Tag: love

love

  • VHP: ছ’মাসে ৬৬ হাজার হিন্দুকে রক্ষা করেছে ভিএইচপি, দাবি সংগঠনের

    VHP: ছ’মাসে ৬৬ হাজার হিন্দুকে রক্ষা করেছে ভিএইচপি, দাবি সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের শেষ ছ’মাসে ৬৬ হাজার হিন্দুকে রক্ষা করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। এঁরা অন্য ধর্মের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন।

    লাভ জিহাদ (VHP)

    পরিষদের দাবি, লাভ জিহাদের (Love Jihad) হাত থেকে তারা রক্ষা করেছে ৩ হাজার তরুণীকে। শনিবার প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ নগরের সেক্টর ১৮তে তিনদিনের শিবির চলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। লাভ জিহাদের নামে হিন্দু তরুণীদের ভিন ধর্মে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা এ দেশে নতুন নয়। এভাবেই বহু মুসলমান ধর্মান্তরিত করেছেন হিন্দু মহিলাদের। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সক্রিয় হওয়ায় সেই হার কিছুটা কমেছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর।

    ঘর ওয়াপসি

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি, গত বছরের শেষ ছ’মাসে তারা ১৯ হাজার হিন্দুকে ঘরে ফিরিয়েছেন। এঁরা হিন্দু ধর্ম ছেড়ে অন্য ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। পরিষদের দাবি, এই ১৯ হাজারের ঘর ওয়াপসি সম্পন্ন হয়েছে সম্মতি, আধ্যাত্মিক এবং আইনি পরামর্শের মাধ্যমে। যাঁরা হিন্দু ধর্মে ফিরে আসতে ইচ্ছুক, তাঁদের কাছ থেকে হলফনামাও নেওয়া হয়েছে (VHP)। কেবল হিন্দু নন, গো-মাতাও রক্ষা করেছে পরিষদ। এই সময়সীমায় তারা অবৈধ কষাইখানা থেকে রক্ষা করেছে ৯৭ হাজার ৯৩৪টি গরুকে।

    গত মাসেই হিন্দুদের এই সংগঠন দাবি করেছিল, হিন্দু জন্মহার হ্রাস পাচ্ছে। তারা এও বলেছিল, প্রতিটি হিন্দু পরিবারে অন্তত তিনটি সন্তান থাকা উচিত। আয়োজিত সন্ত সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বজরংলাল বাংড়া বলেন, “হিন্দুদের কমে যাওয়া জন্মহার দেশের হিন্দু জনসংখ্যায় ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করেছে। হিন্দু সমাজের সম্মানিত সাধুরা আহ্বান জানিয়েছেন যে প্রতিটি হিন্দু পরিবারে অন্তত তিনটি সন্তানের জন্মগ্রহণ করা উচিত।” তাঁর দাবি, ভারতে হিন্দুরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে, যেমনভাবে বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর নিরবচ্ছিন্নভাবে নিপীড়ন (Love Jihad) চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার স্বৈরাচারী ও সীমাহীন অধিকার নিয়ন্ত্রণের জন্য ওয়াকফ বোর্ডের ওপর একটি আইন প্রণয়নের কাজ করছে (VHP)।”

  • Love Jihad: টার্গেট হিন্দু মেয়েরা! ব্যাপকহারে চলছে ‘লাভ জিহাদ’, বড় মন্তব্য আদালতের

    Love Jihad: টার্গেট হিন্দু মেয়েরা! ব্যাপকহারে চলছে ‘লাভ জিহাদ’, বড় মন্তব্য আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লাভ জিহাদ (Love Jihad) এমন একটি কাজ যেখানে মুসলমান পুরুষরা পরিকল্পিতভাবে হিন্দু নারীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য টার্গেট করে মিথ্যে বিয়ের নামে ছদ্মবেশে ভালোবাসার নামে প্রতারণা করে।’ পর্যবেক্ষণে এমনই জানাল উত্তরপ্রদেশের বেরিলি আদালত।

    লাভ জিহাদ, কী বলল আদালত (Love Jihad) 

    আদালতের মতে, ‘লাভ জিহাদ ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু অরাজকতাবাদী উপাদান দ্বারা ভারতের ওপর আধিপত্য স্থাপনের চেষ্টা। এটি একটি জনসংখ্যাগত যুদ্ধ, যা সম্ভবত একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। সম্প্রতি এই আদালতই এক মুসলমান যুবককে এক হিন্দু মহিলাকে বারংবার ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। ৪২ পাতার একটি নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা ও সেশন বিচারক রবি কুমার দেওয়াকার জানান, লাভ জিহাদের মাধ্যমে অবৈধ ধর্মান্তরণ একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ এবং তিনি ভারত সরকারকে এর গুরুতর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। অভিযোগ, লাভ জিহাদের (Love Jihad) অপরাধটা একটা সিন্ডিকেট দ্বারা চালানো হচ্ছে। যারা অ-মুসলিম, তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের দুর্বল অংশের মানুষদের মগজ ধোলাই করে নারী ও শিশুদের প্রভাবিত করছে।

    ধর্মান্তরণের চেষ্টা

    সরকারি পক্ষের মতে, একটি কোচিং সেন্টারে কম্পিউটার কোর্স করতে গিয়ে অভিযুক্ত মহম্মদ আলমের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই তরুণীর। আলম ওই তরুণীকে আনন্দ বলে পরিচয় দেন। এই পরেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে আলম। শারীরিক সম্পর্কের এই ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করে আলম। অভিযোগ, তারপর থেকে নানা সময় ব্ল্যাকমেইল করে ভিডিওটি দেখিয়ে ওই তরুণীকে একাধিকবার হোটেলে যেতে বাধ্য করে। তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে, গর্ভপাতও করানো হয়।

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে দেবী দুর্গাকে নয়টি রূপে পুজো করা হয়, জানুন দেবীর রূপ-মহিমা

    হিন্দু ওই তরুণীকে আলম ও তার পরিবার ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। তাতে রাজি না হওয়ায় ওই তরুণীকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়। আদালত এই ঘটনাকে লাভ জিহাদ বলে অভিহিত করে। আদালতের মন্তব্য, এমন ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড একটি পুরো ধর্মের বদনাম ঘটায়। এই ধরনের মামলায় বিদেশি অর্থায়নের সম্ভাবনাও স্বীকার করেছে আদালত। বিচারকের নির্দেশ, আদালতের এই রায়ের একটি কপি সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ, বেরিলিকে পাঠাতে হবে, যাতে জেলার থানাগুলোকে সতর্ক করা হয়। আদালতের নির্দেশ, এই ধরনের ঘটনা ঘটলে উত্তরপ্রদেশ বেআইনি ধর্মান্তর আইন ২০২১-এর আওতায় ব্যবস্থা নিতে হবে। ২০২১ সালের আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে পুলিশের মহাপরিচালক ও প্রধান সচিবকেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Uttar Pradesh: লাভ জিহাদ বন্ধে কঠোর আইন আনছে যোগী সরকার, কী আছে বিলে জানেন?

    Uttar Pradesh: লাভ জিহাদ বন্ধে কঠোর আইন আনছে যোগী সরকার, কী আছে বিলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইটভাটার শ্রমিক দিলশাদের বিরুদ্ধে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তরিত করতে চায় বলেও জানিয়েছিল দিলশাদ। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বেরিলির ওই ঘটনায় তোলপাড় দেশ। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে উদ্যোগী হল যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

    লাভ জিহাদের ক্ষেত্রে সাজা (Uttar Pradesh)

    এবার লাভ জিহাদের (Love Jihad Law) মতো ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রস্তাব যোগী সরকারের। বিধানসভায় সরকার নিয়ে আসে ‘বেআইনি ধর্মান্তকরণ সংশোধনী আইন’ বিল, ২০২৪। বর্তমান বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন ২০২১-এর অধীনে থাকা একাধিক বিধি সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ওই বিলে। সংশোধনী বিলের প্রস্তাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির প্রস্তাবও রয়েছে। প্রথমবার লাভ জিহাদের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চায় উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার।

    কী বলছে সরকার?

    প্রস্তাবিত বিলে দশ বছরের কারাদণ্ডের মেয়াদ বৃদ্ধি করে যাবজ্জীবন করা হয়েছে। কঠোর করা হয়েছে জামিন পাওয়ার রাস্তাও। রাজ্যের সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই ধরনের ঘটনায় যে কোনও কাউকে অভিযোগ দায়েরের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২ অগাস্ট বিলটি বিধানসভায় পাশ করাতে চায় যোগী সরকার। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য বলেন, “এই সিদ্ধান্তকে সকলেরই স্বাগত জানানো উচিত।”

    ইউ-টার্ন মলদ্বীপের, ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান ফেলে দ্বীপরাষ্ট্রের গলায় ‘ওয়েলকাম ইন্ডিয়া’!

    বিজেপি নেতা মহসিন রাজা বলেন, “আইনটি সংশোধন করা হলে এটি অবৈধ ধর্মান্তর মোকাবিলায় ব্যাবকভাবে সাহায্য করবে। কারণ অনেক লাভ জেহাদের ঘটনা সামনে আসছে, যেখানে মিথ্যে পরিচয় দিয়ে বিয়ে করে মেয়েকে ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “কেউ যদি মিথ্যে পরিচয় দিয়ে কোনও মেয়ের জীবন নিয়ে খেলা করে, তাহলে অপরাধীকে কেন জবাবদিহি করতে হবে না? একজন প্রতারক যদি তার পরিচয় গোপন করে ও বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে কোনও মেয়েকে বিয়ে করে, তাহলে কেন এমন লোকদের আইনের আওতায় আনা যাবে না?”

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে পাশ হওয়া আইনে এই জাতীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ ছিল ১০ বছর। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা (Uttar Pradesh)। প্রস্তাবিত নয়া বিলে সাজার মেয়াদ এবং অপরাধের পরিধি, দুটোই বাড়ানো হয়েছে (Love Jihad law)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Haridevpur: পথের কাঁটা! পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মায়ের

    Haridevpur: পথের কাঁটা! পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে পথের কাঁটা মেয়ে। তাই পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বছর ষোলোর মেয়েকেই আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরের (Haridevpur) মতিলাল গুপ্তা রোড এলাকায়। অভিযুক্ত মা ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সোনালি চন্দ ও প্রসূন মান্না। ধৃত প্রেমিক ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল।

    মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সোনালির স্বামী কৌশিক চন্দ পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁদের একটি মেয়ে। মহিলার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সমস্যা। ডিভোর্স না হলেও মহিলা মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন। কৌশিকবাবুর মৃত্যুর পর খাদ্য দফতরে চাকরি পান অভিযুক্ত মহিলা। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে বারাসতের পুলিশ লাইনের কনস্টেবল প্রসূন মান্নার সঙ্গে আলাপ হয় সোনালির। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে যায় সোনালির মেয়ে। মায়ের সঙ্গে তার এই নিয়ে ঝামেলাও হয় একাধিকবার। তাই প্রেমিককে সঙ্গে নিয়েই মেয়েকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে মা। অভিযোগ, গতকাল ভোর ৪ টে নাগাদ ফ্ল্যাটে আগুন লাগিয়ে দেয় সে। কোনওরকমে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে এসে প্রাণে বাঁচে মেয়েটি। পুলিশ-দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মায়ের সঙ্গে প্রেমিকের কথোপকথন শুনতে পায় কিশোরী মেয়ে।

    আরও পড়ুুন: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    মেয়ের দাবি

    পুলিশের কাছে ১৬ বছরের কিশোরী দাবি করে, বাথরুম থেকে কাউকে ফোন করছিল তার মা। মাকে সে ফোনে বলতে শোনে, “ঘরে আগুন লাগলেও মেয়ে বেঁচে গিয়েছে।” পরে মায়ের মোবাইল ঘেঁটে ওই কিশোরী জানতে পারে যে, মা প্রেমিকের কথামতো তাকে আগুনে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টা করছে। টেলিগ্রামে চ্যাট থেকে ওই স্কুল ছাত্রী জানতে পারে, তার মা প্রেমিকের কথামতো তাকে খুনের চেষ্টা করছে। এই সব চ্যাটের স্ক্রিনশট এবং সেগুলির প্রিন্টআউট নিয়ে এসে ওই কিশোরী হরিদেবপুর থানায় সোমবার দুপুরে অভিযোগ জানায়। তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। আর তাকে এই খুনের চেষ্টায় সাহায্য করার অভিযোগে চন্দননগর থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রেমিককেও। ধৃতদের জেরা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share