Tag: Madhyam

Madhyam

  • Cooch Behar: মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার পরই তৃণমূলে ধস, নিশীথের নেতৃত্বে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    Cooch Behar: মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার পরই তৃণমূলে ধস, নিশীথের নেতৃত্বে বিজেপিতে যোগদানের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে (Cooch Behar) মুখ্যমন্ত্রী জেলা থেকে প্রস্থান করতেই যেন ধস নামলো তৃণমূলে। লোকসভা ভোটের আগেই বিজেপিকে আরও শক্ত করতে দলে দলে তৃণমূল কর্মীরা যোগদান করলেন বিজেপিতে। এই যোগদান সভায় বিশেষ নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

    বিজেপির পার্টি অফিসে যোগদান (Cooch Behar)

    তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারের (Cooch Behar) রাসমেলা ময়দানে একাধিক প্রকল্পের কথা যখন ঘোষণা করে গেলেন। সেই সঙ্গে ২১০ টি রাজবংশী বিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে গেলেন তিনি। আর ঠিক তার পরেই ২৪ ঘণ্টা ঘুরতে না ঘুরতেই তাঁর সভাস্থল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে বিজেপির পার্টি অফিস থেকে দেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে কোচবিহার পৌরসভার ৫, ১৫, ১৬, ১৯, ২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে একাধিক তৃণমূলকর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। একই সঙ্গে কোচবিহার শহর লাগোয়া মধুপুরগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সহ পঞ্চায়েত সদস্য এবং মধুপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতৃত্বের একাধিক কর্মী-সমর্থকরা এদিন বিজেপিতে যোগদান করতে দেখা গেল।

    কোন কোন তৃণমূল নেতা যোগ দিলেন(Cooch Behar)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার কোচবিহারের (Cooch Behar) মধুপুর অঞ্চলের উপপ্রধান তথা অঞ্চলের তৃণমূলের চেয়ারম্যান যোগেশচন্দ্র বর্মন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। সেই সঙ্গে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দীপ্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক দীপক রায়, মধুপুর অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গীর আলম-এর সাথে আরও একাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা বিজেপিতে যোগদান করেন। তৃণমূল নেতাদের মধ্যে এক নেতা বলেন, “১৯৯৮ সাল থেকে আমি তৃণমূল করি। কোনও রাগের জায়গা থেকে দল ছাড়ছি না। কাউর প্রতি কোনও দোষারোপ করব না। বিজেপি একটি সর্ব ভারতীয় দল। ভারতে গত এক দশক ধরে শাসন করছে এই দল। তাঁদের উন্নয়নের কাজে আমি খুশি। আঞ্চলিক দলের হয়ে আর কাজ করব না। এবার জাতীয় দলের সৈনিক হয়ে কাজ করবো। আজ আমরা মোট ১৩ জন পঞ্চায়েত সদস্য যোগদান করলাম। আগামী দিনে আরও অনেক মানুষ যোগদান করবে।”

    কী বলেন নিশীথ প্রামাণিক?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক কোচবিহারে (Cooch Behar) এদিন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী একগুচ্ছ ভাওতাবাজি দিয়ে গিয়েছেন। মানুষ এই ভাওতার প্রকল্পগুলিকে গ্রহণ করেনি। সাধারণ মানুষ বিজেপির সঙ্গে আছেন এবং থাকবেন। কোচবিহার থাকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত সকল স্থানে মানুষ তৃণমূলকে আগামী লোকসভার ভোটে উচিত জবাব দেবেন। একই ভাবে ২০২৬ সালের বিধানসভার নির্বাচনে তৃণমূল দলটা পুরোপুরি উঠে যাবে। এই সরকারের দুর্নীতি এবং অগণতান্ত্রিক আচরণ মানুষের হিতের বিপরীত।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুরের স্কুলে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, তীব্র ভর্ৎসনা পুলিশকে

    South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুরের স্কুলে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, তীব্র ভর্ৎসনা পুলিশকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুর স্কুলে ঢুকে হামলার ঘটনা এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু ঘটনা ঘটে যাওয়ার দুই দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এই নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন আজ এবং সেই সঙ্গে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।

    কী বললেন বিচারপতি (South 24 Parganas)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বিচারপতি বসুর নির্দেশের ২০ ঘণ্টা পার হেলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নি বলে জানায় পুলিশ। আর তাই আজ দুপুর ২টোর সময় বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশ জেলা সুপারের রিপোর্ট তলব করল আদালত। তবে ভার্চুয়ালি হাজির থাকবেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই ভাবে সেই সঙ্গে হাজির থাকতে হবে নরেন্দ্রপুর থানার আইসিকে।

    পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতারের নির্দেশ ছিল

    নরেন্দ্রপুর (South 24 Parganas) স্কুলের মধ্যে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, মারধরের ঘটনায় তৃণমূলের অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। পালটা রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল কোর্টের নির্দেশের পর ৩-৪ জায়গায় তল্লাশি অভিযান করা হয়েছিল। কিন্তু পঞ্চায়েত সদস্যকে বাড়িতে কেন পাওয়া গেল না সেই প্রশ্নও করেন বিচারপতি। একই সঙ্গে ঘটনায় ১২০বি ধারায় মামলা করার নির্দেশ দেয় কোর্ট। যত বড় নেতাই হোক না কেন আগে তাকে গ্রেফতার করতে হবে, ঠিক এইভাবেই নির্দেশ দিয়ে ছিলেন বিচারপতি। অথচ কার্যকর করেনি পুলিশ।

    স্কুল শিক্ষা দফতরের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কোর্ট

    জানা গিয়েছে, স্কুল শিক্ষা দফতরের দুই সহ-অধিকর্তা তপন কুমার সিনহা এবং অনিন্দ্য কুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি বসু। বিচারপতি বলেন, “স্কুলের (South 24 Parganas) দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে আপনারা গিয়েছিলেন? গিয়ে কী করলেন? জেলা স্কুলে পরিদর্শকের দুটি রিপোর্টে স্পষ্ট করে আর্থিক দুর্নীতির কথা জানিয়েছে। সেই রিপোর্টকে কীভাবে ছুড়ে ফেলে দিলেন আপনারা? ডিআই দুটো রিপোর্টে আর্থিক নয়ছয়ের কথা বলেছেন। স্কুলের অরাজগতা চলছে শিক্ষকরাই জানিয়েছেন। কিন্তু আপনাদের এই রিপোর্টে কিছুই নেই। তদন্ত নিরপেক্ষা না করে প্রধান শিক্ষককে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। কেন এফআইআর করা হবে না আপনাদের বিরুদ্ধে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bardhaman: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংশোধনাগারে মৃত্যু, কমিশনের রিপোর্ট তলব

    Bardhaman: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংশোধনাগারে মৃত্যু, কমিশনের রিপোর্ট তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বন্দি অবস্থায় মৃত্যু। এই মৃত্যু ঘটেছে বর্ধমান (Bardhaman) সংশোধনাগারে। ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে সংশোধনাগারে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে কীভাবে ঘটল মৃত্যুর ঘটনা তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় এবং রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। এই ঘটনায় জেলায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    মৃত বন্দির পরিচয় (Bardhaman)?

    সংশোধনাগার সূত্রে জানা গিয়েছে, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দির নাম হল হাতেম আলি মণ্ডল। তার বাড়ি হল পূর্ব বর্ধমানের (Bardhaman) মন্তেশ্বর থানার ভাগড়া গ্রামে। গতকাল সোমবার আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম। এছাড়াও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৫ সালে কালনার অতিরিক্ত জেলা এবং দায়রা বিচারক এই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে। শাস্তি হিসেবে তার আজীবন কারাবাস হয়। সেই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকার জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়। গত সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখ থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য এই আসামী শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    মামলা রুজু করা হয়েছে বর্ধমান থানায়

    সংশোধনাগারের পক্ষ থেকে গত রবিবার রাতে প্রথমে ওই বন্দিকে বর্ধমান (Bardhaman) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ভর্তি না করে বহির্বিভাগে  চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু গতকাল সোমবার ফের অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে জানায় চিকিৎসকেরা। এরপর ইতিমধ্যে বন্দি মৃত্যুকে ঘিরে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে বর্ধমান থানায়। ঘটনায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, “রবিবার রাত ১ টায় ওই বন্দিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তখন ভর্তির মতো অবস্থায় ছিল না সে। পরে যখন আবার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় সেই সময় সে মৃত ছিল বলে জানা যায়।” এখন ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ ঠিক করে জানা যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনায় ইতিমধ্যে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন রিপোর্ট তলব করে মৃত্যুর কারণ জানতে চেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরবেন”, উস্কানি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা

    Malda: “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরবেন”, উস্কানি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বালুরঘাটের প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ফের বিজেপি সাংসদকে উস্কানি মূলক মন্তব্য করলেন। সোমবার মালদার (Malda) টাউনহলে এক প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরে রাখবেন।” পালটা মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেনবাবু বলেন, “তৃণমূল কেন বাংলায় এতো চুরি করেছে সেই কৈফিয়ৎ মানুষ চাইবে।” এই তৃণমূল নেত্রীর হুমকির বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলায়।

    ঠিক কী বলেন তৃণমূল প্রাক্তন সংসদ (Malda)

    তৃণমূল প্রাক্তন সংসদ অর্পিতা ঘোষ মালদার (Malda) টাউন হলে এদিন বলেন, “একদম বিজেপি সাংসদদের চেপে ধরবেন। বাংলার প্রতিটি মেয়েদের কাছে মায়েদের কাছে এই বার্তা তুলে ধরবেন। ১৫ লক্ষ টাকা না দিলে, বাড়িতে ঢুকলে বেরোতে দেবেন না। অনেক হয়েছে, বড় বড় কথা বলেছেন। কোন সুবিধা মেয়েদের দিয়েছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আজ পর্যন্ত এই ভারতবর্ষে মেয়েদের এতখানি সম্মান কেউ দেননি। এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দেশের অর্থনীতি কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। আমরা যাতে বুঝতে না পাড়ি তাই ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে ধর্মের আফিম খাইয়ে গন্ডগোল লাগিয়ে কেবল সুবিধা নিতে চাইছে। বাংলার মেয়েরাই বিজেপিকে আটকাবে, বোঝাবে কত ধানে কত চাল।”

    আর কী বললেন?

    তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা মেয়েদের অধিকার প্রসঙ্গে মালদায় (Malda) আরও বলেন, “সংসদের নতুন বাড়ি হল, সাধু-সন্তরা যজ্ঞ করলেন। অপর দিকে দলিত বলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ডাকা হল না। রাম মন্দিরের উদ্বোধন করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। একটা গ্যাস দিয়ে ছিলেন ঢাক পিটিয়ে কিন্তু এখন এতো দাম যে কিনতেই পারছি না। গ্যাসের দাম এখন হাজার টাকা।”

    বিজপির বক্তব্য

    তৃণমূল নেত্রীর এই উস্কানি মূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলের সমালোচনা করে বলেন, “বাংলায় তৃণমূল নেতারা এতো চুরি করেছে যে মানুষ এবার হিসাব চাইবে। কেন্দ্রের টাকা লুট করেছে তৃণমূলের নেতারা। মানুষ হিসেব চাইবে তাই আগে থেকে বুঝতে পেরে অন্যের উপর দায় চাপানো হয়েছে। আসলে তৃণমূলের নেতারাই তাঁদের উপর বিরক্ত হয়ে আছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SIMI Banned: আরও ৫ বছরের জন্য জঙ্গি সংগঠন সিমিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন অমিত শাহ

    SIMI Banned: আরও ৫ বছরের জন্য জঙ্গি সংগঠন সিমিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গী সংগঠন সিমিকে (SIMI Banned) আরও ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তার জন্য এই সংগঠন অত্যন্ত বিপদজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার কাজে জড়িত ছিল এই সংগঠন।” দেশের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথাকে মাথায় রেখে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত সাধুবাদ জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী(SIMI Banned)?

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গতিপ্রকৃতির সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে চলেছে। আজ সোমবার দেশের কেন্দ্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বললেন, “স্টুডেন্ট ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অর্থাৎ সিমি (SIMI Banned) হল একটি বেআইনি, অবৈধ সংগঠন। কঠোর সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনের আওতায় নিষেধাজ্ঞার সময় সীমা আরও ৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি করা হল। এই সংগঠন দেশের মধ্যে নাশকতা মূলক কাজকে উৎসাহ দিয়ে থাকে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে আঘাত করার কাজ করে সিমি। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে ভারতের সার্বভৌম এবং অখণ্ডতাকে হুমকি দেওয়া সংক্রান্ত নানান অভিযোগও রয়েছে।”

    এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অমিত শাহ বলেন, “দেশে মোদিজির শাসনে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর মনভাব নিয়ে দমনের কাজ করা হচ্ছে। ইউপিএ আইনের ধারায় সিমিকে (SIMI Banned) নিষিদ্ধ সংগঠন হিসাবে নির্বাচিত করে আগামী আরও ৫ বছরের জন্য বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে।”

    নাশকতা মূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত সিমি

    জঙ্গি সংগঠন সিমির (SIMI Banned) সদস্যদের বিরুদ্ধে নানান নাশকতা মূলক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালে গয়া বিস্ফোরণ, ২০১৪ সালে বেঙ্গালুরুতে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম বিস্ফোরণ এবং ২০১৪ সালে ভোপালে জেল ভাঙার মতো সন্ত্রাবাদী কর্মকাণ্ডের মধ্যে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছে সিমি সদস্যদের। ২৫ এপ্রিল, ১৯৭৭ সালে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সিমি এবং সংগঠনটি একটি ধর্মরাষ্ট্র হিসাবে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে উগ্রপন্থী কার্যকলাপের কাজ করে থাকে। তাদের মূল উদ্দেশ্যে হল, ভারতকে কীভাবে ইসলাম ধর্মপ্রধান রাষ্ট্র এবং শরিয়াবিধি শাসনের অধীনে নেওয়া যায় সেই কাজ করা। আর এই কাজকে জাহাদি কার্যকলাপের দ্বারাই সম্পাদন করে থাকে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “যাঁদের খাবার জুটতো না, তাঁদের আজ তিনতলা বাড়ি”, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    Murshidabad: “যাঁদের খাবার জুটতো না, তাঁদের আজ তিনতলা বাড়ি”, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অনেক কাউন্সিলর আছেন, যাঁরা দোতলা, তিনতলা বাড়ি করেছেন। অথচ তাঁদের বাড়িতে একটা সময় খাবার জুটতো না। তার মানেই তাঁরা দুনম্বরি করেছেন। আমি তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করব। আমি তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।” আজ রবিবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথগঞ্জে তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন নিজের কার্যালয় থেকে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়কের মুখেই শোনা গেলে তৃণমূল কাউন্সিলরদের দুর্নীতির কথা। ফের চরম অস্বস্তির মধ্যে তৃণমূল। 

    তৃণমূল মানুষকে শোষণ করে (Murshidabad)

    রঘুনাথগঞ্জে (Murshidabad) জাকির হোসেন নিজের কার্যালয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। তিনি দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি না থাকলে দলের অনেক মেম্বার হেরে যেতেন। এই সব তৃণমূল নেতাদের ৫০০, ১ হাজার ভোট পাওয়ার ক্ষমতা ছিল না। কারণ তাঁরা মানুষকে কেবল শোষণ করেন।”

    রাজ্যে তৃণমূল সরকারের কয়লা, বালি, গরু, মাটি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, সমবায়ের টাকা নয়ছয়, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি, মিড-ডে-মিল, আম্ফান, যশ, চাল, ত্রিপল, আবাস, রেশন দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীরা বারবার সমালোচনা করেছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু দুর্নীতির তদন্ত সিবিআই, ইডি করছে। রাজ্যের শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা ইতিমধ্যেই জেলে বন্দি রয়েছেন।

    বিজপির বক্তব্য

    জঙ্গিপুরের (Murshidabad) এই তৃণমূল নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি জয়দেব দাস বলেন, “বিধায়ক জাকির হোসেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে এই কথা বলেছেন। পুরসভা থেকে পঞ্চায়েত সর্বত্র তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদেরকে কেবলমাত্র টিকিট দেয়। আর এরপর তাঁরাই সাধারণ মানুষের অধিকার লুট করে শোষণ করেন। কিছু দিন আগে তিনি নিজেই পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন। আজ তিনি তাঁর সঙ্গে একমঞ্চে মিটিং করছেন। তিনি একদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন, আবার পরক্ষণেই দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে কথা ঘোরাফেরা করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের ফলে অযোধ্যায় পর্যটন শিল্পে জোয়ার! ২ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের ফলে অযোধ্যায় পর্যটন শিল্পে জোয়ার! ২ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরকে (Ram Mandir) কেন্দ্র করে অযোধ্যার পর্যটন শিল্পে জোয়ার। যা থেকে হতে পারে বিপুল কর্মসংস্থান।

    গত ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অযোধ্যায় লক্ষ লক্ষ ভাক্তদের সমাগম শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিরাট পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই এলাকার সামাজিক, আর্থিক, সংস্কৃতিক, পর্যটন শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে অযোধ্যা শহরকে ঘিরে আশেপাশের ছোট, বড় শহরগুলি দ্রুত মানব সম্পদ বিকাশের সমৃদ্ধশীল নগরে পরিণত হবে। অনুমান করা হচ্ছে, এর ফলে সেখানে ১.৫ থেকে ২ লক্ষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে। একথা জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি বেটারপ্লেস সংস্থার সহকারী প্রতিষ্ঠাতা এবং গ্রুপের সিইও প্রবীণ আগরওয়াল। 

    কী বললেন প্রবীণ আগরওয়াল (Ram Mandir)

    প্রবীণ আগরওয়াল বলেছেন, “এই মন্দিরকে (Ram Mandir) কেন্দ্র করে অযোধ্যায় বিরাট অঞ্চল জুড়ে নির্মাণ কাজের ব্যাপক বৃদ্ধি পাবে আগামী দিনে। এখানে হোটেল চেইন, অ্যাপার্টমেন্ট ইউনিট, স্বাস্থ্যসেবার মতো সুবিধাগুলির সম্প্রসারণ দ্রুত হবে। ফলে গোটা অঞ্চল জুড়ে উন্নয়নের পরিকাঠামোকে ঘিরে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই অঞ্চলে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটবে। হোটেল, আতিথেয়তা, পর্যটন, খাদ্য ও পানীয়, দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, পণ্য সমগ্রী, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার নির্মাণের ফলে জনশক্তির চাহিদা আরও বাড়বে। অঞ্চলটি ধর্মীয় পর্যটনের জন্য একটি হটস্পটে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

    দৈনিক ১০ থেকে ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    অর্থনীতিবিদ এবং চাকরির বাজার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই দৈনিক ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে। এর ফলে প্রায় কমপক্ষে ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার মানুষের তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও ভোগ্যপণ্য এবং খাদ্য পরিষেবার  সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলি এই এলাকায় ক্রমবর্ধমানভাবে তাদের উপস্থিতি ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করছে। অযোধ্যাকে একটি ব্র্যান্ডিং এবং মার্কেটিং হটস্পট হিসাবে সকল বিনিয়োগকারীরা দেখেছেন বলে একাংশ মানুষ মনে করছেন।

    বিশেষজ্ঞরা কী বলেছেন?

    বিশিষ্ট বিনিয়োগকারী এইচএউএল-সংস্থার প্রাক্তন সিও সঞ্জীব মেহতা বলেছেন, “অযোধ্যা একটি প্রধান তীর্থস্থানে পরিণত হবে এবং প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ আসবেন এখানে। এটি সৃজনশীলতা এবং নতুন উপভোক্তা তৈরির সুযোগ প্রদান করবে।” আবার স্টাফিং অ্যান্ড রিন্ডস্ট্যাড টেকনোলজিসের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ইয়েশাব গিরি বলেছেন, “অযোধ্যায় প্রচুর ভক্ত আগমনের ফলে বোতলজাত জল, স্ন্যাকিং পণ্য, রিফ্রেশমেন্ট সহ পানীয় ইত্যাদির চাহিদা ব্যাপক ভাবে বেড়েছে। ফলে ব্যবসার এক অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: বালক রাম দর্শনের ভিড় সামলাতে অযোধ্যায় ৩৭৫০ কোটির প্রকল্প ঘোষণা কেন্দ্রের

    Ram Mandir: বালক রাম দর্শনের ভিড় সামলাতে অযোধ্যায় ৩৭৫০ কোটির প্রকল্প ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এবং মন্দিরে উদ্বোধনের পর থেকেই উপচে পড়া ভিড় দর্শনার্থীদের। বালক রামের দর্শন পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন ভক্তরা। ৫০০ বছর পর প্রভু রাম তাঁর নিজের জন্মভূমির উপর নির্মিত মন্দিরের গর্ভগৃহে বিরাজমান হয়েছেন। তাই অগণিত রামভক্তের দেখা মিলছে রাম মন্দির প্রাঙ্গনে। ইতিমধ্যে মন্দির কর্তৃপক্ষ আগত ভক্তদের উদ্দেশে মন্দির দর্শন এবং আরতির নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে। অপর দিকে, অযোধ্যায় ভিড় সামলাতে ৩৭৫০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার।

    রামলালা দর্শনের সময়সূচি (Ram Mandir)

    মন্দির সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনও পর্যন্ত কয়েক লক্ষ মানুষ রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শন করেছেন। দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রভু রামলালার দর্শনে ছুটে আসছেন ভক্তরা। ভক্তদের সুবিধার্থে শ্রীরাম জন্মভূমিত তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে আরতি ও দর্শনের নতুন সময় প্রকাশ করেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রাজ্য মুখপাত্র এবং মিডিয়া ইনচার্জ শরদ শর্মা বলেছেন, “প্রভু শ্রীরামলালার শৃঙ্গার আরতি হবে ভোর সাড়ে ৪টায়। সেই সঙ্গে মঙ্গল আরতি হবে সকাল সাড়ে ৬টায়। এরপর সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে ভক্তদের দর্শন পর্ব। দুপুর ১২টায় হবে ভোগ আরতি, এই সময় প্রভুকে ভোগ নিবেদন করা হবে। এরপর কিছুক্ষণ বিশ্রামের জন্য বন্ধ থাকবে গর্ভগৃহ। আবার দুপুর ২টো থেকে দরজা খুলে যাবে। সন্ধ্যার সময় হবে প্রভু রামের সন্ধ্যা আরতি। এরপর ভোগ নিবেদন করে ভোগের আরতি করা হবে। রাত্রি ১০টায় হবে শয়ন আরতি।”

    কেন্দ্র সরকারের বিরাট প্রকল্পের ঘোষণা

    মন্দির(Ram Mandir) উদ্বোধনের পর থেকেই রাম মন্দিরে ব্যাপক ভক্তের সমাগম। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো নাজেহাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। মধ্যে রাত থেকেই মন্দির দর্শনের জন্য পড়ছে লম্বা লাইন। আগামী দিনে প্রভু বালক রামের দর্শনের জন্য আরও ভিড় বাড়বে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করেছে। ৬৮ কিমি বাইপাস তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক বিশেষ ঘোষণা করেছে। ৬ লেনের হাইওয়ে রাস্তা যাবে লখনউ, বাস্তি, গোন্ডা জেলার উপর দিয়ে। উত্তর অযোধ্যা এবং দক্ষিণ অযোধ্যা দুই ভাগে প্রকল্পের কাজ ঘোষণা করা হয়েছে। মন্দিরে যেতে যাতে যানজট কম হয় তাই এই ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে ৮৯ হাজার ২৩টি গাড়ি রোজ গড়ে যাতায়াত করছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে এই সংখ্যা পৌঁছাতে পারে আনুমানিক ২ লক্ষ ১৭ হাজারে। এই রাস্তা মূলত পিপিপি মডেলে নির্মাণ করা হবে। আগামী আড়াই বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান

    Purulia: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান। গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচ হাজারের বেশি গাছ লাগিয়েছেন। এখনও সেই কাজ করে চলেছেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গাছ লাগাবেন, এমনটাই ইচ্ছে। এলাকায় তিনি ‘গাছ দাদু’ নামে পরিচিত। পুরুলিয়ার (Purulia) এই গাছপ্রেমীকে ভারত সরকার পদ্মশ্রী পুরস্কার দিতে চলেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবরে এলাকায় খুশির আবহ।

    সিন্ডরি গ্রামে সাজো সাজো রব (Purulia)

    পুরুলিয়ার (Purulia) সিন্ডরি গ্রামের বাসিন্দা দুখু মাঝি। তাঁকে এতদিন সকলে গাছ পাগল বলতেন। এখন তাঁর পদ্মশ্রী সাম্মনে মাতোয়ারা গোটা গ্রাম। এজন্য গোটা গ্রামে সাজো সাজো রব। নিজের খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়ে কেবল গাছই লাগান তিনি। নিজের ছেলেমেয়েকে অনেক কষ্ট করে বড় করে তুলেছেন তাঁর স্ত্রী। বাড়িতে একমাত্র আয়ের উৎস হল চাষবাস। তাঁর গাছ লাগানোর প্রচেষ্টার মধ্যে যে দেশের বড় সম্মান লুকিয়ে ছিল, তা আজ সকলে বুঝতে পারছেন।

    কী বলেন দুখু মাঝি?

    ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মানের কথা শুনে দুখু মাঝি (Purulia) বলেন, “আমার খুব ভালো লাগছে। জীবনে কখনও ভাবিনি এই ভাবে আমাকে সম্মাননা দেওয়া হবে। তবে গাছ লাগানো আমার একটা বড় নেশা। পুরস্কার আমার আশার বাইরে ছিল। গত ১০-১২ বছর ধরে আমি গাছ লাগিয়ে চলেছি। এক সাহেব বলেছিলেন, একদিন দেশে অক্সিজেনের অভাব হবে। এই কথা ভীষণ ভাবে আমার অন্তরকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। পুরুলিয়ায় অনেক গাছ আমি লাগিয়েছি। আরও গাছ লাগাবো।”

    গাছ লাগানোর অনুপ্রেরণা

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও’ এই কথার অর্থ বুঝতে খুব একটা দেরি হয়নি দুখুবাবুর। মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে গাছ লাগাতে শুরু করেন এবং আজ ৭৮ বছরেরও থেমে নেই তিনি। সাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরি করেন। ফাঁকা জায়গা দেখলেই গাছ বসিয়ে দেন। একটা সময় লাক্ষা চাষের জন্য কুসুম, কুল গাছ লাগিয়েছেন। এছাড়াও বট, আম, জাম, পলাশ, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া সহ প্রছুর গাছ লাগিয়েছেন। গাছ লাগিয়ে কেবল ছেড়ে দিতেন না। সেই সঙ্গে  গাছের পরিচর্যাও করতেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TET OMR sheets: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিণত হয়েছে কাগজের ঠোঙায়

    TET OMR sheets: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিণত হয়েছে কাগজের ঠোঙায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট (TET OMR sheets) এখন কাগজের ঠোঙায় পরিণত হয়েছে তেলেভাজার দোকানে। মিলেছে ১০০ টির বেশি রোল নম্বর যুক্ত ছেড়া উত্তরপত্র। স্কুল শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিকাণ্ডে এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে বর্ধমান শহরে।

    রাজ্যজুড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইতি মধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য, তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ আরও একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূল সরকার এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ব্যাপক চাপে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০১২ সালে টেট উত্তীর্ণরা চাকরি পাননি (TET OMR sheets)

    রাজ্যে টেট পাশ করা প্রার্থীরা স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের জন্য আন্দোলন করছেন। ২০১২ সাল থেকে টেটে পাশ করে এই রাজ্যের মোট ১ লক্ষ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী। তাঁরা লাগাতার নিজেদের প্রাপ্র্য চাকরি থেকে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে আন্দোলন করছেন। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, মিছিল, ধরনা, অনশন সবরকম চেষ্টা করে সরকারের কাছে নিজেদের দাবি রাখছেন। কিন্তু সরকারের মনোভাব অত্যন্ত কঠোর। নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই বর্ধমান শহরের তেলেভাজা দোকানে ঠোঙায় করে দেওয়া হচ্ছে চপ বেগুনি। এমনই একটি ঠোঙায় দেখা গেল টেটের ওএমআর (TET OMR sheets) শিটের চিত্র। এটি ২০১২ সালের টেটের শিটের একটি ছেড়া অংশ। সেখানে লেখা রয়েছে ১১০৫২৩০০ নম্বরের একটি রোল নম্বর। প্রশ্নের বুকলেটের জায়গায় রয়েছে সেই নম্বর।

    প্রায় ১০০ জন প্রার্থীর পরীক্ষার্থীর শিট কাগজের ঠোঙা

    এই ওএমআর (TET OMR sheets) শিটের নম্বর দেখে জানা গিয়েছে এই শিটের পরীক্ষার্থীর নাম স্বপন বেরা। একই রকম আরও অনেক ওএমআর শিট পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রোল নম্বর ১১০৫২৪১৩, প্রার্থী হলেন কলকাতা নিবাসী সুরজিৎ দে। এছাড়াও আরও একাধিক প্রার্থী রয়েছেন, যাঁদের নাম শেখ সেলিম আহম্মদ, রোল নম্বর ১১০৫২২৯৯, মিলি বেহেরা তাঁর রোল নম্বর ছিল ৩৩০৫৯৯০৫, শত্রুঘ্ন দাশ তাঁর রোল নম্বর ছিল ১২০৩৬২০৯, শুভেন্দু মিশ্র, রোল নম্বর ১১০৫২৪১৬, এরকম পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ১০০ টির বেশি উত্তরপত্রের ওএমআর শিট এখন কাগজের ঠোঙা হিসাবে দোকানে দোকানে ঘুরছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সরকার প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর মেলেনি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share