময়ে কোনও কর্মীকে (Model Code of Conduct) বদলি বা পদচ্যুত করতে পারে না। বন্ধ থাকে নিয়োগও।

    সরকারি বা কারও ব্যক্তিগত জায়গায় সভা করার জন্য লাউডস্পিকার ব্যবহার করার আগে স্থানীয় পুলিশের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।

    নির্বাচনের দিনঘোষণা হলে প্রার্থীরা কোথাও কোনও আর্থিক অনুদান দিতে পারেন না।

    প্রচারের কাজে জন্য সরকারি পরিবহণ, যন্ত্র, নিরাপত্তারক্ষী ব্যবহার করা যাবে না।

    সকল প্রার্থী, রাজনীতিকদের জনসভার জন্য বিনামূল্যে সরকারি জায়গা ব্যবহার করতে দিতে হবে। পক্ষপাতিত্ব করা চলবে না।

    ভোটের কাজে কোনও সরকারি ডাকবাংলো, বিশ্রামাগার বা অন্য সরকারি সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকারি সংবাদমাধ্যম শাসকদলের হয়ে কোনও পক্ষপাতদুষ্ট খবর পরিবেশন করতে পারবে না।

    ভোটারদের প্রভাবিত করতে কোনও জাতি বা ধর্মের মানুষের আবেগকে ব্যবহার করা যাবে না। কারও আবেগে আঘাত করা যাবে না।

    রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে যাতে কোনও ভাবেই নারীদের সম্মান ও মর্যাদা নষ্ট না হয়, তা মাথায় রাখতে হবে সব দলকে।

    ভুয়ো বিজ্ঞাপন কোনওভাবেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না।

    সোশ্যাল মিডিয়াতে আপত্তিকর এবং রুচিহীন, এমন কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা যাবে না।

    যে স্থানে ভোট হবে তার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সেখানে আর কোনও প্রচার করা যাবে না।

    আচরণবিধি (Model Code of Conduct) লঙ্ঘন হলে কী হবে?

    কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তবে তাঁর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কমিশন।

    আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায়, এমনকী জেলে পাঠানোরও বিধান রয়েছে।

    মনে রাখতে হবে আচরণবিধি শুধু রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তি যদি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার করেন, তাঁকেও এই নিয়মগুলি মেনে চলতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share