Tag: M Jagadesh Kumar

M Jagadesh Kumar

  • UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কলেজের চার বছর পূর্ণ হলেই শিক্ষার্থীরা পিএইচডি করতে পারবেন এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারবেন। এমনই তথ্য দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অর্থাৎ ইউজিসি চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা ছাড়াই পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদেরকে তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর বা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। এখনও পর্যন্ত, ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্টের (NET) একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন ছিল।

    নতুন নিয়ম কত নম্বর লাগবে

    নেট দিয়ে পিএইচডি করার জন্য আর তিন বছর ধরে কলেজ করে মাস্টার্স ডিগ্রি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান জগদীশ কুমার জানিয়েছেন যে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা এখন সরাসরি নেট পরীক্ষায় উপস্থিত হতে পারবেন এবং পিএইচডি করতে পারবেন। এতদিন সাধারণ নিয়মে তিন বছরের ডিগ্রিধারী পরীক্ষার্থীদের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (NET) দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর পাস করতে হত। কিন্তু এখন চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ ছাড়া পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদের অবশ্যই তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে কিংবা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। আর যে প্রার্থীরা তিন বছর স্নাতক করেছেন বা ৭৫ শতাংশের কম নম্বর পেয়েছেন, তাঁরা আগের মতোই ৫৫ শতাংশ স্কোর সহ মাস্টার্স করে নেট এবং পিএইচডি করতে পারবেন। 

    আরও পড়ুন: জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    কুমার জানিয়েছেন, ‘চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা এখন সরাসরি পিএইচডি করতে এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারেন। এই ধরনের প্রার্থীরা যে বিষয়ে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাঁর বাইরেও অন্যান্য বিষয়ে তাঁদেরকে এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে’। ইউজিসি-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসসি, এসটি, ওবিসি (নন-ক্রিমি লেয়ার), ভিন্নভাবে সক্ষম, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগের প্রার্থীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নম্বর বা এর সমতুল্য গ্রেডের শিথিলকরণ অনুমোদিত হতে পারে। নেট পরীক্ষা বছরে দু’বার নেওয়া হয়। প্রতি বছর জুন এবং ডিসেম্বর। এর স্কোরগুলি বর্তমানে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) প্রদান করতে এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির নেওয়ার জন্য কুয়েটকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানাল ইউজিসি

    UGC: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির নেওয়ার জন্য কুয়েটকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)- এর চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য কুয়েট-পিজি-কে বেছে নেওয়ার আবেদন জানালেন। এখনও অবধি, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির জন্য কুয়েটকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি বিকল্প ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইচ্ছে করলে এতদিন নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষাও নিতে পারত।  

    ইউজিসি (UGC) প্রধান বিশ্বাস করেন যে কুয়েট সারা দেশে প্রার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন এবং ন্যায়সঙ্গত প্ল্যাটফর্ম। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব, গ্রামীণ এবং অন্যান্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্যে এই পরীক্ষাই সবচেয়ে সুবিধাজনক বিকল্প। কুয়েট-পিজির মাধ্যমে প্রার্থীরা বহু সংখ্যক কেন্দ্রীয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র একটি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। এই পরীক্ষা অনেক বেশি পড়ুয়াকে কভার করতে পারে। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি কে কুয়েট-ইউজি/পিজি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আদালতের নির্দেশে রক্ষাকবচ রইল না অভিষেক-শ্যালিকার, পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি? 

    কী বলেছেন ইউজিসি প্রধান? 

    সংবাদমাধ্যমকে এম জগদেশ কুমার (UGC) এই বিষয় বলেন, “কুয়েট সারাদেশের প্রার্থীদের, বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব, গ্রামীণ এবং অন্যান্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম এবং সবাইকে সমান সুযোগ প্রদান করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে পড়ুয়াদের আরও ভালো সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করে। একটি একক পরীক্ষা প্রার্থীদের অনেক বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার জন্যে আবেদন করার সুযোগ দেয়।”  

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    তিনি (UGC) আরও বলেন, “ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি- কে কুয়েট-ইউজি এবং পিজি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কুয়েট- ইউজি- র মতো সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েট-পিজি- তেও যোগদান করা উচিত। এটি দেশের পড়ুয়াদের ভারতের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ার সুযোগ করে দেবে। আমি সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে পিজি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য কুয়েট-পিজি- র স্কোর ব্যবহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UGC: চার বছরের স্নাতকের পরেই পিএইচডির সুযোগ, নতুন নিয়ম আনছে ইউজিসি

    UGC: চার বছরের স্নাতকের পরেই পিএইচডির সুযোগ, নতুন নিয়ম আনছে ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে ভারতীয় শিক্ষানীতিতে। পরিবর্তিত শিক্ষানীতিতে, পিএইচডি করার জন্যে আর মাস্টার্স বাধ্যতামূলক থাকবে না। চার বছরের স্নাতক কোর্সের পরেই যোগ দেওয়া যাবে গবেষণার কোর্সে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার জানিয়েছেন, চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা সরাসরি পিএইচডি করতে পারবেন। তাদের স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন হবে না।   
     
    চার বছরের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের (এফওয়াইইউপি) সুবিধার কথা জানিয়ে এম জগদেশ কুমার (UGC) বলেন, “প্রথম সুবিধা হল পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগদানের জন্য তাদের স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। তারা এর জন্য একটি সিঙ্গেল বা ডাবল মেজরও নিতে পারে।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে ৭১- এর নৃশংসতার জন্যে ক্ষমা চাইতে হবে, রাষ্ট্রসংঘে স্মারকলিপি পেশ মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের

    ইউজিসি (UGC) চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার এও জানিয়েছেন যে, চার বছরের স্নাতক প্রোগ্রাম সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তিন বছরের স্নাতক কোর্সটি বন্ধ করা হবে না। তিনি আরও বলেন যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তিন বা চার বছরের প্রোগ্রামের (এফওয়াইউপি) মধ্যে বেছে নেওয়ার বিকল্প দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। বুধবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে, তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য অনার্স ডিগ্রির চার বছরের প্যাটার্নে স্থানান্তর করা বাধ্যতামূলক হবে কি না। ইউজিসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 

    কী সেই নতুন নিয়ম? 

    সম্প্রতি অনার্স ডিগ্রি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন (UGC)। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে বদলে যাচ্ছে অনার্স ডিগ্রির নিয়ম। এতদিন পর্যন্ত অনার্স কোর্সের মেয়াদ ছিল তিন বছর। নতুন শিক্ষবর্ষ থেকে তিন বছরের বদলে চার বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এই সংক্রান্ত নতুন নিয়মের খসড়াও তৈরি করেছে তারা।

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ‘কারিক্যুলাম অ্যান্ড ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক ফর ফোর-ইয়ার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামস’ নামে খসড়া প্রস্তাবটি তৈরি করা হয়েছে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) নতুন নিয়মের কথা ঘোষণা করবে। 

    খসড়া প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, ৩ বছরে স্নাতক হতে গেলে শিক্ষার্থীকে ১২০ ক্রেডিট পয়েন্ট লাভ করতে হবে। অন্য দিকে, ৪ বছরে স্নাতক হতে গেলে শিক্ষার্থীর ১৬০ ক্রেডিট পয়েন্ট প্রয়োজন। খসড়া প্রস্তাবটিতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও পড়ুয়া ভবিষ্যতে গবেষণা করতে চান, তবে তাদের চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি (UGC) চলাকালীনই রিসার্চ প্রজেক্ট বেছে নিতে হবে। এতে তারা কোর্সের মেয়াদ শেষে রিসার্চ স্পেশালাইজেশনের সঙ্গে স্নাতক ডিগ্রি পাবেন।

    বর্তমানে যারা ‘চয়েস বেসড ক্রেডিট সিস্টেমে’ তিন বছরের অনার্স ডিগ্রিতে ভর্তি হয়েছেন এবং পড়াশোনা করছেন, তাঁরা চাইলে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিতে পড়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের (UGC) তরফে অফলাইন ও অনলাইনে ক্লাস সহ একাধিক পদ্ধতিতে দুই কোর্সকে মিলিত করে দেওয়া হতে পারে।

    আবার এই নতুন নিয়মের প্রস্তাবে পড়ুয়াদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেমন-ইউজিসি-এর (UGC) তরফে জানানো হয়েছে, চার বছরের অনার্স কোর্স পড়ার মাঝে কোনও পড়ুয়া যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেন ও তবে তিনি পরে আবার তা শুরু করার সুযোগ পাবেন। তবে অনার্স কোর্স ছেড়ে যাওয়ার তিন বছরের মধ্যে তা শুরু করতে হবে। আবার কোর্সটি শেষ করার জন্য পড়ুয়া ৭ বছর সময় পাবেন।

    এছাড়াও পড়ুয়ারা চাইলে দ্বিতীয় সেমেস্টারে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রির মূল বিষয় পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন। কোনও পড়ুয়া চাইলে একসঙ্গে দুটি বিষয় নিয়েও স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে পারবেন। স্নাতক ডিগ্রির জন্য পড়ুয়াদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে।

    খসড়া প্রস্তাবে (UGC) বিভিন্ন শাখা, অন্যান্য কোর্স ও তার নিয়ম নিয়েও উল্লেখ করা হয়েছে। ভাষার কোর্স, পরিবেশ শিক্ষা,  ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত সমাধান, স্বাস্থ্য, যোগশিক্ষা, ক্রীড়া ও শরীরচর্চা নিয়েও কোর্সের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • UGC: শিক্ষক দিবসে গবেষণার জন্যে পাঁচ নতুন স্কিমের ঘোষণা ইউজিসির 

    UGC: শিক্ষক দিবসে গবেষণার জন্যে পাঁচ নতুন স্কিমের ঘোষণা ইউজিসির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বেশ কিছু গবেষণা স্কিমের ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (University Grant Commission)। এর ফলে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিশা খুলে যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার (M Jagadesh Kumar)। 

    নতুন পাঁচটি স্কিম লঞ্চ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষ থেকে। সেগুলি হল,  

    আরও পড়ুন: ইউজিসির ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে কলকাতার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    • সাবিত্রীবাই জ্যোতিরাও ফুলে ফেলোশিপ ফর সিঙ্গেল গার্ল চাইল্ড 
    • ডঃ রাধাকৃষ্ণন ইউজিসি পোস্ট ডক্টরল স্কলারশিপ
    • ফেলোশিপ ফর সুপার অ্যানুয়েটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার 
    • রিসার্স গ্র্যান্ট ফর ইনসার্ভিস ফ্যাকাল্টি মেম্বার 
    • ডঃ ডিএস কোঠারি গ্র্যান্ট ফর নিউলি রিক্রুটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার   

    অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের গবেষণার সুযোগ দিতে ‘ফেলোশিপ ফর সুপার অ্যানুয়েটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার’ এই স্কিমটি আনা হয়েছে। এই ফেলোশিপে ১০০টি স্লট রয়েছে। প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকা ফেলোশিপ এবং বছরে ৫০,০০০ টাকা কন্টিঞ্জেন্সি দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    ‘রিসার্স গ্র্যান্ট ফর ইনসার্ভিস ফ্যাকাল্টি মেম্বার’ এই স্কিমে স্কলারশিপ পাবেন চাকুরিরত শিক্ষকরা। এই স্কিমে ২০০টি স্লট রয়েছে। মোট ১০ লক্ষ টাকা অবধি ফেলোশিপ পাওয়া যাবে, দু বছরের জন্যে। 

    নিয়োমিত নিয়োগ হচ্ছে যেই  শিক্ষকদের তারাই ‘ডঃ ডিএস কোঠারি গ্র্যান্ট ফর নিউলি রিক্রুটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার’ – এই স্কিমের আওতায় গবেষণার সুযোগ পাবেন। স্লট ১৩২টি এবং মোট ফেলোশিপ ১০ লক্ষ এবং সময়সীমা ২ বছর। 

    মূলত যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করতে চান তাদের জন্যে ‘ডঃ রাধাকৃষ্ণন ইউজিসি পোস্ট ডক্টরল স্কলারশিপ’। এই স্কিমে ৯০০টি স্লট রয়েছে। এর মধ্যে মেয়েদের ৩০% আসন সংরক্ষিত রয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা করে ফেলোশিপ এবং বছরে ৫০,০০০ টাকা কন্টিঞ্জেন্সি পাবেন।

    ‘সাবিত্রীবাই জ্যোতিরাও ফুলে ফেলোশিপ ফর সিঙ্গেল গার্ল চাইল্ড’- এই স্কলারশিপটি মূলত একা কন্যা সন্তানদের জন্যে আনা হয়েছে। তাদের শিক্ষাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহ। এই স্কিমে কোনও নির্দিষ্ট স্লট নেই। সময়সীমা পাঁচ বছর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share