Tag: Lottery Scam

Lottery Scam

  • Lottery scam: ভয় দেখিয়ে টিকিট হাতিয়ে নেন কেষ্ট! আসল লটারি বিজেতার দাবিতে তোলপাড়

    Lottery scam: ভয় দেখিয়ে টিকিট হাতিয়ে নেন কেষ্ট! আসল লটারি বিজেতার দাবিতে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের এক কোটি লটারি জেতার তদন্তে এবারে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে (Lottery Scam)। জানা গিয়েছে, ওই লটারি জিতেছিলেন অন্য এক ব্যক্তি, আর তাঁকে অনুব্রত মণ্ডলের লোকেরা ভয় দেখিয়ে, তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করে সেই লটারি হাতিয়ে নেন। এমনটাই সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই এদিন জানিয়েছে, বোলপুরের বড় শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা কটাই শেখের ছেলে শেখ নুর আলি এই লটারির টিকিট জিতেছিলেন। অর্থাৎ এই লটারির আসল প্রাপক অনুব্রত নয়, শের নুর আলি। আর শেখ আলির থেকেই এটি হাতিয়ে নেন অনুব্রত।

    আসল বিজেতার থেকে লটারি হাতিয়ে নেন কেষ্ট…

    লটারিকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা বৃহস্পতিবার বড় শিমুলিয়া গ্রামে শেখ নুর আলির বাড়িতে তল্লাশি চালান (Lottery Scam)। এরপর শান্তিনিকেতনে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে ডেকে পাঠানো হয় নুরকে। লটারির রহস্যভেদ করতে গিয়ে খতিয়ে দেখা হয় ওই ব্যক্তির সম্পত্তি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য। এমনকি এদিন ‘গাঙ্গুলী লটারি’র দোকানের মালিক বাপি গঙ্গোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। টিকিট তিনিই যাচাই করে দেন বলে দাবি বাপির। আর এরপরেই শেখ নুর আলির বাবা কটাই শেখ বিস্ফোরক অভিযোগ করেন অনুব্রতর বিরুদ্ধে।

    তিনি বলেন, লটারির টিকিট বিক্রি করা কালাম শেখের কাছ থেকে টিকিট কিনেছিলেন তাঁর ছেলে। তাতে টাকা জেতেন তাঁরা। আর তার পরেই শুরু হয় চাপসৃষ্টি, ভয় দেখানো। এর ফলে গ্রামছাড়াও হতে হয় তাঁদের। কিন্তু তাতেও রেহাই হয়নি। ফিরে আসার পর জোর করে কেড়ে নেওয়া হয় লটারির টিকিট। তাঁদের বলা হয়েছিল যে এই লটারি টিকিটের বদলে ৮৩ লক্ষ টাকা দেবেন, কিন্তু শেষপর্যন্ত ৭ লক্ষ টাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। কটাই শেখ আরও অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র চাপ সৃষ্টি করাই হয়নি, টিকিট পেতে তাঁদের প্রাণনাশ, গ্রামছাড়া করার হুমকিও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কেষ্ট, তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ১০ কোটির লেনদেন! ব্যাঙ্ককর্মীকে জেরা সিবিআইয়ের

    আরও জানা গিয়েছে, এই নুর শেখ আলির খবর সিবিআই আধিকারিকরা লটারি বিক্রেতার থেকে জানতে পেরেছিলেন (Lottery Scam)। সিবিআই আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে শেখ নুর আলির থেকে টিকিট আদায় করতে মাহিরি গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান ভজা নামের এক ব্যক্তি ও বিশ্বজ্যোতি ওরফে মুন এ ক্ষেত্রে অনুব্রতর হয়ে মধ্যস্থতা করেন। উল্লেখ্য, অনুব্রতর পরিবার মোট পাঁচটি লটারি জেতে। এক পরিবার বারবার লটারি জিতে চলেছে, এ নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছিলেন। লটারি জেতার পিছনে কী রহস্য রয়েছে, তা জানতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল সিবিআই। আর আজ শেষপর্যন্ত অনুব্রতর এক কোটি জেতার আসল রহস্য জানতে পারল সিবিআই-এর আধিকারিকরা। 

  • Anubrata Mondal: একবার নয়, তিনবার লটারি জিতেছেন কেষ্ট-সুকন্যা! সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Anubrata Mondal: একবার নয়, তিনবার লটারি জিতেছেন কেষ্ট-সুকন্যা! সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) লটারির মাধ্যমে এক কোটি টাকা পাওয়ার বিষয়টিতে তদন্ত করতে নেমে আরও এক চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা একবার নয়, তিনবার লটারি জিতেছেন। সেই লটারির টাকা দুবার সুকন্যার অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৫১ লক্ষ টাকা। আর একবার কেষ্টর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। ২০১৯ সালে অনুব্রতর অ্য়াকাউন্টে এই লটারির ১০ লক্ষ টাকা ঢুকেছিল বলে দাবি করলেন তদন্তকারীরা। এ যেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে!

    যেখানে একবারই লটারি জিততে পারে না মানুষ, সেখানে অনুব্রত মণ্ডল কীভাবে বার বার লক্ষ লক্ষ টাকা লটারি জিতে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনুব্রত মণ্ডলের এক কোটি টাকা লটারিতে পাওয়ার রহস্যভেদ করতে বার বার জেরার মুখে পড়তে হয়েছে কেষ্ট-কন্যাকেও। আর এরই মধ্যে এত পরিমাণে লটারি জেতার খবর সামনে আসতেই সিবিআই আধিকারিকরা সন্দেহ করছেন যে, লটারি জয়ের নামে অনুব্রত আসলে গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করেছেন না তো? বারবার একই পরিবার লটারি পাচ্ছে, তাই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে, তাহলে কি এভাবেই গরুপাচারের কালো টাকা লটারির মাধ্যমে সাদা করা হয়েছে? আর কোনও লটারি অনুব্রতর আত্মীয় বা ঘনিষ্ঠদের নামে কেনা হয়েছিল? এসবই খতিয়ে দেখছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। আর এবারে সুকন্যার অ্যাকাউন্টে লটারির টাকা আসার তথ্য সিবিআই-এর হাতে এসেছে। এক বার ঢোকে ২৫ লক্ষ টাকা, আর এক বার ২৬ লক্ষ টাকা, অর্থাৎ ৫১ লক্ষ টাকা। লটারির ১ কোটি টাকার তদন্ত করতে আসানসোল জেলে গিয়েও জেরা করা হয়েছে কেষ্টকে। আবার বারবার তলব করা হয়েছে তাঁর মেয়ে সুকন্যাকেও।

    আবার গত সপ্তাহে বোলপুরে লটারির দোকানে হানাও দেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরপর গতকাল বোলপুরের লটারি বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। লটারির টিকিট বিক্রেতা মুন্না শেখ সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে হাজিরা দেন। সেখানে প্রায় একঘণ্টা ছিলেন তিনি। সিবিআই ক্যাম্প থেকে মুন্না বেরিয়ে এলে তাঁকে অনুব্রতর লটারি জয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, অনুব্রতকে কখনও লটারি বিক্রি করেননি তিনি। লটারি জয়ের নামে অনুব্রত বা সুকন্যার অ্যাকাউন্টে আরও কোনও টাকা ঢুকেছে কি না, সেটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷ পরবর্তীতে লটারির রহস্যভেদে আর কী কী তথ্য উঠে আসে সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

LinkedIn
Share