Tag: loksabha election 2024

loksabha election 2024

  • Bhupatinagar Incident: ভূপতিনগরকাণ্ডে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যপাল, ৩ তৃণমূল নেতাকে তলব এনআইএ-র

    Bhupatinagar Incident: ভূপতিনগরকাণ্ডে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যপাল, ৩ তৃণমূল নেতাকে তলব এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করলেন। শনিবার রাতে এনআইএ-র শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস ( C.V. Anand Bose)। সেদিন সকালে ঘটনাস্থলে এনআইএ-র (NIA) আধিকারিকদের সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, কীভাবে হামলা হল, হামলার সময় কতজন মানুষ ওখানে ছিল, তার বিস্তারিত বর্ণনা শোনেন তিনি। কেন আধিকারিকরা সেখানে গিয়েছিলেন, সেই সম্পর্কেও জানতে চান রাজ্যপাল। রাজভবন (Governer’s House) সূত্রে খবর, পুরো বিষয় জানার পর রাজ্যপাল সম্পূর্ণ রিপোর্ট তলব করেছেন।

    সেদিন কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত ভূপতিনগর (Vupatinagar Blast) বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে শনিবার সকালে হামলার মুখে পড়েন এনআইএ আধিকারিকরা। তাঁদের গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এক এনআইএ আধিকারিকের উপর লাঠি নিয়ে হামলা করা হয়। সেই আধিকারিক এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর ভগবানপুর ২ নম্বর ব্লকের ভূপতিনগরে প্রচণ্ড জোরে বিস্ফোরণ হয়। সেই বিস্ফোরণের ভয়াবহতায় কেঁপে উঠেছিল আশপাশের এলাকা। এই ঘটনায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না, তার ভাই দেবকুমার মান্না ও বিশ্বজিৎ গায়েনের মৃত্যু হয়। মৃত্যু হয়েছিল আরও একজনের। ছিন্নভিন্ন, ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হয়েছিল বাড়ির ছাদ ও কয়েক মিটার দূরের পুকুর থেকে। সেই ঘটনায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএ’র কাঁধে।

    ৩ তৃণমূল নেতাকে নোটিশ

    এই ঘটনায় তৃণমূলের জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানবকুমার পড়েয়া, সুবীর মাইতি ও নবকুমার পান্ডাকে ফের নোটিশ দিল এনআইএ। শনিবার তিনজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন এনআইএ আধিকারিকরা। তাদের সোমবার সকালে নিউটাউনের এনআইএ দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আগেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু একবারও তাঁরা হাজিরা দেননি।

    মানহানির মামলার হুমকি জিতেন্দ্রর

    এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এনআইএর কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক রঙ দিতে তৎপর। হেমতাবাদের সভা থেকে তিনি বলেন, “হামলা মেয়েরা করেনি, করেছে এনআইএ। গদ্দারটা জানে হারবে। তাই লোকের বাড়িতে লোক পাঠাচ্ছে। তুমি লোকের বাড়িতে ঢুকে যাবে রাতে। তৃণমূলের সব সভাপতিকে এমএলএকে গ্রেফতার করবে। সবাই শাঁখা-পলা পড়ে বসে থাকবে?” প্রসঙ্গত জিতেন্দ্র তিওয়ারির বিরুদ্ধে এক এনআইএ আধিকারিকের বাড়ি গিয়ে নামের তালিকা তুলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছিল শাসক দল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ অভিযোগ তুলেছিলেন, ২৬ মার্চ জিতেন্দ্র তিওয়ারি N.I.A.’র এসপি ধরাম সিং-এর কলকাতার বাড়িতে গিয়ে একটি খাম তুলে দিয়ে এসেছিলেন। জিতেন্দ্র তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “মানহানিকর বক্তব্য রাখা হয়েছে। সাত দিন সময় দিলাম। নিজের বক্তব্য ফেরত না নিলে মানহানিকর মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রক্তক্ষরণ অব্যাহত বামেদের, এসএফআইয়ের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপিতে   

    Balurghat: রক্তক্ষরণ অব্যাহত বামেদের, এসএফআইয়ের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপিতে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুরে দাঁড়ানো দূরের কথা, উঠে দাঁড়ানোই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে বামেদের পক্ষে। তাদের রক্তক্ষরণ অব্যাহত। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে লাল পতাকাধারীদের। একদিকে জোট নিয়ে জটিলতা, অন্যদিকে কর্মীরা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। এবার এসএফআইয়ের (SFI) প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা সিপিআইএমের (CPIM) জেলা কমিটির সদস্য সুরজিৎ সরকার দলবল সহ যোগ দিলেন বিজেপিতে। বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি (BJP) জেলা কার্যালয়ে এই যোগদান পর্ব আয়োজিত হয়।

    সুকান্তের উন্নয়নেই আকৃষ্ট হয়ে দলত্যাগ (Balurghat)

    দল ছাড়ার পর সিপিএমের তরফে দাবি করা হয়, সুরজিৎ সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেউ দল ছেড়ে অন্য দলে গেলে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কারের রেওয়াজ রয়েছে সিপিএমে। দলের তরফে যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। ছিলেন জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। প্রসঙ্গত এই লোকসভা আসনে বালুরঘাট থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনিই এলাকার বর্তমান সাংসদ। যোগদানকারীদের দাবি, সুকান্ত মজুমদার যেভাবে বালুরঘাট জুড়ে উন্নয়ন করেছেন, তা দেখেই আকৃষ্ট হয়েছেন সুরজিৎ সরকার।

    বিজেপির সংগঠন মজবুত হল (Balurghat)

    সুরজিৎ যোগদানপর্ব শেষে বলেন, “সুকান্তবাবু বিরোধী দলে থেকেও নিজের এলাকার উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজনীতির রং দেখেননি। রাজ্যের শাসকের শত বাধা সত্ত্বেও একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ করে তিনি অন্যদের কাছে উদাহরণ তুলে ধরেছেন। সবেচেয়ে বড় ব্যাপার তিনি সেরা সাংসদের পুরস্কার পেয়েছেন।” প্রসঙ্গত এদিনের যোগদানের ফলে এলাকায় বিজেপির সংগঠন মজবুত হল। অন্যদিকে আঞ্চলিক স্তরে তৃণমূল ও সিপিএমের সংগঠন অনেকটাই ধাক্কা খেল। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে এই জেলার চিত্রটা যে অনেকটাই বিজেপির অনুকূলে চলে এল, তা বলাই যায়। যদিও বামেদের দাবি, এতে তাদের কোনও ক্ষতি হবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Shah in Bengal: লক্ষ্য ৪০০ পার, ঝড় তুলতে মোদির পর বঙ্গে আসছেন শাহ

    Modi Shah in Bengal: লক্ষ্য ৪০০ পার, ঝড় তুলতে মোদির পর বঙ্গে আসছেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন জলপাইগুড়ির ধুপগুড়িতে (Dhupguri) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। উনিশে এপ্রিল লোকসভার (Loksabha Election 2024) প্রথম দফায় রাজ্যের তিনটি আসন জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার (Aliporeduar) ও কোচবিহারে (Coochbehar) ভোটে রয়েছে। প্রথম দফার নির্বাচনে ইতিমধ্যেই প্রচারে ঝড় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তিনি জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) সভা করে নতুন করে ঝড় তুলে দিয়ে যাবেন।

    প্রচার কর্মসূচি তৈরি (Modi Shah in Bengal)

    বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও ঝড় তোলার জন্য প্রচার কর্মসূচি তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রথম দফায় রাজ্যে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী এলেও দ্বিতীয় দফায় তাঁর দোসর হবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দ্বিতীয় দফায় ২৬শে এপ্রিল উত্তরবঙ্গের অপর তিনটি আসন দার্জিলিং (Darjeeling), রায়গঞ্জ(Rayganj) ও বালুরঘাটে (Balurghat) ভোট রয়েছে। যার জন্য দুটি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একটি সভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইতিমধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানিয়েছেন, ১৬ এপ্রিল দিনাজপুরে (South Dinajpur) দুটি সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। একটি সভা হবে রায়গঞ্জে ও অন্যটি বালুরঘাটে। শাহের সভা হবে বুনিয়াদপুরে। ১৬ই এপ্রিল বালুরঘাটের রেল স্টেশন মাঠে দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ সভা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তবে রায়গঞ্জের সভা কখন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই বিজেপির সূত্রের দাবি।

    শাহের সভা কোথায়? (Modi Shah in Bengal)

    শাহের সভা বুনিয়াদপুর রেল স্টেশনের মাঠে দুপুর বারোটা নাগাদ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে শুধু অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি নয়, এই সভাগুলিতে রাজ্য বিজেপির তারকা প্রচারকদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বক্তব্য রাখার জন্য। পাশাপাশি দ্বিতীয় দফার ভোটে বেশ কিছু মেগা র‍্যালির কথাও চিন্তাভাবনা করছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গ বিজেপির গড়। উত্তরবঙ্গ থেকেই সব থেকে বেশি সাংসদ, বিধায়ক পেয়েছে বিজেপি। সে কারণেই প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারে কোনও রকম খামতি রাখতে চায় না বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও উত্তরবঙ্গ থেকে ভালো ফলাফল হবে, এমনটাই ধারণা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই উত্তরবঙ্গের গড় যাতে বেদখল না হয় তার জন্য সর্বোচ্চ শক্তিতে ময়দানে নামছে বিজেপি।

    তৃণমূলে তারকা প্রচারক কোথায়? (Modi Shah in Bengal)

    একদিকে উত্তরবঙ্গে যেখানে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও অমিত শাহ প্রচারে নামছেন, তখন তৃণমূলের প্রচার অনেকটাই ফিকে মনে হচ্ছে। রাজ্যের শাসক দলের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ছাড়া অন্য কোনও নেতার সেই প্রভাব নেই। তৃণমূলের নম্বর দুই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) উত্তরবঙ্গে ময়দানে নামালেও তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় তাকে প্রচারে নামালে অনেকটাই ব্যাকফুটে যাওয়া্র সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ সেক্ষত্রে  দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শাসকের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়াবে বিজেপি। এমনিতেও মমতা ও অভিষেক ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রচারক বলতে আর কাউকেই উত্তরবঙ্গে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির হাতে অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীর মতো তারকা প্রচারক রয়েছেন। সুকান্ত মজুমদার নিজে বালুরঘাট আসন থেকে লড়লেও তিনি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন আসনে প্রচারের জন্য ছুটে যাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন বীরভূমের (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর (Debasis Dhar)। তাঁর লড়াই তিন বারের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Ray) বিরুদ্ধে। শীতলকুচির (Sitalkuchi) ঘটনা বদলে দিয়েছে এই পুলিশ অফিসারের জীবন। জানা গিয়েছে, তাঁর অজান্তেই গুলি চলে ছিল। এরপর ঘটনায় অভিযুক্ত করে তাঁকে সাসপেন্ড এবং জেরা করা হয়। তারপরেই তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে এই বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “বীরভূমে কোনও কাজ করেননি তিন বারের সাংসদ শতাব্দী রায়। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী আগে ভাগে পদক্ষেপ নিলে বীরভূম নিয়ে এত অভিযোগ উঠত না।”

    কী বললেন দেবাশীষ ধর?

    লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এদিন দুর্নীতি নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন দেবাশিস ধর। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্য চুরিতে এমন রেকর্ড করে বসে আছে যে আগামী ১০০ বছরে এই রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে না। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। শীতলকুচির ঘটনার জন্য অনেক মানসিক পরিবর্তন হয়েছে। ওই ঘটনার পর যা হয়েছে তা যদি না ঘটত তাহলে ডিআইজি হতাম, প্রার্থী হতাম না। ২০১১ সাল থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন পুলিশমন্ত্রী। তিনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেন তাহলে রাজ্যে এত রাজনৈতিক হিংসা হত না। এত দুর্নীতিও হত না। রাজ্যে মানিক ভট্টাচার্য্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল অথবা বালুর মত ব্যক্তিদের ছড়াছড়ি হত না। তৃণমূলের তিনবারের সাংসদ কোনও কাজ করেননি। মানুষের কাছে গিয়ে তিনি ধাক্কা খাচ্ছেন। অন্য রাজ্যে গেলে বাঙালি হিসেবে লজ্জা হয়। এ রাজ্যে শিল্প বলতে মদ আর জমি বিক্রি ছাড়া আর কিছুই নেই।”

    তারা মায়ের কাছে মানব সেবার কামনা

    প্রসঙ্গত মঙ্গলবার তারাপীঠে (Tarapith) পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। মায়ের কাছে কী কামনা করলেন জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, “প্রার্থনা করেছি এমন কিছু চমৎকার কর যেন জন্ম জন্মান্তর তোমার সেবা করতে পারি। মানুষের হয়ে কাজ করতে এসেছি। প্রশাসনিক পদে থাকা এবং মানুষের জন্য কাজ করা অনেকটাই আলাদা। আমরা ভোটে জয়ী হবো এতে কোনও সন্দেহ নেই। ব্যক্তিগত কোনও লড়াই নেই। সবটাই রাজনৈতিক লড়াই আমাদের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইমেজে লড়াই হবে। আমাদের সরকার এলে রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Purulia:  লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Purulia: লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির যুবনেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) কাশীপুর থানার জোড়থল গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম হরনাথ মণ্ডল (২২)। বাড়ির কাছের একটি গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃত যুবকের মুখে কাপড় গোঁজা ছিল। বিজেপির দাবি, লোকসভা ভোটের মুখে দলের যুবনেতাকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, মৃত হরনাথ দলের যুবমোর্চার মণ্ডল সম্পাদক ছিলেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন? (Purulia)

    দলের যুবনেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে গ্রামে যান পুরুলিয়ার (Purulia)  বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও বিভাগ আহ্বায়ক বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী-সভ অন্য নেতারা। তাঁরা মৃত যুবকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। মৃতের বাবা মনসারাম মণ্ডল বলেন, ‘আমার ছেলে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটিতে কাজ করত। বাড়ি থাকলে বিজেপির সঙ্গে ঘোরাঘুরি করত। আজ সকালে গলায় গামছা জড়ানো মৃত অবস্থায় ছেলেকে পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে ছেলের মৃত্যু হয়েছে, জানি না। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করুক।’ মৃতের ভাই শচীন মণ্ডল বলেন, ‘গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দাদার দেহ পাওয়া গিয়েছে। মৃতদেহের অবস্থান দেখে আমাদের অনেক কিছু সন্দেহ হচ্ছে। আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত জমির দলিল-নথিপত্র

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, “হরনাথ আমাদের দলের যুব সংগঠনে নেতা ছিলেন। দলের হয়ে ভালো কাজ করছিলেন। স্থানীয় মানুষের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, হরনাথের মৃত্যুর ঘটনাটি আমাদের কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক। ভোটের আগে আমাদের যুব নেতাকে খুন করেছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত রয়েছে। আমরা অতীতে বহুবার এমন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি। আমরা ঘটনার প্রকৃত তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।” শাসকদল তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুরুলিয় (Purulia) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো বলেন, ‘যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তাই বলে যে কোনও ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগানো উচিত নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মেলেনি টিকিট, হতাশ হয়ে ঘরবন্দি তৃণমূল নেত্রী মৌসম! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Malda: মেলেনি টিকিট, হতাশ হয়ে ঘরবন্দি তৃণমূল নেত্রী মৌসম! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের পক্ষ থেকে চরম অসহযোগিতা চোখে পড়েছিল উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে। তৃণমূলের লোকসভার প্রার্থী ঘোষণার পর মালদায় প্রচারে বেরিয়ে প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনও দলের বড় নেতার দেখা মেলেনি। এমনকী জেলার একাধিক জায়গায় দলীয় বৈঠকেও দেখে মেলেনি তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের বড় মুখদের। সব থেকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। প্রার্থী ঘোষণার পর বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও তাঁকে মাঠে ময়দানে দেখা যায়নি। তা নিয়ে জেলাজু়ড়ে চর্চা চলছে।

    চার দেওয়ালে আটকে রেখেছেন তৃণমূল নেত্রী মৌসম (Malda)

    তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিন ব্রিগেডের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মৌসম। আশা ছিল, তালিকায় নাম থাকবে। কিন্তু, তাঁর নাম ঘোষণা হয়নি। এরপরই জনসভা শেষ হওয়ার পর কয়েকদিন জেলার বাইরে ছিলেন তিনি। পরে, জেলায় ফিরলেও কার্যত হতাশ মৌসম। প্রত্যাশিত টিকিট না পেয়ে চার দেওয়ালে আটকে রেখেছেন তৃণমূল নেত্রী মৌসম নূর। শুধু হতাশ নন, কার্যত নিঃসঙ্গ। একলা। মালদার (Malda) কোতোয়ালির বাড়িতে কেমন যেন নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন, সঙ্গে নেই অনুগামীরাও। ভোটের দামামা যেখানে বেজে গিয়েছে, তৃণমূল নেতা কর্মীরা ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত। তৃণমূল প্রার্থী নিজের কেন্দ্রে চষে বে়ড়াচ্ছেন। সেখানে এখনও ঘরেই গুটিয়ে রয়েছেন মৌসম। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের নির্বাচনে মালদা উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন মৌসম। তবে, বিজেপি-র খগেন মুর্মুর কাছে হারতে হয় তাঁকে। এই বছর দল আর প্রার্থী করেননি। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে তারপর থেকেই নিজেকে গুটিয়েছেন তিনি। যদিও জেলা জুড়ে এটা গুঞ্জন কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়েছিলেন। চেয়েছিলেন কংগ্রেসের উত্তর মালদার প্রার্থী হতে। কিন্তু, মৌসমকে ফিরিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। এরপরেই আরও হতাশ হয়ে ফিরে আসেন মালদায়।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে টাকা বিলি! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    কী বললেন তৃণমূল নেত্রী মৌসম?

     তৃণমূল নেত্রী মৌসম বলেন, “আমি উত্তর মালদার দুবারের সাংসদ। অবশ্যই আমার প্রত্যাশা ছিল। যেহেতু একই পরিবার থেকে দু’জন দাঁড়িয়েছিলাম সেই কারণে ভোট ভাগাভাগি হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম এবার টিকিট পেলে জিতব। বিজেপিকে হারাব ভেবেছিলাম। তবে প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাঁড় করিয়েছে ভাল কথা। দলের একজন সৈনিক হিসাবে সেই সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে হবে। আর আমার জ্বর হয়েছিল। সেই কারণেই বাড়িতে ছিলাম। অন্য কোনও বিষয় নয়।” কংগ্রেসের কাছে প্রার্থীর জন্য দরবার প্রসঙ্গে মৌসম বলেন, “এসবই ভিত্তিহীন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Bengal: ২ দিনের বঙ্গ-সফরে মোদি, সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস সহ রয়েছে জোড়া সভা

    PM Modi in Bengal: ২ দিনের বঙ্গ-সফরে মোদি, সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস সহ রয়েছে জোড়া সভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই দু’দিনের বঙ্গ সফরে রাজ্যে পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bengal)। দুপুরে হুগলির আরামবাগের সরকারি মঞ্চ থেকে ২২ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন মোদি। এর পাশাপাশি রঘুনাথপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী৷ রেল, সড়ক, হলদিয়া-বারাউনি তেলের পাইপ লাইন-সহ বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি।

    মোদির বঙ্গ সফরেই বাজতে চলেছে লোকসভা ভোটের দামামা, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। রাজ্য জুড়ে দুর্নীতি-সন্ত্রাস ইস্যুতে বেশ ব্যাকফুটে রয়েছে শাসক দল। এই আবহে প্রধানমন্ত্রীর সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ইতিমধ্যেই বাংলায় ৪২ টি আসনের মধ্যে ৩৫ টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরামবাগে বিজেপির জনসভা মঞ্চ থেকে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। 

    প্রধানমন্ত্রীর ২ দিনের কর্মসূচি

    কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিও প্রকাশ করেছে। সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ১মার্চ আরামবাগে ও ২ মার্চ কৃষ্ণনগরে সভা করবেন। রাত্রিবাস করবেন রাজভবনে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, ১ মার্চ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে বিশেষ বিমানে দিল্লি থেকে দুর্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন মোদি (PM Modi in Bengal)। বেলা ১০টা ১০ মিনিটে দুর্গাপুর বিমানবন্দরে নামবেন তিনি। সকাল সওয়া ১০টায় হেলিকপ্টারে চেপে রওনা দেবেন ঝাড়খণ্ডের উদ্দেশে। সেখানে কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। কর্মসূচি সেরে বেলা পৌনে ২টোয় ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ হেলিপ্যাড থেকে কপ্টারে চেপে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ২টো ৫০ মিনিটে তাঁর পৌঁছানোর কথা আরামবাগ হেলিপ্যাডে। দুপুর ২টো ৫৫ মিনিটে আরামবাগ হেলিপ্যাড থেকে সড়কপথে যাবে তাঁর কনভয়। ৩টের সময় পৌঁছবেন আরামবাগের সরকারি অনুষ্ঠানস্থলে। জানা গিয়েছে, সেখানে আধঘণ্টার সেই অনুষ্ঠানে বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ৩টে ৩৫ মিনিটে জনসভার জন্য সড়কপথে রওনা দেবেন মোদি। ৩টে ৪০ মিনিটে তাঁর পৌঁছানোর কথা জনসভার মঞ্চে। সেখানে পৌনে ৪টে থেকে সাড়ে ৪টে পর্যন্ত সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal)। বিকেল পৌনে ৫টায় কপ্টারে চড়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। সাড়ে ৫টায় তাঁর পৌঁছানোর কথা রাজভবনে। এদিন সেখানেই রাত্রিবাস করবেন তিনি। শনিবার ২ মার্চ সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে বের হবেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষ্ণনগরের পৌঁছবেন ১০টা ২০ মিনিটে। এরপর আধঘণ্টার অনুষ্ঠানে বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন তিনি। তাঁর জনসভা রয়েছে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত। এরপর কপ্টারে চড়ে যাবেন পানাগড়ে। ১টা নাগাদ পানাগড় বিমানবন্দর থেকেই বিহারের গয়ার উদ্দেশে উড়ানে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি ম্যাজিকের অপেক্ষায় বঙ্গ বিজেপি

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) আসছেন। উনি রাত্রিবাসও করবেন। ১ এবং ২ তারিখ এখানে সভা তাঁর। ১ তারিখ আরামবাগে সভা করবেন। দুপুর ৩টে থেকে সেই সভার সময় দেওয়া আছে। পরদিন সকালে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সভা আছে প্রধানমন্ত্রীর। আমার কাছে যা খবর উনি আবার ৫ তারিখে আসবেন। কলকাতায় রাত্রিবাস করতে পারেন। ৬ তারিখ বারাসতে সভা।” গত লোকসভা নির্বাচনে আরামবাগ আসনটিতে তৃণমূল প্রার্থীর কাছে সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন বিজেপি প্রার্থী। ৩৫টি আসনের যে টার্গেটকে সামনে রেখে এগোচ্ছে বঙ্গ বিজেপি, তার মধ্যে আরামবাগ আসনটিও রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে সুকান্ত বলেন, “আগের বার অল্পের জন্য আরামবাগ ফস্কে গিয়েছে। এবার লক্ষাধিক ভোটে জিতে এই কেন্দ্র উপহার দেব নরেন্দ্র মোদিকে। শুক্রবার আপনারা দেখবেন ম্যাজিক কাকে বলে। এর নাম মোদি ম্যাজিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pm Modi: প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরের কর্মসূচি প্রকাশ কেন্দ্রের, রাত্রিবাস রাজভবনে, করবেন জোড়া সভা

    Pm Modi: প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরের কর্মসূচি প্রকাশ কেন্দ্রের, রাত্রিবাস রাজভবনে, করবেন জোড়া সভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হল প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফর। দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে পা রাখছেন নরেন্দ্র মোদি (Pm Modi)। রাজভবনে করবেন রাত্রিবাসও। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে মঙ্গলবারই জারি করা হল প্রধানমন্ত্রীর (Pm Modi) বাংলা সফরের কর্মসূচি।

    ১ মার্চ ১০টা ১০ মিনিটে পানাগড়ের মাটি ছোঁবে প্রধানমন্ত্রীর বিমান

    কেন্দ্রীয় সরকারের ওই বিবৃতি অনুযায়ী, আগামী ১ মার্চ সকাল ৮টা বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে দুর্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেবে প্রধানমন্ত্রীর (Pm Modi) বিশেষ বিমান। বেলা ১০টা ১০ মিনিটে পানাগড়ের মাটি ছোঁবে প্রধানমন্ত্রীর বিমান। জানা গিয়েছে, পানাগড় পৌঁছেই নরেন্দ্র মোদি (Pm Modi) হেলিকপ্টারে উড়ে যাবেন ঝাড়খণ্ডের বিশেষ সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে কর্মসূচি সম্পন্ন হলে দুপুর ৩টে নাগাদ আরামবাগ হেলিপ্যাডে পৌঁছনোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। তারপর সেখানে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে খুব কম ব্যবধানে আরামবাগ লোকসভার আসনটি হারে বিজেপি।

    ১ মার্চ বিকেলে কলকাতায় ফিরবেন মোদি

    বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ জনসভা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রওনা দেবেন কলকাতার উদ্দেশে। হেলিকপ্টারে করে মোদি পৌঁছবেন কলকাতার আরসিটিএস হেলিপ্যাডে। তারপরে, সেখান থেকে রাজভবনের উদ্দেশে রওনা হবে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। ১ মার্চ রাজভবনে রাত্রিবাস করার কথা প্রধানমন্ত্রীর (Pm Modi)।

    ২ মার্চ কৃষ্ণনগরের জনসভায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী

    পরের দিন, ২ মার্চ শনিবারও সকাল থেকেই ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ কলকাতার আরসিটিএস হেলিপ্যাড থেকে কপ্টার চড়ে মোদি রওনা দেবেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরের উদ্দেশে। দুপুর ১২টা নাগাদ কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। তারপরে, দুপুর ১টা নাগাদ সভা শেষ করে হেলিকপ্টারে চড়ে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছবেন পানাগড়ে। সেখান থেকে তিনি যাবেন বিহারের গয়ায়। প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে ফের প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে আগামী ৬ মার্চ। সেদিন বারাসাতে সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’! স্থানীয় অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরতের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP West Bengal: লক্ষ্য চব্বিশের লোকসভা, সাংগঠনিক ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, যুবমোর্চার ইনচার্জ হিরণ

    BJP West Bengal: লক্ষ্য চব্বিশের লোকসভা, সাংগঠনিক ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, যুবমোর্চার ইনচার্জ হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিজেপিতে (BJP West Bengal) বেশ কিছু নতুন সাংগঠনিক ঘোষণা হয় শুক্রবার। তাতে যুব মোর্চার সংগঠন দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিনেতা তথা খড়্গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রসঙ্গত, যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি রয়েছেন ইন্দ্রনীল খান। এর পাশাপাশি ইনচার্জ হিসেবে গোটা যুব সংগঠনকে দেখাশোনা করবেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

    উত্তরবঙ্গের দায়িত্বে দীপক বর্মণ

    বিজেপির সাংগঠনিক (BJP West Bengal) কাজ চলে পশ্চিমবঙ্গকে কতগুলি জোনে ভাগ করে। সেই সমস্ত জোনের কনভেনারদের নামও ঘোষণা করা হয় শুক্রবার। জোনের অধীনে থাকে বিভাগ। বিভাগ কনভেনারদের নামও ঘোষণা করা হয় এদিন। উত্তরবঙ্গে বিজেপির সংগঠন বেশ শক্তিশালী। বিগত নির্বাচনগুলিতে তার প্রমাণ মিলেছে। উত্তরবঙ্গ জোন কনভেনারের পদে থেকে গেলেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। প্রসঙ্গত, দীপকবাবু রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদকও বটে। অন্যদিকে মহিলা মোর্চার কাজ এবার থেকে দেখাশোনা করবেন পারমিতা দত্ত। তাঁকে মহিলা মোর্চার ইনচার্জ করা হয়েছে। বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদে রয়েছেন চার্লস নন্দী। সংখ্যালঘু মোর্চার কাজ দেখাশোনা করতে ইনচার্জ পদে বসানো হয়েছে মাফুজা খাতুনকে। মিডিয়া বিভাগের ইনচার্জ তুষারকান্তি ঘোষ রয়েছেন। সেই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির (BJP West Bengal) অন্যতম মুখপাত্র কেয়া ঘোষকে জোন ইনচার্জ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    দক্ষিণবঙ্গের দায়িত্বে কারা?

    বিজেপির কলকাতা জোনের কাজ দেখাশোনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলকে। অন্যদিকে কো-কনভেনার হিসেবে কাজ করবেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। দুজনেই রাজ্য বিজেপির (BJP West Bengal) সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। রাঢ়বঙ্গের জোনের দায়িত্বে থেকে গিয়েছেন দলের সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনিও রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক। নবদ্বীপ জোনের দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে সঞ্জয় সিংকে। হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর জোনের দায়িত্বে রয়ে গেলেন দলের সাংসদ তথা রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: প্রয়োজনে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি, পাকিস্তানকে বার্তা রাজনাথের

    Rajnath Singh: প্রয়োজনে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি, পাকিস্তানকে বার্তা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নাম না করে পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি এদিন বলেন, ‘‘কোনও প্রতিবেশী যদি ভারতের ক্ষতি করতে চায়, তাকে যথাযোগ্য জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।’’ এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হাজির ছিলেন ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত জেলা কানকেড়ে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এদিন জানান, মোদি জমানায় সারা দেশেই কমেছে নকশালদের উপদ্রব। এদিন ছত্তিশগড়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণেরও অভিযোগ তোলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বিজেপি সারা দেশেই প্রচার কর্মসূচি চালাচ্ছে মহা জনসম্পর্ক অভিযানের নামে। মোদি সরকারের ৯ বছরের সাফল্য তুলে ধরাই লক্ষ্য এই কর্মসূচির। সে রাজ্যের নরহরদেব হাইস্কুলের মাঠে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।   

    সন্ত্রাস দমনে সফল মোদি সরকার

    এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর (Rajnath Sing) ভাষণে উঠে আসে ২০১৬ সালের উরি হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামার সন্ত্রাস হানা প্রসঙ্গ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী স্মরণ করান, দেশ এখন শক্তিশালী হাতেই রয়েছে। ঠিক এই কারণে এই দুই হামলার কুচক্রীদের যোগ্য জবাব ভারত দিতে পেরেছে। তিনি এদিন এই হামলা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘তখন আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম, সন্ত্রাসী হামলায় কয়েকজন জওয়ানের শহিদ হওয়ার খবর পেলাম। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সম্পন্ন হল। মাত্র ১০ মিনিটেই পাল্টা আক্রমণের সিদ্ধান্ত হল। আমাদের সেনা সন্ত্রাসীদের যোগ্য জবাব দিল।’’

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি

    এদিন নাম না করে কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায় রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, ‘‘আমি আমার প্রতিবেশীকে বলতে চাই, কোনও প্ররোচনা ছড়াবেন না। প্রয়োজন পড়লে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি আমরা। এখন আমার দেশ অনেক পরিবর্তিত।’’ এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসাও শোনা যায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মুখে। তিনি জানান, গরিব এবং দলিত কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী মোদির নীতি ঠিক তাঁর পূর্বতন অটল বিহারী বাজপেয়ির মতোই। এদিন ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকারকেও এক হাত নেন রাজনাথ। তাঁর দাবি, গত পাঁচ বছরে কোনও কাজই করেনে কংগ্রেস সরকার। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই ছত্তিশগড় রাজ্যে বিধানসভা ভোট রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share