Tag: Madhyamik Examination

Madhyamik Examination

  • Pariksha Pe Charcha: স্ট্রেস সামলাতে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ টিপস মোদির

    Pariksha Pe Charcha: স্ট্রেস সামলাতে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ টিপস মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার আগে (Pariksha Pe Charcha) ছাত্রছাত্রীদের চ্যালেঞ্জ নিতে বললেও চাপ না-নেওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মোদির অষ্টম বার্ষিক ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ সম্প্রচারিত হয় সোমবার ৷ আজ,১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা ৷ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে সিবিএসসি দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা ৷ আর আইসিএসই বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি ৷ তার আগে শারীরিক পুষ্টি, চাপ আয়ত্ত করা এবং নেতৃত্বের মতো বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    পরীক্ষা পে চর্চা

    জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা (Pariksha Pe Charcha) দিতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের ভীতি কাটাতে, উৎসাহ দিতে প্রতিবছরই পরীক্ষা পে চর্চা করেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির পরীক্ষা পে চর্চার PPC 2025) এবার অষ্টম সংস্করণ। পরীক্ষা পে চর্চায় প্রতি বছরের মতোই প্রধানমন্ত্রী উত্তর দিলেন ছাত্রছাত্রীদের নানা প্রশ্নের। এই বছর ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোদির সেশন। “পরীক্ষা পে চর্চা”য় রেজিস্টার করিয়েছেন, ৩.৩০ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী। থাকছেন ২০.৭১ লক্ষ শিক্ষক । সাড়ে ৫ লক্ষ অভিভাবকও অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন।

    ব্যাটারের মতো ফোকাস

    পরীক্ষার আগে ফোকাস বাড়াতে ক্রিকেট ম্যাচের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখান ব্যাটারের টোটকা। পরীক্ষার সময়ে হই-হট্টগোলের মাঝে নিজের ফোকাস যাতে না নড়ে তার জন্য মোদি তুলে ধরেন ক্রিকেট মাঠে ব্যাটারের উদাহরণ। তিনি বলেন, সারা স্টেডিয়ামের চিৎকার সব কিছুর মাঝেও ব্যাটারের ফোকাস থাকে শুধু বলের উপর। সে আর কিছু শুনতে পায় না। পরীক্ষাতেও পরীক্ষার্থীদের এরকমই মনযোগ দিতে হবে। মোদির কথায়, চিন্তা-উদ্বেগ ভুলে শুধু পরীক্ষাতেই নয়, জীবনেও হতে হবে ওয়ারিয়র অর্থাৎ যোদ্ধা।

    প্রকৃতির মাঝে থাকা ও শরীর চর্চা

    পরীক্ষার চাপ সামলে সুস্থ থাকতে পড়ুয়াদের প্রকৃতির মাঝে থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতি আমাদের চাপ কমাতে সাহায্য করে। সূর্যোদয়ের পরেই গাছের নীচে দাঁড়িয়ে লম্বা নিঃশ্বাস নিলে অনেকটাই কমে মানসিক চাপ।’ এছাড়া পড়ার ফাঁকে নিয়মিত শরীর চর্চারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সময়ের সঠিক ব্যবহার

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সবসময় সময়ের সঠিক ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেন। সময়কে কাজে লাগানোর কৌশলটা ঠিক করার উপর জোর দিতে বললেন পড়ুয়াদের। পরীক্ষার হলে কীভাবে সময়টাকে ভাগ করে নেবে, কীভাবে নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে উজাড় করে দেবে, তার মহড়া নিতে হবে আগে থেকেই। রণকৌশল ঠিক করে নিতে হবে আগে থেকেই।

    পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপে উৎসাহ

    পরীক্ষার (Pariksha Pe Charcha) প্রয়োজনীয়তা তো আছেই। তবে প্রধানমন্ত্রী পাশাপাশি জোর দিলেন, সিলেবাসভিত্তিক পরীক্ষা আর জীবনের সত্যিকারের শিক্ষাটা আলাদা। সেটা গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।শিক্ষার্থীদের কেবল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে হবে না, জ্ঞান অর্জনের উপর মনোনিবেশ করা দরকার, মনে করেন মোদি। পরীক্ষার সিলেবাসের বাইরে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপেও উৎসাহ জোগান প্রধানমন্ত্রী। অভিভাবকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির টিপস, পড়াশোনা তো আছেই, কিন্তু শিশুদের বিশেষ আগ্রহের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিজেদের পছন্দ খুঁজে বের করার স্বাধীনতা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ, শিক্ষার্থীদের কেবল বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয় এবং তাদের শখের দিকটিও নজর দিতে হবে। কারণ তা শিশুর সামগ্রিক বিকাশে সাহায্য করে।

    রিল নয় প্রযুক্তির সাহায্য

    পড়ুয়াদের রিল দেখার বিষয়েও সাবধান করেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল না দেখে পড়ুয়ারা যদি সে সময়ে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে নতুন কিছু জানার চেষ্টা করেন তা হলে উপকার হবে। এ ছাড়া নিজেদের লক্ষ্য স্থির রাখতে রোজ একটা কাগজে পড়ুয়াদের উচিত নিজের পরিকল্পনা লিখে রাখা এবং দিন শেষে কতটুকু বাস্তবায়ন হল তা টিক চিহ্ন দিয়ে মার্কিং করা।

    বাবা-মা-শিক্ষককে টিপস

    পড়ুয়াদের সঙ্গে সঙ্গে এদিন বাবা-মা ও শিক্ষকদের উদ্দেশেও বিশেষ টিপস প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)। পরীক্ষা বলে পড়ুয়াদের বাড়তি চাপ না দেওয়ার পরামর্শ। শুধু পড়ার বইয়ে মুখ গুঁজে থাকলে হবে না। নিজেদের ভালো লাগার কাজও পড়ুয়াদের করতে দেওয়া উচিত। তাতে শারীরিক-মানসিক বিকাশ কোনওটাই আটকাবে না। মোদি ছাত্রছাত্রীদের বলেন ‘জ্ঞান’ এবং পরীক্ষা দু’টি ভিন্ন জিনিস। পরীক্ষাকে জীবনের সর্বস্ব হিসেবে দেখা উচিত নয়। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রছাত্রীদের কোনও কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।

    পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম আহার

    ভালো করে পরীক্ষা দিতে সুষম খাদ্য খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমও দরকার বলে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর। খাবার খাওয়ার সময়ে যেমন চিবিয়ে ভালো করে খেতে হবে তেমনি আট ঘণ্টা ঘুমিয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম না দিলে শরীর-মন তরতাজা হবে না। ফলে পরীক্ষার সময়ে পড়ুয়াদের মনসংযোগে সমস্যা হতে পারে।

  • Balurghat: আর্থিক প্রতিকুলতাকে জয় করে মাধ্যমিকে স্টার দিনমজুরের ছেলে অপু, পড়াশুনা নিয়ে চিন্তায় পরিবার

    Balurghat: আর্থিক প্রতিকুলতাকে জয় করে মাধ্যমিকে স্টার দিনমজুরের ছেলে অপু, পড়াশুনা নিয়ে চিন্তায় পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকে স্কুলের সেরা হয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিল দিনমজুরের ছেলে অপু ঘোষ। মাধ্যমিক দিয়েছিল বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার বেলবাড়ি কাদিহাট উচ্চবিদ্যালয় থেকে। বাংলায় পেয়েছে ৯০, ইংরাজিতে ৬৫। অঙ্ক, ভৌতবিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, ও ভূগোল- প্রতিটি বিষয়ে নম্বর নয়ের ঘরে। অঙ্কে ও ভৌতবিজ্ঞানে পেয়েছে ৯৪। জীববিজ্ঞানে ৯৮। ভূগোলে ৯৯। ইতিহাসে নম্বর সামান্য কম, পেয়েছে ৮৬।

    বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করতে চায় (Balurghat)

    বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি ঘোষ পাড়ার আনন্দ ঘোষ ও শিবানী ঘাষের এক মাত্র ছেলে অপু। বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। মা গৃহবধূ। পরিবারে অভাব অনটন নিত্য সঙ্গী। অপুর সাফল্যে বাবা-মায়ের চোখে জল। ছেলের পড়াশুনার জন্য সরকারের কাছে সাহায্যের আর্জি জানান অপুর পরিবার। অপু বলে, ‘বাবা দিনমজুর। যা আয় করেন সেটা সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিষয়ে একজন গৃহশিক্ষক ছিল। তাও পরীক্ষার মাত্র চারমাস আগে তাঁকে পেয়েছিলাম। বাকি বিষয় নিজেই পড়তাম। ৬২৬ পাব ভাবতে পারিনি। বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করতে চাই।’ ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। কিন্তু, বাবার রোজগার তেমন নয়। সাহায্য করলে ভালো লাগত।’

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    সহযোগিতার আশ্বাস স্কুল কর্তৃপক্ষের

    বাবা আনন্দ ঘোষ বলেন, ‘ভাবতে পারিনি ছেলে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এত ভালো ফল করবে। আর্থিক সমস্যার জন্য গৃহশিক্ষক দিতে পারিনি। পরীক্ষার মাত্র চার মাস আগে বিজ্ঞান বিষয় পড়াতে একজন গৃহশিক্ষক রেখেছিলাম। ছেলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়। আমার সামান্য আয় দিয়ে কীভাবে ছেলেকে লেখাপড়া করাবো বুঝে উঠতে পারছি না। সরকারি সাহায্য পেলে ভীষণ ভালো হত।’ ছেলের সাফল্যে খুশি মা শিবানী ঘোষ বলেন, ‘রেজাল্ট দেখে আমারও ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীদিনে কীভাবে ছেলের স্বপ্নপূরণ করব, তা নিয়ে চিন্তায় রাতে ঘুম আসছে না।’ বেলবাড়ি কাদিহাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পার্থ সরকার বলেন, অপুর যেন সমস্যা না হয় তার জন্য আমাদের সহযোগিতা থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Examination: মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বদল, ক’টা থেকে শুরু পরীক্ষা?

    Madhyamik Examination: মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বদল, ক’টা থেকে শুরু পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূচি অপরিবর্তিত থাকলেও মাধ্যমিক (Madhyamik Examination) এবং উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার সময় পরিবর্তিত হল। বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে এই পরিবর্তিত সময়ের কথা জানানো হয়। সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে পর্ষদ এবং সংসদের বিশেষ বৈঠক হয় এবং তার পরেই পরীক্ষার সময়ের বদলের কথা জানানো হয়। সমানেই পরীক্ষা তাই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে এই নতুন সময় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। 

    কী বলা হয়েছে সংসদের বিবৃতিতে (Madhyamik Examination)?

    আগে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বেলা ১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। যা চলবে ৩টে ১৫ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু এখন নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, পরীক্ষার সময় সওয়া ২ ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। এখন পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে এবং শেষ হবে দুপুর ১টায়। একইভাবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাধ্যমিকের (Madhyamik Examination) পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। আগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে কিন্তু এখন পরীক্ষা শুরু হবে ৯টা ৪৫ মিনিটে। পরীক্ষা শেষ হবে সময় দুপুর ১টায়। তবে সংসদের তরফ থেকে কেন সময় পরিবর্তন করা হয়েছে সেই বিষয়ে কিছুই এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি।

    রুটিনের বদল হচ্ছে না

    পরীক্ষার সময় পরিবর্তিত হলেও সূচি অপরিবর্তিত রয়েছে। বদলাচ্ছে না পরীক্ষার দিন। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু এবং তা চলবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার সূচি বা রুটিনের মধ্যে বিষয় বা দিনের কোনও রকম বদল ঘটছে না। কেবল মাত্র পরীক্ষার সময় বদলের কথা জানানো হয়েছে।

    একই ভাবে মাধ্যমিক (Madhyamik Examination)  শুরু পরীক্ষা হবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এবং চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রথম দিন হবে প্রথম ভাষার পরীক্ষা৷ পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি হবে দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি হবে ইতিহাস, ৬ ফেব্রুয়ারি হবে ভূগোল, ৮ ফেব্রুয়ারি হবে অঙ্ক, ৯ ফেব্রুয়ারি হবে জীবন বিজ্ঞান, ১০ ফেব্রুয়ারি হবে ভৌত বিজ্ঞান এবং ১২ ফেব্রুয়ারি-ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা।      

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহেই? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

    Madhyamik Result: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহেই? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result) কবে হবে তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মঙ্গলবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের ফাঁকে তিনি জানান, আগামী দশ দিনের মধ্যেই ফলপ্রকাশ হবে। পর্ষদ সূত্রে খবর, ফলপ্রকাশের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

    ২ মাসের একটু বেশি সময় পরই ফলপ্রকাশ

    সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সপ্তাহেই ফল প্রকাশিত (Madhyamik Result) হবে বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে দাবি। দু’এক দিনের মধ্যেই পর্ষদ এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও প্রকাশ করে দেবে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর, ফল প্রকাশের শেষ মুহূর্তের কিছু কাজ চলছে।  দু-একদিনের মধ্যেই ফলের দিনক্ষণের বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হয়েছিল ৪ মার্চ। এবারের পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে যুক্ত রয়েছেন ১১৫৩ জন প্রধান পরীক্ষক এবং প্রায় ৪১ হাজার পরীক্ষক। পর্ষদ সূত্রে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, পরীক্ষা শেষের আড়াই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ হতে চলেছে। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, মে মাসেই মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হবে। 

    আরও পড়ুন: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছিল, মাধ্যমিক পরীক্ষার পর উত্তরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় খাতা দেখা, নম্বর দেওয়া থেকে শুরু করে যাচাই পদ্ধতি অর্থাৎ ফলপ্রকাশের (Madhyamik Result) আগে পর্যন্ত মোট ৫টি ধাপ পেরোতে হয় পর্ষদকে। ভুল-ভ্রান্তি এড়াতে ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে শেষের দুই ধাপ এবার অনলাইনে করা হয়েছে। যার ফলে এবারের পরীক্ষার ফল অন্যান্য বারের তুলনায় অন্তত দু’সপ্তাহ আগে প্রকাশ হতে চলেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে যদি ফলপ্রকাশ হয়, সেক্ষেত্রে ২ মাসের একটু বেশি সময় পরই এই ফল বের হতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে, মে মাসের শেষের দিকেই উচ্চ মাধ্যমিকেরও ফলপ্রকাশ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Examination: মাধ্যমিকে কমল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, কেন জানেন?

    Madhyamik Examination: মাধ্যমিকে কমল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Examination) দিয়েছিল প্রায় ১১ লক্ষ ছেলেমেয়ে (Student)। এবার সেটাই কমে গিয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ। বোর্ড প্রেসিডেন্ট রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ড্রপ (Drop) নথিভুক্ত করা হয়েছে। পর্ষদের এক কর্তা বলেন, ড্রপ আউট বা স্কুলছুট কেউ হয়নি। এ বার অনেক ছাত্রছাত্রী যে টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেনি, সেটাও মনে রাখতে হবে। যদিও কয়েকটি শিক্ষক সংগঠনের অভিযোগ, এই ছাত্রছাত্রীদের অধিকাংশই ড্রপ আউট।

    মাধ্যমিক পরীক্ষা…

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল ১০ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৭৫ জন। এবার সেই সংখ্যাটাই কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬২৮ জন। পর্ষদের ব্যাখ্যা, ২০১৭ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে বয়সের কারণে অনেকে ভর্তি হতে না পারায় এবং করোনাকালে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার অভাবে প্রস্তুতি ঠিকমতো না হওয়ায় কমেছে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা।

    অন্যরকম ব্যাখ্যা দিচ্ছেন অ্যাডভান্স সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি। তিনি বলেন, নাম নথিভুক্ত করেও যে ছাত্রছাত্রীরা মাধ্যমিক (Madhyamik Examination) দিচ্ছে না, তাদের অধিকাংশই স্কুলছুট। করোনার প্রকোপে গ্রামের বহু ছেলেমেয়ের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে। অনেকে কাজে চলে গিয়েছে। তিনি বলেন, নানা প্রকল্প চললেও, বহু স্কুলে লেখাপড়ার পরিকাঠামোই নেই। স্কুল পরিকাঠামোর উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে না। দেওয়াল চাপা পড়ে পড়ুয়াদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

    আরও পড়ুুন: মমতার এই অপশাসনকে আলবিদা জানাতে তৈরি বাংলা…

    সরকার শিক্ষক নিয়োগে জোর না দেওয়ায় সমস্যা হয়েছে বলেও মনে করেন কেউ কেউ। মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা অনিমেষ হালদার বলেন, সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দিতেই ব্যস্ত। তার চেয়ে শিক্ষক নিয়োগের ওপর জোর দিলে ভাল হত। তিনি বলেন, এবার মাধ্যমিকে (Madhyamik Examination) ছেলেদের তুলনায় মেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা যে বেশি, তার অন্যতম প্রধান কারণ কন্যাশ্রী প্রকল্প। ওই প্রকল্পের সুবিধা পেতে অনেক মেয়ে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কেন কমল, তা জানতে স্কুল শিক্ষা দফতর সমীক্ষা করবে বলে শুক্রবার জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, নবম শ্রেণিতে নাম নথিভুক্তির পরেও কেন বহু পড়ুয়া মাধ্যমিকে বসার ফর্ম পূরণ করল না, তার কারণ জানতেই সমীক্ষা হবে। কোনও সরকারি সংস্থাকে দিয়েই সমীক্ষা করানো হবে বলেও জানান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share