Tag: Lord Ram

Lord Ram

  • Ayodhya Railway Station: মন্দির উদ্বোধনের আগে বদলে গেল অযোধ্যা রেল স্টেশনের নাম, কী হল জানেন?

    Ayodhya Railway Station: মন্দির উদ্বোধনের আগে বদলে গেল অযোধ্যা রেল স্টেশনের নাম, কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে গেল অযোধ্যা রেলস্টেশনের (Ayodhya Railway Station) নাম। নতুন বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। ওই দিনই হবে রামলালার বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা। মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। অযোধ্যায় নবনির্মিত বিমানবন্দরের উদ্বোধনও করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেটি হবে চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর। এদিনই উদ্বোধন হবে অযোধ্যা রেলস্টশনেরও। বদলে যাচ্ছে এই স্টেশনের নামই।

    অযোধ্য়া রেলস্টেশনের নাম বদল

    অযোধ্যা রেলস্টেশনটি আদতে একটি জংশন। যেহেতু মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন হওয়ার পরে এই পুণ্যভূমিতে ঢল নামবে ভক্তের, তাই ঝাঁ চকচকে করা হয়েছে অযোধ্যা রেলস্টেশনটিকে। স্টেশনটির পরতে পরতে রয়েছে অত্যাধুনিকতার ছাপ। এহেন রেলস্টেশনের নাম বদলে যাওয়ার কথা জানালেন স্থানীয় সাংসদ বিজেপির লাল্লু সিংহ। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “অযোধ্যা স্টেশনের (Ayodhya Railway Station) নতুন নাম হবে অযোধ্যা ধাম।” নবনির্মিত স্টেশনের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “অযোধ্যা জংশন হল অযোধ্যা ধাম জংশন। ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির নির্দেশে জনগণের ভাবাবেগ ও প্রত্যাশায় সাড়া দিয়ে নবনির্মিত গ্র্যান্ড অযোধ্যা রেলওয়ে স্টেশন অযোধ্যা জংশনের নাম পরিবর্তন করে অযোধ্যা ধাম জংশন করা হয়েছে।”

    বিজ্ঞপ্তি জারি রেলের

    সাংসদের এই দাবির আগেই অবশ্য রেলের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে অযোধ্যা স্টেশনের নাম বদলের কথা জানিয়েছে রেল। রেলের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এবার থেকে অযোধ্যা জংশনের নাম হল অযোধ্যা ধাম জংশন’। প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শেষে ৩০ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যা বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনের। রেলস্টেশনের নাম যেমন হয়েছে অযোধ্যা ধাম জংশন, তেমনি বিমানবন্দরের নামেও রয়েছে আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া। নবনির্মিত বিমানবন্দরটির নাম দেওয়া হয়েছে পুরুষোত্তম শ্রীরাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এদিন প্রথমে এই বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ১৫ কিলোমিটার পথে করবেন রোড-শো। এভাবেই তিনি পৌঁছবেন রেলস্টেশনে। উদ্বোধন করবেন নবকলেবর-প্রাপ্ত এই স্টেশনেরও। পরে একটি জনসভাও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান হবে ২২ জানুয়ারি। দেবদর্শন শুরু হবে তার পরের দিন (Ayodhya Railway Station) থেকে। অযোধ্যা প্রশাসনের অনুমান, এদিন থেকে প্রতিদিনই অযোধ্যায় আসবেন ৫০ থেকে ৫৫ হাজার মানুষ। এঁদের মধ্যে যেমন থাকবেন দেশ-বিদেশের পুণ্যার্থীরাও, তেমনি থাকবেন অনুসন্ধিৎসু মানুষও। তাই ঢেলে সাজানো হচ্ছে রামজনমভূমিকে।

    আরও পড়ুুন: “সারদার নথি লোপাটের প্রতিদান পেলেন রাজীব”, নয়া ডিজিকে কটাক্ষ-বাণ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: আত্মনির্ভর রাম মন্দির, মিলবে সব রকমের নাগরিক পরিষেবা

    Ram Mandir: আত্মনির্ভর রাম মন্দির, মিলবে সব রকমের নাগরিক পরিষেবা

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা

    সকাল ১১টা থেকে ‘রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সাংবাদিক বৈঠক। সারা দেশ থেকে হাজির সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি। আমরা পৌঁছাতেই দেখলাম বিরাট জেড ক্যাটাগরির কনভয় নিয়ে ঢুকছেন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁর সঙ্গেই এলেন তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পক রাই। আধঘণ্টার সাংবাদিক সম্মেলনের পরেই আমাদের নিয়ে যাওয়া হল রাম মন্দির প্রাঙ্গণে। সেখানেও ঢোকার মুখে বোঝা গেল কেন রাম মন্দির (Ram Mandir) এত বিশেষ! ভারতের আর কোনও মন্দিরে বোধহয় এত নিরাপত্তার বলয় থাকে না। মন্দির চত্বরে দেখা গেল কয়েক হাজার নির্মাণ কর্মী এক নাগাড়ে কাজ করে চলেছেন। সময় যে বড় কম! প্রভু রামচন্দ্র ঘরে ফিরবেন তাও আবার ৫০০ বছর পরে। একি কম আনন্দের! জানা গেল সেখানে অনেক আইআইটি পাশ ইঞ্জিনিয়ারও কাজ করছেন। সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রম।

    ট্রাস্টের সাংবাদিক বৈঠকে কোন কোন দিক উঠে এল?

    ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পক রাই জানিয়েছেন, সব দিক থেকেই আত্মনির্ভর হতে চলেছে এই মন্দির (Ram Mandir)। নিকাশী থেকে জল, বিদ্যুৎ থেকে চিকিৎসাকেন্দ্র সবই থাকছে ভিতরে। অর্থাৎ রাম মন্দির যেন আলাদা একটা ব্যবস্থা। সরকারের কোনও সাহায্যই লাগবে না। উত্তর ও দক্ষিণ ভারতীয় রীতির মেলবন্ধনে তৈরি হচ্ছে মন্দির। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ ভারতীয় মন্দির রীতি ‘গোপুরম’ নামে পরিচিত এবং উত্তর ভারতীয় মন্দির রীতিকে নাগারা বলে। এই দুই রীতির ছোঁয়া দেখা যাবে রাম মন্দিরে। অন্যদিকে ভগবান শঙ্করাচার্যের ভাবনা অনুযায়ী ‘পঞ্চায়তন’ ধারণার ছোঁয়াও দেখা যাবে মন্দির চত্বরে। ‘পঞ্চায়তন’ হল পাঁচ দেবদেবীর মন্দির। সূর্য, শঙ্কর, ভগবতী, গণপতি এবং বিষ্ণু। মূল রাম মন্দিরের চার দিকে এই মন্দিরগুলি থাকবে। ভগবান রামকেই বিষ্ণুর অবতার মানা হয় তাই আলাদাভাবে কোনও বিষ্ণু মন্দির থাকছে না।

    আত্মনির্ভর রামমন্দির

    অযোধ্যার সাংবাদিক সম্মেলনে চম্পক রাই জানান, মন্দির (Ram Mandir) চত্বরেই থাকবে পাওয়ার স্টেশন। যেখান থেকে বিদ্যুৎ বন্টন করা মন্দিরের বিভিন্ন বিভাগে। আবার জল সরবরাহের জন্য তৈরি হচ্ছে মন্দিরের নিজস্ব ওয়াটার প্ল্যান্টও। রামমন্দিরের ঠিক পিছনে থাকবে দিব্যাঙ্গদের জন্য লিফটও। রামমন্দির ট্রাস্টের মতে, ‘‘লাখ লাখ দর্শনার্থী আসবেন মন্দির দর্শনে। তাঁরা পরিক্রমা করবেন মন্দির। তাই তাঁদের জন্য সমস্ত রকমের পরিষেবার ব্যবস্থা করা হবে।’’ মন্দির চত্বরেই মিলবে চিকিৎসা ব্যবস্থাও। গড়ে উঠছে স্বাস্থ্য কেন্দ্র। আবার ভক্তরা যাতে বিশ্রাম নিতে পারেন সেজন্য তৈরি হচ্ছে বিশ্রামাগারও। জানা গিয়েছে রেলের মতোই হবে এই বিশ্রামাগার। যেখানে ভক্তরা নিজেদের মোবাইল, জুতো, ব্যাগ ইত্যাদি সামগ্রী রাখতে পারবেন। এরজন্য আলাদা কোনও চার্জও দিতে হবে না।

    বশিষ্ট থেকে অহল্যা, বিশ্বামিত্র থেকে নিষাদ রাজের মন্দিরও তৈরি হচ্ছে

    রামজন্মভূমি প্রাঙ্গণে মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হবে আরও বেশ কতগুলি। ভগবান রাম চন্দ্রের জীবনে বিশেষ অবদান রয়েছে যাঁদের তাঁদেরও মন্দির তৈরি হবে। বাল্মিকী, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র, অগস্ত্য, মাতা শবরী, নিষাদরাজ গোহু, অহল্যা এই সাত মন্দির থাকবে রামন্দিরের প্রাঙ্গণে। অর্থাৎ ভক্তরা মন্দির চত্বরে এলেই আরেকবার রামায়ণ মহাকাব্যকেই চাক্ষুষ করতে পারবেন। রামের জীবনে অবদান ছিল জটায়ুরও। তাঁর মূর্তি ইতিমধ্য়ে কুবের টিলাতে স্থাপন করা হয়েছে। 

    ৭০ একর জায়গার মধ্যে ২০ একরে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পক রাই জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ৭০ একর জমি পেয়েছি আমরা। কিন্তু এর মধ্যে ২০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থান করবে মন্দির প্রাঙ্গণ। বাকি জায়গায় ১০০-এরও বেশি বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। এদিন চম্পত রাই আরও বলেন, ‘‘৭০ একর জায়গার একেবারে উত্তর দিকেই তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। সমগ্র ভূমির যে প্লট নিয়ে বিবাদ এবং বিতর্ক ছিল সেই স্থানেই তৈরি হচ্ছে মন্দির।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বললেন চম্পত

    Ram Temple: স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বললেন চম্পত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ছিল। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে জয় ও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের এক লাখ সেনাকে বন্দি করার ঘটনার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ রাম মন্দির উদ্বোধন।” কথাগুলি বললেন রাম (Ram Temple) জন্মভূমি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।

    চম্পতের দাবি

    তিনি বলেন, “রাম মন্দির গোটা দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়ায় এখানকার মানুষ সন্তুষ্ট। এখানকার আশপাশের মানুষজন, সাধু, শিক্ষক থেকে শুরু করে অনেকেই এই রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন।” চম্পত বলেন, “১৯৮৩ সালের পর থেকে অবশ্য গোটা দেশের মানুষই জড়িয়ে পড়েছিলেন এর সঙ্গে। তার আগে বিষয়টি শুধুমাত্র অযোধ্যায়ই সীমাবদ্ধ ছিল। আর এখন গোটা দেশের শ্রদ্ধার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি (Ram Temple)।”

    অগাস্টের গুরুত্ব

    উল্লেখ্য, এই অগাস্ট যেমন স্বাধীনতার মাস, তেমনই ২০২০ সালের অগাস্ট মাসেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ সালের অগাস্টেরই পাঁচ তারিখে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করে মোদি সরকার। তিন তালাক রদে আইনও চালু হয়েছিল অগাস্টেই। 

    আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেবদর্শন শুরু হবে তারও একদিন পর থেকে। এই রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট্রের সম্পাদক চম্পত। বহু বছর ধরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে ১৫ অগাস্টের চেয়ে কোনও অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয় ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুুন: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে এ মাসেই অযোধ্যা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় নয়া বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন করবেন অযোধ্যা রেলস্টেশনেরও। বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশনের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এই পথেই এদিন রোড-শো করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধন উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বহু অতিথি আসবেন অযোধ্যায়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। তবে এদিন বিজেপির সহ প্রতিষ্ঠাতা লালকৃষ্ণ আদবানি ও প্রবীণ বিজেপি নেতা মুরলি মনোহর যোশীকে না আসার অনুরোধ জানিয়েছে রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Deepavali: দীপাবলিতে ২১ লাখ প্রদীপে সেজে উঠবে অযোধ্যা, কী বলছেন যোগী আদিত্যনাথ?

    Deepavali: দীপাবলিতে ২১ লাখ প্রদীপে সেজে উঠবে অযোধ্যা, কী বলছেন যোগী আদিত্যনাথ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লঙ্কা বিজয়ের পর অযোধ্যায় ফিরেছিলেন রাজা রামচন্দ্র। সেই উপলক্ষ্যেই দীপাবলিতে (Deepavali) মেতে ওঠে গোটা দেশ। আর এই উৎসব এবারও বিশেষ ভাবে পালিত হবে রামজন্মভূমি অযোধ্যাতে। ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যোগী সরকার প্রতিবছরই রেকর্ড সংখ্যক প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তোলে অযোধ্যা নগরীকে। চলতি বছর একটু বিশেষ তার কারণ ঠিক দুমাস পরেই রামমন্দিরে প্রবেশ করবেন ভগবান রামচন্দ্র। ইতিমধ্যে রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনক্ষণও স্থির হয়ে গিয়েছে। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামের বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে ২১ লাখ প্রদীপে আলোকিত করা হবে অযোধ্যাকে।

    আরও পড়ুন: পাঁচটি মণ্ডপ পেরিয়ে ভক্তরা যাবেন গর্ভগৃহে, রামমন্দির নির্মাণে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত খরচ ১,৮০০ কোটি

    বৈঠক যোগী আদিত্যনাথের

    চলতি বছরের দীপাবলিকে (Deepavali) কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও সেরে ফেলেছেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু দীপাবলি (Deepabali) নয় এর পাশাপাশি হনুমান জয়ন্তী, ছট পূজা, দেব-দীপাবলি সহ একাধিক উৎসব রয়েছে, আর এগুলোকে সুষ্ঠ এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে যোগী আদিত্যনাথ নেতৃত্বে বৈঠকে।

    কী বলছেন যোগী আদিত্যনাথ?

    এ নিয়ে যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দীপাবলি আমাদের চিরন্তন একটি ঐতিহ্য। ১৪ বছর বনে থাকার পর ভগবান শ্রী রাম, মা সীতা এবং লক্ষণ অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন করেন। একটি পবিত্র স্মৃতি হিসেবে তাই দীপ-উৎসব পালন করা হয়। এই বিষয়কে মাথায় রেখে সরযূ নদীর ধারে বিশেষ ভাবেই সম্পন্ন করা হবে এবারের দীপাবলি (Deepavali)।’’ শুধু তাই নয়, ভক্তরা যাতে এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে পারেন সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে অযোধ্যায়। একইসঙ্গে যাঁরা সেদিন অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না তাঁদের জন্য সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এই অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ৫ নভেম্বর রাম জন্মভূমিতে ‘অক্ষত পুজো’, অর্ডার দেওয়া হল ১০০ কুইন্টাল চালের

    Ram Mandir: ৫ নভেম্বর রাম জন্মভূমিতে ‘অক্ষত পুজো’, অর্ডার দেওয়া হল ১০০ কুইন্টাল চালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি ২০২৪ সালে অযোধ্যায় রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে (Ram Mandir)। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের। তার আগে আগামী ৫ নভেম্বর রাম জন্মভূমিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘অক্ষত পুজো’। এই অক্ষত পুজোকে ঘিরে এখন সাজোসাজো রব অযোধ্যা জুড়ে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ১০০ কুইন্টাল চালের অর্ডারও দিয়ে ফেলেছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। অক্ষত পূজার দিন গোটা দেশে এই একশ কুইন্টাল চালের ভোগ প্রসাদ বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাস্টের সচিব চম্পত রাই।

    কী বলছেন ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সচিব? 

    অক্ষত পুজো নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সচিব চম্পত রাই বলেন, ‘‘ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ১০০ কুইন্টাল চালের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। অক্ষত পুজোতে এই চাল ব্যবহার করা হবে। তারপর গোটা দেশে সেই চাল রামভক্তদের মধ্যে বিলি করা হবে। এর সঙ্গেই এক কুইন্টাল হলুদ বাটা এবং দেশি ঘিও আনা হবে রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir)।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘৫ নভেম্বরের অক্ষত পুজোতে ভগবান রামলালার সামনে ওই চাল ভরা কলসিগুলি সমর্পণ করা হবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মাধ্যমে ফের রামলালার সেই ভোগ প্রসাদ সকলের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এই পুজিত অক্ষত ভোগের সঙ্গেই দু’কোটি চিঠি প্রেরকের মাধ্যমে পাঠানো হবে রামভক্তদের। যে চিঠিগুলি ছাপানো হয়েছে।’’

    সারাদেশের ৫ লাখ গ্রামে পৌঁছাবে অক্ষত ভোগ

    ১০০ কুইন্টাল চালের সঙ্গে এক কুইন্টাল ঘি এবং এক কুইন্টাল হলুদ বাটা মেশানো হবে। তারপর তা পেতলের কলসিতে ভরে রাখা হবে। সেই মাখা চাল পরে বিতরণ করা হবে। অক্ষত পুজো উপলক্ষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতাকর্মীরাও ৫ নভেম্বর অযোধ্যায় হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রত্যেক বিশ্বহিন্দু পরিষদের প্রতিনিধির হাতে তুলে দেওয়া হবে ৫ কেজি করে অক্ষত ভোগ। প্রতিনিধিরা এরপর ওই ভোগ নিজের নিজের এলাকায় গিয়ে মন্দিরে নিবেদন করবেন (Ram Mandir)। তারপর সেই ভোগ প্রত্যেক ব্লক, জেলা কিংবা গ্রামের প্রতিনিধিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভারতের ৫ লাখ গ্রামে অক্ষত চাল বিতরণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’এর পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে আগামী ২২ শে জানুয়ারি যখন রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, সেদিন যেন প্রত্যেক রামভক্ত বাড়িতে অন্ততপক্ষে পাঁচটি করে প্রদীপ জ্বালান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share