Tag: Madhyam

Madhyam

  • Sandeshkhali: “সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লুট হয়েছে,” জানালো স্বেচ্ছাসেবী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম  

    Sandeshkhali: “সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লুট হয়েছে,” জানালো স্বেচ্ছাসেবী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও দিল্লির স্বেচ্ছাসেবী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যেতে ফের বাধা পুলিশের। বেশ কিছুক্ষুণ তর্কাতর্কির পর পুলিশের কাছে মুচলেখা দিয়ে সন্দেশখালিতে পৌঁছায় ৬ জনের প্রতিনিধি দল। উল্লেখ্য ইতি পূর্বে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি যেতে ভোজেরহাটেই বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশ এলাকায় ১৪৪ ধারার কথা বলে সেই দিন ঢুকতে দেয়নি। এরপর গতকাল রবিবার আদালতের অনুমতি নিয়ে সন্দেশখালিতে যায় এই টিম।

    কে কে রয়েছেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমে (Sandeshkhali)?

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং এই টিমে রয়েছেন বিচারপতি নরসিমা রেড্ডি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের যুগ্ম রেজিট্রার রাজপাল সিং, ওপি ব্যাস, জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কনসালট্যান্ট ভাবনা বাজাজ, এবং বর্ষীয়ান সাংবাদিক সঞ্জীব নায়েক। এই টিমের পক্ষ থেকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মাঝের পাড়া, নতুন পাড়া, নস্করপাড়া, রাসমন্দিরের মতো জায়গাগুলিকে পরিদর্শন করেন প্রতিনিধিরা। তাঁরা স্থানীয় মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই থমথমে এলাকায় গুলিতে মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষিত নয় এবং মানুষের অধিকার লুট হয়েছে।”

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যা ভাবনা বাজাজ সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে বলেন, “২৮ থেকে ৭০ বছরের মোট ২০ জন মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেছি। একজন ৭০ বছের বৃদ্ধাকে ঘরের কোনে বসে নিজের মেয়ে এবং পুত্র বধূদের জন্য আতঙ্কে কান্না করতে দেখেছি। ক্যামেরার সামনে আসতে না চাওয়া এক মহিলার সঙ্গে হওয়া অত্যাচারের বিবরণ শুনেছি। তাঁর স্বামী এখন গ্রামছাড়া। নিজের চার বছরের মেয়েকে নিয়ে রাতে লুকিয়ে রেখে দিন কাটাতে হচ্ছে। এলাকায় বেশীর ভাগ মহিলা শিবু হাজরার বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি অভিযোগ করেছেন। এলাকার আরও এক মহিলা বলেন, তৃণমূলের নেতাদের বিনোদন জোগাতে রাতভর পার্টি অফিসে গিয়ে থাকতে হতো। তবে মুখে যৌন হেনস্থার কথা না বলতে পারলেও শরীরের অনেক স্থানে ক্ষতের চিহ্ন দেখিয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে কোনও সহযোগিতা পায়নি তাঁরা। পুলিশ তাঁদের অভিযোগকে শুনতে চায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হস্তক্ষেপে গুগল ভারতীয় অ্যাপের পুনরুদ্ধার শুরু করল

    Ashwini Vaishnaw: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হস্তক্ষেপে গুগল ভারতীয় অ্যাপের পুনরুদ্ধার শুরু করল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের পরে গুগল ভারতীয় অ্যাপগুলি পুনরুদ্ধার করতে সম্মত হয়েছে। গুগল কর্মকর্তারা আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) সাথে বৈঠক করার পরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, গুগলের সঙ্গে পরিষেবা ফী নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছিল। এরপর প্লে-স্টোর থেকে বাদ দেওয়া হয় কিছু ভারতীয় মোবাইল অ্যাপ। অবশেষে সেই অ্যাপগুলিকে আবার পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    ১০ অ্যাপ সরানো হয়েছিল (Ashwini Vaishnaw)

    পরিষেবা ফী নিয়ে বিরোধের কারণে গুগল প্লে-স্টোর থেকে ১০টি ভারতীয় অ্যাপস সরিয়ে দিয়েছিল। গুগল ভারতীয় বাজারে এক বিরাট ভূমিকা পালন করে। ৯৪% ফোনের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের নানান অ্যাপ গুগল প্লে-স্টোর থেকে পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে গুগল ভারতীয় অ্যাপের উপর ১১% থেকে ২৬% পর্যন্ত মূল্যধার্য করলে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন, “গুগলের পদ্ধতি অনেক যুক্তিসঙ্গত। আমাদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রুত। তাদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইতিমধ্যেই গুগলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করে কথা হয়েছে। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ করব। ডিজিটাল অর্থপ্রদান ব্যবস্থার সঙ্গে গুগল যেমন ভালভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে, এই বিষয়েও তারা যুক্তিসঙ্গতভাবে ব্যবস্থা নেবে। এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত দৃঢ়। আমরা অ্যাপগুলিকে অ্যাপস্টোর থেকে বাদ দিতে দেবো না।”

    ইন্ডিয়া সংস্থার ফ্ল্যাগশিপ অ্যাপ ফিরে এসেছে

    ভারতীয় স্টার্টআপগুলি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রযুক্তি জায়েন্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছে। ভারত ম্যাট্রিমনি, খ্রিস্টান ম্যাট্রিমনি, মুসলিম ম্যাট্রিমনি এবং জোডি-এর প্রতিষ্ঠাতা নিজেই গুগলের প্লে স্টোর থেকে ম্যাচমেকিং অ্যাপগুলি সরিয়ে নেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছিলেন। গুগল সংস্থা ইনফো এজ ইন্ডিয়া, সংস্থার কিছু ফ্ল্যাগশিপ অ্যাপকে অ্যাপস্টোরে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, নৌকরি, ৯৯একার্স,নৌকরি গালফের মতো অ্যাপগুলি ফের গুগল অ্যাপস্টোরে সক্রিয় হয়েছে। পিপল গ্রুপের ম্যাট্রিমনি অ্যাপ, শাদি ডট কমও শনিবার বিকেলে প্লে-স্টোরে পুনরায় যুক্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Ashwini Vaishnaw) হস্তক্ষেপকে ক্ষতিগ্রস্ত সংস্থাগুলি সাধুবাদ জানিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট-ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি গ্রেফতার। আরএসএস কর্মীকে হত্যার অভিযোগে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। তিনি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বা পিএফআই-এর (PFI) কুখ্যাত নেতা হিসেবে পরিচিত। নিয়াজির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এবং নাশকতামূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তিনি ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুতে আরএসএস নেতা রুদ্রেশকে হত্যার জন্য প্রধান অভিযুক্ত। কিন্তু সে ধরার আগেই সরকারকে এড়িয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন দেশে জায়গা বদল করে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাসস্থান স্থাপন করে আত্মগোপন করে ছিল বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে গ্রেফতার হল আজ।

    গুজরাট এটিএস তথ্য দিয়েছিল (PFI) 

    গুজরাট অ্যান্টি-টেরোরিজম স্কোয়াড (এটিএস) এই পিএফআই (PFI) নেতা নিয়াজির গতিবিধিকে ট্র্যাক করার জন্য বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে তাকে পাকড়াও করতে সুবিধা হয়। সেই সময়ে আরএসএস নেতা রুদ্রেশের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সারা দেশে শোকের আবহ তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে নিয়াজিকে গ্রেফতারের জন্য তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ দেখা গিয়েছিল। কুখ্যাত এই নেতা নিয়াজিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রেফতার করার পর তাকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ প্রক্রিয়ার কাজ দ্রুত শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে প্রথমে মুম্বাইতে নিয়ে আসা হবে। এরপর তাকে আদালতে তোলা হবে।

    কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল

    আরএসএস নেতা রুদ্রেশ একজন দুধ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁকে দিনের আলোতে খুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। বেঙ্গালুরুতে শিবাজি নগরের আরএসএস শাখার সঙ্ঘ চালক ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে শিবাজি নগর শাখার বিজেপির সম্পাদক ছিলেন। দলের কাজ সেরে নিজের বাইকে করে ফিরছিলেন বাড়িতে। এরপর শহরের প্রাণ কেন্দ্র এমজি রোডে রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে কালো পালসারে করে আসা দুই পিএফআই (PFI) দুষ্কৃতী তাঁর উপর আক্রমণ করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ মেরে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতে মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। এরপর খুনের প্রতিবাদে কমার্শিয়াল রোডের থানার সামনে আরএসএস সমর্থকরা ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “তৃণমূলের অহংকার শেষ করবেন মুসলিম মা-বোনেরাই”, তোপ মোদির

    Narendra Modi: “তৃণমূলের অহংকার শেষ করবেন মুসলিম মা-বোনেরাই”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের অহংকার শেষ করবেন মুসলিম মা-বোনেরাই।” কার্যত এই ভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এই বক্তব্যে তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের উপর আক্রমণ করলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশের মানুষ। আজ হুগলির আরামবাগ থেকে তিনি রাজ্য জুড়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের ক্রমবর্ধমান অত্যাচার, নির্যাতন এবং নিগ্রহের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করলেন। একই ভাবে শাসক দলের কাছে রাজ্যের নারী সুরক্ষার বিষয়ে মা মাটি সরকারের কাছে প্রশ্ন তুললেন তিনি। সেই সঙ্গে সন্দেশখালিতে মহিলাদের যৌনশোষণের বিরুদ্ধে আজ সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলকে কড়া বার্তা দিলেন মোদি।

    কী বললেন মোদি (Narendra Modi)?

    আজ শুক্রবার হুগলির আরামবাগের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, “তৃণমূলের একটাই অহংকার যে ওঁদের কাছে একটা বিশেষ ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। এবার এই অহংকারের পতন ঘটবে। মুসলিম মা-বোনেরা তৃণমূলকে উৎখাত করবে। আগামী লোকসভার ভোটেই বিদায়-ঘণ্টা বাজতে চলেছে।” রাজ্যে তৃণমূলের কাছে মুসলিম ভোট একটি চর্চার বিষয়। কিন্তু মমতার অপশাসনে এবার এই ভোট ব্যাঙ্কে ফাটল ধরবে।

    মুসলমান তোষণ করেন মমতা

    রাজ্যে ইমামভাতার মতো অতিরিক্ত সুবিধাগুলি তৃণমূল সরকার কেবল মাত্র মুসলমান ভোট ব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই করছেন মমতা। এই অভিযোগ বিজেপির পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরেই করে আসা হচ্ছে। মমতা নিজে ইফতার, ঈদ থেকে নামাজ পর্যন্ত একাধিক বিষয়ে মুসলমানদের অপেক্ষাকৃত বেশি প্রধান্য দিয়ে থাকেন। অপেক্ষাকৃত হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে আক্রমণ হলে চুপ থাকেন তিনি। এই বিষয়ে শুভেন্দু বার বার মমতাকে ‘জালি হিন্দু’ বলেছেন। যদিও মমতা নিজে বিরোধীদের এই সব বিষয়ে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ। মুসলমান তোষণের অভিযোগের কথা বার বার হিন্দু সংগঠনগুলিও করে থাকে মমতার বিরুদ্ধে। ২০১৯ সালে লোকসভার পর ভোট পরবর্তী হিংসার বন্ধ না করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “যে গরু দুধ দেয়, তার লাথি খাওয়া ভালো।” এদিন লোকসভার আগে ফের একবার মোদি (Narendra Modi) বললেন, “সংখ্যালঘু ভোট আর থাকবে না তৃণমূলের।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gaighata: গাইঘাটাকে সন্দেশখালি করার হুমকি তৃণমূল নেতার, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের

    Gaighata: গাইঘাটাকে সন্দেশখালি করার হুমকি তৃণমূল নেতার, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গাইঘাটাকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) করার হুমকি তৃণমূল নেতার। প্রতিবাদে হাতে ঝাঁটা-লাঠি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন এলাকার মহিলারা এবং সেই সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তাঁরা। ঘটনায় তৃণমূলের তীব্র নিন্দা করেছে বিরোধী দল বিজেপি। মূলত জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এলাকায় তৃণমূল নেতার এই হুমকি বলে জানা গিয়েছে।

    জমি দখলে উত্তাল (Sandeshkhali)

    জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা। এলাকার বইকারার বসিন্দা বাপি সরকার নামে এক ব্যক্তি নিজের জমির উপর বাড়ি তৈরি করেছেন। এই বিষয়ে বাপি এবং তাঁর স্ত্রী বলেন, এলাকার তৃণমূল নেতা প্রমোটার বিশ্বজিৎ তাঁদের এই জমির উপর জোর করে রাস্তা তৈরি করতে চাইছেন। কিন্ত বাধা দিলে গত বুধবার দলবল নিয়ে এলাকায় হুমকি দেন। এরপর বাপির স্ত্রীকে সাদা থান কাপড় পরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হয়। এতে এলাকার প্রতিবেশীরা বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করলে তৃণমূল নেতার দলবলের সঙ্গে ব্যাপক গোলমাল চিৎকার চেঁচামেচি হয়। এই সময় বাপির স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ও তাঁর দলবল গাইঘাটাকে সন্দেশখালি করার হুমকি দিয়েছেন।” এরপর এলাকার মহিলারা ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েন। হাতে লাঠি, ঝাঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু  করেন।

    মহিলাদের অভিযোগ

    তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকার মহিলারা বলেন, “আমাদের এলাকাকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) করতে গেলে দুষ্কৃতীদের ঝেটিয়ে বিদায় করব।” উল্লেখ্য সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শাহজাহান, সিরাজ, শিবু, উত্তম, আমির গাজী সহ একাধিক তৃণমূল নেতা নিজেদের পার্টি অফিসে রাতের বেলায় মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করত বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগে ব্যাপক পরিমাণে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ দেখা গিয়েছে সন্দেশখালিতে। ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসন আন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য

    গাইঘাটাকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) করার হুমকির বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, “বিশ্বজিৎ এলাকার দুষ্কৃতীদের নিয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে। আমাদের এলাকাকে সন্দেশখালি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা তা হতে দেবো না। আমরা ওঁদের বিদায় করব।” অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্য অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, “বিশ্বজিৎ দলের নেতা নয়, ওঁর স্ত্রী আমাদের দলের সদস্য। তৃণমূল কোনও দুষ্কৃতীকে প্রশ্রয় দেয় না।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান গ্রেপ্তার হওয়ার খুশিতে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া বাজার, শেখ শাহজাহান মার্কেটসহ একাধিক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে বিশেষ সভা করবেন তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, “পুলিশ যদি সভার অনুমতি না দেয় তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব।” রেশন দুর্নীতি, জোর করে জমি দখল এবং হিন্দু মহিলাদের বাড়ি থেকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে যৌননির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের পুলিশি গ্রেফতারে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    হাইকোর্টের অনুমতিতে ফের সন্দেশখালিতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    আগামী ১০ মার্চ সন্দেশখালি-মিনাখাঁ বিধানসভায় দুটি জায়গায়কে ঠিক করেছে নিজেপি। সকাল ১০টায় এই সভা হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে গিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রাস্তায় রামপুর ফেরিঘাট থেকে লঞ্চে করে সন্দেশখালি বাজারে পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং অর্চনা মজুমদার। তিনি পৌঁছে হালদার পাড়া সহ একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করে মানুষের অভাব, অভিযোগের কথা শুনেছেন। সেই সঙ্গে এলাকার মানুষ শঙ্খ, উলু ধ্বনি, এবং পুষ্প বর্ষণ করে গ্রামের মহিলারা বরণ করে নেন। বেশ কিছু জায়গায় পায়ে হেঁটে আবার টোটোতে চেপে ঘুরে দেখেন তিনি। এর মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    আজ বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “একজন বলেছিলেন সন্দেশখালিতে এলে আমার ছাল আর চামড়া ছাড়িয়ে নেবেন। তাই আজ এসে মিষ্টি খেয়ে গেলাম। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি বাড়িতে বসে থাকতে পারিনা। মানুষ নিজের উপর তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায় বিচার চাইছে। তাই মানুষের দাবিকে সমানে রেখে আমাদের আন্দোলন চলবে। মানুষ অত্যন্ত দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন, দোষীদের শাস্তি হবে তো? বিচার পাবো তো? ফের এলাকায় ফিরে এসে শাহজাহান অত্যাচার করবে না তো। তাই মানুষকে ভয় মুক্ত করা আমাদের একমাত্র কাজ। সন্দেশখালি এবং মিনাখাঁ এই দুই বিধানসভাকে নিয়ে আমরা ৩০ হাজারের মানুষের সভা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত তৃণমূল নেতা আমির আলি গাজি

    Sandeshkhali: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত তৃণমূল নেতা আমির আলি গাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত আমির গাজি। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। আজ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ। তিনি শেখ শাহজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে পরিচিত। তাঁকে আজ ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বসিরহাট আদালত। সন্দেশখালির নিপীড়িত এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মহিলার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছিল বসিরহাট আদালতে। সেই গোপন জবানবন্দিতে স্পষ্ট ছিল আমির আলি গাজির নাম। 

    রাউরকেল্লা থেকে গ্রেফতার (Sandeshkhali)

    আমিরের বাড়ি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। ইতিমধ্যে এই কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া উত্তম সর্দার, শিব প্রসাদ হাজরার সঙ্গে খুব নিবিড় সম্পর্ক ছিল তাঁর। তাঁর বিরুদ্ধেও এলাকায় জমি দখল, চাষের জমি নষ্ট করা, মারধর করা, বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা, এমনকি খুনের হুমকি এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ওড়িশার রাউরকেল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পেরেছে রাউরকেল্লায় রয়েছেন আমির, আর তারপর তাঁকে নিয়ে আসা হয় আজ।

    ৫৫ দিন পর গ্রেফতার

    দক্ষিণবঙ্গের আধিকারিক পুলিশের এডিজি সুপ্রতিম সরকার জানিয়েছেন, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণের ৫৫ দিন পর পলাতক নেতা শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই গ্রেফেতারকে ‘মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বলেছেন। বসিরহাট আদালতে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ভাবানী ভবনে তাঁকে রাখা হয়েছে। একই ভাবে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ এই সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করবে। অপর দিকে তৃণমূলের তরফ থেকে গ্রেফতারের পর সাংবাদিক সম্মলেন করে বলা হয়েছে, শাহজাহানকে আগামী ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা পরিষদের বাজেট অধিবেশনে, তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গাড়ির ডিজেল খরচে লাগাম ছাড়া হিসাব দেখিয়ে কারচুপি করেছেন বলে অভিযোগে সরব হয়েছেন দলেরই জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাপতি তথা জেলা পরিষদের সদস্য শাহনাজ বেগম। একই সঙ্গে আরও অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “সভাধিপতি কলকাতার নামী দামি হোটেলে মোটা অঙ্কের টাকা মিটিয়েছেন জেলা পরিষদের তহবিল থেকেই।” ফলে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তৃণমূল সদস্যের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলায়। তৃণমূলে দলের অন্দরেই অস্বস্তির ছায়া ফের একবার স্পষ্ট।

    কত লিটার ডিজেল খরচ করেন সভাধিপতি (Murshidabad)?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা পরিষদের সদস্য শাহনাজ বগেম, রুবিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, “জেলা পরিষদের সভাধিপতি গত অক্টোবর মাসে ২২০৯ লিটার, নভেম্বর মাসে ১৮১৫ লিটার, ডিসেম্বর মাসে ১৯১০ লিটার ডিজেল নিজের গাড়ির জন্য ব্যবহার করেছেন। এতো ডিজেল কোথায় ব্যবহার করলেন? আবার ২১ অক্টোবর ৬৬৮২০ টাকা, ১৭ নভেম্বর ৫৩৩২০ টাকা এবং ১৬ ডিসেম্বর ৩৫৮৪০ টাকা কলকাতার হোটেলে খরচ করেছেন। অথচ সেখানে সার্কিট হাউসে থাকা যায়। এত অতরিক্ত খরচ কেন? আমি জানতে চাইবো, এটা ঠিক না ভুল! ভুল হলে আমি খুশি হবো। জেলা পরিষদের অঙ্গ হিসাবে জানতে চাই আমি।”

    সভাধিপতির বক্তব্য

    জেলার (Murshidabad) সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা বলেন, “কোনও সদস্য আক্ষেপ করতেই পারেন। অভিযোগের যুক্তি খতিয়ে দেখতে হবে। দায়িত্ব পেল যেমন পক্ষে কথা ওঠে, তেমনি বিপক্ষেও কথা ওঠে। তবে এই সব বিষয়কে আমি গুরুত্ব দিই না। আপনাদের বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।” জেলার আরেক তৃণমূল নেতা বলেছেন, “অভিযোগকারী সভাধিপতি হতে পারেননি, তাই নিজের রাগ এবং ঝাল মেটাতে এই অভিযোগ তুলেছে।”

    জেলা কংগ্রেসের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের সদস্য তৌহিদুর রহমান সুমন বলেন, “জেলা পরিষদের সদস্য যে অভিযোগ তুলেছেন, তা মারাত্মক বড় ধরনের দুর্নীতি। আমরা চাই সকল দুর্নীতির সঠিক তদন্ত হোক। সরকারি টাকার অপচয় হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শাস্তি চাইবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কেষ্ট-ঘনিষ্ঠকে পদ থেকে সারল তৃণমূল। অবশ্য অপসৃত প্রাক্তন বিধায়কের দাবি “আমি সুস্থ”। গরুপাচার মামলায় জেলবন্দী বীরভূমের (Birbhum) নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হাত ধরেই তৃণমূলে এসেছিলেন নরেশ বাউড়ি। তাঁর বিধায়ক হওয়ার পিছনেও কেষ্ট মণ্ডলের হাত ছিল বিরাট। তাঁকে পদ থেকে অপসারণের ফলে দলের মধ্যেই উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে কি গ্রেফতার করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? এই ভয়েই কি অপসারণ? নাকি দলের গোষ্ঠী কোন্দল? উঠছে নানা প্রশ্ন। 

    কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্ব (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) রাজনীতিতে তৃণমূলের মধ্যে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গ্রেফতারের পর থেকে ক্রমশ দলের মধ্যে অনুব্রতের গুরুত্ব কমে গিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। অপর দিকে অনুব্রতের অনুপস্থিতিতে কাজল শেখের গুরুত্ব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলার সভাপতির পদ থেকে কেষ্টকে এখনও আনুষ্ঠানিক অব্যাহতি দেননি। এই পরিস্থিতির মধ্যে দুবরাজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশকে বোলপুর টাউন সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজল শেখ এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহের ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সুকান্ত হাজরাকে। ফেলে অনেকের অনুমান, দলের মধ্যে কোন্দল স্পষ্ট। 

    বেসুরো নরেশ বাউড়ি

    ঘটনায় দলের সুরে সুর না মিলিয়ে বীরভূমের (Birbhum) অনুব্রতপন্থী নরেশ বাউড়ি বলেন, “শরীরিক ভাবে আমি যথেষ্ট সক্ষম। আমি অসুস্থ নই। দলের যা সিদ্ধান্ত তা মেনে চলবো।” তবে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, তাই দলের পদ থেকে সরানো হয়েছে, এমনটা অনেকেই মনে করছেন। বস্তুত লোকসভার আগে এই দলের পরিবর্তনে তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তৃণমূল মন্ত্রী বক্তব্য

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ অবশ্য দলের দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলেন, “নরেশ বাবু শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তিনি নিজেই সরে যাবার আবেদন করেছিলেন। তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়নি। তাঁকে জেলায় (Birbhum) অন্য পদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি

    Paschim Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) শিলদায় ইএফআর শিবিরে মাওবাদী হামলায় ২৩ জন দোষীদের মধ্যে ১৩ জন দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি দিয়েছে আদালত। মেদিনীপুর অতিরিক্ত এবং দায়রা জেলা আদালতের বিচারপতি সেলিম শাহী এই মামলায় গতকাল মঙ্গলবার ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। আজ ১৩ জনের সাজার নির্দেশ দেন বিচারপতি, আর বাকি দোষীদের সাজা ঘোষণা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। উল্লেখ্য ঝাড়গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটেছিল ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

    কী বললেন বিচারপতি (Paschim Medinipur)?

    আদলাতে দোষীদের প্রথমে বক্তব্য শুনতে চান বিচারপতি (Paschim Medinipur) সেলিম শাহী। এরপর দোষীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, “আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে আপনাদের। কী বলার আছে বলতে পারেন। নিজেদের নির্দোষ বলে লাভ নেই। রায়ের কপি পেয়ে যাবেন। এরপর আপনারা হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন।”

    প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা হয়েছিল

    ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শিলদা (Paschim Medinipur) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় ২৪ জন ইএফআর সেনার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য এই ক্যাম্পের কাছেই ছিল পুলিশের স্ট্রোক ক্যাম্প। হামলায় জওয়ানদের গুলি করে খুন করা হয়। এরপর ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চালানো হয় অস্ত্র ভাণ্ডারে লুটপাট।

    অপরাধীদের নাম

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলা প্রথমে ঝাড়গ্রামে শুরু হয়েছিল। এরপর মামলা মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মামলায় দোষীদের নাম হল, লোচন সিংহ সর্দার, চুনারাম বাস্কে, রমসাই হাঁসদা, আশিস মাহাত, ধৃতিরঞ্জন মাহাত, অর্ণব দাম, বিষ্ণু সারেন, বুদ্ধেশ্বর মাহাত এবং প্রশান্ত পাত্র। এরা প্রত্যকে জামিনে মুক্ত ছিল। অপরদিকে জেল হেফাজতে ছিলেন শ্যামচরণ হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শুকলাল সরেন, রাজেশ মুন্ডা, মানস মাহাত, কানাই হাঁসদা, কল্পনা মাইতি, সনাতন সরেন, মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমনি হেমব্রম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কাজল মাহাত, রঞ্জন মুন্ডা এবং মঙ্গল সরেন। মানবাধিকার কর্মীরা অবশ্য এই সাজা ঘোষণায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share