Tag: lok sabha

lok sabha

  • Lok Sabha Election 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, গুচ্ছ নির্দেশিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, গুচ্ছ নির্দেশিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। স্বচ্ছ ভোট করাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। একই লোকসভা কেন্দ্রে বদলি করা যাবে না পুলিশ আধিকারিকদের। সম্প্রতি এই মর্মেই দেশের সব রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করে নির্বাচন কমিশন।

    কমিশনের নির্দেশ

    কমিশন জানিয়েছে, বদলির ক্ষেত্রে পুলিশ আধিকারিকদের একই লোকসভা কেন্দ্রে পাঠাতে পারবে না রাজ্যগুলি। যেসব আধিকারিক টানা তিন বছর এক জায়গায় পোস্টিং রয়েছেন, তাঁদের অন্যত্র বদলি করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের অন্তর্গত পার্শ্ববর্তী জেলায় বদলি করা যাবে না পুলিশ আধিকারিক বা নির্বাচনের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে যেসব পুলিশ আধিকারিকরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্বাচনী কাজে যুক্ত থাকবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও। হোম ডিস্ট্রিক্টে পোস্টিং রয়েছেন যাঁরা, বদলি করতে হবে তাঁদেরও। কমিশনের এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না কেবল সেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে, যেগুলিতে সর্বোচ্চ দুটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ

    প্রসঙ্গত, আগামী তিন মার্চ লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তার আগে শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব সব জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের ঢের আগেই রাজ্যে চলে আসবে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে আসবে আরও ৫০ কোম্পানি।

    আরও পড়ুুন: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    এদিকে, নির্বাচন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ও নির্বাচন সংক্রান্ত বার্তা ভোটারদের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন ও ডাক বিভাগের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার এই মর্মে ওই দুই সংস্থার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। উপস্থিত ছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার, নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল, ভারতীয় ডাক বিভাগের সচিব বিনীত পান্ড এবং আইবিএর মুখ্য প্রশাসক সুনীল মেটা। উপস্থিত ছিলেন ওই সংস্থাগুলির পদস্থ আধিকারিকরাও। মূলত ভোটারদের ভোটাধিকারের গুরুত্ব বোঝাতেই ব্যবহার করা হবে এই দুই সংস্থাকে (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “১৮তম লোকসভা দেশের তরুণদের আকাঙ্খার প্রতীক”, মন কি বাতে বললেন মোদি

    PM Modi: “১৮তম লোকসভা দেশের তরুণদের আকাঙ্খার প্রতীক”, মন কি বাতে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত তিন মাসের জন্য বন্ধ থাকছে প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত। লোকসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গেলেই চালু হয়ে যাবে আদর্শ আচরণ বিধি। সেই কারণেই আগামী তিন মাস রেডিওয় সম্প্রচারিত হবে না প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মন কি বাত অনুষ্ঠান।

    ‘মন কি বাত’

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পর দেশবাসীর সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করতে মন কি বাতের অনুষ্ঠান চালু করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই থেকে প্রতি মাসের শেষ রবিবার রেডিওয় সম্প্রচারিত হয় প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান। আজ, রবিবার সম্প্রচারিত হয়েছে এই অনুষ্ঠানের ১১০তম পর্ব। এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “অষ্টাদশতম লোকসভা দেশের তরুণদের আকাঙ্খার প্রতীক।” নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক প্রচারের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি, কারণ সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন একটি নয়া অভিযান শুরু করেছে। মেরা পহেলা ভোট – দেশকে লিয়ে শীর্ষক কর্মসূচিতে বিশেষভাবে ফার্স্ট টাইম ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের জন্য অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে।”

    ‘তরুণদের আকাঙ্খার প্রতীক’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আঠারোয় পা দেওয়ার পর আপনি অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচনে অংশ নিতে চলেছেন। এর অর্থ হল, অষ্টাদশতম লোকসভা দেশের তরুণদের আকাঙ্খার প্রতীক। তাই আপনার ভোটের মূল্য বহুমুখী।” তিনি বলেন, “দেশের তরুণ শক্তি প্যাশন ও এনার্জিতে ভরপুর। এই ভারত নিয়ে আমরা গর্বিত। যত বেশি সংখ্যক নতুন ভোটার ভোট দেবেন, তত বেশি ভালো হবে ভোটের ফল।” নব ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা বেশি করে বুথে যান। নির্বাচনে গন্ডগোল হলেও, আপনারা যান। দেশের তরুণদের যে কেবল রাজনৈতিক অ্যাকটিভিটির অংশ হওয়া উচিত নয়, তাঁদের উচিত নির্বাচনী পর্বে আলোচনা ও বিতর্কে অংশ গ্রহণ করাও।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা সাধারণ নির্বাচনের সময়। গত লোকসভা নির্বাচনের মতো এবারও সম্ভবত মার্চেই চালু হয়ে যাবে আদর্শ আচরণ বিধি।” তিনি বলেন, “মন কি বাত আমাদের দেশের সম্মিলিত শক্তি, দেশের প্রাপ্তি। এই অনুষ্ঠান জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা (PM Modi)।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘শ্রীকৃষ্ণের নগরী চোখে দেখার সুযোগ পেলাম’’, জলের তলায় দ্বারকা পরিদর্শন করে বললেন মোদি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Lok Sabha Election 2024: স্পর্শকাতর বুথ ক’টি? জেলাশাসকদের কাছে তালিকা চাইল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: স্পর্শকাতর বুথ ক’টি? জেলাশাসকদের কাছে তালিকা চাইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় প্রতিটি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের অধীনে কতগুলি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে, জেলাশাসকদের কাছে সেই তালিকা চাইল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুধবারের মধ্যেই স্পর্শকাতর বুথ ও এলাকার তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। ২০১৯-এর তুলনায় স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা বেড়েছে কিনা, সেটাও জানতে চাইল কমিশন। স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যার উপর নির্ভর করেই মোতায়েন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

    আর মাস খানেকের অপেক্ষা। এগিয়ে আসছে লোকসভা ভোট। প্রতিটি রাজ্যেই প্রশাসনের কাছ থেকে আইন শৃঙ্খলার রিপোর্ট নেওয়ার কাজ চলছে। লোকসভা ভোটে শুধুমাত্র বাংলার জন্যই ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। স্পর্শকাতর বুথের উপর নির্ভর করেই লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে আধা সেনা মোতায়েন হবে। তার জন্যই দ্রুত তালিকা চাইল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কেন্দ্রীক হিংসা ও তার পরবর্তী সময়ে ‘সন্ত্রাস’-এর অভিযোগ একাধিকবার তুলেছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি৷ বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করাতে বারংবার অনুরোধ আগেও করা হয়েছে। ২০১৯-এর তুলনায় স্পর্শকাতর বুথ ও স্পর্শকাতর অঞ্চলের সংখ্যা কি বেড়েছে? তারও রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে ওই কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচনের সমস্ত পরিচালনার ভার কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ 

    আরও পড়ুুন: ‘সন্দেশখালি না গিয়ে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী’, তোপ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, জেলায় জেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আগেও রিপোর্ট তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। কোন জায়গায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হলে তার রিপোর্ট সঙ্গে সঙ্গে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের তরফে। এই বিষয়ে জেলাশাসকদের সঙ্গে গত সপ্তাহেই ভার্চুয়াল বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনারদের নিয়ে সশরীরে বৈঠক করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। জেলায় জেলায় যে অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে সেই এলাকাগুলিকে মার্ক করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনার দিকে এবার বিশেষ নজর দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    PM Modi: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সপ্তদশ লোকসভার এই টার্ম দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গেমচেঞ্জার ছিল। সংবিধান মানুষকে যে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, এই লোকসভা তা বাস্তবায়িত করেছে।” দ্বিতীয় মেয়াদে সংসদের শেষ দিনে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ‘ভূস্বর্গের মানুষের ভয় কেটেছে’

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা লোপ পেয়েছে। ভূস্বর্গের মানুষের ভয় কেটেছে। এই কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষকে সামাজিক ন্যায় প্রদানের প্রতিশ্রুতি রেখেছি। আজ আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। দেশমাতৃকা অনেক আতঙ্কবাদীর কারণে রক্তাক্ত হয়েছে। অনেক বীর সন্তান দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। সেই সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা এই সদনেই আইন তৈরি করেছি। এতে দেশের সেনার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তিন তালাকের মতো নিকৃষ্ট বিষয় থেকে মুসলিম মহিলাদের মুক্তি দিয়েছে লোকসভার এই টার্ম। যা চিরকাল লেখা থাকবে ইতিহাসে।”

    ‘নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিগত পাঁচ বছরে দেশে রিফর্ম, পারফর্ম ও ট্রান্সফর্ম হয়েছে। এই সপ্তদশ লোকসভায় দেশে একাধিক উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার জেরে দেশে সংশোধন হয়েছে। আর এর ফলেই দেশের রূপান্তর হচ্ছে। দেশে এক নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রতিটি গলি, পাড়ার ছেলেমেয়েরাও বলছে আগামী পঁচিশ বছরে দেশ বিকশিত ভারত হবে। আমরা কেউ কেউ সেই বিকশিত ভারত তৈরির স্বপ্ন নিজেদের সঙ্কল্প হিসেবে তৈরি করে ফেলেছি। যাঁরা সেই সঙ্কল্পে নেই, তাঁরা নিজেদের জীবদ্দশায় সেই বিকশিত ভারতের সাফল্য অনুভব করতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: “তৃতীয় দফায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি সরকার”, বললেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে হয়তো একটু টেনশনে রয়েছেন ভোট নিয়ে। কিন্তু আমি আশ্বাস দিচ্ছি, এই নির্বাচনেও দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ অটুট থাকবে। মজাদার আক্রমণ হয়েছে। আমি আরও আনন্দিত হয়েছি। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। লড়াইয়ের মোকাবিলা করেছি।” তিনি বলেন, “রাম মন্দির নিয়ে বক্তব্যের যে প্রস্তাব আজ এই সংসদ ভবনে রাখা হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচয় করতে আরও সাহায্য করবে।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষণে উঠে এসেছে জি-২০ সম্মেলনে ভারতের সাফল্য, নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের প্রসঙ্গও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok sabha elections 2024: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন, সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস-বিজেপি

    Lok sabha elections 2024: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন, সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস-বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দামামা বাজতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের (Lok sabha elections 2024)। তার আগে দেরাদুনে সমন্বয় বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপি এবং আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্ব। ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখে হবে বৈঠক। গেরুয়া শিবিরের এই সমন্বয় বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বিজেপি এবং আরএসএসের নেতারা। আরএসএসের তরফে হাজির থাকবেন অরুণ কুমার। বিজেপির পক্ষে উপস্থিত থাকবেন সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ।

    জাতীয় কনভেনশন

    দিল্লির ভারত মণ্ডপমে দু’দিন ব্যাপী জাতীয় কনভেনশন শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। আর ১৯ তারিখে হবে আরএসএস-বিজেপি বৈঠক। বিজেপির কনভেনশনের উদ্বোধন করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সমাপ্তি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির কনভেনশন(Lok sabha elections 2024) শুরুর আগের দিন দলের পদস্থ কর্তারা বৈঠকে বসবেন। কনভেনশনে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানানো হবে দলের সমস্ত নেতা, সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন সেলের কনভেনর, সমস্ত মোর্চার প্রেসিডেন্ট, কর্পোরেশন, মিউনিসিপ্যালিটি এবং জেলা পঞ্চায়েতগুলিকে।

    হুইপ জারি

    ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ, ন্যাশনাল কাউন্সিল অফিস বিয়ারার্স, জেলা প্রেসিডেন্ট, ডিস্ট্রিক্ট ইন-চার্জ, লোকসভা ইনচার্জ, ক্লাস্টার ইন-চার্জ, লোকসভা কনভেনর, লোকসভা এক্সটেনসনিস্ট-দেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি, ফিনান্স কমিটি, বিভিন্ন রাজ্যের প্রধান মুখপাত্ররা, মডিয়া সেল কনভেনার্স, আইটি সেল অফিসিয়ালদেরও উপস্থিত থাকার কথা কনভেনশনে (Lok sabha elections 2024)। এদিকে, লোকসভার বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে দলীয় সাংসদদের সংসদে উপস্থিত থাকতে তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    প্রসঙ্গত, চলতি বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। চলার কথা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। যদিও পরে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে একদিন। জানা গিয়েছে, এদিনই কেন্দ্রের পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। মাঝ-এপ্রিলে হবে লোকসভা নির্বাচন (Lok sabha elections 2024)। তার আগে এটাই ছিল মোদি সরকারের দ্বিতীয় দফার শেষ বাজেট। তবে নির্বাচন থাকায় এবার পেশ হয়নি পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তার পরিবর্তে পেশ করা হয়েছে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। নির্বাচনের পর যে দল সরকার গড়বে, পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে তারাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Lok Sabha Elections 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    Lok Sabha Elections 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-এপ্রিলে হওয়ার কথা লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। বিরোধী শিবিরে ছন্নছাড়া দশা। ঘেঁটে ঘ ‘ইন্ডি’ জোট। উল্টো দিকে আস্তিন গুটিয়ে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। সংগঠনকে শক্তিশালী করে আরও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রে ফিরতে চাইছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।

    ইলেকশন ইন-চার্জ

    এমতাবস্থায় দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ইলেকশন ইন-চার্জদের নাম ঘোষণা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। দলের ইলেকশন মেশিনারিকে সচল রাখতে এবং সমন্বিত পদ্ধতি নিশ্চিত করতেই দেশজুড়ে ইনচার্জদের নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির। বিভিন্ন রাজ্যে প্রচারের অভিমুখ ঠিক করবেন এই ইনচার্জরা। অভিজ্ঞতা, রাজ্যের সংগঠন সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান এবং কৌশলগত ক্ষমতার নিরিখে বেছে নেওয়া হয়েছে ইনচার্জদের। বাংলার তিন ইনচার্জ হলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য, বিহার বিজেপির দক্ষ নেতা মঙ্গল পাণ্ডে এবং রাঁচির মেয়র আশা লাকড়া। গত লোকসভা নির্বাচনে বাংলার দায়িত্বে ছিলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। সেবার মোট ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে পদ্ম ফোটান বিজয়বর্গীয়। এবার বাংলায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ২০১৩-২০১৭ সাল পর্যন্ত বিহার বিজেপির সভাপতি ছিলেন মঙ্গল পাণ্ডে। নীতীশের মন্ত্রিসভায় ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঝাড়খণ্ডে আদিবাসীদের পরিচিত মুখ আশা লাকড়া। রাজনৈতিক মহলের মতে, জঙ্গলমহলের মতো আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় পদ্ম ফোটাতে আশাকে ইনচার্জ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে বাংলায় বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত হয়েছিলেন এই তিনজন। 

    ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ

    যাঁদের (Lok Sabha Elections 2024) ইনচার্জ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে, তাঁদের দক্ষতার ওপর ভরসা করেছেন নাড্ডা। তাঁদের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ইলেকশন ম্যানেজমেন্টও প্রমাণিত হয়েছে অতীতে বহুবার। আসন্ন নির্বাচনে জয়ের ক্ষেত্রে যে সমন্বয়ের প্রয়োজন, তার ওপর জোর দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। ইলেকশন ইনচার্জরা দক্ষ রাজনীতিক। তৃণমূল স্তর থেকে উঠে আসা নেতা। বিভিন্ন রাজ্যে তাঁরা দলীয় সংগঠন মজবুত করতে দক্ষ। তৃণমূল স্তরে ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতেও এঁরা দক্ষ।

    আরও পড়ুুন: ভিড়ের নিরিখে ভ্যাটিকান সিটি এবং মক্কাকেও ছাপিয়ে যাবে অযোধ্যা!

    মাসখানেক আগেই দলের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির দলীয় দফতরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন অন্তত ৪০০ আসনে জিতে ফিরতে হবে কেন্দ্রে। প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই উঠেপড়ে লেগেছেন গেরুয়া পার্টির সেনানীরা। বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধীদের মুখের (Lok Sabha Elections 2024) মতো জবাব দিতে যখন প্রস্তুত হচ্ছে দল, সেই সময়ই নাম ঘোষণা করে দেওয়া হল ইনচার্জদের। আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে যা যা করা প্রয়োজন, তা-ই করে চলেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা।

    দল যে নির্মল ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, দলীয় কর্মীদের তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন নাড্ডা। জন-কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার নির্দেশও পদ্ম-কর্মীদের দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। জাতি গঠনেও দলীয় কর্মীদের কাজ করে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইলেকশন ইনচার্জদের জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং পার্টির দৃষ্টিভঙ্গী তাঁদের কাছে তুলে ধরার নিদানও দেওয়া হয়েছে ইলেকশন ইনচার্জদের (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nitish Kumar: মোদির হাত ধরেই ফিরবেন? নীতীশের এনডিএ-যোগ নিয়ে জল্পনা তীব্র

    Nitish Kumar: মোদির হাত ধরেই ফিরবেন? নীতীশের এনডিএ-যোগ নিয়ে জল্পনা তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের এনডিএতেই যোগ দিচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। রাজনৈতিক মহলে এমনই গুঞ্জন।  সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে নাকি আসনরফাও হয়ে গিয়েছে বিজেপি এবং নীতীশের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)-এর। যোগদান এখন সময়ের অপেক্ষা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)-র সঙ্গে এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিহারের বেতিয়ায় প্রচার র‌্যালি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির। সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে নীতীশ কুমারকে। সেখান থেকেই হয়তো ফের শিবির বদলের ঘোষণা করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    ইন্ডি জোট ছাড়ছেন নীতিশ

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়াল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলা এবং পাঞ্জাবে একাই লড়বে তাঁদের দল। এমতাবস্থায় ইন্ডি জোট ছাড়ার পথে নীতীশও (Nitish Kumar)। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে পাটনায় নিজের দলের সকল বিধায়ককে ডেকে পাঠিয়েছেন নীতীশ (JDU-NDA  Alliance)। সেখানে বসেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। নীতীশ এনডিএতে যোগ দিলে দু’টি সম্ভাবনা খোলা থাকবে। এক, বিধানসভা ভেঙে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই বিহারে আবারও বিধানসভা নির্বাচন করানো। নয়তো, নীতীশকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে রেখে দেওয়া। বিহারে বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৪৫টি আসন। বিজেপির রয়েছে ৮২টি আসন। বিজেপির হাত ধরলে অনায়াসেই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছে যেতে পারে নীতীশের দল।

    আরও পড়ুন: ইউপিআই কী? ‘চায়ে পে চর্চা’য় মাক্রঁকে বোঝালেন মোদি

    ফের এনডিএ-তে যোগ

    ২০১৩ সাল থেকে এই নিয়ে পাঁচ বার শিবির বদলালেন ৭২ বছরের নীতীশ (Nitish Kumar)। শেষ বার, ২০২২ সালে এনডিএ ছেড়ে মহাজোটে যোগ দেন তিনি। লালুর দল আরজেডির সঙ্গে সরকার গড়েন। তার দু’বছর আগেই মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এ বার ফের মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে। বিজেপি সূত্রে খবর, বিহারের বিজেপির রাজ্য সভাপতি সম্রাট চৌধুরীকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। সুশীল মোদি ও সম্রাট চৌধুরী বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। তারপরই হয়তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বিহার থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন মোদি, কবে সভা জানেন?

    PM Modi: বিহার থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন মোদি, কবে সভা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন। ছন্নছাড়া দশা বিরোধীদের। তবে আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। এটা অবশ্য আন-অফিশিয়ালি। অফিশিয়ালি পদ্ম-শিবিরের প্রচার শুরু হবে ১৩ জানুয়ারি, বিহার থেকে। নীতীশ কুমারের রাজ্যের চম্পারণ থেকেই প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    টার্গেট ৪০

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এদিন বেত্তাই শহরের রামান ময়দানে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভার আগে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসও করতে পারেন তিনি। এই প্রকল্পগুলির সবই বিহার কেন্দ্রিক। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। এজন্য বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বকে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বাংলার ক্ষেত্রে এই লক্ষ্যমাত্রা ৩৫। আর নীতীশের রাজ্যে ৪০ আসনেই জিততে চাইছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই জানুয়ারি মাসজুড়ে বিহারে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    বিহারে সভা করবেন কারা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তো রয়েইছেন। জানুয়ারির ১৫ তারিখ থেকে বিহারে প্রচারে ঝড় তুলবেন পদ্ম-সেনানীরা। বিহারের তিন জনসভায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এগুলি হল বেগুসরাই, বেত্তাই এবং অওরঙ্গাবাদ। জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নীতীশের রাজ্যে সভা করবেন তিনটি। এগুলি হল সীতামারি, মাধেপুরা এবং নালন্দা। আর বিহারের সীমাঞ্চল এবং ইস্টার্ন রিজিয়নে একাধিক সভা করবেন জেপি নাড্ডা। এক সময় বিজেপির সঙ্গ ধরেছিল নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেড। পরে নীতীশ বেরিয়ে আসেন গেরুয়া ছত্রছায়া থেকে। মহাগটবন্ধন করে টিকিয়ে রেখেছেন সরকার।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে মাত দিতে জোট বেঁধেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডি’। এই জোটে শামিল হয়েছে নীতীশের দলও। বিহারে লোকসভার আসন রয়েছে ৪০টি। গত লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ-র দখলে ছিল ৩৯টি আসন। একটিতে জিতেছিল কংগ্রেস। এবার এনডিএ জোট থেকে বেরিয়ে ইন্ডি জোটে শামিল হয়েছে নীতীশের দল। তাই নীতীশকে শিক্ষা দিতে রাজ্যের ৪০টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে চাইছেন বিজেপির (PM Modi) ভোট ম্যানেজাররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Poll 2024: বাংলার ৬০ শতাংশ মানুষ মোদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

    Lok Sabha Poll 2024: বাংলার ৬০ শতাংশ মানুষ মোদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ একটা। দুই মুখ। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্য দিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কার রেটিং কত? প্রধানমন্ত্রী পদে কাকে চাইছে বাংলা? কী বলছেন বাংলার (Lok Sabha Poll 2024) ভোটাররা? সম্প্রতি জনমত সমীক্ষা চালিয়েছিল সি ভোটার। সেখানেই জানা গিয়েছে, রাহুলের চেয়ে যোজন খানেক এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বাংলার ৬০ শতাংশ ভোটারও তাঁকেই দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী পদে। কিছুদিন আগেই ফল বেরিয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের। এর মধ্যেই তিনটিতে উড়েছে গেরুয়া নিশান। কংগ্রেসের মুখ রক্ষা হয়েছে কেবল তেলঙ্গানায়। বিজেপির দাবি, তিন রাজ্যে জয় এসেছে মোদি ম্যাজিকেই।

    অগোছালো বিরোধীরা

    বিজেপির জয়ের গ্রাফ যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন ঘরই গুছিয়ে উঠতে পারেনি বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে গঠিত ইন্ডি জোট। জোট গঠনের পর থেকে চার-চারটি বৈঠক হয়েছে বটে, তবে এখনও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীই ঠিক হয়নি। এনিয়েও জোটের অন্দরে শুরু হয়েছে অশান্তি। জোট শরিক তৃণমূল নেত্রী কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে চাইলেও, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার আবার তাতে আপত্তি জানিয়েছেন।

    এগিয়ে মোদি

    ইন্ডি জোটে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী এখনও ঠিক না (Lok Sabha Poll 2024) হলেও, সি-ভোটারের সমীক্ষকরা তুল্যমূল্য বিচার করছেন মোদি বনাম রাহুলের রেটিং। তাতে দেখা যাচ্ছে, মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাইছেন ৫৯ শতাংশ মানুষ। সে ক্ষেত্রে রাহুলকে ওই পদে দেখতে চাইছেন ৩২ শতাংশ মানুষ। এই দুজনের মধ্যে কাউকেই পছন্দ করেন না ৪ শতাংশ ভোটার। মতামত দেননি ৫ শতাংশ মানুষ।

    একমাত্র পাঞ্জাবেই মোদির চেয়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছেন রাহুল। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাইছেন ৩৬ শতাংশ মানুষ। তবে বাকি রাজ্যগুলিতে রাহুলকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোল দিয়েছেন মোদি। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাও। এখানকার ৬০ শতাংশ মানুষই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন মোদিকে। ছত্তিসগড়ের ৬৭ শতাংশ, কর্নাটকের ৬৫ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৬৬ শতাংশ, রাজস্থানে ৬৫ শতাংশ, তেলঙ্গানায় ৫০ শতাংশ, বিহারে ৬৬ শতাংশ, মহারাষ্ট্রে ৫৫ শতাংশ এবং উত্তরপ্রদেশের ৬০ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছেন মোদিকেই।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রে ফের মোদিই, বলছে বছর শেষের সমীক্ষা, কত আসন পাবে বিজেপি?

    মোদি এবং রাহুলের মধ্যে কাউকেই পছন্দ নয় ছত্তিসগড়ে ১, কর্নাটকে ২, মধ্যপ্রদেশে ৩, রাজস্থানে ২, তেলঙ্গানায় ২, বিহারে ৬, মহারাষ্ট্রে ৬, পঞ্জাবে ১৪, উত্তরপ্রদেশে ৮ এবং পশ্চিমবঙ্গের ২ শতাংশ ভোটারের। মোদি-রাহুল দ্বৈরথের পর তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান ১৩ শতাংশ মানুষ। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ১০ শতাংশ মানুষ। আর ৯ শতাংশ মানুষ চাইছেন (Lok Sabha Poll 2024) প্রধানমন্ত্রী হোন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • PM Modi: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার”, প্রচারের সুর বাঁধলেন মোদি

    PM Modi: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার”, প্রচারের সুর বাঁধলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার।” আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের জন্য এই সুরই বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। গত লোকসভা নির্বাচনে তিনি স্লোগান বেঁধে দিয়েছিলেন, “আপ কি বার, মোদি সরকার।” এবার তৈরি করলেন নয়া স্লোগান। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে তৃতীয়বার মোদির নেতৃত্বে নির্বাচনী ময়দানে হাজির হচ্ছে গেরুয়া শিবির।

     ‘৫০ শতাংশ ভোট পেতে হবে’

    নতুন বছরের মধ্য-এপ্রিলে হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। সেজন্য ইতিমধ্যেই আস্তিন গোটাতে শুরু করেছে বিজেপি। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে বসেছে দলীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে যত ভোট পড়বে, তার অন্তত ৫০ শতাংশ বিজেপির পাওয়া প্রয়োজন।” উল্লেখ্য যে, গত লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝুলিতে পড়েছিল ৩৭.৩৬ শতাংশ ভোট। বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩টি আসন।

    বাতলে দিলেন জয়ের কৌশলও

    পদ্ম-শিবির সূত্রে খবর, ঘণ্টা চারেক ধরে চলা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একাই বক্তব্য রাখেন প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে। তিনি বলেন, “বিজেপি যদি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পায়, তাহলে জয় আরও নিশ্চিত হবে।” কীভাবে এত ভোট পাওয়া যাবে, তাও বাতলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমজনতার কাছে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে প্রচার করতে হবে। যে চারটি বিষয়ে জোর দিতে হবে, সেগুলি হল, মহিলাদের জন্য মোদি সরকার কী কী করেছে, কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে সরকার কী কী প্রকল্প রূপায়ন করেছে, যুব সমাজের কর্মসংস্থানে সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে এবং দারিদ্র দূরীকরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ।”

    আরও পড়ুুন: এবার আমেরিকার মন্দিরের গায়েও খালিস্তানপন্থী স্লোগান, নেপথ্যে পান্নুনের সংগঠন!

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতপাতের রাজনীতি নয়, দারিদ্রকে সব চেয়ে পিছিয়ে পড়া জাতি হিসেবে প্রচার করতে হবে। বিরোধীদের নেতিবাচক প্রচারের ফাঁদে পা দিয়ে উন্নয়নের প্রচারের অভিমুখ থেকে সরলে চলবে না।” প্রচারের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেও বিজেপির কর্মকর্তাদের বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রতি মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর দিতে হবে। যুব সম্প্রদায়কে আকর্ষণ করতে ইনস্টাগ্রামে রিল ব্যবহার করতে হবে।” দু’ দিনের এই বৈঠকের শেষ দিন শনিবার। এদিন বক্তব্য রাখার কথা (PM Modi) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share