Tag: Maa Tara

Maa Tara

  • Kaushiki Amavasya 2024: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    Kaushiki Amavasya 2024: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার ২ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টা ৫মিনিটেই শুরু হয়েছে কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya 2024)। সারা বছর ধরেই তারাপীঠে (Tarapith) ভক্তদের ভিড় দেখা যায়, তবে কৌশিকী আমাবস্যায় যেন আলাদাই জমজমাট হয়ে ওঠে তারাপীঠ। আগামিকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবার ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টা ২৯ পর্যন্ত এই অমাবস্যার তিথি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার ভোর চারটের সময় দেবীকে স্নান করানো হয়েছে। এর পরই হয় মঙ্গল আরতি হয়। মঙ্গলবারে ভোর ৫টা ৫ মিনিটেই ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হয় গর্ভগৃহের দরজা। কৌশিকী অমাবস্যার কারণে গতকাল অর্থাৎ রবিবার রাত থেকেই ভক্তরা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। উৎসব উপলক্ষে পূর্ব রেল (Indian Railways) চালাচ্ছে বিশেষ ট্রেনও।

    ভোগে কী কী ব্যঞ্জন থাকছে?

    তারাপীঠে মা তারাকে এদিন (Kaushiki Amavasya 2024) বিশেষ ভোগ নিবেদন করা হবে। যার মধ্যে থাকবে পোলাও, খিচুড়ি, অন্ন, দু’রকম ভাজা, শোল মাছ ভাজা, একাধিক তরকারি, অন্যান্য মাছ, বলির পাঁঠার মাংস, পায়েস, মিষ্টি, চাটনি ইত্যাদি। সন্ধ্যার ভোগে মা তারাকে অর্পণ করা হবে লুচি, সুজি, ভাজা ও নানান রকমের মিষ্টান্ন। সোমবার কৌশিকী অমাবস্যার রাতের ভোগে মা তারাকে অর্পণ করা হবে খিচুড়ি, মাছ ভাজা ও বলি দেওয়া পাঁঠা মাংস। উৎসব উপলক্ষে গোটা তারাপীঠ সেজে উঠেছে ফুল ও আলোর মালায়। গোটা মন্দির চত্বর মুড়ে ফেলা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে।

    ছুটবে বিশেষ ট্রেন (Kaushiki Amavasya 2024)

    কৌশিকী অমাবস্যায় পুণ্যার্থীদের তারাপীঠের উদ্দেশে যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিশেষ ট্রেন চালানোর (Indian Railways) কথা ঘোষণা করেছে পুর্ব রেল। আজ সোমবার ২ সেপ্টেম্বর থেকে বুধবার ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাওড়া থেকে রামপুরহাট ও রামপুরহাট থেকে হাওড়া পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেন চলবে বলে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। এ বিশেষ ট্রেনটি সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত হাওড়া স্টেশন থেকে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ছাড়বে। রামপুরহাট পৌঁছাবে ঠিক সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে। তারপর ওই ট্রেন রামপুরহাট থেকে বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে ছাড়বে এবং হাওড়া পৌঁছাবে ৩টা ৫৫ মিনিটে। বিশেষ ট্রেন যাওয়া আসার সময় যে সমস্ত স্টেশনগুলিতে দাঁড়াবে সেগুলি হল শেওড়াফুলি, ব্যান্ডেল, বর্ধমান, গুসকরা, বোলপুর, সাঁইথিয়া। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে তারাপীঠে পুণ্যার্থীদের (Kaushiki Amavasya 2024) যেন কোনও ধরনের অসুবিধা না হয় সে কথা ভেবেই রেলের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: এখানেই সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা, জানুন শক্তিপীঠ তারাপীঠের গল্প

    Kali Puja 2023: এখানেই সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা, জানুন শক্তিপীঠ তারাপীঠের গল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। কালীপুজোয় (Kali Puja 2023) জমজমাট বীরভূমের তারাপীঠ। অনেকে ভাবেন এটি সতীপীঠ কিন্তু তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। কথিত আছে, একবার দেবীর মাতৃরূপ দর্শন চান বশিষ্ঠ মুনি৷ দেবীও নিরাশ করেননি৷ এখানেই তাঁকে মাতৃরূপে দর্শন দেন দেবী। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তারা মায়ের ভক্ত বামাক্ষ্যাপা। ফলে এটি সিদ্ধপীঠ হিসেবেও পরিচিত। অমাবস্যায় রীতি মেনে পুজো হয় এখানে।

    কালীপুজোয় কেমন হয় তারা মায়ের ভোগ?

    সকালে স্নানের পর দেবীর শিলাব্রহ্মময়ী মূর্তিকে রাজবেশে সাজিয়ে তোলা হয়। পরানো হয় চুনরি। এরপর পঞ্চ উপাচারে মঙ্গলারতি এবং নিত্যপুজো সম্পন্ন হয়। কালীপুজোর দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। এখানে মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয়৷ আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তারা। কালীপুজোর দিন ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সন্তানকে না খাইয়ে ভোগ গ্রহণ করেন না তারা মা

    দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি। এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। তারা মায়ের যেভাবে ভোগ পুজো হয়, সেই একই ভাবে পুজো করা হয় শ্মশান কালীকে। শ্মশানেই রয়েছে মায়ের আসল শিলা পাদুকা। তার পাশে বামদেবের সমাধি। তারাপীঠের নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে খাইয়ে তবেই তারা মা ভোগ গ্রহণ করেন। তাই বামদেবের ভোগ আগে দেওয়া হয়। ভোগের তালিকায় রয়েছে প্রেত ভোগও। ডাকিনী-যোগিনীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এই ভোগ শ্মশানেই দেওয়া হয়। রাতে এক বারই এই ভোগের আয়োজন থাকে। বামদেবের খুব প্রিয় কুকুর ছিল শিবা। তার জন্যও থাকে বিশেষ ভোগের আয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: আজ শুক্লা চতুর্দশী, তারাপীঠে তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি, জেনে নিন মাহাত্ম্য কথা

    Tarapith: আজ শুক্লা চতুর্দশী, তারাপীঠে তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি, জেনে নিন মাহাত্ম্য কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্লা চতুর্দশী কথিত আছে, শুক্লা চতুর্দশী তিথিতেই মা তারার আবির্ভাব হয়েছিল। এই আবির্ভাব দিবসে, মা তারাকে পুজো দেওয়ার ব্যাপক ভিড় তারাপীঠে (Tarapith)। সেই সঙ্গে তারা মায়ের ভক্তদের মধ্যে এই নিয়ে তীব্র উচ্ছ্বাস। এই দিনে মায়ের মন্দিরে পুজো দিলে মনোবাঞ্ছা পূরণ হয় বলে লোকবিশ্বাস রয়েছে।

    শুক্লা চতুর্দশীর মাহাত্ম্য কথা (Tarapith)

    পুরাণে কথিত আছে, জয় দত্ত নামে এক বণিক দ্বারকা নদীর উপর দিয়ে নৌকায় চড়ে বাণিজ্য করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি তারাপীঠে নোঙর করেছিলেন। কিন্তু সেখানে সাপের কামড়ে তাঁর পুত্রের মৃত্যু হয়। বণিকের ভৃত্যরা রান্না করার জন্য একটি কাটা শোল মাছ পাশের পুকুরে ধুতে নিয়ে যায়। পুকুরের জলের সংস্পর্শে আসতেই, কাটা শোল মাছটি হঠাৎ জীবিত হয়ে পুকুরের গভীরে চলে যায়। ভৃত্যরা এই অলৌকিক ঘটনার কথা বণিককে জানায় এবং বণিক সর্পদংশনে মৃত তাঁর পুত্রকে সেই পুকুরের জলে স্নান করাতে শুরু করেন। তখন মৃত পুত্র আচমকা জয় তারা, জয় তারা উচ্চারণ করতে করতে বেঁচে উঠেন। বণিক বুঝতে পারেন, এই পুকুরে কোনও ঐশ্বরিক শক্তি আছে। বর্তমানে এই পুকুরটি ‘জীবিত কুণ্ড’ নামে খ্যাত। সেই রাতেই বণিক স্বপ্নে দেখা পান মা তারার। দিনটি ছিল শুক্লা চতুর্দশী। স্বপ্নে মাকে পেয়ে, এই দিনটিতেই তারাপীঠে (Tarapith) মা তারার পুজো শুরু করেন বণিক জয় দত্ত।

    বিরাম মঞ্চে অধিষ্ঠিত তারা মা

    শুক্লা চতুর্দশীর এই দিনটিকে তাই প্রাচীনকাল থেকেই মা তারার আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। বছরের এই একটি দিনে মা তারাকে গর্ভগৃহ (Tarapith) থেকে বের করে নিয়ে এসে, মন্দিরের সামনে থাকা বিরাম মঞ্চে অধিষ্ঠিত করা হয়। ফলে দিনভর সেখানেই মা তারাকে পুজো দিতে পারেন পুণ্যার্থীরা। সন্ধ্যায় আরতির পর, ফের মা তারাকে মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আজকের দিনে মা তারাকে দুপুরে কোনও ভোগ নিবেদন করা হয় না। তাই এই দিনটিতে মা তারার সেবাইতরাও উপবাস পালন করে থাকেন। সন্ধ্যায় ভোগ নিবেদনের পর উপবাস ভঙ্গ করেন মা তারা এবং ভক্তরাও তারপরে প্রসাদ গ্রহণ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share