Tag: Madhyam

Madhyam

  • North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের ডিসেম্বরেও ডেঙ্গির থাবা! মশা বাহিত রোগে প্রাণ গেল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। এই ঘটনায় এলাকায় ফের একবার ডেঙ্গির প্রকোপে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে পুরসভার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্ষার পর হেমন্ত হয়ে শীত এসে গেলেও রাজ্যে থামছে না ডেঙ্গির আতঙ্ক। পুজোর পরেও নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দমদম, দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গির প্রভাব ছিল ব্যাপক। এপর্যন্ত মৃত্যু হিয়েছে অনেকের। রাজ্যের শাসক বনাম বিরোধীদের এই ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবুও ভাঙছে না প্রশাসনের ঘুম।

    মৃতের পরিচয় (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গির সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে বারসতের (North 24 Parganas) রথতালার বাসিন্দা পৃথ্বীরাজ দাসের। তিনি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। জানা গিয়েছে এই পড়ুয়া কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এরপর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রের। ওই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির শক সিনড্রোমের কথা বলে জানানো হয়েছে। এলাকার প্রতিবেশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, “এলাকায় প্রচুর মশার উৎপাত। পুরসভা থেকে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”

    স্বাস্থ্য ভবনের বক্তব্য

    স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে কোনও রোগীদের অকারণে অপ্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়ার কারণে অসংখ্য রোগীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর ফলে রোগীদের প্রাণ সঙ্কটাপন্ন হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, এর প্রভাবে রোগীদের মধ্যে অনেকের হার্টে অ্যাটাক হচ্ছে। সেই সঙ্গে ফুসফুসে জল জমে মারাও যাচ্ছে অনেক মানুষ। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ভবন আরও জানিয়েছে ঘটনাগুলির বেশির ভাগটাই বেসরকারি হাসপাতালেই ঘটছে।

    বিশেজ্ঞদের বক্তব্য

    চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গি রোগীদের ক্ষেত্রে শরীরে জল শূন্যতা একটি প্রধান সমস্যা। ডেঙ্গিতে রক্তের মধ্যে অণুচক্রিকা প্রবল হারে কমে যায়। রক্ত বাহিকা থেকে রক্তরস বা প্লাজমা লিক করে বের হলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায়। আর ফলে রোগীকে স্যালাইন দিতে হয়। তবে রোগীকে কখন প্লেটলেট দিতে হবে এই বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন জেলার জনস্বাস্থ্য আধিকারিক। বারসতের (North 24 Parganas) রোগীর ক্ষেত্রে তাই ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aishwarya Rai Bachchan: বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ! মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন ঐশ্বর্য

    Aishwarya Rai Bachchan: বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ! মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন ঐশ্বর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খবর নাকি সত্যি। সত্যিই বচ্চন পরিবারের বাড়ি ছেড়ে মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। বচ্চন পরিবারের এক ঘনিষ্ঠের সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিবারিক কলহের কারণেই নাকি মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে ‘জলসা’ ছেড়েছেন ঐশ্বর্য (Aishwarya Rai Bachchan)। শাশুড়ি জয়া বচ্চন নিজের নাতিনী এবং বৌমার সঙ্গে বহু বছর ধরে নাকি কথা বলেন না। এমনকি একে অপরের সামনে উপস্থিতও হন না। বাবা হিসাবে অভিষেক কন্যা এবং স্ত্রীর প্রতি নাকি খুব একটা আনুগত্য নন। তাই মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন গেলেন বিশ্বসুন্দরী। তাহলে কি এবার বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ সঞ্চার হল? ঠিক ভক্তদের মনে এই কথাই উঠছে বারবার। 

    জন্মদিন একাই কাটিয়েছেন ঐশ্বর্য(Aishwarya Rai Bachchan)?

    গত ১ নভেম্বর নিজের জন্মদিন একাই কাটিয়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan)। পরিবারের বাকি লোকজন তাঁর জন্মদিনে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখায়নি বলে খবর। সামজিক মাধ্যমে অভিষেক শুভ জন্মদিন লিখে কেবল মাত্র দায় সেরেছেন। সেই সময় থেকেই ঐশ্বর্য এবং অভিষেকের সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা ধরা পড়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন নিজের মেয়ে শ্বেতাকে ‘প্রতীক্ষা’ বাংলো লিখে দেন। এরপর থেকেই জানা যায় ঐশ্বর্য এবং শ্বেতার সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আসলেও ঐশ্বর্য-অভিষেকের মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়, ফলে মনোমালিন্য স্পষ্টত।

    ১৬ বছরের দাম্পত্য

    ২০০৭ সাল থেকে ঐশ্বর্য এবং অভিষেকের মধ্যে বিবাহ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। নিজের পরিচয়ের সঙ্গে ঐশ্বর্য বচ্চন পরিবারের ‘বচ্চন বহু’ নামে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। আজ পর্যন্ত ১৬ বছর হয়ে গেল বলিউডের কোনও অনুষ্ঠানে একক ভাবে ঐশ্বর্যকে দেখা যায়নি। সবসময় অভিষেককে দেখা যেত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরেই সেই ছন্দের পতন ঘটেছে। ঐশ্বর্য-অভিষেকের ভক্তরা এবার নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন না কারণ শোনা যাচ্ছে দিল্লি থেকে ননদ শ্বেতা বচ্চন এবার থেকে বচ্চন পরিবারের মধ্যে থাকতে শুরু করেছেন। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে গত একবছর ধরে জয়া বচ্চনের সঙ্গে সম্পর্ক একদম ভাল নেই ঐশ্বর্যর। ‘জলসা’য় চলেছে চরম অশান্তি। তবে সম্পর্ক তালানিতে ঠেকলেও পরিবারের প্রতি যে বৌয়ের দায়িত্ব পালনে অভাব রাখছেন না ঐশ্বর্য। গত শুক্রবার সকালে ধীরুভাই অম্বানির স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্বামী এবং শ্বশুরের সঙ্গে এক সঙ্গেই দেখা গিয়েছে ঐশ্বর্যকে। উল্লেখ্য শ্বেতার ছেলে অভিনীত ‘দ্য আর্চিজ’ ছবির প্রিমিয়ামে গোটা পরিবারকে দেখা গেলেও, ঐশ্বর্যর (Aishwarya Rai Bachchan) সঙ্গে পরিবারের কথাবার্তা, আলাপচারিতার মধ্যে দূরত্ব লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে ইতিহাস নির্মাণ করেছে ইসরো (ISRO)। এই সাফল্যে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ভারত। এরপর সূর্যের উপর নজর রাখতে সাফল্যের সঙ্গে আদিত্য-এল ১ উৎক্ষেপণ সম্পূর্ণ করেছে ইসরো। তাতেও বিরাট সাফল্য বলে দেখছেন বিশ্বের মহাকশ বিজ্ঞানীরা। এবার ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ জানালেন, ভারতের গগনযান মিশনের চার মহাকাশচারী– ভারতীয় বায়ুসেনার চারজন পাইলটকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে তাঁদের। একইসঙ্গে তাঁর ঘোষণা, “২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের মহাকাশচারীরা চাঁদের বুকে পদার্পণ করবেন।”

    কী বলা হয়েছে ইসরোর পক্ষ থেকে (ISRO)?

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, “ভারতীয় চারজন বায়ুসেনা অফিসারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দুই থেকে তিনজন মহাকাশচারীকে ‘লো আর্থ অরবিট’ বা পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে পাঠানো হবে। সেখানে দুই-তিন দিন কাটানোর পর আবার তাঁদের সুরক্ষিত ভাবে ফিরিয়ে আনা হবে। এটা হবে ভারতের জন্য প্রথম মহাকাশে মানুষ পাঠানোর অভিযান। ইতিমধ্যে বেঙ্গালুরুতে অ্যাস্ট্রোনট ট্রেনিং ফেসিলিটিতে প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ আরও বলেন, “গগনযান অভিযানের জন্য ভারত এখন প্রস্তুত। পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে প্রথমে মহাকাশচারীদের পাঠানো হবে, এরপর নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে আনার কাজ করা হবে।”

    আর কী জানা গিয়েছে?

    ইসরোর (ISRO) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এলভিএমথ্রি লঞ্চ ভেহিক্যলের উপর একটি অরবিটাল মডিউল নির্মাণ করা হবে। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই মহাকাশচারীরা মহাকাশে যাত্রা করবেন। এই লঞ্চ ভেহিক্যলকে অত্যন্ত নিরপাদ এবং সুরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিটাল মডিউলটিতে একটি ক্রু মডিউল এবং একটি সার্ভিস মডিউল থাকবে। মহাকাশের শূন্যে যাত্রা করার জন্য থাকবে সবরকম ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্টের ব্যবস্থাও থাকবে।

    ক্রু মডিউলটির ভিতরের পরিবেশ থাকবে পৃথিবীর মতো। আর তাতে করেই নিরাপদে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারবেন মহাকাশযাত্রীরা। সেই সঙ্গে থাকবে একটি ক্রু এসকেপ সিস্টেম, বিপদ বুঝে তার মাধ্যমে দ্রুত অবতরণ করতে পারবেন মহাকাশচারীরা। মূল অভিযানের আগে আরও দুটি পরীক্ষা হবে, তবে সেখানে মানুষ থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share