Tag: Madhyam

Madhyam

  • LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে কালোবাজারি! ভুতুড়ে ডেলিভারির (Ghost Deliveries) এসএমএসও হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন বিভিন্ন রাজ্যের এলপিজি গ্রাহকরা।

    ভুতুড়ে কাণ্ড (LPG)

    দক্ষিণ দিল্লির একটি কলোনিতে একই বাড়ি, একই গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর—কিন্তু দুই তলায় দু’রকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী স্থানীয়রা। এক ব্যক্তি মঙ্গলবার রাতে গ্যাস বুক করে, পরের দিন দুপুরের মধ্যেই সিলিন্ডার ডেলিভারিও হয়। অথচ, নীচেরতলায় থাকা বছর বাহাত্তরের এক বৃদ্ধা তখন উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছিলেন। কারণ তাঁর বুকিং ব্লক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর নামে একটি ভুয়ো ডেলিভারিও দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধা ১২ মার্চ রিফিল বুক করেছিলেন, ডেলিভারি হয় ১৪ মার্চ। কিন্তু ২৩ মার্চ একটি এসএমএস পান তিনি। তাতে লেখা, তাঁর সিলিন্ডার ডেলিভারি হয়ে গিয়েছে। যদিও তিনি নতুন করে বুকিং করেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, শেষ ডেলিভারির ২৫ দিনের আগে নতুন বুকিং করা যায় না। ১৪ মার্চের পর ২৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি সিলিন্ডার বুক করতে পারছেন না, কারণ সিস্টেম তাঁকে ব্লক করছে। তাই মাত্র একটি সিলিন্ডার দিয়ে কোনওক্রমে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।

    সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি

    এই সমস্যা শুধু দিল্লির নয়, দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ একই সমস্যায় ভুগছেন। জানা গিয়েছে, একটি বড় অবৈধ এলপিজি বাজার দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভারতে। কম দামে পাওয়া গৃহস্থালির সিলিন্ডার অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে রেস্তোরাঁ, রাস্তার দোকান এবং ছোটখাটো ব্যবসায়। ৫ কেজির সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং সরবরাহ ঘাটতি এই অবৈধ ব্যবস্থার মুখোশ খুলে দিয়েছে। যার জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ সিলিন্ডার। জানা গিয়েছে, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এবং ডেলিভারি এজেন্টরাই সবচেয়ে দুর্বল লিংক। সরকার ডিএসি DAC (Delivery Authentication Code) চালু করলেও, সেটি ওটিপি স্পুফিংয়ের মাধ্যমে পাশ কাটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ (LPG)। প্রাক্তন এক কর্মী জানান, অনেক পরিবার তাদের পুরো কোটার এলপিজি ব্যবহার করে না। এই অব্যবহৃত সিলিন্ডারই কালোবাজারে বিক্রি হয় চড়া দরে (Ghost Deliveries)।

    কালোবাজারে সিলিন্ডারের দাম

    বর্তমানে একটি ১৪ কেজি সিলিন্ডার, যার সরকারি দাম ৯১৪ টাকার কাছাকাছি, কালোবাজারে সেটাই বিক্রি হচ্ছে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ পর্যন্ত টাকায়। ডেলিভারি এজেন্টদের লাভ আগে যেখানে ছিল ২০০ টাকা, সেটাই এখন হচ্ছে সিলিন্ডার প্রতি ৪,০০০ টাকা। ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, এটি সিস্টেম গ্লিচ। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য থেকে একই ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করে, এটি একটি বড় স্ক্যাম। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বুকিং না করেই ডেলিভারি দেখানো হচ্ছে, সিলিন্ডার না পেয়েও “ডেলিভার্ড” এসএমএস আসছে। অভিযোগ করলে দেরিতে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে।ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ডিস্ট্রিবিউটরদের এক সঙ্গে অনেক সিলিন্ডার (যেমন ৩৬০টি) ডেলিভারি দেখাতে হয়। অনেক সময় তাঁরা সিস্টেমে “ডেলিভার্ড” দেখিয়ে সিলিন্ডার পাঠিয়ে দেয় কালোবাজারে। এর ফলেই সৃষ্টি হয়েছে হরেককিসিমের কালোবাজারি। গ্রাহক সিলিন্ডার পান না, যদিও সিস্টেমে ডেলিভারি দেখায়, নয়া বুকিং ব্লক হয়ে যায় (LPG)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার সমাধান করতে হলে বাড়াতে হবে সরকারি নজরদারি, ডিস্ট্রিবিউটরদের বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা, গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা সহজ করা, ছোট ব্যবসা ও শ্রমিকদের বৈধ এলপিজি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা। তাঁদের মতে, এতেই রোখা যাবে কালোবাজারি (Ghost Deliveries)।

     

  • Asha Bhosle: ভারতীয় সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    Asha Bhosle: ভারতীয় সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে অন্যতম আইকনিক ও বহুমুখী কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)। আজ, রবিবার ১২ এপ্রিল প্রয়াত হন তিনি। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে (Legendary singer) ভারতীয় সিনেমা ও সঙ্গীতের সুরভুবনকে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। সে-ই তিনিই পেছনে রেখে গেলেন এক অমর উত্তরাধিকার।

    প্রয়াত আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)

    মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সামদানি আশার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আজ ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আশা ভোঁসলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বহু অঙ্গ বিকলের কারণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।” আশার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে বলেন, “আজ আমার মা প্রয়াত হয়েছেন। আগামিকাল সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্রান্ডে, যেখানে তিনি বাস করতেন, সেখানে মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।”

    ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন

    ১১ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় চরম ক্লান্তি ও বুকে সংক্রমণের কারণে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল আশাকে। তাঁর নাতনি জানাই ভোঁসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতিতে আশার অসুস্থতার খবর জানিয়ে পরিবারের জন্য গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমার দিদা আশা ভোঁসলে চরম ক্লান্তি ও বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা চলছে। আশাকরি, সব ঠিক হয়ে যাবে (Asha Bhosle)।” ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আশা। অল্প বয়সেই শুরু করেছিলেন সঙ্গীতজীবন। পাঁচের দশকে তিনি খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছন। পরবর্তীকালে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন (Legendary singer)।

    আশার অসাধারণ অবদান

    আশার কণ্ঠ ছিল চঞ্চল, আবেগপূর্ণ এবং অসাধারণভাবে বহুমাত্রিক, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মের শ্রোতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। দীর্ঘ কেরিয়ারে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় তিনি হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন। ধ্রুপদী, গজল, ক্যাবারে, পপ ও লোকসঙ্গীত সব ধরনের ধারায়ই তিনি ছিলেন সমান দক্ষ। শীর্ষস্থানীয় সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে আশার সহযোগিতায় হিন্দি সিনেমার অনেক কালজয়ী গান সৃষ্টি হয়েছে, যা তাঁকে এক চিরন্তন সাংস্কৃতিক আইকনে পরিণত করেছে। আশার অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এবং ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান, পদ্ম বিভূষণ (Asha Bhosle)।

    ভারতীয় সঙ্গীতে মহিলা কণ্ঠ

    ২০১১ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আশাকে সঙ্গীত ইতিহাসে সর্বাধিক রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। জীবনের শেষ পর্বেও তিনি সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, মাঝে মাঝে পরিবেশন করতেন এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করতেন। তাঁর প্রভাব শুধু প্লেব্যাক গানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তিনি ভারতীয় সঙ্গীতে মহিলা কণ্ঠের ভূমিকা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন (Legendary singer)। আশা ভোঁসলের বহুমুখিতা কিংবদন্তি—‘দিল চিজ কিয়া হ্যায়’-এর মতো আবেগঘন গজল থেকে ‘পিয়া তু আব তো আজা’র মতো সুললিত গানে তিনি সমান পারদর্শী। ‘মেরা কিছু সামান’ ও ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’র মতো গানেও তাঁর কণ্ঠের জাদু অনন্য। লোকসঙ্গীত থেকে পপ—সব ক্ষেত্রেই তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় সঙ্গীতের এক রঙিন প্রতিচ্ছবি (Asha Bhosle)।

     

  • Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত আক্রমণ। দেশ কিংবা বিদেশ সর্বত্রই এমনতর ঘটনা ঘনঘন এবং নিরন্তর চলছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই (Hindus Under Attack) নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, আক্রমণ, মন্দির-মূর্তির অবমাননা, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি অভূতপূর্ব হিন্দু বিদ্বেষের পরিচায়ক (Roundup Week)।

    ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে (Hindus Under Attack)

    গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত পর্বে আমরা এমন কিছু ঘটনার ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ছবিটা। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে। তারা ভারতের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম প্রায়ই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা আদতে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

    ইমরান শেখ গ্রেফতার

    দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ভুবনেশ্বর থেকে ইমরান শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, সে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে অভিযোগ। ২২ বছর বয়সী শেখকে ওড়িশার রাজধানীর ইউনিট-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি বহুজাতিক আইটি সংস্থায় যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে সেখানে ঢুকে দেখেন, হিন্দু মহিলা কর্মীরা হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অভিযানে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। মোট ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’

    কলকাতার ভবানীপুরে ভোলানন্দ গিরি আশ্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অসীম বসু ঢুকে পড়ে সেখানকার সাধুদের জোর করে বের করে দেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধুদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আশ্রমের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)। দিল্লির ত্রিনগরে একটি ‘লাভ জেহাদ’ মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী ও বছর চৌত্রিশের এক মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে ‘সৌরভ রাইডার’ নামে পরিচয় দিয়েছিল। তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক। পড়াতে গিয়ে ওই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব আজও রয়ে গিয়েছে, যা এই ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয় (Roundup Week)। দীপাবলিতে পটকা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। একে পরিবেশ বাঁচানোর কারণ বলে মনে করিয়ে দিয়ে  হয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং দ্বৈত মানদণ্ডের ইঙ্গিত দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জের তারকা অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh)। তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শুক্রবার তিনি গিয়েছিলেন নাগপুরে, বিজেপির সদর কার্যালয়ে (Mohan Bhagwat)।  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অভিনেতা সাদা কুর্তা-পায়জামা পরেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছন ধুরন্ধরের তারকা। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান নাগপুরে, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানে তিনি ছিলেন ঘণ্টা দেড়েক।

    ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ (Ranveer Singh)

    জানা গিয়েছে, রণবীর আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতের সঙ্গে দেখা করেন। আলোচনা করেন তাঁর ছবিটি নিয়ে। তাঁকে সংগঠনের কাজকর্ম ও সেবামূলক উদ্যোগ সম্পর্কে জানানো হয়। রণবীর রেশিমবাগে অবস্থিত ড. হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরেও যান। সেখানে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেবি হেডগেওয়ার এবং সরসংঘচালক এমএস গোলওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সঙ্ঘের তরফে তাঁকে ওই দুই নেতার জীবন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। রণবীর সেখানে উপস্থিত কয়েকজন আরএসএস সদস্যের সঙ্গেও কথা বলেন। রণবীরের এই সফর এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯ মার্চ। রোজগার করেছে ১০০০ কোটি টাকারও বেশি (Ranveer Singh)।

    প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনার কড়া জবাব

    তবে, অনেকেই এই ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনা করেছেন (Mohan Bhagwat)। সম্প্রতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সমালোচকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন এবং ছবির পরিচালক আদিত্য ধর ও অভিনেতা রণবীর সিংকে সমর্থন করেন। ছবিটি দেখে তিনি প্রশংসাও করেন।

    তিনি লিখেছেন, “অনেক লেখক ও অভিনেতা প্রোপাগান্ডার ওপর কেরিয়ার গড়েছেন, আর ইন্ডাস্ট্রি চুপ করে থেকেছে। এখন একই দল ধুরন্ধরকে নিয়ে মজা করছে। আপনি নিজেকে লিবারাল বলতে পারেন না যদি আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় উপহাস করা। কবে থেকে সত্যকে প্রোপাগান্ডা বলা শুরু হয়েছে, জানি না… অদ্ভুত সময়। মূল কথায় আসি… আমি @আদিত্যধর ফিল্মস এবং @রণবীরঅফিসিয়ালকে বলতে চাই, এই খারাপ নজর এভাবে যাবে না… এক মুঠো লাল লঙ্কায় কাজ হবে না… পুরো ক্ষেত জ্বালাতে হবে (Mohan Bhagwat)। গত রাতে (Ranveer Singh) ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ দেখলাম… অসাধারণ ছবি (এসআইসি)।”

     

  • PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগাযোগ করেন সংসদের উভয় কক্ষের সব দলের ফ্লোর লিডারদের সঙ্গে (Womens Quota Bills)। এই বিলগুলির লক্ষ্য হল ২০২৯ সাল থেকে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বিস্তৃত আলোচনা ও চিন্তাভাবনার পর আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এখন সময় এসেছে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’কে সারা দেশে প্রকৃত অর্থে কার্যকর করার। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচনে মহিলাদের সংরক্ষণ সহকারে অনুষ্ঠিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সমর্থন দেশের মহিলাদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সমতুল হবে।” এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে এসেছে যখন বিরোধী দলগুলি ২০২৭ সালের জনগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ কার্যকর করার বিরোধিতা করছে। এতে করে মহিলাদের সংরক্ষণ ২০৩৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কার্যকর না-ও হতে পারে। যেহেতু সংবিধান সংশোধনী পাশ করাতে বিজেপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, তাই বিরোধীদের সমর্থন জরুরি।

    সংরক্ষণ বাস্তবায়ন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণ কোনও একক দল বা ব্যক্তির বিষয় নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশের মহিলাদের দায়িত্বশীলতা দেখিয়ে দিতে হবে।” এই বিল অনুযায়ী, সংরক্ষণ বাস্তবায়ন ২০২৭ সালের জনগণনার পরিবর্তে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে করা হবে (Womens Quota Bills)। প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালে এই বিলের সর্বসম্মত সমর্থনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “এটি ছিল আমাদের ঐক্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।” প্রস্তাবিত সংশোধনের ফলে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে, যার মধ্যে ২৭৩টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি বিল আনতে চলেছে। এগুলি হল সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ডিলিমিটেশন বিল এবং দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর ও পুদুচেরির মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংরক্ষণ বাড়ানোর জন্য পৃথক আইন (Womens Quota Bills)।

     

  • Hybrid Terror Modules: একটি সাধারণ মতাদর্শ, একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত! প্রকাশ্যে হাইব্রিড টেরর মডিউল

    Hybrid Terror Modules: একটি সাধারণ মতাদর্শ, একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত! প্রকাশ্যে হাইব্রিড টেরর মডিউল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়েছে একাধিক জঙ্গি মডিউল (Hybrid Terror Modules)। তার জেরে প্রকাশ্যে এসেছে চরমপন্থী কার্যকলাপের একটি উদ্বেগজনক ও পরিবর্তিত ধারা (India)। আগে যেখানে জঙ্গিরা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকত, এখন তদন্তকারীরা দেখছেন, এদের অনেকেই একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেও, তাদের মূল চালিকা শক্তি একটি সাধারণ মতাদর্শ।

    ফরিদাবাদ মডিউল (Hybrid Terror Modules)

    ফরিদাবাদ মডিউলের কথাই ধরা যাক। এই মডিউলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জইশ-ই-মোহাম্মদের। তদন্তকারীরা জানান, তাদের মূল মতাদর্শগত ঝোঁক ছিল ইসলামিক স্টেটের দিকে। এই ধরনের বহু-সংগঠনভিত্তিক সংযোগ জঙ্গি নেটওয়ার্কের কাঠামো ও কার্যপদ্ধতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। একই প্রবণতা দেখা গিয়েছে দিল্লি পুলিশ ও মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS)-এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনায়ও। আটক দুই ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ইসলামিক স্টেট এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের। তদন্তকারীদের মতে, এই ধরনের ওভারল্যাপ এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, বরং একটি বৃহত্তর ও পরিকল্পিত কৌশলেরই অংশ।

    কী বলছেন আইবি আধিকারিক

    আইবি-র (ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) এক আধিকারিকের মতে, এই নয়া প্রবণতা একটি সুপরিকল্পিত পরিবর্তনের ফল। এখন জঙ্গিরা আর কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে টিকি বেঁধে রাখে না। বরং তারা বিভিন্ন চরমপন্থী মতাদর্শ ও গোষ্ঠী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আরও স্বাধীনভাবে কাজ করছে (Hybrid Terror Modules)। তাঁর মতে, এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। কারণ ওই ব্যক্তিরা সরাসরি কোনও কমান্ড কাঠামো ছাড়া নিজেরাই জঙ্গি মডিউল তৈরি করছে। এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করে। তাই নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষে তাদের শনাক্ত করা ও দমন করা ক্রমশই কঠিন হয়ে উঠছে।

    নয়া মডেলে মদত পাকিস্তানের

    জানা গিয়েছে, এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)। আধিকারিকরা  জানিয়েছেন, আইএসআই এখন এমন একটি মডেলকে উৎসাহিত করছে, যেখানে নিয়োগপ্রাপ্তরা কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত থাকে না। বরং তারা নিজেরাই তাদের মতাদর্শ ও কার্যপদ্ধতি বেছে নিতে পারে (India)। এই পদ্ধতির বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। এগুলি হল, দায় অস্বীকার করা সহজ, ঝুঁকি কম, খরচ কম এবং বিদেশে সরাসরি জঙ্গি সংগঠন গড়ার প্রয়োজন নেই। দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি নেয়। তার ফলে দেশের ভেতরে সংগঠিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। এই জন্যই পাকিস্তান কৌশল বদলে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো শুরু করেছে (Hybrid Terror Modules)।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার

    অপারেশন সিঁদুরের পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলি লক্ষ্য করেছে পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে। এই কৌশল ইসলামিক স্টেটের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত পদ্ধতির মতো, যেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ ও উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করা হয় (India)। এই প্রোপাগান্ডা ব্যবস্থাটি মূলত আর্থিকভাবে দুর্বল এবং সহজেই প্রভাবিত হয়, সেই সব তরুণদের টার্গেট করে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লাগাতার তাদের জেহাদি সাহিত্য ও চরমপন্থীমূলক কনটেন্ট দেখানো হয়। এরপর তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে একই ধরণের ইউজারদের একত্রিত করা হয়। তার পরেই ধীরে ধীরে গঠন করা হয় একটি জঙ্গি মডিউল।

    মতাদর্শগত প্রভাব

    জম্মু-কাশ্মীরের বাইরে সাম্প্রতিক বেশ কিছু জঙ্গি হামলার তদন্তেও দেখা গিয়েছে, অধিকাংশই স্ব-প্রণোদিত মডিউল দ্বারা পরিচালিত, যাদের কোনও সরাসরি সংগঠনগত যোগ নেই। তাদের একমাত্র মিল হল, মতাদর্শগত প্রভাব, বিশেষত ইসলামিক স্টেট (Hybrid Terror Modules)। কোয়েম্বাটোরে একটি মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনায় জড়িত জেমশা রুবিন নিজেই উগ্রপন্থায় প্রভাবিত হয়েছিল। একইভাবে, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ এবং ম্যাঙ্গালুরু বিস্ফোরণ চেষ্টার ঘটনাগুলিও একই ধরনের মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই ব্যক্তিদের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগাযোগ বা সংগঠনগত সম্পর্ক ছিল না। প্রতিটি ঘটনাই ছিল আলাদা, স্বনির্ভর এবং স্ব-প্রণোদিত।

    এই নয়া কৌশল অনুযায়ী, আইএসআই নিয়োগপ্রাপ্তদের কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনে যোগ দিতে চাপ দিচ্ছে না। বরং ব্যাপকভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, যাতে লোকজন নিজেরাই মতাদর্শ বেছে নিয়ে নেমে পড়ে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে (India)। আধিকারিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের বিকেন্দ্রীভূত জঙ্গি মডেল আরও বাড়বে। সংগঠিত নেটওয়ার্কের পরিবর্তে মতাদর্শভিত্তিক এই কাঠামো নিরাপত্তার জন্য আরও জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি হুমকি তৈরি করবে। যার খেসারত দিতে হবে ভারতবাসীকে (Hybrid Terror Modules)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

  • Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলায় (Mahkumbh Viral Girl) ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা! অন্তত, এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে আসেন মোনালিসা। কারণ তিনি বিয়ে করেছিলেন মুসলিম যুবক ফারমান খানকে (Farman Khan)। ওই ঘটনায় মোনালিসার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই তরুণী আসলে অপ্রাপ্তবয়স্ক। জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের (NCST) তদন্তেও প্রকাশ পায় পরিবারের দাবির সত্যতা। কমিশনের চেয়ারপার্সন অন্তর সিং আর্য এই তদন্তের নেতৃত্ব দেন। তিনি নিশ্চিত করেন, মোনালিসা আদতে এক নাবালিকা। তিনি পারধি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র (Mahkumbh Viral Girl)

    মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বরের সরকারি হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, মোনালিসার জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে। অর্থাৎ, বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ১৬ বছর। এও জানা গিয়েছে, কেরালায় একটি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ফারমান খানের। যে মন্দিরে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে তাঁরা প্রমাণপত্র হিসেবে দাখিল করেছিলেন শুধুই আধার কার্ড। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), তফশিলি জাতি ও উপজাতি আইন (SC/ST Act) এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের (POCSO Act) অধীনে এফআইআর দায়ের করেছে। প্রশাসন কেরালার একটি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে নিবন্ধিত ভুয়ো নথি বাতিল করার নির্দেশও দিয়েছে (Mahkumbh Viral Girl)।

    সমন জারি

    জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশন কেরল এবং মধ্যপ্রদেশের ডিজিপিদের সমন জারি করেছে এবং ২২ এপ্রিল কমিশনের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁদের (Farman Khan)। এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি ৩ দিন অন্তর বিস্তারিত রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত মাসেই কেরলের একটি মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন মোনালিসা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া মারাঠি মুসলিম যুবক ফারমান খানকে। তখনই তাঁর পরিবার দাবি করেছিল, মোনালিসা নাবালিকা। যদিও মোনালিসা স্বয়ং জানিয়েছিলেন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক। সে সংক্রান্ত শংসাপত্র যে জাল, তা জানা (Farman Khan) গিয়েছে তদন্তে। ফারমানের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে পকশো মামলা (Mahkumbh Viral Girl)।

  • US Team in Pakistan: পাকিস্তানে নামল মার্কিন বিমান, অচিরেই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা!

    US Team in Pakistan: পাকিস্তানে নামল মার্কিন বিমান, অচিরেই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধের জেরে যখন কার্যত জ্বলছে এশিয়ার একাংশ, বিশ্ববাসী নজর রাখছেন (US Team in Pakistan) এই জটিল যুদ্ধবিরতি আলোচনা প্রক্রিয়ার দিকে, তখন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য একটি মার্কিন বিমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবতরণ (Hormuz Strait) করেছে। ইরানের প্রতিনিধি দল মধ্যরাতের পর সেখানে পৌঁছয়। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্লামেন্টের স্পিকার এমবি গালিবাফ। মার্কিন দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার।

    ইরানি দলের বিমানের অবতরণ (US Team in Pakistan)

    গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ৮ এপ্রিল জানিয়েছিল, আলোচনা সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই আলোচনাকে ‘সিদ্ধান্তমূলক’ বা ‘সবকিছু নির্ধারণকারী’ বলে উল্লেখ করেন।ইরানি দলের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে, তাদের চারপাশে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়, যার মধ্যে ছিল এডাব্লুএসিএস নজরদারি বিমান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বিমান এবং এমন যুদ্ধবিমান, যা তাঁদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত পৌঁছে দেয় (Hormuz Strait)।

    প্রতিনিধি দলে কারা

    ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের ক্যালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি পৌঁছয় ইসলামাবাদে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলি আকবর আহমাদিয়ান, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রধান আব্দোলনাসের হেম্মাতি এবং আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা (US Team in Pakistan)। তাঁদের স্বাগত জানান পাকিস্তানের চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির, বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি। এই উপলক্ষে ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকার (যেখানে পার্লামেন্ট ভবন, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, বিলাসবহুল হোটেল, দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার অফিস রয়েছে) সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয় নিরাপত্তার জন্য (Hormuz Strait)।

    ইরানের ১০ দফা দাবি

    এই আলোচনার মূল বিষয় হল ইরানের ১০ দফা দাবি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় একটি চুক্তি করতে, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে এবং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে (US Team in Pakistan)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনাকে ‘কার্যকর’ বলে উল্লেখ করেন। যদিও ইরান আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাবকে ‘অত্যধিক কঠোর’ বলে অভিহিত করেছে। তারা পাল্টা ১০ দফা দাবি করেছে। ইরানের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, আগ্রাসন না করা, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অনুমোদন, সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাতিল, ক্ষতিপূরণ দেওয়া, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা (Hormuz Strait)।

    আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাব

    অন্যদিকে, আমেরিকার ১৫ দফার প্রস্তাবে রয়েছে, ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে, বর্তমানে মজুত আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করবে, সমস্ত পারমাণবিক কেন্দ্র পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেবে, হরমুজ প্রণালী ফের খোলা হবে, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে (US Team in Pakistan)। এই প্রস্তাবগুলির ইংরেজি ও ফার্সি সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য থাকায় খানিক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্প জানান, শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রহণযোগ্য শর্তগুলিই গোপন আলোচনায় বিবেচনা করা হবে। এদিকে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, যুদ্ধবিরতিকে তাঁরা স্বাগত জানালেও, লেবাননে হামলা বন্ধ হবে না। শুধু তা-ই নয়, হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করার অভিযানও চলবে। প্রসঙ্গত, এর আগে, দক্ষিণ লেবাননের মায়ফাদাউন শহরে একটি আবাসিক ভবনে ইজরায়েলি বিমান (Hormuz Strait) হামলায় তিনজন নিহত হন, ধ্বংস হয় ভবনটিও (US Team in Pakistan)।

     

  • Indian Vessels: ভারতীয় জাহাজের কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর মেলেনি, জানালেন মুকেশ মঙ্গল

    Indian Vessels: ভারতীয় জাহাজের কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর মেলেনি, জানালেন মুকেশ মঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় জাহাজের (Indian Vessels) কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শুক্রবার গালফ অঞ্চলে জাহাজ ও নাবিকদের অবস্থা প্রসঙ্গে কথাগুলি বললেন বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গল। সাংবাদিক বৈঠকে (Seafarers) মঙ্গল জানান, এখনও পর্যন্ত ১,৯২৭ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে দেশে ফিরিয়ে আনতে মন্ত্রক সাহায্য করেছে।  এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই দেশে ফেরানো হয়েছে ১২৪ জনকে। তিনি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের সময় বিপন্নদের দেশে ফিরিয়ে প্রত্যাবর্তন প্রচেষ্টার কথাও জানান।

    ভারতীয় নাবিকরা নিরাপদে রয়েছেন (Indian Vessels)

    তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে থাকা সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজের সঙ্গে কোনও দুর্ঘটনাও ঘটেনি। এখন পর্যন্ত ১,৯২৭ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ জনও রয়েছেন।” মন্ত্রক জানিয়েছে, নাবিকদের কল্যাণ ও নিরবচ্ছিন্ন সামুদ্রিক কার্যকলাপ নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ জন্য বিদেশমন্ত্রক, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং অন্যান্য সামুদ্রিক অংশীদারদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে (Indian Vessels)। মঙ্গল জানান, বাণিজ্যিক মহলের উদ্বেগ দূর করতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যাতে লজিস্টিক জটিলতা এড়ানো যায়। তিনি বলেন, “আজ বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি, সমস্ত বন্দর এবং আমাদের মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থাগুলির সঙ্গে পর্যালোচনা করেছেন এবং বন্দর-সহ ডিজি শিপিংকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে রপ্তানিকারী বা অন্য কারও কাছ থেকে আসা সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করা হয়।”

    ভারতীয় জাহাজ-নাবিকদের ওপর নিবিড় নজর

    গত ৮ এপ্রিল মঙ্গল জানিয়েছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন এবং সমুদ্রে তাঁদের কার্যকলাপ নির্বিঘ্নে চলছে। তিনি বলেন, “পারস্য উপসাগরে থাকা সমস্ত নাবিক নিরাপদে রয়েছেন।” মঙ্গল আরও জানান, ওই অঞ্চলে ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বন্দর-নির্ভর উন্নয়ন এবং ভারতের নৌ-পরিবহণ খাতের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া নীতিগত পদক্ষেপ সম্পর্কেও তিনি আপডেট দেন। বর্তমানে ওই অঞ্চলে একাধিক ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ রয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার (Seafarers) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং সামুদ্রিক (Indian Vessels) অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।

     

  • Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গে যারা বাবরি মসজিদ করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে জোট করে না বিজেপি”, সাফ জানালেন শাহ

    Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গে যারা বাবরি মসজিদ করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে জোট করে না বিজেপি”, সাফ জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদের (Babri Masjid) ধাঁচে কোনও কাঠামো নির্মাণে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে জোট করার চেয়ে বিজেপি আগামী ২০ বছর বিরোধী আসনে বসতেই বেশি পছন্দ করবে।” শুক্রবার সাফ জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে একটি স্টিং অপারেশন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে কথাগুলি বলেন তিনি।

    স্টিং ভিডিও (Amit Shah)

    গত বছর অযোধ্যার বাবরি মসজিদের আদলে পশ্চিমবঙ্গে একটি মসজিদ নির্মাণের চেষ্টা করতে গিয়ে চর্চায় চলে আসেন হুমায়ুন। চলতি মাসেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। তার কয়েক সপ্তাহ আগে, একটি স্টিং ভিডিও অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে হুমায়ুনকে বলতে শোনা যায়, বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তাঁর। তৃণমূলকে হারানোর জন্য ১,০০০ কোটি টাকার একটি চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। হুমায়ুনের এহেন দাবিকে প্রচারের হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। যদিও হুমায়ুন এবং বিজেপি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ভুয়ো, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে (Amit Shah)।

    কী বললেন শাহ?

    এই বিতর্কের জবাবে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন হাজার হাজার ভিডিও তৈরি করতে পারেন।”  তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বিজেপি ও কবীরের লক্ষ্য সম্পূর্ণ আলাদা।” তিনি তাঁদের পার্থক্যকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “বিজেপি কখনওই তাঁকে (হুমায়ুন) সহযোগিতা করবে না (Babri Masjid)।” উল্লেখ্য, এর আগে, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুমায়ুনকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “তিনি ১০০ কোটি টাকারও যোগ্য নন, ১,০০০ কোটি তো দূরের কথা (Amit Shah)!”

    অভিযোগ অস্বীকার হুমায়ুনের

    হুমায়ুনও এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ভিডিওটি তাঁর বদনাম করতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম ভোট হারানোর ভয়ে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করার অভিযোগও আনেন। স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, প্রমাণ না দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Babri Masjid)। তাঁর ব্যাখ্যা সত্ত্বেও অব্যাহত রয়েছে বিতর্ক। অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM), যারা হুমায়ুনের দলকে সমর্থন করেছিল, তারাও জানিয়ে দিয়েছে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র সঙ্গে তাদের জোট ভেঙে দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)।

LinkedIn
Share