Tag: Madhyam

Madhyam

  • Darjeeling: পাহাড়ে হোটেল-হোমস্টেগুলি হাউসফুল! বিনামূল্যে ঘর দিয়ে মানবিক দার্জিলিংবাসী

    Darjeeling: পাহাড়ে হোটেল-হোমস্টেগুলি হাউসফুল! বিনামূল্যে ঘর দিয়ে মানবিক দার্জিলিংবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই শীতে তিলধরার জায়গা নেই। হোটেল, হোমস্টেগুলিতে পর্যটকদের রীতিমতো মাথা গোজার ঠাঁই নেই। তুষারপাত দেখার জন্য পাহাড়ে পর্যটকদের রেকর্ড ভিড়ে ঠাসা। এই অবস্থায় এগিয়ে এসেছেন সাধারণ পাহাড়বাসী। বিনামূল্যেই পর্যটকদের জন্য ঘরের দরজা খুলে দিয়েছেন দার্জিলিংবাসীরা (Darjeeling)। এই মানবিকগুণে পর্যটকরা ভীষণ খুশি।

    পর্যটন ব্যবসায়ীরা কী বলছেন (Darjeeling)?

    পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) এবার মাত্রা ছাড়া ভিড়। কালিম্পং, সিকিম-সহ উত্তরের হিমালয়ে ব্যাপক ভাবে পর্যটকদের সমাগম ঘটেছে। গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে এই ভিড়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। কার্যত অনেক আগেই হোটেল বুকিং বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে সব হোমস্টেগুলি ছিল তা সব এখন হাউসফুল। পর্যটকদের যাতে বিপাকে পড়তে না হয় তাই সাধারণ নাগরিকরা নিজেদের ঘরের দরজা খুলে দিয়েছেন বিনামূল্যে।

    ঘর দিয়ে সাহায্য পর্যটকদের

    দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) এবার শীতে পড়তে শুরু করবে তুষারপাত। ফলে পাহাড়ে ফাঁকা জায়গা নেই। প্রচুর পর্যটকের ভিড় যে হবে তা অবশ্য আগেই বলা জানানো হয়েছিল। বাড়তি পর্যটকেরা রাতের ঠান্ডায় কীভাবে রাত কাটাবেন তাই নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। প্রবল শীতে খোলা আকাশের রাত অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই অবস্থায় পাহাড়ের দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা নীলিমা তামাং, কারশিয়াঙের বাসিন্দা অলোক প্রধান, কালিম্পংয়ের বাসিন্দা ইয়েলবং -সহ প্রমুখ এলাকার মানুষেরা মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কোনও রকম টাকা না নিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্তের নজির গড়লেন তাঁরা।

    ইকো ট্যুরিজম দফতরের বক্তব্য

    ইকো ট্যুরিজম দফতরের চেয়ারম্যান রাজা বসু বলেন, “পাহাড়ে (Darjeeling) মানুষ এখন গিজগিজ করছে। হোটেলগুলি কার্যত পর্যটকে পরিপূর্ণ। থাকার সমস্যায় দার্জিলিংয়ের মানুষেরা এগিয়ে এসেছেন। গ্রামেরবাসীরা বিনামূল্যের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।’ আবার হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “আগেও পাহাড়ে ভিড় দেখেছি। কিন্তু করোনার পর এই প্রথম এতো ভিড়। আগাত পর্যটকদের জন্য পাহাড়ের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত মানবিক পরিচয় দেখিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ৮০০ কিমি সাইকেল চালিয়ে রামনগরীতে পৌঁছাবেন বঙ্গের দুই যুবক

    Malda: ৮০০ কিমি সাইকেল চালিয়ে রামনগরীতে পৌঁছাবেন বঙ্গের দুই যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনস্কামনা মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সামিল হতে সাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করে দিলেন মালদা (Malda) শহরের দুই যুবক। আগামী ২২ জানুয়ারিতে প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতি মধ্যে মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি চরম তুঙ্গে। সারা ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সকল হিন্দুদের নজর এখন এই রাম মন্দিরের দিকেই।

    মালদা থেকে ৮০০ কিমি অযোধ্যা (Malda)

    মালদা থেকে অযোধ্যার দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিমি। মালদার (Malda) দুই যুবক হলেন রবি বিশ্বকর্মা (৩০) এবং অভিজিৎ বাসফোর(২২)। তাঁরা আজ স্থানীয় মনস্কামনা কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে রওনা হলেন অযোধ্যার উদ্দেশ্যে। দীর্ঘ এই পথ অতিক্রম করে আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে অযোধ্যায় পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তাঁরা। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত সাইকেল চালানোর কথা জানিয়েছেন তাঁরা। যাত্রা শুরুর সময় তাঁদের শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হন প্রচুর রামভক্ত এবং সাধারণ মানুষ।

    কেমন হবে সাইকেলের রুট?

    জানা গিয়েছে মালাদা (Malda) থেকে অযোধ্যায় যাওয়ার পথের রুটটি হবে মালদহ থেকে প্রথমে ডালখোলা। এরপর বিহারের পূর্ণিয়া, দ্বারভাঙ্গা হয়ে উত্তরপ্রদেশের গোরখপুর দিয়ে তাঁরা দু’জনে পৌঁছবেন অযোধ্যায়। যাত্রায় তাঁদের সাইকেলের মধ্যে থাকবে প্রভু শ্রীরামের আঁকা ছবি। সনাতন ধর্মীয় পতাকার পাশাপাশি সাইকেল যাত্রায় সামিল করা হয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকাও। এলাকায় রীতিমতো উচ্ছ্বাস নিয়ে তাঁরা যাত্রার শুভ সূচনা করলেন। 

    যুবকদের বক্তব্য

    মালদার (Malda) এই দুই যুবকের বক্তব্য, “আগে দেশ পরে ধর্ম”। এই প্রসঙ্গে রবি বিশ্বকর্মা বলেন, “হিন্দু সমাজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল অযোধ্যায় রামমন্দির প্রতিষ্ঠা হবে। এবার সেই স্বপ্ন প্রতিষ্ঠা পাবে।” আবার অভিজিৎ বাসফোর বলেন, “এই রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা পর্বের ঐতিহাসিক সাক্ষী হতেই আমরা সাইকেলে যাত্রার পরিকল্পনা করেছি। শ্রীরাম আমাদের ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিচয়। পাশপাশি সমাজে যাতে নেশা কম হয় সেই উদ্দেশ্যে আমরা এই যাত্রায় সচেতনতার বিষয়কেও রেখেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭ জানুয়ারি নেতাই গণহত্যার দিন। তাই এই দিনে নিহতদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠাসভায় যোগদিতে চেয়েছেন রাজ্যের বিধানসভার বিরোধীদল নেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু পুলিশ এলাকায় অনুষ্ঠান করতে অনুমতি দিচ্ছে না বলে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর শুভেন্দু হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলার শুনানি ৪ জানুয়ারি।

    আদালতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    ৭ জানুয়ারি নেতাইগ্রামে তৎকালীন বাম আমলে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গতবছরও সভা করার জন্য পুলিশি বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিলেন শুভেন্দু। এমনকী আদলাতের অনুমতি নিয়ে সভা করতে গেলেও পুলিশ তাঁকে (Suvendu Adhikari) শারীরিক হেনস্থা করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই এবছরে যেন ফের এইরকম সমস্যার মধ্যে না পড়তে হয়, তাই আগে থেকেই হাইকোর্টে আবেদন করে রেখেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বেঞ্চে এই সভার জন্য অনুমোদন আবেদন করেছেন। অবশ্য বিচারপতি আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন ।

    গণহত্যা হয়েছিল নেতাই গ্রামে

    সময় টা তখন বামআমলের শেষের দিকে সময়। ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি লালগড় ব্লকের নেতাইগ্রামের সিপিআইএমের নেতা রথীন দন্ডপাটের একেবারে বাড়ি থেকে সাধারণ গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনায় আহত হয়েছিলেন মোট ২৮ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম নেতাদের নাম হল- অনুজ পাণ্ডে, ডালিম পাণ্ডে, ফুল্লরা মণ্ডল, চণ্ডী করণ প্রমুখ। ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবে ২০২২ সালে অভিযুক্ত সিপিএম নেতা ফুল্লরা মণ্ডল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পান। এই অভিযুক্ত ফুল্লরা ঘটনায় জখমদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাঁধা দিয়েছিল। প্রথমে মামলা সিআইডি শুরু করলেও পরে ২০১৩ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালে মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদলাতে জমা করে সিবিআই। এবার তাই নেতাইগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতে এবার জাপানে যাত্রীবাহী বিমানে (Fire in Flight) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে জ্বলছে বিমান। সেই নিয়েই বিমানবন্দরের রানওয়ে দিয়ে তা ছুটে চলেছে। বিমানের জানলা দিয়ে রীতিমতো বের হচ্ছে আগুনের লেলিহান শিখা। অন্যদিকে, রানওয়ের অপর প্রান্তে আগুনে জ্বলছে আরও একটি বিমান। এই ছবি সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কোনও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Fire in Flight)?

    জাপানি টিভি চ্যানেল এনএইচকের সূত্রে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, টোকিও হানেদা এয়ারপোর্টে অবতরণ করার সময় আগুন লেগে যায় জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে (Fire in Flight)। রীতিমতো রানওয়েতেই জলন্ত অবস্থায় বিমানটিকে ছুটতে দেখা গিয়েছে। তবে সরকারিভাবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে একধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে উপকূলরক্ষী বাহিনীর আরও একটি বিমান দাঁড়িয়ে ছিল। আর অবতরণের সময় দুটি বিমানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর তা থেকেই আগুন লেগে যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে বিমানের নীচের অংশে লাগা আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্লেনের (Fire in Flight) প্রত্যেক যাত্রী নিরাপদে রয়েছেন। যাত্রীবাহী বিমানে যাত্রী এবং ক্রু সদস্য মিলিয়ে মোট যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৬৭ জন। বিমানটি রানওয়েতে থামার পর অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে জ্বলন্ত বিমান থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। জাপানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিমানটি হোক্কাইডো বিমানবন্দর থেকে এসেছিল টোকিওয়। ঘটনায় দমকলের কর্মীরা বিমানের আগুন নেভানোর কাজ তৎপর হয়ে করছে বলে জানা গিয়েছে। নীচের তলা থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বিমানে। কেউ আহত হয়েছে কিনা এখনও স্পষ্ট হয়নি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japan Earthquake: ২৪ ঘণ্টায় ১৫৫ বার কম্পন, ভূমিকম্পে জাপানে এখনও পর্যন্ত মৃত ৪৮

    Japan Earthquake: ২৪ ঘণ্টায় ১৫৫ বার কম্পন, ভূমিকম্পে জাপানে এখনও পর্যন্ত মৃত ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নববর্ষে প্রথম দিনেই ভূমিকম্প (Japan Earthquake) এবং সুনামির কারণে বিরাট বিপর্যয় নেমে এসেছে জাপানে। ২৪ ঘণ্টায় ভূমিকম্পনের জেরে ১৫৫ বার কেঁপে উঠেছে সূর্যোদয়ের দেশ। ভূমিকম্পে ও তার জেরে আগুন লেগে মৃত্যু হয়েছে অনুমানিক ৪৮ জনের। দেশের সেনাবাহিনী অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৬। সামাজিক মাধ্যমে ফুটে উঠছে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি ও ভিডিও। যদিও মাধ্যম এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি।

    কী বলেন জাপানের মুখ্যমন্ত্রী (Japan Earthquake)

    ভূমিকম্পের (Japan Earthquake) কারণে প্রচুর বাড়ি-ঘর, দোকান, রাস্তা, জাতীয় সড়কে বড় বড় ফাটলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে সুনামির কারণে জলের স্তর অনেক উপরে উঠে গিয়েছে। বিপর্যয়ের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে বুলেট ট্রেনের পরিষেবা। দেশের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, “এই ভূমিকম্পে জাপানে ভীষণ রকমের ক্ষতি হয়েছে। দেশের অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়েছেন। বহু বাড়ি ভেঙে পড়েছে। এই কঠিন সময়ের মধ্যে আমাদের লড়াই করতে হবে।”

    জাপান আবহাওয়া দফতরের বক্তব্য

    জাপানের আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, গত সোমাবার দুপুর থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মৃদু এবং মাঝারি মাত্রার কম্পনে (Japan Earthquake) মোট ১৫৫ বার কেঁপে উঠেছে। সব থেকে বেশি কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৬ এবং দ্বিতীয় কম কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। সেইসঙ্গে মৃদু কম্পনের মাত্রাগুলি ছিল ৩ –এর নীচে। অ্যামেরিকার ভূতত্ত্ব বিভাগের তরফের বলা হয়েছে, জাপানের এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল হনসু দ্বীপের ইশিকাওয়া। ভূমিকম্পের কারণে বেশ কয়েকটি উপকূল সংলগ্ন একাধিক শহরে সমুদ্রের জলের উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

    ৩৩ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

    জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে (Japan Earthquake) এখনও পর্যন্ত ৩৩ হাজার মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। জাপানের প্রতিরক্ষা বিভাগের সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এক হাজার মানুষকে নিরপাদ স্থানে রাখা হয়েছে। যেহেতু রাস্তাঘাট ভেঙেচুরে গিয়েছে, তাই উদ্ধার কাজে অসুবিধা হচ্ছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দেশের উত্তর প্রান্তের নোটো উপদ্বীপে এখনও পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। শহরগুলির মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণে সব থেকে বেশি ওয়াজিমা শহরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad:  “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    Murshidabad: “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় শাসক দল তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কলহের কথা বার বার শিরোনামে এসেছে। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বরাবরই স্পষ্টবাদী নেতা হিসেবে নিজেকে বারবার সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য প্রকাশ করে থাকেন। দলের জেলা প্রেসিডেন্ট সাওনি সিংহরায়ের বিরুদ্ধে বারবার বিস্ফোরক হয়েছেন তিনি। এবার সেই স্পষ্টবাদী তৃণমূল বিধায়ক খোদ দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে।” ফলে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা আরও একবার স্পষ্ট হল।

    কী বললেন হুমায়ন কবীর (Murshidabad)?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “তৃণমূলের নেতারা নাকি দোকান খুলে বসে আছে, আমরা যদি সিপিএম-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি, তাহলে নিজেদের ঘরে যে সমস্ত গাদ্দাররা বসে আছেন তাঁদের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করতে আমার বেশি সময় লাগবে না।” একদিকে নতুন বছরের শুরু আরেক দিকে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস আর সেদিনই এই ধরনের মন্তব্য। কার্যত বিধায়ক আবারও লোকসভার আগে তৃণমূলের অন্তরকলহ কথা প্রকাশ্যে আনলেন।

    বললেন ডান্ডা ধরব!

    ভরতপুরের (Murshidabad) তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে বলেন, “বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছি আপনারা সাবধান হন, যাঁরা দলকে আলাদা আলাদা ভাবে ভাগ করার চেষ্টা করছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলছি দলের স্বার্থে সকলে এক থাকুন। যদি গোষ্ঠীগুলি দলের স্বার্থে কাজ না করে তা হলে ডান্ডা ধরব। সালারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে বিশেষ ব্যবস্থা নেবো। দলের মধ্যে আলাদা দোকান খুলে ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করব। এরপর দোকান পুড়িয়ে ঘরে বন্দি করে দেবো। বিরোধীদের সঙ্গে যেমন তৃণমূল লড়াই করছে তেমনি দলের মধ্যে নতুন দল করলে তাঁদের বিরুদ্ধেও তৃণমূল লড়াই করবে। তাই শুধু ভরতপুর নয়, সালার নয় গোটা মুর্শিদাবাদ জুড়ে লড়াই করার ক্ষমতা রাখি আমি। জেলার শেষ কথা আমিই বলব এখানে। দলের নির্দেশ সকলকে মানতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস আজকের দিনে এই শপথ নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পাঁচ মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘মডেল গ্রাম’ এখন জনশূন্য! উন্নয়ন কোথায় গেল?

    Bankura: পাঁচ মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘মডেল গ্রাম’ এখন জনশূন্য! উন্নয়ন কোথায় গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র পাঁচমাস আগে ঘটা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করে গিয়েছিলেন ‘মডেল গ্রামে’র। কিন্তু এই পাঁচ মাসের মধ্যে সাধের ‘মডেল গ্রাম’ পরিণত হয়েছে ভূতুরে গ্রামে। পরিত্যক্ত জনপদ, নেই লোকজন সবটাই কি তাহলে বৃথা! উপভোক্তাদের অবশ্য দাবি, “গ্রাম তৈরির ভাবনার মধ্যে গোলমাল রয়েছে, কাটমানি খেয়ে খারাপ জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে।” তাহলে কি রাজ্য সরকার যে উন্নয়নের ঢাক পেটায় কার্যত সবটাই ফাঁকা! আসলে মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার কাজ চলছে-ঠিক এমন ভাবেই প্রকল্পে কাটমানির অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার মানুষ। এই নিয়ে বাঁকুড়ায় (Bankura) তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বাঁকুড়ার কোথায় মডেল গ্রাম (Bankura)?

    এই ‘মডেল গ্রাম হল বাঁকুড়ার (Bankura) শুশুনিয়া পাহাড়ের পাশে একটি ছোট্ট গ্রাম ভরতপুর। মোট ১৮ টি পরিবার কয়েকশো বছর ধরে বহন করে চলেছেন প্রাচীন পটচিত্রের ঐতিহ্যকে। গ্রামের মানুষের তেমন আর্থিক নির্ভরতা নেই। অন্যের জমিতে সামান্য চাষাবাদের মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করে থাকেন। এই পরিবারের জীবনযাত্রাকে উন্নয়নের আলো দিতে ২০২৩ সালে জেলা প্রশাসন এই গ্রামকে ‘মডেল গ্রাম’ তৈরির উদ্যোগ নিয়ে ছিলেন। কিন্তু তা বাস্তবে ব্যর্থ হয়ে যায়।

    কেমন মডেল গ্রাম?

    ‘মডেল গ্রামে’র (Bankura) বাড়িগুলি ছিল অত্যন্ত সুন্দর পাকা বাড়ি, পাকা রাস্তা, সৌরবাতি দিয়ে ‘মডেল গ্রাম’ তৈরি করা হয়েছিল। গত ৯ অগাস্ট মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করেছিলেন এই মডেল গ্রামের। কিন্তু মাত্র ৫ মাসের মধ্যেই অত্যন্ত হতশ্রী হয়ে গিয়েছে এই ‘মডেল গ্রাম’। বাড়ির দেওয়ালে এখন ফাটল, টালির ছাদ ভেঙে গিয়েছে। পচে গিয়েছে ছাদে ব্যবহারের কাঠ, টয়লেট, বাথরুমগুলির ব্যবহারের অত্যন্ত অনুপযুক্ত। গ্রামে নেই বিদ্যুৎ পরিষেবা। মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এই গ্রাম।

    উপভক্তাদের বক্তব্য

    উপভক্তা চিত্রকররা বলেন, “বাড়ি (Bankura) নির্মাণের জন্য নির্মাণ সামগ্রীর মান ভালো ব্যবহার করা হয়নি। আর তাই সময়ের আগেই সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পাকা ছাদের কথা জেলা শাসকদের বলা হলেও তা বাস্তবে করা হয়নি।”

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় (Bankura) বিজপির বক্তব্য হল, “আর পাঁচটা প্রকল্পের মতো এক্ষেত্রেও শাসক দলের নেতারা লাখ লাখ টাকা কাটমানি খেয়েছে। গোটা প্রকল্প এবং মডেল গ্রামের ভাবনাটাই ফেল করেছে।” আবার পালটা স্থানীয় ছাতনা (Bankura) তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, “উপভোক্তারা এই এলাকায় বসবাস করতে আগ্রহী নয়। উপভোক্তারা বসবাস করলেই ধীরে ধীরে বসবাসের যোগ্য হয়ে যাবে। ভূতুরে ভাব কেটে যাবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dibyendu Adhikari: শান্তিকুঞ্জে ফুটবে আরও পদ্ম? শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু শুনলেন মোদির ‘মন কি বাত’

    Dibyendu Adhikari: শান্তিকুঞ্জে ফুটবে আরও পদ্ম? শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু শুনলেন মোদির ‘মন কি বাত’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায় কলমে এখনও তিনি তৃণমূলের সাংসদ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ শুনলেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari)। রবিবার ছিল মোদির এই বছরের শেষতম পর্বের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। রাজ্যজুড়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা-সহ প্রত্যেক বিজেপি নেতা শুনেছেন মোদির বক্তব্য। তাহলে কি শুভেন্দুর ভাই তথা তৃণমূলের সাংসদ এবার বিজেপিতে যোগ দেবেন? এটা নিয়েই চলছে তীব্র জল্পনা। শান্তিকুঞ্জে কি তাহলে আরও পদ্ম ফুটবে?

    অনেক দিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব (Dibyendu Adhikari)

    যদিও দিব্যেন্দু (Dibyendu Adhikari) এখনও তৃণমূলের সাংসদ। দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অত্যন্ত তালানিতে ঠেকেছে। রাজ্য বা জেলার মধ্যে শাসক দলের কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায় না। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দাদা শুভেন্দু দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগের কথা নিয়ে সরব হলেও এই তৃণমূল সাংসদ কোনও সময়েই প্রতিক্রিয়া দেননি। শাসক দলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের যথার্থতা রয়েছে, আর তাই হয়তো তৃণমূলের সাংসদ বুঝতে পেরেছেন। এই জন্যই তৃণমূলের হয়ে তিনি কোনও ব্যাটিং করেন না। ঠিক এমনটাই মনে করছেন জেলার বিজেপি নেতৃত্বরা। কিন্তু মোদির ‘মন কি বাত’ শোনার মধ্যে দিয়ে কি জল্পনা তৈরি করে দিলেন না দিব্যেন্দু?

    কী বললেন সাংসদ?

    দিব্যন্দু (Dibyendu Adhikari) বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনেক তৃণমূল নেতা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করেন। আমি তেমন সাংসদ নই। যা করার আমি সামনা সামনি করি। তবে মোদিজির সঙ্গে আমার দেখা করার ইচ্ছে আছে। আমার অনেক কথা রয়েছে সুযোগ পেলে বলবো।”

    ১০৮ তম মোদির ‘মন কি বাত’

    গত রবিবারের মোদির ‘মন কি বাত’ ছিল ১০৮ তম পর্ব। এই অনুষ্ঠান নিজের অফিসে বসে শোনেন দিব্যন্দু। শুভেন্দু অধিকারী এবং আরেক ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর চেষ্টায় ২০১৯ সালের লোকসভার পর বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিকুঞ্জে পদ্মফুল ফুটিয়ে ছিলেন। তবে এই শান্তিকুঞ্জের দুই তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী এবং দিব্যন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari) কেউ বিজেপিতে যোগদান করেননি। তবে মোদি-অমিত শাহের সভায় শিশির অধিকারীকে দেখা গেলেও দিব্যেন্দুকে কোনও প্রকার বিজেপির সভা-সমিতিতে দেখা যায়নি। আর তাই সামনেই লোকসভা নির্বাচন, ফলে শান্তিকুঞ্জে আরও পদ্মফোটে কিনা তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japan Earthquake: বছরের প্রথম দিনেই জাপানে ৭.৫ তীব্রতার ভূমিকম্প! আছড়ে পড়ল সুনামি

    Japan Earthquake: বছরের প্রথম দিনেই জাপানে ৭.৫ তীব্রতার ভূমিকম্প! আছড়ে পড়ল সুনামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের প্রথম দিনেই ভূমিকম্পে (Japan Earthquake) কেঁপে উঠল জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের সবথেকে বেশি মাত্রা ছিল ৭.৫। ভূমিকম্পের পরেই জারি করা হয় সুনামি-সতর্কতা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আশঙ্কা সত্যি করে উপকূলে আছড়ে পড়ে সুনামি। উল্লেখ্য গত চারদিন আগেই আরও একবার ভূমিকম্প হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ঘটনায় দেশ জুড়ে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে ভূমিকম্পের বেশ কিছু ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে একটা গোটা রেল স্টেশন ভূমিকম্পনে কেঁপে উঠেছে। তো কোথাও দেখা যাচ্ছে, স্ফীত জল হু-হু করে শহরে ঢুকছে। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে, পার্কিং লটে থাকা গাড়িগুলি কার্যত দুলছে। ভিডিওগুলির সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম।

    জাপানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে ভূমিকম্প (Japan Earthquake)

    ভূমিকম্পের পর জাপানের আবহাওয়া দফতরের তরফে ইশিকাওয়া, নিগাতা, টোয়ামা, ইয়াগাতা প্রভৃতি এলাকাকে দ্রুত খালি করার কথা বলা হয়। সমুদ্রের ধার থেকে সরে উঁচুতে উঠে এলাকাবাসীকে নিরাপদ স্থানে থাকার কথা জানানো হয়েছে। ভূমিকম্পের (Japan Earthquake) ফলে সৃষ্টি থেকে উৎপন্ন সুনামি প্রায় ৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াজিম উপকূলে ১.২ মিটার জলের স্তর বৃদ্ধি হয়েছে। সোমবার এই কম্পন রাজধানী টকিয়োতে অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫০ কিমি গভীরে।

    মাত্র দেড় ঘণ্টায় ২১ বার কম্পন

    জাপানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ৪টে ৬ মিনিট থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২১ বার কম্পন হয়েছে। প্রত্যেকবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৪। নোটা অঞ্চলে বন্ধ জাতীয় সড়ক। টোকিও-নোটা মধ্যে বন্ধ বুলেট ট্রেনের পরিষেবা। ইতিমধ্যে সেখানে আছড়ে পড়েছে সুনামির ঢেউ। নিগাটা এবং তোয়ামে উপকূলে সমুদ্রের ঢেউ ৩ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠেছে বলে জানা গিয়েছে।  দেশের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়া কিশিদা দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    কন্ট্রোল রুম খুলেছে ভারতীয় দূতাবাস

    ভূমিকম্পের জেরে জাপানে ভারতীয় দূতাবাস কন্ট্রোল রুম খুলেছে বলে জানা গিয়েছে। এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের বিপর্যয়ের মধ্যে যারা রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হয়েছে। নিম্নলিখিত জরুরি নম্বর এবং ইমেল আইডিতে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে-

    চার দিন আগেও হয়েছে ভূমিকম্প

    জাপানের সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরের কাছে অবস্থিত কুরলি দ্বীপ এলাকায় পরপর দুবার ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেই সময় রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৫ এবং ৫। তবে সুনামির সর্তকতা জারি করা হয়নি তখন। কিন্তু নববর্ষের প্রথম দিনের ভূমিকম্পের তীব্রতা আগের থেকে অনেকটাই বেশি। এদিকে, ভূমিকম্পের কারণে ৩৬ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই বলে জানা গিয়েছে। নিগাতায় ১০ ফুটের ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২০১১ সালে জাপানে বিরাট ভয়ঙ্কর সুনামি হয়েছিল। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৯.০। তাশের ঘরের মতো বাড়ি-ঘর জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল বহু বাড়ি। বিদ্যুৎ, রেল, সড়ক পথ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। কমপক্ষে ১৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক

    Purba Medinipur: আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ মেলায় আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুর (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুই বছরের আয়ব্যয়ের হিসেব চাওয়া হয়েছে তাঁর কাছ থেকে। উল্লেখ্য, রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি ইত্যাদি নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শাসক দল তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতাকে গ্রেফতার করেছে। আবার কয়লা, গরু পাচারকাণ্ডে ইতিমধ্যে তৃণমূলের যুব নেতৃত্বের মধ্যে বিনয় মিশ্র দেশ ছেড়ে পালিয়াছেন। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি তলব করেছে বেশ কয়েকবার। সম্প্রতি ইডি, হাইকোর্টে মুখবন্ধ খামে জমা দিয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব। ফলে ফের একবার পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ককে আয়কর দফতরে হিসাব চাইলে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়ায়।

    আয়করের রিটার্ন জমা দেননি (Purba Medinipur)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক উত্তম বারিকের আয়ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে গোলমাল পাওয়া গিয়েছে। তিনি গত তিন বছর ধরে রিটার্ন জমা দেননি বলে জানা গিয়েছে। আর এই জন্যই আয়কর দফতর তাঁকে নোটিশ দিয়েছে। আগামী জানুয়ারির ৮ তারিখ তাঁকে আয়ব্যয় সংক্রান্ত নথি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আয়কর দফতর। উল্লেখ্য, স্বশরীরে হাজিরার কথা বলা হয়নি তাঁকে। তবে নোটিশ যে তিনি পেয়েছেন সেই বিষয়ে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। বিধায়ক অবশ্য জানিয়েছেন যে গত দুই বছরে আয়ব্যয় সংক্রান্ত রিপোর্ট বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দফতরে পাঠাবেন।

    সাগর দিঘিরবিধায়কেও তাল্লাশি চালায় আয়কর

    কংগ্রেসের হয়ে সাগরদিঘিতে জয়লাভ করেছিলেন বায়রন বিশ্বাস। এরপর তিনি নবজোয়ার যাত্রায় অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলের যোগদান করে ছিলেন। কয়েকদিন আগেই বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। তৃণমূল অবশ্য এই তাল্লশিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা বলে ছিল। একই ভাবে পটাশপুরের (Purba Medinipur) বিধায়কে তলবের বিষয়কেও পালটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথাই বলা হয়। প্রতিক্রিয়া দিয়ে বিজেপি জানিয়েছে, একদিন তৃণমূলের গোটা দলটাই জেলের ভিতরে ঢুকে যাবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share