Tag: Madhyam

Madhyam

  • Suvendu Adhikari: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির জেলিয়াখালি যাওয়ার পথে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে স্বাগত এবং সংবর্ধনা গ্রহণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের উপর আক্রমণের ৫৬ দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে পলাতক তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে আজ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মানুষের আন্দোলন, জনরোষের কাছে প্রশাসন নতি স্বীকার করে কার্যত গ্রেফতার করেছে বলে মনে করছে বিজেপি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন বলেন, “শাহজাহানের বিরুদ্ধে অ্যাকশান হওয়া উচিত। এখানে একটা বিরাট চক্র রয়েছে সিরাজ, জিয়াউদ্দিন, আলমগীরে সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। ২০১৮ সালের ৩ জনকে খুনের মামলা নিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছি। আমরা চাই মামলায় সিবিআই তদন্ত করুক।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    জেলিয়াখালি যাওয়ার পথে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “এডিজি সুপ্রতীম সরকার মিথ্যা বলেছেন। হাইকোর্টের কোনও রকম স্থগিতাদেশ ছিল না। ২০০৬-০৭ সালে সিপিএমের আমলে সিঙ্গুরের বিরাট অপকর্ম করেছেন। ওঁর সম্পর্কে যত কম বলা যায় তত ভালো। তিনি তৃণমূলের শেখানো কথা বলছেন। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের ১০০ শতাংশ রাজনীতিকরণ হয়েছে। তৃণমূলের শাখা সংগঠন হল পুলিশ। সাংবাদিকদের বাড়িতে গিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। এতে ড্যামেজ কন্ট্রোল হবে না। শাহজাহানকে ধরার আগে ডিআইজি ভাস্কর মুখার্জির গাড়িতে করে পুলিশ প্রথমে ফলতায় নিয়ে যায়, এরপর মিনাখাঁয় এনে বাড়ির পরিবারের সঙ্গে দেখা করানো হয়। সেখানে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে আশ্বাস দেন যে কয়েক দিনের মধ্যেই ফিরে আসবেন। পুলিশের দলের মধ্যে আমার লোক রয়েছে। সূত্রে আমি আগেই জেনে গিয়েছি। মমতার পাশে কেউ নেই। আপনি যা যা পরিকল্পনা করবেন আপনার লোকেরা আমাকে খবর দিয়ে আপনার সমস্ত পরিকল্পনাকে ভঙ্গ করবেন।”

    আর কী বললেন?

    শাহজাহানের গ্রেফতার প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এটা কোনও গ্রেফতার নয় মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট। তাঁকে ফাইভ স্টারে রাখা হবে, মোবাইল ফোন সঙ্গে থাকবে। সবকিছুকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে থেকে কন্ট্রোল করবেন শাহজাহান। তাই আমাদের দাবি ওঁকে ইডির হেফাজতে চাই। সিবিআই অবিলম্বে মামলাকে হস্তক্ষেপ করুক। মানুষ চাইছে তাঁদের প্রতি অন্যায়ের বিচার হোক। কড়া শাস্তি চাই আমরা। ইডি আক্রান্ত হওয়ার পর পুলিশে কেস করেছে, তাই সবটাই পুলিশের দায়িত্ব ছিল। এই সব কিছুর সাফল্য ইডির। ইডি যদি না যেতো আর মূর্খ শাহজাহান যদি মারপিট না করত তাহলে এই কুকর্মের কথা মানুষ জানতেই পারতো না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করাতে হবে, দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের

    Jalpaiguri: ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করাতে হবে, দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভে উত্তাল কলেজ ক্যাম্পাস। ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করাতে হবে, কার্যত এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখালো টিএমসিপি। এই ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি সুকান্ত মহাবিদ্যালয়ে। কলেজের অধ্যক্ষের ঘরের সামনেই একত্রিত হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন পড়ুয়ারা। তাদের সকলের দাবি, ফার্স্ট সেমিস্টারে পাশ করাতে হবে। এই আজব দাবিতে অবাক শিক্ষকদের একাংশ। 

    বিনামূল্যে পরীক্ষার খাতার পুনর্মূল্যায়ণ চায় টিএমসিপি (Jalpaiguri)

    কলেজের (Jalpaiguri) অধ্যক্ষকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় কলজে পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের দাবি, “ফেল করা ছাত্রদের পাশ করাতে হবে, সেই সঙ্গে পাশের জন্য খাতা দেখতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না।” এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শাসক দলের ছাত্র সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলির প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষায় ৯০ শতাংশ পড়ুয়ারা ফেল করেছেন। এই ফেলের লিস্টে রয়েছে ধূপগুড়ি সুকান্ত মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। এই কারণে ফেল করা পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছে টিএমসিপি। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মূল দাবি হল, “বিনামূল্যে পরীক্ষার খাতার পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। আর যদি পাশ না করানো হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অবহেলা চলবে না।”

    টিএমসিপির বক্তব্য

    অধ্যক্ষের (Jalpaiguri) ঘরের সামনেই বিক্ষোভ দেখান হয় কলেজের টিএমসিপি শাখার পক্ষ থেকে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য অর্ধেন্দু চক্রবর্তী বলেন, “আমরা বিক্ষোভ করছি কারণ আমরা বিশ্বাস করি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী ফেল করতে পারে না। ছাত্র-ছাত্রীদের নিশ্চিত ভাবে খাতা ভালো করে মূল্যায়ন করা হয়নি। গাফিলতি অবশ্যই হয়েছে। নয় তো একসঙ্গে এতো ফেল কীভাবে সম্ভব?” সংগঠনের আরেক সদস্য কৌশিক রায় বলেন, “আগেও আমরা টিএমসিপির পক্ষ থেকে আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এবার ইচ্ছে করে আবার ফেল করানো হয়েছে। এই আন্দোলনের দাবি সঠিক। আমরা ফেল করা ছাত্রদের পাশে রয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: কোন্নগরের শিশু খুনে ধৃত মা শান্তা জেলে বিরিয়ানি খেতে চান

    Hooghly: কোন্নগরের শিশু খুনে ধৃত মা শান্তা জেলে বিরিয়ানি খেতে চান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলে বিরিয়ানি খেতে চান কোন্নগরের শিশু খুনে ধৃত শান্তা ও তার বান্ধবী। আর যদি তা না পান তাহলে তদন্তে সহযোগিতা করবে না বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য ধৃত শান্তা শর্মাকে রাখা হয়েছে উত্তরপাড়া থানায়। অপরে বান্ধবী ইফফাত পারভিন বন্দি রয়েছে শ্রীরামপুর (Hooghly) মহিলা থানায়। উল্লেখ্য জেরা করার সময় পারভিনকে উত্তরপাড়া থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে। জেলে বসে এই খাবারের আবদারে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলায়।

    পুলিশ সূত্রে বক্তব্য (Hooghly)

    আট বছরের সন্তানকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে মা এবং বান্ধবী। উল্লেখ্য যদিও কেউ এখনও পর্যন্ত খুনের বিষয় নিয়ে নিজের মুখে কিছুই স্বীকার করেনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “দুজনেই জেলের (Hooghly) খাবার খাইতে চাইছে না। সন্তান খুনের গ্রেফতার হওয়া শান্তা চেয়েছে বিরিয়ানি খেতে। তার বান্ধবী ইফফাত আবার চায় চাইনিজ খাবার খেতে। যদিও কাউকেই তাদের পছন্দের খাবার দেওয়া হয়নি। খাবারের জন্য কেউ তদন্তে সহযোগিতা করছে না।” এই আজব দাবিতে অবাক সকলে। শিশুখুনে অভিযুক্ত শান্তা এবং পরভিন ৯ দিন ধরে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে বেশ কিছু সূত্র পেয়েছে। কিছু তথ্যপ্রমাণও পেয়েছে। ধৃতদের নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কিন্তু দুজনে তদন্তে অসহযোগিতা করছে বলে বিষয় উঠে এসেছে।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কোন্নগর (Hooghly) হত্যাকাণ্ডের এক তদন্তকারী অফিসার বলেন, “ধৃত দুই অভিযুক্ত মুখরোচক খাবার খেতে চাইছে। কেউ বিরিয়ানি আবার কেউ চাইনিজ খাবার। জেলের ডাল-ভাত বা রুটি কোনও পদই তাদের মুখে রোচে না। পছন্দের খাবার না পেয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছ দুই প্রধান অভিযুক্ত।”

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি স্কুলছাত্র শ্রেয়াংশু শর্মার খুনের চারদিন পর তার মা এবং বান্ধবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে দাম্পত্য কলহ এবং শান্তা-পারভিনের সমকামী সম্পর্কের কারণ খুন হতে হয়েছে শিশুকে। তবে এখনও জেরায় কেউ হত্যার কথা শিকার করেনি। তার মধ্যেই অভিযুক্তদের আজব দাবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নামেই পথশ্রী, আঙুল দিলেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ! এলাকাবাসী বন্ধ করল কাজ

    Murshidabad: নামেই পথশ্রী, আঙুল দিলেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ! এলাকাবাসী বন্ধ করল কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পথশ্রী প্রকল্পে মুখ্যমন্ত্রী ঢাকঢোল পিটিয়ে উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবের পরিস্থিতি একদম আলাদা। আজ মঙ্গলবার রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করায় এলাকার মানুষ ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছেন। বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) হরিহরপাড়া এবং নবগ্রামের বাসীরা। গ্রামবাসীদের দাবি সিডিউল অনুযায়ী কাজ করা হোক। পাশাপাশি শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি।

    হরিহরপাড়ায় নিম্নমানের সামগ্রীর অভিযোগ (Murshidbad)

    নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি করার অভিযোগে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভে বন্ধ হয়ে গেল রাস্তা নির্মাণের কাজ। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) হরিহরপাড়া থানার স্বরূপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নুড়িতলা মাঠ এলাকায়। জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ৪.২ কিলোমিটার রাস্তা, এক কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণের কাজ চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এখানে লোচনমাটি মাঠ থেকে স্বরুপপুর ঘোষপাড়া পর্যন্ত রাস্তার কাজ একেবারে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ হচ্ছিল। এদিন গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ পাথর যেখানে ৯ ইঞ্চি মোটা রাস্তার কথা, সেখানে করা হচ্ছে মাত্র সাড়ে ৬ থেকে ৭ ইঞ্চি। আবার যেখানে ৩ ইঞ্চি হওয়ার কথা সেখানে দেড় ইঞ্চি হচ্ছে। এমনকী কাজের বোর্ড না টাঙিয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসীরা।

    নবগ্রামে রাস্তার পিচ আঙুল দিয়ে তোলা যাচ্ছে

    এই জেলায় (Murshidbad) পথশ্রী প্রকল্পে নবগ্রাম ব্লকের ঘুরা-পাশ্লা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১.৪০ মিটার রাস্তার নির্মাণের কাজ পেয়েছে এসএস এন্টারপ্রাইজ। ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজার ৬৫১ টাকার এই কাজ মিনারেলের বাড়ি থেকে দুর্গা মন্দির পর্যন্ত পিচ রাস্তা নির্মাণ হওয়ার কথা। কিন্তু এই কাজ শেষ হওয়ার পরেই এলাকার মানুষজন বিক্ষোভ দেখান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি হয়েছে আর তাই নতুন রাস্তার প্রলেপকে সামান্য আঙুল দিয়ে স্পর্শ করলে উঠে যাচ্ছে পিচ। ঠিকাদার সংস্থা যেভাবে পিচ দিয়ে রাস্তা তৈরি করছে তা দু একদিনের মধ্যেই রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করেছেন এলাকাবাসীরা। অপরে ঠিকাদার সংস্থার কর্ণধার নবগ্রামের বুড়া পাঁচলাই তার কোনও খোঁজ মেলেনি। যোগাযোগ করলেও পাওয়া যায়নি।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাস্তার প্রসঙ্গ নিয়ে বিজেপির জেলা (Murshidbad) সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, “রাজ্যের শাসকদল প্রশাসনকে ব্যবহার করে টাকা লুট করছে। রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নওদার বিডিও অফিসে ইডি-সিবিআই তাল্লশি করতে গিয়েছিল। আগামী দিনে তৃণমূলের সব চোরদের জেলে ভরা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: এলাকা দখল ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি!

    Paschim Medinipur: এলাকা দখল ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা রোডের কোল্লা গ্রামে (Paschim Medinipur)। মঙ্গলবার সাত সকাল থেকেই দেখা যায় ঘটনাস্থলে পড়ে রয়েছে তাজা বোমা। গতকাল সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্দল এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক ভাবে চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল এলাকায়।

    প্রকশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার চন্দ্রকোণা ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুরের কোল্লা গ্রামে জলসাকে ঘরে বিরাট গোলমাল বাধে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে। এক পক্ষের দাবি, বোমা বাজি করে আমাদের জলসা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল ওরা। পালটা অপর পক্ষের দাবি, নির্বাচনী চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয় এক নেতাকে। কিন্তু অপর পক্ষের পছন্দ না হওয়ায় আচমকা বোমা নিয়ে হামলা করে। ঘটনায় বিরাট উত্তেজনা শুরু হলে পুলিশ ঘটনা স্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই ছিল উত্তাল

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই এই কোল্লা গ্রাম (Paschim Medinipur) ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। প্রত্যেক বার নিজেদের মধ্যে তৃণমূলের অন্দরে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের টিকিট না পেয়ে কিছু তৃণমূল নেতা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়ে জয় লাভ করেছিল। এরপর তাদের আবার দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এলাকায় বুথ সভাপতি এবং ব্লক সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের সঙ্গে মূলত দ্বন্দ্ব বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচনে আম চিহ্নে জয়ী প্রার্থীরা তৃণমূলে যুক্ত হলে ঝামেলার সূত্রপাত হয়।

    নির্দল-তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Paschim Medinipur) বুথ তৃণমূল সভাপতি জিয়াউর রহমানের অনুগামী আব্বাস উদ্দিন খান বলেন, “আমি আম চিহ্নে জয়ী হলে বর্তমান তৃণমূলের কর্মীরা হামলা করে এবং এরপর বোমাবাজি করে।” অপর দিকে ব্লক তৃণমূলের সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, “জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে বিষয় সম্পর্কে জানিয়েছি, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

    Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল মেদিনীপুর আদালত। উল্লেখ্য ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল মাওবাদীরা। এই হামলায় মোট মৃত্যু হয়েছিল মোট ২৩ জন সেনাকর্মীর। জামিনে থাকা ৯ জন সহ মোট ২২ জনকে আজ মঙ্গলবার মেদিনীপুর (Medinipur) আদালতে তোলা হয়েছিল। একজন অসুস্থ থাকায় তাঁকে আদলাতের বাইরে অ্যাম্বুল্যান্সে শুয়ে রাখা হয়েছিল।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য (Medinipur)

    মেদিনীপুরের (Medinipur) শিলাদার এই মাওবাদী হামলার ঘটনায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মাওবাদী নেতা ছিলেন সুদীপ চোংদার। বর্তমানে তার অবশ্য মৃত্যু হয়েছে। আদালতের রায় প্রসঙ্গে আইনজীবী দেবাশিষ মাইতি বলেন, “ওই ঘটনায় ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়েছিল। তার মধ্যে একজন মারা গিয়েছেন। ৯ জন জামিনে মুক্ত ছিলেন। আজ মঙ্গলবার মোট ২৩ জনকেই আদলাতে তোলা হয়। বিচারক সালিম শাহি সকলকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং জামিনে থাকা ৯ জনকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচারক বুধবার দোষীদের বক্তব্য শুনবেন, এরপর সাজা ঘোষণা করবেন।”

    অপরাধীদের নাম

    সূত্রে জানা গিয়েছে এই মামলা প্রথমে ঝাড়গ্রামে শুরু হয়েছিল। এরপর মামলা মেদিনীপুর (Medinipur) আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মামলায় দোষীদের নাম হল, লোচন সিংহ সর্দার, চুনারাম বাস্কে, রমসাই হাঁসদা, আশিস মাহাত, ধৃতিরঞ্জন মাহাত, অর্ণব দাম, বিষ্ণু সারেন, বুদ্ধেশ্বর মাহাত এবং প্রশান্ত পাত্র। এরা প্রত্যকে জামিনে মুক্ত ছিল। অপরে জেলা হেফাজতে ছিল শ্যামচরণ হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শুকলাল সরেন, রাজেশ মুন্ডা, মানস মাহাত, কানাই হাঁসদা, কল্পনা মাইতি, সনাতন সরেন, মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমনি হেমব্রম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কাজল মাহাত, রঞ্জন মুন্ডা এবং মঙ্গল সরেন।

    প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা হয়েছিল

    ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শিলদা (Medinipur) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় ২৪ জন ইএফআর সেনার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য এই ক্যাম্পের কাছেই ছিল পুলিশের স্ট্রোক ক্যাম্প। হামলায় জওয়ানদের গুলি করে খুন করা হয়। এরপর ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় । সেই সঙ্গে চালানো হয় অস্ত্র ভাণ্ডারের লুটপাট।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: ‘সায়নীকে হারিয়েছিল এখানকার তৃণমূলই’, দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ মমতার

    Mamata Banerjee: ‘সায়নীকে হারিয়েছিল এখানকার তৃণমূলই’, দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সায়নীকে হারিয়েছিল এখানকার তৃণমূলই’ কার্যত লোকসভার ভোটের আগে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এইভাবেই আসানসোলে বিধানসভা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। জেলা তৃণমূলের কর্মীদের উপর এবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। উল্লেখ্য গত ২০২১ সালের বিধানসভায় তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। অপর দিকে তাঁকে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির জয়ী প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। মমতার (Mamata Banerjee) মন্তব্যে তৃণমূলের মধ্যেই অস্বস্থির ছায়া।

    কী বললেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    গতকাল সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি বৈঠক ছিল দুর্গাপুর সার্কিট হাউসে। বিধানসভা কেন্দ্রিক দলকে জয়ী করার লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করা হচ্ছিল। এরপর আসানসোল দক্ষিণের কথা উঠলে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গতবারের বিধানসভায় এই কেন্দ্রের হারকে নিয়ে তিনি বলেন, “আমার কাছে সব খবর রয়েছে। জেলার তৃণমূলের নেতারা বিশ্বাস ঘাতকতা করলে কাউকেই ছেড়ে কথা বলা হবেনা।” সেই সঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনকে নির্বাচনের সময় পিছনের সারিতে থাকার কথা বলেছেন তিনি। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, “ওই সংগঠনের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ এসেছে আমার কানে। দলের কর্মীদের বাদ দিয়ে বিরোধী দলের কর্মীদের কলকারখানা, সরকারি-বেসরকারি জায়গায় কাজের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা এমন কাজ করেছেন তাঁরা ঠিক কাজ করেননি।”

    দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিলেন সায়নী

    আসানসোলে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পর সায়নী সেই সময় বলেছিলেন, “কিছু ভাল খেলা হয়েছে। কিছু খারাপ খেলাও হোয়েছে। তুমিও জানো আমিও জানি, কে ঠিক করে খেলেছে আবার কে ভুল খেলেছে। কে দলের হয়ে খেলেছে আবার কে দলের বিরুদ্ধে খেলেছে। সব থেকে বেশি কর্মীরাই জানেন।” তাই মমতার (Mamata Banerjee) মন্তব্যে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল স্পষ্ট বলে মনে করছে বিজেপি। মমতার স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, “প্রত্যেকে বিধানসভার যে সব আসনে তৃণমূলের বিধায়কেরা রয়েছেন, সেই সব আসনে লোকসভা ভোটে তাঁদেরকে দায়িত্ব নিয়ে জয়ী করতে হবে দলের প্রার্থীদের। বাকি আসনের দায়িত্ব থাকবে জেলা নেতৃত্বের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “সিপিএমের ফেলে যাওয়া চটিতে পা গলিয়েছেন মমতা”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “সিপিএমের ফেলে যাওয়া চটিতে পা গলিয়েছেন মমতা”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ব্যরাকপুরে আইনজীবী এবং কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচির বাড়িতে গণেশ পুজো উপলক্ষে যান। তিনি বলেন, “মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছি, কোনও রাজনৈতিকই কারণ নেই। তবে আমরা সংগ্রামী যৌথমঞ্চের পক্ষে থেকে একসঙ্গে দুর্নীতিগ্রস্থ পিসি-ভাইপোর বিরুদ্ধে লড়াই করছি।”

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    ব্যরাকপুরে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই দিন সাংবাদিকদের বলেন, “ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে এসেছি কৌস্তভের বাড়িতে। তবে পিসি-ভাইপো যেখানে, কৌস্তভ নেই সেখানে। এখন কংগ্রেস, মমতা-অভিষেকের কাছে আত্ম সমর্পণ করেছে। তাই সেখানে কৌস্তভ নেই। বাকিটা তাঁকেই ঠিক করতে হবে। আগামী সময়ে বলবে কী হবে। চোরেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মুখের মধ্যে অন্যতম মুখ হলেন কৌস্তভ। বাংলাকে বাঁচাতে হলে একমাত্র বিকল্প হল বিজেপি। সিপিএম-কংগ্রেস, তৃণমূলের সঙ্গে জোট করেছে। দেশে মোদির বিকল্প কিছুই নেই। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নিজে কংগ্রেস ত্যাগ করেছেন। তিনিও বুঝতে পেড়েছেন বিকল্প একমাত্র বিজেপি। কৌস্তভকেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজনৈতিক সৌজন্য এই রাজ্যে সিপিএম আগেই শেষ করে দিয়েছে, কিন্তু যে টুকু বাকি ছিল তৃণমূল এসে শেষ করে দিয়েছে। কৌস্তভ একজন রাষ্ট্রবাদী সৎ ছেলে এবং দেশপ্রেমী হিসাব পরিচিত।”

    আর কী বললেন?

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “দুর্নীতি গ্রস্থ এই সরকার সকলের ফোন ট্যাপ করে। হোয়াটসঅ্যাপ কল করতে হয় সকলকে। কথা বলা যায় না ইচ্ছে থকালেও। ‘চোর মমতা’র শাসনে রাজনৈতিক সৌজন্য বলে কিছু নেই। অন্য রাজ্যে এমন ঘটনা ঘটে না, কেবলমাত্র এই রাজ্যেই হয়ে থাকে। সিপিএমের ফেলে যাওয়া চটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পা গলিয়েছেন। সিপিএম যা শুরু করেছিল মুখ্যমন্ত্রী সেই বৃত্ত পূর্ণ করেছেন। এই কালচারের বদল ঘটা দরকার। সরকারের দুর্নীতিগ্রস্থ পরিবার তন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলের সঙ্গে আমরা আছি। লক্ষ্য যেহেতু এক, তাই শুধু পুজোতে নয়, রাজনৈতিক মঞ্চেও একসঙ্গে কাজ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সন্দেশখালিকাণ্ডে বহরমপুরেও নির্বিচারে লাঠিচার্জ পুলিশের, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র এলাকা

    Murshidabad: সন্দেশখালিকাণ্ডে বহরমপুরেও নির্বিচারে লাঠিচার্জ পুলিশের, কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্র এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad) বাম কর্মী-সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়েছে। উল্লেখ্য, আজ বহরমপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে আইন অমান্য আন্দোলন ছিল। রাজ্য জুড়ে নারী নির্যাতন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই আন্দলেনের ডাক দিয়েছিল বামেরা। এরপর বামকর্মীরা পুলিশের উপর ইট ছুড়লে খণ্ডযুদ্ধ বাধে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকদের উপর ব্যাপক লাঠচার্জ করে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত ওঠে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন এক ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, তিনি পোস্ট অফিসে কাজ করতে গিয়েছিলেন। পুলিশের মারে গুরুতর আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়েছিলেন। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    দাবি কী ছিল (Murshidabad)?

    শ্রমিক কৃষক খেতমজুরদের পক্ষ থেকে আজ ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জেলাশাসকের (Murshidabad) দপ্তর অভিযান করা হয়। আইন অমান্য ও জেলভরো আন্দোলনে সামিল হন সিপিএমের সমস্ত সহযোগী দলগুলি। বহরমপুরের পঞ্চাননতলা থেকে মিছিল শুরু হয়ে টেক্সটাইল মোড়ে এসে শেষ হয়। প্রথমে বাধা দেয় বহরমপুর পুলিশ প্রশাসন। এরপর পুরো এলাকাকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। মিছিল রুখতেই রীতিমতো শুরু হয় সিপিএম সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি। লাঠিচার্জ করে পুলিশ, তাতে অনেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয় বলে জানা গিয়েছে। ছোড়া হয়ে টিআর গ্যাস, মিছিল বাঞ্চাল করাই উদ্দেশ্যে ছিল।

    পূর্ব বর্ধমানে বিক্ষোভ

    সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে, প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সরকারকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ, বিদুৎ বিল, স্মার্টমিটার বাতিল, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বেসরকারিকরণ বন্ধ করা সহ বিভিন্ন দাবিতে আইন অমান্য কর্মসূচি হল বর্ধমানে। পূর্ব বর্ধমান জেলা সি.আই.টি.ইউর আহ্বানে আইন অমান্যের কর্মসূচীর জন্য জিটি রোডে বেশ কয়েকটি ব্যারিকেড গড়ে তোলে পুলিশ প্রশাসন। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো বর্ধমানেও শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্যের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ সঙ্গে একপ্রস্ত ধস্তাধস্তি চলে আন্দোলনকারীদের। তারপর বাদামতলার মোড়ে ব্যারিকেডে আটকে পড়ে আন্দোলনকারীরা।সেখানেই পথসভা করা হয় সিটুর পক্ষ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mount Everest: আর যত্রতত্র ত্যাগ নয়, মলের ব্যাগ বহন করতে হবে এভারেস্ট অভিযাত্রীদের

    Mount Everest: আর যত্রতত্র ত্যাগ নয়, মলের ব্যাগ বহন করতে হবে এভারেস্ট অভিযাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এভারেস্ট (Mount Everest) অভিযাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম আনছে নেপালের স্থানীয় প্রশাসন। পিঠে মলের ব্যাগ বহন করেই শৃঙ্গজয় করতে হবে আরোহীদের। অভিযানে যাওয়ার আগে বেসক্যাম্প থেকেই নিজেদের মল-মূত্রের ব্যাগ সংগ্রহ করে নিতে হবে। যাত্রাপথে নিজেদের মল-মূত্র সহ যাবতীয় বর্জ্য জমা রাখতে হবে ওই ব্যাগেই। পাহাড়ের প্রকৃতিক পরিবেশ যাতে নষ্ট বা দূষণ না হয় সেই জন্যই এই নিয়মের কথা বলা হয়েছে।

    পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভার সিদ্ধান্ত (Mount Everest)

    প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এভারেস্ট পর্বতে (Mount Everest) আরোহণ করার অভিসন্ধি অনেক আরোহীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। দুর্গম শৃঙ্গজয়ের লক্ষ্যে ছুটে যান দেশ-বিদেশের নানা আরোহীরা। বহু পর্বত আরোহীদের আনাগোনার কারণে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট বা দূষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল। আর তাই এভারেস্ট এবং লোৎসে পর্বত অভিযানের সময় বর্জ্য-পদার্থ ব্যাগেই বহন করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। পরিবেশকে সুস্থ্য রাখতে এই নিয়মের কথা জানিয়েছে পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভা। আবার এসপিসিসি-এর প্রধান কর্মী ছিরিং শেরপা বলেছেন, “একজন পর্বতারোহী প্রতিদিন প্রায় ২৫০ গ্রাম মলমূত্র ত্যাগ করেন। একজন পর্বতারোহী প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করেন। সেই হিসাবে আমরা দুটি ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছি, যার প্রতিটিকে পাঁচ থেকে ছয় বার ব্যবহার করা যাবে।“

    কী জানালো পুরসভার চিয়ারম্যন

    দিন দিন পাহাড়ের (Mount Everest) পরিবেশ মল-মূত্র এবং নানান বর্জ্য পদার্থের কারণের দুষণের মাত্রা ব্যাপক আকার নিয়েছে। এই বিষয়ে তাই প্রতিরোধ করতে পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভার চেয়ারম্যান মিঙ্গমা শেরপা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “পাহাড়ের গায়ে প্রচুর বর্জ্য পদার্থ পড়ে থাকার অভিযোগ মিলেছে। পর্বতারোহীরা ইতিমধ্যে প্রচুর পরিমাণে অভিযোগ জানিয়েছেন। ফলে পাহাড়ের জনস্বাস্থ্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা মাথায় রেখে আরোহীদের বর্জ্যপদার্থ জমা করার ব্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এবার থেকে অভিযান শুরুর আগে বেসক্যাম্প থেকেই এই ব্যাগ সংগ্রহ করতে হবে। একই ভাবে অভিযান শেষ করে বেস ক্যাম্পে এসেই সেই ব্যাগ জমা করতে হবে। ব্যাগকে পুরসভা থেকে নিরীক্ষণ করা হবে।”

    কীভাবে পাহাড়ে দূষণ হয়

    পর্বতারোহীরা (Mount Everest)  প্রথমে পাহাড়ের আবহাওয়া এবং উচ্চতা অনুসারে তাপমাত্রার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে কিছু দিন বেসক্যাম্প থাকেন। সেই সময় তাঁবু খাটিয়ে আলাদা করে শৌচক্রিয়া করতে হয়। এই সময় সঙ্গে থাকে ব্যারেল, তাতেই বর্জ্য জমা হয়। কিন্তু পাহাড়ে ওঠার সময় বেস ক্যাম্পে ফিরে শৌচক্রিয়া সম্ভব নয়, ফলে অপেক্ষাকৃত কম বরফে গর্ত করে করতে হয় প্রাকৃতিক কাজ। কিন্তু তাপমাত্রা কারণে সেই বর্জ্য মাটিতে মিশতে পারে না। বরফ এবং গলা জলের সঙ্গে চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। ফলে দূষণ বাড়ে। এই দূষণ থেকে রক্ষা পেতে পুরসভা দিতে চলেছে ব্যাগ।  

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share