Tag: Madhyam

Madhyam

  • Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের গাড়িতে নীলবাতির আলো জ্বালিয়ে দিব্যি বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। এই তৃণমূল নেত্রী হলেন শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। এই গাড়িতে করেই শিলিগুড়িতে নানান বৈঠক করছেন তিনি। কিন্তু এই ভাবে নীল আলো জ্বালিয়ে কি সহকারী সভাধিপতি গাড়ি করে ঘোরাঘুরি করতে পারেন? আর এই নিয়েও ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অবশ্য মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য “এই বিষয়ে কিছু জানা নেই।”

    নাম কী এই সহকারী সভাধিপতির (Siliguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আদিবাসী সমাজ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন অভিনেত্রী রোমা রেশমি এক্কা। এই মহকুমার বেশীর ভাগ এলাকায় আদিবাসী মানুষের বসবাস। তিনি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে দলের টিকিট দিয়ে ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু এই ভাবে সহকারী সভাধিপতি কীভাবে নীল বাতি গাড়িতে ব্যবহার করতে পারেন, তাই নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও উঠেছে প্রশ্ন। রোমার অবশ্য বক্তব্য, “নীলবাতি লাগালে প্রশাসনিক কাজে ব্যাপক সুবিধা হয়। রাস্তায় যানজট থাকলে জরুরি বৈঠককে যেতে অসুবিধা হয়। ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা লোকজনের চোখে পড়ে না। ফলে নীলবাতি থাকলে সুবিধা হয়।”

    সরকারী নিয়ম কী?

    সরকারী নিয়মে বলা হয়েছে, যাঁরা মূলত আইন শৃঙ্খলার কাজ করেন তাঁদের মধ্যে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের গাড়িতে নীলবাতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি জরুরি বা আপৎকালীন পরিষেবা দিতে এমন গাড়ির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু তৃণমূল নেত্রী এমন কোনও পরিধির মধ্যে নেই। কিন্তু তবুও নীলবাতি! বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ শাসক দলের নেতা-নেত্রীরাই সব থেকে বেশি বেআইনি কাজ করে থাকেন। অবশ্য দার্জিলিং (Siliguri) জেলা শাসক প্রীতি গয়াল বলেন, “বিষয়ে খোঁজ নিয়ে বলব”।

    বিজেপির বক্তব্য

    মহকুমার (Siliguri) বিজেপি কিসান মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অনিল ঘোষের বক্তব্য,“অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা, ওঁর কোনও ধারণা নেই। কে লালবাতি আর কে নীলবাতি নিয়ে ঘুরতে পারে সেই সম্পর্কে বিন্দু মাত্র বোধ নেই। বিডিও, এসডিও, ডিএমের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নীলবাতি লাগাতে পারেন। যিনি শুধু জন প্রতিনিধি তাঁর পক্ষে এই বাতি ব্যবহার করা নিয়মের বাইরে। আসলে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যাতে না শুনতে হয় তাই নীলবাতি লাগিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের নেত্রী।” মহকুমার সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য অবশ্য রোমার গাড়িতে এমন বাতি লাগানো আছে কিনা জানা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) বিএপিএস স্বামীনারায়ণ সংস্থার উদ্যোগে নির্মিত হিন্দু মন্দির উদ্বোধন (Abu Dhabi Temple Inauguration) করার আমন্ত্রণপত্র এল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। মন্দির কমিটির একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এসে মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। মোদির হাতে দেশে রাম মন্দির এবং বিদেশে হিন্দু মন্দির উদ্বোধনের ঘটনায় দেশজুড়ে খুশির আবহ।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হবে মন্দির

    মধ্যপ্রাচ্যের ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশের শহর আবু ধাবি। সেখানে বিগত কয়েক বছর ধরেই চলছিল মন্দির নির্মাণের কাজ। এমনকী, ২০১৮ সালে আমিরাশাহি সফরে গিয়ে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নিজের হাতে করে এসেছিলেন মোদি (PM Modi in Abu Dhabi) । মন্দির কমিটি সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ (Abu Dhabi Temple Inauguration) করতে এদিন উপস্থিত হন ঈশ্বরচরণ স্বামীজি, গুরুবর্য মহন্ত এবং ব্রহ্মহারী স্বামীজি। আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হবে এই মন্দির। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে আলোচনা করে এই প্রতিনিধিদল। আলোচনায় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সম্পর্কে সাংস্কৃতিক ভাবনা এবং দর্শন চর্চা। এছাড়াও বিষয় ছিল বিশ্বের কাছে সৌহার্দ্য, হিন্দু সমাজের মাহাত্ম্য, বিশ্বের মঞ্চে ভারতের নেতৃত্ব ইত্যাদি বিষয়।

    কেমন হবে মন্দির?

    জানা গিয়েছে, এটিই হতে চলেছে আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) প্রথম স্থাপিত হিন্দু মন্দির। শহরের আল বাকবা নামে একটি জায়গায় ২০ হাজার বর্গমিটার জমির মধ্যেই এই মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরের স্থাপত্য এবং শিল্পকলায় যেমন আধুনিক চিত্রকলা থাকবে ঠিক একই ভাবে প্রাচীন চিত্রকলার নিদর্শনও থাকবে (Abu Dhabi Temple Inauguration)। মধ্যেপ্রাচ্যে এই মন্দির ভারতের ধর্ম এবং সংস্কৃতির একটি প্রধানকেন্দ্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বন্দে ভারতের পর আসছে নয়া ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express)। এই ট্রেনের বর্ণ হবে গেরুয়া। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক এই ট্রেন বেশ আশাব্যঞ্জক এবং ফলপ্রসূ হবে। শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উল্লেখ্য অমৃত ভারত একপ্রেসের পরীক্ষামূলক যাত্রা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।

    শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এই ট্রেনের এর আগে নামকরণ করা হয়েছিল বন্দে সাধারণ। যা আদতে নন-এসি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পরে নাম বদল করে ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express) রাখা হয়। ট্রেনের রঙ ধূসর ও গেরুয়ার সংমিশ্রণ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যা থেকে উদ্বোধন করতে পারেন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। প্রথম ট্রেন যাবে অযোধ্যা থেকে বিহারের দ্বারভাঙা পর্যন্ত। দ্বিতীয় ট্রেনটি সম্ভবত চলবে মালদা থেকে বেঙ্গালুরু পর্যন্ত। যদিও, একনও রেলের তরফে সরকারি স্তরে কোনও ঘোষণা হয়নি।

    সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৩০ কিমি

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো এই ট্রেনেও পুশ-পুল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, ট্রেনের দুদিকের ইঞ্জিন সমানতালে কাজ করবে। সামনের ইঞ্জিন পুল করবে, শেষেরটি পুশ। ট্রেনের উভয় প্রান্তেই ডাব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিন যুক্ত থাকছে।  এই ট্রেনের গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট। ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন। অমৃত ভারত ট্রেনে (Amrit Bharat Express) মোট ২২টি কোচ থাকবে। ৮টি সাধারণ (জেনেরাল) কোচ, ১২টি দ্বিতীয় শ্রেণির থ্রি টিয়ার স্লিপার কোচ ছাড়া দু’টি কামরা হবে লাগেজ ভ্যান। এতে একসঙ্গে প্রায় ১৮০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ ও নিরাপত্তায় জোর

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ট্রেনের লোকো পাইলটদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে সিটগুলিকে আরামদায়ক করা হয়েছে। এছাড়াও জেনারেল কামরার উপরে সিটে গদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক সিটের সঙ্গে থাকবে উন্নতমানের মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট। পাশাপাশি, রাখা হয়েছে এলইডি লাইট, বেসিন, পাখা, মেট্রোর মতো ঘোষণার সুবিধাও। ট্রেনে যাতে জলের অপচয় কম রাখা হয় তার জন্য সেন্সর ওয়াটার ট্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার দিকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজর। এই ট্রেনে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কবচ’ প্রযুক্তি। ট্রেনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অবশ্যই কম থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি কোচে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। 

    ২ ঘণ্টা কম সময় লাগবে

    এই ট্রেনের ট্রায়াল ও অন্যান্য সুবিধাগুলিকে প্রত্যক্ষভাবে দেখেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেসব রুটে এই ট্রেনগুলি চলবে সেখানে যাত্রাপথে গন্তব্যে পৌঁছাতে ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।  প্রবীণ বা বয়স্ক নাগরিক কিংবা বিশেষ সক্ষমরা যাতে উঠতে পারেন তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। দরজা থাকবে বেশ চওড়া, জানালা থাকবে বেশ বড়বড়। দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং নতুন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। দিল্লি থেকে কলকাতায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express) ট্রেনে আসত ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এই ট্রেন হল অমৃত কালের অমৃত ভারত ট্রেন।”

    কেমন হবে ভাড়া?

    অনেকে বলছেন, এই ট্রেন বন্দে ভারতের ছোট ভাই। তবে এর ভাড়া বন্দে ভারতের মতো হবে না। তুলনায় অনেক কম হবে ভাড়া। রেল জানিয়েছে, সাধারণ মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্লিপার এবং দ্বিতীয় শ্রেণির তুলনায় মাত্র ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ বেশি ভাড়া হবে এই ট্রেনে। অন্যান্য মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এক থেকে ৫০ কিলোমিটারের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রার ন্যূনতম টিকিটের দাম ৩০ টাকা (রিজার্ভেশন এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়া)। সেখানে অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে (Amrit Bharat Express) এক থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ন্যূনতম খরচ ৩৫ টাকা। রিজার্ভেশন ফি এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়াই যাত্রীদের দিতে হবে এই অর্থ। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ছাড়ের টিকিট এবং বিনামূল্যে পাসের জন্য টিকিট এই ট্রেনগুলিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Actor-Politician Vijayakanth: কোভিডে কাড়ল প্রাণ, প্রয়াত তামিল অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত

    Actor-Politician Vijayakanth: কোভিডে কাড়ল প্রাণ, প্রয়াত তামিল অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ডিমএমডিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। বৃহস্পতিবার চেন্নাইতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই তামিল চলচ্চিত্র অভিনেতা। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। জানা গিয়েছে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Actor-Politician Vijayakanth)

    হাসপাতাল সূত্রে একটি জানা গিয়েছে, নিউমনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছিলেন এই তামিল অভিনেতা বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। তাঁর অত্যধিক শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা ছিল। এরপর ভেন্টিলেশন সাপোর্টেও ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা করা গেল না। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ত বুধবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া থেকেই প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার মধ্যেই তিনি করোনা আক্রান্ত হন। প্রিয়জন তথা ভক্তকূলের কাছে ‘ক্যাপ্টেন’ নামে পরিচিত ছিলেন বিজয়কান্ত। সিনেমায় সেনা চরিত্রের ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য এই বিশেষ পরিচয়ে সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় সেলুলয়েডে তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে তাঁকে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমজি রামচন্দ্রণের সঙ্গে তুলনা করা হতো। বিজয়কান্ত ১৫০টির বেশি তামিল সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    ডিএমডিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন

    ২০০৫ সালে দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড় কাজাগাম (ডিএমডিকে) দল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র বিকল্প দল হিসবে তামিলনাড়ুতে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন তিনি। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ললিতার এডিএমকে-র সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়াই করে ২৯টি আসনে জয়ী হয় তাঁর দল। পরে অবশ্য জোট ভাঙার কারণে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছিলেন তিনি। অনেকদিন ধরে ডায়বেটিসের চিকিৎসা চলছিল তাঁর। ২০২২ সালের একটা সময়ে এই রোগের কারণে পায়ের একটি আঙুল কেটে বাদ দিতে হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গেও জোট করেছিলেন বিজয়কান্ত।

    করোনার বাড়বাড়ন্ত

    ডিসেম্বরের শুরু থেকেই সারা দেশে করোনা সংক্রমণের প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে। দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার। দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরলে এই সংক্রমণের প্রভাব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সংক্রমণের নতুন সংস্করণ জেএন ওয়ানের প্রমাণ মিলেছে বেশ কিছু রাজ্যে। এই অভিনেতার (Actor-Politician Vijayakanth) মৃত্যুতে করোনায় চিন্তা বাড়িয়েছে।

    সফদরজং হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. জুগল কিশোর জানিয়েছেন, “করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার এক মাস পর সেটা বাড়তে শুরু করে। ফলে ভারতে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে সংক্রমণ চরম আকার নিতে পারে। সকলকে তাই আরও সতর্ক থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বলাগড়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী! অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর

    Hooghly: বলাগড়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী! অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিভি দেখতে এসে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের এক তৃণমূল নেতার ছেলে। এলাকায় জানাজানি হতেই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে খোঁজ করে না পেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পাশাপাশি ধর্ষণের প্রতিবাদে এলাকার বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শাস্তি চাইলেন। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল। 

    মূল অভিযোগ কী(Hooghly)?

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর সোমাবার ১৩ বছরের এক নাবালিকা, পাশের এক প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখতে যায়। সেই সময় এক যুবক ওই নাবালিকাকে জোর করে হাত ধরে তুলে নিয়ে যায় এলাকার একটি নির্মীয়মাণ পাকা বাড়িতে। এরপর ওই নির্জন বাড়িতে শারীরিক নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ করা হয়। ঘটনার সময় এক প্রতিবেশী দেখে ফেলেন, কিন্তু অভিযুক্ত যুবককে আটকানোর চেষ্টা করলে উলটে হুমকি দেয় যুবক। এরপর গত মঙ্গলবার ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার মানুষ। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্ত যুবক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    অভিযুক্তের বাবা তৃণমূলনেতা

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের বাবা তৃণমূলের নেতা। এরপর আজ বুধবার তৃণমূল নেতার বাড়িতে এলাকার মানুষ গিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে গেলে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীও পৌঁছান। তিনি বলেন, “১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণকরা হয়েছে। অভিযুক্ত আবার হুমকি দিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দুস্কৃতীরা দলের নাম ভাঙিয়ে খারাপ কাজ করে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিজদের উদ্দেশ্যকে পূরণ করে।”

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    এলাকার স্থানীয় (Hooghly) অঞ্জনা দাস বলেন, “অভিযুক্তরা চার ভাই, ওরা পাড়ায় একদম ভালো ব্যবহার করেনা।” আবার অভিযুক্তের বাবা বলেছেন, “আমার পরিবার রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হচ্ছে। আমি আগে কংগ্রেস করতাম, ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল করি। দলের সব কাজে থাকি। আমার ছেলে অন্য রাজ্যে কাজ করে। এখন বাড়িতে এসেছে। একটা ব্যবসার কাজে যুক্ত। ওর সামনেই বিয়ে। চক্রান্ত করে ওকে ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dooars Resort: ডুয়ার্সের রিসর্টে মদ খেয়ে পুলিশের তাণ্ডব! আতঙ্কিত পর্যটকরা

    Dooars Resort: ডুয়ার্সের রিসর্টে মদ খেয়ে পুলিশের তাণ্ডব! আতঙ্কিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে মদ খেয়ে বেসরকারি ডুয়ার্সের রিসর্টে (Dooars Resort) গভীর রাতে এসে রীতিমত তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল খোদ পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধেই। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে ডুয়ার্সের মেটালিতে। এই ঘটনায় পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত পুলিশকর্মী বিবেক সুব্বা বলেন, “কোনও রকম মারামারির ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র কথা কাটাকাটি হয়েছে।”

    উল্লেখ্য হাওড়ার উলুবেড়িয়া পুলিশের বসানো মদের আসর থেকে গ্রামের মহিলাদের গালিগালাজ কটূক্তি করার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল বড়দিনের রাতে। প্রতিবাদ করলে পুলিশই পালটা গ্রামের মানুষদের ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এবার ডুয়ার্সে ফের অভিযুক্ত পুলিশ।

    ঘটনা কী কীভাবে ঘটেছে (Dooars Resort)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার নদিয়া থেকে বেশ কিছু পর্যটক ডুয়ার্সের (Dooars Resort) চালসা ইনডর এলাকায় এক রিসর্টে ওঠেন। এরপর রাতের বেলায় নিজেদের রুম থেকে বেরিয়ে দেখেন তিনজন পুলিশ রিসর্টে ঢুকে রীতিমত তাণ্ডব চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে পুলিশেরা রিসর্টের কর্মীদের ব্যাপক গালিগালাজ এবং মারধর শুরু করে। ফলে বেড়াতে আসা পর্যটকেরা এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে যান। এমনকি পর্যটকদের গাড়ির ড্রাইভারদেরও অকারণেই মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর ঘটনার কথা জানিয়ে অভিযোগ করে মেটালি থানার পুলিশকে খবর দেয় রিসর্ট কর্তৃপক্ষ।

    তাণ্ডবের ভিডিও ভাইরাল

    মদ খেয়ে পুলিশ উন্মত্ত অবস্থায় রিসর্টে (Dooars Resort) গিয়ে ঘরের বুকিং চায়। কিন্তু ঘর খালি না থাকায় রিসর্টের কর্মীদের ব্যাপক মারধর করে পুলিশকর্মী বিবেক সুব্বা। কিন্তু তাণ্ডবের ভিডিও ইতিমধ্যে সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই পুলিশের এই আচরণে সমালোচনার ঝড় উঠতে শুরু করে। সাধারণত পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন স্থানীয় পুলিশেরাই। অচথ্‌ পুলিশের কাছেই সবথেকে বেশি অসুরক্ষিত ঘুরতে আসা পর্যটকেরা। রীতিমতো পর্যটক এবং পর্যটন ব্যবসা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় ফেলে দিয়েছে এই ঘটনা।

    পর্যটকদের বক্তব্য

    নদিয়া থেকে ডুয়ার্স রিসর্টে (Dooars Resort) ঘুরতে আসা পর্যটক সঞ্জয় সাহা, সন্তু গুহ বলেন, “পুলিশের এই তাণ্ডবে আমরা নিজেদের অত্যন্ত অসুরক্ষিত মনে করছি। আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। গাড়ির চালকদের ব্যাপক মারধর করে। আমাদের সঙ্গে মহিলা এবং শিশুরা ছিল, ঘটনায় সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাধ্য হয়ে স্থানীয় থানায় আমরা অভিযোগ দায়ের করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: শুভক্ষণ ৮৪ সেকেন্ড! তার মধ্যেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা শিশু বয়সের রামলালার মূর্তিতে

    Ayodhya Ram Mandir: শুভক্ষণ ৮৪ সেকেন্ড! তার মধ্যেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা শিশু বয়সের রামলালার মূর্তিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনের সময় যত এগিয়ে আসছে সারা দেশজুড়ে উৎসাহ বেড়ে চলেছে। রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু রামলালার শিশু বয়সের মূর্তি প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। মন্দিরকে ঘিরে গোটা রামনগরীতে এখন সাজো সাজো রব। পণ্ডিতরা জানিয়েছেন, তিথি-নক্ষত্র ধরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার ৮৪ সেকেন্ডের সময় পর্ব হবে গুরুত্বপূর্ণ সময়। ওই দিন ঠিক দুপুর ১২টা ২৯ মিনিট ৪ সেকেন্ড থেকে ১২টা ৩০ মিনিট ৩২ সেকেন্ড হল শুভক্ষণ। এই সময়েই প্রভু রামলালাকে সিংহাসনে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    গর্ভগৃহের জন্য তিন মূর্তির প্রতিযোগিতা (Ayodhya Ram Mandir)

    মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার শিশু বয়সের মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা নিয়েও উদ্দীপনা চোখে পড়েছে। গর্ভগৃহের মধ্যে রামলালার যে শিশু মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে তা দেখতে শিশুসুলভ কোমল চেহারার। ইতিমধ্যে একইসঙ্গে তিনটি মূর্তি তৈরি করার কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। এই তিনটির মধ্যে ঠিক কোন মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করা হবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি কোনটিকে স্থাপন করা হবে। এই মূর্তি নির্মাণ করছেন গনেশ ভট্ট, অরুণ যোগীরাজ এবং সত্যনারায়ণ পান্ডা। মন্দির ট্রাস্টের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, তিনজনের নির্মিত মূর্তির মধ্যে সেরা মূর্তিটিকে নির্বাচন করে গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে। আর বাকি দুটি মূর্তিকে মন্দিরের অন্য অংশে স্থাপন করা হবে।

    বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে

    মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে মূল উদ্বোধনের অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। নিয়ম মেনে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করে রামলালার মূর্তির অভিষেক করা হবে। আর রামালালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে থাকবেন গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড় এবং লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত।

    প্রধান অতিথিদের তালিকা

    অযোধ্যায় রামমন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনে অতিথিদের তালিকা বেশ লম্বা। ওইদিন উপস্থিত থাকবেন তিব্বতের ধর্মগুরু দলাই লামা, যোগগুরু রামদেব, শিল্পপতি গৌতম আদানি, মুকেশ আম্বানি, অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, রাজনীকান্ত, মাধুরী দীক্ষিত, রামায়াণের অভিনেতা অরুণ গোভিল সহ প্রমুখ। এছাড়াও পরিচালক মধুর ভান্ডারকর, গীতিকার প্রসূন জোশী, এসএন সুব্রহ্মণ্যমকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে বিরোধী রাজনীতির দলের নেতদের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। যাঁরা অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন তাঁদের খাওয়া-দাওয়ার জন্য লঙ্গর, কমিউনিটি কিচেন এবং খাদ্য সরবরাহ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ‘চৈতন্যের বংশধর, সার্থক উত্তরসূরী মমতা’! ব্রাত্যর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    Purba Bardhaman: ‘চৈতন্যের বংশধর, সার্থক উত্তরসূরী মমতা’! ব্রাত্যর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈতন্যদেবের কোনও উত্তরাধিকারী বাংলায় যদি থেকে থাকেন তিনি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বস্থলী ১ নম্বর (Purba Bardhaman) ব্লকের খাল-বিল, চুনো মাছ, পিঠে-পুলি ও প্রাণীপালন উৎসবে এসে মঙ্গলবার বিকেলে এমনই বললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘চৈতন্যদেব সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলেছেন, চৈতন্যদেব কোনও দিন বিভাজনের রাজনীতি করেননি, চৈতন্যদেবের উত্তরাধিকারী যদি বাংলায় কেউ থেকে থাকেন তাহলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী’। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্যে সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বৈষ্ণবভক্তারা বিষয়টি একদম ভালোভাবে নেননি বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে বিজেপিও তীব্র কটাক্ষ করেছে।

    চৈতন্যের বংশধর (Purba Bardhaman)

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু মুখ্যমন্ত্রীকে শ্রীচৈতন্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “চৈতন্যের বংশধর সার্থক উত্তরসূরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চৈতন্যদেব একটি বিশেষ রাজনীতির কথা বলেছিলেন। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলেন। কাউকেই আলাদা দেখেননা। আমি এখানে এসে খুব আনন্দ পেলাম।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আগেও এমন ভাবে মহাপুরুষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ডাক্তার নির্মল মাজি সারদা মায়ের সঙ্গে মমতাকে তুলনা করে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি করে ছিলেন। আবার কেউ কেউ লতা মাঙ্গেসকার, সচিন তেন্দুলকার আবার ভগ্নী নিবেদিতার সঙ্গে তুলনা করছেন তৃণমূলের নেতারা।  জেলার (Purba Bardhaman) বিজেপির পক্ষ থেকে অবশ্য কটাক্ষ করে বলা হয়, ‘শ্রীচৈতন্যের সঙ্গে মমতার তুলনা মূর্খতার পরিচয়’। বৈষ্ণব ভক্তরা বিষয়টি নিয়ে বলেন, “মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যকে অপমান করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।”

    আর কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    বর্ধমানে (Purba Bardhaman) গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “এই মুহুর্তে সারা বিশ্বে যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল, গাজা, ইউক্রেন, রাশিয়ায় ব্যাপক যুদ্ধ চলছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। আমরা আজ থেকে ৫ থেকে ৬ হাজার বছর আগে একটা বাঘ দেখলে নিজদের লুকিয়ে ফেলতাম গাছের আড়ালে, সামনে হাতি দেখলে মাটিতে শুয়ে আত্মগোপন করতাম। কিন্তু এখন আমরা বাঘকে খাঁচায় ধরতে শিখে ফেলেছি। কারণ আমরা মানুষ, তাই কল্পনা করে আমরা নিয়ম তৈরি করেছি। প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের জীবনকে মিলিয়ে ফেলেছি। আমরা দেখেছি মনসামঙ্গল, ধর্মমঙ্গল কাব্যে পরিবেশের কথা বলা হয়েছে। কালকেতু প্রচুর খাওয়ার বিবরণ রয়েছে। এই ভাবে এই প্রকৃতির চিন্তা একমাত্র বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছেন। বাকি কোনও রাজনৈতিক দলের এমন একক ভাবনা নেই। বাংলার সরকারের এই কাজ মানুষ সামনের দিনে মনে রাখবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মদের আসর থেকে মহিলাকে কটূক্তি সিভিক ভলান্টিয়ার-পুলিশের! প্রতিবাদে জুটল মার

    Howrah: মদের আসর থেকে মহিলাকে কটূক্তি সিভিক ভলান্টিয়ার-পুলিশের! প্রতিবাদে জুটল মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে যে কোনও উৎসবেই মদ বিক্রিতে চরম রমরমা। এই মদ পাওয়া যায় যত্রতত্র। বিহার, গুজরাটের মদ বন্ধ হলেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বন্ধ হয়নি মদ। উল্লেখ্য, জেলা আফগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের জেলাগুলির মধ্যে ঝাড়গ্রামে হয়েছে দুর্গাপুজোতে সবচেয়ে বেশি বিক্রির পরিমাণ। আর এই মদ্যপান করার পরই ঘটে থাকে যত অসামজিক কাজকর্ম। গতকাল সোমবার বড়দিনে হাওড়ায় (Howrah) এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে বসেছিল মদের আসর। এরপর মদের আসর থেকেই চলল মহিলাকে কটূক্তি। প্রতিবাদ করতেই গ্রামবাসীদের জুটল উল্টে মার।

    ঘটনা হাওড়ার কোথায় ঘটেছে (Howrah)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত বাড়লে রোজ বসে মদের আসর। সেই সঙ্গে চলে চিৎকার চেঁচামেঁচি, মদের বোতল ভাঙা এবং মহিলাদেরকে উদ্দেশ্যে করে চলে গালিগালাজ। আর এই ঘটনা সংগঠিত করে খোদ পুলিশের কর্মীরাই। পালটা প্রতিবেশীরা প্রতিবাদ করলে পুলিশেরাই আবার দৌরাত্ম্য চালায়। অভিযোগ আরও ওঠে  রীতিমতো লাঠি নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছিল পুলিশ কর্মীরা। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে হাওড়ার উলুবেড়িয়ার (Howrah) রাজাপুর থানার মল্লিকপোল জগদীশপুর এলাকায়।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয়রা বলেন, রাজাপুর (Howrah) থানায় কনস্টেবল ধর্মা দাস এবং তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে রোজ মদের আসর বসায় বাড়িতে। মদ খেতে খেতে নেশায় বুদ হয়ে শুরু করে উৎপাত। সেই সঙ্গে চলে তাণ্ডব। কাঁচের বোতল ভাঙা চলে। এমনকী এলাকার মহিলাদেরকে উদ্দেশ্যে করে চলে তুমুল গালিগালাজ।

    গতকাল বড়দিনের রাতে বসেছিল মদের আসর। এরপর মাতাল পুলিশদের উৎপাতের মাত্রা ছাড়ালে গ্রামবাসীরা প্রতিবাদ শুরু করে। কিন্তু পালটা পুলিশ প্রতিবাদীদের লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। ফলে পুলিশের বিরুদ্ধেই যেখানে অভিযোগ, সেখানে মানুষ নিজেদের কথা জানাবেন কোথায়? সরকার প্রশানের কাজ হল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত করা। আর এখানে এই পুলিশই স্বয়ং কাঠগড়ায়। একই রকম ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে চাকদহ পুলিশের বিরুদ্ধেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর তৃণমূল মন্ত্রীপুত্রের হামলা, শোরগোল

    Cooch Behar: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর তৃণমূল মন্ত্রীপুত্রের হামলা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মন্ত্রী, নেতা-নেত্রী এবং কর্মীরা বিরোধী দলের সমর্থকদের উপর আক্রমণ হামলার ঘটনার কথা বার বার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। রাজ্যে যে বিরোধীদের মত প্রকাশ এবং গণতন্ত্রর অধিকার নেই এই বিষয়ে বারবার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের ছেলে সায়ন্তন এলাকার বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে কোচবিহার (Cooch Behar) পুলিশের কাছে মন্ত্রীপুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূলের অবশ্য দাবি ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্তনন মন্ত্রীপুত্র।

    ঘটনা কীভাবে ঘিটেছে (Cooch Behar)?

    গত শুক্রবার দিনহাটার (Cooch Behar) ঝুড়িপাড়ায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের একটি দল বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করে। জানা গিয়েছে, বিজেপি মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথের বাড়িতে বৈঠক চলাকালীন সেখানে আচমকা হামলা করে তৃণমূলের গুন্ডারা। এরপর মণ্ডল সভাপতিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এই হামলার পিছনে প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দেন মন্ত্রীপুত্র। অবশ্য জেলা কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির তরফ থেকে জেলা (Cooch Behar) বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় বলেন, “মন্ত্রীপুত্র সায়ন্তন এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত। একই ভাবে আমাকেও মারধর করা হয়। ঈশ্বর দেবনাথের স্ত্রী তৃণমূলের মন্ত্রী পুত্র সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানান।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনার কথা অস্বীকার করে মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Cooch Behar) বলেন, “আমাকে হেনস্থা করতেই এই অভিযোগ। ছেলেকে এলাকার প্রত্যেকেই চেনে। পুলিশ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করুক।” আবার ঘটনায় বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল মন্ত্রী উদয়ন গুহের ছেলে সায়ন্তন গুহ বলেন, “আমার বাবাকে নানা ভাবে বিব্রত করা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে এইভাবে তৃণমূল কর্মীদের আটকে রাখা যাবনা। বিজেপি তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share