Tag: Loksabha Election

Loksabha Election

  • Lovely Maitra: তৃণমূল বিধায়িকার পুলিশ স্বামীকে সরিয়েছে কমিশন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’, বলল বিজেপি

    Lovely Maitra: তৃণমূল বিধায়িকার পুলিশ স্বামীকে সরিয়েছে কমিশন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী তৃণমূলের বিধায়ক। স্বামী কলকাতা পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার। স্বাভাবিক ভাবেই তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাই সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক অরুন্ধতি মৈত্র সিনেমা জগতে যার নাম লাভলী মৈত্র তার স্বামী ডিসিপি সাউথ ওয়েস্ট সৌম্য রায়কে(DCP Soumya Roy) ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। ভোটের কোনও কাজে থাকতে পারবেন না সৌম্য রায়, এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন(election commission), সৌম্যকে অ-নির্বাচনী কোনও পদে বদলি করতে হবে।

     কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন বিধায়ক লাভলী মৈত্র? (Lovely maitra)

    কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই মেজাজ হারিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের তারকা বিধায়ক লাভলী মৈত্র (Lovely maitra) ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতাদের মতে ঢিলটা যে ঠিক জায়গায় লেগেছে তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। স্বামীর অপসারণে গোঁসা হয়েছে লাভলীর। তাঁর স্বামীকে এভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত বলেই ব্যাখ্যা করছেন তিনি। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মুখের যা ভঙ্গি ছিল অভিনেত্রী বিধায়কের তাতে তার আচরণ স্পষ্ট ধরা পড়ে যায়। লাভলী বলেন ” নির্বাচন কমিশন, ইডি, সিবিআই সবটাই বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলে। আগে বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও সরিয়েছে।”প্রশ্ন উঠছে কোন বাড়তি সুবিধায় খামতি হয়ে যাবে সৌম্যর অপসারণে। তবে এটাই প্রথম নয় ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সৌম্য রায়কে। বিধানসভা ভোটের পর লোকসভা ভোটেও ফের সৌম্য রায়ের অপসারণ। স্ত্রী স্বামীর অপসারণে ক্ষুব্ধ হয়েছে তা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক ডিসিপির অপসারণে মুখ্যমন্ত্রীর কেন বিচলিত তা অবাক করেছে অনেককে। মমতা বলেন, “কেউ বিধায়ক হলে তাঁর স্বামীকে সরে যেতে হবে?’

    নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বলছে বিজেপি

    তবে শুধুমাত্র সৌম্য রায় অপসারিত হয়েছেন এমন নয়। পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসককেও অপসারিত করা হয়েছে। এর আগে ডিজিপি রাজীব কুমারকে অপসারিত করা হয়েছিল। এবিষয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ প্রত্যেকের উপর নির্বাচন কমিশনের নজর রয়েছে। যেখানে পক্ষপাত পাওয়া যাবে সেখানে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। যে অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুঝিয়ে দিচ্ছেন আসলে নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” প্রসঙ্গত,কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পদে সৌম্য রায়ের বদলি কে হবেন তা জানিয়ে রাজ্য সরকারকে কমিশনে তিন জন যোগ্য পুলিশ আধিকারিকের নাম পাঠাতে হবে। ৩ এপ্রিল রাজ্যের কাছ থেকে ওই তিনটি নাম চেয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (election commission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    Loksabha Vote: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের একবার বড়সড় ধাক্কা খেল ‘ইন্ডিয়া’ জোট (Loksabha Vote)। জানুয়ারির শেষের দিকে জোট ছেড়েছিলেন নীতীশ কুমার। এ বার অখিলেশের হাত ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে গেলেন রাষ্ট্রীয় লোকদলের (আরএলডি) প্রধান জয়ন্ত চৌধরি। শনিবারই উত্তরপ্রদেশে ৮০টির মধ্যে ৫১টি লোকসভা আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পরে বিজেপির পক্ষে প্রবল হাওয়া বইছে উত্তরপ্রদেশে। সে কথা বুঝেই আরএলডি-এর এই পদক্ষেপ এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন জয়ন্ত?

    শনিবারইএনডিএ শিবিরে যোগদানের কথা জানান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদিজীর নেতৃত্বে ভারত একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। দরিদ্র কল্যাণে অভূতপূর্ব বিকাশ (Loksabha Vote) ঘটেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাজির সঙ্গে দেখা করে এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এনডিএ উন্নত ভারতের সংকল্প। লোকসভা ভোটে ৪০০-র বেশি আসন পাবে।’’

    জেপি নাড্ডার ট্যুইট

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শনিবার লেখেন, “অমিত শাহজির উপস্থিতিতে (Loksabha Vote) আজ আরএলডির প্রধান জয়ন্ত চৌধরিজির সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছে। এনডিএ পরিবারে তাঁর যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমি আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই।”

    অমিত শাহের ট্যুইট

    এনডিএ শিবিরে জয়ন্তের যোগদানের পর অমিত শাহও তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জয়ন্তকে স্বাগত জানান। তিনি লেখেন, “আমি রাষ্ট্রীয় লোকদলের প্রধান জয়ন্ত চৌধরিজিকে এনডিএ পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। এনডিএতে জয়ন্তের যোগদান কৃষক, দরিদ্র ও বঞ্চিত শ্রেণির উন্নয়নের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “নিজেকে বাঁচাতে পরিবারকে চোর সাজাচ্ছেন”, অভিষেককে খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নিজেকে বাঁচাতে পরিবারকে চোর সাজাচ্ছেন”, অভিষেককে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও দিল্লি গিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ, আবার কখনও রাজভবনের সামনে ধর্না প্রদর্শন। কার্যত নিজেকে ইডির জেরার মুখ থেকে বাঁচতেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ধরনের কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছেন, নন্দীগ্রামে এমনটাই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ‘পুলিশি মদতে মঞ্চস্থ ধর্না জনস্বার্থে না পরিবারের স্বার্থে? এই প্রশ্ন তুললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় অক্টোবর মাসের ক্যালেন্ডার তুলে ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে কার্যত খোঁচা দিলেন বিরোধী দলনেতা।

    কী বললেন শুভেন্দু

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তাঁর স্ত্রী এবং বাবা-মাকেও তলব করার প্রেক্ষিতে অক্টোবর মাসের ক্যালেন্ডারের চারটি তারিখ ৬ অক্টোবর, ৭ অক্টোবর, ৯ অক্টোবর এবং ১১ অক্টোবর এই চারদিন ‘মা’ ‘বাবা’ ‘কয়লা’ ও ‘নারোলা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের দিল্লি চলো কর্মসূচি কিম্বা রাজভবনের সামনে অভিষেকের নেতৃত্বে ধর্না— এসবই শাসক দলের অবস্থানকে দুর্নীতি থেকে নজর ঘোরানোর জন্যই বলেও আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি।

    রাজভবনের সামনে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করেছে তৃণমূল। অভিষেকের নাম না করে তাঁকে ‘জমিদার’ বলেও কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। শাসক দল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের নিরাপত্তার বিষয়টিকেও উপেক্ষা করছে মত শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, একের পর এক ইডির জেরার মুখে অভিষেক ও তার পরিবার। শুভেন্দুর বক্তব্য অভিষেক নিজেকে বাঁচাতে বাবা মা-সহ পরিবারকে চোর সাজাচ্ছে। কার্যত দিল্লি থেকে রাজভবন, বিগত কয়েকদিনে যে যে কর্মসূচি গুলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়েছেন শুভেন্দুর চোখে অভিষেকের নেওয়া সেই সমস্ত পদক্ষেপগুলো কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়। তিনি নিজেকে ইডির জেরার মুখ থেকে বাঁচাতেই এই ধরনের একের পর এক কর্মসূচি নিয়ে চলেছেন। এগুলোর সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রচারের হাতিয়ার স্থানীয় বিষয়, তৃণমূলের দুর্নীতি, রাজ্য বিজেপি নেতাদের ‘মার্গদর্শন’ মোদির

    PM Modi: প্রচারের হাতিয়ার স্থানীয় বিষয়, তৃণমূলের দুর্নীতি, রাজ্য বিজেপি নেতাদের ‘মার্গদর্শন’ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) বঙ্গ নেতাদের ‘মার্গদর্শন’ করালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচারের হাতিয়ার কী হবে, কীভাবে মন জয় করতে হবে রাজ্যবাসীর, সে সবই বিজেপি সাংসদদের বুঝিয়ে দিলেন তিনি। বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধেও কীভাবে তোপ দাগতে হবে, সে পথও বাতলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাংসদদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তৃতীরবার ক্ষমতায় ফেরার ব্যাপারে নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তবে বিজেপি চাইছে, গত লোকসভা নির্বাচনের চেয়ে এবার আরও বেশি করে আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে। সেজন্য এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বৈঠক শুরু হয়েছে ৩১ জুলাই। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। একদিনে বৈঠক হবে দু দফায়। প্রতিটি বৈঠক এক ঘণ্টার। সোমবার অবশ্য বৈঠক হয়েছে এক দফায়। বঙ্গ বিজেপির পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে ছিলেন ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের সাংসদরাও।

    বার্তা দিলেন ভিডিও দেখিয়ে

    বৈঠকে চারটি ভিডিও দেখানো হয়। প্রথম ভিডিওতে দেখানো হয়, মোদি সরকার কী কী প্রকল্প নিয়ে এসেছে, তাতে কতটা সাফল্য এসেছে, এইসব। এর পর দেখানো হয় রাজ্যওয়াড়ি ছোট ছোট ভিডিও। বাংলার ভিডিওয় ছিল রাজ্যে আবাস যোজনা থেকে বিমানবন্দর নির্মাণ, বন্দে ভারত থেকে মেট্রো রেল ইত্যাদি কেন্দ্রীয় প্রকল্প। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির তোলা দুর্নীতির অভিযোগের কথা ছিল বাংলার ভিডিওয়। বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন, রামজন্মভূমি কিংবা ৩৭০ ধারা বাতিলের মতো ইস্যুগুলিকে প্রচারে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে স্থানীয় বিষয় এবং কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিতে কী কী কাজ করেছে, প্রচারে বলতে হবে সেসব কথাই। রাজ্য সরকার কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যর্থ, তাও তুলে ধরতে হবে প্রচারে।

    আরও পড়ুুন: কাশ্মীর-লাদাখ সীমান্তে তেজস মোতায়েন ভারতের, পাকিস্তানকে বার্তা দিতে শুরু মহড়াও

    প্রতিটি লোকসভা এলাকায় প্রবীণ ভোটারদের খুঁজে বের করে দলের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দিতে হবে। এলাকার বিশিষ্ট মানুষদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। শিক্ষক, লেখক কিংবা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছেন, এমন ব্যক্তিদের মতামত নিতে হবে। ভোটারদের নিয়ে টিফিন বৈঠক করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “লোকসভা নির্বাচন নিয়ে আজ (সোমবার) আমাদের মার্গদর্শন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রসের দুর্নীতি নিয়ে একটি ভিডিও দেখানো হয়েছে। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথ বাতলে দিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Loksabha Election 2024: আজই কলকাতায় মমতা-নীতীশ বৈঠক! বিরোধী জোটে কী পদক্ষেপ?

    Loksabha Election 2024: আজই কলকাতায় মমতা-নীতীশ বৈঠক! বিরোধী জোটে কী পদক্ষেপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024)। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের একজোট করার উদ্দেশে আজ, সোমবারই কলকাতায় আসছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরই লখনউ উড়ে যাবেন নীতীশ। 

    নীতীশ-মমতা সাক্ষাত

    সূত্রের খবর, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে আসবেন নীতীশ কুমার। তবে তিনি একা নন, সঙ্গে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা লালু-পুত্র তেজস্বী যাদবও কলকাতায় আসছেন। দুজনেই নবান্নে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। তারপর এদিনই লখনউ উড়ে যাবেন নীতীশ-তেজস্বী। সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করতেই তাঁরা লখনউ যাবেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিতে একত্রিত করার লক্ষ্যেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিশেষ আর্জি নিয়ে আসছেন নীতীশ, এমনই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    বিরোধীদের প্রয়াস

    সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নীতীশ কুমার। তেজস্বী যাদবকে সঙ্গে নিয়ে কয়েকদিন আগেই দিল্লি গিয়েছিলেন নীতীশ। কিছুদিন আগেই কলকাতার রেড রোডে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি বিরোধীদের একজোট হওয়ার আহ্বান জানান। সম্প্রতি কলকাতায় এসেছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। পাশাপাশি ওড়িশা সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গেও দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি তিনি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন। 

    আরও পড়ুন: প্রথমবার ভারতে আসছেন জো বাইডেন, কেন জানেন?

    বিরোধী জোট মরীচিকা

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, অসম্ভব না হলেও জোট গড়া সহজ নয় বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বিরোধী দলগুলি ঐক্যবদ্ধ হতে প্রধান বাধা নেতৃত্ব বা মোদি-বিরোধী মুখ। যে দলের ৩০-এর বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে, সেই দলই চাইছে তাঁদের নেতা বা নেত্রী বলে প্রধানমন্ত্রী মুখ বা মোদি-বিরোধী প্রধান মুখ। তাতেই নড়ে যাচ্ছে বিরোধী ভিত। বিরোধীদের ঐক্য এখন মরীচিকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share