Tag: Lucknow Super Giants

Lucknow Super Giants

  • IPL 2024: জাতীয় দলের ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন আচরণ! রাহুলরা কি গোয়েঙ্কাদের কর্মচারী?

    IPL 2024: জাতীয় দলের ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন আচরণ! রাহুলরা কি গোয়েঙ্কাদের কর্মচারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সবই সম্ভব। রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান ক্রিকেটাররা। চলে আসেন প্রচারের আলোয়। তবে দিনের শেষে দলের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কটা মালিক-কর্মচারীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। মোদ্দা কথা হল, আমি তোমার পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, যেমনটা চাইব সেভাবে চলতে হবে। পান থেকে চুন খসা যাবে না। দল ব্যর্থ হলেই নেমে আসবে খাড়া। অন স্পট বরখাস্ত করার ক্ষমতাও মালিকের হাতে। বড়ই নিষ্ঠুর আইপিএল (IPL 2024) মঞ্চ। এখানে কোনও আবেগ কাজ করে না। সেই কারণেই হয়তো প্রিয় দল হারলেও চোখে জল আসে না সমর্থকরদের। দিনের শেষে সবাই হইহুল্লোড় করতে করতেই বাড়ি ফিরে যান। আসলে সবাই যে ক্রিকেট আর বিনোদনের ককটেল তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করার জন্যই মাঠে আসেন।

    বড়ই নিষ্ঠুর আইপিএল মঞ্চ

    প্রদীপের নীচে অন্ধকার থাকে। ক্রিকেটাররা (IPL 2024) কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেও ভয় পান চাকরি হারানোর। সেই অবস্থা এখন লোকেশ রাহুলের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ১০ উইকেটে হেরে প্লে-অফে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। স্বাভাবিকভাবেই রোষানলে ক্যাপ্টেন লোকেশ রাহুল। সাত হাজার কোটি টাকা দিয়ে দল কেনার পর ফল যদি এরকম হয়, কোন মালিকের মাথা ঠিক থাকবে! তাই সটান ভিআইপি বক্স থেকে ম্যাচ শেষে মাঠে ছুটে গিয়েছেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা (LSG Owner Sanjeev Goenka)। ক্যাপ্টেন লোকেশ রাহুলকে তিনি চড়া ধাতে বুঝিয়ে দিয়েছেন, দলের পারফরম্যান্সে তিনি খুশি নন। মালিক যখন উত্তপ্ত, তখন চুপ করে থাকাই শ্রেয়। লোকেশ তাই চুপ করে শুনে গিয়েছেন। তবে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা যেভাবে উত্তেজিত হয়ে হাত নাড়ছিলেন, তা দেখে শঙ্কিত ক্রিকেট মহল। অনেকেই ভদ্রলোকের ক্রিকেটে এমন আচরণে বিস্মিত এবং ক্ষুব্ধ। কেউ কেউ বলছেন, এটা মোটেও ভালো বিজ্ঞাপন নয়। যদি কিছু বলার থাকে সেটা চার দেওয়ালের মধ্যেই বলা যেত। 

    সমালোচনায় ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক

    এই ঘটনা অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদেরও উদ্ধত (IPL 2024) করে তুলবে। ক্রিকেটাররা আশঙ্কায় ভুগবে। তার প্রভাব পড়বে পারফরম্যান্সে। আখেরে ক্ষতি হবে দেশের। কারণ, লোকেশ রাহুলরা তো দিনের শেষে ভারতের ক্রিকেটার। লিগ শেষে ফের গায়ে চাপাবেন নীল জার্সি। কিন্তু এই অপমান কি মন থেকে ঘুচিয়ে ফেলা যাবে? 

    লোকেশ রাহুলের ভবিষ্যৎ 

    প্রশ্ন উঠছে লোকেশ রাহুলের ভবিষ্যৎ নিয়েও। স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা তুঙ্গে। কারণ, মালিক রুষ্ট (LSG Owner Sanjeev Goenka)। চাকরি যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। লখনউয়ের বাকি দু’টি ম্যাচ। শোনা যাচ্ছে, ব্যাটসম্যান হিসেবে নাকি লোকেশকে খেলানো হবে। সেক্ষেত্রে অধিনাকত্ব করবেন নিকোলাস পুরান। শুধু তাই নয়, পরের মরশুমে লোকেশ রাহুলকে আর হয়তো লখনউ শিবিরে (IPL 2024) দেখা যাবে না। সেটাই তো প্রত্যাশিত। দল তাড়িয়ে না দিলেও লোকেশের উচিত মুখের উপর না বলা। এই অপমান সহ্য করে কি টাকার জন্য খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: নববর্ষে ইডেনে নতুন ভূমিকায় নারিন, নয়া রঙ লখনউয়ের! সবুজ-মেরুনের বিপক্ষে কেকেআর

    IPL 2024: নববর্ষে ইডেনে নতুন ভূমিকায় নারিন, নয়া রঙ লখনউয়ের! সবুজ-মেরুনের বিপক্ষে কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষবরণের বিকেলে ফের রাজকীয় মেলবন্ধনের সাক্ষী হতে চলেছে শহর কলকাতা। ইডেনে রবিবার লখনউয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে কেকেআর। নাইটদের ম্যাচ দেখতে আসছেন কিং খান। আইপিএলে (IPL 2024) চলতি মরশুমের শুরুটা দারুণ করেছে কেকেআর। প্রথমবার প্রথম তিন ম্যাচেই জয়ের মুখ দেখেছে শ্রেয়স আইয়ার ব্রিগেড। মেন্টর হিসেবে গৌতম গম্ভীরের উপস্থিতি এবার কেকেআর শিবিরে বাড়তি প্রাণশক্তি সঞ্চার করেছে। তাই শেষ ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে বিশ্রী হারকেও বিশেষ আমল দিচ্ছে না নাইট শিবির। অন্যদিকে গম্ভীরের প্রাক্তন দল লখনউ এবার চেনা ছন্দে নেই। তাই ম্যাচ থেকে পুরোপুরি দু পয়েন্ট তুলতে মরিয়া কেকেআর।

    নতুন ভূমিকায়  নারিন

    লখনউ ম্যাচের আগে কেকেআরের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে পেস বোলিং করছেন নারিন। নেটে স্পিন বোলিং ছেড়ে মিডিয়াম পেসারের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে কেকেআরের তারকা ক্রিকেটারকে। এই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে মিস্ট্রি পেসার। রবিবার ইডেনে লখনউয়ের বিরুদ্ধে নতুন আঙ্গিকে নারিনের ভল দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বল হাতে এবারে এখনও পর্যন্ত সেভাবে সাফল্য না পেলেও এবার কিন্তু সুপারহিট ওপেনার নারিন। এখনও পর্যন্ত দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন নারিন। গত বছর ওপেনার নারিনের উপর সে ভাবে আস্থাই দেখানো হয়নি। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি যে নেমেই মারমার করার ক্ষমতা এখনও রাখেন, তা কেউ বিশ্বাস করেনি। কিন্তু গম্ভীর এবার নারিনকে ওপেনিংয়ে ফিরিয়ে এনেছেন।

    সবুজ-মেরুনে লখনউ

    রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) বিরুদ্ধে সবুজ-মেরুন জার্সি পরে মাঠে নামবে লখনউ সুপার জায়েন্ট (Lucknow Super Ginats)।  সোমবারই আইএসএল-এর (ISL) লিগ শিল্ড জেতার লক্ষ্য নিয়ে মুম্বই সিটি এফসি-র (Mumbai City FC) বিরুদ্ধে খেলতে নামছে মোহনবাগান। তার একদিন আগে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মোহনবাগান সমর্থকরা বেশ খুশি। আগে শোনা গিয়েছিল, মোহনবাগানের ম্যাচে নাকি কেএল রাহুলরা আসতে পারেন। গত মরসুমে মোহনবাগান আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে সেই দলকে সম্মান জানতে প্রথমবার সবুজ-মেরুন জার্সি পরে নেমেছিল লখনউ। সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দল সেবার ১ রানে হারিয়ে দিয়েছিল কেকেআর-কে। শনিবার নিজেদের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে জার্সিবদল করার কথা জানিয়েছে লখনউ। সেখানে লেখা, ‘‘বড় ম্যাচের জন্য নতুন রং।’’ সঙ্গে বাংলা হরফে লেখা, ‘‘কাল দেখা হবে।” বেশ কয়েক জন ক্রিকেটারের একটি কোলাজ দেওয়া হয়েছে পোস্টের সঙ্গে। 

    থাকছেন না মায়াঙ্ক

    একদিন আগে ঘরের মাঠে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলানো হয়নি চলতি আইপিএল-এর আবিষ্কার মায়াঙ্ক যাদবকে। এক্সপ্রেস গতির এই পেসারকে সুপার সানডে-তে ইডেনেও পাওয়া যাবে না। লখনউয়ের মেন্টর থাকাকালীন মায়াঙ্ককে খুঁজে বের করেছিলেন গম্ভীরই। তিনি এখন কেকেআরের মেন্টর। ফিট থাকলে রবিবারের ম্যাচের আগে মায়াঙ্ককে নিয়েও আলাদা পরিকল্পনা করতে হত। এ বারের আইপিএলে ১৫৬.৭ কিমি/ঘণ্টা গতি তোলা মায়াঙ্কের না থাকাটা কি কেকেআরের কাছে স্বস্তির? কেকেআর মেন্টর গৌতম গম্ভীর বলেন, ‘একেবারেই না। আমাদের কাছে স্বস্তি হবে? চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে এসব ভাবলে চলবে না। আমরা নিজেদের দক্ষতা অনুযায়ী খেলব। বরং আমি চাইব, প্রতিপক্ষর সকলেই ফিট থাকবে, আমাদের চ্যালেঞ্জ করবে, সেটা আমরা কাউন্টার করব। ক্রিকেট কেরিয়ারে আমি এ ভাবেই ভেবে এসেছি। আমি চাই প্রতিপক্ষ সেরা টিম নামাবে। আমরাও সেই অনুযায়ীই খেলব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2024: আইপিএলে অভিষেকের পর প্রথম দুই ম্যাচেই সেরা! মায়াঙ্কের গতিতে বেসামাল আরসিবি

    IPL 2024: আইপিএলে অভিষেকের পর প্রথম দুই ম্যাচেই সেরা! মায়াঙ্কের গতিতে বেসামাল আরসিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলেই (IPL 2024) ১৫৭ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে বোলিং করে নজর কেড়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের ছেলে উমরান মালিক। ভারতীয় দলে জায়গাও পেয়েছিলেন। কিন্তু ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি। এবার দিল্লির ছেলে মায়াঙ্ক যাদবকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। চলতি আইপিএলে অভিষেকের পর পরপর দুই ম্যাচেই সেরা প্লেয়ারের পুরস্কার পেয়ে ইতিমধ্যেই ইতিহাস রচনা করেছেন। নিজের গতিকে নিজেই পিছনে ফেলছেন তাই তাঁকে নিয়ে ফের স্বপ্ন দেখছে আপামর ভারতবাসী। মঙ্গলবার আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টের হয়ে তাঁর আগুনে বোলিংয়ের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়েন আরসিবির (RCB vs LSG) ব্যাটাররা। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮১ রান করে লখনউ। জবাবে বেঙ্গালুরু করল ১৯.৪ ওভারে ১৫৩। লোকেশ রাহুলদের কাছে ২৮ রানে হেরে চাপ বাড়ল বিরাটদের।

    গতির পূজারী মায়াঙ্ক

    মঙ্গলবার কোহলিদের ইনিংসে ধস নামালেন অভিষেক ম্যাচে ১৫৫.৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে বল করা মায়াঙ্ক যাদব। মাত্র ১৪ রান খরচ করে ৩ উইকেট নিলেন তিনি। এ দিন তাঁর একটি বলের গতি ছিল ১৫৬.৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যা এ বারের প্রতিযোগিতার দ্রুততম। গতিতে ছাপিয়ে গেলেন নিজেকেই। অভিষেক ম্যাচে ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন মায়াঙ্ক। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও জিতেছিলেন। এদিনও সেরা। পাতিদার, ম্যাক্সওয়েল এবং গ্রিনকে আউট করে বেঙ্গালুরুর ইনিংসের ভিত আলগা করে দেন দিল্লির ২১ বছরের তরুণ জোরে বোলার মায়াঙ্ক। এই চাপ শেষ পর্যন্ত সামলাতে পারেনি বেঙ্গালুরু।

    ম্যাচ আপডেট

    জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাল বেঙ্গালুরু। ওপেন করে কোহলি করলেন ১৬ বলে ২২। মারলেন ২টি চার এবং ১টি ছয়। অপর ওপেনার ডুপ্লেসির অবদান ১৩ বলে ১৯। ৩টি চার মারলেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। কিছুটা লড়াই করলেন তিন নম্বরে নামা রজত পাতিদার। তাঁর ব্যাট থেকে এল ২১ বলে ২৯ রানের ইনিংস। ২টি করে চার এবং ছয় মারলেন তিনি। তার পর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (শূন্য), ক্যামেরন গ্রিন (৯), অনুজ রাওয়াত (১১), দীনেশ কার্তিকেরা (৪) মিডল অর্ডারকে ভরসা দিতে পারলেন না।

    এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি এলএসজি। তারা ৫.৩ ওভারেই প্রথম উইকেটে ৫৩ রান করে ফেলেছিল। কিন্তু রাহুল এদিনও উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২টি ছয়ের হাত ধরে ১৪ বলে ২০ করে সাজঘরে ফেরেন কেএল। তিনে ব্যাট করতে নেমে, এদিন ফের ব্যর্থ হন দেবদূত পাডিক্কালও। স্কোরবোর্ডকে সচল রেখেছিলেন কুইন্টন ডি’কক। মার্কাস স্টোইনিসের সঙ্গে যখন তিনি ভালো পার্টনারশিপ করার পথে, সেই সময়ে ফের ধাক্কা খায় লখনউ। ২টি ছক্কা এবং ১টি চারের সৌজন্যে ১৫ বলে ২৪ করে সাজঘরে ফিরে যান স্টোইনিস। ৫৬ বলে ৮১ রানের দুরন্ত একটি ইনিংস খেলেন ডি কক। এদিন আইপিএলে (IPL 2024) ৩০০০ রান পূরণ করলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: আইপিএল-এর দ্রুততম বোলার! গতিই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়, জানেন কে এই মায়াঙ্ক যাদব?

    IPL 2024: আইপিএল-এর দ্রুততম বোলার! গতিই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়, জানেন কে এই মায়াঙ্ক যাদব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভমন গিল থেকে রিঙ্কু সিং, যশপ্রীত বুমরা বা উমরান মালিক গত কয়েক বছরে আইপিএল (IPL 2024) থেকে উঠে এসেছে ভারতের একাধিক তারকা ক্রিকেটার। চলতি আইপিএলের আবিষ্কার হতে পারেন মায়াঙ্ক যাদব (Mayank Yadav)। লখনউয়ের হয়ে খেলা দিল্লির এই তরুণ পেসারের গতিতে নাজেহাল প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। এবারের আইপিএলে দ্রুততম বল করার কৃতিত্ব এখন মায়াঙ্কের দখলে। শনিবারের ম্যাচে পঞ্জাবের ব্যাটারদের গতিতে বিব্রত করেছেন তিনি। তাঁর একটি বলের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫৫.৮ কিলোমিটার। যা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়ে নিয়েছে। মায়াঙ্কের সব থেকে মন্থর বলটির গতি ছিল ১৩৯ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    কে এই মায়াঙ্ক

    ২০২২ সালের নিলামে ২০ লাখ টাকায় মায়াঙ্ককে (Mayank Yadav) দলে নিয়েছিল লখনউ। সে বার ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তাঁর। ২০২৩ সালে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য খেলতে পারেননি। শনিবার ক্রিকেটজীবনের প্রথম আইপিএল (IPL 2024) ম্যাচ খেললেন তিনি। অর্থাৎ অভিষেক ম্যাচেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন দিল্লির তরুণ। এখনও পর্যন্ত একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন মায়াঙ্ক। দিল্লির হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর মোট উইকেটের সংখ্যা ৫১। লখনউয়ের হয়ে আইপিএল অভিষেকে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২১ বছরের মায়াঙ্ক ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচের সেরাও তিনি। গতির সঙ্গে ব্যালান্সও দারুণ। ওই ম্যাচে মায়াঙ্কের ২৪টি ডেলিভারি (৪ ওভার) ছিল— ১৪৭, ১৪৬, ১৫০, ১৪১, ১৪৭, ১৪৯, ১৫৬, ১৫০, ১৪২, ১৪৪, ১৫৩, ১৪৯, ১৫২, ১৪৯, ১৪৭, ১৪৫, ১৪০, ১৪২, ১৫৩, ১৫৪, ১৩৯, ১৪২, ১৫২, ১৪৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা। নিজের সাফল্য নিয়ে ম্যাচের শেষে মায়াঙ্কের বক্তব্য, ‘নিজের ফোকাস ঠিক রাখাটাই ছিল লক্ষ্য। আলাদা করে কিছু ভাবিনি। যা এতদিন করে এসেছি, সেটাই করতে চেয়েছিলাম। পেরেছি বলে ভালো লাগছে। আগামী দিনেও এটাই করে যেতে চাই।’

    মায়াঙ্কের পেসে মুগ্ধ লি-স্টেইন

    লখনউয়ের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলও উচ্ছ্বাস গোপন করেননি। তিনি বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্ক শুধু ভাল বলই করেনি। গুরুত্বপূর্ণ উইকেটগুলোও তুলে নিয়েছে। গত মরসুমটা ওর ভাল যায়নি। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই চোট পেয়েছিল। আমি ওকে একটা কথাই বলেছি, ভাল ক্রিকেট খেলার জন্য প্রয়োজন প্রাথমিক বিষয়গুলো ঠিক ভাবে করা। বলের লাইন এবং লেংথের ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলেছি। মায়াঙ্ক সেটাই করার চেষ্টা করে। ম্যাচেও বাড়তি কিছু করার চেষ্টা করেনি। ওর বলের গতি বাড়তি পাওনা।’’ লখনউয়ের তরুণ বোলারের পারফরম্যান্সে বিস্মিত ইংল্যান্ডের প্রাক্তন জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রডও। আইপিএলের (IPL 2024) অন্যতম ধারাভাষ্যকার বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্কের বলের গতি সহজাত। বাড়তি কিছু চেষ্টা করে না। কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বলের লাইন এবং লেংথ। এত কম বয়সে এটা সাধারণত দেখা যায় না।’’ মায়াঙ্ক যাঁর ভক্ত, সেই ডেল স্টেইন বলছেন, ‘এতদিন কোথায় লুকিয়েছিলে?’ ব্রেট লির কথায়, ‘সবচেয়ে দ্রুতগতির পেসার পেয়ে গেল ভারত। দারুণ পেস, মুগ্ধ হলাম।’ কমেন্ট্রি বক্সে বসে শনিবারই সহ-ধারাভাষ্যকার স্টিভ স্মিথকে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্রড। তাঁর মতে, ভারতীয় দলের সুযোগ পেলে বছরের শেষে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজেও স্মিথদের সমস্যা ফেলবেন মায়াঙ্ক (Mayank Yadav)।

    মাথা লক্ষ্য করে বল

    আইপিএলে (IPL 2024) চমক হলেও মায়াঙ্ক যাদবের (Mayank Yadav) গতি দিল্লি ক্রিকেট মহলে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি মুস্তাক আলি ট্রফিতেও ১৫০ কিলোমিটার প্লাস প্রতি ঘণ্টায় তাঁর ডেলিভারি শোরগোল ফেলেছিল। দিল্লির ক্রিকেট মহল তাঁকে ডাকে ‘শর পে মারনেওয়ালা বোলার’ বলে। মাথায় মারার বুদ্ধিটা অবশ্য মায়াঙ্ককে দিয়েছিলেন তাঁরা বাবা প্রভু যাদব। তিনি আবার ছিলেন কার্টলে অ্যামব্রোজ, কোর্টনি ওয়ালশের ভক্ত। তাঁর স্মৃতিচারণা, ‘আমি ছেলেবেলায় মায়াঙ্ককে বলেছিলাম, অ্যামব্রোজকে কেন ব্যাটসম্যানরা ভয় করে জানিস? কারণ ও মাথায় মারতে পারে।’ গতির কথা উঠতেই মায়াঙ্কের বক্তব্য, ‘ব্যক্তিগত জীবনেও আমি স্পিড পছন্দ করি। রকেট, জেট, সুপার বাইকের স্পিড আমার দারুণ ভালো লাগে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: একা হাতেই গুঁড়িয়ে দিলেন লখনউকে! কে এই আকাশ মাধওয়াল?

    IPL 2023: একা হাতেই গুঁড়িয়ে দিলেন লখনউকে! কে এই আকাশ মাধওয়াল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালের পুনরাবৃত্তি ২০২৩-এও (IPL 2023)। এলিমেনটর পর্যায় থেকে বিদায় নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। গতবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দলকে। এবার, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাতে পর্যুদস্ত হয়ে প্রতিযোগিতা শেষ হল নবাবের শহরের দলটির। বলা যেতে পারে, একা হাতে লখনউকে ধ্বংস করলেন মুম্বইয়ের তরুণ তুর্কি আকাশ মাধওয়াল। এবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হার্দিক পাণ্ডিয়াদের মুখোমুখি হচ্ছেন রোহিত শর্মারা। 

    ক্রুনালকে হারিয়ে হার্দিকদের মুখোমুখি রোহিতরা

    বুধবার আইপিএল (IPL 2023) এলিমিনেটরের খেলায় চিপকে টসে জিতে প্রথম ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট খুইয়ে মুম্বই তোলে ১৮২। জবাবে ১০১ রানেই শেষ হয়ে যায় লখনউয়ের ইনিংস। ৮১ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে যায় মুম্বই। রোহিতদের জয়ে বড় অবদান রাখেন অখ্যাত পেসার আকাশ মাধওয়াল। মাত্র সাড়ে তিন ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র পাঁচ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন বিপক্ষের পাঁচ উইকেট। বলা ভালো, একা হাতেই আকাশ গুঁড়িয়ে দেন লখনউয়ের ব্যাটিং লাইন-আপ। ক্রুনাল পাণ্ডিয়ার দল জিতলে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দেখা হতো ভাই হার্দিকদের সঙ্গে। কিন্তু, আকাশ-গর্জনে তা অধরাই থেকে গেল লখনউয়ের। শুক্রবার দ্বিতীয় এলিমিনেটরে গুজরাত টাইটান্সের সামনে মুম্বই। সেই ম্যাচে জয়ী দল আগামী রবিবার মোতেরায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে চেন্নাই সুপার কিংসের।

    কে এই আকাশ মাধওয়াল?

    উত্তরাখণ্ডের রুরকির বাসিন্দা আকাশ মাধওয়ালকে গত বছর কিনেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সেবার সূর্যকুমার যাদব চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ার পর তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছিল। তবে, মুম্বইয়ের জার্সিতে (IPL 2023) অভিষেক হয় এবছর। চার বছর আগে উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলিতে টেনিস বলে দাপিয়ে খেপ খেলতেন আকাশ। ২০১৯ সালে ওয়াসিম জাফরের নজরে পড়ে যান। সেখানেই জীবন বদলে যায়। রঞ্জি দলে সুযোগ পান পেশায় ইঞ্জিনিয়ার আকাশ। তার পর বাকিটা ইতিহাস। আকাশের এই বোলিং পরিসংখ্যান ভারতীয় বোলারদের মধ্যে যুগ্মভাবে সেরা। ২০০৯ সালের আইপিএলে ভারতের কিংবদন্তি লেগ স্পিনার অনিল কুম্বলে ৫ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2023: দশ বার আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস! আজ মুখোমুখি মুম্বই-লখনউ

    IPL 2023: দশ বার আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস! আজ মুখোমুখি মুম্বই-লখনউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশ বার আইপিএলের (IPL 2023) ফাইনালে মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস (CSK)। এমন কীর্তি আইপিএলের ইতিহাসে আর অন্য কোনও দলের নেই। মঙ্গলবার রাতে গুজরাট টাইটান্স হার মেনেছে মাহি-মস্তিষ্কের কাছে। গুজরাটকে ১৫ রানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে সিএসকে। আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে বুধবার মুখোমুখি হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং লখনউ সুপার জায়ান্টস। 

    এটাই মাহির শেষ আইপিএল!

    আগামী বছর আইপিএলে (IPL 2023) খেলবেন কিনা, সেই ভাবনাচিন্তা করার জন্য হাতে আরও আট-নয় মাস আছে। তিনি যদি আগামী বছর আইপিএলে আর না খেলেন, তাহলে সেটা যে আগামী ডিসেম্বরের মিনি নিলামের আগেই সিএসকে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেবেন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মাহি। সেইসঙ্গে ধোনি এটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন, আগামী বছর চেন্নাইয়ের জার্সি পরে মাঠে না নামলেও সিংহ ব্রিগেডের সঙ্গেই যুক্ত থাকবেন। তবে তার আগে পঞ্চমবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়াই লক্ষ্য মাহির।

    কেঁদেছিলেন ধোনিও

    ২৮ মে আমেদাবাদে দশম আইপিএল (IPL 2023) ফাইনালে খেলবে ধোনির ইয়েলোব্রিগেড। ২০২১ সালে শেষ বার আইপিএল ফাইনালে পৌঁছেছিল ধোনির দল। সে বার চতুর্থ আইপিএল ট্রফি গিয়েছিল সিএসকে শিবিরে। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে সে বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ধোনির চেন্নাই। সাধারণত আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখলেও দলের জন্য কেঁদে ফেলেছিলেন মাহিও। মঙ্গলবার সেকথা জানিয়েছেন একদা ধোনির সতীর্থ হরভজন সিং। টানা দু’বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০১৮ সালে চেন্নাই সুপার কিংস আবার আইপিএলে ফিরেছিল। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে গোটা দল একত্র হয়েছিলেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি, হরভজন সিং, ইমরান তাহিররা। সেই রাতে মাহি ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। সতীর্থদের সামনেই কেঁদে ফেলেছিলেন। দীর্ঘবছর পর সেদিনের ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন হরভজন। ধোনিও কেঁদেছিলেন, ভাজ্জির মুখে এ কথা শুনে অবাক হয়েছেন অনেকে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রস্তুতি নিতে লন্ডন যাচ্ছেন বিরাট-সহ ৯ জন

    আজ মুখোমুখি মুম্বই-লখনউ

    লিগ পর্বে তৃতীয় হয়ে প্লে-অফে (IPL 2023) উঠেছে লখনউ। অন্য দিকে, প্রতিযোগিতায় ভাল শুরু না করেও শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন রোহিত শর্মারা। বুধবার চেন্নাইয়ের ২২ গজে আইপিএলের প্রথম নকআউট ম্যাচে মুখোমুখি মুম্বই-লখনউ। লখনউয়ের দু’জন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এবং জোরে বোলার জয়দেব উনাদকাট ছিটকে গিয়েছেন চোটের জন্য। তাতেও পরোয়া নেই লখনউয়ের। জোড়া ধাক্কাও লখনউয়ের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারেনি। কুণাল পান্ডিয়ার নেতৃত্বেও ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে কলকাতার শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার ফ্র্যাঞ্চাইজি। অন্য দিকে, পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই প্রতিযোগিতার শুরুটা ভাল করতে পারেনি। প্রথম দু’টি ম্যাচেই হেরে গিয়েছিলেন রোহিতরা। প্রতিযোগিতা যত এগিয়েছে মুম্বইকে তত চেনা ছন্দে দেখা গিয়েছে। সূর্যকুমার যাদবের ছন্দে ফেরা মুম্বইয়ের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে অনেকটা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Wriddhiman Saha: বিরাট প্রশংসা! ঋদ্ধিকে টেস্ট বিশ্বকাপ দলে ফেরানোর দাবি জোরদার

    Wriddhiman Saha: বিরাট প্রশংসা! ঋদ্ধিকে টেস্ট বিশ্বকাপ দলে ফেরানোর দাবি জোরদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিনিয়র টেস্ট দল থেকে উপেক্ষিত হওয়ার জবাবটা যেন দিলেন ঋদ্ধি (Wriddhiman Saha)। গুজরাট টাইটান্সের হয়ে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, মনে থাকবে অনেক দিন। রবিবার, কার্যত খুনে মেজাজে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের ২২ গজে ব্যাটিং করলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর ব্যাটিং দেখার পর আপ্লুত ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বাংলার কিপার। আইপিএল শেষ হলেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আসর। লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে উইকেটের পিছনে ঋদ্ধিকেই দেখতে চান সমর্থকরা।  

    দুরন্ত ছন্দে ঋদ্ধি

    মহেন্দ্র সিং ধোনি পরবর্তী অধ্যায়ে ভারতীয় সিনিয়র দলের সেরা উইকেট রক্ষকের নাম হতে পারে ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha)। ভক্তরা তাঁকে আদর করে ‘পাপালি’ বলে ডাকেন। একটা সময়ে ভারতীয় সিনিয়র টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য ঋদ্ধিমান সাহা আজ ব্রাত্য। শেষবার তিনি ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়াংখেড়েতে টেস্ট ম্যাচ খেলেন। তারপর থেকে আর সুযোগ পাননি। এরপর তাঁকে জাতীয় দল থেকে যেমন বাদ দেওয়া হয় তেমনই সদ্য প্রকাশিত কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ৩৮ বছরে ফর্মে থেকে বারবার নির্বাচকদের দরজায় কড়া নাড়ছেন।

    সিনিয়র দলে নেওয়ার দাবি

    এবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে মাত্র একজন উইকেটকিপার নিয়ে খেলতে নামবে ভারত। শ্রীকার ভরতকে উইকেটকিপার হিসেবে রাখা হয়েছে। পার্টটাইম উইকেটকিপার হিসেবে ছিলেন কেএল রাহুল। কিন্তু রাহুল চোট পেয়ে দলের বাইরে? ভরতের চোট লাগলে কী হবে? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য দল ঘোষণার পর থেকেই উইকেটরক্ষক হিসেবে কেএস ভরতের নাম দেখে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে। দেশের মাটিতে যার রেকর্ড ভালো নয় তিনি ইংল্যান্ডের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে কী খেলবেন তা জানতে চেয়েছেন সমর্থকরা। বর্ডার গাভাসকার ট্রফিতেও উইকেটের পিছনে একাধিক ভুল করেছিলেন ভরত।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই পারদ চড়ছে শহরে! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha) ভালো ছন্দে রয়েছেন। চলতি আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া প্রতিটা ম্যাচে ভালো শুরু দিচ্ছেন। উইকেটের পিছনে নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে ফিটনেসকে কাজে লাগিয়ে বিপক্ষকে রুখে দিচ্ছেন। তাঁকে ছন্দে দেখে সমর্থকরা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দলে ঋদ্ধিকে রাখার দাবি তুলছেন।

    বিরাট-সার্টিফিকেট

    রবিবার ঋদ্ধিমান সাহার (Wriddhiman Saha) ব্যাটিং দেখার পর তাঁকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক উচ্ছ্বসিত তাঁর এক সময়ের সতীর্থের ইনিংস দেখে। শুভেচ্ছা জানালেন ঋদ্ধিকে। রবিবার ঋদ্ধিমান সাহা শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন। টিভিতে তাঁর ব্যাটিং দেখে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন কোহলি। ঋদ্ধির ইনিংসের ছবি পোস্ট করে বিরাট লেখেন, “কী অসাধারণ ক্রিকেটার!”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share