Tag: loksabha election 2024

loksabha election 2024

  • Lok Sabha Election 2024: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    Lok Sabha Election 2024: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তার কাজের মান নিয়ে ফের তোপের মুখে শতাব্দী রায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিউড়ি ১ ব্লকের আলুন্দা পঞ্চায়েতে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু রাস্তায় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলিকে পূরণ না করার অভিযোগে আগেও সরব হয়েছেন জেলার মানুষ। যদিও এদিনের অভিযোগের কথা গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিল এই তৃণমূল প্রার্থী। পাল্টা এলাকার মানুষের দাবি ভোটে বোঝাবো।

    প্রচারে ফের তোপের মুখে (Lok Sabha Election 2024)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের ইটাগড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে পৌঁছালে স্থানীয় কয়েকজন যুবক, তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী বলেন সিউড়ি-সাঁইথিয়া রাস্তা সারাইয়ের ক্ষেত্রে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলে তোপ দাগেন। এখনেই শেষ নয়, রাস্তার পিচ তুলে নিয়ে দেখান বলেও জানা গিয়েছে। এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ ছিল, দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল এই রাস্তা। কিছু দিন আগে পূর্ত দফতর কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু এই কাজ নিয়ম মেনে করা হচ্ছে না। আবার স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুবউদ্দিন বলেন, “রাস্তায় পিচ কি কখনও হাতে করে তুলে দেওয়া যায়? এই কাজে প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা তাঁকে বললাম। কোনও কাজ হবে না বলে মনে করছি। ভোটে আমরাও বোঝাবো।”

    পূর্ত দফতরের বক্তব্য

    পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার উৎপল চৌধুরী বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় মানুষেরা নানা কারণে কাজ আটকে রেখেছেন, না হলে কাজ কয়েক মাস আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। যেখানে কাজ হয়ে গিয়েছে সেখানে কোনও ত্রুটি নেই।”

    আরও পড়ুনঃ “নামটা শাহজাহান বলেই কী বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    আবার তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “এখন জেলায় প্রচুর তাপমাত্রা রয়েছে। ফলে নতুন কাজ হওয়া রাস্তায় পিচ কিছুটা নরম হয়ে গিয়েছে। ফলে ভুল ত্রুটি ধরতে যাওয়াটা ঠিক নয়।” অবশ্য শতাব্দী যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে মানুষের এই অভিযোগ বা তোপকে মানতে নারাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    Lok Sabha Election 2024: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফার লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে ফের শহরে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন সন্ধ্যায় কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাঁর বিশেষ বিমান। তারপরে তাঁর কনভয় সোজা চলে যায় রাজভবনের উদ্দেশে। বৃহস্পতিবার রাত্রিবাস তিনি রাজভবনেই করবেন। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এদিন তাঁকে বিমান বন্দরে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর আসার কারণে শহরে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে ট্র্যাফিক পুলিশ। শুক্রবার কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে শুক্রবার নদিয়ার তেহট্টে সভা করবেন তিনি। বর্ধমান ও বীরভূমের আমোদপুরেও সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রাতে যান নিয়ন্ত্রণ

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট থেকেই যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হয় চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। উল্টোডাঙা উড়ালপুল, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, এজেসি বোস উড়ালপুল, হসপিটাল রোড, লভার্স লেন, খিদিরপুর রোড, জেনসন অ্যান্ড নিকলসন আইল্যান্ড, রেড রোড, আরআর অ্যাভিনিউ এবং রাজভবন (দক্ষিণ) গেট-এ যান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

    শুক্রবারও যান নিয়ন্ত্রণ

    এছাড়া বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট থেকে রাত ১১টা এবং শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন ভারী যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। বেঁধে দেওয়া সময় ছাড়াও প্রয়োজনে আরও কিছু ক্ষণ যান নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে বলে খবর কলকাতা পুলিশ সূত্রে। শুধু যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নয়, কয়েকটি রাস্তায় পার্কিংও নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। পাশাপাশি, ট্রাম পরিষেবাও বন্ধ থাকবে।

    আরও পড়ুন: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    ‘অ্যান্টি ড্রোন ডিটাচমেন্ট’

    থাকছে ‘অ্যান্টি ড্রোন ডিটাচমেন্ট’। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর (Lok Sabha Election 2024) কনভয়ের সুরক্ষা এবং রাজভবনে ড্রোন হামলা ঠেকাতে এই সিস্টেম এনএসজি’র কাছ থেকে চেয়েছে লালবাজার। সেই মতো এই ব্যবস্থা থাকবে বলেই খবর। যদিও কোনও থ্রেট নেই। কিন্তু হামলা তো হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকে (Tamluk) জেলাশাসকের অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী (BJP Candidate) সৌমেন্দু অধিকারী (Soumendu Adhikary) । নিজেদের খাস তালুকেই বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় শোরগোল এলাকায়। বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা শাসকের অফিসে কর্মরত পুলিশের বিরুদ্ধে।  এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipore) কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়। মনোনয়ন চলাকালীন শিশির অধিকারীকেও (Sisir Adhikary) বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বসচা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি

    পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয় জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি রয়েছে। দফতরের ১০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী, এজেন্ট এবং প্রস্তাবক ছাড়া মোট চারজনের বেশি কেউ প্রবেশ করতে পারবে না এমনটাই নির্দেশ রয়েছে জেলা শাসকের। বিজেপি কর্মীরা নাকি সেই সময় জোটবদ্ধ হয়ে জেলা শাসকের দপ্তরের কাছাকাছি চলে আসেন। সেই সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তবে শিসির অধিকারী এলাকার সাংসদ। তাঁকে কেন বাধা দেওয়া হয় এনিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। এর পরেই  গন্ডগোল আরও বাড়ে। স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা।  প্রসঙ্গত অধিকারি পরিবারের খাসতালুক কাঁথি। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রতীকে এখান থেকেই লড়াই করছেন সৌমেন্দু অধিকারী। ২০০৯ সাল থেকে এখানে জয়ী হয়ে আসছেন শিশির অধিকারী। বয়স জনিত কারণে এবার তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না। তার বদলে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর পুত্রকে। দীর্ঘদিন ধরেই অধিকারি পরিবারের কেউই আর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নয়। শিশির অধিকারী, সৌমেন্দু ও দিব্যেন্দু এরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে সঙ্গ ত্যাগ করেছেন বহুদিন আগেই।

    ২০০৯ সাল থেকে সাংসদ শিশির অধিকারী 

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বিজেপিতে যোগদান করার পরেই গোটা পরিবারের সঙ্গেই তৃণমূলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। শিশির অধিকারী তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হলেও তিনি সংবাদমাধ্যমে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে তাঁর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

  • Mithun Chakraborty: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    Mithun Chakraborty: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বালি, কয়লা, গরু, বিদ্যা, রেশন চুরি করে না বিজেপি। বিজেপি (BJP) স্বচ্ছ পার্টি। বিপক্ষে একটা পার্টি আছে দুর্নীতি আর দুর্নীতি। ওরা বালি, কয়লা, গরু, রেশন, বিদ্যা চুরি করে।” পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) আউশগ্রামের অভিরামপুরে বোলপুর লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহার সমর্থনে জনসভায় এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তিনি আরও বলেন, “আপনারা ভাবুন কাকে ভোট দেবেন। ওরা যা দিচ্ছে সব নিয়ে নিন। ওসব আপনাদেরই পয়সা। আপনারই পয়সা আপনাকে দিচ্ছে, আসলে ঘুরিয়ে নাক দেখাচ্ছে। কিন্তু ভোটটা বিজেপিকে দিন।”

    বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়

    বিজেপিকে মুসলিম বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অবস্থান স্পষ্ট করে মিঠুন বলেন, “বিজেপি মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয়। দাঙা করে না বিজেপি।আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি বলেছে আমরা মানুষের রাজনৈতিক সমর্থন (Lok Sabha Election 2024) নিয়ে জিতব। আমাদের এখানে কেউ স্ক্যাম করলে আমরা এক মিনিটও ভাবি না।”

    আরও খবর: “৪ জুনের পর পিসি ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    ইভিএম কারচুপি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া

    প্রসঙ্গত মালদা জেলার ফারাক্কার জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো ইভিএম কারচুপির সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি (Mithun Chakraborty) বলেন ১৫ লক্ষ ইভিএম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর কাছ নাকি খবর রয়েছে। মমতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, “আগেই বলেছি। ওনার মাথার ঠিক নেই। যা ইচ্ছে বলুক, বলতে দিন।” অন্যদিকে আসানসোল বিক্ষোভ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার দোষ, আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমার শরীর খারাপ। আমার পা কাঁপছে, পরে একদিন যাব।” এসএসসির চাকরিহারা নিয়ে প্রশ্ন করতেই মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, “আরও একটা বড় স্ক্যাম আছে। অদ্বিতীয়া বলে একটি মেয়ে আছে। ব্লগ করেছে, একটু খানি দেখে তারপরে বলবেন। আমি কিছু বলছি না।” ২০১৪ সালের চাকরি প্রার্থীদের প্যানেল বাতিল নিয়ে তিনি বলেন, “ভুল করে থাকলে তার সাজা পেতে হবে”।

    খোশমেজাজে মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    এদিন চাঁদিফাটা গরমেও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) মঞ্চে বেশ খোশমেজাজে ছিলেন।  এক ভক্ত তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, চশমা পরে থাকেন কেন? তিনি তৎক্ষনাৎ চশমা খুলে দিয়ে হেয়ালির ছলে বলেন, “আমার চোখগুলো খুব সুন্দর।” এরপর মিঠুন নিজের কয়েকটি সিনেমার ডায়লগ বলার পাশাপাশি নিজের লেখা গানও গেয়ে শোনান (Lok Sabha Election 2024)। হেলিকপ্টারে ওঠার কুনাল ঘোষের পদ কেড়ে নেওয়া প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghsoh) দলের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “নর্দমা। ওকে নিয়ে কিছু বলব না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ECI: প্রথম দু’দফাতেই ভোট পড়েছে ৬৬ শতাংশ, কেন কম? ব্যাখ্যা কমিশনের

    ECI: প্রথম দু’দফাতেই ভোট পড়েছে ৬৬ শতাংশ, কেন কম? ব্যাখ্যা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফায় ২৬শে এপ্রিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোট হয়েছিল। কত শতাংশ নির্বাচক ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন সে সংক্রান্ত তথ্য মঙ্গলবার প্রকাশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৬৬ শতাংশ নির্বাচক ভোটদান করেছেন।

    (ECI) কমিশনের রিপোর্ট

    কমিশনের (ECI) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রথম পর্বে ১৯ এপ্রিল ৬৬.১৪ শতাংশ নির্বাচক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ২৬শে এপ্রিল দ্বিতীয় পর্বে ৬৬.৭১ শতাংশ নির্বাচক ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তালিকায় দেখা যাচ্ছে প্রথম পর্বে ৬৬.২২ শতাংশ পুরুষ ভোটার ৬৬.০৭ শতাংশ মহিলা ভোটার এবং ৩১.৩২ শতাংশ তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৬.৯৯ শতাংশ পুরুষ ৬৬.৪২ শতাংশ মহিলা এবং ২৩.৮৬ শতাংশ তৃতীয় লিঙ্গের (Third Gender) ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রসঙ্গত ৫৪৩ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় ১০২ টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৮৮ টি কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। এরপর ৭, ১৩, ২৫ মে ও ১ জুন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচন হবে এবং ৪ জুন নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে।

    আরও খবর: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    (ECI) কমিশন কী বলছে

    মনে করা হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তজুড়ে তীব্র দাবদাহের কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং ইলেকশন কমিশন (ECI) যতটা আশা করেছিল তার থেকে অনেকটাই কম ভোট পড়েছে এবারে নির্বাচনের প্রথম দুই দফায়। কমিশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের প্রচারে ভোটারদের ভোটদানের উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম খাওয়ানো হচ্ছে। তা সত্ত্বেও প্রথম দুই দফায় ২০১৯ এর লোকসভায় তুলনায় অনেকটাই কম ভোট পড়েছে।

    তিনবার টানা ক্ষমতায় আসতে পারবে বিজেপি?

    এবার ক্ষমতায় এলে হ্যাটট্রিক করবে মোদি সরকার। অকংগ্রেসি দল হিসেবে তিনবার টানা ক্ষমতায় আসা মোদি সরকারের জন্য রেকর্ড হবে। কিন্তু কম ভোট দান বিজেপিকেও চিন্তায় ফেলেছে। তবে চিন্তায় রয়েছে বিরোধীরাও। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত বিজেপি জিতবে তাই ভোট নষ্ট করে লাভ নেই একথা ভেবে বিরোধী দলের ভোটাররা এগিয়ে আসছেন না। এটা হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কম ভোটদানে বিরোধীদের বাড়তি সুবিধা হবে এমনটা মনে করা ঠিক হবে না বলেই মনে করছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক কেন্দ্রীয় নেতার মতে, “এখন অবধি যা ট্রেন্ড তাতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী রয়েছে দলের উচ্চ নেতৃতে। কম ভোট হচ্ছে এর মানে এটাও হতে পারে যে যারা বিরোধীদের ভোট দিতে চাইছে তাঁরা ভোটদান থেকে বিরত থাকছে। গরমও একটা কারণ হতে পারে। আমাদের দলের কর্মীরা ভোটদানের উদ্বুদ্ধ করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের ভোটাররা ভোট দিতে আসছেন এটুকু বলতে পারি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 8th Pay Commission: মহার্ঘ ভাতায় ঘাম ছুটছে রাজ্যের! কেন্দ্র অষ্টম পে কমিশনের পথে

    8th Pay Commission: মহার্ঘ ভাতায় ঘাম ছুটছে রাজ্যের! কেন্দ্র অষ্টম পে কমিশনের পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার তাঁদের কর্মীদের দাবি অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) দিতে গড়িমসি করছে। কিন্তু কেন্দ্র সরকার সেই পথে হাঁটছে না। কেন্দ্র সরকারের কর্মীদের জন্য দারুণ খুশির খবর। শীঘ্রই গঠন হতে চলেছে অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission)। লোকসভা নির্বাচনের পরেই এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। সরকারি কর্মীদের জন্য আবার দারুণ ঘোষণা হতে চলেছে ভোট মিটলেই। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার (Central Govt) ৪ শতাংশ অতিরিক্ত মহার্ঘ ভাতা বরাদ্দ করেছে। ফলে মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশ।

    লোকসভা ভোটের পরেই সিদ্ধান্ত (8th Pay Commission)

    ইন্ডিয়ান রেলওয়ে টেকনিক্যাল সুপারভাইজার অ্যাসোসিয়েশন তাঁদের কর্মীদের অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠনের দাবি নিয়ে মন্ত্রকের কাছে চিঠি লিখেছে। সংগঠনের দাবি সরকারের হাতে অনেক সময় আছে। লোকসভা ভোটের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে সরকারের তরফে। অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) গঠন করার ব্যাপারে সরকার জানিয়েছে এখনই তাদের কাছে কোন প্রস্তাব আসেনি। যেহেতু ভোট চলাকালীন আদর্শ আচরণ বিধি লাগু আছে তাই সরকার এখনই এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা আইনত করতে পারে না। প্রতি বছর ১০ বছর অন্তর পে কমিশন গঠন হয়ে থাকে। পে কমিশনের উদ্দেশ্য সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো খতিয়ে দেখা, বেতন কাঠামো বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধা গুলির সেই সময় দাঁড়িয়ে কতটা প্রয়োজন আছে কিংবা তাতে কতটা বৃদ্ধি করার প্রয়োজন রয়েছে তা খতিয়ে দেখা এবং সেই সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

    আরও পড়ুন: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    রাজ্য সরকারের পে কমিশনে গড়িমসি

    তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পে কমিশন জানিয়েছিল এ বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যদিও কেন্দ্র সরকার সহ বিভিন্ন রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্পের জেরে যে পরিমাণ আর্থিক বোঝা রয়েছে তাতে কেন্দ্র হোক বা রাজ্য সরকার কোন সরকারই এই কমিশনের বিষয়ে স্থায়ী সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। যদিও ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র সরকার এই কমিশন গঠন করা জারি রেখেছে। কেন্দ্র সরকার ঠিকঠাক সময়ে পে কমিশন গঠন করলেও রাজ্য সরকার বরাবরই পে কমিশন গঠনের গড়িমসি করে এসেছে। মোদি সরকারের আমলে পে কমিশন গঠন ও সরকারি কর্মীদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়নি। এমনকি সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রেও ওয়ান ব্যাংক ওয়ান পেনশন চালু করার বিষয়ে সদিচ্ছা দেখিয়েছে কিন্তু সরকার। অথচ রাজ্য সরকার এখনও সপ্তম পে কমিশনের সুযোগ সুবিধা কর্মীদের দিতে গড়িমসি করছে। অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) গঠন ও চালু হয়ে গেলে রাজ্য সরকারের কর্মীরা সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে প্রায় কুড়ি বছর পিছিয়ে পড়বে। ফলে রাজ্য সরকারের উপরে পে কমিশন সুযোগ-সুবিধা চালু করার বিষয়ে চাপ বাড়বে।

    ওয়াকিবহাল মহলের মত লক্ষীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী (Kanyashree) সহ রাজ্য সরকার যে পরিমাণ দান খয়রাতির প্রকল্প চালু রেখেছে তাতে সরকারি কর্মীদের ন্যায্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বাংলা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কলকাতা একটা সময় দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির নিরিখে সর্বাগ্রে থাকত। রাজনীতির জন্য তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রকে অন্তত সেই পথে যেতে দেওয়া যাবে না।’’ এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঠিক এই ভাষাতেই বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। রাজ্যে বেড়ে চলা দুর্নীতি, বেকারত্ব, দারিদ্রতা, হিংসা এই সমস্ত কিছুর কারণেই বাংলা যে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে তাই এদিন প্রতিফলিত হল প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    মহারাষ্ট্র নিয়ে কী বললেন? 

    মহারাষ্ট্রকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi News) সংযোজন, ‘‘মুম্বই দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। মহারাষ্ট্রে আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে যাতে দেশের উন্নতিতে সে রাজ্যের যথেষ্ট অবদান থাকে। মহারাষ্ট্রের মানুষের আবেগ বোঝার চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি তাদের। অত্যন্ত ইতিবাচক ফলও পাচ্ছি সেখান থেকে।’’

    বিষয় পরিবারতান্ত্রিকতা

    অন্যদিকে এদিনই পরিবারতান্ত্রিকতা ইস্যুতে আঞ্চলিক দলগুলিকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) এবং তিনি সাফ বলেন, ‘‘শিবসেনা এবং এনসিপির মধ্যে যে ঝড় উঠেছে তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, অন্য নেতাদের চেয়ে শুধু পরিবারের সদস্যদের বেশি গুরুত্ব দিলে শুধু সমস্যাই তৈরি হয়, আর কিছু নয়। শরদ পওয়ারের সমস্যা একেবারে পারিবারিক বিবাদ। দলের লাগাম মেয়ের হাতে থাকবে না কি ভাইপোর হাতে? শিবসেনার কোন্দলও কংগ্রেসের মতো, যোগ্য নেতাকে পদোন্নতি দেওয়া উচিত না কি ছেলেকে?’’

    পারিবারিক বিবাদে মহারাষ্ট্র কেন ভুগবে?

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi News) কথায়, ‘‘এসব ওদের ঝগড়া বিবাদ। আমি বিশ্বাস করি, দেশ এই ধরনের পারিবারিক রাজনীতিকে ঘৃণা করে। যদি কেউ ‘সহানুভূতি’ শব্দ ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে সহানুভূতি জাগানোর চেষ্টা করে, আমি বলব, সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হবে। মানুষ এই ধরনের রাজনীতিকে ঘৃণা করে। এই ধরনের আচরণ মেনে নিতে পারে না। এসব আপনাদের পারিবারিক বিবাদ, আপনারা ঘরেই এর সমাধান করুন। এর জন্য মহারাষ্ট্র ভুগবে কেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: দ্বিতীয় দফায় দেশে ভোটদান ৬০.৭ শতাংশ, বাংলায় ৭১.৮৪

    Loksabha Election 2024: দ্বিতীয় দফায় দেশে ভোটদান ৬০.৭ শতাংশ, বাংলায় ৭১.৮৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফায় দেশে ৮৮ আসনে ভোটদানের হার ৬০.৭ শতাংশ (Loksabha Election 2024), অন্যদিকে বাংলার ক্ষেত্রে এই ভোটদানের হার ৭১.৮৪ শতাংশ। বাংলার ক্ষেত্রে তৃণমূলের সন্ত্রাসের চেনা ছবি দেখা গিয়েছে বালুরঘাট আসনে। সেখানে বিজেপি ভোটারদের বাধা, প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে বুথে ঢুকতে না দেওয়া, বিরোধী এজেন্টদের মারধরের ঘটনা সামনে এসেছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। এই দফায় যেমন কেরলের ২০টি, কর্নাটকের ১৪টি আসন, রাজস্থানের ১৩ আসন, উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের ৮টি করে আসনে ভোট গ্রহণ হয়। পাশাপাশি মধ্য প্রদেশের ৭টি আসন, অসম ও বিহারের ৫টি করে আসন, বাংলা ও ছত্তিশগড়ের ৩টি করে আসনে ভোট হয়। জম্মু-কাশ্মীর, মণিপুর ও ত্রিপুরাতেও ১টি করে আসনে ভোট হয় আজ। 

    দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাংলার কোন আসনে কত ভোট

    দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাংলায় (Loksabha Election 2024) ভোটদানের হার ৭১.৮৪ শতাংশ। শুক্রবার দার্জিলিঙে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭১.৪১ শতাংশ। বালুরঘাটে ভোট পড়ল ৭২.৩০ শতাংশ, রায়গঞ্জে ভোট পড়ল ৭১.৮০।

    অন্যান্য রাজ্যের চিত্র, এগিয়ে মণিপুর ও ত্রিপুরা

    বিকাল ৫টা পর্যন্ত ত্রিপুরা, মণিপুরে সর্বোচ্চ ৭৬% এবং উত্তরপ্রদেশে সর্বনিম্ন ৫২% ভোট পড়েছে। জেনে নিন অন্যান্য রাজ্যের অবস্থা।
    দেশের ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৮৮টি লোকসভা আসনে আজ দ্বিতীয় দফার ভোট (Loksabha Election 2024)। প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল ১০২টি লোকসভা আসনে ভোট হয়। আগামী ১ জুন সপ্তম ও শেষ ধাপে ভোট হওয়ার কথা। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ৪ জুন। বিকাল ৫টা পর্যন্ত অসমে ৭০.৬৬%, বিহারে ৫৩.০৩%, ছত্তিশগড়ে ৭২.১৩%, জম্মু ও কাশ্মীরে ৬৭.২২%, কর্ণাটকে ৬৩.৯০%, কেরলে ৬৩.৯৭%, মধ্যপ্রদেশে ৫৪.৪২%, মহারাষ্ট্রে ৫৩.৫৬%, ৫৩%। মণিপুরে ৭৬ %, রাজস্থানে ৫৯.১৯%, ত্রিপুরায় ৭৬.২৩%, উত্তর প্রদেশে ৫২.৬৪% এবং বাংলায় ৭১.৮৪% ভোট পড়েছে।

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: গরম উপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    Mithun Chakraborty: গরম উপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: (Murshidabad) মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের জিয়াগঞ্জে বিজেপি (B.J.P.) প্রার্থী গৌরী শংকর ঘোষের সমর্থনে রোড শো করলেন তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।  জিয়াগঞ্জের বাগদহ মোড় থেকে এই বর্ণাঢ্য রোড শো শুরু হয়। রোড শোয়ে পা মেলান কয়েক হাজার বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থক। রোড শো চলাকালীন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। চড়া রোদ ও দাবদাহ উপেক্ষা করে হাজারো কর্মী সমর্থক কয়েক কিলোমিটার হাঁটলেন প্রার্থীর সমর্থনে। প্রচুর সাধারণ মানুষ বিজেপি প্রার্থী ও তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে রাস্তার ধারে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদেরও অনেকে এদিন মিছিলে পা মেলান। প্রচারের একেবারে শেষ পর্বে ঝড় তুলে দিল বিজেপি। যা কর্মী সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে অনেকটাই সুবিধা করবে। 

    মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    গত লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি এই আসনে সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে অনেক সুবিধা জনক জায়গায় ছিল। যদিও জয়ী হন আবু তাহের খান। সংখ্যালঘু উদ্দেশ্য অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হিন্দুদের ভোট অনেকটাই নিজেদের শিবিরে আনতে সক্ষম হয়েছিল বিজেপি। হয়েছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এমনকী গত লোকসভায় জিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়েছিল। এবার এই কেন্দ্রে জয় পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। বিজেপি কর্মী রঘুনাথ হাজরা এদিন বলেন, “সকাল থেকেই মিঠুনের অপেক্ষায় আমরা জড়ো হয়েছিলাম। প্রার্থীকে এবার জেতাতে হবে। এই জোর আমাদের মনে আছে। আমরা জিয়াগঞ্জ সহ আরও বেশ কয়েকটা বিধানসভা থেকে লিড দেব। এবং আমাদের প্রার্থী মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হবে। তার জন্য প্রতিজ্ঞা নিয়ে দিনের রোড শোয়ে আমরা পা মিলিয়েছি। আমরা প্রচারে বেশ ভাল সাড়া পাচ্ছি। গতবার একটুর জন্য হাতছাড়া হয়েছিল এই লোকসভা কেন্দ্র। এবার আর সেটা হবে না আমরা এই কেন্দ্রেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দিতে চাই”। এদিন জিয়াগঞ্জের বাগদহ মোড় থেকে নেতাজি মোড় পর্যন্ত রোড স করে বিজেপি। এদিন বেলা বারোটা নাগাদ জিয়াগঞ্জ বাগদহের মোড় থেকে গৌরীশংকর ঘোষ কে সঙ্গে নিয়ে রোড-শো শুরু হয়। জিয়াগঞ্জ ফুলতলা বাস স্ট্যান্ড হয়ে জিয়াগঞ্জ বাজারের রাজপথ ধরে নেতাজি মূর্তি পাদদেশে মিঠুন চক্রবর্তীর রোড শো শেষ হয়। রোড শোয়ে উপচে পড়়ে ভিড়।

    বিজেপি সোনার বাংলা উপহার দেবে

    এবার বিজেপি মিঠুনকে বাংলা এবং ত্রিপুরায় তারকা প্রচারকের তালিকায় রেখেছে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদে জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষের হয়ে প্রচারে আসেন মিঠুন চক্রবর্তী। নবগ্রামের চাণক এলাকায় তিনি নামেন। তারপরেই তার প্রচার শুরু হয়। সেখানে তিনি একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন, “বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ভিড়ের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষজন মহাগুরুকে দেখার জন্য ভিড় করে। এদিনের সভায় মিঠুন বলেন, বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করুন। বিজেপি সোনার বাংলা উপহার দেবে। আর তৃণমূলের নাম করে বলেন, অন্যদলকে ভোট দিলে চাকরি দুর্নীতি, বালি চুরি, গরু চুরি, সন্দেশখালির মতো মেয়েদের ওপর অত্যাচার হবে। এদিন মিঠুন তাঁর সিনেমার কয়েকটি ডায়লগ একটু ঘুরিয়ে বলেন। কারণ, সিনেমার দায়লগে কয়েকটি শব্দ নাকি হিংসাশ্রয়ী। আদর্শ আচরণ বিধির জন্য মিঠুনের নতুন ডায়লগে প্রচুর হাততালি পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বেসামাল শতাব্দী! মানুষের প্রশ্নে ‘ইডিয়ট-ইডিয়ট’ বলে বিতর্কে

    Birbhum: বেসামাল শতাব্দী! মানুষের প্রশ্নে ‘ইডিয়ট-ইডিয়ট’ বলে বিতর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন বীরভূমের (Birbhum) তিন বারের সাংসদ তথা তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। বারংবার স্থানীয় জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন শতাব্দী (Satabdi Ray)। আজ বুধবার দুবরাজপুরে ভোটের প্রচারে গিয়ে এক কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়ে মেজাজ হারালেন তিনি। তিনবারের সাংসদকে কাছে পেয়ে এক যুবক প্রশ্ন করে বসেন, “সাংসদ হিসেবে যদি এত কাজ করে থাকেন। তাহলে আপনার দল কেন প্রচার করছে না? প্রশ্ন শুনে রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন শতাব্দী।

    কেন মেজাজ হারালেন (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুবরাজপুরের (Birbhum) বালিগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মঙ্গলপুর গ্রামের খগেশ্বরনাথ শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করার কথা ছিল বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের। পুজো দেওয়ার পর মন্দির চত্বরে এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ওই ব্যক্তি, সাংসদকে কড়া প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন। এরপর ক্ষণিকের জন্য প্রশ্নবাণে বেসামাল শতাব্দী এই ব্যক্তির দিকে আঙ্গুল তুলে চিৎকার করে বলে ওঠেন, “ইডিয়ট-ইডিয়ট কিচ্ছু জানে না। ইডিয়টের মত কথা বলছে।”

    কী বললেন শতাব্দী?

    পরে শতাব্দী (Birbhum) সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, “উনি বলছেন জলের ট্যাংকের জন্য যে টাকা দিয়েছিলেন তা রাতের অন্ধকারে ফেরত নিয়ে গেছে। এটা তো হতে পারে না। ওঁই সব টাকা ব্যাংক থেকে ট্রান্সফার হয়। যাই হোক আমি ওঁর সঙ্গে আলাদা করে পরে কথা বলে নেব।”

    আরও পড়ুনঃ সবচেয়ে হালকা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরি করে নজির গড়ল ডিআরডিও

    কতবার বিক্ষোভের মুখোমুখি শতাব্দী?

    প্রসঙ্গত বীরভূমে (Birbhum) তিন বারের সাংসদ চতুর্থবার প্রার্থী হয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। কখনও রাস্তার দাবি, কখনও জলের দাবি। আবার কখনও আবার বিরোধী দলের লোকেরা তাঁকে দেখে ক্ষোভের কারণে পতাকা নেড়েছেন। যদিও শতাব্দী কখনই বিক্ষোভের কথা মানতে চাননি। তাঁর মতে মানুষ তাকে কাছে পেয়ে তাঁদের দাবি তুলে ধরেছেন। কারণ তিনি প্রার্থী এবং তিন বারের সাংসদ। তাঁর কাছে দাবি তুলে ধরবেন না তো আর কার কাছে বলবেন? ঠিক কথা কিন্তু, ১৫ বছরে যে কাজ করতে পারেননি সেতা কী আগামী পাঁচ বছরে পারবেন? উত্তর জানেন একমাত্র এই “লাল পান বিবির” নায়িকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share