Tag: LPG

LPG

  • Strait of Hormuz: শীঘ্রই মিটতে চলেছে জ্বালানি সংকট! হরমুজ পেরোচ্ছে ভারতের আরও ২ এলপিজি ট্যাঙ্কার

    Strait of Hormuz: শীঘ্রই মিটতে চলেছে জ্বালানি সংকট! হরমুজ পেরোচ্ছে ভারতের আরও ২ এলপিজি ট্যাঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও দুই অপরিশোধিত তেলবাহী ভারতীয় জাহাজ পার করবে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অস্থির হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতীয় পতাকাবাহী আরও দুইটি এলপিজি ট্যাঙ্কার—‘পাইন গ্যাস’ (Pine Gas) এবং ‘জগ বসন্ত’ (Jag Vasant)—আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রণালী অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে ওই দুই জাহাজ। মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, দুটি জাহাজই যাত্রার সংকেত পাঠাতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক সূত্রের দাবি, খুব শীঘ্রই তারা রওনা দিতে পারে।

    ভারতীয় জাহাজগুলির অবস্থান

    ২ দিন আগের রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে ২২টি ভারতীয় জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (Indian Oil Corporation)-এর ‘পাইন গ্যাস’ এবং ভারত পেট্রোলিয়ম-এর (Bharat Petroleum) ‘জগ বসন্ত’ ও রয়েছে। দু’টি জাহাজই এলপিজি ট্যাঙ্কার। সহজ ভাষায় বললে, রান্নার গ্যাস আসছে। জাহাজ দু’টি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজার কাছে নোঙর করে রয়েছে। তবে শীঘ্রই রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় নৌপরিবহণ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা জানিয়েছেন, এই দু’টি জাহাজ চলাচলের বিষয়ে এখনও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্রিয়। গত সপ্তাহে ইরান দু’টি ভারতীয় এলপিজি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেয়। ইতিমধ্যেই এলপিজি নিয়ে সেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ইরানের সুসম্পর্ক এবং ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানের ফলেই এই সুযোগ মিলেছে।

    তেল পরিবহণে স্থবিরতা, সীমিত চলাচল

    গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে কোনও ক্রুড অয়েল ট্যাঙ্কার চলাচল করেনি। ইরানের হুঁশিয়ারির পর বহু জাহাজই নোঙর করে অপেক্ষা করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলার পর ইরান ওই প্রণালীর উপর ‘দখল’ রেখেছে। হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, কোনও পণ্যবাহী জাহাজকে প্রণালী পার করতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এগোনোর চেষ্টা করে, তবে পরিণতি ‘সাংঘাতিক’ হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। কয়েকটি জাহাজে হামলাও হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দেয় ইরান।

    ভারতের কূটনৈতিক উদ্যোগ

    এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার নিরাপদ নৌ-চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা ভারতের ২২টি জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আন্তর্জাতিক স্তরে যোগাযোগ রাখছেন। গত সপ্তাহে ইরান দু’টি ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কারকে পারাপারের অনুমতি দিয়েছিল। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে সীমিত পরিসরে জাহাজ চলাচল এখনও সম্ভব। এই দুই ভারতীয় ট্যাঙ্কারের সম্ভাব্য যাত্রা এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কারণ, এটি ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হবে কিনা, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে।

    ইরান থেকে তেল আমদানি!

    আগেই হরমুজ দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে বারবার ছাড়পত্র দিয়েছে ইরান। সেদেশ থেকে ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি। তেল কেনা নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত কিছুটা শিথিল করেছেন ট্রাম্প। এমতাবস্থায়, সেই সুযোগই কাজে লাগাতে চাইছিল ভারত। যদিও ইরান জানিয়ে দিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির মতো অতিরিক্ত তেলের জোগান এই মুহূর্তে তাদের হাতে নেই। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ভারতের তৈল শোধনাগারগুলি ইরান থেকে পুনরায় ক্রুড অয়েল আমদানি শুরু করার বিষয়ে প্ল্যান করছে। তেহরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা ছাড় দিচ্ছে। সেই সুযোগেই ভারত বিকল্প উৎস হিসেবে ইরানের দিকে ঝুঁকছে। তবে ইরানের তেল মন্ত্রকের বক্তব্যই কিছুটা চিন্তার বিষয়। তাদের দাবি, বর্তমানে কোনও ‘ফ্লোটিং ক্রুড’ বা অতিরিক্ত মজুত নেই।

    ইরান-মার্কিন সংঘাতে তেলের দামে আগুন

    হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাসের দাম হুহু করে বেড়েছে (Global Oil Crisis)। ইরানের বক্তব্য, পথ শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ট্যাঙ্কারদের জন্যই বন্ধ, অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে আপাতত বাধা নেই। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “হরমুজ খোলা। শুধু যারা আমাদের শত্রু বা আমাদের আক্রমণ করছে এবং তাদের মিত্রদের জন্যই এটি বন্ধ।”

    ভারতের জন্য কী বার্তা?

    কয়েকদিন আগেই ভারতের দু’টি জাহাজ ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দাদেবী’ নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে গুজরাতে পৌঁছেছে। এখন নজর আরও দুই জাহাজের গতিপ্রকৃতিতে। হরমুজে এলপিজি ট্যাঙ্কার জগ বসন্ত (Jag Vasant), বিডব্লিউ এল্ম (BW Elm), বিডব্লিউ লয়্যালিটি (BW Loyalty), পাইন গ্যাস (Pine Gas), গ্রিন সাংভি (Green Sanvi), জগ বিক্রম (Jag Vikram) এবং গ্রিন আশা (Green Asha) আটকে ছিল। এর মধ্যে কমপক্ষে চারটি ‘ভেরি লার্জ গ্যাস ক্যারিয়ার’, বাকি তিনটি মিড-সাইজ ক্যারিয়ার। ভারতের মাসিক চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ বহন করছে এই জাহাজগুলি। এই ৬টি ট্যাঙ্কার মিলিয়ে বহন করছে প্রায় ৩.৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন এলপিজি (LPG), যা ভারতের মাসিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ। তুলনায়, সম্প্রতি নিরাপদে দেশে এসে পৌঁছনো শিবালিক (Shivalik) ও নন্দা দেবী (Nanda Devi) নামের দুটি ট্যাঙ্কার এনেছিল প্রায় ৪৬ হাজার টন করে এলপিজি (LPG)। ‘পাইন গ্যাস’ ও ‘জগ বসন্ত’-এও ৪৫ থেকে ৪৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি থাকতে বলে জানা যাচ্ছে।

  • LPG: চাপের মুখে এলপিজির সরবরাহ, বিকল্প জ্বালানি আবিষ্কার ভারতীয় বিজ্ঞানীদের

    LPG: চাপের মুখে এলপিজির সরবরাহ, বিকল্প জ্বালানি আবিষ্কার ভারতীয় বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার জেরে বিশ্বব্যাপী এলপিজির (LPG) সরবরাহ চাপের মুখে পড়েছে। এহেন আবহে ভারতের বিজ্ঞানীরা একটি সম্ভাব্য বিকল্প জ্বালানি উদ্ভাবন করেছেন। কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের অধীনে ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি, পুনের গবেষকরা সফলভাবে ডাইমিথাইল ইথার (DME) গ্যাস উৎপাদন করেছেন। অদূর ভবিষ্যতে এলপিজির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে এই গ্যাস।

    ডিএমই গ্যাসের অনুঘটক তৈরি (LPG)

    এই গবেষক দলটির নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞানী তিরুমালাইভামি রাজা। তাঁরা ডিএমই গ্যাস উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি বিশেষ অনুঘটক তৈরি করেছেন। প্রায় দু’ দশকের গবেষণা ও পরীক্ষার পর মিলেছে সাফল্য। ১৫ মার্চ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই একটি পাইলট প্ল্যান্টে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ কেজি ডিএমই উৎপাদন শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই প্রযুক্তি শিল্পক্ষেত্রে বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত ডিএমই এলপিজির সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা সম্ভব (DME Gas)। এর ফলে ভারত আমদানিকৃত এলপিজির ওপর নির্ভরতা অনেকখানি কমাতে পারবে। সরবরাহ সঙ্কটের সময় স্বস্তি পাবে। বিজ্ঞানীরা আরও জানান, ডিএমই এলপিজির তুলনায় বেশি পরিষ্কারভাবে জ্বলে এবং স্বচ্ছ শিখা তৈরি করে, যা একে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে উপযুক্ত করে তোলে। এটি এককভাবে অথবা এলপিজির সঙ্গে মিশিয়েও গৃহস্থালি ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    এলপিজির তুলনায় সস্তা বিকল্প জ্বালানি

    গবেষকদের মতে, বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন শুরু হলে এই জ্বালানি এলপিজির তুলনায় সস্তাও হতে পারে। তাই এটি ভোক্তাদের জন্য একটি সাশ্রয়ী বিকল্প হয়ে উঠবে। গবেষণার দীর্ঘ যাত্রা সম্পর্কে রাজা বলেন, “দু’দশক আগে আমরা এই ধরনের রসায়ন গবেষণা শুরু করি যাতে সাশ্রয়ী ও টেকসই উপায়ে ডিএমই উৎপাদন করা যায়। এই ল্যাবের মাধ্যমে আমরা তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি (LPG)।” তিনি জানান, গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে সিনগ্যাস (syngas) – যা কার্বন মনোক্সাইড ও হাইড্রোজেন থেকে তৈরি, থেকে ডিএমই উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে মিথানল থেকে ডিএমই উৎপাদনের পরোক্ষ পদ্ধতির ওপর কাজ করা হয়।

    কী বললেন বিজ্ঞানীরা?

    রাজা জানান, তাঁর দল এমন একটি বিশেষ অনুঘটক তৈরি করেছেন যা মিথানলকে ডিএমইতে রূপান্তর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, “এই অনুঘটকের জন্য আমরা প্রায় পাঁচটি পেটেন্ট পেয়েছি।” এই প্রযুক্তি ২০১৭ সালে শুরু হওয়া “ক্যাটালিসিস ফর সাস্টেনেবল ডেভেলপমেন্ট” মিশনের অধীনে তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এর প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি স্তর ৬–৭-এ পৌঁছেছে। অর্থাৎ এটি বড় পরিসরে প্রদর্শনের জন্য প্রায় প্রস্তুত। রাজা জানান, ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন এবং অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশনের মতো বড় সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “আমরা শিল্প অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি… আমাদের নির্মাতা খুব শিগগিরই সরবরাহ করতে প্রস্তুত। এখন ওএনজিসির সঙ্গে আলোচনা চলছে, যারা (DME Gas) প্রতিদিন ২.৫ টন উৎপাদন ক্ষমতার একটি প্ল্যান্ট স্থাপন করতে আগ্রহী।”

    জানা গিয়েছে, একটি আধা-বাণিজ্যিক প্রদর্শনী প্ল্যান্ট সফলভাবে পরীক্ষা হয়ে গেলে, এই (LPG) প্রযুক্তিকে আরও বড় আকারে বিস্তৃত করা যাবে। রাজা বলেন, “যখন এটি যাচাই হয়ে যাবে, তখন যে কোনও আকারে সম্প্রসারণ করা সম্ভব। আমরা প্রস্তুত।”

     

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত পরিবর্তন আসছে ভারতের জ্বালানি কৌশলে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের (Middle East War) জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল (Russian Oil Imports) কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বিকল্প উৎসের সন্ধানে (Russian Oil Imports)

    উপসাগরীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সরবরাহকারীদের কাছ থেকে আসা অপরিশোধিত তেলের চালান আসতে দেরি হচ্ছে। সেই কারণেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রুড তেল আমদানিকারী দেশ ভারত এখন তার বিশাল চাহিদা পূরণ এবং অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিকল্প উৎস খুঁজছে। সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে মার্চ মাসে ভারতের রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যাপক বেড়েছে। আগের মাসের তুলনায় আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল কিনেছে। ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল প্রতিদিন ১.০৪ মিলিয়ন ব্যারেল।

    রুশ তেল কেনার পরিমাণ বাড়াল ভারত

    রুশ তেল কেনার এই পরিমাণ বৃদ্ধি এমন একটা সময়ে হয়েছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের একটি ছাড় দিয়েছে, যাতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে পারে। এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ভারত-সহ বড় আমদানিকারী দেশগুলিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত সরবরাহ সঙ্কট মোকাবিলায় সাহায্য করতে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ৫.৮ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল খরচ করে, যার প্রায় ৮৮ শতাংশই আসে আমদানির মাধ্যমে। এই সরবরাহের বড় অংশই সাধারণত আসে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সৌদি আরব, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে (Middle East War)। তবে এই তেলবাহী জাহাজগুলির বেশিরভাগই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। এই প্রণালী আদতে একটি সংকীর্ণ জলপথ। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই প্রণালীই হয়ে উঠছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভরকেন্দ্র।

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    সাধারণত ভারতের জ্বালানি আমদানির একটা বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। প্রতিদিন ২.৫ থেকে ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল এই পথে আসে ভারতে। এই পথ দিয়ে ভারতে আসে রান্নার গ্যাসের (LPG) প্রায় ৫৫ শতাংশ এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর প্রায় ৩০ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন এবং গৃহস্থালির রান্নার জন্য এগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের বিশ্লেষক সুমিত রিটোলিয়া বলেন, “মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল আমদানির কথা ছিল ভারতের। একই সময়ে রাশিয়া থেকে তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Russian Oil Imports)।” তিনি বলেন, “জাহাজ ট্র্যাকিং ও বাজার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত ক্রুড ওয়েল আমদানির পরিমাণ প্রতিদিন পৌঁছতে পারে ১ থেকে ১.২ মিলিয়ন ব্যারেল। ফলে হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ ঝুঁকির কারণে যে ঘাটতি তৈরি হতে পারত, তা কমে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিনে নেমে এসেছে (Middle East War)।

    বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা

    যদিও ক্রুড ওয়েল সরবরাহ বিভিন্ন উৎস থেকে আংশিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব, তবুও বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা- যদি উপসাগরীয় অঞ্চলে অশান্তি অব্যাহত থাকে, তাহলে এলপিজি সরবরাহের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়ন ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে। অথচ দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন মোট চাহিদার মাত্র ৪০–৪৫ শতাংশ পূরণ করে। বাকি ৫৫–৬০ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে।রিটোলিয়ার মতে, ভারতের ৮০–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তাই আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে এই সরবরাহ ব্যবস্থা যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভারত প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ লাখ ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে, যার মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল আমদানি করা হয় (Middle East War)।

     

  • LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর ফলে এলপিজি উৎপাদন (LPG Production) ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০ মার্চ সরকারি এক সূত্রেই এ খবর মিলেছে। সূত্রটি জানায়, “প্রতিদিন প্রায় ৬০ লাখ সিলিন্ডার এলপিজি বিতরণ করা হচ্ছে, যা আগের মতোই রয়েছে। দেশের কোনও এলপিজি পরিবেশকের কাছে সরবরাহের ঘাটতি নেই। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল, তা এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে (India)।”

    আরও বেশি এলপিজি কার্গো (LPG Production)

    সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে যেখানে তেল বিপণন সংস্থাগুলি রেস্তরাঁ ও বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। সূত্রটির বক্তব্য, “এটি মূলত সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়। কমিটি এখন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করবে।” সরকারি সূত্র আরও জানায়, “আমরা এখন আরও বেশি এলপিজি কার্গো পাচ্ছি। অন্যান্য দেশ থেকেও এলপিজি এবং এলএনজি আসতে শুরু করেছে। আগে প্রায় ৪০টি ভিএলসিসি (Very Large Crude Carriers) জাহাজের ঘাটতি ছিল, তার প্রায় অর্ধেক এখন পৌঁছতে শুরু করেছে।” পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার প্রেক্ষাপটে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস এখন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেই ইউনিটগুলিকে সরবরাহ করা হবে, যেগুলি এলপিজি উৎপাদনে এটি ব্যবহার করে।

    গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার

    এতদিন পর্যন্ত কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG) এবং পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা রান্নার গ্যাস—এই দু’টি ক্ষেত্রকে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার দেওয়া হত। সোমবার গভীর রাতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এলপিজিকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে (LPG Production)। এলপিজি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ থেকে উৎপন্ন হয় এবং এটি অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের একটি উপজাত। প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাস পৃথক ও বিশুদ্ধ করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা হয়, যাতে সহজে পরিবহণ ও সংরক্ষণ করা যায়। এই গ্যাস সাধারণত ইস্পাতের সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, যা ঘরবাড়ি ও রেস্তরাঁয় রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। নতুন বণ্টন ব্যবস্থার অধীনে প্রথমে এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপ গ্যাস উৎপাদকদের প্রয়োজন পূরণ করা হবে, তারপর অন্য খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে (India)।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করে এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে পর্যালোচনা করেন (LPG Production)। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার এসেনসিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট (EC Act) প্রয়োগ করে দেশীয় জ্বালানি বাজারকে সম্ভাব্য বিঘ্ন থেকে সুরক্ষিত করতে পদক্ষেপ করে। মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOC), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (HPCL) জানায়, মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো এবং গৃহস্থালি গ্রাহক ও গুরুত্বপূর্ণ অ-বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করেছে।

    অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ

    বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গৃহস্থালি গ্রাহকদের পাশাপাশি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য সরবরাহ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে তেল বিপণন সংস্থার তিনজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে (LPG Production)। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, “অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং উন্নতির দিকে (India)।” তিনি আরও বলেন, “দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং পরিশোধিত তেল রফতানি বন্ধ করা হবে না। অন্যান্য দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর বাইরে থেকে আমদানি এখন ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১০ দিন আগেও ছিল ৫৫ শতাংশ। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালেও ভারতীয় রিফাইনারিগুলি পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে।”

    এলপিজি খরচ

    প্রসঙ্গত, ভারতে বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ গৃহস্থালি খাতে, অর্থাৎ রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ হোটেল ও রেস্তরাঁ-সহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৬২ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয় (LPG Production)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পথ দিয়েই ভারত তার প্রায় ৮৫–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করত, মূলত সৌদি আরব-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে (India)।

  • Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই গলছে ভারত-কানাডা সম্পর্কের বরফ। ভারতে ইউরেনিয়াম সাপ্লাই নিয়ে ১০ বছরের একটি চুক্তি হতে পারে নয়াদিল্লি ও অটোয়ার মধ্যে। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নির (Canadian PM India Visit) প্রস্তাবিত মার্চের প্রথম সপ্তাহে (Uranium Supply Deal) ভারত সফরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হতে পারে এই চুক্তি। এই সফরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিও (India Canada Trade) চূড়ান্ত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেল, এলপিজি এবং এলএনজি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal)

    তবে ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিটিই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। এই সফরের লক্ষ্য হবে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করা, যা জাস্টিন ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রিত্বকালে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক দেশ। বিশ্বে উৎপাদনের প্রায় ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ জোগান দেয় এই দেশ। উৎপাদিত ইউরেনিয়ামের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে জ্বালানি হিসেবে রফতানি করা হয়। কানাডায় রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত কেন্দ্র, মূলত আলবার্টার বিস্তীর্ণ অয়েল স্যান্ডস অঞ্চলে, যার পরিমাণ ১৬৩ থেকে ১৭০ বিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি। দেশটির প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও উল্লেখযোগ্য। এদিক থেকে বিশ্বে ১৬তম স্থানে রয়েছে দেশটি, যার পরিমাণ এক হাজার ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি (Uranium Supply Deal)।

    কানাডা সফরে  ডোভাল

    কার্নির সফরের আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রবীণ মন্ত্রী অটোয়া (কানাডার রাজধানী) সফরে যান। কার্নির সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (India Canada Trade)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারতে সফরে এসে কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন জানান, আলোচনায় ভারত-কানাডা পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, “জ্বালানি ও খনি খাত হবে দুই দেশের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।” ভারত ও কানাডার মধ্যে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (CEPA) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়ক। তাঁর দাবি, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব। উল্লেখ্য, প্রায় দু’বছর ধরে এই বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত ছিল, যা গত নভেম্বর মাসে পুনরুজ্জীবিত করতে উভয় দেশ রাজি হয় (Uranium Supply Deal)।

    অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

    হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলার প্রসঙ্গে পট্টনায়ক জানান, কানাডায় এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণ উঠে আসে, তাহলে ভারত উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।” প্রসঙ্গত, এই সফরের পরিকল্পনা এমন একটা সময়ে করা হচ্ছে, যখন কানাডা ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত ও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী, যাতে রফতানি ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কানাডার অর্থনীতিকে চাঙা করা যায় (Uranium Supply Deal)। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর আরও চড়িয়ে কার্নি বলেন, “সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাস্তবতাকে নতুন করে গড়ে তুলেছে।”

    বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ 

    এদিকে, কানাডা দশকের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য (India Canada Trade) ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এই লক্ষ্য নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যখন অটোয়া নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনশীল সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের প্রতিফলনও এতে দেখা যাচ্ছে (Uranium Supply Deal)। ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হজসন বলেন, এই বাণিজ্য লক্ষ্যটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অংশীদারিত্বের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য কর্মদক্ষতা সূচকও নির্ধারিত হয়েছে।

    ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক

    তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পারস্পরিক পরিপূরকতা থাকা সত্ত্বেও ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক তার সম্ভাবনার তুলনায় এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য সম্প্রসারণকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এই নয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ হিসেবে জ্বালানি খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কানাডা বিশ্বের প্রায় ৬ শতাংশ তেল উৎপাদন করলেও, ভারতের মোট তেল আমদানির এক শতাংশেরও কম আসে কানাডা থেকে। হজসনের মতে, বৈশ্বিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্য (India Canada Trade) প্রবাহ পুনর্বিন্যাস করা গেলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং একই সঙ্গে (Uranium Supply Deal) কানাডার রফতানি বাজারের বৈচিত্র্যও বাড়বে। বর্তমানে ভারত কানাডা থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানি করে।

     

  • Ujjwala Yojana: চলতি অর্থবর্ষে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় আরও ২৫ লাখ এলপিজি সংযোগ

    Ujjwala Yojana: চলতি অর্থবর্ষে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় আরও ২৫ লাখ এলপিজি সংযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষে (২০২৫–২৬) প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা (PMUY)-এর আওতায় অতিরিক্ত ২৫ লাখ এলপিজি সংযোগ (New LPG Connections) দেওয়া হবে। সোমবারই একথা ঘোষণা করেছে শক্তি ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। এর ফলে উজ্জ্বলা যোজনার (Ujjwala Yojana) আওতায় মোট সংযোগের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০.৫৮ কোটিতে। এই সংযোগের জন্য সরকার মোট ৬৭৬ কোটি টাকা ব্যয় অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে ৫১২.৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে ২৫ লক্ষ জামানতমুক্ত সংযোগ প্রদানে (প্রতি সংযোগের জন্য ২,০৫০ টাকা হারে) এবং ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে ভর্তুকি হিসেবে। মনে রাখতে হবে, ১৪.২ কেজির প্রতিটি গৃহস্থ এলপিজি সিলিন্ডারে ৩০০ টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হবে। একজন গ্রাহক বছরে সর্বোচ্চ ৯ বার এই ভর্তুকি পেতে পারবেন। ৫ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ভর্তুকির পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে নির্ধারিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা (Ujjwala Yojana)

    প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় উপভোক্তারা পান একটি ডিপোজিট-মুক্ত এলপিজি সংযোগ। এর মধ্যে থাকে সিলিন্ডারের সুরক্ষা বাবদ জামানত, প্রেশার রেগুলেটর, সুরক্ষা হোস, ডোমেস্টিক গ্যাস কনজিউমার কার্ড বুকলেট এবং ইনস্টলেশন চার্জ। প্রথমবারের রিফিল এবং ওভেনও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। উপভোক্তাদের এলপিজি সংযোগ, প্রথম রিফিল কিংবা ওভেনের জন্য কানাকড়িও দিতে হয় না।

    সিলিন্ডার সংযোগ বেছে নেওয়ার সুযোগ

    উপভোক্তারা চাইলে ১৪.২ কেজি একক সিলিন্ডার সংযোগ, ৫ কেজি একক সিলিন্ডার সংযোগ অথবা ৫ কেজি ডাবল সিলিন্ডার সংযোগ বেছে নিতে পারেন। আরও স্বচ্ছতা ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এই যোজনার আওতায় এলপিজি সংযোগ পাওয়ার প্রক্রিয়াটি সহজীকরণ ও প্রযুক্তি-নির্ভর করা হয়েছে বলে মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Ujjwala Yojana)।

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের মে মাসে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ৮ কোটি জামানত-মুক্ত এলপিজি সংযোগ দেওয়া। বাকি দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য ২০২১ সালের অগাস্টে চালু করা হয় উজ্জ্বলা ২.০। পরে সরকার অতিরিক্ত ৬০ লাখ সংযোগ (New LPG Connections) অনুমোদন করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আরও ৭৫ লাখ সংযোগ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত পিএমইউওয়াই সংযোগ দেওয়া হয়েছে ১০.৩৩ কোটিরও বেশি (Ujjwala Yojana)।

  • Rule Change From June: প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ইউপিআই লেনদেন, ১ জুন থেকে বদলে যাচ্ছে একগুচ্ছ নিয়ম

    Rule Change From June: প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ইউপিআই লেনদেন, ১ জুন থেকে বদলে যাচ্ছে একগুচ্ছ নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় বদল আসতে চলেছে জুন মাসে। জানা না থাকলে যার প্রভাব পড়তে পারে দৈনন্দিন জীবনে। গুগল পে, ফোন পে, পেটিএম এবং ভীম থেকে যারা অনলাইনে লেনদেন করেন তাদের বেশ কয়েকটি নতুন নিয়ম দেখে নিতে হবে। ইউপিআই, পিএফ থেকে শুরু করে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সংক্রান্ত নানা নিয়ম ১ জুন, রবিবার থেকে বদলে যেতে চলেছে। এর জেরে মধ্যবিত্তের আর্থিক হিসেব নিকেশেও বদল আনতে হতে পারে। এনপিসিআই জানিয়ে দিয়েছে ইউপিআই পেমেন্ট, ভারত বিল পে, রুপে কার্ড এবং সমস্ত ধরনের রিটেল পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভারত জুড়ে কয়েকটি নতুন নিয়ম সকলকেই মানতে হবে। এনপিসিআই জানিয়েছে গ্রাহকরা যাতে অনেক দ্রুত অনলাইন পেমেন্ট করতে পারেন সেজন্য তারা অনেক বেশি সতর্ক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। ফলে নতুন নিয়মগুলি সকলকেই মেনে চলতে হবে।

    ইপিএফও ৩.০ রোলআউট

    চাকরিজীবীদের ভবিষ্যতের সঞ্চয়স্থলই হল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ইপিএফও। ১ জুন, রবিবার আসতে চলেছে পিএফ-র নতুন ভার্সন ইপিএফও ৩.০। গত মাসেই কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানিয়েছিলেন যে মে থেকে জুন মাসের মধ্যেই ইপিএফও-র এই নতুন ভার্সন চালু হবে। রবিবার থেকেই এই পরিষেবা চালু হতে পারে। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন পিএফ প্ল্য়াটফর্মে ৯ কোটিরও বেশি গ্রাহক উপকৃত হবে। এতে ডিজিটাল সংশোধনের মতো সুবিধা পাওয়া যাবে। সবথেকে বড় সুবিধা হল, এবার থেকে পিএফের টাকা এটিএম থেকেই তোলা যাবে।

    পিএফ তোলার প্রক্রিয়া সহজ

    পিএফ তোলার প্রক্রিয়া সহজ এবং দ্রুত হবে-ইপিএফও-র নতুন ভার্সনে টাকা তোলার পদ্ধতি আরও সহজ হবে। ম্যানুয়াল কাজের প্রয়োজন হবে না, অটোমেটিক আপডেট হবে। পিএফের টাকা তোলার জন্য এত ঝক্কি পোহাতে হবে না। এবার থেকে পিএফের আবেদন অনুমোদিত হয়ে গেলেই এটিএম থেকে পিএফের টাকা তোলা যাবে। এর জন্য আলাদা এটিএম কার্ড দেওয়া হবে। পিএফের অ্যাকাউন্টে কোনও সমস্যা হলে, আর সরকারি অফিসে ছোটাছুটির দরকার নেই। আপনি ঘরে বসেই অনলাইনে আপনার অ্যাকাউন্টের ডিটেইল সংশোধন করতে পারবেন। আলাদা করে ফর্ম পূরণের ঝামেলাও থাকবে না। ইপিএফও-তে এবার থেকে অটল পেনশন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী জীবন বিমা যোজনার মতো সামাজিক প্রকল্পগুলিকে এক ছাতার তলায় আনা হবে। এতে অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরাও পেনশনের মতো সুবিধা পাবেন। এবার থেকে ইপিএফও পোর্টালে লগ ইনের ক্ষেত্রে নাম, পাসওয়ার্ডের মতো একাধিক ঝক্কি পোহাতে হবে না। ওটিপি (OTP) দিয়েই লগ ইন করা যাবে।

    আধার আপডেট সুবিধা

    আধার কার্ড কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, এটি এমন একটি নথিতে পরিণত হয়েছে যা আপনার পরিচয়, ঠিকানা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য সুরক্ষিত রাখে। এটি অনেক সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবার জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। ইউআইডিএআই (UIDAI) আধার কার্ড ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে কার্ড আপডেটের সুবিধা দেয়। এর ডেডলাইন ১৪ জুন পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। যদি এই তারিখের মধ্যে আধার বিনামূল্যে আপডেট না করানো হয় তবে ৫০ টাকা অতিরিক্ত লাগবে। ইউআইডিএআই (UIDAI) জানিয়েছে, আধার এনরোলমেন্ট ও আপডেট নিয়মাবলির (2016) আওতায় প্রতি ১০ বছরে একবার করে পরিচয়পত্র (PoI) ও ঠিকানা প্রমাণ (PoA) আপডেট করা বাধ্যতামূলক। সময়মতো তথ্য আপডেট না করলে সরকারি সুবিধা গ্রহণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বা কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় নানা সমস্যা হতে পারে। এই ফ্রি আপডেট সুবিধা শুধুমাত্র নির্বাচিত ডেমোগ্রাফিক ডেটার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনি অনলাইনে নাম, জন্মতারিখ (কিছু সীমার মধ্যে), ঠিকানা, লিঙ্গ এবং ভাষার পছন্দ আপডেট করতে পারবেন।

    ক্রেডিট কার্ড

    কোটাক মহিন্দ্রা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য বড় বদল আসতে চলেছে ১ জুন থেকে। এই ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা অটো ডেবিট ট্রান্সজাকশন ফেল হলে ব্যাঙ্কের তরফে ২ গুণ বেশি বাউন্স চার্জ কেটে নেওয়া হবে। যা ন্যূনতম ৪৫০ টাকা এবং সর্বাধিক ৫ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

    এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

    জুন মাসের পয়লা তারিখে এলপিজি সিলিন্ডারের দামে বদল আসতে পারে। গ্যাসের দাম বাড়লেও গ্রাহকদের স্বস্তি দিয়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাবেন কিছু গ্রাহকরা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। এই ছাড়ের ভুর্তকী সরাসরি স্থানান্তরিত হবে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় যাঁদের সিলিন্ডার রয়েছে তারাই এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এই প্রকল্পের অধীনে কিছু গ্রাহক গ্যাসের দামে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

    এফডি-র সুদ

    জুন মাসে ফিক্সড ডিপোজিট এবং ঋণের সুদে বদল আসতে পারে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট কমিয়ে দিয়েছে এবং আগামী দিনে আরও কমাতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, সবর্যোদয় স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্কে ৫ বছরের এফডি-তে সুদ ৮.৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ করে দিয়েছে।

    মিউচুয়াল ফান্ডের নিয়ম

    সেবি (SEBI) মিউচুয়াল ফান্ডের স্কিমের জন্য নতুন কাট অফ টাইম চালু করেছে রাতারাতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ১ জুন থেকে অফলাইন লেনদেনের সময় দুপুর ৩টে এবং অনলাইনের সময় ৭টা হবে। এরপর লেনদেন হলে তা পরের ওয়ার্কিং ডে-তে ধার্য হবে।

    ইউপিআই লেনদেন

    এনপিসিআই (NPCI) নয়া নিয়ম চালু করেছে ইউপিআই (UPI)লেনদেনের ক্ষেত্রে। নতুন নিয়ম অনুসারে ইউপিআই মাধ্যমে অর্থপ্রদান করার সময়, ব্যবহারকারীরা কেবল ব্যাঙ্কে নিবন্ধিত প্রাপকের আসল নাম দেখতে পাবেন। স্ক্রিনে কোনও ডাকনাম বা উপনাম প্রদর্শিত হবে না। এই পরিবর্তনের ফলে অর্থপ্রদানকারী কাকে টাকা পাঠাচ্ছেন তা স্পষ্ট হয়ে যাবে, যার ফলে ভুল লেনদেনের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যাবে।এনপিসিআই-এর এই নিয়মটি জালিয়াতি রোধ এবং ডিজিটাল পেমেন্টে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে অনেক ইউপিআই ব্যবহারকারী ডাকনাম বা বিভ্রান্তিকর নাম প্রদর্শন করেন, যা প্রতারকরা তাদের পরিচয় গোপন করার জন্য ব্যবহার করে। আসল নামের দৃশ্যমানতা ইউপিআই-এর প্রতি ব্যবহারকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং ভুল ব্যক্তিকে অর্থপ্রদানের ঝুঁকি কমাবে। ৩০ জুন, ২০২৫ থেকে, এই নিয়মটি ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যবসায়ী লেনদেন উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। ফোনপে, গুগল পে, পেটিএম ইত্যাদির মতো সমস্ত প্রধান ইউপিআই অ্যাপের জন্য এই নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক হবে।নতুন নিয়ম অনুসারে যখন আপনি ইউপিআই- এর মাধ্যমে অর্থপ্রদান করবেন তখন শুধুমাত্র ব্যাঙ্কে নিবন্ধিত প্রাপকের আসল নাম অ্যাপে দৃশ্যমান হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যদি আপনি একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে অর্থপ্রদান করেন তাহলে স্ক্যান করার পরে আপনার ফোনে প্রাপকের আসল নাম প্রদর্শিত হবে কোনও বিভ্রান্তিকর ডাকনাম নয়। এর ফলে ব্যবহারকারীরা আত্মবিশ্বাসের সাথে অর্থপ্রদান করতে পারবেন।

     

     

     

     

  • Ujjwala Gas Yojana: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    Ujjwala Gas Yojana: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরছে দেশের অর্থনীতির। অবস্থার উন্নতি হচ্ছে আমজনতার। তাদের আর্থিক স্বাস্থ্য যাতে আরও পোক্ত হয়, তাই আরও এক বছরের জন্য ভর্তুকি বাড়ানো হল এলপিজি সিলিন্ডারে (Ujjwala Gas Yojana)। ১ এপ্রিল থেকে আগামী এক বছর এলপিজি সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি মিলবে ৩০০ টাকা করে।

    মোদি সরকারের উদ্যোগ (Ujjwala Gas Yojana)

    পরিবেশ দূষণ রুখতে এবং হেঁশেলে থাকা মহিলাদের ধোঁয়ার হাত থেকে রেহাই দিতে ঘরে ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই প্রকল্পের পোশাকি নাম উজ্জ্বলা যোজনা। এই প্রকল্পে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ভর্তুকি দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। বছরে ১২টি সিলিন্ডারে ওই ভর্তুকি মেলে। ভর্তুকির টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ে। উজ্জ্বলা যোজনার (Ujjwala Gas Yojana) মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

    বাড়ল ভর্তুকির পরিমাণ

    মার্চ মাসের শুরুতেই কেন্দ্রের অর্থনৈতিক বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয় ভর্তুকি বৃদ্ধির কথা। জানিয়ে দেওয়া হয়, সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি মিলবে ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। গত অক্টোবর মাসেই কেন্দ্রের তরফে ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে ভর্তুকির পরিমাণ ২০০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এক বছরে এই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে সরকারের কোষাগার থেকে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীতে কী হবে? কী বলছেন অযোধ্যার রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    দেশের দরিদ্র পরিবারের মহিলারাও যাতে গ্যাসে রান্নার সুবিধা ভোগ করতে পারেন, তাই ২০১৬ সালের মে মাসে উজ্জ্বলা যোজনার সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২৪ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত এই প্রকল্পে সংযোগ পেয়েছেন ১০.২৭ কোটিরও বেশি মানুষ।

    ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। এই উপলক্ষে কেন্দ্র দাম কমিয়েছিল এলপিজি সিলিন্ডারের। সিলিন্ডার পিছু দাম কমানো হয়েছে ১০০ টাকা করে। দিল্লিতে সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ৮০৩ টাকা। কলকাতায় সিলিন্ডার মিলছে ৮২৯ টাকায়। মুম্বই ও চেন্নাইতে সিলিন্ডার মিলছে যথাক্রমে ৮০২ টাকা ও ৮১৮ টাকায় (Ujjwala Gas Yojana)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share