Tag: Madhyam

Madhyam

  • Murshidabad: রেশনের চাল-ডাল বাজারে বিক্রি করছেন ডিস্ট্রিবিউটর, ইডি-র দ্বারস্থ গ্রাহকেরা

    Murshidabad: রেশনের চাল-ডাল বাজারে বিক্রি করছেন ডিস্ট্রিবিউটর, ইডি-র দ্বারস্থ গ্রাহকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোলা বাজারে রেশনের চাল-ডাল বিক্রির অভিযোগ। এবার রেশন ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে ইডির কাছে অভিযোগ করে চিঠি করলেন বঞ্চিত গ্রাহকেরা। অবৈধ ভাবে ওই রেশনের ডিলার কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)।

    উল্লেখ্য, রাজ্যের রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে আগেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একই ভাবে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা বাকিবুর রহমান, প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর শঙ্কর আঢ্য। উদ্ধার হয়েছে পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির হিসেব। ইতিমধ্যে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে রেশন দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। এরপর থেকে উত্তর ২৪ পরগনা রাজনৈতিক ভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে। এবার এই রেশন দুর্নীতির কথা বলে সরব হয়েছে গ্রাহকেরেই।

    মূল অভিযোগ কী(Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলের সামশেরগঞ্জ এবং ফরাক্কা ব্লকের বেশ কিছু জায়গায় গ্রাহকেরা কলকাতার ইডির স্পেশাল ডিরেক্টরকে লিখিত ভাবে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেন। তাঁরা জানান, সমাসেরগঞ্জের গোরুরহাটের সিতারা বেগম এমআর ডিসট্রিবিউটার। মূলত তাঁর কাজ দেখা শোনা করেন দুই ভাইপো ওয়াসিম হোসেন এবং হোসেন মহম্মদ কাইজার। তাঁদের কাছে মোট বরাদ্দ রেশনের ৫০ শতাংশ খাদ্যশস্য, চাল, গম এবং আটা, রঘুনাথগঞ্জের একটি চালকলে বিক্রির করে দেওয়া হচ্ছে প্রত্যেক মাসে। কেন্দ্র সরকারের পাঠানো যে রেশন সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সামগ্রী, সেই রেশন খোলা বাজারে বিক্রি করে কোটি কোটি অবৈধ কালো টাকা আয় করেছে ডিলার। ঘটনায় সরব এলাকাবাসী।

    মোট রেশন সামগ্রীর পরিমাণ

    স্থানীয় (Murshidabad) সূত্রে মোট রেশন সামগ্রী পাচার হওয়ার পরিমাণ জানা গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ ফুড কর্পোরেশনের গোডাউন থেকে এমআর ডিস্ট্রিবিউটর প্রতি মাসে ৬০০টি লরিতে ৬০ হাজার কুইন্টাল খাদ্য সামগ্রী তুলে থাকে। প্রতি লরিতে ১০০ কুইন্টাল খাদ্য সামগ্রী থাকে। এর মধ্যে ২০০ লরি খাদ্য সামগ্রী চালকলে বিক্রি করে আয় করা হয়েছে ৬ কোটি টাকা। রেশনের সঙ্গে প্রাথমিক স্কুলের মিড-ডে-মিলের খাদ্যও খোলা বাজারে বিক্রি করার কাজ চলছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিরাট পরিমাণ বেআইনি এবং দুর্নীতির ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলতেই এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “বলুন আমি সর্বশক্তিমান, যা চাই তাই করে দিতে পারি” রাজ্যকে কেন বলল হাইকোর্ট?

    Calcutta High Court: “বলুন আমি সর্বশক্তিমান, যা চাই তাই করে দিতে পারি” রাজ্যকে কেন বলল হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম কটাক্ষ করলেন। স্কুলের পড়ুয়াদের একটাই মাত্র খেলার মাঠ ছিল মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ২ নম্বর ব্লকের আখরিগঞ্জ হাই স্কুলে। এই মাঠের বিষয় নিয়ে স্কুলের পড়ুয়ার অভিভাবকেরা মামলা করেছিলেন হাইকোর্টে। এই মামলার পাশে দাঁড়িয়েছে স্কুলের কর্তৃপক্ষও। এই মাঠে আরও একটি স্কুল নির্মাণ করতে গেলে খেলার মাঠ রক্ষা প্রসঙ্গে বিচারপতি, রাজ্য সরকারকে বলেন, “বলুন আমি সর্ব শক্তিমান, যা চাইবো তাই করে দিতে পারি।”

    কী বললেন বিচারপতি (Calcutta High Court)?

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “বলুন না আমি সর্ব শক্তিমান, আমি যা চাইবো, তাই করে দিতে পারি।” একই সঙ্গে আরও বলেন, “রাজ্য সরকার যদি আদালতে নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানাতে না পারে তাহলে স্কুল নির্মাণের কাজে স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে।” আবার রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল, “জমিটি সরকারের তাই জমিতে কী করা হবে তা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।” এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, “অন্যের জায়গায় নতুন নির্মাণ! যা খুশি করুন। স্কুল ভেঙে দিন। মানুষকে আর শিক্ষা দিতে হবে না। স্কুলটি সরকার পরিচালিত হওয়ার পরেও সরকার তাঁর বিরোধিতা করছে। ক্ষমতা দেখানো হচ্ছে।” আবার পালটা রাজ্য বলে যে খেলার মাঠের জমির পরিমাণ ১.৭৮ একর। ওখানে একটি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল নির্মাণ করতে চাই। উত্তরে বিচারপতি বলেন, “দুই স্কুলের জন্য এক একর জমি খেলার মাঠের জন্য ছেড়ে রাখুন। জেনে আসুন কী করবেন? না হলে ওই নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেবো।”

    খেলার মাঠ নিয়ে অভিযোগ কী?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, “স্কুলের তিন হাজার পড়ুয়া খেলা করে। স্কুলের মাঠ একটাই। স্কুলের জমিদান করেছিলেন একজন ব্যক্তি। কিন্তু একই জমিতে আরও একটি স্কুল খুলতে চাইছে এই রাজ্যের সরকার। ফলে স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য কোনও খেলার মাঠ থাকবে না। এই খেলার মাঠ রক্ষার জন্য হাইকোর্টে (Calcutta High Court) একটি মামলা হয় এবং এই মামলায় প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে ওঠে। এরপর রাজ্য সরকারকে সমালোচনা করেন প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুরের হস্টেলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! পরিবারের অভিযোগ ব়্যাগিংয়ের

    Durgapur: দুর্গাপুরের হস্টেলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! পরিবারের অভিযোগ ব়্যাগিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের (Durgapur) হস্টেলে ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পরিবারের তরফ থেকে ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন সহপাঠী, কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং হোস্টেলের সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

    মৃত পড়ুয়ার পরিচয় (Durgapur)

    স্থানীয় (Durgapur) সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম রাজদীপ সরকার, বয়স ১৮। পূর্ব বর্ধমানের আউশ গ্রামের দাড়িয়াপুরের বাসিন্দা। দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ২৫ নম্বর ওয়র্ডের ফুলঝোড় মোড়ের কাছেই একটি বেসকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিবিএ প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। কলেজের হোস্টেলই থেকে পড়াশুনা করতেন রাজদীপ।

    মৃত ছাত্রের পরিবারের বক্তব্য

    মৃত পড়ুয়া রাজদীপের জেঠু চঞ্চল সর্দার বলেন, “রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কলেজের (Durgapur) হোস্টেলের ছাদ থেকে রাজদীপ পড়ে গিয়েছে বলে কলজে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতলে যেতে যেতেই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। তবে রাজদীপের চোখে মুখে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ একবার বলছে ছাদ থেকে মৃত্যু আবার বলছে বিছানা থেকে পড়ে মৃত্যু! উভয় ঘটনায় ব্যাপক সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে ব়্যাগিং করা হয়েছে।”

    কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    ঘটনায় কলেজ (Durgapur) কর্তৃপক্ষের অধ্যক্ষ রাজদীপ রায় জানিয়েছেন, “ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ মিথ্যা। রাজদীপ এবং সিদ্ধার্থ নামের এক পড়ুয়া গল্প করছিল। সেই সময় বিছানা থেকে পড়ে যায়। মেঝেতে থাকা স্টিলের একটি গ্লাসে আঘাত লাগে তাঁর মুখে। তাই চোখে মুখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।” অপর দিকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি পূর্ব অভিষেক মোদি জানান, “পরিবারের তরফে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত শুরু করেছি। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ashok Chavan: কংগ্রেসে ফের ভাঙন! দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ

    Ashok Chavan: কংগ্রেসে ফের ভাঙন! দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের কংগ্রেসে ভাঙন। এবার শতাব্দীপ্রাচীন দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ (Ashok Chavan)। উল্লেখ্য, গতমাসে কংগ্রেস নেতা মিলিন্দ দেওরা কংগ্রেস ছেড়ে মহারাষ্ট্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবশেনায় যোগদান করেছিলেন। আরও দুর্বল হল কংগ্রেস, দেশের জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল। এবার কি বিজেপিতে যোগদান করবেন? তীব্র জল্পনা।

    স্পিকারকে পদত্যাগপত্র  দিয়ে কী বললেন (Ashok Chavan)

    কংগ্রেস বিধায়ক আশোক চহ্বাণ (Ashok Chavan) সোমবার সকালেই প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়েছেন। মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার রাহুল নারভেকরের সঙ্গে দেখা করে নিজের ইস্তফাপত্র জমা করেন। আশোক হলেন মহারাষ্ট্রের ভোকার কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়ক। বিধায়ক হিসাবে পদত্যাগের পর কংগ্রেসের সভাপতি নানা পাটোলেকে চিঠি দিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দলের সদস্যপদ ছাড়ার কথা জানান। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি সারা জীবন ধরে একজন কংগ্রেসের কর্মী ছিলাম এবং সততার সঙ্গে দলের জন্য কাজ করেছি। দল ছেড়েছি আমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে।”

    কেন দল ছাড়লেন?

    কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, আশোক (Ashok Chavan) দলের সংগঠনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। দলের সূত্রে আরও খবর মিলেছে, লোকসভার প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলের সঙ্গে বেশ কিছু দিন ধরে মত পার্থক্য তৈরি হয়েছিল। আর সেই কারণেই দল ছেড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর এই দল ছাড়ার ফলে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস ব্যাপক দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিজেপিতে কি যোগদান করবেন

    সূত্রে জানা গিয়েছে, আশোকের (Ashok Chavan) সঙ্গে বিজেপির একপ্রকার প্রাথমিক কথা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, বিজেপির সমর্থনে মহারাষ্ট্র থেকে রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুধু চহ্বাণ নন, আরও ১০ থেকে ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক দল ছাড়তে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। একই ভাবে কংগ্রেস ছেড়ে অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপিতে যোগদান করেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি। চহ্বাণের বিজেপিতে যোগদান সম্পর্কে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস বলেন, “আমি শুধু একটা কথাই বলব, কংগ্রেসের বহু নেতা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Metro: ‘বন্দে ভারতে’র পর এবার শীঘ্রই আসছে ‘বন্দে মেট্রো’, গতি কত জানেন?

    Vande Metro: ‘বন্দে ভারতে’র পর এবার শীঘ্রই আসছে ‘বন্দে মেট্রো’, গতি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বল্প দূরত্বের দুই শহরের মধ্যে ঘন্টাপ্রতি ১৩০ কিমি গতির ‘বন্দে মেট্রো’ (Vande Metro) ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় রেল। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ‘বন্দে মেট্রো’ ট্রেনগুলি সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে থাকা দুই গন্তব্যের মধ্যে চলবে। বন্দে ভারত ট্রেনের আদলেই বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলিকে তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বন্দে মেট্রো ট্রেন প্রকল্পের কথা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ২০২৩ সালের বাজেটে ঘোষণা করেছিলেন।

    রেলের জিএম কী জানালেন (Vande Metro)?

    রেলের বন্দে মেট্রো (Vande Metro) এই প্রজেক্ট সম্পর্কে রেলের কোচ তৈরি কারখানা ইন্টিগ্রেটেড কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) জিএম বিজি মালিয়া বলেছেন, “কম দূরত্বের জন্য দ্রুত, দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যাত্রায় বন্দে মেট্রো ট্রেন চলবে। এই ট্রেন বন্দে ভারতের ডিজাইনেই প্রস্তুত করা হবে। বন্দে মেট্রোগুলিকে মেইনলাইন ইএমইউ-এর জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। এখন এই প্রজেক্টের জন্য ২৫০ থেকে ৩০০ কিমির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলির নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে জানুয়ারি ২০২৪ থেকেই।”

    কেমন হবে বন্দে মেট্রো ট্রেন দেখতে?

    রেলের সূত্রে জিএম বিজি মালিয়া বলেন, “বন্দে মেট্রো (Vande Metro) ট্রেনগুলির গঠন দেখতে অনেকটাই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই হবে। কিন্তু পার্থক্যও থাকবে, যা হল বন্দে ভারতের চেয়ারকারের মধ্যে দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না কিন্তু এই মেট্রোগুলিতে দাঁড়ানোর জায়গা থাকবে। এই ট্রেনে ১০০ জন যাত্রী বসার সুযোগ থাকবে এবং ২০০ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে যাত্রা করার সুযোগ পাবেন। ট্রেনগুলি স্বয়ংক্রিয় এবং বাতানুকূল থাকবে। মূলত মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলির জায়গায় এই ট্রেনগুলিকে প্রতিস্থাপন করা হবে। যাত্রীরা স্বল্প সময়ে নিরাপদ দূরত্বে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।”

    আর কী কী সুবিধা  থাকবে ট্রেনে?

    এই বন্দে মেট্রো ট্রেনের (Vande Metro) সর্বোচ্চ গতি থাকবে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। ট্রেনের কামরা পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। ট্রেনের বডির ওজন বেশি ভারি করা হবে না। ট্রেনের সিট হবে হালকা গদি যুক্ত। বেশ প্রসস্থ এবং স্লাইডিং যুক্ত দরজা থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, পিআইএস সিস্টেম এবং এলসিডি। স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকবে ট্রেনের ভিতরে। মোবাইল চার্জ করার প্লাগ থাকবে। ভ্যাকুয়াম ইভাকুয়েশন সিস্টেম সহ মডুলার টয়লেট থাকবে। এছাড়াও থাকবে রুট নির্ধারণের লাইটের ব্যবহার কামরার ভিতরে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে  তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শানালেন। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ কিছুই করবে না, কেননা তারা শাহজাহানের পয়সায় লালিত-পালিত হয়। নারী নির্যাতনে আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতা (Sandeshkhali) দেখতে পাচ্ছি এই রাজ্যে।” এছাড়াও তিনি প্রশ্ন তোলেন, “অন্যের স্ত্রীকে কীভাবে পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া যায় তৃণমূলের নেতাদের মনোরঞ্জন করার জন্য?”

    সন্দেশখালিতে নারীরা অসুরক্ষিত (Sandeshkhali)!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বোঝাই যাচ্ছে মহিলাদের কী চোখে দেখে তৃণমূল। হাজার টাকা দাও, তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে রাত কাটাও। এই অফার চলছে। হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে। কোনও ব্যক্তির স্ত্রীকে রাতে ডেকে নিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন সকালে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ কত ভাগ পায়, আমার জানা নেই। পুলিশ সেটাই করছে, মানুষ যাতে মুখ খুলতে না পারে, তাদের বক্তব্য না রাখতে পারে। যেভাবে মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, তাতে বাঙালি চুপ করে বসে থাকতে পারে না। আর আজ চুপ থাকলে, আগামী দিনে আপনার-আমার বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে এমনটাই করবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    নিখোঁজ বিজেপি নেতা

    শেখ শাহজাহানের নিখোঁজ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “শাহজাহান কোথায় আছে পুলিশ জানে, শাহজাহানই (Sandeshkhali) পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে কাজ করাচ্ছে। শিবু হাজরা ও তাঁকে খুঁজে পাবে না। যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলবেন তখন পুলিশ গ্রেফতার করবে। আদালতের উচিত নির্দেশ দেওয়া যে শাহজাহানের কান ধরে টেনে নিয়ে আসা হয়। তারপর শুরু হবে খেলা।” আবার সন্দেশখালিতে বিজেপি কনভেনার বিকাশ সিংহকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিকাশ সিং আমাদের ওখানে বহু পুরনো নেতা। তাঁর স্ত্রী খুব চিন্তিত। আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম তাঁকে নৌকায় করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উনাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞেস করায় এসপি বলেন, আমরা বলতে বাধ্য নই। সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক কাজ করছে পুলিশ।”

    “মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন” (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা এমন একটা বাক্স খুলে দিয়েছে যেখানে তৃণমূলের প্রাণ ভোমরা লুকিয়ে আছে। তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় কীভাবে অত্যাচার করেছে তা সবার সামনে চলে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পাচ্ছে। তারা চাইছে না, এটা সবার সামনে আসুক। কীভাবে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের উপর এই ধরনের অত্যাচার হল? এই বাংলার জন্য আমরা গর্ববোধ করি? মহিলাদের নিয়ে একটা কথা বলারও অধিকার নেই এই অভদ্র তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তা তাঁর বাড়ির মহিলাদের নিয়েই, আর কাউকে নিয়ে নয়।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • GPS Based Toll: যানজট কমাতে চালু হচ্ছে জিপিএস নির্ভর টোল ব্যবস্থা, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    GPS Based Toll: যানজট কমাতে চালু হচ্ছে জিপিএস নির্ভর টোল ব্যবস্থা, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সারা দেশে জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর টোল ব্যবস্থা কার্যকর হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি একথা জানিয়েছেন। দেশের হাইওয়ের টোলপ্লাজগুলিতে বর্তমানে যে ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে পরিবর্তন এনে এবার থেকে জিপিএস নির্ভর টোল আদায়ের পদ্ধতি চালু করা হবে। দেশের সড়ক এবং পরিবহণ দফতরের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই ব্যবস্থায় অপেক্ষাকৃত কম যানজট হবে। তাছাড়া নিরাপত্তা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে কোনও রকম অনুসন্ধান করতে এটি ব্যাপক কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বছরের আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর করার ইঙ্গিত মিলেছে।

    কী বলেন নিতিন গড়করি (GPS Based Toll)?

    কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি জানিয়েছেন, “ফাস্ট ট্যাগের সঙ্গেই জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে তা প্রথম চালু হবে। হাইওয়েতে ট্রাফিক জ্যাম কমাতেই এই নতুন পদ্ধতির কথা ভাবা হচ্ছে। এই ব্যবস্থার ফলে টোল আদায়ও আরও বাড়বে।” এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও আশা প্রকাশ করে বলেন, “ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়ার বর্তমান রাজস্বের পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। আগামী ২ থেকে ৩ বছরে এই এই রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়াবে ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকা।”

    নতুন টোল আদায় ব্যবস্থা

    এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “সরকার নতুন প্রযুক্তির বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর টোল ব্যবস্থা গোটা দেশে চালু করতে চায় সরকার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই প্রকল্প আসবে।” যদিও গত দশ বছরে হাইওয়ের টোল প্লাজার ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০১৮ সালে হাইওয়ের টোল প্লাজাতে গড়ি দাঁড়ানোর সময় ছিল ৮ মিনিট। ফাস্ট ট্যাগ পদ্ধতির ফলে টোলপ্লাজায় এখন গাড়ি দাঁড়ানোর সময় কমে হয়েছে মাত্র ৪৭ সেকেন্ড। জিপিএস নির্ভর পদ্ধতি চালু হলে আগামী দিনে আরও সময় কম হবে বলে জানা গিয়েছে।

    কেমন হবে ব্যবস্থা

    জিপিএস নির্ভর ইলেকট্রনিক টোল (GPS Based Toll) গ্রহণ ব্যবস্থায় হাইওয়েতে থাকা ক্যামেরার মাধ্যমে একটি স্বয়ংক্রিয় নম্বর প্লেট গণনার সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে যানবাহনের কতটা দূরত্বের পথ অতিক্রম করছে সেই বিষয়ের উপর নির্ভর করে টোল ধার্য করা হব। এই পদ্ধতিতে গাড়ি চালানোর সময় গতিবিধি নিরীক্ষণ করে, সঠিকভাবে টোল করা অংশগুলিতে চালকদের প্রবেশ এবং প্রস্থানগুলিকে খুব সহজেই চিহ্নিত করা থাকবে। একই সঙ্গে গাড়ির যাত্রাপথের দূরত্বকে বিশ্লেষণ করবে। গাড়ির চালক যে টোল প্লাজাগুলি অতিক্রম করেছেন তাও সুনিশ্চিত করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “কালীঘাটে রেড করলেই শাহজাহানকে পাওয়া যাবে”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “কালীঘাটে রেড করলেই শাহজাহানকে পাওয়া যাবে”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দিন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী কার্যালয় থেকে কিছুটা দূরে, দলের মন্ডল সভাপতিদের শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন ও কর্মীসভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ অন্যান্যরা। মূলত এদিনের এই জনসভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার ভাইপোকে ‘চোর’ বলে আখ্যায়িত করেন। আবার একই ভাবে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাহজাহান একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করছে তাই পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছেনা”।

    সন্দেশখালি নিয়ে কী বলেন (Suvendu Adhikari)?

    সন্দেশখালিতে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার না হওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “পুলিশকে আর গ্রেফতার করতে হবে না। সন্দেশখালির মা-বোনেরা জেগে গিয়েছেন। এবারে তাঁরাই ধরবে তৃণমূলের দুষ্কৃতী শিবুকে। শাহজাহান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই রয়েছে। কালীঘাটে রেড করুক তাঁকে পাওয়া যাবে। প্রতিদিন রাতের ডিনার এবং মধ্যাহ্ন ভোজন করছেন একসঙ্গে। ২০১১ আগে নন্দীগ্রাম ছিল এবার তৃণমূলের আমলে সন্দেশখালি হল।” অন্যদিকে তৃণমূল নেতা দেবাশীষ হাজরাকে সাসপেন্ড করার ঘটনায় তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেস এইসব নাটক করছে, এছাড়া অন্য কোনও কিছুই নয়।” অপর দিকে এদিনের সভাস্থল থেকে তিনি আরও বলেন, “শীঘ্রই সিএএ লাগু হবে বাংলায়।”

    দেব প্রসঙ্গে কী বলেন?

    ঘাটালের প্রার্থী হওয়া নিয়ে দেব ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক প্রসঙ্গের বিষয় নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আমতলার সভায় বলেন, “কোনও লাভ হবে না, ঘাটালে বিজেপি ২ লাখ ভোটে জয়লাভ করবে। কেউ পাগল নয় যে দেশটাকে আফগানিস্তান-ইউক্রেন করতে চাইবে। মোদি জিকে সকলে ভোট দেবে।” পাশাপাশি বিশিষ্ট অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং আগামী লোকসভায় একসঙ্গে তাঁরা দুজনে প্রচার কর্মসূচি করবেন এমনটাও জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: পরীক্ষায় নকল করতে না পারায় মাধ্যমিক কেন্দ্রে চলল ব্যাপক ভাঙচুর, জ্বলল আগুন!

    Uttar Dinajpur: পরীক্ষায় নকল করতে না পারায় মাধ্যমিক কেন্দ্রে চলল ব্যাপক ভাঙচুর, জ্বলল আগুন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিক পরীক্ষায় নকল করতে না পাড়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালানোর ঘটনা ঘটল স্কুলে। স্কুলে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নকল করতে বাধা প্রদান করা হয়েছিল ছিল বলে জানা গিয়েছে। আর তাতেই এক শ্রেণির পরীক্ষার্থীরা আগুন জ্বালিয়ে চেয়ার, টেবিল এবং ফ্যান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়। ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইটাহারে।

    পড়ুয়াদের শান্ত করতে আসে পুলিশ (Uttar Dinajpur)

    শনিবার উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইটাহার হাইস্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষায় নকল করার ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছাড়ায়। এই দিন স্কুলে ভৌত বিজ্ঞানের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার সময় নকল করতে স্কুলের শিক্ষকেরা বাধা দিলে নকল করার সুযোগ পায়নি পড়ুয়ারা। ছাত্রদের একাংশের মধ্যে এই নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা যায়। এরপর স্কুলের একাধিক ক্লাস রুমে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। অবশেষে পড়ুয়াদের শান্ত করতে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করে পরিস্থিতি।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    ইটাহার (Uttar Dinajpur) স্কুলের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ ধর বলেন, “ওই স্কুলে বানবোল উচ্চ বিদ্যালয়, মারনাই উচ্চ বিদ্যালয়, কাপাসিয়া উচ্চবিদ্যালয়, দিগনা হাই স্কুলের পরীক্ষার্থীরা ছিল। তারা স্কুলের দেওয়াল ঘড়ি, চেয়ার, টেবিল, বৈদ্যুতিক ফ্যান ভাঙচুর করে।” অপর দিকে বানবোল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিপুল মৈত্র বলেন, “আমাদের স্কুলের পরীক্ষার্থী এইসব ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়। তদন্ত করলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।”

    ঘটনার তদন্ত শুরু

    স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পাশপাশি বিডিও এবং প্রশাসনের কাছে ঘটনার বিবরণ দিয়ে ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, মাত্র কয়েক দিন আগেই নতুন ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু আজ পরীক্ষার শেষে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় (Uttar Dinajpur) থানার আইসি সুকুমার ঘোষ বলেন, “ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: অজয় নদে জেসিবি মেশিন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বালি পাচার! ক্ষোভ বিজেপির  

    Purba Bardhaman: অজয় নদে জেসিবি মেশিন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বালি পাচার! ক্ষোভ বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মঙ্গলকোর্টের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে অজয় নদ। এই নদের দুই পাড় থেকে বালু চুরি করে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজস্ব না দিয়েই অবাধে বালি চুরি করে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোনও রকম সরকারের অনুমতি নেওয়ার বালাই নেই। বিএলআরও এফআইআর করলেও বালিপাচারে নিস্ক্রিয় পুলিশ। একেবারে কার্যত পাইপ লাগিয়ে জেসিবি মেশিন দিয়ে অবাদে বালি চুরির ঘটনা ঘটছে। একই ভাবে সরকারি রাজস্বে প্রচুর ক্ষতির অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

    বিজেপির অভিযোগ (Purba Bardhaman)

    অবাদে অজয় নদ (Purba Bardhaman) থেকে বালি চুরির ঘটনায় স্থানীয় বিজেপির পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ হল, “শাসক দল, পুলিশ, বিএলআরও একত্রিত বোঝাপড়া করে মাঝে মাঝে তাল্লাশি বা অভিযান করেন বটে, কিন্তু তাঁরা একত্রিত হয়ে সংগঠিত ভাবে এই পাচারকাণ্ডে অংশীদার হচ্ছেন।” ইতিমধ্যে বিজেপির পক্ষ থেকে এসডিওর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই এলাকার বিজেপি নেতা আলোকতরঙ্গ গোস্বামী জানিয়েছেন, “প্রশাসনকে অভিযোগ করেও কোনও লাভ হচ্ছে না।” অপর দিকে ব্লক ভূমি রাজস্ব আধিকারিক, পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    ব্লক ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের বক্তব্য

    এই অবাদ বালি চুরির ঘটনায় স্থানীয় (Purba Bardhaman) ব্লক ভূমি রাজস্ব আধিকারিক রাহুল ঘোষ বলেন, “যখনই অভিযোগ পাচ্ছি সঙ্গে সঙ্গে রেইড করছি। এই প্রক্রিয়া নিয়মিত ভাবে করছি। গত বছর ডিসেম্বর মাসে প্রশাসনের পক্ষ থেকে থানায় একটি এফআইআর করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের অভিযোগের পরেও কেন পুলিশ পদক্ষেপ নিচ্ছে না? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পুলিশই বলতে পারবে, আমি কিছু জানিনা।”

    মহকুমা শাসকের বক্তব্য

    মঙ্গলকোর্টে (Purba Bardhaman) অজয় নদের বালি চুরির ঘটনায় কাটোয়া মহকুমা শাসক অর্চনা পো ওয়াংখেড়ের জানিয়েছেন, “বিএলআরও বলেছেন থানায় এফআইআর করা হয়েছে। আমি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা দ্রুত করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share