Tag: Madhyam

Madhyam

  • West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ফাঁস করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা প্রশ্ন তুলল বিজেপি। তাদের দাবি, তৃণমূল যে সাতটি ফর্মের ছবি আপলোড করেছে, তার মধ্যে চারটি এমন ব‍্যক্তিদের আবেদন, যাঁদের নাম ডিলিট করা (West Bengal Assembly Election) হয়েছে। বাকিগুলি নতুন ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত হওয়ার আবেদন। আবেদনকারীদের পদবি দে, বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদি। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, বহিরাগতদের ভোটার বানানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপি এ বার পাল্টা অভিযোগ তুলে সাফ জানিয়ে দিল, বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকায় থাকতে দিতে চাইছে না তৃণমূল।

    পদ্ম-শিবিরের দাবি (West Bengal Assembly Election)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে পদ্ম-শিবিরের দাবি, তৃণমূল নিজেই জড়িয়েছে নিজের মিথ্যের জালে। বিজেপির করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, যাঁদের বহিরাগত বলে দাবি করছে, তাঁদের পদবি দেখলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায়, দে পদবির লোকজন। বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে মরিয়া রাজ্য সরকার। এখান থেকেই ইঙ্গিতটা স্পষ্ট, কী করতে চাইছে বঙ্গের তৃণমূল সরকার। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা এ রাজ্যে দলের সহকারী পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য দলের সেই লেখাকে ট্যাগ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একই অভিযোগ তুলেছেন। টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। মালব্যের অভিযোগ, পেজকেও বহিরাগত বলা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বশ্রুত এই টেনিস তারকা। বিজেপিকে পাল্টা দিতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি নিজের ফাঁদেই পড়ে গিয়েছে। বাঙালি হিন্দুদের নাম বাদ দিল কারা। বাঙালি হিন্দু মতুয়াদের রোহিঙ্গা বলে বাদ দিয়েছে বিজেপি এবং বিজেপির সহকারী সংস্থা নির্যাতন কমিশন।’’

    কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    প্রসঙ্গত, ফর্ম-৬ জমা দেওয়া নিয়ে হুলস্থুল চলছে রাজ্যে। তার জেরে ভোটমুখী বাংলায় চড় চড় করে চড়েছে রাজনীতির পারদ। তৃণমূলের অভিযোগ, ফর্ম-৬ জমা করে পশ্চিমবঙ্গের তালিকায় ভিন্‌রাজ্যের ভোটারদের নাম তুলে দিচ্ছে বিজেপি (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অনেক নথিই সিইও-র দফতরে আসে। তার মধ্যে ফর্ম ৬-ও রয়েছে। নিয়ম দেখিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন, ফর্ম-৬ জমা করলে কোন কোন ভোটারের নাম উঠবে, কাদের উঠবে না। এদিকে, মঙ্গলবার ফের দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতেও ছিল ফর্ম-৬ নিয়ে গুচ্ছের অভিযোগ (West Bengal Assembly Election)। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টেও বুধবার ওঠে ফর্ম-৬ প্রসঙ্গ। তবে সেখানে, তৃণমূলের দাবি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

  • Pakistan: একটা রুটির জন্য জেহাদিদের যৌন লালসার শিকার হয় গরিব কাশ্মিরী মেয়েরা! বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু

    Pakistan: একটা রুটির জন্য জেহাদিদের যৌন লালসার শিকার হয় গরিব কাশ্মিরী মেয়েরা! বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু মুফতি সঈদ খান! তাঁর অভিযোগ, কাশ্মীরে (Kashmir) সক্রিয় জেহাদিরা অসহায় (Pakistan) মহিলাদের খাদ্যের মতো মৌলিক প্রয়োজনের বিনিময়ে যৌন শোষণে বাধ্য করছে।

    “কাশ্মীর এবং আমাদের ভণ্ডামি” (Pakistan)

    সঈদ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। “কাশ্মীর এবং আমাদের ভণ্ডামি” শিরোনামের এক আলোচনাসভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে, বিদ্রোহের এক অন্ধকার বাস্তবতা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, শরণার্থী শিবিরে থাকা নারী ও কিশোরীদের একটি রুটির বিনিময়ে যৌন সুবিধা দিতে বাধ্য করা হত। ওই ধর্মগুরুর মতে, যেসব গোষ্ঠী নিজেদের “মুজাহিদিন” বা ধর্মীয় যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেয়, তারা বাস্তবে বাস্তুচ্যুত ও আর্থিকভাবে অসহায় নারীদের লক্ষ্য করে তাদের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে। তাঁর মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, এমন এক জোরপূর্বক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল যেখানে বেঁচে থাকার মৌলিক প্রয়োজনকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে (Kashmir)।

    গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি

    ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এই বক্তব্যকে “গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, পাকিস্তানের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিসরের ভেতর থেকে এই ধরনের স্বীকারোক্তি খুবই বিরল (Pakistan)। কর্তাদের ধারণা, এই মন্তব্যগুলি দীর্ঘদিনের সেই অভিযোগকে আরও জোরালো করে, যেখানে বলা হয়েছে পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি ‘জেহাদে’র আড়ালে স্থানীয় জনগণের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রগুলি আরও জানিয়েছে, এই তথ্যগুলি পূর্বে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে শেয়ার করা ভারতের গোপন নথিপত্রের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। এসব নথিতে বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা অঞ্চলে হিংসা ও শোষণে জড়িত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলিকে মদত দেয়।

    ধর্মগুরুর বক্তব্যের সুদূরপ্রসারী প্রভাব

    প্রতিবেদনগুলিতে বলা হয়েছে, এই ধর্মগুরুর বক্তব্যের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এটি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন হিংসা ও জোরপূর্বক শোষণের বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। যদি এই সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের “নৈতিক ও আদর্শিক সংগ্রাম” সম্পর্কিত বিষয় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এই বিতর্ক আবারও অঞ্চলটির দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মানবিক মূল্য, বিশেষ করে নারী ও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ওপর এর প্রভাবকে নিয়ে এসেছে সামনের সারিতে। পাশাপাশি এটি জবাবদিহিতা, রাষ্ট্র ও অ-রাষ্ট্রীয় শক্তির ভূমিকা এবং ভূরাজনৈতিক বয়ানের আড়ালে থাকা বাস্তব জীবনের পরিস্থিতি নিয়ে (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে।

  • Form 6: ‘অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না’, এসআইআর মামলায় রাজ্যের দাবিকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    Form 6: ‘অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না’, এসআইআর মামলায় রাজ্যের দাবিকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবারের শুনানিতে ওঠে ফর্ম-৬ (Form 6) প্রসঙ্গ। রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) সওয়াল করেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি বলেন,  “চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হয়েছে। বিবেচনাধীনদের নামের নিষ্পত্তি করার কাজ চলছে। এই অবস্থায় বান্ডিল বান্ডিল ফর্ম ৬ জমা পড়ছে। কোনও রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করছি না। কিন্তু এখন কেন?” কল্যাণের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না।” কল্যাণ বলেন, “প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম-৬ পূরণ করে জমা দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এটা কী ভাবে হতে পারে?”

    কমিশনের বক্তব্য (Form 6)

    কল্যাণের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রায় প্রতিবারই এই অভিযোগ ওঠে, এটা নতুন কিছু নয়। নির্দিষ্ট করে আপনি আপত্তি তুলতে পারেন।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “বিজ্ঞপ্তির পরে একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত ভোটার তালিকা নিয়ে ভোট হয়। তার পরে কারও নাম ফর্ম-৬ দিয়ে উঠল মানেই তিনি ভোট দিতে পারবেন, এমন নয়।” নির্বাচন কমিশনের তরফে আদালতে বলা হয়, আইন মোতাবেক মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত ফর্ম-৬ জমা দেওয়া যায়। যে কেউ তা দিতে পারেন। কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইনে বলা আছে দেখুন ফর্ম-৬ জমা দেওয়া একটি চলে আসা পদ্ধতি। যে কেউ দিতে পারেন। কমিশন সব যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেয়।” এর পরেই ফর্ম-৬ নিয়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। কমিশনের তরফে জানানো হয়, কারও আপত্তি থাকলে তিনি ফর্ম-৭ জমা দিতে পারেন (Supreme Court)।

    কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্য

    কমিশনের আইনজীবী বলেন, “অনুচ্ছেদ ২০ দেখুন। সেখানে ফর্ম-৬ নিয়ে স্পষ্ট বলা রয়েছে। কারও কোনও আপত্তি থাকলে ফর্ম-৭ জমা দিতে পারেন। এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলেও, কারও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে না’ (Form 6)। ফর্ম-৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যদি এখন তালিকায় থাকেন, কিন্তু পরে বাদ পড়েন, সে ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। মনে রাখতে হবে, কেউ যদি এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তার মানে এই নয় যে, তাঁর ভোটাধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়া হবে (Supreme Court)।” ফর্ম-৬ নিয়ে কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইনের অনুচ্ছেদ ২৩ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত নাম অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। আজ কেউ যদি ১৮ বছরে পা দেন, তাঁরও ভোটার তালিকায় নাম তোলার অধিকার রয়েছে। কারও আইনগত অধিকার থাকলে, তাকে কেউ বাধা দিতে পারে না।”

    কী বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি 

    এদিকে, এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠিতে আমরা সন্তুষ্ট। প্রায় ৪৭ লাখ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।” তিনি জানান, ট্রাইবুনালও দ্রুত কাজ শুরু করবে (Form 6)। ৬ এপ্রিল, সোমবার বিকেল ৪টেয় সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি প্রথমে বলেছিলেন, “আমাদের জানানো হয়েছে, ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তাই আমরা মামলাটি ৭ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রাখছি।” এই সময় কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যাঁরা ভোটার তালিকায় আসবেন, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। তাই বিবেচনাধীনদের নামের নিষ্পত্তি ৭ তারিখের পরিবর্তে ৬ তারিখ রাত ১২টার মধ্যে করা হোক (Supreme Court)। শুনানিও ৬ তারিখ রাখা হোক।” তার পরেই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে চলতি মাসের ৬ তারিখে (Form 6)।

     

  • Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Prez Droupadi Murmu)। ৩০ মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হল আইনে। সোমবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন প্রণয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গত সপ্তাহেই সংসদে পাস হয় বিলটি। প্রথমে লোকসভায় এবং পরে রাজ্যসভায়ও অনুমোদন পায় বিলটি। বিরোধীদের দাবি ছিল, বিলটি একটি নির্বাচিত কমিটির কাছে পাঠানো হোক। কারণ এতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মর্যাদা ও অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও সরকার সংসদে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়।

    ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণ

    এই সংশোধনী আইনে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তনও আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের পূর্ববর্তী আইনে ব্যক্তির নিজস্ব অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এতে ট্রান্স-পুরুষ, ট্রান্স-নারী, জেন্ডার কুইয়ার ব্যক্তি এবং কিন্নর ও হিজড়ের মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। নয়া আইনে এই সংজ্ঞা সংকুচিত করা হয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্বীকৃত সামাজিক-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী যেমন কিন্নর, হিজড়ে, আরাবাণি এবং জোগতা সম্প্রদায়কে। এর পাশাপাশি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্টারসেক্স বৈচিত্র্য বা জন্মগত জৈবিক পার্থক্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের। যারা জোরপূর্বক বিকৃতি বা চাপের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় গ্রহণে বাধ্য হন, তাঁদেরও এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

    পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি সরকারের

    একই সঙ্গে, শুধুমাত্র যৌন অভিমুখিতা বা ব্যক্তিগতভাবে অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে চিহ্নিত করা ব্যক্তিদের এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে সরকারের তরফে বলা হয়েছে, আগের সংজ্ঞাটির পরিসর অত্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ফলে প্রকৃতভাবে বৈষম্যের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার জানান, এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হল সেইসব ব্যক্তিদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যারা জৈবিক অবস্থার কারণে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হন, এবং একই সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা বজায় রাখা (Transgender Bill 2026)।

    কঠোর শাস্তির বিধান

    তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগেরও সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৪০ জন আইনজীবী এবং এএলআইএফএ এবং নজরের মতো নারীবাদী সংগঠন রাষ্ট্রপতির সম্মতির আগে (Prez Droupadi Murmu) তাঁকে চিঠি দিয়েছিল। অনেকেই জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, (নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণের অধিকার) এখন সীমিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সংশোধনীকে সরকার এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করছে, যা আইনের স্পষ্টতা বাড়াবে এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করবে। এতে পরিচয় নির্ধারণের একটি আরও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ রেখে অপব্যবহার রোখার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক পরিচয় পরিবর্তন এবং শোষণের মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে গুরুতর সামাজিক (Transgender Bill 2026) বঞ্চনার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

  • India: একত্র বসবাসকারী যুগলদের ‘বিবাহিত’ ধরে নিয়ে জনগণনা, আধুনিক ভারতীয় পরিবারকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

    India: একত্র বসবাসকারী যুগলদের ‘বিবাহিত’ ধরে নিয়ে জনগণনা, আধুনিক ভারতীয় পরিবারকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসঙ্গে বসবাসকারী অবিবাহিত যুগলদের ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) বিবাহিত হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে (India)। অবশ্য যদি তাঁরা তাঁদের সম্পর্ককে একটি “স্টেবল ইউনিয়ন” বা স্থিতিশীল সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করেন । আধুনিক ভারতীয় পরিবারের বাস্তবতা প্রতিফলিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কেন্দ্রের। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া (RGCCI) ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ওই ঘোষণা করেন। এটি ১৬তম জাতীয় জনগণনার প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্নের (Frequently Asked Questions) একটি। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে শহর ও গ্রামের লাখ লাখ একত্রবাসকারী যুগলের ওপর। শুধু তাই নয়, এটি গৃহস্থালি সংক্রান্ত তথ্য জোগাড়ের ক্ষেত্রে আরও বাস্তবসম্মত হবে, বিশেষ করে নির্ভরশীলতা এবং বাসস্থান কাঠামো বোঝার ক্ষেত্রে।

    সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ (India)

    ১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাউস লিস্টিং অ্যান্ড হাউজিং সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ। এই পদক্ষেপ আগে একটি প্রচলিত পদ্ধতিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। আগে অনেক ক্ষেত্রে তথ্যসংগ্রাহক স্বঘোষিত দম্পতিদের তথ্যের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গিয়ে “বিবাহিত” হিসেবে নথিভুক্ত করতেন। প্রশ্ন হল, এই স্টেবল ইউনিয়ন কী? নয়া সেল্ফ-এনিউমিরেশন পোর্টালের (self-enumeration portal) নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, “যদি কোনও লিভ-ইন রিলেশনশিপে থাকা যুগল নিজেদের সম্পর্ককে স্টেবল ইউনিয়ন বলে মনে করেন, তবে তাঁদের বিবাহিত দম্পতি হিসেবে গণ্য করতে হবে।” সরকারি এই নির্দেশ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৩০ লাখ ফিল্ড এনিউমেরেটর্সের জন্য, যাঁরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এই বিশাল ডিজিটাল সেনসাস এক্সসারসাইজ পরিচালনা করবেন।

    কী বলছেন সরকারি আধিকারিক

    এক আধিকারিক জানান, আগে এই প্রথা পালন করা হলেও, সেনসাস ২০২৭ (Census 2027) একে একটি ফর্মাল ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছে (India)। জনগণনা করতে গিয়ে সরকার জানতে চায় ৩৩টি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর। এর মধ্যে রয়েছে, বাড়িতে কতজন বিবাহিতা দম্পতি রয়েছে, কী ধরনের শস্য খাওয়া হয় ইত্যাদি। এই ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে একটি “সেনসাস- অ্যাজ-এ-সার্ভিস” মডেল তৈরি করতে চায়। ১১,৭১৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পের লক্ষ্যই হল মেশিন রিডেবল ডেটা তৈরি করা, যা ভারতের বর্তমান সোশ্যাল ফেব্রিক সঠিকভাবে প্রতিফলিত করবে।

    ব্যবধান কমানোর চেষ্টা

    আগে, জনগণনার সময় পরিবারের প্রধানের কথার ওপর নির্ভর করা হত। কোনও দম্পতি নিজেদের বিবাহিত বললে, সাধারণত আইনি প্রমাণ, যেমন বিবাহের শংসাপত্র চাওয়া হত না। সরকার এই সিদ্ধান্তে এসেছে ২০২১ সালের জনগণনা দীর্ঘ বিলম্বের পর। করোনা অতিমারী এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের জেরে পিছিয়ে গিয়েছিল। ২০২৬-২৭ সালের জনগণনা আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে থাকবে জাতিগত গণনা, সেল্ফ এনিউমারেশন অপশন। এতে নাগরিকরা নিজেরাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন (Census)। এভাবে সরকার আইনি সীমাবদ্ধতা ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছে (India)।

    স্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া

    সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের উন্নতির জন্য প্রথমে তার তথ্যকে সত্যের প্রতিফলন হতে হবে। ‘স্টেবল ইউনিয়ন’ বা স্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি স্বীকার করে, সহচরিতা, পরিবারের ধারণা, সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে। তাই নীতিনির্ধারণেও সেই পরিবর্তন প্রতিফলিত হওয়া উচিত। একত্রবাসকারী দম্পতিদের স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্র আদতে তৈরি করছে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ। মনে রাখতে হবে, এটি শুধু সংখ্যার বিষয় নয়, এটি একটি মানুষের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকারের মর্যাদা দেওয়ার বিষয়। এই সঠিক তথ্য ভবিষ্যতে আরও উন্নত নগর পরিকল্পনা এবং সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে সাহায্য (Census) করবে, যাতে সব ধরনের স্থিতিশীল পরিবারই সমান সুরক্ষা পায় (India)।

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি টানা চার দশক ধরে তিল তিল করে একটি দল গড়ে তুলেছিলেন। দলীয় প্রতীকে টানা তিনবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ীও হয়েছিলেন। সম্প্রতি কেরল সিপিআই(এম)-এর সেই নেতাই যোগ দিলেন (Kerala Elections 2026) বিজেপিতে।

    বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন বাম বিধায়কের (Kerala Elections 2026)

    কেরালার দেবীকুলাম থেকে তিনবারের সিপিআই(এম) বিধায়ক এস রাজেন্দ্রন কয়েক মাস আগে দল ছেড়েছেন। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। দেবীকুলাম আসন থেকেই বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রাজেন্দ্রন। এক সময় যিনি সিপিআই(এম)-এর প্রতীকে লড়ে গিয়েছিলেন কেরালা বিধানসভায়, সেই তিনিই এবার লড়ছেন স্বেচ্ছায় ছেড়ে চলে আসা নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে।  এর মাধ্যমে তিনি বামপন্থীদের সামনে ৯ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যদি একজন মানুষ, যিনি জীবনের দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে দলকে দিয়েছেন, সেই তিনিই এখন দল ছেড়ে তাঁরই পুরানো দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, “দলীয় নীতি বা আদর্শ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু কিছু নেতার আচরণে সাম্প্রদায়িকতার ছাপ দেখা যাচ্ছে। আজ সব দলেই (Kerala Elections 2026) ভেতরে ভেতরে সাম্প্রদায়িকতা রয়েছে—এবং তা খুবই সক্রিয়।”

    বিজেপির প্রার্থী 

    জানা গিয়েছে, যে আসনে একসময় তিনিই ছিলেন বামপন্থীদের মুখ, সেই আসনেই তিনি বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, এটি তাঁর পুরানো দলের বিরুদ্ধে একটি রায়, এবং নতুন দলের ওপর একটি আস্থাও। যে দল সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করেছে এবং বহু বছর ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে এই অভিযোগই করেছিলেন, সেই দলের নেতৃত্বের মধ্যেও একই প্রবণতা রয়েছে বলে দাবি করেন রাজেন্দ্রন (Kerala Elections 2026)। এটি ব্যতিক্রম নয়, বরং খুব সক্রিয় বাস্তবতা। রাজেন্দ্রনের দলবদলকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে শুধু প্রতীক নয়, তাঁর যুক্তিও। তিনি জানান, রাগ বা আবেগ থেকে নয়, বরং “চূড়ান্ত মূল্যায়নের” পরেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, “মোদি সরকারের উন্নয়নের কথা বিবেচনা করলে, সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা কেন তাঁর কাছে যাব না? বিজেপিকে বলতে হবে সমস্যা কোথায়?” তিনি বলেন, “এই চূড়ান্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আমরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।”

    অবহেলিত চা-বাগানের শ্রমিকরা

    তিনি জানান, দেবীকুলামের চা-বাগান অঞ্চলে ৪০ বছরের বামপন্থী রাজনীতি শ্রমিকদের জীবনে বাস্তবিকই কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। তিনি বলেন, “তাঁদের জীবনে প্রকৃত উন্নতি কিছুই হয়নি (Kerala Elections 2026)। দেবীকুলামের মানুষের সমস্যা কোনও একটি বিমূর্ত রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, এগুলি প্রতিদিনের বাস্তব সত্যই। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, বন দফতর ‘পট্টায়ম’ জমিতে হস্তক্ষেপ করছে যা আইনত কৃষকদের মালিকানাধীন। তিনি বলেন, “মানুষ নিজেদের জমিতেও ঢুকতে পারছে না।” রাজাদের আমল থেকে থাকা রাস্তা—যেমন নেরিয়ামঙ্গলম থেকে আদিমালি পর্যন্ত ৬–১২ কিমি দীর্ঘ পথ দখল করা (BJP) হচ্ছে। বহু প্রজন্ম ধরে ব্যবহৃত এই রাস্তাগুলির জন্য এখন স্থানীয়দের বিরুদ্ধেই মামলা হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিটি দখলই উন্নয়নের পথে নয়া বাধার সৃষ্টি করছে।”

    কী বলছেন স্থানীয়রা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বন্যপ্রাণীর আক্রমণে প্রায়ই মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, মারা যাচ্ছে গবাদি পশুও। রাজেন্দ্রন বলেন, “সেদিনই হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির।  বাঘ, চিতা, বানর, ময়ূর—সবই মানুষের বসতির আরও কাছে চলে আসছে। এগুলি স্রেফ পরিসংখ্যান নয়। মানুষের মৌলিক অধিকারও অধরা রয়ে গিয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য প্রতিশ্রুত ঘর (লায়াম) এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। জাতিগত সনদ মেলেনি। বাসস্থানের অধিকার অনিশ্চিত।” তিনি বলেন, “দেবীকুলামের শ্রমিকদের উদ্দেশে রাজেন্দ্রনের বার্তা, তিনি তাঁদের পুরানো অভ্যাস ছেড়ে দিতে বলছেন না, বরং বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখায় উৎসাহী হতে বলছেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে জাত বা ধর্ম নয়, তাঁর কাছে আছে খিদে, সমস্যা আর কষ্ট। ”

    ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান

    তিনি বলেন, “কংগ্রেস দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি—না চার লেনের রাস্তা, না রেলপথ নির্মাণ, না পেনশন সংস্কার”। এলডিএফ রাজ্য পর্যায়ে সীমাবদ্ধ, জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে না। তিনি বলেন, “এলডিএফ এবং ইউডিএফ একজোট হলেও বড় কোনও আইনগত পরিবর্তন আনতে পারবে না (Kerala Elections 2026)।” ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান তিনি। বলেন, “যা করার, আগামী ১০ বছরের মধ্যেই করতে হবে।” প্রশ্ন হল, তার পরেও কেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যখন কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সরকার ইতিমধ্যেই রয়েছে। রাজেন্দ্রনের প্রশ্ন, “৪০ বছরে আমরা এই আদর্শ নিয়ে কতদূর এগোলাম? আগামী প্রজন্ম কোথায় গিয়ে পৌঁছবে?”

    বস্তুত, এটি শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং একজন মানুষের আত্মসমীক্ষা, যিনি জীবনের সেরা সময় একটি আদর্শের পেছনে ব্যয় করেছেন, এবং শেষে দেখেছেন সেই আদর্শ ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। তিনি মনে করেন (Kerala Elections 2026), শ্রমিকরা শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব পরিবর্তনের যোগ্য। আর সেই পরিবর্তন, এই মুহূর্তে, গেরুয়া রঙেই (BJP) প্রতিফলিত হচ্ছে।

     

  • Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো-হারান হারাতে কোমর বেঁধে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হয়েছেন ভবানীপুরেও। এই ভবানীপুরেই মমতা প্রার্থী (Assembly Election 2026) হবেন বলে অনেক আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতা। অতএব, ভবানীপুরে (Amit Shah) লড়াই হবে জোরদার। বৃহস্পতিবার এই ভবানীপুর কেন্দ্রেই মনোনয়নপত্র পেশ করবেন শুভেন্দু। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র পেশ করতে যাবেন শুভেন্দু। সেই দিনই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে।

    বাংলায় আসছেন শাহ (Assembly Election 2026)

    বিজেপি সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন পেশ করার আগে হাজরা মোড়ে জনসভা করতে পারেন শাহ। তার পর সেখান থেকে এক কিলোমিটার রোড শো করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের আগে পর্যন্ত যাবেন। শেষে ২০০ মিটার পথ যাবেন হেঁটে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে সোমবারই মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Assembly Election 2026)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে। তাতে এক সঙ্গে অনেকগুলি বার্তা দেওয়া যাবে। এক, এটা বোঝানো যাবে যে শুভেন্দুর প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর সতীর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর দ্বিতীয় বার্তাটি হল, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দেবেন ‘জায়ান্ট কিলার’ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Amit Shah)।

    সেটিং-তত্ত্ব খারিজ

    বঙ্গবাসীর একাংশের অভিযোগ ছিল বিজেপি এবং তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনের ঢের আগে শুভেন্দু দলীয় নেতাদের বুঝিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া যাবে দুভাবে। এক, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে যদি তৎপরতা শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আর দ্বিতীয় পথটি হতে পারে, ভবানীপুরে মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সে ক্ষেত্রে তিনিই প্রার্থী হতে প্রস্তুত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দ্বিতীয় অপশনটিকেই বেছে নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Assembly Election 2026)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভবানীপুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের পর তো ভবানীপুর বিজেপির হয়েই গিয়েছে। আমি জিতলে বিজেপি ভবানীপুরে প্রথমবার জিতবে এমন নয়। কারণ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যখন মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তথাগত রায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি পড়ে প্রাক্তন সাংসদ তথাগতের লোকসভা কেন্দ্রে। সেবার ভবানীপুর কেন্দ্রে দুহাজারেরও ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি।” শুভেন্দু আরও বলেন, “চুরি-চামারি, ছাপ্পা, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে জিততেন। এসআইআরের পর সেটা আর সম্ভব নয়। মোদিজি, নীতিন নবীনজি আমায় ভবানীপুরে প্রার্থী করেছেন গুন্ডামি রোখার জন্য।” তিনি বলেন, “২৩ তারিখ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এবং গোটা রাজ্যে থাকব। ২৪ তারিখ সকাল থেকে ভবানীপুরে থাকব। ২৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কাজ (Amit Shah) শেষ করে, স্ট্রং রুম সিল করে ভবানীপুর ছাড়ব। ৪ মে দেখা হবে।” প্রসঙ্গত, বঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, আর দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ তারিখে (Assembly Election 2026)।

    নন্দীগ্রামে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের

    গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হাজার দুয়েক ভোটে মমতাকে ধরাশায়ী করেছিলেন শুভেন্দু। মমতার বিশ্বাস ছিল, নন্দীগ্রামবাসী তাঁকে বিমুখ করবেন না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিজেই প্রার্থী হন মমতা। তিনি ভেবেছিলেন, শুভেন্দু তাঁর ছায়া, কায়া নয়। তাই শুভেন্দুকে হারবেন। যদিও নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায় মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। হেরে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূলেশ্বরীই। পরে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়ে কোনওক্রমে বাঁচান মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি। এর পর নানা সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, দল তাঁকে ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বললে তিনি দাঁড়াবেন এবং তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রীকে ধরাশায়ী করবেন। এবার সেই দ্বৈরথই দেখতে চলেছেন ভবানীপুরবাসী (Assembly Election 2026)।

  • WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট বিজেপি নেতার। এঁদের একজন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari), আর অন্যজন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনই অভিযোগ তুলে সিইও দফতরের দ্বারস্থ হলেন (WB Assembly Election 2026) ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

    কী বললেন শুভেন্দু 

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু পুলিশের কয়েকজন পদস্থ কর্তার নামও নিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,  “এসটিএফের (STF) জাভেদ শামিম, আইবি-র বিনীত গোয়েল, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করছে, আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্য প্রমাণ রয়েছে।” শুভেন্দুর দাবি, সিআইডি, এসটিএফ, আইবি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনকে। নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের অভিযোগ, “ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভার্মা কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের এখনও আগের মতোই সুবিধা করে দিচ্ছেন।” শুভেন্দুর আরও (WB Assembly Election 2026) অভিযোগ, জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালিও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন।

    মমতার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন তিনি।” প্রসঙ্গত, গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে মমতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত (Suvendu Adhikari)। প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওঁকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি (WB Assembly Election 2026) না।” এ নিয়ে সোমবারই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে নালিশ করে এসেছেন। মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়ে এসেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ” আমরা বিগত দিনে দেখেছি, রাহুল সিনহা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের বক্তব্যের মিস কোট করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই কাউকে ৩ দিন, ২ দিন ১ দিন নির্বাচন প্রচারে ব্যান করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন করা হবে না? মনোজ আগরওয়ালের কাছে দাবিপত্র রেখেছি (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • Calcutta High Court: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের, ঘাসফুল শিবিরের আবেদন খারিজ

    Calcutta High Court: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের, ঘাসফুল শিবিরের আবেদন খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে প্রশাসনিক রদবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) তরফে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেটি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সাফ কথা, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে চায় না আদালত।

    আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল (Calcutta High Court)

    মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের তরফে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, বিডিও, ওসি, আইসি-সহ বহু প্রশাসনিক আধিকারিককে একযোগে বদলি করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলের তরফে চাওয়া হয়েছিল আদালতের হস্তক্ষেপ।

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অর্ককুমার নাগ। ২৩ মার্চ মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। মামলাকারীর হয়ে সওয়াল করেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি, তাদের এক্তিয়ার নিয়েও আপত্তি জানানো হয়। তবে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রদবদল করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া স্বাভাবিক (Calcutta High Court)। আদালতও কমিশনের সেই যুক্তিতেই সায় দিয়ে জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। এরপর প্রত্যাশিতভাবেই তৃণমূলের আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

    প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদলি

    প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি। তার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদলির প্রক্রিয়া শুরু হয়। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি থেকে শুরু করে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, এমনকি ওসি এবং বিডিও পর্যায়েও ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে (TMC)। এই রদবদলের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের। সেখানেই আরও একবার মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের (Calcutta High Court)।

     

LinkedIn
Share