Tag: Loksabha Election

Loksabha Election

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার লোকসভা নির্বাচনের ভোট পর্ব মিটতেই ডায়মন্ডহারবার (Diamond Harbour) কেন্দ্র নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, এই কেন্দ্রে প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগ ওঠে এই কেন্দ্রে। ৭ লাখেরও বেশি ভোটে জেতেন অভিষেক, এনিয়েই উঠতে থাকে প্রশ্ন। ডায়মন্ডহারবারে প্রায় ১০ লাখ ভোটের ছাপ্পা হয় বলে অভিযোগ। এবার ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরিচালনার কাজে যে সকল পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং কাউন্টিং স্টাফ  যুক্ত ছিলেন তাঁদের সকলের নাম, পরিচয় প্রকাশের দাবিতে জন্য আরটিআই-এর আবেদন দাখিল করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, আরটিআই-এর উত্তর এলেই প্রকাশ্যে আসবে শাসক দলের সঙ্গে ভোটকর্মীদের আঁতাতের বিষয়টি।

    জোড়াফুল ছাড়া ইভিএমে বাকি প্রতীক চিহ্নে স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হয়

    প্রসঙ্গত ডায়মন্ডহারবারে (Diamond Harbour) ভোট লুট, ওয়েব ক্যামেরাগুলিকে ঘুরিয়ে দেওয়া, জোড়াফুল ছাড়া ইভিএমে বাকি প্রতীক চিহ্নে স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া-এসবই সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক ভাইরাল হয়। একাধিক সংবাদমাধ্যম এনিয়ে খবরও করে। এবার আরটিআই-এর মোক্ষম চাল দিয়ে সরকারি ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে ভোট লুট করেছে শাসক দল, তা সর্বসমক্ষে আনতে চাইছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত আগেই ডায়মন্ডহারবারের নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এই আবহে তাঁর করা আরটিআই যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট 

    সমাজ মাধ্যমে নিজের আরটিআই করার বিষয়টি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আরটিআই-এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে ভোটকর্মীদের সম্পর্ক এবং নির্বাচনে তারা কী ভূমিকা পালন করেছিল তা সর্বসমক্ষে আসবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: অতীত থেকে শিক্ষা! ভোট গণনার কাজে শিক্ষক নয়, জানিয়ে দিল কমিশন

    Loksabha Election 2024: অতীত থেকে শিক্ষা! ভোট গণনার কাজে শিক্ষক নয়, জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪ জুন গণনা। জানা যাবে দিল্লির কুর্সি কার (Loksabha Election 2024) দখলে যাবে। তার আগে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ হিসেবে কোন শিক্ষককে নিয়োগ করা যাবে না। সরকার এবং সরকার পোষিত স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী সমস্ত শিক্ষকের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    অতীতের  অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিল কমিশন

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের গণনায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনেছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তাদের অভিযোগ ছিল, একটি বেসরকারি সংস্থা (IPAC) এবং শিক্ষকদের কাউন্টিং এজেন্ট হিসেবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল গণনা কেন্দ্রে। তাঁরা শাসক দলের হয়ে কাজ করেছিল বলে অভিযোগ। এবার যাতে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্যই আগাম এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেশে ৬ দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে। শেষ দফার (Loksabha Election 2024) নির্বাচন হবে ১ জুন। এদিন বাংলার ৯ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ৪ জুন ভোট গণনার শেষে জানা যাবে নির্বাচনের ফলাফল। গণনার কাজে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের এজেন্ট হিসেবে শিক্ষকদের ব্যবহার করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। প্রসঙ্গত কমিশনের আগে থেকেই নিয়ম রয়েছে, শুধু শিক্ষক নয়, কোনও সরকারি কর্মচারীকেই কাউন্টিং-এর এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। তা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও শিক্ষকদের এই কাজে ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ উঠেছে। কমিশনের নতুন নির্দেশিকা জারি করে সেই বিষয়টি আরও একবার পরিষ্কার করে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোনও সরকারী কর্মী গণনায় নিয়ুক্ত হতে পারবেন না

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনার সময় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে এবং নির্দেশে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে গণনার কাজ সম্পন্ন হয়। তবে প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা তাঁদের উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু একাধিক জায়গায় গণনার কাজ চলে। যে কারণে প্রার্থী একা সব জায়গায় উপস্থিত থাকতে পারবেন, এই সম্ভাবনা থাকে না। সেই কারণে তাঁদের পক্ষে কাউন্টিং এজেন্ট নিয়োগ করা হয়। যারা প্রার্থীর জন্য কত ভোট পড়েছে, সেই বিষয়টি খেয়াল রাখেন। তাঁদের উপর (Loksabha Election 2024) গণনার কাজ চলা পর্যন্ত গোটা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্ব থাকে। স্বাভাবিকভাবে এই কাজে কোন সরকারি কর্মী নিযুক্ত হলে পর তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। সেই কারণেই সরকার পোষিত স্কুল শিক্ষকদের নিয়োগ করা যাবে না বলে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: আজ চতুর্থ দফায় দেশের ৯৬ আসনে নির্বাচন, ১৭১৭ প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা

    Loksabha Election 2024: আজ চতুর্থ দফায় দেশের ৯৬ আসনে নির্বাচন, ১৭১৭ প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ মার্চ দেশে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছিল কমিশন। তারপর থেকে অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল দেশে প্রথম দফায় নির্বাচন হয়। আজ সোমবার ১৩ মে, দেশে চতুর্থ দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে, নির্বাচনে ভাগ্য পরীক্ষা করছেন মোট ১,৭১৭ জন প্রার্থী। প্রসঙ্গত, এর আগে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হয় গত ২৬ এপ্রিল ও ৭ মে। ১৩ মে ভোট হচ্ছে দেশের দশটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৯৬টি আসনে।

    কোন রাজ্যে কতগুলি আসনে ভোট (Loksabha Election 2024)

    জানা গিয়েছে, চতুর্থ দফায় অন্ধ্রপ্রদেশের ২৫ টি আসনে, বিহারের পাঁচটি আসনে, জম্মু কাশ্মীরের একটি আসনে (Loksabha Election 2024), ঝাড়খণ্ডের চারটি আসনে, মধ্যপ্রদেশের আটটি আসনে, মহারাষ্ট্রের এগারোটি আসনে, ওড়িশার চারটি আসনে, তেলেঙ্গনার সতেরোটি আসনে, উত্তর প্রদেশ তেরোটি ও পশ্চিমবঙ্গের আটটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, চতুর্থ দফার ভোট সকাল সাতটা থেকে শুরু হবে এবং বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে। ভোটাররা নিজেদের ভোটার কার্ড সমেত অন্যান্য কমিশন নির্ধারিত পরিচয়পত্র নিয়ে ভোট দিতে পারবেন।

    চতুর্থ দফায় রাজ্য অনুযায়ী কোন কোন আসনে ভোট (Loksabha Election 2024)

    অন্ধ্রপ্রদেশ: আরাকু (ST), শ্রীকাকুলাম, ভিজিয়ানগরম, বিশাখাপত্তনম, আনাকাপল্লী, কাকিনাদা, অমলাপুরম (SC), রাজামুন্দ্রি, নরসাপুরম, এলুরু, মাছিলিপত্তনম, বিজয়ওয়াড়া, গুন্টুর, নরসারাওপেট, বাপটলা (SC), ওঙ্গোল, নন্দিয়াল, কুর্নিশ তিরুপতি (SC), রাজামপেট, চিত্তুর (SC)

    বিহার: দ্বারভাঙ্গা, উজিয়ারপুর, সমস্তিপুর, বেগুসরাই, মুঙ্গের

    জম্মু ও কাশ্মীর: শ্রীনগর

    মধ্যপ্রদেশ: দেওয়াস, উজ্জয়নী, মন্দসৌর, রতলাম, ধর, ইন্দোর, খারগোন, খান্ডওয়া

    মহারাষ্ট্র: নন্দুরভার, জলগাঁও, রাভার, জালনা, ঔরঙ্গাবাদ, মাভাল, পুনে, শিরুর, আহমেদনগর, শিরডি, বিড

    ওড়িশা: কালাহান্ডি, নবরঙ্গপুর (ST), বেরহামপুর, কোরাপুট (ST)

    তেলঙ্গানা: আদিলাবাদ (ST), পেদ্দাপল্লী (SC), করিমনগর, নিজামবাদ, জাহিরাবাদ, মেদক, মালকাজগিরি, সেকেন্দ্রাবাদ, হায়দ্রাবাদ, চেভেল্লা, মাহবুবনগর, নালগোন্ডা, নাগারকুরনুল (SC), ভুবনগিরি, ওয়ারঙ্গল (SC), মাহবুবাবাদ (ST), খাম্মাম

    উত্তরপ্রদেশ: শাহজাহানপুর, খেরি, ধারুহারা, সীতাপুর, হারদোই, মিসরিখ, উন্নাও, ফারুখাবাদ, ইটাওয়া, কনৌজ, কানপুর, আকবরপুর, বাহরাইচ (SC)

    পশ্চিমবঙ্গ: বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান-পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর, বীরভূম

    ঝাড়খণ্ড: সিংভূম, খুন্তি, লোহারদাগা, পালামৌ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন। হুমায়ুন জানিয়েছেন তিনি এখনও শো-কজের চিঠি হাতে পাননি। চিঠি পেলে তার জবাব দেবেন। কমিশন সূত্রে খবর, গত ২ মে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া কমিশনের কাছে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মনে করেই তাঁকে শো-কজের চিঠি ধরিয়ে জবাব তলব করা হয়েছে।

    কী বলেছিলেন কবীর

    সম্প্রতি একটি বুথ সম্মেলনে হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, ‘ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দিতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। যদি ভেবে থাকো, তোমরা ৭০ শতাংশ আর বাকি ৩০ শতাংশ মানুষ কিছু করবে না, তাহলে ভুল হবে। তোমরা কোথাও মসজিদ ভাঙলে ভেবো না যে আমাদের ছেলেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই অভিযোগের জেরে তাঁকে শোকজ করল কমিশন। যদিও হুমায়ুন দাবি করেছেন যে, সম্প্রতি জেলায় এসে বিজেপি নেতা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিছু মন্তব্য করেছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁর এমন মন্তব্য। এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে হুমায়ুন কবীরকে। লোকসভা ভোটে ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় তিনি প্রচারে না থাকার কথা জানিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। তবে পরে অবশ্য তাঁকে প্রচারে দেখা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    হুমায়ুনের (Humayun Kabir) এই আচরণের বিরুদ্ধে আগেই মুর্শিদাবাদের শক্তিনগর থানাতে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। দলের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুলবিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছিলেন, গত ১ মে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় হুমায়ুন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বিজেপির দাবি, অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘অনেক লোককে আজকাল কেনা–বেচা যায়’’, সন্দেশখালির ভিডিও নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘অনেক লোককে আজকাল কেনা–বেচা যায়’’, সন্দেশখালির ভিডিও নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ভিডিও ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রসঙ্গত, ওই ভিডিওতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে তাঁর মুখ এবং কণ্ঠস্বরকে বিকৃত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজেপির মন্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল। উল্লেখ্য ডিপফেক প্রযুক্তির মাধ্যমে দিন কয়েক আগে অমিত শাহেরও সংরক্ষণ ইস্যুতে ভুয়ো ভিডিও ভাইরাল হয়। এই আবহে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘অনেক লোককে আজকাল কেনা–বেচা যায়। রাজভবনে লোক বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজ্যপালের বদনাম করার জন্য। এক দু’‌জনকে লিখিয়ে পড়িয়ে বলিয়ে ইস্যু তৈরি করা যায়। কিন্তু সমস্যা চাপা দেওয়া যায় না।’’

    ওখানের আন্দোলন কি বিজেপি করেছে নাকি? 

    সন্দেশখালিতে যে ধরনের গণবিক্ষোভ দেখা যায়, তানিয়েও এদিন বলতে শোনা যায় দিলীপকে (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘কোনও বিড়ম্বনা নেই। ওখানের আন্দোলন কি বিজেপি করেছে নাকি? আন্দোলন করেছেন সন্দেশখালির স্থানীয় মহিলারা, পীড়িত মানুষরা। ইডি, সিবিআইয়ের উপরে কে হামলা করেছে? বিজেপি তো করেনি। শাহজাহান তো স্বীকার করেছে হামলার কথা। ওর বাড়ি থেকে অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। তদন্ত চলছে, আদালত দেখছে।’’ 

    ভিডিওর সিবিআই তদন্তের দাবি রাজ্য বিজেপির

    ইতিমধ্যেই, ভিডিও নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, ভোটে হারবে জেনে তৃণমূল নতুন ফন্দি এঁটেছে। তিনি বলেন, ‘‘ভাইপো আর আইপ্যাকের পরিকল্পনা করে তৈরি এই ভিডিও। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।’’ দলের রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য ভিডিওটিকে ভুয়ো দাবি করে বলেন, বিরোধী দলনেতাকে কালিমালিপ্ত করতে এটা ঘটানো হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে তৃণমূল আসলে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদেরই অপমান করল। বিজেপি নেতা জানিয়ে দেন, তাঁরা চান, সন্দেশখালি নিয়ে যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, তার সিবিআই তদন্ত হোক। রাজ্য বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ‘‘তৃণমূল সব কিছুতেই সাজানো ঘটনা দেখে। সন্দেশখালির মহিলারা এসে কোর্টে তাঁদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন।’’ গঙ্গাধর কয়াল নিজেও অবশ্য দাবি করেছেন ভিডিওতে তাঁকে দেখা গেলেও কণ্ঠস্বর তাঁর নয়। সেকারণে তিনি সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • EVM: সন্দেহের বিরুদ্ধে বারবার লড়াই করে জিতেছে ইভিএম, ভোটের মাঝে জানুন সেই ইতিহাস

    EVM: সন্দেহের বিরুদ্ধে বারবার লড়াই করে জিতেছে ইভিএম, ভোটের মাঝে জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে হারলেই ইভিএমকে (EVM) তোপ দাগেন বিরোধীরা। তাঁরা নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপান ইভিএমের ওপরে। বর্তমানে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ১৮তম লোকসভা নির্বাচন। এ সময় আবার একবার খবরের শিরোনামে এসেছে ইভিএম। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট ইভিএমের স্বচ্ছতায় সিলমোহর দিয়েছে। ইভিএমের ওপর হওয়া যাবতীয় সন্দেহকে মোকাবিলা করার জন্য বেঁচে নেই আজ সেই মানুষটি, যিনি ইভিএমের নকশা করেছিলেন। তিনি এস রঙ্গরাজন।

    এস রঙ্গরাজনের ৮৯তম জন্মদিন আজ 

    এস রঙ্গরাজন তামিলনাড়ুতে প্রসিদ্ধ ছিলেন ‘লেখক সুজাতা’ নামে। তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ তামিল লেখকদের মধ্যে অন্যতম। যিনি থ্রিলার, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, নাটক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি- এই সমস্ত বিষয় নিয়ে লেখা লিখতেন। তাঁর অসংখ্য চিত্রনাট্য আজও সমান জনপ্রিয়। আজ ইভিএম নির্মাতা এস রঙ্গরাজনের ৮৯তম জন্মদিন। দুর্ভাগ্যক্রমে ২০০৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মানুষটি পরলোকগমন করেন।

    ইভিএম তৈরির ভাবনা

    প্রসঙ্গত, রঙ্গরাজন ছিলেন ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের একজন ইঞ্জিনিয়ার। সেখানে তিনি যুক্ত ছিলেন নানা ধরনের মেশিন ডিজাইনের সঙ্গে। ১৯৮৯ সালে ইভিএম (EVM) এর পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেন তিনি। তার পরবর্তীকালে ২০০৪ সালে প্রায় ১০ লক্ষ ইভিএমে মেশিনে ভোট হয়। ১৯৭৭ সালে এস এল শাকধর যিনি ছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার, তিনি একবার হায়দরাবাদ সফর করেন। এই সময় তিনি ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডকে তৈরি করতে বলেন এমন একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, যা পরবর্তীকালে নির্বাচন পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। ১৯৭৭ সালে দেশের তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এমন অনুরোধ খুঁজে পাওয়া যায় অনিল মাহেশ্বরী এবং বিপুল মাহেশ্বরীর লেখা বই ‘India’s Experiment With Democracy: The Life of a Nation Through Its Elections’-তে।

    নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে প্রথমবার ইভিএম নিয়ে আলোচনা

    ১৯৮০ সালের অগাস্ট মাসে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের একটি বৈঠকে ভারতের নির্বাচন কমিশন (EVM) ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনার কার্যকারিতা তুলে ধরে। ঠিক এই সময়ের মধ্যে ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, একটি মাইক্রোকম্পিউটার ভিত্তিক ভোটিং মেশিন তৈরি করে, যা কোম্পানির বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। একথা উল্লেখ রয়েছে অনিল মাহেশর এবং বিপুল মাহেশ্বরীর লেখা বই ‘The Power of the Ballot: Travail and Triumph in the Elections’-তে। ১৯৮১ সালের ২৯ জুলাই ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড ইভিএম তৈরির জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এর পাশাপাশি ভারত ইলেকট্রনিক লিমিটেড সে সময়ে বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও এ নিয়ে একপ্রস্থ বৈঠক করে।

    ভিভিপ্যাট কবে এল?

    পরবর্তীকালে ইভিএমের (EVM) ভোটে কারচুপি হচ্ছে বলে সরব হয় বেশ কিছু বিরোধী দল। ইভিএমের ওপর যখন সন্দেহ শুরু হয় তখন চালু করা হয় ভোটার ভেরিফাইড পেপার অডিট ট্রেল, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় ভিভিপ্যাট। আমরা ভোট দিতে গেলেই বুঝতে পারি যে ইভিএম মেশিনের সঙ্গে ভিভিপ্যাট জোড়া থাকে। ভোট দেওয়ার সঙ্গেই নিজেদের ভোট যাকে দেওয়া হয়, তার প্রমাণ পত্র হিসেবে একটি স্লিপ প্রিন্ট হয়ে যায়। এই স্লিপটি ৭ সেকেন্ডের জন্য দেখা যায়। তবে তা ভোটারদের কাছে আসে না। ভিভিপ্যাটে থেকে যায়। যাঁরা গণনা কেন্দ্রে থাকেন, তাঁরা ভোট যাচাই করতে এই স্লিপগুলিকে ব্যবহার করেন।

    ২০১০ সালে এসে ভিভিপ্যাটের ধারণা

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন প্রক্রিয়াতে আরও স্বচ্ছতা আনতেই ২০১০ সালে ভিভিপ্যাট ধারণাটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন এই সংক্রান্ত প্রস্তাব তাদের প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছে পাঠায়। শেষমেশ তা সংযুক্ত করা হয় ইভিএমের সঙ্গে। ২০১৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় বেশ কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ভিভিপ্যাট চালানো হয়। ২০১৯ সালে দেশের সপ্তদশ লোকসভার নির্বাচনে সমস্ত ইভিএম (EVM) মেশিনের সঙ্গে ভিপিপ্যাট সংযুক্ত ছিল।

    প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি কী বলছেন?

    প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি তাঁর লেখা ‘India’s Experiment With Democracy: The Life of a Nation Through Its Elections’ নামের বইতে লিখছেন, “ভিভিপ্যাট মেশিনগুলি ইভিএম এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল সন্দেহ দূর করার জন্য। এছাড়া, ভোটাররা তাঁদের ভোট সঠিকভাবে দিতে পারছেন কিনা তার প্রমাণপত্র হিসেবে রাখা ছিল ভিভিপ্যাট। বেশ কিছু উপনির্বাচনে ভিভিপ্যাটকে ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গিয়েছে কিন্তু ইভিএম কে কখনও নয়।” কুরেশি তাঁর বইতে আরও লিখেছেন যে যতবারই কোনও রাজনৈতিক দল নির্বাচনে হেরেছে, ততবারই মেশিনকে দোষারোপ করেছে তারা। তবে তাদের কেউই প্রমাণ করতে পারেনি তাদের নিজেদের দাবি।

    এস রঙ্গরাজন কী বলতেন নিজের সৃষ্টি সম্পর্কে?

    ইভিএমের নকশাকারী এস রঙ্গরাজন তাঁর সৃষ্টিকে রক্ষা করতে কলম ধরেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, “ইভিএম (EVM) এমন একটা আবিষ্কার যা তাঁকে তার লেখার মতোই গর্বিত করেছে।” তবুও রঙ্গরাজনের মৃত্যুর এক বছর পরে ইভিএম ফের খবরে শিরোনামে আসে। যখন প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার নবীন চাওলা তার বই ‘এভরি ভোট কাউন্টস দ্য স্টোরি অব ইন্ডিয়া ইলেকশন’- এ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লেখেন, “ঝড় সমুদ্রে ইভিএম ক্রমশই বিধ্বস্ত হতে চলেছে।”  প্রসঙ্গত, হরিপ্রসাদ নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার, কয়েকজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানীর সহযোগিতায় দাবি করেছিলেন যে ইভিএমকে হ্যাক করা যায়। তবে হরিপ্রসাদ কোথা থেকে ইভিএম পেয়েছিলেন, সে কথা তিনি বলতে পারেননি। পরবর্তীকালে তাঁকে মুম্বইয়ের কাস্টম হাউস থেকে ইভিএম চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    ২৪ দেশে ইভিএমে ভোট হয় আজও

    আজও সারা পৃথিবীব্যাপী প্রায় ২৪ দেশে ইভিএমে ভোটিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইভিএমে (EVM) যাঁরা সন্দেহ করেন তাদের উদ্দেশে নিজেদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, “স্বঘোষিত কিছু প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং কিছু সমাজ মাধ্যমের ব্যক্তি এটা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হন যে ইভিএমকে কখনই কম্পিউটারের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। কম্পিউটার চলে একটি অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে। ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট গুলি চলে একটি বিশেষ প্রোগ্রামের মাধ্যমে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: দেশ কি শরিয়া আইনে শাসিত হবে? তোষণ ইস্যুতে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শাহের

    Amit Shah: দেশ কি শরিয়া আইনে শাসিত হবে? তোষণ ইস্যুতে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের প্রকাশিত ইস্তেহারে তোষণ ছাড়া আর কিছুই নেই। শুক্রবারই এ নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ দাগলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর প্রশ্ন দেশ কি শরিয়া আইনে শাসিত হবে? সাংবাদিকদের শাহ বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ইস্তাহার বলছে পার্সোনাল ল’য়ের কথা। যা এই দেশকে বিভাজিত করছে। প্রথমত আমি ভোটারদের কাছে আবেদন জানাতে চাই যে আপনারা নির্বাচিত করুন সেই রকম একটি রাজনৈতিক দলকে, যারা নিজেদের কথাতে সবসময় স্থির থাকে এবং দেশকে একটি নিরাপদ ভবিষ্যত দিতে পারে, দেশকে সমৃদ্ধশালী বানাতে পারে। গরিবদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে।’’

    জনগণের ভরসা বিজেপিই

    এদিন শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশিত হওয়ার পরে জনগণ বিজেপির উপরেই ভরসা রাখছে। তার কারণ কংগ্রেসের ইস্তাহারে তাদের পুরনো অভ্যাস দেখা গিয়েছে এবং তা তোষণ নীতি। কংগ্রেসের ইস্তাহার মুসলিম পার্সোনাল ল’য়ের কথা বলছে। আমি রাহুল গান্ধীর কাছে জানতে চাই এই দেশ কি শরিয়া অনুযায়ী শাসিত হবে?’’

    আমাদের সংবিধান একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান

    শাহের (Amit Shah) কথায়, ‘‘আমাদের সংবিধান একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান। যে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়ে ওঠেনি। অমিত শাহ বলেন বিজেপি পরিস্কার ভাবে জানিয়েছে, ইস্তাহারে ঘোষণা করেছে যে এদেশে ইউনিফর্ম সিভিল কোড আসবেই।’’ ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তৃতীয়বারে মোদি সরকার ক্ষমতায় এলে ”এক দেশ এক আইন অর্থাৎ ইউনিফর্ম সিভিল কোড আনা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। এদিন  তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা তিন তালাককে রোধ করেছি। পার্সোনাল ল’ এ দেশে (Amit Shah) বাস্তবায়িত হতে পারে না। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমি বলছি এবং দেখতে পাচ্ছি নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন।’’

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ’’, ভোটের প্রচারে বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ’’, ভোটের প্রচারে বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। রবিবার ছত্তিশগড়ে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ।’’ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে একটি বড় পরিবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ১০ বছরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।

    যুব সমাজকে উস্কানি দিচ্ছে কংগ্রেস

    এদিনই ছত্তিশগড়ের কবিরধাম জেলাতে প্রচারে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘৫০০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে রামলালাকে মন্দিরে অধিষ্ঠিত হতে। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণে।’’ প্রসঙ্গত, কবিরধাম জেলা রাজনন্দগাঁও লোকসভার অন্তর্গত। এখানেই যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি আরও বলেন, ‘‘বর্তমান সময়ে যখন যুবদের হাতে ট্যাব এবং নানা রকম ভালো ভালো বই দেখতে পাওয়া উচিত, ঠিক সেই সময়ই কংগ্রেস যুবদের হাতে পিস্তল ধরিয়ে দিচ্ছে। কংগ্রেস তাদেরকে প্ররোচনা দিচ্ছে। তাদেরকে উস্কানি দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। মাওবাদের নামে সন্ত্রাসের নামে।

    জনগণের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয় একমাত্র বিজেপি

    তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি বলেছেন ভারতবর্ষকে হতেই হবে বিশ্বের একটি বড় শক্তি। একটি উন্নত ভারতবর্ষ আমাদের গড়তেই হবে। আত্মনির্ভর ভারত আমাদের গড়তেই হবে। যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন। ভারতবর্ষের কন্যাদের জন্য তা যেমন নিরাপদ হবে, ভারতের ব্যবসায়ীদের জন্যও তা নিরাপদ হবে। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি সেই গ্যারান্টি দিতে পারে। জনগণের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয় একমাত্র বিজেপি (Yogi Adityanath)।’’

    কংগ্রেসের উদ্দেশে প্রশ্ন

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) এই সভার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, কংগ্রেস কি কখনও দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা দিতে পেরেছে? রাম মন্দির কে নির্মাণ করতে পেরেছে? মাওবাদের মতো সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে? মেয়েদের এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা কি দিতে পেরেছে? এই সময় তিনি বলেন, কংগ্রেস হল সমস্ত সমস্যার সমার্থক শব্দ। কংগ্রেসই একমাত্র দেশের মানুষকে সমস্যা দেয় এবং বিজেপি একমাত্র দল যে দেশের মানুষকে সেই সমস্যা থেকে টেনে বের করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: বাংলায় গড় ভোটদান ৭৭.৫৭ শতাংশ, দেশে ৫৯.৭১ শতাংশ, জানাল কমিশন

    Loksabha Election 2024: বাংলায় গড় ভোটদান ৭৭.৫৭ শতাংশ, দেশে ৫৯.৭১ শতাংশ, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষিপ্ত হিংসার মধ্যেই মিটল বাংলার তিন আসন সমেত দেশের ১০২ লোকসভা কেন্দ্রের (Loksabha Election 2024) ভোটপর্ব। এই পর্বে ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফার ভোটে ১৬০০ জনেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গিয়েছে। এই পর্বে নয়জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং একজন প্রাক্তন রাজ্যপালের ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে। আজ সকাল ৭টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। বাংলায় গড় ভোটদান ৭৭.৫৭ শতাংশ। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে ২১ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১০২ আসনে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৯.৭১ শতাংশ।

    ১৬.৬৩ কোটিরও বেশি ভোটার ছিল প্রথম দফায়

    বাংলায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে, ৭৭.৫৭ শতাংশ। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের প্রথম দফায় ভোটের হার ছিল ৬৯.৪৩ শতাংশ।
    নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে প্রথম দফায় ১৬.৬৩ কোটিরও বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের (Loksabha Election 2024) মাধ্যেম সরকার নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে ৮.৪ কোটি পুরুষ এবং ৮.২৩ কোটি মহিলা ভোটার রয়েছেন। ৩৫.৬৭ লাখ ভোটার প্রথমবারের জন্য তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যেখানে ২০ থেকে ২৩ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ৩.৫১ কোটি। এর জন্য ১ লাখ ৮৭ হাজার ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে বাংলা এবং মণিপুরের কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটেছে।

    বিহারে ভোট সর্বনিম্ন

    মণিপুরে, থামানপোকপিতে একটি ভোটকেন্দ্রের (Loksabha Election 2024) কাছে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষিপ্ত হিংসা সত্ত্বেও, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সময় মণিপুরে ৬৭.৪৬% ভোট পড়েছে। সমীক্ষাতে দেখা যাচ্ছে এনডিএ জোট টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া বিজেপির বিরুদ্ধে ময়দানে সেভাবে দাগ কাটতে পারছে না মানুষের মনে। সকলের নজর এবার তামিলনাড়ুর দিকেই রয়েছে। সেখানে ৩৯ লোকসভা আসনে ভোট চলছে। বিজেপি দক্ষিণের রাজ্যে বেশ ভাল ভোটের আশা করছে। এদিন বিহারে সর্বনিম্ন ৪৬.৩২% ভোট পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ঝড়ে ক্ষতিপূরণ দিতে আগেই অনুমতি দিয়েছে কমিশন, বোকা বানাচ্ছেন মমতা, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ঝড়ে ক্ষতিপূরণ দিতে আগেই অনুমতি দিয়েছে কমিশন, বোকা বানাচ্ছেন মমতা, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গ হতে পারে তাই জলপাইগুড়িতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাচ্ছে না, এমন দাবি একাধিক সভায় করে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার রীতি মতো তৃণমূলের এই দাবিকে মিথ্যা বলে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকার। নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন,  ঝড়ে ক্ষতিপূরণ দিতে আগেই অনুমতি দিয়েছিল কমিশন তবে বোকা বানাচ্ছেন মমতা।

    ৯ এপ্রিল ২০২৪ এ ক্ষতিপূরম দিতে নির্দেশ দেয় কমিশন

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “জলপাইগুড়ি এবং ময়নাগুড়ির বিধ্বংসী ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা, যারা ঘর বাড়ি-সহ তাঁদের শেষ সহায় সম্বলটুকুও প্রকৃতির রোষে হারিয়েছেন তাঁরা যাতে দ্রুত বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান পান, তার জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশন গত ৯ এপ্রিল ২০২৪ এ ক্ষতিপূরণ এবং বাড়ি তৈরির আর্থিক অনুদানের বিষয়টি আদর্শ আচরণ বিধির আওতার বাইরে রেখে অনুমোদন মঞ্জুর করেছেন। শুধু তাই নয় ওই দিনই অর্থাৎ ৯ এপ্রিল ২০২৪ নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বিষয়টি জানিয়েও দেওয়া হয়।”

    নিশানায় মমতা ও অভিষেক

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও দাবি, “অনেক আগেই ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর বাড়ি নির্মাণের জন্য নির্দিষ্ট তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান দিয়ে দেওয়াই যেত, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন আর কেন্দ্র সরকারের নামে মিথ্যাচার করতেই ব্যস্ত। আসলে তাদের উদ্দেশ্য অন্য, তারা এই ঘটনায় রাজনৈতিক রং চড়িয়ে ভোটের বাজারে নিজেদের লাভের অঙ্ক বাড়িয়ে নিতে চান। সহায় সম্বলহীন, ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের এই দুর্দশা এবং কষ্টদায়ক পরিস্থিতির তাদের কাছে কোনও মূল্য নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share