Tag: Lok Sabha Vote

Lok Sabha Vote

  • Lok Sabha Vote: ভোটের আগে ধাক্কা কংগ্রেসে, ঝাড়খণ্ডের একমাত্র সাংসদ গীতা কোড়া গেলেন বিজেপিতে

    Lok Sabha Vote: ভোটের আগে ধাক্কা কংগ্রেসে, ঝাড়খণ্ডের একমাত্র সাংসদ গীতা কোড়া গেলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের সিংভূমের সাংসদ গীতা কোড়া সোমবার কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন। সে রাজ্যের রাজনীতিতে গত কয়েক মাস ধরেই জল্পনা চলছিল, কংগ্রেস সাংসদ গীতা কোড়া শীঘ্রই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গীতা কোড়া এলেন গেরুয়া শিবিরে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডির উপস্থিতিতে দলের সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মধু কোড়ার স্ত্রী হলেন গীতা। সিংভূমের হো জনজাতি গোষ্ঠীর উপর ভালোই প্রভাব রয়েছে কোড়া দম্পতির। লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Vote) বিজেপি তার সুফল পাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    কী বললেন গীতা কোড়া?

    বিজেপিতে যোগ দিয়ে গীতা কোড়া বলেন, ‘‘বর্তমানে কেবল মোদিজি দেশের উন্নতি করতে পারেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে ভারতের সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে বিশ্ব মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত (Lok Sabha Vote) করছেন তা প্রশংসনীয়। এখন তাঁর নেতৃত্বে গোটা ভারত এগিয়ে চলেছে ৷ যার সাফল্য সারা বিশ্বও স্বীকার করে নিয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।’’ এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের অবহেলা ও বঞ্চনার অভিযোগও আনেন গীতা। তিনি আরও জানিয়েছেন, কোনও শর্তে দলে আসেননি। কর্মী হিসেবে দলের সদস্যপদ নিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে তাই তাঁরা সততার সঙ্গে পালন করবেন।

    কী বলছেন ঝাড়খণ্ড বিজেপির সভাপতি?

    গীতা কোড়া বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে, ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মারান্ডি স্বাগত জানান তাঁকে (Lok Sabha Vote)। ঝাড়খণ্ডের বিরোধী দলের নেতা অমর বাউরিও তাঁর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। বাবুলাল মারান্ডি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিজেপির নীতি দ্বারা প্রভাবিত, চাইবাসার কঠোর পরিশ্রমী সাংসদ তিনি। আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন গীতা কোড়া। বিজেপি পরিবারে আপনাকে স্বাগত ও অভিনন্দন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Vote: রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিশ্রুতি পূরণে আদৌ সক্ষম? জানার অধিকার রয়েছে ভোটারদের, বার্তা কমিশনের

    Lok Sabha Vote: রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিশ্রুতি পূরণে আদৌ সক্ষম? জানার অধিকার রয়েছে ভোটারদের, বার্তা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন এগিয়ে এলেই যেন ভোটারদের কথা মনে পড়ে রাজনৈতিক দলগুলির নেতা-নেত্রীদের। ইস্তেহারগুলিতে এমন কিছু কথা রাখে রাজনৈতিক দলগুলি যা পূরণ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবুও ভোটের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলি এমন কাজ করে থাকে। ভোট (Lok Sabha Vote) মিটলে সেই সব প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভুলে যান নেতা-নেত্রীরা। নির্বাচনী ইস্তেহারে রাজনৈতিক দলগুলির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আটকাতে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি উঠছে। এনিয়ে মামলাও চলছে বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে। এবার এই বিষয়টি নিয়ে সাফ বার্তা দিতে দেখা গেল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে। শনিবার রাজীব কুমার সাফ জানিয়েছেন, ভোটারদের (Lok Sabha Vote) জানার অধিকার রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতির বিষয়ে। এর পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন বর্তমানে বিষয়টি কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে।

    কী বললেন রাজীব কুমার?

    শনিবার এ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এবং তিনি জানিয়েছেন যে কমিশন এ ব্যাপারে একটি প্রোফর্মা তৈরি করছে। যা প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘‘ভোটারদের জন্য কী কী করতে চায় রাজনৈতিক দলগুলি তা নির্বাচনী ইস্তেহারে (Lok Sabha Vote) জানানোর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির। সাধারণ ভোটারদের ঠিক করতে হবে তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতিতে ভরসা রাখবেন কিনা।’’

    উপঢৌকন আটকাতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এজেন্সিগুলিকে

    ভোটের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে দান-খয়রাতির রাজনীতির অভিযোগ ওঠে। ভোটারদের মন জোগাতে ও ভোট কিনতে উপঢৌকন বিলি করা হয়। তা রুখতে বিভিন্ন সংস্থাকে বাড়তি নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘‘এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলোকে সতর্ক থাকতে এবং নগদ ও বিনামূল্যের বিতরণ রোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়াকেও অনলাইন লেনদেন নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’’

    গত দু’দিন ধরে আলোচনা রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে

    প্রসঙ্গত গত দু’দিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজীব কুমার। ভোটের (Lok Sabha Vote) আগে রাজনৈতিক দলগুলির এই উপঢৌকন তত্ত্ব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্নভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। এর মধ্যে মদ এবং নগদ টাকা বিতরণ সবথেকে বেশি দেখা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: রাজ্যে ৪ জেলায় নতুন জেলাশাসক আনল কমিশন, কারা পেলেন দায়িত্ব?

    Election Commission: রাজ্যে ৪ জেলায় নতুন জেলাশাসক আনল কমিশন, কারা পেলেন দায়িত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে গত শনিবারই। তারপর থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে আদর্শ আচরণবিধি (Election Commission)। এরফলে সরকারি অফিসার, আমলা, পুলিশ বদলির নির্দেশের বিশেষ ক্ষমতা এখন সরকারের বদলে নির্বাচন কমিশনের হাতে। বৃহস্পতিবারই রাজ্যের চার জেলাশাসককে দায়িত্ব থেকে সরানোর নির্দেশ দেয় কমিশন। এবার বাংলার ওই চার জেলার নতুন জেলাশাসকদের নামও ঘোষণা করে দিল কমিশন। কমিশনের তরফে পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন চার জেলা শাসক

    পূর্ব মেদিনীপুরে নতুন জেলাশাসক (Election Commission) হিসেবে ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস জয়শী দাসগুপ্তর নামে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। বীরভূমের জেলাশাসক পদে কমিশন এনেছে শশাঙ্ক শেঠিকে। জানা গিয়েছে,  ইনিও ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস। পূর্ব বর্ধমানের নতুন জেলাশাসক করা হচ্ছে ২০১১ সালের ব্যাচের রাধিকা আইয়ারকে। এর পাশাপাশি ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক করা হয়েছে ২০০৭ সালের ব্যাচে মৌমিতা গোদারা বসুকে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে তাঁদের নতুন দায়িত্বে কাজে যোগ দিতে হবে।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চেয়ে সক্রিয় কমিশন

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার একসঙ্গে এই রাজ্যের ৪ জেলাশাসককে বদলি করে কমিশন (Election Commission)। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ছিলেন তনভির আফজল। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক ছিলেন সুনীল আগরওয়াল। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক ছিলেন বিধান রায় এবং বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন পূর্ণেন্দুকুমার মাজি। শুক্রবার, নতুন ৪ জনকে নিযুক্ত করল কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য কমিশন যে সদা সক্রিয় থাকবে সেই বার্তা ভোটঘোষণার দিনই অর্থাৎ গত ১৬ মার্চ দিয়ে রেখেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। সেদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ‘৪ এম’-এর কথা বলেন। অর্থ (Money), পেশিশক্তি (Muscle), ভুল তথ্য (Misformation) এবং আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন (MCC Violation)। এই ‘৪ এম’-কে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্রিয় কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট ঘোষণার পরেও সরেনি সরকারি বিজ্ঞাপন-পোস্টার, ডেডলাইন দিল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোট ঘোষণার পরেও সরেনি সরকারি বিজ্ঞাপন-পোস্টার, ডেডলাইন দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024)। দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ হওয়ার পরেও সরানো হয়নি রাজনৈতিক দলের এমন পোস্টার, ব্যানার, হোর্ডিং, দেওয়াল লিখন দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এ বিষয়ে রাজ্যগুলির কাছ থেকে রিপোর্ট তলবও করেছে কমিশন। সরকারি বিজ্ঞাপনের যাবতীয় পোস্টার এবং ব্যানার সরিয়ে ফেলার জন্য রাজ্যগুলিকে সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে প্রচারমূলক পোস্টারগুলি সরিয়ে ফেলতে হবে।

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি

    বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, গত ১৬ মার্চ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। ওই দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি। সেই বিধি অনুযায়ী, কোথাও কোনও সরকারি বিজ্ঞাপন থাকতে পারে না। অভিযোগ, পোস্টার, ব্যানার বা দেওয়াল লিখনের আকারে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোট ঘোষণা হওয়ার চার দিন পরেও থেকে গিয়েছে সরকারি বিজ্ঞাপন। তা নিয়ে কমিশনের কাছে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও জমা পড়ছে। বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, বিমানবন্দর, জাতীয় সড়ক থেকে অবিলম্বে এই ধরনের অননুমোদিত সমস্ত পোস্টার, ব্যানার বা দেওয়াল লিখন সরিয়ে ফেলতে হবে। এর জন্য আর অতিরিক্ত সময় দেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় কত বেআইনি নির্মাণ? কী করছে পুরসভা? প্রশ্ন শুভেন্দুর, ঠুকলেন আরটিআই

    কমিশনের বার্তা

    গোটা দেশে এবার সাত দফায় হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। তবে সব রাজ্যে সাত দফায় হবে এমনটা নয়। বাংলা, বিহার, উত্তর প্রদেশে হবে সাত দফায়। লোকসভা ভোট শুরু হচ্ছে ১৯ এপ্রিল। শেষ হচ্ছে ১ জুন। ফল প্রকাশ ৪ জুন। এদিকে ইতিমধ্যেই রাজ্যে পা পড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর। দিকে দিকে চলছে টহল। কমিশনের (Election Commission) স্পষ্ট বার্তা, এই আবহে কোনও সরকারি প্রকল্পের প্রচারমূলক বিজ্ঞাপন বা দেওয়াল লিখন যেন না দেখা যায়।  সমস্ত পোস্টার, ব্যানার যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে নিতে হবে। ওই কাজ শেষ হয়েছে এই মর্মে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। কমিশনের ওই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে সব রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Lok Sabha Election 2024: কড়া কমিশন, বুথ দখল, ছাপ্পা ভোটে জড়িতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

    Lok Sabha Election 2024: কড়া কমিশন, বুথ দখল, ছাপ্পা ভোটে জড়িতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) ঘোষণা হতেই এবার আইন শৃঙ্খলার প্রশ্নে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার প্রশ্নে কমিশন যে খুবই চিন্তিত, তা প্রথমেই স্পষ্ট হয়ে য়ায়। সারা দেশে একমাত্র রাজ্য যেখানে ভোট করাতে কমিশন ৯২০ কোম্পানি বাহিনী চায়। ভোট ঘোষণার পরেই আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কয়েক দফা নির্দেশ ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকদের পাঠিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দফতর।

    জেলা শাসকদের নির্দেশ- 

    ১) অতীতে হওয়া লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) যাদের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ এসেছে, থানায় তাদের তালিকা তৈরি করতে হবে।

    ২) যাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন চলাকালীন গুলি চালানোর অভিযোগ এসেছে, তাদেরও তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ৩) যে সমস্ত ওয়ারেন্ট পড়ে আছে, তা কার্যকর করতে হবে।

    ৪) এসপি, সিপি-দের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে ঘন ঘন পর্যালোচনা করতে হবে।

    ৫) বিগত নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) চলাকালীন যাদের বিরুদ্ধে আইন ভাঙার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে কী কী পদক্ষেপ ও কী কী ব্যবস্থা, তা তাদের নাম সহ বিস্তারিত ১৫ দিনের মধ্যে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের দফতরে পাঠাতে হবে।

    ৬) বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার করতে অভিযান চালিয়ে যেতে হবে।

    ৭) কমিশনের তরফে ডিএম’দের বলা হয়েছে, যে কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে অভিযোগ এলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেটাকে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ কোনওভাবে ফেলে রাখা যাবে না।

    কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারেন সাধারণ ভোটাররাও

    সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার জন্য ইতিমধ্যে টোল-ফ্রি নম্বর (১৯৫০) চালু করেছে কমিশন। তাতে ফোন করে যে কেউ অভিযোগ জানাতে পারবেন বলেই জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন চালু করেছে বেশ কিছু অ্যাপও। এমনকী ভোটার লিস্টে নাম আছে কি না, সেটাও জেনে যাবেন ভোটাররা। প্রসঙ্গত, কলকাতায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠকের সময় এসপি, ডিএম দের কড়া নির্দেশ দিয়েছিল। কোনও রকম হিংসা হলে কাউকে ছাড়া হবে না- এমন নির্দেশ দেয় কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘‘গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব’’, লোকসভা নির্বাচনকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    Lok Sabha Election 2024: ‘‘গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব’’, লোকসভা নির্বাচনকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, ১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন পর্যান্ত সাত দফায় হবে নির্বাচন।  ভোট ঘোষণার পরই নিজের এক্স হ্যান্ডল থেকে এক গুচ্ছ পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে দেশবাসীকে ভোট উৎসবে মেতে ওঠার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে গত কয়েক বছরে তাঁর সরকার কী কী জনকল্যাণকর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তাও জানান তিনি। 

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    লোকসভা ভোটের ঘোষণার পর মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব শুরু হয়ে গেল। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ঘোষণা করেছে। বিজেপি-এনডিএ এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পুরোপুরি তৈরি। ভালো প্রশাসন এবং জনতার সেবার জন্য ৯৬ কোটির বেশি ভোটারের আশীর্বাদ তৃতীয় বারের জন্য আমাদের ক্ষমতায় আনবে।” তাঁর সরকার ৪০০ আসন জিতবে বলে দাবি করে তিনি লিখেছেন, “প্রত্যেক ভারতীয় বুঝতে পারছেন সৎ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং শক্তিশালী সরকার কত কিছু করতে পারে। আমাদের সরকারের থেকে দেশবাসীর প্রত্যাশাও অনেক বেড়েছে। সে জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে আওয়াজ উঠছে- এই বার, ৪০০ পার।”

    এর পরই বিরোধীদের আক্রমণ করে তিনি লিখেছেন, “এখন বিরোধীদের না আছে ইস্যু, না আছে দিকনির্দেশ। তাদের একটিই অ্যাজেন্ডা পড়ে রয়েছে- আমাদের হেনস্থা করা এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করা। জনতা এখন পারিবারিক মানসিকতা এবং সমাজে বিভেদের চক্রান্তকে প্রত্যাখ্যান করছে।” নাম না নিয়ে কংগ্রেসকেও আক্রমণ করে মোদি লিখেছেন, “দশকের পর দশক করে যাঁরা দেশকে শাসন করেছে গর্ত তৈরি করেছে। গত ১০ বছরে আমরা সেই গর্ত পূরণ করেছি। এই ১০ বছরে দেশবাসী আরও সমৃদ্ধ এবং আত্মনির্ভর হয়েছে।”

    তৃতীয়বারে এনডিএ সরকার কোন কোন বিষয়ে কাজ করবে, তার ইঙ্গিত দিয়ে মোদি লিখেছেন, “এনডিএ সরকারের তৃতীয় টার্মে গরিবি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরালো হবে। আমরা ভারতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করব। তরুণদের স্বপ্নপূরণের জন্য আমাদের চেষ্টা জারি থাকবে।”

    নাড্ডা-শাহর বার্তা

    নির্বাচন নিয়ে পোস্ট করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘‘আমি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। এই নির্বাচন গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এই নির্বাচনই সুশাসন এবং উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যম। আমি সারা দেশের মানুষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, আপনারা প্রচুর সংখ্যায় ভোট দিতে আসুন এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের ভিত আরও সুদৃঢ় করুন।’’ 

    এক্সে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি লিখেছেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই দেশ সুশাসন, নিরাপত্তা এবং সর্ব ক্ষেত্রে সংস্কৃতির পুনর্গঠনের ইতিহাস তৈরি হতে দেখেছে। উন্নয়নের পথে ভারতের এই যাত্রায় শান্তি বজায় রাখতে এমন ব্যক্তিকে ভোট দিন, যিনি দেশের উন্নতির জন্য কাজ করেন। এ বছর এনডিএ জোট ৪০০ আসন পার করার স্লোগান নিয়ে এগিয়েছে। আমার বিশ্বাস, দেশের মানুষ এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে আমাদের সাহায্য করবেন।’’

     

    আরও পড়ুন: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘ভ্রাম্যমান রাজভবন’! ভোটের সময় হিংসা রুখতে পথে পথে ঘুরবেন রাজ্যপাল

    Lok Sabha Election 2024: ‘ভ্রাম্যমান রাজভবন’! ভোটের সময় হিংসা রুখতে পথে পথে ঘুরবেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) সময় হিংসা রুখতে প্রয়োজনে গোটা রাজভবনকেই নামিয়ে আনবেন বাংলার পথে। বাংলার ভোটে পাহারা দেবে ‘ভ্রাম্যমান রাজভবন’। শনিবার ভোট ঘোষণার দিনই রাজভবনের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। যে কোনও মূল্যে রাজ্যে দুর্নীতি ও হিংলা রুখতে তিনি সচেষ্ট বলেও জানান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    রাজ্যপালের বিবৃতি

    শনিবার লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলায় সাত দফা ভোটের ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) জানান, ভোটে যাতে বাংলায় কোনও হিংসা না হয়, তা দেখতেই পথে থাকবেন তিনি।  রাজ্যপাল একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘ভোটের প্রথম দিন থেকে আমি রাস্তায় থাকব। আমি ‘জন রাজভবন’ বা ‘ভ্রাম্যমাণ রাজভবন’ হিসেবে রাস্তায় ঘুরব। সকাল ৬ টা থেকে থাকব রাস্তায়।’’ এক বছর আগে হওয়া পঞ্চায়েত ভোটের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তাঁর বিবৃতিতে এক রকম হুঁশিয়ারির সুরেই রাজ্যপাল বলেছেন, ‘‘মানুষের রক্ত নিয়ে রাজনীতির হোলি খেলা যাবে না।’’

    আরও পড়ুন: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    রক্ত নিয়ে রাজনীতির হোলি নয়

    শনিবার সকালে হাওড়ার একটি বেসরকারি স্কুলে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন রাজ্যপাল। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বোস বলেন, ‘ভোটের প্রথম দিন থেকে রাস্তায় থাকব। আমার দুটো প্রায়োরিটি। প্রথম হল হিংসা এবং দুর্নীতি বন্ধ করা। আমি জন রাজভবন বা ভ্রাম্যমান রাজভবন হিসেবে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরব। সকাল ৬টা থেকে রাস্তায় থাকব আমি। মানুষের কাছে থাকব। যাতে তারা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে পারেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগেও বলেছি, মানুষের রক্ত নিয়ে রাজনীতির হোলি খেলা যাবে না’। এদিন সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে রাজ্যপাল বলেন, “অফিসে বসে থাকবেন না। এলাকায় যান। আপনারা সিভিল সার্ভেন্ট। বাংলাকে নতুন ভাবে পরিচালনা করুন।’’

    রাজ্যপালের জল দর্শন

    শনিবার অবশ্য এর পাশাপাশি রাজভবনের তরফে আরও একটি নতুন পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। যার নাম রাজ্যপালের ‘জল দর্শন’। বাংলায় প্রচুর উপকূলবর্তী এলাকা আছে। সেই সমস্ত উপকূলবর্তী এলাকা বছরভর জল সফরে ঘুরে দেখবেন রাজ্যপাল বোস (CV Ananda Bose)। শনিবার সকালে হাওড়ার জৈন বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল। সেখান থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল জানিয়েছেন আগামীতেও এই ধরনের পরিদর্শনে বেরোবেন তিনি। এদিন বাংলার ছাত্র ছাত্রীদের মেধার প্রশংসা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। দেশের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha 2024) ৭ দফায় হবে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে কমিশনের (Election Commission) ফুল বেঞ্চ। সারা দেশে ১৯ এপ্রিল ভোট শুরু হবে। ৪ জুন ভোট গণনা। কমিশন ভোট ঘোষণা করে দেওয়ার অর্থ এখন থেকেই কার্যকর হয়ে গেল নির্বাচনী আচরণবিধি। অর্থাৎ গোটা দেশের আইনশৃঙ্খলার ভার চলে গেল নির্বাচন কমিশনের হাতে। 

    দেশে কবে কোথায় ভোট গ্রহণ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, প্রথম দফায় ২১ রাজ্যে ভোট হবে। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৬ এপ্রিল। তৃতীয় দফার ভোট হবে ৭ মে। চতুর্থ দফার ভোট হবে ১৩ মে। পঞ্চম দফার ভোট হবে ২০ মে। ষষ্ঠ দফার ভোট হবে ২৫ মে। সপ্তম দফার ভোট হবে ১ জুন। ২২ রাজ্যে এক দফাতেই ভোট গ্রহণ করা হবে। ২ দফায় ভোট হবে ৪ রাজ্যে, কর্নাটক, ত্রিপুরা, মণিপুর ও রাজস্থানে। ৩ দফায় ভোট হবে অসম ও ছত্তীসগঢ়ে। ৪ দফায় ভোট হবে ওড়িশা, মধ্য প্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডে। ৫ দফায় ভোট হবে মহারাষ্ট্র ও জম্মু-কাশ্মীরে। ৭ দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ ও বিহারে।

    উপনির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচন

    ২৬ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই হবে। বিহার, গুজরাট, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, তামিলনাড়ুতে উপনির্বাচন বাকি। যত শূন্যপদ রয়েছে, সবকটি করান হবে। সিকিম, ওড়িশা, অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ— চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনও হবে লোকসভার সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ কমিশনের, বাংলায় ভোট ৭ দফায়

    পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার এদিন জানিয়েছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দিকে তাকিয়ে গোটা পৃথিবী। দেশে প্রায় ৯৭ কোটি রেজিস্ট্রার্ট ভোটার রয়েছেন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ লক্ষ। ৫৫ লক্ষ ইভিএম থাকছে। পুরুষ ও মহিলা ভোটারের অনুপাত হল ১০০০ : ৯৪৮। অর্থাৎ প্রত্যেক ১,০০০ জন পুরুষ ভোটারের ক্ষেত্রে মহিলা ভোটারের সংখ্যা হল ৯৪৮। যা আগেরবার ছিল ৯৪০। দেশের ১২ রাজ্যে পুরুষ ভোটারদের তুলনায় মহিলা ভোটারদের অনুপাত বেশি। দেশের ১২টি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুরুষ ভোটারদের থেকে মহিলা ভোটারের সংখ্যা। প্রথমবারের ভোটারের মধ্যে ৮৫.৩ লাখই তরুণী। তরুণ ভোটারের সংখ্যা ১৯.৭৪ কোটি। প্রথমবার ভোট দেবেন ১.৮২ কোটি ভোটার। ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছেন ৮২ লক্ষ ভোটার। ট্রান্সজেন্ডার ভোটারের সংখ্যা ৪৮ হাজার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে কত দফায় ভোট? লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা শনিবার, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: বঙ্গে কত দফায় ভোট? লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা শনিবার, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। শুধু দিন ঘোষণার অপেক্ষা। তা-ও জানা যাবে আগামিকালই। কমিশনের তরফে ট্যুইট করে জানিয়ে দেওয়া হল, ভোটের সময়সূচী ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক বৈঠক শনিবার। ১৬ মার্চ বিকেল তিনটেয় অনুষ্ঠিত হবে এই সাংবাদিক বৈঠক। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি ইসিআই-এর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লাইভ স্ট্রিম করা হবে।

    লোকসভার পাশাপাশি একই সঙ্গে কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করতে পারে কমিশন। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) সঙ্গেই অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম এবং ওড়িশায় বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। পাশাপাশি, কয়েকটি বিধানসভার উপ-নির্বাচনে দিনক্ষণও ঘোষণা হতে পারে শনিবার।এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিধানসভা আসন— মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ও উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর কেন্দ্রের উপনির্বাচনও। 

    কত ধাপে নির্বাচন

    রাজ্যে রাজ্যে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কখন হবে, কত ধাপে এবং তার জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হবে দ্রুত। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হবে এবং সে কারণে এই সময়ের পরে সরকার নতুন কোনও নীতি বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারবে না। বৃহস্পতিবারই নির্বাচন কমিশনের জোড়া শূন্যপদে দুই অবসরপ্রাপ্ত আমলাকে নিয়োগ করা হয়। দেশের দুই নির্বাচন কমিশনারের পদে আসেন সুখবীর সিং সান্ধু এবং জ্ঞানেশ কুমার। এই দুই শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিটি। শূন্যপদ পূরণের পরই ভোটের দিন ঘোষণার কথা জানিয়ে দিল কমিশন।

    কবে থেকে লাগু নির্বাচনী আচরণবিধি

    সূত্রের খবর, বর্তমান লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) মেয়াদ ১৬ জুন, ২০২৪ এ শেষ হবে। তাই নিয়ম অনুসারে  তার আগে নতুন লোকসভা গঠন করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট হতে পারে সাতেরও বেশি দফায় ভোটগ্রহণ হতে পারে। নির্বাচনের জন্য রাজ্যে থাকবে ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দেশ জুড়ে লাগু হয়ে যাবে নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি। 

    আরও পড়ুন: নিউজ সার্ভিস চালু প্রসার ভারতীর, বিনামূল্যে মিলবে কপিরাইট-ফ্রি খবরাখবর

    ২০১৯ সালে সাত দফায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাজ্যে। ২০১৯ সালে, ১০ মার্চ সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং তারপরে লোকসভা নির্বাচন সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার ১১ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ। ২০১৯ সালে  ভোটের ফল ঘোষণা হয় ২৩ মে। এবার ভোটগ্রহণের প্রথম দফাটি হতে পারে ১৬ এপ্রিলের আশেপাশে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: পোর্টাল তৈরির পথে কমিশন, ভোটে অবৈধ লেনদেনে নজর রাখবে ইডি-আয়কর?

    Lok Sabha Election 2024: পোর্টাল তৈরির পথে কমিশন, ভোটে অবৈধ লেনদেনে নজর রাখবে ইডি-আয়কর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওরকম দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতে নারাজ জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটে (Lok Sabha Election 2024) নজরদারিতে এবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির শরণাপন্ন হতে চলেছে তারা। মঙ্গলবার একাধিক কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে নিয়ে একটি পোর্টাল তৈরি করার কথা জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকের আগে ২২টি কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন।

    নির্বাচনে আর্থিক দুর্নীতি রোধে ব্যবস্থা

    সূত্রের খবর, এবার লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির দ্বারস্থ হতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটে কোনও কালো টাকা বা অবৈধ লেনদেন হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টির উপর নজরদারি চালাতে পারে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবং আয়কর দফতর। তিনি বলেন, “সব কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে নিয়ে একটি পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। নির্বাচনে আর্থিক দুর্নীতি আটকাতে এই পোর্টালের সাহায্য নেওয়া হবে।” নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করার জন্য প্রাথমিক দায়িত্ব নিতে হবে ডিএম, এসপি এবং প্রাথমিক প্রশাসনিক স্তরের আধিকারিকদের। রাজনৈতিক দলগুলিকে পোর্টালের মাধ্যমে সাহায্য করা হবে। পাশাপাশি সিটিজেন্স ভিজিলেন্স-এর সুযোগ থাকবে। যেখানে অভিযোগ জানানো যাবে। চাইলে কোনও কিছু ছবি তুলেও পাঠানো যাবে।

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই লক্ষ্য

    মঙ্গলবার সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির কথা শুনেছে কমিশন (Election Commission)। জানা গিয়েছে, সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিল তৃণমূল সহ মোট আটটি রাজনৈতিক দল। এদিন কী কী অভিযোগ জমা পড়েছে, সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন রাজীব কুমার। এদিন তিনি বলেন, ‘কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। যদি কোনও ঘটনা ঘটে তাহলে জেলা প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ করবে। তারা পদক্ষেপ না করলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করব।’ অর্থশক্তির পাশাপাশি পেশিশক্তির ব্যবহার নিয়েও অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। ভোট পূর্ববর্তী এবং ভোট পরবর্তী হিংসা রোখার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। 

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীকে ফের খুনের হুমকি! কী বলল দুর্বৃত্ত?

    বাংলার ১৪ তম পার্বণ নির্বাচন

    লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বাংলায় অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, একটি দল বাদে সব দলই অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছে। পরিদর্শকদেরও সক্রিয় হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যে এবার ৮০ হাজারেরও বেশি বুথে ভোটগ্রহণ করা হবে। নতুন ভোটারের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২৫ হাজার। রাজ্যের অন্তত ৫০ শতাংশ বুথে নজরদারি চালাতে সরাসরি ‘ওয়েব কাস্টিং’ করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজীব। নির্বাচনকে ‘বাংলার ১৪ তম পার্বণ’ বলে উল্লেখ করে রাজীব বলেন,  “আমরা চাই উৎসবের মেজাজে ভোট দিক মানুষ।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share