Tag: Madhyam

Madhyam

  • Jalpaiguri: বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, ভাঙল বুকের পাঁজর!

    Jalpaiguri: বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, ভাঙল বুকের পাঁজর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) বিজেপি কর্মীকে মারধর করে বুকের পাঁজর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, এই বছরেই গিয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের দৌরাত্ম্য, হামলা, মারধর, অত্যাচার এমনকি খুনের অভিযোগের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়ে উঠেছিল। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে তৃণমূলের আক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে রাজ্যের বিরোধীদল বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সামনেই আবার লোকসভার ভোট ফলে রাজনৈতিক উত্তাপের আবহ যে শুরু হয়ে গিয়েছে একথা রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি কর্মী এফাজুদ্দিন। তাঁর বাড়ি হল ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি ১ নং গ্রাম পাঞ্চায়েতের ঝাড় মাগুরমাড়ির পাইক পাড়া এলাকায়। আজ তিনি বাড়িতেই ছিলেন। বাড়িতে কাজ চলছিল। পাশেই শ্রমিক ডাকতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তাঁর উপর। আক্রমণকারীদের মধ্যে ছিল এলাকার তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ রাজু নামক দুই দুষ্কৃতী। রীতিমতো দুইজন মিলে তাঁকে মাটিতে ফেলে লাথি, চড়, ঘুষির আঘাতে ব্যাপক ভাবে আহত করে। এরপর তাঁকে প্রথমে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা দেখে প্রাথমিক অনুমান করেন, তাঁর বুকের পাঁজর ভেঙে গিয়ে থাকতে পারে।

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি কর্মী এফাজুদ্দিন বলেন, “আমি বাড়িতে কাজের জন্য শ্রমিকে আনতে গেলে আমাকে আজাদরা আচমকা হামলা করে। এলাকায় কেবল মাত্র বিজেপি করার জন্য আমাকে ব্যাপক মারধর করে। আমি থানায় অভিযোগ জানাবো।” পালটা তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতা রাজেশ লাকরা বলেন, “আক্রান্তের পাশে আছি, অভিযুক্তদের শাস্তি চাই। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সেবাই বিজেপির মূলমন্ত্র’ রক্তদান শিবিরে কর্মীদের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সেবাই বিজেপির মূলমন্ত্র’ রক্তদান শিবিরে কর্মীদের বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কলকাতা উত্তর শহরতলী সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে আগরপাড়ায় যোগদান করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রক্তদান শিবিরে স্বেচ্ছায় আসা রক্তদাতাদের উৎসাহিত করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “করোনার সময় ভারত সরকার যা পরিষেবা দিয়েছে সমান্তরাল ভাবে জেপি নাড্ডা সাংগঠনিক ভাবে একই সেবার কাজ করে গিয়েছেন। দলের কর্মীরা সেই কাজে হাতে হাত মিলিয়েছেন। আমাদের কাছে সেবাই হল সংগঠন, তাই বিজেপির মূলমন্ত্র হল মানবসেবা। দলের কাছে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর সময় পর্বের একটা নির্দিষ্ট সেবার অভিমুখ রয়েছে।” সেই সঙ্গে রক্তদান শিবিরে বিজেপি কর্মীদের সেবামূলক কাজে উৎসাহ দিলেন তিনি।

    সেবা মূলক কাজে উৎসাহ দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রক্তদান শিবিরে যোগদান করে সেবা কাজে উৎসাহ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিজেপি শুধু ভোট চায় না, কেবল আন্দোলন করে না। মানুষের জন্য রাস্তায় কাজ করে। গাছ লাগায়, ময়লা পরিষ্কার করে, জঙ্গল কাটে আবার দিব্যাঙ্গদের সহায়ক যন্ত্রও বিতরণ করে। এছাড়াও সাফাই স্বচ্ছতার কাজ করে, ড্রেনে ব্লিচিং-ফিনাইল দেয়, এক কথায় মানুষের যথার্থ সেবা কাজ করে বিজেপি। বিজেপি সংগঠনের কেন্দ্রীয় স্তর থেকে বলা হয়েছিল, যুব মোর্চাকে ৫ হাজার বোতল রক্ত দিয়ে সেবা কাজ করতে হবে রাজ্যে। ঠিক যে সময় সারা দেশে রক্ত সরবরাহ কম থাকে, তাই সেই সময় রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার কথা বলা হয়েছে।”

    আর কী বললেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নিজের ঢাক খুব পেটান। কেন্দ্রের রেশনের চাল, আটা, গমের বস্তায় খাদ্য সাথীর ছাপ ব্যবহার করে মানুষের চোখে ধুলো দিচ্ছেন। বিজেপি কখনই ঢাক পেটায় না। আমাদের যুব মোর্চার কর্মীরা রাজ্যের ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে ৮ থেকে ১০ হাজার বোতল রক্ত দিয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে আমাদের আরও ভাল ফল হতো। কিন্তু কোভিডের কারণে আমাদের প্রচার কম হয়েছে। মোদি জী আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন মানুষের জীবন আগে তাই আমরা সীমিত পরিসরে প্রচার প্রসার করেছিলাম। ক্ষমতা আমাদের কাছে বড় বিষয় নয় আগে মানুষের জীবন।

    ডায়মন্ড হারবার নিয়ে অভিষেককে তোপ দেগে শুভেন্দু এদিন আরও বলেন, “২০১৮ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে সবথেকে বেশি গণতন্ত্র লুট হয়েছে ডায়মন্ড হারবারে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের একজন বিরোধীরাও মনোনয়ন জমা করতে পারেনি। ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে ১৩০০ বুথ দখল করে ৩ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়েছেন কয়লা ভাইপো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পে।।

  • Suvendu Adhikari: ‘চা বাগানগুলিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিতে চায়’ চালসাতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘চা বাগানগুলিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিতে চায়’ চালসাতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগানে কখনোই অধিগ্রহণ করতে পারবে না তৃণমূল সরকার। চা বাগানগুলিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিতে চায়। ওয়েস্ট বেঙ্গল টি কর্পোরেশন ২০১৮ সালেই উঠে গেছে। রাজ্য সরকার লাটাগুড়ির চা বাগান হর্ষ নিয়োগীকে দিয়ে দিয়েছে। রাজ্য সরকারের চা বাগান নিয়ে কোনও সদর্থক ভাবনাই নেই। সিপিএম যেমন চাঁদবণিক নামক চা বাগান করেছিল ঠিক তৃণমূল এই চালসায় চা বাগান  করেছে। সব বাগানগুলি বন্ধ করে দিয়েছে। মমতাও চা বাগানকে পুরোপুরি তুলে দিতে চাইছেন।” চালসা  (Jalpaiguri) সভায় করতে এসে রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঠিক এই ভাবেই তোপ দাগলেন মমতাকে।

    চা বাগানের জমি পাট্টা হয় না(Suvendu Adhikari)

    চালসায় সভায় করতে এসে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “কোনও জায়গা যদি খাস ঘোষণা না হয় তাহলে পাট্টা হয় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চা বাগানের জমিকে অনৈতিক ভাবে পাট্টা দিয়েছেন। চা সুন্দরীর বাড়িগুলি হয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকারের টাকায়। সেখানে কেউ যাচ্ছে না। সব বাড়ি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। আগে মালিকরা এখানে চা শ্রমিকদের বাড়ি সারিয়ে দিত কিন্তু এখন দিচ্ছে না। কারণ তাঁদের কাছ থেকে তৃণমূল নেতারা কোটি কোটি টাকা লুট করেছে। চা বাগানের শ্রমিকদের ভাওতা দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। চা বাগানের জমিকে কখনোই অধিগ্রহণ করতে পারে না রাজ্য সরকার। চা বাগানের জমি কেন্দ্রের বিষয়। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পত্তি। চা বাগানের জন্য বিজেপি লাগাতার মিটিং-আন্দলন করবে।”

    আর কী বলেন শুভেন্দু?

    জলপাইগুড়ির চালসাতে এই দিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সিপিএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র নিজে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন যারা চাকরি পায়নি তারাই সংসদে প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু এটা প্রতিবাদ নয় রীতিমতো আক্রমণ! বিকশিত ভারত যাত্রা হোক বা ফসল বীমা যোজনা, তৃণমূল সরকার এই রাজ্যে ঢুকতে দিচ্ছে না। কারণ ঢুকতে দিলেই কেন্দ্রিয় প্রকল্পের সুবিধার কথা সকলে জেনে যাবেন। আর এটাই মমতার ভয়। এসএসকেএম হল সারকারি খোঁয়াড়। তৃণমূলের চোরদের সেখানে লালন-পালন করা হয়। চালসা-নাগরাকাটা থেকে কোনও মানুষ অসুস্থ হয়ে ভর্তি হতে চাইলে বেড পাবেন না। চোর ডাকাতদের বিরিয়ানি খাইয়ে রাখা হয় সেখানে। হাসপাতাল হল ইডি-সিবিআইয়ের তদন্ত থেকে বাঁচার নিরাপদ আশ্রয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদে আক্রমণকারী ললিতের সঙ্গে যোগ মিলেছে বাংলার ছাত্রের

    Parliament Security Breach: সংসদে আক্রমণকারী ললিতের সঙ্গে যোগ মিলেছে বাংলার ছাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে আক্রমণের (Parliament Security Breach) মূলচক্রী ললিতের ঝায়ের সঙ্গে যুক্ত বাংলার এক ছাত্রের যোগ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ললিত ইতিমধ্যে কলকাতায় একটি বেসরকারি স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতার কাজ করেছে। পরিবারের সঙ্গে বাগুইআটির একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত লতিত। বড় বাজারে ছিল নিত্য যাতায়েত তার। সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার বালির বাসিন্দা সায়ন পাল নামক এক ছাত্রও ললিতদের সাম্যবাদী সুভাষ সভা নামে সংগঠনের সদস্য ছিল। তবে সায়নের দাবি লিলতকে সে চেনে না ।

    সায়নের বক্তব্য

    ঘটনায় সায়ন পাল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, “আমি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেও ললিতের সঙ্গে আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। আমি তাকে চিনি না। ৫০০ জনের গ্রুপের মধ্যে আমিও একজন সদস্য। গ্রুপের সম্পূর্ণ কাজ কেবল আমার উপর বর্তায় না। সংসদের (Parliament Security Breach) হামলার ঘটনাকে সমর্থন করি না। এটা সম্পূর্ণ অপরাধ জনিত কাজ। আমরাও ভয়ে রয়েছি। গ্রুপের আরও অনেকেই ভয়ে রয়েছে।”

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর(Parliament Security Breach)

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “গত জুন মাসে কলকাতায় এক মিছিল করার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল সাম্যবাদী সুভাষ সভা নামক এক সংগঠন। আবেদন করেছিল ললিত ঝা (Parliament Security Breach) নিজেই। সেই চিঠির মধ্যে স্বাক্ষর ছিল নীলাক্ষ আইচ এবং সায়ন পাল নামক আরও দুই ছাত্রের। এরপর সূত্র ধরে যোগাযোগ করে পুলিশ।” এই বিষয়ে পুলিশ বিস্তৃত ভাবে আরও তদন্ত শুরু করেছে। সায়নকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে। নিলাক্ষী আইচের সঙ্গে ললিতের সম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে সায়ন, নীলাক্ষ প্রত্যেকেই যুক্ত ছিল। তবে ললিত গ্রুপের বাইরে সংগঠনের কাজ করত। গ্রুপে খুব একটা সক্রিয় ছিলনা সে। এখন গ্রুপ ধরে তদন্ত চলছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমে ফের উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক! এর পিছনেও কি তৃণমূল নেতার হাত?

    Birbhum: বীরভূমে ফের উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক! এর পিছনেও কি তৃণমূল নেতার হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক মজুত থাকার হদিশ পেল পুলিশ। মজুত করা বিষ্ফোরকগুলির মধ্যে রয়েছে জিলেটিন স্টিক, ডিটোনেটর ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি থানার বাহাদুরপুর পাথর শিল্পাঞ্চলের চন্দননগর গ্রামে। উল্লেখ্য আগেও এক তৃণমূল নেতাকে বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করে ছিল। এবারও কী তৃণমূল নেতার হাত রয়েছে? বিজেপির অবশ্য দাবি, বিস্ফোরক সামগ্রীর আসল মালিক তৃণমূলের নেতারাই। তাই রাজ্যের নয় কেন্দ্রিয় তদন্তকারি সংস্থার দ্বারা তদন্তের দাবিতে তুলেছে বিজেপি।

    উল্লেখ্য গত একবছরের বেশি আগে রামপুরহাটের বগটুই হত্যাকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন অবৈধ বোমা, অস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য। কিন্তু লাভ হয়নি। আবার এগরায় বাজি বিস্ফোরণের পরেও একই নির্দেশ দিয়েছিলেন কিন্তু তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। উপরন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক পরিমাণে বিস্ফোরকের ব্যবহারে ভাঙর থেকে সালার সর্বত্র উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এবারও ফের একবার বীরভূমে বিস্ফোরক উদ্ধারে প্রশাসনের বিরুদ্ধে আঙুল উঠছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

    পুলিশ নিশ্চিত করেছে বিস্ফোরক (Birbhum)

    গতকাল শুক্রবার রাতে সূত্র মারফত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নলহাটি (Birbhum) থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে চন্দননগর গ্রামের একটি বাড়িতে বিপুল পরিমানে বিষ্ফোরক মজুত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে। বাড়িটির চারিদিকে পুলিশ মোতায়েন করে ঘিরে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বম্বস্কোয়ার্ডের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মজুত থাকা বিষ্ফোরকগুলি উদ্ধার করে।

    আগেও গ্রেফতার হয়েছনে তৃণমূল নেতা

    উল্লেখ্য রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন চালার সময় গত ১০ জুন এই বীরভূমের (Birbhum) এলাকা থেকে বিষ্ফোরক মজুত রাখার অভিযোগে মনোজ ঘোষ নামে এক তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যকে গ্রেফতার করে এনআইএ। তার পরেও ওই এলাকায় বিপুল পরিমানে বিষ্ফোরক মজুত থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এরপর তাঁর সূত্র ধরে গ্রেফতার করা হয় ইসলাম চৌধুরী নামক এক ব্যক্তিকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় বীরভূমের (Birbhum) জেলা বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এই বিস্ফোরক ব্যবহার করে মানুষের ভোট লুট করেছে তৃণমূল। পুলিশ সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দিয়েছিল। আজকে উদ্ধার হওয়া এই বিস্ফোরকের পিছনে তৃণমূলের বিকি শেখ হল প্রধান অভিযুক্ত। এলাকার তৃণমূল নেতা আসাদ উদ্দিন, বিধায়ক এই বিস্ফোরকের পিছনে জড়িত। রাজ্য প্রশাসনের উপর আমাদের কোনও বিশ্বাস নেই। কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের ডিসেম্বরেও ডেঙ্গির থাবা! মশা বাহিত রোগে প্রাণ গেল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। এই ঘটনায় এলাকায় ফের একবার ডেঙ্গির প্রকোপে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে পুরসভার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্ষার পর হেমন্ত হয়ে শীত এসে গেলেও রাজ্যে থামছে না ডেঙ্গির আতঙ্ক। পুজোর পরেও নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দমদম, দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গির প্রভাব ছিল ব্যাপক। এপর্যন্ত মৃত্যু হিয়েছে অনেকের। রাজ্যের শাসক বনাম বিরোধীদের এই ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবুও ভাঙছে না প্রশাসনের ঘুম।

    মৃতের পরিচয় (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গির সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে বারসতের (North 24 Parganas) রথতালার বাসিন্দা পৃথ্বীরাজ দাসের। তিনি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। জানা গিয়েছে এই পড়ুয়া কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এরপর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রের। ওই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির শক সিনড্রোমের কথা বলে জানানো হয়েছে। এলাকার প্রতিবেশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, “এলাকায় প্রচুর মশার উৎপাত। পুরসভা থেকে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”

    স্বাস্থ্য ভবনের বক্তব্য

    স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে কোনও রোগীদের অকারণে অপ্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়ার কারণে অসংখ্য রোগীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর ফলে রোগীদের প্রাণ সঙ্কটাপন্ন হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, এর প্রভাবে রোগীদের মধ্যে অনেকের হার্টে অ্যাটাক হচ্ছে। সেই সঙ্গে ফুসফুসে জল জমে মারাও যাচ্ছে অনেক মানুষ। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ভবন আরও জানিয়েছে ঘটনাগুলির বেশির ভাগটাই বেসরকারি হাসপাতালেই ঘটছে।

    বিশেজ্ঞদের বক্তব্য

    চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গি রোগীদের ক্ষেত্রে শরীরে জল শূন্যতা একটি প্রধান সমস্যা। ডেঙ্গিতে রক্তের মধ্যে অণুচক্রিকা প্রবল হারে কমে যায়। রক্ত বাহিকা থেকে রক্তরস বা প্লাজমা লিক করে বের হলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায়। আর ফলে রোগীকে স্যালাইন দিতে হয়। তবে রোগীকে কখন প্লেটলেট দিতে হবে এই বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন জেলার জনস্বাস্থ্য আধিকারিক। বারসতের (North 24 Parganas) রোগীর ক্ষেত্রে তাই ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aishwarya Rai Bachchan: বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ! মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন ঐশ্বর্য

    Aishwarya Rai Bachchan: বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ! মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন ঐশ্বর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খবর নাকি সত্যি। সত্যিই বচ্চন পরিবারের বাড়ি ছেড়ে মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। বচ্চন পরিবারের এক ঘনিষ্ঠের সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিবারিক কলহের কারণেই নাকি মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে ‘জলসা’ ছেড়েছেন ঐশ্বর্য (Aishwarya Rai Bachchan)। শাশুড়ি জয়া বচ্চন নিজের নাতিনী এবং বৌমার সঙ্গে বহু বছর ধরে নাকি কথা বলেন না। এমনকি একে অপরের সামনে উপস্থিতও হন না। বাবা হিসাবে অভিষেক কন্যা এবং স্ত্রীর প্রতি নাকি খুব একটা আনুগত্য নন। তাই মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন গেলেন বিশ্বসুন্দরী। তাহলে কি এবার বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ সঞ্চার হল? ঠিক ভক্তদের মনে এই কথাই উঠছে বারবার। 

    জন্মদিন একাই কাটিয়েছেন ঐশ্বর্য(Aishwarya Rai Bachchan)?

    গত ১ নভেম্বর নিজের জন্মদিন একাই কাটিয়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan)। পরিবারের বাকি লোকজন তাঁর জন্মদিনে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখায়নি বলে খবর। সামজিক মাধ্যমে অভিষেক শুভ জন্মদিন লিখে কেবল মাত্র দায় সেরেছেন। সেই সময় থেকেই ঐশ্বর্য এবং অভিষেকের সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা ধরা পড়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন নিজের মেয়ে শ্বেতাকে ‘প্রতীক্ষা’ বাংলো লিখে দেন। এরপর থেকেই জানা যায় ঐশ্বর্য এবং শ্বেতার সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আসলেও ঐশ্বর্য-অভিষেকের মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়, ফলে মনোমালিন্য স্পষ্টত।

    ১৬ বছরের দাম্পত্য

    ২০০৭ সাল থেকে ঐশ্বর্য এবং অভিষেকের মধ্যে বিবাহ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। নিজের পরিচয়ের সঙ্গে ঐশ্বর্য বচ্চন পরিবারের ‘বচ্চন বহু’ নামে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। আজ পর্যন্ত ১৬ বছর হয়ে গেল বলিউডের কোনও অনুষ্ঠানে একক ভাবে ঐশ্বর্যকে দেখা যায়নি। সবসময় অভিষেককে দেখা যেত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরেই সেই ছন্দের পতন ঘটেছে। ঐশ্বর্য-অভিষেকের ভক্তরা এবার নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন না কারণ শোনা যাচ্ছে দিল্লি থেকে ননদ শ্বেতা বচ্চন এবার থেকে বচ্চন পরিবারের মধ্যে থাকতে শুরু করেছেন। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে গত একবছর ধরে জয়া বচ্চনের সঙ্গে সম্পর্ক একদম ভাল নেই ঐশ্বর্যর। ‘জলসা’য় চলেছে চরম অশান্তি। তবে সম্পর্ক তালানিতে ঠেকলেও পরিবারের প্রতি যে বৌয়ের দায়িত্ব পালনে অভাব রাখছেন না ঐশ্বর্য। গত শুক্রবার সকালে ধীরুভাই অম্বানির স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্বামী এবং শ্বশুরের সঙ্গে এক সঙ্গেই দেখা গিয়েছে ঐশ্বর্যকে। উল্লেখ্য শ্বেতার ছেলে অভিনীত ‘দ্য আর্চিজ’ ছবির প্রিমিয়ামে গোটা পরিবারকে দেখা গেলেও, ঐশ্বর্যর (Aishwarya Rai Bachchan) সঙ্গে পরিবারের কথাবার্তা, আলাপচারিতার মধ্যে দূরত্ব লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে ইতিহাস নির্মাণ করেছে ইসরো (ISRO)। এই সাফল্যে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ভারত। এরপর সূর্যের উপর নজর রাখতে সাফল্যের সঙ্গে আদিত্য-এল ১ উৎক্ষেপণ সম্পূর্ণ করেছে ইসরো। তাতেও বিরাট সাফল্য বলে দেখছেন বিশ্বের মহাকশ বিজ্ঞানীরা। এবার ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ জানালেন, ভারতের গগনযান মিশনের চার মহাকাশচারী– ভারতীয় বায়ুসেনার চারজন পাইলটকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে তাঁদের। একইসঙ্গে তাঁর ঘোষণা, “২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের মহাকাশচারীরা চাঁদের বুকে পদার্পণ করবেন।”

    কী বলা হয়েছে ইসরোর পক্ষ থেকে (ISRO)?

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, “ভারতীয় চারজন বায়ুসেনা অফিসারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দুই থেকে তিনজন মহাকাশচারীকে ‘লো আর্থ অরবিট’ বা পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে পাঠানো হবে। সেখানে দুই-তিন দিন কাটানোর পর আবার তাঁদের সুরক্ষিত ভাবে ফিরিয়ে আনা হবে। এটা হবে ভারতের জন্য প্রথম মহাকাশে মানুষ পাঠানোর অভিযান। ইতিমধ্যে বেঙ্গালুরুতে অ্যাস্ট্রোনট ট্রেনিং ফেসিলিটিতে প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ আরও বলেন, “গগনযান অভিযানের জন্য ভারত এখন প্রস্তুত। পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে প্রথমে মহাকাশচারীদের পাঠানো হবে, এরপর নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে আনার কাজ করা হবে।”

    আর কী জানা গিয়েছে?

    ইসরোর (ISRO) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এলভিএমথ্রি লঞ্চ ভেহিক্যলের উপর একটি অরবিটাল মডিউল নির্মাণ করা হবে। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই মহাকাশচারীরা মহাকাশে যাত্রা করবেন। এই লঞ্চ ভেহিক্যলকে অত্যন্ত নিরপাদ এবং সুরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিটাল মডিউলটিতে একটি ক্রু মডিউল এবং একটি সার্ভিস মডিউল থাকবে। মহাকাশের শূন্যে যাত্রা করার জন্য থাকবে সবরকম ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্টের ব্যবস্থাও থাকবে।

    ক্রু মডিউলটির ভিতরের পরিবেশ থাকবে পৃথিবীর মতো। আর তাতে করেই নিরাপদে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারবেন মহাকাশযাত্রীরা। সেই সঙ্গে থাকবে একটি ক্রু এসকেপ সিস্টেম, বিপদ বুঝে তার মাধ্যমে দ্রুত অবতরণ করতে পারবেন মহাকাশচারীরা। মূল অভিযানের আগে আরও দুটি পরীক্ষা হবে, তবে সেখানে মানুষ থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share