Tag: Lucknow

Lucknow

  • Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪ লোকসভা ভোটের ফলাফল। ফলাফলে ইন্ডিয়া জোট অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তর প্রদেশে বিজয়ী হয়েছে। আর সেই ফল প্রকাশের পরেই বুধবার লখনউ (Lucknow) এর একটি কংগ্রেস অফিসের বাইরে প্রচারের সময় প্রতিশ্রুত ‘গ্যারান্টি কার্ডের’ দাবিতে ভিড় জমায় অসংখ্য মহিলা। কারন নির্বাচনের আগে প্রচারের সময় কংগ্রেস অনেক পরিবারকে ‘গ্যারান্টি কার্ড’ বিতরণ করেছিল। একইসঙ্গে প্রতি দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানকে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। আর এদিন সেই প্রতিশ্রুতির দাবি নিয়েই কংগ্রেস অফিসের (Congress office) বাইরে ভিড় জমান অসংখ্য মহিলা। 

    প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ (Lucknow)

    সম্প্রতি একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে এই গরমে রোদ মাথায় নিয়ে বেশ কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা লখনউতে কংগ্রেস অফিসের (Congress office)  বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের মধ্যে কিছু মহিলা ‘গ্যারান্টি কার্ড’ দাবি করেছেন। অন্যদিকে যারা ইতিমধ্যে তাদের গ্যারান্টি কার্ড পেয়েছেন তারা তাদের অ্যাকাউন্টে প্রতিশ্রুত অর্থ জমা দেওয়ার জন্য ফর্ম জমা দিয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তারা তাদের ফর্ম জমা দেওয়ার পরে কংগ্রেস অফিস থেকে রসিদ পেয়েছেন।

     

    ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি  

    নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ২৫টি গ্যারান্টি কার্ড সহ প্রায় ৮ কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছানোর জন্য ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি চালু করেছিল। এর মধ্যে ছিল মহালক্ষ্মী স্কিম, যা দারিদ্র্য সীমার নীচে (বিপিএল) পরিবারের মহিলা প্রধানদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রতি মাসে ৮,৫০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এই প্রকল্পটি আসলে কর্ণাটকের কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন গৃহ লক্ষ্মী প্রকল্পের অনুরূপ। যদিও কর্ণাটকে দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানদের ২,০০০ টাকা প্রদান করে এই স্কিম।  

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন! আবারও ভোগান্তির আশঙ্কা নিত্য যাত্রীদের

    অন্যদিকে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে এসব সুযোগ সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি অনেক মহিলা বেঙ্গালুরুর জেনারেল পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট খুলতে ছুটে এসেছেন। কারন তাঁরা আশা করেছিলেন যদি ইন্ডি জোট কেন্দ্রে ক্ষমতা পায় তাহলে মাসিক ৮,৫০০ টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেছে ইন্ডি জোট এক্সিট পোলকে মিথ্যে করে দিয়ে ২৩৪টি আসনে জয়ী হয়েছে। একইসঙ্গে এনডিএ পরবর্তী সরকার গঠনের জন্যও প্রস্তুত করেছে নিজেদের। কারন বিজেপির (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯২টি আসন লাভ করে, ২৭২টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burglar Enters House: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম

    Burglar Enters House: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একি আজব কাণ্ড বলুন দেখি! চুরি করতে এসে স্বয়ং চোরই (Burglar Enters House) কিনা ঘুমিয়ে পড়ল? আসলে চুরি করতে এসে এসির ঠান্ডা হাওয়া পেতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল চোর। আর সেই ঘুম ভাঙল পুলিশের ডাকে। মজার এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) রাজধানী লখনউতে (Lucknow)। আর এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই হেসে লুটোপুটি খেতে শুরু করে নেটিজেনরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি লখনউ-এর (Lucknow) ইন্দিরানগর থানা এলাকার সেক্টর-২০ এর। সুনীল পান্ডে নামের ওই এলাকার এক ব্যক্তির ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে পড়ে চোর। পেশায় ডাক্তার সুনীলবাবু ওইদিন  কাজের সূত্রে ছিলেন বারাণসীতে। আর সেই সুযোগেই ফাঁকা বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে (Burglar Enters House) ঢুকে পড়ে চোর। বাড়ির মেন গেট খুলে ড্রয়িং রুমে পৌঁছতেই সেখানে এসি রয়েছে দেখে সেটা চালিয়ে দেয় সে। ঘর ঠান্ডা হতে শুরু করতেই চোখ ক্রমশ পড়ে আসতে থাকে চোরের। আর এরপর চুরি করা বাদ দিয়ে এক সময় সে মেঝেতে শুয়ে পড়ে। কিছুক্ষনের মধ্যেই গভীর ঘুমে চলে যায় চোর। 
    এদিকে, প্রতিবেশীরা গেট খোলা দেখে বাড়ির মালিক ডাক্তারবাবুকে ফোন করে খবর দেন। এরপর সুনীল বাবু বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ (police) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় চোর ঘরের এসি চালিয়ে আরামে ঘুমাচ্ছে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।   

    আরও পড়ুন: ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বাংলার ৫৫ গণনাকেন্দ্রেই! ভোটগণনা ঘিরে তৎপর কমিশন

    পুলিশ আধিকারিকের মন্তব্য (Burglar Enters House) 

    এ প্রসঙ্গে ঘটনার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিক বলেন, “চোর চুরির উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকেছিল (Burglar Enters House) কিন্তু সে এসির ঠান্ডা হাওয়ায় ঘুমিয়ে পড়েছিল এবং এতটাই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায় যে সে আর উঠতে পারেননি। প্রতিবেশীরা খবর দিলে তাকে আটক (Arrest) করা হয়।”

      
    যদিও চুরি করতে এসে চোরের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও অন্ধ্র প্রদেশের গোদাবরী জেলায় এক গৃহস্থের বাড়িতে চুরি করতে এসে এসি-র মায়ায় পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল চোর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: লখনউ থেকে ৬ দিন হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন ৩৫০ মুসলিমের

    Ram Temple: লখনউ থেকে ৬ দিন হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন ৩৫০ মুসলিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউ থেকে ৬ দিনের পদযাত্রা করে অযোধ্যায় পৌঁছে বালক রামের দর্শন করলেন ৩৫০ জন মুসলিম। তাঁরা রাম মন্দিরে (Ram Temple) পৌঁছে প্রার্থনা করলেন প্রভু রামলালার কাছে। রাষ্ট্রবাদী মুসলিম সংগঠন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের (এমআরএম) পক্ষ থেকে এই যাত্রার সূচনা করা হয়েছিল। তাঁদের কাছে এই যাত্রা ছিল দেশের সম্প্রীতি, অখণ্ডতা এবং একতার প্রতীক। একইভাবে, মুম্বই থেকে শবনম শেখ নামের এক মুসলমান ছাত্রী ১৪০০ কিমি পায়ে হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছান। তিনিও দেন রাম নামের বার্তা।

    কী জানাল মুসলিম সংগঠন (Ram Temple)?

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Temple) উদ্বোধন এবং প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গোটা দেশ এখন রাম নামে মেতে উঠেছে। হিন্দু রাম ভক্তদের পাশপাশি মুসলমান রাম ভক্তরাও বালক রামের দর্শনের জন্য অযোধ্যা যাচ্ছেন। আরএসএসের রাষ্ট্রবাদী মুসলিম সংগঠন এমআরএম-এর পক্ষ থেকে মিডিয়া ইনচার্জ শাহিদ সঈদ বলেছেন, “রাষ্ট্রবাদী মুসলমান সংগঠনের পক্ষ থেকে ৩৫০ জন মুসলমান রাম ভক্ত গত জানুয়ারির ২৫ তারিখ থেকে পায়ে হেঁটে লখনউ থেকে অযোধ্যায় যাত্রা সম্পূর্ণ করেছেন। মুখে রাম নাম ‘জয় শ্রী রাম’ নিয়ে এই প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে প্রায় ১৫০ কিমি হেঁটে রাম মন্দিরে পৌঁছান তাঁরা। এই দীর্ঘ যাত্রায় প্রতি ২৫ কিমি রাস্তা অতিক্রম করার পর একবার করে বিশ্রাম নিয়েছেন তাঁরা। অত্যন্ত পরিশ্রম করে এই ভগবান রামলালার মন্দির দর্শন এক অনন্য কৃতিত্ব। মুসলমান রাম ভক্তদের এই যাত্রা ছিল সম্প্রীতির যাত্রা। কোনও ধর্ম অপর ধর্মকে হিংসার কথা বলে না। শ্রীরাম হলেন দেশের একাত্মা, একতা, সার্বভৌম এবং সৌহার্দ্য সম্পর্কের প্রতীক।” অপরদিকে মিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে কটাক্ষও করেন তিনি। তাঁর মতে, মুসলিমদের মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে, তার জন্য দায়ী এই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মতো নেতারা।

    মুসলিম মহিলা ভক্ত কী বললেন?

    ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে শবনম শেখ নামক এক মুসলমান ছাত্রীও রামলালার মন্দিরে (Ram Temple) পৌঁছান। মুম্বই থেকে তিনি প্রায় ১ মাস পদযাত্রা করে রাম মন্দিরে পৌঁছেছেন। প্রথমে হনুমানগড়িতে পুজো দেন। মুখে ছিল তাঁর ‘বন্দেমাতরম’, ‘জয় শ্রী রাম’, ‘এক হি নাড়া এক হি নাম, জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম’ শ্লোগান। এরপর যান রামলালার দর্শনে। তিনি বলেন, “প্রভু রামের মন্দিরের ৩৫০ জন মুসলমানের উপস্থিতি সারা দেশের মানুষের কাছে বিশেষ বার্তা দিয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: ইংল্যান্ডকে হারালেই কি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত?

    ICC ODI World Cup 2023: ইংল্যান্ডকে হারালেই কি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর পাঁচ ম্যাচে জয়। যা ভারতের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই প্রশস্ত করে দিয়েছে। রবিবার নবাবের শহর লখনৌ এ রোহিত শর্মাদের সামনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। যদিও যশ বাটলারের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দলটি এবার প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স মিলে ধরতে ব্যর্থ। পাঁচটির মধ্যে চারটি ম্যাচে তারা হেরেছে। সেই নিরিখে রবিবাসরীয় লড়াইয়ে পাল্লা অনেকটাই ভারী টিম ইন্ডিয়ার। ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই সেমিফাইনালের দরজা খুলে যাবে রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলেদের কাছে। যা শুধু ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্নকে উস্কে দেবে না,  একইসঙ্গে তৃতীয় বার বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে।

    দুরন্ত টিম ইন্ডিয়া

    ব্যাটিং বোলিং এবং ফিল্ডিং এই তিন বিভাগেই দুর্দান্ত পারফরমেন্স মিলে ধরেছে ভারতীয় ক্রিকেটাররা। রানের মধ্যে আছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাকিয়ে ছিলেন তিনি। স্বমহিমায় ধরা দিচ্ছেন বিরাট কোহলিও। তার ছন্দ দেখে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবারের বিশ্বকাপের আসরেই হয়তো সেঞ্চুরির হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলবেন ভিকে। ডেঙ্গি থেকে সেরে ওঠার পর শুভমান গিল ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তার থেকেও বড় ব্যাপার হলো লোকেশ রাহুলের দায়িত্বশীল ব্যাটিং। একাধিক ম্যাচে কঠিন মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় তিনি বড় পার্টনারশিপ গড়ে তোলার কাজটি করেছেন। যাতে রান চেজ করতে সমস্যা হয়নি ভারতের। শ্রেয়স আরো নামের প্রতি সুবিচারে সংকল্পবদ্ধ। কারণ তিনি জানেন এই সুযোগ বারবার আসবে না। তাই সবকিছু ভুলে ব্যাট হাতে সেরাটা মেলে ধরার চেষ্টা করছেন তিনিও।

    টিমে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা

    এই ভারতীয় দলের সাফল্যের পিছনে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা ও যথেষ্ট। বিশেষ করে রবীন্দ্র যাদেজার কথা বলতেই হবে। ব্যাটে বলে তিনি অপ্রতিরোধ্য। লখনৌ এর পিচে বল টার্ন করবে। সেক্ষেত্রে জাড্ডু কিন্তু ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের সামনে বড় বিপদ হয়ে দাঁড়াতে পারেন। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার চোট রয়েছে। এই ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না। তার জায়গায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সূর্য কুমার যাদব কে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কি একই পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামবে টিম ইন্ডিয়া? কারণ, বাটলার বাহিনী যতই পরপর ম্যাচ হারুক কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত হবে না। তাই ব্যাটিং এবং বোলিংয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখাটাও জরুরী ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের।

    আরও পড়ুন: আজ কোজাগরী পূর্ণিমায় চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে পশ্চিমবঙ্গে, কতক্ষণ চলবে?

    মরিয়া ইংল্যান্ড

    পেস বোলিংয়ে বুমরাহ এবং সিরাজের বিকল্প নেই। কিন্তু সামি আবার গত ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন। এত সহজে কি তাকে ছেঁটে ফেলা সম্ভব? প্রশ্নটা উঠছে কারণ অনুশীলনে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ঘন্টার পর ঘন্টা হাত ঘুরিয়েছেন। তাই দেখে বিশেষজ্ঞদের মনে হচ্ছে, জাদেজা, কুলদীপের সঙ্গে তৃতীয় স্পেশালিস্ট স্পিনার হিসেবে অশ্বিনকে খেলানো হতে পারে। তাই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম একাদশ ঠিক কিরকম হবে তা নিয়ে একটু ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে এই ম্যাচে ইংল্যান্ড কিন্তু মরিয়া হয়েই ঝাঁপাবে। কারণ তারা জানে ভারতের কাছে হারলে সেমিফাইনালে ওঠার আশা কার্যত শেষ হয়ে যাবে। তাই জো রুট, যশ বাটলার, দাবিদ মালান,  বেন স্টোকস, হ্যারি ব্রুকরা, মরণ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ইংল্যান্ডের বোলিংও খুব খারাপ নয়। বিশেষ করে আদিল রশিদ এবং মইন আলীর মতো স্পিনার ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lucknow: মর্মান্তিক! মালাবদলের সময়েই মারা গেলেন এক কনে, কী এমন হল?

    Lucknow: মর্মান্তিক! মালাবদলের সময়েই মারা গেলেন এক কনে, কী এমন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে। চারিদিকে আনন্দের পরিবেশ। মালাবদলের অনুষ্ঠান সবে শুরু হবে। কিন্তু এই ধুমধাম করে বিয়ের আনন্দ এক নিমেষের মধ্যে মিলিয়ে গেল চোখের জলে। জয়মালা বা বরমাল্য পরিণত হল মৃতদেহের মালায়। মালাবদলের সময় আচমকাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সদ্য কুড়িতে পা রাখা এক কনে। যা দেখে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটা গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে, লখনউয়ের (Lucknow) মালিহাবাদের (Malihabad) ভাদোয়ানা (Bhadwana) গ্রামে। আনন্দের মুহূর্তেই নেমে আসে শোকের ছায়া। এক মর্মান্তিক পরিণতির সাক্ষী থাকলেন বিয়েবাড়িতে হাজির অতিথিরা।

    কী ঘটেছিল?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সানাই, বাজনা, পটকা, আলোর রোশনাই-এর মাঝে বিয়ের অনুষ্ঠানের সব রীতি হচ্ছিল। এরপর সময় আসে মালাবদলের। উপস্থিত প্রত্যেকের মুখে হাসি। কিন্তু পরমুহূর্তেই তা পরিণত হয়ে যায় কান্নায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কনের নাম শিবাঙ্গী শর্মা। মালাবদলের সময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কনের।  

    মালিহাবাদ থানা জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যম সূত্র জানতে পেরে ওই এলাকায় পুলিশ পাঠিয়েছিল (Lucknow)। স্থানীয় সূত্রে পুলিশ জানতে পারে, গ্রামের বাসিন্দা রাজপালের মেয়ে শিবাঙ্গীর সঙ্গে বিবেক নামে এক যুবকের বিয়ে হচ্ছিল। কনেকে মণ্ডপে নিয়ে এলে তিনি বরকে মালা পরানোর সময়েই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেখানে উপস্থিত বহু লোকই সেই দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করছিলেন।

    কনেকে সেই অবস্থায় দেখে হইচই পড়ে যায়। এরপর তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে ট্রমা সেন্টারে রেফার করা হলেও রাস্তায় যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। ফলে বিয়ের মণ্ডপে এমন ঘটনা সত্যিই মর্মান্তিক। যে মেয়েকে বধূ রূপে বরণ করে ঘরে তোলার কথা ছিল, তাঁকেই মণ্ডপ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হল শশ্মানে (Lucknow)।  

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, মেয়েটি গত ১৫-২০ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং তাঁর জ্বর ছিল। ডাক্তার বলেছিলেন তাঁর রক্তচাপ কম, কিন্তু এক সপ্তাহ আগে সে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু বিয়ের দিন সে আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে মালিহাবাদ সিএইচসিতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তাঁর রক্তচাপ কম পাওয়া যায়। তাঁকে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল এবং তার রক্তচাপ স্বাভাবিক হলে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বিয়ের সময় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মারা যান (Lucknow)।

  • Raj Babbar: ২৬ বছরের পুরনো মামলায় ২ বছরের কারাদন্ড রাজ বব্বরের! জানুন পুরো ঘটনা

    Raj Babbar: ২৬ বছরের পুরনো মামলায় ২ বছরের কারাদন্ড রাজ বব্বরের! জানুন পুরো ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে মামলা চলার পর অবশেষে ২ বছর কারাদণ্ডের সাজা পেলেন অভিনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাজ বব্বর (Raj Babbar)। ১৯৯৬ সালে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election) সময় এক পোলিং অফিসারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় তাঁর সাজা ঘোষণা করা হল।

    আরও পড়ুন:দেশে এই প্রথম সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী অ-মুসলিম, অতিরিক্ত দায়িত্ব স্মৃতি ইরানিকে

    ১৯৯৬ সালের ২ মে পোলিং অফিসারটি ওয়াজিরগঞ্জ পুলিশ থানায় (Wazirganj Police station) রাজ বব্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করছিলেন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং হামলার জন্য এদিন আদালত অভিনেতা রাজ বব্বরকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি অন ডিউটি পোলিং অফিসারকে শারীরিক নিগ্রহেরও অভিযোগ ছিল রাজ বব্বরের বিরুদ্ধে। ভোট চলাকালীন জোর করে বুথে প্রবেশ করার ফলে ও সরকারি আধিকারিকের ওপর হামলা চালানোয় উত্তরপ্রদেশের এমপি এমএলএ কোর্ট রাজ বব্বরকে সাজা শোনায়।  শুধুমাত্র ২ বছরের কারাদন্ড দেয়নি, আদালত তাঁকে ৮,৫০০ টাকার জরিমানাও করেছে। রায় ঘোষণার সময় রাজ বব্বর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে রাজ সমাজবাদী পার্টিতে (Samajwadi Party) ছিলেন এবং লখনউ (Lucknow) থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নির্বাচনের সময় পোলিং অফিসারের সঙ্গে প্রথমে তাঁর কথা কাটাকাটি হয় ও পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। তিনি তখম এই দোষ মেনে নিলে তাঁকে জেলে পর্যন্ত পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে যান। বর্তমানে রায়দানের সময়ে তিনি এই অভিযোগকে অস্বীকার করছেন।

    আরও পড়ুন: গুলিবিদ্ধ জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    ভারতীয় দণ্ডবিধির আইপিসি (IPC) ১৪৩, ৩৩২, ৩৫৩, ৩২৩, ৫০৪, ১৮৮ ধারায় রাজ বব্বর এবং অরবিন্দ যাদবের (Arvind Yadav) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act) ছাড়াও ফৌজদারী সংশোধনী আইনেও (Criminal Law Amendment Act) আদালতে রাজ বব্বরের নামে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছিল। 

  • Lucknow: লখনউ- এর নাম বদলে লক্ষ্মণপুরী? যোগীর ট্যুইটে নয়া জল্পনা 

    Lucknow: লখনউ- এর নাম বদলে লক্ষ্মণপুরী? যোগীর ট্যুইটে নয়া জল্পনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারে আসার প্রথম পাঁচ বছরেই উত্তরপ্রদেশবাসীর বহুদিনের দাবি ফৈজাবাদ এবং এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi)। ফৈজাবাদের নাম বদলে করা হয়েছে অযোধ্যা এবং এলাহাবাদের নতুন নাম প্রয়াগরাজ। উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয়বারের জন্যে ক্ষমতায় এসেছেন যোগী। তাহলে এবার কী নাম পরিবর্তনের পালা লখনউ- এর? যোগীর সাম্প্রতিক ট্যুইট ঘিরে এমনই বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi) লখনউতে স্বাগত জানিয়ে একটি ট্যুইট করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ”শেষ অবতার ভগবান লক্ষ্মণের পবিত্র নগরীতে আপনাকে স্বাগত জানাই।” লখনউকে (Lucknow) ‘লক্ষ্মণের নগরী’ (Laxmanpuri) বলে ট্যুইটে উল্লেখ করাতেই জল্পনা শুরু হয়। তবে কী এবার লখনউয়ের নাম বদল করে ‘লক্ষ্মণপুরী’ করতে চলেছেন যোগী?     

    [tw]


    [/tw]

    জনশ্রুতি রয়েছে, লক্ষ্মণ থেকে বিকৃত হয়ে লখনউ নামটি এসেছে। ধর্মীয় বিশ্বাস, রামের ভাই লক্ষ্মণের নামেই রাখা হয়েছিল শহরটির নাম। পরবর্তীতে তা উচ্চারণ বিকৃতিতে বদলে যায়। বহুদিন ধরেই তাই বিজেপির দাবি লখনউ-এর নাম বদলে ‘লক্ষ্মণপুরী’ করা হোক। যোগীর ট্যুইটের পরেই সেই জল্পনার পালে আবার হাওয়া লেগেছে।  

    লখনউ- এর মেয়র সংযুক্তা ভাটিয়া এর আগে জানিয়েছিলেন, ”লক্ষ্মণের ১৫১ ফুট উঁচু মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে লখনউতে। তার জন্যে ১৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই বরাদ্দ করেছে সরকার। শহরের কোন জায়গায় বসানো হবে মূর্তিটা সেই সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।”  ভাটিয়া আরও জানান, মূর্তিটি জাদুঘরের আদলে তৈরি করা হবে। সেখানে লক্ষ্মণপুরীর ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হবে। 

    প্রথমবার যোগী মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসার পরেই বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা এবং রাজস্থানের বর্তমান রাজ্যপাল কালরাজ মিশ্র লখনউ- এর নাম বদলে লক্ষ্মণপুরী করার দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য এর ফলে মানুষ ভারতীয় সংস্কৃতিকে বুঝতে পারবে। 

    এর আগেও বেশ কিছু জায়গার নাম পরিবর্তন করেছেন যোগী। সুলতানপুর, মির্জাপুর, আলিগড়, ফিরোজাবাদেরও নাম বদল করার প্রস্তাব দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। প্রস্তাব গৃহীত হলে সুলতানপুরের নাম হবে কুশ ভবনপুর, মেইনপুর হবে মায়া নগরী, আলিগড় হবে হরিগড়, ফিরোজাবাদ হবে চন্দ্রানগর এবং মির্জাপুর হবে বিন্ধধাম। সেকারণেই যোগীর এই নয়া ট্যুইটে লখনউ-এর নাম বদল নিয়ে জল্পনা দানা বেঁধেছে। 

     

LinkedIn
Share