Tag: Lord Shiva

Lord Shiva

  • Kashi Vishwanath Dham: দু’ বছরে রেকর্ড ভিড় কাশীতে, বিশ্বনাথ ধাম দর্শন করেছেন ১২কোটি ৯৩ লাখ ভক্ত

    Kashi Vishwanath Dham: দু’ বছরে রেকর্ড ভিড় কাশীতে, বিশ্বনাথ ধাম দর্শন করেছেন ১২কোটি ৯৩ লাখ ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দু’বছরে রেকর্ড পরিমাণে ভক্তরা দর্শন করেছেন কাশীর বিশ্বনাথ ধাম। ১২ কোটি ৯২ লাখ ভক্ত কাশী বিশ্বনাথ ধামে (Kashi Vishwanath Dham) উপস্থিত হয়েছেন গত দু’ বছরে, এমনটাই বলছে তথ্য। ২০২১ সালেই এই মন্দির সংস্কার করে মোদি সরকার। কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকেই এই রেকর্ড পরিমাণে ভক্তদের ভিড় সেখানে লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    শ্রাবণ মাসে সব থেকে বেশি ভিড়

    শ্রাবণ মাস সাধারণভাবে শিবের মাস নামেই পরিচিত, এই সময়ে গত দু’ বছরে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হয়েছে বিশ্বনাথ ধামে (Kashi Vishwanath Dham)। জানা গিয়েছে, কেবলমাত্র শ্রাবণ মাসেই বিশ্বনাথ ধাম দর্শন করেছেন ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ, আসলে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানা সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য সেখানে বসানো হয়েছে জার্মান হ্যাঙার। এর মাধ্যমে ভক্তদের লাইনে দাঁড়ানো আরও অনেক বেশি সহজ হয়ে গিয়েছে। বর্ষার সময় বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া, প্রখর সূর্যের তেজ থেকে রক্ষা পাওয়া, এ সমস্ত কিছু এড়িয়ে এখন লাইনে দাঁড়াতে পারছেন ভক্তরা। এছাড়াও লাইনের শেডে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাদুর, খাওয়ার জল এবং দিব্যাঙ্গদের জন্য হুইল চেয়ার। লাইনে দাঁড়ানো কোনও ব্যক্তি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁদের জন্য চিকিৎসার সরঞ্জামও রাখা হয়েছে সেখানে।

    কী বলছেন মন্দিরের আধিকারিক?

    আগে এই মন্দির ছিল ৩,০০০ বর্গফুটের কিন্তু ২০২১ সালে এটাকে বাড়িয়ে ৫ লাখ বর্গফুটে করা হয়। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ হাজার ভক্তরা মন্দির চত্বরে দাঁড়াতে পারেন। চলতি বছরে বিশ্বনাথ ধামে হাজির হয়েছেন পাঁচ কোটি ৩০ হাজার মহাদেব ভক্ত। কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Vishwanath Dham) মন্দিরের প্রধান আধিকারিক সুনীল কুমার বর্মার মতে, ‘‘২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উদ্বোধন হয়। সেই থেকে চলতি বছরের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মন্দির দর্শন করেছেন ১২ কোটি ৯২ লাখ ২৪ হাজার পুণ্যার্থী। ডিসেম্বরের শেষে এই সংখ্যা ১৩ কোটি ছাপিয়ে যাবে বলে আমাদের অনুমান।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maha Shivratri 2024: সামনেই শিবরাত্রি, জেনে নিন বাড়িতে শিব প্রতিষ্ঠার এই নিয়মগুলি

    Maha Shivratri 2024: সামনেই শিবরাত্রি, জেনে নিন বাড়িতে শিব প্রতিষ্ঠার এই নিয়মগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ মার্চ শিবরাত্রি (Maha Shivratri 2024)। দেবাদিদেব মহাদেবের বিশেষ পুজো। হিন্দু শাস্ত্র মতে, গঙ্গার সমতুল যেমন কোনও নদী নেই, তেমনি শিবরাত্রির মতো ব্রত নেই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ব্রতীরা এদিন শিবলিঙ্গে জল ঢালেন। শিবরাত্রির পুজো হয় চার প্রহরে, চারবার। শিবের আর এক নাম আশুতোষ। অল্পেই সন্তুষ্ট হন। সামান্য একটা বেলপাতা মাথায় দিলেই হয়। শিব যোগী পুরুষ। শাস্ত্র অনুযায়ী, যেহেতু শালগ্রাম শিলা স্পর্শের অধিকার সব বর্ণের মানুষের নেই, তাই স্বয়ং নারায়ণই বানলিঙ্গ শিবের রূপ নিয়েছিলেন। সেই কারণেই বাণলিঙ্গ শিবের স্পর্শ দোষ নেই, নেই শুচি-অশুচিও।

    শিব প্রতিষ্ঠার নিয়ম

    শিবরাত্রিতে অনেকেই বাড়িতে শিব প্রতিষ্ঠা করেন। তবে এই প্রতিষ্ঠা নিজে নিজে করলেই হয় না। শিব প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন বিশেষ আয়োজন। বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন পুরোহিত। তবে বাড়িতে শিব প্রতিষ্ঠা করতে হলে মানতে হবে কিছু বিশেষ নিয়ম। কারণ মনে রাখতে হবে, শিবের আপাত শান্ত মূর্তির মধ্যে রয়েছে তাঁর প্রলয়ঙ্করী রূপও (Maha Shivratri 2024)। তিনি যেমন ত্রাতা, তেমনি তিনি প্রলয়কর্তাও।

    শিবের ছবি পুজো

    তাই শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা না করে শিবের ছবি পুজো করাই ভালো। আর যদি নিতান্তই শিব প্রতিষ্ঠার ইচ্ছে হয়, তাহলে শাস্ত্র সম্মতভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শিব যেহেতু যোগী পুরুষ, সব সময় যোগে নিমগ্ন থাকেন, তাই তাঁর ধ্যান ভাঙানো উচিত নয়। তাঁর যাতে ধ্যানভঙ্গ না হয়, সেজন্য শিবমন্দিরে জানালা পর্যন্ত থাকে না। বাড়িতে শিব প্রতিষ্ঠা করলে এই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। শিব মন্দিরে নিয়মিত পুজো করতে হবে। দিতে হবে সন্ধেও।

    আরও পড়ুুন: মোদির সভায় যোগদান? বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রার্থী হচ্ছেন তমলুকে?

    যাঁরা এসব নিয়মকানুন মানতে পারবেন না, অথচ দেবাদিদেবের পুজো করতে চান, তাঁরা বাণলিঙ্গ রাখতে পারেন। বাণলিঙ্গকে নর্মদেশ্বর লিঙ্গও বলা হয়। নর্মদা নদীতেই মেলে বাণলিঙ্গ শিব। এই বাণলিঙ্গ শিবের যেহেতু শুচি-অশুচি নেই, তাই পুজো করা সহজ। তবে কোন রংয়ের বাণলিঙ্গ ঘরে রাখবেন, তা জেনে নেবেন শাস্ত্রকারদের কাছ থেকে। তবে সাদা রংয়ের শিব কখনওই পুজো করবেন না। এটি পুজো করেন সন্ন্যাসীরা। গৃহীর এই রংয়ের শিবের পুজো করা উচিত নয়। শিবলিঙ্গকে সব সময় তামার কোনও পাত্রের ওপর রাখবেন। শিবের গৌরীপট্টটি সর্বদা রাখতে হবে উত্তর দিকে (Maha Shivratri 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tarkeswar: শ্রাবণের প্রথম সোমবার! শিবভক্তদের ভিড়ে ঠাসা তারকেশ্বর, ৬ জোড়া ট্রেন পূর্ব রেলের

    Tarkeswar: শ্রাবণের প্রথম সোমবার! শিবভক্তদের ভিড়ে ঠাসা তারকেশ্বর, ৬ জোড়া ট্রেন পূর্ব রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণের প্রথম সোমবার। দেশজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত আজ মেতেছেন দেবাদিদেব মহাদেবের আরধনায়। পুরাণ বলে, শ্রাবণের সোমবার হল শিবের জন্মবার। তাই এইসময় মহাদেব ভক্তদের প্রতি বিশেষ প্রসন্ন হন। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে জনপ্রিয় শৈব তীর্থ তারকেশ্বর (Tarkeswar)। ফি বছর লাখ লাখ ভক্ত পায়ে হেঁটে জল নিয়ে যান মহাদেবের উদ্দেশে। চলতি বছরের শ্রাবণের পয়লা সোমবারে লক্ষাধিক পূর্ণাথীর ভিড় দেখা গেল তারকেশ্বর মন্দিরে। 

    চলতি বছরে শ্রাবণ মাসে ৮টি সোমবার পাবেন ভক্তরা

    প্রথা অনুযায়ী, মূলত প্রতি বছর গুরু পূর্ণিমার দিন থেকে শুরু হয় এখানে শ্রাবণী মেলা। রাখী পূর্ণিমার দিন পর্যন্ত চলে মেলা। বাংলা পঞ্জিকা মতে, চলতি বছরের শ্রাবণ মল মাস। এবছর তাই মোট ৮টি সোমবার পাবেন ভক্তরা মহাদেবের মাথায় জল ঢালতে। ১৭ আষাঢ় অর্থাৎ গুরু পূর্ণিমার দিন থেকে শুরু হয়েছে শ্রাবণী মেলা, দুই মাস চলবে এই মেলা। শেষ হবে আগামী ১২ ভাদ্র রাখী পূর্ণিমার দিন।

    তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ৬ জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালাচ্ছে পূর্ব রেলওয়ে 

    লাখ লাখ ভক্ত পাড়ি দেবেন তারকেশ্বরের (Tarkeswar) উদ্দেশে। তাই তাদের যাতায়তে যেন কোনও অসুবিধা না হয়, তার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে ভারতীয় রেল। মোট ৬ জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হচ্ছে তারকেশ্বরের রুটে। প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, মেলা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে পূর্ণার্থীদের সুরক্ষার স্বার্থে। তারকেশ্বরের (Tarkeswar) মূল মন্দিরে প্রবেশের আগে মোট আটটি ড্রপ গেট করেছে প্রশাসন। রয়েছে সাতটি পুলিশি সহায়তা ক্যাম্প, চারটি স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্যাম্প। পাশাপাশি মন্দির সংলগ্ন দুধপুকুর হল ভক্তদের অন্যতম আস্থার কেন্দ্র। এখানে স্পিড বোট সহ সর্বক্ষণ হাজির থাকছে বিপর্যয় মোকাবিলার একটি দল। ২৪ ঘণ্টার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফায়ার ব্রিগেডের একটি টিম। মোতায়েন করা হয়েছ বোম্ব ডিসপোশাল টিমও। তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে রাস্তায় পর্যাপ্ত পানীয় জল ও আলোর ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shravan 2023: ৩০ নয়, এবছর শ্রাবণ মাস ৫৯ দিনের! ১৯ বছর পর ফিরে এলো বিরল যোগ

    Shravan 2023: ৩০ নয়, এবছর শ্রাবণ মাস ৫৯ দিনের! ১৯ বছর পর ফিরে এলো বিরল যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাস (Shravan 2023) শিবভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। দেশ জুড়ে দেবাদিদেবের বিশেষ আরাধনা সম্পন্ন হয় এই মাসে। মাইলের পর মাইল হেঁটে কাঁধে জল নিয়ে শিবভক্তরা দেবাদিদেবের মন্দিরের উদ্দেশে যান। এ বড়ো চেনা দৃশ্য। আমাদের বাংলায় তারকেশ্বরে এসময় তিল ধারণের জায়গা থাকে না। শ্রাবণ মাসের বৃষ্টিকে ভগবান শিবের আশীর্বাদ বলে মানেন ভক্তরা।

    হিন্দু শাস্ত্রে চাতুর্মাসের তাৎপর্য

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ের বৃষ্টি হল জীবনের পুনর্নবীকরণের প্রতীক। আবার পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে, চাতুর্মাসের সময় ভগবান বিষ্ণু ক্ষীরসাগরে শয়ন করেন। চলতি বছরের হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শ্রাবণ মাস (Shravan Mass) বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এবছরে শ্রাবণ মাস শুরু হবে ৪ জুলাই থেকে এবং শেষ হবে ৩১ অগাস্ট। অর্থাৎ শ্রাবণ মাস ৩০ দিনের পরিবর্তে ৫৯ দিনের হবে। এই কারণে এ বছর ৪টির পরিবর্তে ৮টি শ্রাবণ সোমবার পড়তে চলেছে। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমনটা শেষবার হয়েছিল ২০০৪ সালে (Adhimas 2023)। অর্থাৎ ১৯ বছর আগে। 

    কেন এই বছরের শ্রাবণ (Shravan 2023) বিশেষ?

    হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, প্রায় ১৯ বছর পর বিক্রম সংবত ২০৮০ অর্থাৎ ২০২৩ সালে শ্রাবণ হবে অধীমাস। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, এই বছরটি ১২ নয়, ১৩ মাসের হতে চলেছে। আগামী ৪ জুলাই থেকে শ্রাবণ মাস শুরু হবে। ৩১ অগাস্ট শ্রাবণের দুই মাস পূর্ণ হবে। অধিমাস শুরু হবে ১৮ জুলাই থেকে যা চলবে ১৬ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। হিন্দু ধর্ম অনুসারে, অধিমাসে কোনও শুভকাজ করা যায়না। এই অশুভ সময়ে বাড়ি নির্মাণ, গৃহ প্রবেশ, অন্নপ্রাশন, দেবতা স্থাপন, কূপ খনন ইত্যাদি সব কিছুই বন্ধ রাখা উচিত। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শ্রাবণ অধিমাসের (Adhimas 2023) কাকতালীয় ঘটনা ঘটেছিল বিক্রম সংবত ১৯৪৭, ১৯৬৬, ১৯৮৫, ২০০৪ সালে। এবার এই গুরুত্বপূর্ণ মাস শুরু হবে এই বছরেও। শুধু ২০২৩ সালেই নয়, পরবর্তী ২০৪২ ও ২০৬১ সালেও পালিত হবে শ্রাবণ অধিমাস। অর্থাৎ প্রতি ১৯ বছর পরে হবে অধিমাস (Adhimas 2023)। এ বছর তাই চাতুর্মাস হবে পাঁচ মাস। 

    ভক্তরা ৮টি সোমবার পাবেন শিবের মাথায় জল ঢালতে

    শ্রাবণ মাসে (Shravan 2023) বিশেষভাবে ভক্তরা মন্দিরে ভগবান মহাদেবের মূর্তি বা শিবলিঙ্গে দুধ, জল এবং বেল পাতা দিয়ে পুজো করে। শিব মন্দিরে ভগবানকে দুধ, দই, মধু, ঘি এবং পবিত্র জল দিয়ে স্নান করিয়ে রুদ্রাভিষেক করা হয়। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবছরে শিবলিঙ্গকে উত্তর দিকে মুখ করে রেখে উপাসনা করতে, এতে ফল মিলবে। এর সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থনা এবং মন্ত্র উচ্চারণ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: গোত্রের উদ্ভব হল কী করে? কী এর গুরুত্ব?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Charak Puja: আজ চৈত্র সংক্রান্তি, জানুন চড়ক উৎসবের আসল কাহিনি

    Charak Puja: আজ চৈত্র সংক্রান্তি, জানুন চড়ক উৎসবের আসল কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার চৈত্র সংক্রান্তি। এদিনই বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে হয় চড়ক উৎসব (Charak Puja)। কোথাও কোথাও এই উৎসব উপলক্ষে মেলাও বসে। নীলষষ্ঠীর পরের দিনই হয় চড়ক উৎসব। তাই অনেকেই একে শিবের (Lord Shiva) গাজনের অঙ্গ হিসেবেই বিবেচনা করেন।

    চড়ক উৎসব (Charak Puja)…

    ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ অনুযায়ী, দ্বারকাধীশ কৃষ্ণের সঙ্গে দেবাদিদেব মহাদেবের একনিষ্ঠ ভক্ত বাণরাজার যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ শুরুর আগে মহাদেবের স্তব-স্তুতি করেন রাজা বাণ। যুদ্ধে যাতে তিনি জয়ী হন এবং অমরত্ব লাভ করেন, তাই নিজের শরীরের রক্ত দিয়ে তুষ্ট করেন ভগবান শঙ্করকে। তাঁর এই কৃচ্ছসাধনায় সন্তুষ্ট হন ভোলানাথ। রাজা বাণকে অমরত্বের আশীর্বাদ দেন তিনি। সেই শুরু চড়ক উৎসবের। তবে পুরাণ কথিত এই উৎসবের প্রচলন হয় ১৪৮৫ সালে, সূচনা করেন রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর। তার পর থেকে মূলত শৈবরাই পালন করতেন চড়ক উৎসব। বর্তমানে এই উৎসব হয়েছে সর্বজনীন।

    একটি লম্বা কাষ্ঠখণ্ডকে (Charak Puja) বছরভর ডুবিয়ে রাখা হয় জলে। এই কাষ্ঠখণ্ডকে বলে চড়ক কাঠ। চড়ক পুজোর আগের দিন জলেই পুজো করা হয় সেই কাঠকে। তার পরে জল থেকে তুলে নিয়ে এসে পোঁতা হয় কোনও মাঠে। এই চড়ক কাঠের মাথায় থাকে লম্বা একটি বাঁশ। এই বাঁশের একদিকে ঝোলেন কোনও এক সন্ন্যাসী। অন্যদিকে ঝুলতে থাকে মস্ত বড় দড়ি। এই দড়ি ধরে ঘুরতে থাকেন ভক্তরা। বাঁশে ঝুলন্ত সন্ন্যাসী শূন্যে ভাসতে ভাসতে ছড়াতে থাকেন বাতাসা। সেই বাতাসাকেই প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন ভক্তরা।

    আরও পড়ুুন: ‘আরএসএস সদস্যরা অপরাধী নন’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের, দিল মিছিলের অনুমতিও

    কোথাও কোথাও আবার জ্বলন্ত কয়লার ওপর দিয়ে হেঁটে যান সন্ন্যাসীরা। লৌহশলাকা পিঠে ফুটিয়ে নৃত্য করতে থাকেন কোনও কোনও সন্ন্যাসী। কোথাও কোথাও আবার সন্ন্যাসীরা কাঁটা গাছের ওপর দিয়ে হেঁটে যান। যেহেতু এই পুজোর মূল কথাই হল কৃচ্ছসাধন, তাই নানা প্রকারে এদিন দেবাদিদেবকে তুষ্ট করার চেষ্টা করেন সন্ন্যাসীরা। এ রাজ্যের বহু জায়গায় এখনও ঘটা করে পালিত হয় চড়ক উৎসব (Charak Puja)। দুই মেদিনীপুর, নদিয়া, তারকেশ্বর, বাঁকুড়া এবং হুগলি জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে পালিত হয় চড়ক উৎসব। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়ও হয় এই উৎসব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়। রামনবমীর শোভাযাত্রায় গিয়ে বহু ভক্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত (TMC Attack) হলেন বেশ কয়েকজন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে। ঘটনাস্থল কাঁথি-১ নম্বর ব্লকের দুলালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হামির মহল গ্রাম। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবিষ্যতে যে ফের হামলা হবে না, এমন আশ্বস্ত হতে পারছেন না অনেকেই।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার রাতে এই গ্রামের শিবভক্তরা চন্দনেশ্বর থেকে জল নিয়ে যখন পাকা রাস্তা ছেড়ে গ্রামে প্রবেশ করেন, তখন বাবার মাথায় ঢালতে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। সেই সময় ভক্তদের উপর চড়াও হয় (TMC Attack) তৃণমূলের বেশ কিছু দুষ্কৃতী, অভিযোগ এমনটাই। গণ্ডগোলের খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপর ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালেন। আহতরা বেশিরভাগ মাজনা ও কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, রাজনৈতিক হানাহানি তো আছেই। কিন্তু এর মধ্যে ধর্মাচরণে এভাবে কেন আঘাত হানা হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।

    পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার আবেদন বিজেপির

    শিবভক্তদের এভাবে আক্রান্ত (TMC Attack) হওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অসীম মিশ্র পুলিশকে দ্রুত সক্রিয় হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

    প্রতিক্রিয়া দিলেন না তৃণমূল নেতা

    একটা গণ্ডগোল হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। বললেন কাঁথি এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রদীপ গায়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amarnath Yatra: শেষ লগ্নে অমরনাথ যাত্রা, চন্দনওয়াড়ির পথে পবিত্র ছড়ি

    Amarnath Yatra: শেষ লগ্নে অমরনাথ যাত্রা, চন্দনওয়াড়ির পথে পবিত্র ছড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ লগ্নে অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra 2022)। গত চারদিন কোনও তীর্থযাত্রী অমরনাথ দর্শনে যাননি। এই নিয়ে পর পর চারদিন তীর্থযাত্রী শূন্য অমরনাথ। ৪৩ দিনের অমরনাথ যাত্রা এবার দুদিন আগে ৪১ দিনের মাথাতেই শেষ হয়েছে। ফলে, শুরু হয়েছে প্রথামাফিক ছড়ি যাত্রা। এবার মহন্ত দীপেন্দ্র গিরি মহারাজ তাঁর আরও কয়েকজন সাধু-সন্তদের নিয়ে ছড়ি যাত্রা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই বেস ক্যাম্প থেকে রওনা দিয়েছেন তাঁরা। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে বুধবার পহেলগাঁও থেকে চন্দনওয়ারি অবধি যাত্রা করেছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: স্থানীয়স্তরে ব্যাপক বৃষ্টি মাপার প্রযুক্তি দেশে নেই জানাল আইএমডি

    চন্দনওয়াড়িতে এক রাত কাটিয়ে বৃহস্পতিবার খুব ভোরে শেষনাগের পথে যাত্রা করবেন তাঁরা। শেষনাগে এক রাত কাটিয়ে যাবেন পঞ্চতরণীতে। সেটাই এই যাত্রার শেষ ক্যাম্প। এরপর সেখান থেকেই ১১ অগাস্ট প্রাকৃতিক উপায়ে সৃষ্ট তুষার লিঙ্গের দর্শন করবেন তাঁরা। কাশ্মীরের অনন্তনাগে ৩৮৮০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই লিঙ্গ। সেখানে সারা দিন পুজা অর্চনার পর এই সাধুর দল ফিরে আসবেন পঞ্চতরণীতে।  

    ৩০ জুন থেকে শুরু হয়েছে অমরনাথ যাত্রা । অমরনাথ গুহা একটি হিন্দু তীর্থক্ষেত্র যেটি হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অন্যতম পবিত্র শৈব তীর্থ  (Lord Shiva) হিসেবে পরিচিত। ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর ১৪১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই তীর্থে যেতে পহেলগাও শহর অতিক্রম করতে হয়। সাধারণত জুন-জুলাই মাস থেকে শুরু হয় অমরনাথ যাত্রা। শেষ হয় জুলাই- অগাস্ট মাসে শ্রাবণী  পূর্ণিমার সময় ছড়ি যাত্রায়। পৌরাণিক মতে, পার্বতীকে গোপনে সৃষ্টি রহস্য বোঝাতে নির্জনে পাহাড়ে গুহা নির্মাণ করেন মহাদেব। করোনা অতিমারির (COVID 19 Pandemic) জেরে গত ২ বছর বন্ধ রাখা হয়েছিল এই পবিত্র যাত্রা। গ্রীষ্মকাল হলেও অমরনাথের তাপমাত্রা কিন্তু বেশ শীতল। এমনিতেই গ্রীষ্মকালে খুব কম সময়ের জন্য খোলা হয়। তারপর বরফের আচ্ছাদনেই মোড়া থাকে এই শিবলিঙ্গ। ঠান্ডা আবহাওয়া ও উচ্চতার কারণে তীর্থযাত্রাটি সকলের কাছেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে যায়। 

    আরও পড়ুন: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    সাধুদের দল ৭ অগাস্ট পহেলগাঁও পৌছেছে। এই সাধুদের সম্বর্ধনা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পহেলগাঁও- এর শিব মন্দিরে দুই রাত কাটান এই সাধুরা। সেখানে মহন্ত জীর দর্শন করেন সাধারণ মানুষ। মহন্ত দীপেন্দ্র জী বলেন, “অমরনাথ যাত্রা শুধু হিন্দুদের জন্যে নয়। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক।” তিনি এও জানান এই যাত্রা তিনি ৩০ বছর ধরে করে আসছেন। 

    অমরনাথে হড়পা বানে মৃতদের জন্যে শোকপ্রকাশও করেন তিনি। বলেন, এমন ঘটনা অনভিপ্রেত। তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, “অমরনাথ যাত্রার ক্ষেত্রে নতুন অফিসারদের দায়িত্বে না রেখে পুরোনো অফিসারদেরই দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তাঁদের অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।”

  • Nag Panchami 2022: নাগ পঞ্চমী তিথি কবে, কখন? এই দিনের তাৎপর্য জানেন কি?

    Nag Panchami 2022: নাগ পঞ্চমী তিথি কবে, কখন? এই দিনের তাৎপর্য জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে শ্রাবণ মাসে পড়া উত্‍সবগুলির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, শ্রাবণ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে নাগ পঞ্চমী পালিত হয়। ভগবান শঙ্করকে উত্সর্গীকৃত, শ্রাবণ মাসে এই উত্‍সবটি হিন্দু ধর্মে আড়ম্বর সহকারে পালিত হয়। এই পবিত্র দিনে আচার-অনুষ্ঠানের সাহায্যে সাপের দেবতার পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, সর্পদেরও দেবতা হিসাবে পুজো করা হয়। সাপও ভগবান শিবের খুব প্রিয়। এই পবিত্র দিনে সর্প দেবতার পুজো করে ভগবান শঙ্করও খুশি হন। জেনে নিন নাগ পঞ্চমীর তিথি, শুভ সময় ও পূজা পদ্ধতি—

    হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, এবছর পঞ্চমী তিথি ২ অগাস্ট ভোর ৫:১৪ মিনিট থেকে শুরু হবে, যা চলবে ৩ অগাস্ট ভোর ৫:৪২ পর্যন্ত। নাগ পঞ্চমী পুজোর মুহূর্ত ০২ অগাস্ট সকাল ০৫:২৪ থেকে ০৮.২৪ পর্যন্ত হবে। মুহূর্তের সময়কাল হবে ০২ ঘন্টা ৪১ মিনিট।

    নাগ পঞ্চমীর তাৎপর্য

    এই দিনে নাগ দেবতার পুজো করলে কাল সর্পদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। নাগ দেবতাকে বাড়ির রক্ষকও মনে করা হয়। এই দিনে নাগ দেবতার পুজো করলে ঘরে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।

    আরও পড়ুন: ভরা শ্রাবণ মাস, শিবপুজোর নিয়ম জানেন তো?

    নাগ পঞ্চমী পুজো – পদ্ধতি

    সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান করে নিন। এর পর বাড়ির মন্দিরে প্রদীপ জ্বালান। এই পবিত্র দিনে শিবলিঙ্গে জল নিবেদন করুন। সাপের দেবতার পুজো করুন। সাপের দেবতাকে দুধ নিবেদন করুন। ভগবান শঙ্কর, মাতা পার্বতী এবং ভগবান গণেশকেও নৈবেদ্য নিবেদন করুন। সম্ভব হলে এই দিনেও উপোস রাখুন।

    নাগ পঞ্চমী পুজোর উপকরণ-

    সাপের দেবতার মূর্তি বা ছবি, দুধ, ফুল, পাঁচটি ফল, পাঁচটি বাদাম, রত্ন, সোনা, রৌপ্য, দই, খাঁটি দেশী ঘি, মধু, চাল, গঙ্গাজল, সুগন্ধি, পঞ্চ মিষ্টান্ন, রোলী, বিল্বপত্র, দাতুরা (ধুতুরা), গাঁজা, আমের মঞ্জরি, তুলসীর ডাল, কর্পূর, ধূপ, দীপ, তুলা, মলয়গিরি চন্দন এবং শিব-পার্বতীর ছবি।

    নাগ পঞ্চমীর দিনে কী করবেন

    এদিন সূর্যোদয়ের আগে উঠে স্নান করে পুজোর সংকল্প গ্রহণ করুন। পুজোর স্থানে নাগদেবতার ছবি লাগান বা মাটি নাগ দেবতা তৈরি করুন এবং চৌকির ওপর লাল কাপড় বিছিয়ে সেখানে স্থাপন করে দিন। হলুদ, রোলী, চাল, কাঁচা দুধ ও ফুল অর্পণ করে নাগ দেবতার পুজো করুন। এর পর কাঁচা দুধ, চিনি, ঘি মিশিয়ে তাঁকে অর্পণ করুন।

    নাগ পঞ্চমীর দিনে অনন্ত, বাসুকী, পদ্ম, মহাপদ্ম, কুলীর, কর্কট ও শঙ্খ নামক অষ্টনাগের ধ্যান করে পুজো করা উচিত। এবার নাগদেবতার আরতি করে সেখানে বসেই নাগ পঞ্চমীর ব্রতকথা পড়ুন। এর পর সুখ-শান্তির প্রার্থনা করুন।

    এদিন মহিলারা নাগ দেবতাকে নিজের ভাই জ্ঞানে পুজো করে পরিবারের রক্ষার প্রতিশ্রুতি প্রার্থনা করতে হয়। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নাগ পঞ্চমীর দিন নাগেদের দুধ অর্পণ করলে অক্ষয় পুণ্য লাভ করা যায়।

    নাগ দেবতার পুজো করলে বাড়িতে ধন আগমনের উৎস বৃদ্ধি পায়। শাস্ত্র মতে নাগ দেবতা গুপ্তধনের রক্ষা করেন। এঁদের পুজো করলে আর্থিক অনটন দূর হয় ও বংশবৃদ্ধির পথে বাধার অবসান ঘটে। তাই এ দিন ধন বৃদ্ধির জন্য নাগ দেবতার পুজোকরা উচিত। 

    গৃহ নির্মাণ, পিতৃদোষ ও বংশের উন্নতির জন্য নাগ পুজো করা উচিত।

    আরও পড়ুন: পুজোয় মঙ্গল ঘট কেন স্থাপন করা হয়, জানেন?

    এদিন কী করবেন না

    এদিন জমি খুড়তে নেই। মনে করা হয় সাপ বা নাগ জমির ভিতরে বাস করেন। ফলে জমি খুড়লে তাঁদের ক্ষতি হতে পারে।

    নাগ পঞ্চমীর দিন কৃষকদের জমিতে লাঙল চালাতে নেই।

    প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী সুচের মধ্যে সুতো পরানো, কাঁচি বা ছুরি দিয়ে সবজি কাটার কাজও করা উচিত নয়।

    নাগ ও সাপকে দুধ অর্পণ করুন, তবে পান করাবেন না। জীব হত্যা করবেন না এবং সাপের ক্ষতি করবেন না।

     

  • Sawan 2022: শুরু হয়েছে পবিত্র শ্রাবণ মাস, শিবপুজোর নিয়ম জানেন তো?

    Sawan 2022: শুরু হয়েছে পবিত্র শ্রাবণ মাস, শিবপুজোর নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) শাস্ত্রে শ্রাবণ মাসের (Shravan Maas) গুরুত্ব অপরিসীম। শ্রাবণকে (Sawan 2022) বলা হয় দেবাদিদেব শিবের (Lord Shiva) মাস। মহাদেব (Mahadev) পুজিত হন এই মাসে। ভগবান শিবের উপাসনা করার শ্রেষ্ঠ সময় কাল-প্রদোষ বলে মনে করা হয়। পুণ্যার্থীরা শ্রাবণের প্রতি সোমবার, (Sawan Sombaar) শিবের জন্যে ব্রত পালন করেন। সাধারণত মাসভর চলে নানা ধর্মীয় রীতি পালন। 

    শিব মন্দির ছাড়াও, বাড়িতে বাড়িতেও পুজো হয় মহাদেবের। ‘হর হর মহাদেব’ (Har Har Mahadev) উচ্চারণ করে দেশের ভিন্ন প্রান্তে ভোলেবাবার মাথায় জল ঢালতে ভক্তদের সমাগম হয়। শিবের পুজায় গঙ্গাজল দিয়ে শিবকে অভিষেককে ‘রুদ্রাভিষেক’ (Rudravishek) বলে। একেই শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে জলাভিষেক করলে পুজোর সমস্ত মনোবাঞ্ছা পূরণ হয়। 

    মনে করা হয়, শ্রাবণ মাস শিবের অত্যন্ত প্রিয় মাস। তাই তাঁকে সন্তুষ্ট করে ভক্তরা কোনও ত্রুটি রাখেন না। উপবাস করে শিবের মাথায় গঙ্গার জল বা দুধ ঢালেন শিবভক্তরা। বিশ্বাস করা হয়, এই মাসে ভক্তি মনে মহাদেবকে ডাকলে তিনি তুষ্ট হন ও মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন। 

    আরও পড়ুন: এবছর কবে কামিকা একাদশী? এদিনের মাহাত্ম্য জানেন কি?

    বিশ্বাস, পবিত্র এই মাসে শিবের আরাধনায় সকল সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। শিবের কৃপা পেতে মেনে চলতে হবে বিশেষ নিয়ম। শ্রাবণ মাসের প্রথম দিন এই নিয়ম মেনে শিব পুজো করতে হবে। তাতে জীবনের সকল দুর্ভোগ কেটে যাবে, তেমনই সর্ব ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটবে। জেনে নিন কীভাবে আরাধনা করবেন শিবের। 

    এবছর শ্রাবণ মাসে মোট পাঁচটি সোমবার পড়েছে—

    * ১৮ জুলাই ২০২২ – প্রথম সোমবার
    * ২৫ জুলাই ২০২২- দ্বিতীয় সোমবার
    * ১ অগস্ট ২০২২- তৃতীয় সোমবার
    * ৮ অগস্ট ২০২২ – চতুর্থ সোমবার
    * ১৫ অগস্ট ২০২২ – পঞ্চম সোমবার

    শ্রাবণ মাসে শিব পুজোর পদ্ধতি- 

    শ্রাবণ মাসে বিশেষ নিয়ম মেনে শিবের আরাধনা করুন। প্রতিদিন, বিশেষ করে সোমবারে সকালে তাড়াতাড়ি উঠে স্বচ্ছ পোশাক পরে নিন। বাড়ির মন্দিরে প্রদীপ জ্বালান। শিবের আরতি করুন এবং ভোগ নিবেদন করুন। মনে রাখবেন যে শুধুমাত্র সাত্ত্বিক জিনিস ঈশ্বরের কাছে নিবেদন করা হয়। ডান হাতে জল নিয়ে শ্রাবণ মাসের সোমবারের ব্রতর সংকল্প করুন। এর পর সমস্ত দেবতাদের ওপর গঙ্গাজল অর্পণ করুন। ওম নমঃ শিবায় মন্ত্র জপ করে শিব শঙ্করের অভিষেক করুন। 

    আরও পড়ুন: পুজোয় মঙ্গল ঘট কেন স্থাপন করা হয়, জানেন?

    ভোলানাথকে সাদা ফুল, সাদা চন্দন, ভাঙ, ধুতুরা, গরুর দুধ, পঞ্চামৃত, সুপুরি, বিল্ব পত্র (বেলপাতা) ও জল অর্পণ করুন। পুজো সামগ্রী অর্পণ করার সময় ওম নমঃ শিবায় মন্ত্র জপ করতে ভুলবেন না। শ্রাবণ সোমবারের পুজোয় সোমবার ব্রতকথা অবশ্যই পাঠ করা উচিত। শেষে আরতি করতে ভুলবেন না। প্রসাদ হিসেবে শিবকে ঘি ও চিনির ভোগ অর্পণ করুন। তার পর সেই প্রসাদ বিতরণ করুন ও নিজেও তা গ্রহণ করুন।

    শাস্ত্র মতে, বিল্বের মূলে স্বয়ং শিব বসবাস করে। এই নিয়ম মেনে পুজো করতে সকল জটিলতা থেকে মুক্তি মিলবে। শ্রাবণ মাসে এই নিয়ম মেনে পুজো করুন। সকল দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সারা বছরই অনেকে শিব পুজো করে থাকেন। সোমবার করে দেবাদিদেব মহাদেবের বিশেষ পুজো করা হয়। শাস্ত্র মতে, যে কোনও সোমবার পুজো করলে মহাদেব তুষ্ট হন।

    কি কি নিবেদন করলে মিলবে সুফল? 

    বিশেষভাবে শিবলিঙ্গে (Shivling) রৌপ্য বা পিতলের পদ্ম দিয়ে দুধ নিবেদন করা উচিত। এ ছাড়া জল, বিল্ব পাতা , আকন্দ ফুল, ধুতুরা যা শিবের প্রিয় ফুল, গাঁজা, চন্দন, মধু, ছাই নিবেদন করুন। এছাড়া শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন— চিনি, জাফরান, গব্য ঘি।

LinkedIn
Share