Tag: loksabha election 2024

loksabha election 2024

  • PM Modi: ২৮ মে কলকাতায় জমকালো রোড-শো মোদির! ‘‘ঐতিহাসিক হবে’’, দাবি বিজেপির

    PM Modi: ২৮ মে কলকাতায় জমকালো রোড-শো মোদির! ‘‘ঐতিহাসিক হবে’’, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ দফার লোকসভা ভোটের প্রচারে শেষ কামড় দিতে চায় বিজেপি (BJP) । এবার শুধু জনসভা নয় উত্তর কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রোড-শো করবেন দলের প্রার্থী তাপস রায়ের সমর্থনে এমনটাই জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। সূত্রের খবর, রোড-শো থেকেই উত্তর কলকাতা কেন্দ্রের প্রার্থীর জন্য সমর্থন চাইবেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কলকাতার এই আসনটিকে পাখির চোখ করে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই দিনক্ষণ ও যাত্রাপথ প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এই রুটের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি।

    রোড-শো’র রুট

    রাজ্য বিজেপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ মে, মঙ্গলবার উত্তর কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) রোড-শো হবে। উত্তর কলকাতায় বিধান সরণি এবং বিবেকানন্দ রোডের সংযোগস্থলে অদূরে রয়েছে স্বামীজির জন্মভিটে। সেখানে স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করে শুরু হবে মোদিজির রোড-শো। এরপর বিধান সরণী দিয়েই তাঁর রোড-শো এগিয়ে যাবে শ্যামবাজারের দিকে। ডানদিকে হেদুয়া পার্ক বাঁদিকে বেথুন কলেজকে রেখে এগিয়ে সদলবলে এগিয়ে যাবেন মোদি।

    আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ মিশনে হামলাকারীর ছবিতে মিলল পুলিশকর্তা-তৃণমূল নেতার যোগ!

    বিধান সরণী হয়ে স্টার থিয়েটারের দিকে এগিয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রীর রোড-শো। হাতিবাগান হয়ে পাঁচ নম্বর রুটের ট্রামলাইন ধরে সোজা শ্যামবাজার। মোট যাত্রাপথ ২ কিমি ২০০ মিটার। গাড়িতে গেলে ১৫ মিনিট সময় লাগলেও মোদির এই রোড-শো কমপক্ষে দেড় ঘণ্টা সময় নেবে।

    রোড-শোতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী কারা?

    আপাতত যা স্থির হয়েছে তাতে প্রার্থী তাপস রায় (Tapas Ray) ছাড়াও মোদির (PM Modi) রোড-শোতে গাড়িতে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অন্যদিকে, ২৯ মে বারাসত ও বারুইপুরে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। চব্বিশের লোকসভা ভোটে এটিই তাঁর শেষ বঙ্গ সফর এবং কর্মসূচি।

    যে কারণে, মোদির এই কর্মসূচিকে সফল করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপির বঙ্গ-ব্রিগেড। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলার ঢাক থেকে আদিবাসী নৃত্য— সবই রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন মনীষীর ট্যাবলোও থাকবে। মঙ্গলঘট নিয়ে যাবেন লাল পাড়, সাদা শাড়ি পরা মহিলারা। এপ্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘‘এমন আয়োজন হচ্ছে যে, কলকাতা অতীতে এমন রোড-শো দেখেনি। ঐতিহাসিক চেহারা নেবে মোদীর এই যাত্রা। বাংলার রাজনীতিতেও নতুন দিনের সূচনা হবে আগামী মঙ্গলবার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: প্রতি বুথে ভোটদানের হার প্রকাশে বিভ্রান্তি বাড়বে, সুপ্রিম কোর্টে কমিশন

    Loksabha Election 2024: প্রতি বুথে ভোটদানের হার প্রকাশে বিভ্রান্তি বাড়বে, সুপ্রিম কোর্টে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর দুটি দফা শেষ হলেই এবারের লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়ে যাবে। ভোট শেষ হতে গেলেও ভোট দানের হার নিয়ে রয়েছে বিরোধীদের মধ্যে অসন্তোষ এবং কিছুক্ষেত্রে শাসকদলের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এমনকি অনেক রাজ্যে বিজেপিও কমিশনের ভূমিকা সন্দেহের উর্ধ্বে রাখেনি। ভোট দানের হার জানানোর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে হয়েছে মামলা। এরই মাঝে সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “বুথে ভোটার টার্ন আউট অর্থাৎ কোন বুথে কত ভোট পড়েছে, সেই তথ্য প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টকে ছাড়া অন্য কাউকে জানানোর কোনও আইন বা নির্দেশ নেই। কোন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে সেই তথ্য সকলকে জানাতে হবে এমন কোন আইনি বিধান নেই।” সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে সেই সংক্রান্ত তথ্য সম্বলিত ফর্ম ১৭(সি) ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্ম (ADR)। এরই উত্তরে কমিশন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ২২৫ পাতার হলফনামায় জানিয়েছে, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ভোট গ্রহণের পর শুধুমাত্র প্রার্থী এবং তাঁর এজেন্টকেই এই তথ্য সম্বলিত ফর্ম ১৭ (সি) দেওয়ার আইনি বিধান রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছায় ভোটার টার্ন আউট আউট নিজেদের অ্যাপ, ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানিয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী মহেন্দ্র সিং ও অমিত শর্মা আরও জানান, “ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচন কমিশনের তরফে দুই ঘন্টার ব্যবধানে প্রাপ্ত ভোটের তথ্য জানানো হয়। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, টিভি চ্যানেল যে তথ্য প্রকাশ করে তা অনেক সময়ই কমিশনের তথ্যের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।” নির্বাচন কমিশনের তরফে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। যদি ফর্ম ১৭ (সি) প্রকাশ্যে চলে আসে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে তথ্য বিকৃত হওয়া থেকে শুরু করে প্রার্থীর নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। এমনকি নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবার সম্ভাবনাও থাকে।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    নির্বাচন কমিশনের অবস্থানকে কড়া আক্রমণ করেছে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের প্রধান মুখপাত্র জয রাম রমেশ বলেছেন, “যে সমস্ত রাজ্যের বিজেপি খারাপ ফল করতে পারে কিংবা আসন হারানোর ভয় রয়েছে, সেখানে প্রাথমিক এবং চূড়ান্ত ভোটের হারের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। অন্যদিকে দলের আরও এক প্রবীণ নেতা তথা পেশায় আইনজীবী কপিল সিব্বাল বলেছেন, “যদি কত ভোট গণনা হয়েছে সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে জানানো যায়, তাহলে কত ভোট পড়েছে তা কেন জানানো যাবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Banerjee: কল্যাণের বাড়ির সামনে ‘হায় হায়’ স্লোগান! বিক্ষোভে সামিল মহিলারা

    Kalyan Banerjee: কল্যাণের বাড়ির সামনে ‘হায় হায়’ স্লোগান! বিক্ষোভে সামিল মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পঞ্চম দফার ভোট রয়েছে শ্রীরামপুরে। তাই শনিবার ছিল শেষ বেলার প্রচার। কিন্তু আচমকাই শনিবার বিকেলে শ্রীরামপুরের (Sreerampur) তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) আবাসনের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    শনিবার প্রচার পর্ব শেষ করে নিজের ফ্ল্যাটে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন শ্রীরামপুরের (Sreerampur) বিদায়ী সাংসদ তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। ঠিক সেই সময়েই আবাসনের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ‘হায় হায়’ স্লোগান তুলে প্রতিবাদে সামিল একদল মহিলা। 

    কী কারণে এই বিক্ষোভ?

    মহিলাদের অভিযোগ, মহিলাদের সম্পর্কে আপত্তিকর কথাবার্তা বলছেন তৃণমূল প্রার্থী (Kalyan Banerjee)। সেই কারণেই তাঁরা এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসেননি তাঁরা। বিক্ষোভকারী এক মহিলা বলেন, ‘‘তিনি মহিলাদের সম্পর্কে বিভিন্ন রকম কথা বলে যাচ্ছেন। তাঁকে কে এই অধিকার দিয়েছে? মহিলাদের সম্পর্কে তিনি যে মন্তব্যগুলি করছেন, সেটা বন্ধ করা হোক।’’ বিক্ষোভরত মহিলাদের দাবি, তৃণমূল প্রার্থী যেন মহিলাদের কাছে ক্ষমা চান তাঁর মন্তব্যের জন্য। 

    আরও পড়ুন: প্রচারের শেষ বেলায় রচনা আর ধোঁয়া দেখার ‘রিস্ক’ নিলেন না!

    কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য (Kalyan Banerjee) 

    এ প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বাম-বিজেপি আঁতাতের অভিযোগ উস্কে দিয়েছেন। কল্যাণের বক্তব্য, ‘‘আমার মনে হয়, বিজেপি ও সিপিএম মিলে আমার উপর যে কোনও মুহূর্তে হামলা করতে পারে। সেলিমের সঙ্গে বিজেপির অসম্ভব ভাল সেট। সেলিম এখানে আসার পর থেকে বিভিন্ন রকমের ঘটনা ঘটছে। ওঁর সঙ্গে কবীরশংকর বোসেরও কথা হয়েছে। ওঁরা মিলিতভাবে আমার উপর আক্রমণ করতে পারে।’’ 
    অন্যদিকে আবার এ প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী কবীরশংকর বোস পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন,‘‘ইন্ডিয়া জোটে কে আছে! তৃণমূল ও সিপিএম। বিজেপিকে ওঁরা ভয় পেয়ে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: প্রচারের শেষ বেলায় রচনা আর ধোঁয়া দেখার ‘রিস্ক’ নিলেন না!

    Hooghly: প্রচারের শেষ বেলায় রচনা আর ধোঁয়া দেখার ‘রিস্ক’ নিলেন না!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০ মে পঞ্চম দফায় ভোট হুগলিতে (Hooghly)। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থীরা। প্রসঙ্গত এ বছর প্রথমবারের জন্য ভোটের ময়দানে নেমেছেন রচনা ব্যানার্জি। তিনি এ বছর হুগলি লোকসভা থেকে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে প্রচারে নেমে প্রথম দিন থেকেই শিরোনামে রয়েছেন রচনা। প্রচারের প্রথম দিন শিল্প কলকারখানার ধোঁয়া দেখেছিলেন তিনি। তারপর কম ট্রোলের শিকার হতে হয়নি অভিনেত্রী তথা হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এবার ভোটের আগেই শেষ মুহূর্তের প্রচারে শনিবার অন্য কিছু দেখলেন তৃণমূল প্রার্থী। লোকসভা নির্বাচনে তাঁর কেন্দ্রে প্রচারের শেষ দিনে কী দেখলেন তিনি? নিজেই জানালেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ধোঁয়ার জায়গায় কী দেখলেন রচনা? (Hooghly)

    নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী সোমবার ভোটের আগে শনিবারই শেষ প্রচার সারতে পারবেন প্রার্থীরা। সেই মতোই শনিবার সকাল থেকে পান্ডুয়ার বৈঁচি নুনিয়াডাঙা থেকে রোড শো শুরু হয় রচনার। তবে শেষ দিনে কি ধোঁয়া দেখতে পেলেন? এদিন সাংবাদিকদের এই এ প্রশ্নে রচনা বলেন,”আজ ধোঁয়ার জায়গায় নেই। আমি আজ শুধু মানুষের হাসি মুখ দেখতে পেলাম। যাই হোক না কেন প্রচুর মানুষের ভালোবাসা নিয়ে ফেরত যাব।”
    এছাড়াও এদিন রচনা জানান, দেড় মাস ধরে প্রচার চলছে তাঁর। মানুষের ভাল সাড়া পেয়েছেন। দিন দুয়েক আগে হুগলির (Hooghly) বৈঁচিতে প্রচারে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি সময়ের অভাবে যেতে পারেননি। তা নিয়ে দলের কর্মীদের ক্ষোভ দেখা গিয়েছিল। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী কিছুটা মজার ছলে বলেন, “আমাকে দু টুকরো করে দিলে ভাল হয়। তাহলে আমি সব জায়গায় পৌঁছতে পারি। না হলে আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না সব জায়গায় পৌঁছনো। সবাই আশা করছে কিন্তু কিছু করার নেই। গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেয়। সবার সাথে হাত মেলাতে হয়। সেই কারণে হয়ত পৌঁছতে পারিনি। ওই জন্য আজ সকালে এসে সেখানে প্রচার করলাম।” 

    আরও পড়ুন: তারিখ ২৩, সময় সকাল ৯টা! দেবকে নিয়ে বোমা ফাটানোর ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু

    আগে কী বলেছিলেন রচনা? 

    এর আগে প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর প্রথম দিন সিঙ্গুরে এসে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় শিল্পের ধোঁয়া দেখেছিলেন। সেই সময়  তিনি বলেছিলেন,‘‘আমি যখন (কলকাতা থেকে) আসছিলাম, তখন দেখলাম চারদিকে ধোঁয়া আর ধোঁয়া। চিমনি দিয়ে ধোঁয়া বার হচ্ছে। কে বলছে শিল্প হয়নি? দিদি তো কত শিল্প করে দিয়েছেন। আরও করবেন।’’ আর তাঁর এই উক্তি নিয়েই বিস্তর ‘মিম’ ছড়িয়েছিল সমাজমাধ্যমে। তবে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে শেষ প্রচারে বৈঁচির রোড শো শেষে রচনাকে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূল প্রার্থী জানান, শেষ দিনে শুধু মানুষের মুখে হাসি দেখতে পেলেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Citizenship Amendment Act: কোনও বাপের বেটা সিএএ রুখতে পারবে না! হুঁশিয়ারি মোদির

    Citizenship Amendment Act: কোনও বাপের বেটা সিএএ রুখতে পারবে না! হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মাঝে নাগরিকত্ব আইন (Citizenship Amendment Act) নিয়ে বিরোধীদের উদ্দেশে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভা করেন উত্তর প্রদেশের আজমগড়ে এবং সেখানেই লালগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি সমাবেশে মোদি বলেন, ‘‘ভোটের প্রচারে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতারা বলছেন, তাঁরা সিএএ বাতিল করবেন। কিন্তু সে ক্ষমতা কারও হবে না।’’ এর পরেই জনতাকে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘দেশে এমন কোনও ‘মাই কা লাল’ (চলতি বাংলায় ভাবানুবাদে ‘বাপের বেটা’) জন্মেছে যে সিএএ বাতিল করতে পারে?’’

    প্রধানমন্ত্রীর আরও হুঁশিয়ারি

    লালগঞ্জের ওই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দেন, ‘‘সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের মতো দলগুলি সিএএ (Citizenship Amendment Act) ইস্যুতে মিথ্যাচার করছে। তারা উত্তরপ্রদেশ-সহ গোটা দেশকে দাঙ্গার আগুনে পোড়ানোর প্রবল চেষ্টা করেছিল। আজও ওই ‘ইন্ডি’ জোটের লোকেরা বলছে যে, মোদী সিএএ নিয়ে এসেছেন এবং যে দিন তিনি যাবেন, সিএএ-ও সরানো হবে। কিন্তু তাদের সেই ক্ষমতা নেই।’’ প্রসঙ্গত গত মার্চ মাসেই নাগরিকত্ব আইন লাগু করেছে কেন্দ্র এবং তারপর গত বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় কুমার ভাল্লা প্রথম দফায় ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন। সেই আবহে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য সামনে এল।

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব আইন পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার

    দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব আইন (Citizenship Amendment Act) পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। ওই আইন অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় (হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, শিখ) ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতবর্ষে এসেছেন, তাদেরকে নাগরিকত্ব দেবে ভারত সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ষষ্ঠ দফায় ফের প্রচারে আসছেন মোদি, কোথায় কবে সভা জেনে নিন…

    PM Modi: ষষ্ঠ দফায় ফের প্রচারে আসছেন মোদি, কোথায় কবে সভা জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে ভোট প্রচারে (Loksabha Election 2024) আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) । ষষ্ঠ দফার দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে রবিবার এবং সোমবার মোট ছটি সভা করবেন তিনি। ষষ্ঠ দফায় যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট রয়েছে তার কয়েকটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর ষষ্ঠ দফায় (6th Phase) প্রচারের জন্য রবিবার রাজ্যে দুটি সভা করবেন তিনি। প্রথম সভাটি রয়েছে বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের সমর্থনে। এরপর প্রধানমন্ত্রী যেতে পারেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁয়ের সমর্থনে জনসভায়।

    রবি ও সোমবার মিলিয়ে ৬টি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    সোমবার রাজ্যে চারটি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। রবিবার রাতে তিনি কলকাতায় থাকবেন বলে সূত্রের খবর। সোমবার প্রথম সভা হবে পুরুলিয়ায় বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় মাহাতোর সমর্থনে। এরপর তমলুক এবং ঘাটাল কেন্দ্রের জন্য যৌথ একটি সভা করবেন মোদি। তমলুক আসনে প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং ঘাটাল কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এই সভা শেষে ঝাড়গ্রামে তৃতীয় সভা হওয়ার কথা রয়েছে সেখানকার বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুর সমর্থনে। চতুর্থ এবং শেষ সভাটি হওয়ার কথা রয়েছে মেদিনীপুরের বিজেপি (BJP) প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের সমর্থনে।

    আরও পড়ুন: “দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল মুক্ত হবে”, বললেন শাহ

    যে ছটি সভা হবে প্রধানমন্ত্রীর সেই সব কেন্দ্রে ভোট রয়েছে ২৫ শে। ষষ্ঠ দফায় মোট আটটি কেন্দ্রে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তার মধ্যে রবিবার এবং সোমবার মিলিয়ে সাতটি কেন্দ্রকে ছুঁয়ে ফেলবেন নরেন্দ্র মোদি। বাকি থাকছে শুধুমাত্র কাঁথি কেন্দ্রটি। এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। পুনরায় এই দফায় মোদি রাজ্যে আসবেন কি না তা জানা যায়নি।

    সপ্তম দফাতেও রাজ্যে মোদি

    লোকসভা নির্বাচনে ৭ দফায় ভোট হবে। ১ জুন সপ্তম দফায় (7th Phase) নির্বাচন হবে। প্রচারের জন্য প্রতি দফায় রাজ্যে এসেছেন মোদি। একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি করে সভা করেছেন। শেষ দফাতেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে আসার কথা রয়েছে। তবে ষষ্ঠ দফা এখন বিজেপির পাখির চোখ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে ৩৫ আসনের টার্গেট দিয়েছে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব এই টার্গেটের কাছাকাছি পৌঁছানোর বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: ‘‘এমন নেতার প্রয়োজন’’, মোদিকে সমর্থন উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের

    Narendra Modi: ‘‘এমন নেতার প্রয়োজন’’, মোদিকে সমর্থন উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সমর্থনে এগিয়ে এলেন উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) ওয়াকফ বোর্ডের (Uttarakhand Waqf Board) চেয়ারম্যান হাজি শাদাব শামস। তিনি বললেন, “ভারতে সংবিধান কিংবা মুসলমান কেউই বিপদে নেই। বিপদে রয়েছে কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের রাজনৈতিক দোকান।

    প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান

    প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে তিনি আরও বলেন, “যখন পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলছে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো এমন শক্তিশালী নেতার প্রয়োজন রয়েছে। গোটা বিশ্বে নানান প্রান্তে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। মোদির (Narendra Modi) মতো শক্তিশালী নেতার তৃতীয়বার অবশ্যই ভারতের মসনদে বসা উচিত। যদি এরকম না হয় তাহলে দেশের ক্ষতি হবে। প্রধানমন্ত্রীর মঙ্গল কামনা করে তিনি হরিদ্বারের পিরান কলিয়ার এলাকায় সাবির সাহেবের মাজারে চাদর চড়ান।

    প্রধানমন্ত্রীর মুসলিম বিরোধী ছবি তৈরির চেষ্টা বিরোধীদের

    ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের (Uttarakhand Waqf Board) এহেন মন্তব্য রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। বিজেপি কিংবা প্রধানমন্ত্রীর মুসলিম বিরোধী ছবি তৈরি করার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। রাহুল গান্ধী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)— সকলেই লোকসভা ভোট চলাকালীন (Loksabha Election 2024) বিজেপিকে মুসলিম বিরোধী বলে আক্রমণ করে চলেছেন। রাজ্যে ইমামদের সংগঠন তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে। কিন্তু ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের মন্তব্য খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সহ গোটা গেরুয়া শিবির দাবি করে এসেছে তাঁদের সরকারের প্রকল্প সকল মানুষের কথা ভেবে হয়। সেই কথাই এদিন বলেছেন ওয়াকফ বোর্ডের (Uttarakhand Waqf Board) চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) হ্যাটট্রিক করা উচিত। কারণ ভারত তার নেতৃত্বে উন্নয়ন করছে, এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের লাভ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের প্রত্যেক স্তরে পৌঁছাচ্ছে। যাদের মাথায় আগে ছাদ ছিল না তাঁরা আজ বাড়ি পেয়েছে। শৌচালয় পেয়েছে। দেশে শেষ প্রান্ত অবধি রাস্তা তৈরি হচ্ছে। দেশের প্রত্যেক কোণায় প্রগতি হচ্ছে।”

    কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা বিপদে আছে

    সংবাদ মাধ্যমের এক প্রশ্নের উত্তরে শাদাব শামস (Uttarakhand Waqf Board) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে না মুসলিম সমাজ বিপদে আছে, না দেশের সংবিধান। যদি বিপদে থাকে, তাহলে কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা বিপদে আছে। বিরোধী দলের নেতারা দেশের মুসলিমদের ভুল বুঝিয়ে নিজের রাজনৈতিক দোকান চালাচ্ছেন। তাঁরা আসলে মুসলমানদের ক্ষতি করছেন। তারা আমাদের শুধু ভোট ব্যাঙ্কের মত ব্যবহার করে। বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটা মুসলিম বিরোধী ছবি তৈরি করেছেন। মিথ্যে প্রচারের উপর নির্ভর করে। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী মুসলিমদের জন্য বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্পের লাভ দিয়েছেন। আগে কেন্দ্র থেকে সরকার যে টাকা পাঠাত তার বেশিরভাগ মানুষের কাছে পৌঁছানোর আগেই উধাও হয়ে যেত। এখন সেই জিনিস বন্ধ হয়ে গেছে। আজ অবধি দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য যিনি সবচেয়ে বেশি ভেবেছেন তাঁর নাম নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhisekh Banerjee: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    Abhisekh Banerjee: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুন সপ্তম দফায় ভোট রয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে। এবছর এই কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত তিনি। কিন্তু প্রচারে নামার আগেই বাধার সম্মুখীন হলেন ওই প্রার্থী। যদিও তাতে একেবারেই দমে যাননি তিনি, বরং এবার অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই হুংকার দিলেন।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ অভিজিতের (Abhisekh Banerjee)

    মঙ্গলবার ডায়মন্ড হারবার কপাট হাট থেকে ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) স্টেশন বাজার পর্যন্ত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেন বিজেপি প্রার্থী। এরপর ডায়মন্ডহারবার এম বাজারের সামনে তিনি একটি স্ট্রিট কর্নার করেন। মূলত গাড়ির ওপরে দাঁড়িয়ে আলো-মাইক ছাড়াই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানালেন অভিজিৎবাবু।

    বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ  

    এদিন বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ তোলেন, এম বাজারের সামনে সভার জন্য যে মঞ্চ বাঁধা হচ্ছিল, তার ডেকরেটরকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে মঞ্চ বাঁধতে দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে লাইট, মাইক কোনও কিছুই লাগাতে দেওয়া হয়নি। আর তাই অগত্যা নিজের প্রচার গাড়ির উপরে দাঁড়িয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) বিরুদ্ধে হুংকার দিলেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    অভিষেকের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি

    এই স্ট্রিট কর্নার থেকে তিনি বলেন,”যদি এতই মানুষের জন্য কাজ করে থাকে, তাহলে বিরোধী দলের প্রার্থীদের ভয় পাচ্ছেন কেন উনি? কেন মঞ্চ বাঁধতে দেওয়া হচ্ছে না! লাইট, মাইক কেন দেওয়া হল না?” তিনি জানান, আসলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisekh Banerjee) ভয় পেয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “এবারে লোকসভা নির্বাচনের লড়াই তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস এদের বিরুদ্ধে নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামক যে ভাইরাস ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে তার বিনাশ করার জন্য এই লড়াই।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: বঙ্গে পঞ্চম দফায় ৭৬২, ষষ্ঠ দফাতে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী!

    Loksabha Election 2024: বঙ্গে পঞ্চম দফায় ৭৬২, ষষ্ঠ দফাতে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্থ দফায় (Loksabha Election 2024) দক্ষিণবঙ্গে ভোট প্রবেশ করতেই বাড়ল অশান্তি। রক্তপাত, ভোটারদের আটকানো, এজেন্টকে মারধর সহ অতীতের ভোট রাজনীতির সমস্ত রকম বদ অভ্যাসের সাক্ষী হল বাংলা। প্রথম ৩ দফায় রক্তপাতহীন হলেও চতুর্থ দফা থেকে অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে সব পক্ষ। এমতাবস্থায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফায় বাহিনী বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ষষ্ঠ দফায় তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, ঘাটাল, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়ায় নির্বাচন হবে। জঙ্গলমহলের তিন কেন্দ্রেরই ভোট এই দফায়। ষষ্ঠ দফায় আট আসনে অশান্তি ঠেকাতে হাজার কোম্পানির বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে কমিশন।

     ২৫ মে-এর আগেই রাজ্যে আসবে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী

    কমিশন সূত্রে খবর ২৫ মে-এর আগেই রাজ্যে চলে আসবে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এলাকা ছেয়ে ফেলে অশান্তি ঠেকাতে চায় কমিশন। শুরুর দফাগুলিতে কম আসনে ভোট হয়েছে। এবং যথেষ্ট শান্তিপূর্ণভাবে (Loksabha Election 2024) ভোট হয়েছে। বেশি আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট করতে বেশি বাহিনীতেই ভরসা রাখছে কমিশন। উল্লেখ্য, ১ হাজার বাহিনী এলে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাহিনী মোতায়েনে অনেক রাজ্যকেই পিছনে ফেলে দেবে এ রাজ্য।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সাম্প্রতিক হিংসা প্রসঙ্গে বলেন, “বাহিনী এলেই সব সোজা হয়ে যাবে। পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম দফায় তৃণমূলের কী হয় দেখতে থাকুন। শুধু ঠাকুরকে ডাকুন যেন ৮০ শতাংশের উপর পোল হয়। হীরকরাণী বাই বাই হয়ে যাবে। ৪ তারিখের পরে দেখবেন অনেক কিছু হচ্ছে। একটাও ভোট ভালভাবে করতে চায় না। মানুষকে ভোট দিতে দেয় না। ।”

    আরও পড়ুন: অর্জুন গড়ে বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে পেটালেন তৃণমূল কাউন্সিলর

    ঝাড়গ্রামে প্রতি বুথে থাকবেন আট জন জওয়ান

    প্রসঙ্গত পঞ্চম দফা থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করছে নির্বাচন কমিশন। তেলেঙ্গানা অন্ধ্রপ্রদেশের (Loksabha Election 2024) ভোট মিটে যাওয়ায় বাহিনী মোতায়েনে সমস্যা হবে না কমিশনের। শেষ দু’দফায় কমিশনের প্রস্তাবিত বাহিনীর থেকেও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে রাজ্যে। প্রাথমিক ভাবে কমিশনে রাজ্যের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল মোট ৯২০ কোম্পানি বাহিনী ব্যবহার করা হবে। ষষ্ঠ দফা থেকে তা-ও ছাপিয়ে যাচ্ছে। সপ্তম দফায় আরও বৃদ্ধি করা হবে বাহিনী। ঝাড়গ্রামে থাকছে বিশেষ নজর। সেখানে প্রতি বুথে থাকবেন আট জন করে জওয়ান। ষষ্ঠ দফায় ১,০২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। সপ্তম দফায় সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এখনও পর্যন্ত ২০২১ সালের করোনা কালে বিধানসভা ভোটে রাজ্যে সব থেকে বেশি বাহিনী ব্যবহার করেছিল কমিশন। তখন আট দফায় ভোট হয়েছিল। মোট ১,০৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই সংখ্যা এবার সপ্তম দফায় ছাড়িয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেস তার শাহজাদার বয়সের চেয়ে কম আসন পাবে, রাহুলকে খোঁচা মোদির

    Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেস তার শাহজাদার বয়সের চেয়ে কম আসন পাবে, রাহুলকে খোঁচা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা নিজেদের হার স্বীকার করে নিয়েছে, কংগ্রেস তার শাহাজাদার বয়সের চেয়েও কম আসনে জিতবে।’’ শনিবার ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় এদিন মোদির সভায় উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির সভায় এমন ভিড়ই বলে দিচ্ছে, তৃতীয়বার তাঁর ক্ষমতায় আসা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। ঝাড়খণ্ডে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে দুপাশে অজস্র মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তাঁরা পুষ্প বৃষ্টি করছিলেন। জনতা জনার্দনকে অভিবাদন জানাতে প্রধানমন্ত্রী হাত নাড়েন তাঁদের উদ্দেশে।

    কী বললেন মোদি

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘প্রথম তিন দফার ভোটের পরই বিরোধীরা বুঝতে পেরেছে তারা হারছে। ইন্ডিয়া জোটের সব দল মিলেও লোকসভাতে বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার মতো আসন জিততে পারবে না। সেজন্যই ইন্ডিয়া জোটের এক বর্ষীয়ান নেতা বলছেন, ভোটের পর ছোট ছোট দলগুলির কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাওয়া দরকার। বিরোধী দলের মর্যাদা পেতেই এই কথা বলছেন ওই নেতা।’’

    প্রসঙ্গ রাহুল গান্ধী

    তিনি আরও বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধীর বয়স ৫৩ বছর। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৫২টি আসন জিতেছিল। তার পাঁচ বছর আগে আরও কম আসন পেয়েছিল দেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলটি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস জিতেছিল ৪৪টি আসন।’’ দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের নির্বাচন নয়। এবারের নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) দেশ গঠনের নির্বাচন। চোর-লুঠেরাদের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর নির্বাচন।’’

    সোমবার ৪ আসনে ভোট ঝাড়খণ্ডে 

    প্রসঙ্গত ১৬ মার্চ দেশে লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। তারপর দেশের প্রথম দফার ভোট হয় ১৯ এপ্রিল, পরে ২৬ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা এবং কয়েকদিন আগে তৃতীয় দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে ৭ মে। সোমবারই রয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। ১৩ মে ঝাড়খণ্ডের ৪ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই ৪ আসনের প্রচারের জন্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবারে ঝড় তোলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share