Tag: madhyamik result

madhyamik result

  • Birbhum:  অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    Birbhum: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটের দুই যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকের ফল দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। কারণ, যমজ পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর সমান। আর দু’জনের নম্বর এক হওয়ায় স্কুলের মধ্যে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছে তারা। এই ঘটনাই অবাক করেছে অভিভাবক, প্রতিবেশী থেকে শুরু করে স্কুল শিক্ষকদেরও। ফল বের হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নম্বর একই হওয়ায় পাড়া প্রতিবেশী স্বচক্ষে তাদের মার্কশিট দেখতে বাড়়িতে হাজির হয়েছিলেন। অনেকে আবার দুজনের ছবিও মোবাইলবন্দি করেছেন। তবে, কোনও অঙ্কে তারা দুজনেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক নম্বর পেল তা তারা নিজেরাও জানে না।

    যমজদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭ (Birbhum)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই পড়ুয়ার নাম মহম্মদ মোক্তার নাবিল এবং মহম্মদ মোক্তার জাহিন। তারা যমজ ভাই। দু’জনের জন্মের সময়ের পার্থক্য মাত্র এক মিনিটের। দুই ভাই দেখতেও হুবহু এক। রামপুরহাট (Birbhum) এক নম্বর ব্লকের কাষ্ঠগড়া রামকৃষ্ণ নেতাজি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র তারা দুজনেই। আর এই দুই ছাত্রই এবার দিয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা। ফলাফল প্রকাশ হতেই কার্যত চোখ ছানাবড়া হয়েছে অভিভাবক থেকে প্রতিবেশীদের। কারণ, জমজ এই দুই ভাইয়ের ঝুলিতে এসেছে যমজ নম্বর। তাদের দু’জনেরই মোট প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭। দুই যমজ ভাইয়ের বক্তব্য, আমরা একসঙ্গে নিময় মেনে পড়াশুনা করতাম এমন নয়। তবে, দুজনেই যতটুকু পড়তাম মন দিয়ে পড়তাম। আমরা ভাল ফল করার আশা করেছিলাম। তবে, দুই ভাই একই নম্বর পাব তা আশা করিনি। আমরাও অবাক হয়ে গিয়েছি।

    স্কুলের শিক্ষকরা কী বললেন?

    স্কুলের শিক্ষকদের বক্তব্য, জন্মসূত্রে তারা যমজ। এটা ওদের দুজনকে দেখলেই সবাই বলে দেবে। একসঙ্গেই বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা দুই ভাইয়ের একই স্কুলে। পড়াশুনায় দুজনেই ভাল।  যমজ হওয়ায় দুইজনের একাধিক মিল রয়েছে। দুজনে ভাল ফল করবে তা আমরা আশা করেছিলাম। তবে, দুজনেই যে একই নম্বর পাবে আমরা ভাবতে পারছি না। এটা আমাদের সকলকে অবাক করেছে।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় পুরুলিয়ার সাম্যপ্রিয় গুরু, বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়

    Purulia: মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় পুরুলিয়ার সাম্যপ্রিয় গুরু, বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয়স্থানে জায়গা করে নিল পুরুলিয়া। পুরুলিয়ার (Purulia) সাম্যপ্রিয় গুরু এবার মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালেই টিভির পর্দায় নাম ঘোষণা হতেই সাম্যপ্রিয়র পরিবারের লোকজন উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন।

    ক্রিকেট খেলা আর গান শোনা পছন্দ সাম্যপ্রিয়ের (Purulia)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সাম্যপ্রিয় পুরুলিয়া (Purulia) জেলা স্কুলের ছাত্র ছিল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। তবে, পড়াশুনার পাশাপাশি সে ক্রিকেট খেলা করতে ভালবাসে। সুযোগ পেলে সে ক্রিকেট খেলা দেখত। আর গান তার খুব প্রিয়। সে গানের এতটাই ভক্ত যে সব সময় কানের এয়ারফোন নিয়ে থাকত। এরজন্য বাবা-মায়ের কাছে বকাও খেয়েছে। পরে, সেই নেশা কিছুটা কাটিয়েছে। এমনিতেই ছোট থেকে সে পড়াশুনায় ভাল ছিল। ফলে, স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে পরিবারের লোকজনদের সকলেরই এবার তার ওপর অনেকটাই আশা ছিল। তাই, মেধা তালিকায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় হওয়ায় এলাকার সকলেই খুশি। এদিন তার এই সাফল্যের পর পরই পাড়া প্রতিবেশীরা তাকে শুভেচ্ছা জানাতে তার বাড়িতে চলে আসে।

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিকের ফল, পাস ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন

    সাম্যপ্রিয় চিকিৎসক হতে চায়

    নিজের প্রস্তুতি নিয়ে সাম্যপ্রিয়র বক্তব্য,” পড়েছিলাম বলেই তো ভাল রেজাল্ট করতে পেরেছি। তবে, সব সময় পড়াশুনা করতাম এমন নয়। তবে, যতক্ষণ পড়তাম, মন দিয়ে পড়তাম। তবে, ভোরে উঠতে পারতাম না। তাই, অনেক রাত পর্যন্ত পড়তাম। আর ক্রিকেট আমার ভীষণ প্রিয়। তাই শেষের দিকেও বিকেল হলে ছাদে গিয়ে ক্রিকেট খেলতাম। আর সব সময়ের সঙ্গী ছিল গান। যদিও কানে ‘ইয়ারফোন’ গুঁজে পড়াশোনায় বাবার আপত্তি থাকায়, পরীক্ষার আগে এই অভ্যাস থেকে খানিক দূরেই ছিলম। আগামী পরিকল্পনা নিয়ে সে বলে, আমি চিকিৎসক হতে চাই। ঘটনাচক্রে মাধ্যমিকে প্রথম চন্দ্রচূড়ও চায় চিকিৎসক হতে।”

    মেধাতালিকার প্রথম দশে এবার রয়েছে ৫৭ জন

    পর্যদ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ ফেব্রুয়ারি নাগাদ। শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মোট ৯,১০,৫৯৮। এর মধ্যে ৪,০৩,৯০০ জন ছাত্র এবং ৫,০৮,৬৯৮ জন ছাত্রী। অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ২৫.৯ শতাংশ বেশি ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ৭,৬৫,২৫২ জন। মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধাতালিকার প্রথম দশে এ বার রয়েছে ৫৭ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: মাধ্যমিকে রাজ্যের প্রথম কোচবিহারের চন্দ্রচূড় সেনের স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার

    Cooch Behar: মাধ্যমিকে রাজ্যের প্রথম কোচবিহারের চন্দ্রচূড় সেনের স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাধ্যমিকে বাজমাত করল উত্তরবঙ্গ। মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে প্রথম হয়েছে কোচবিহারের (Cooch Behar) রামভোলা হাই স্কুলের ছাত্র চন্দ্রচূড় সেন। বৃহস্পতিবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম স্থানাধিকারী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কোচ বিহারের সেন পরিবার। পাড়া প্রতিবেশীর সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকরাও তাঁর বাড়িতে হাজির হয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

    সত্যজিৎ রায়ের লেখা বই পড়তে ভালোবাসে চন্দ্রচূড় (Cooch Behar)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণি থেকে চন্দ্রচূড় রামভোলা স্কুলে (Cooch Behar) পড়ে। স্কুলে বরাবরই ও ভাল ফল করত। এছাড়া ছোট থেকেই আবৃত্তি, গল্পের বই পড়া, তাৎক্ষণিক বক্তৃতার সঙ্গেই চলত পড়াশোনা। আর সে মাধ্যমিকে ৭০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ৬৯৩। চন্দ্রচূড়ের মা মৌসুমী সেন ছেলের এই রেজাল্ট শুনে আনন্দে আত্মহারা। তিনি বলেন, “ছেলের ৯ জন গৃহ শিক্ষক ছিলেন। তবে,  ওর বাঁধাধরা সময় ছিল না পড়াশোনার। যখন ভাল লাগত তখন ও পড়ত। আমরা পড়াশুনার জন্য বলতাম না। তবে, ও প্রতিটি ক্লাসে পরীক্ষার দেওয়ার পর যে নম্বর পাওয়ার কথা বলত, সেই নম্বরই ও পেত। এবার ও রাজ্যের মধ্যে স্থান করার কথা বলেছিল। আমরাও আশা রেখেছিলাম। তবে, রাজ্যের মধ্যে ছেলে প্রথম হওয়ায় খুব ভাল লাগছে। ছেলে ক্রিকেট খেলা ভালোবাসে। বিরাট কোহলি প্রিয় খেলোয়াড়। সত্যজিৎ রায়ের লেখা বই ছেলে খুব পছন্দ করে।” রামভোলা স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, “ছোট থেকেই ও পড়াশুনায় ভাল। ফলে, ও যে ভাল রেজাল্ট করবে তা আমাদের আশা ছিল। ও শুধু নিজের পরিবারকে নয় আমাদের রামভোলা স্কুলকে এবং সমগ্র কোচবিহারবাসীকে গর্বিত করেছে। তাই, টিভিতে ওর খবর শুনেই বাড়িতে আমি ওকে শুভেচ্ছা জানাতে চলে আসি।”

    ভবিষ্যতে নিট ইউজি-তে উত্তীর্ণ হয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে চন্দ্রচূড়

    প্রথম স্থানাধিকারী চন্দ্রচূড় জানায়, ” ভীষণ ভালো লাগছে সকলের প্রত্যাশার রাখতে পেরেছি। তবে, আরও অনেক পরীক্ষা আগামীদিনে বাকী রয়েছে। ইতিমধ্যেই পড়াশুনো শুরু হয়ে গিয়েছে। আমি যা চাই তাতেই সহযোগিতা করবেন বাবা মা। তাঁরা অত্যন্ত খুশি। আমি বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চাই। আমার মা-বাবাও চান আমি চিকিৎসক হই। সেইস্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগোব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, কোথায়, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?  

    Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, কোথায়, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result 2024)। ২ মে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মধ্য শিক্ষা পর্ষদ সাংবাদিক বৈঠক করে মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ করবে। তবে পরীক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল দেখতে পাবেন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে। ওই দিন একাধিক ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীরা। ইতিমধ্যেই যার তালিকা প্রকাশ করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বোর্ড সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘লোকসভা ভোটের মধ্য়ে এই ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনও আইনগত বাধা নেই।’

    কোথায় দেখবেন রেজাল্ট

    এই বছর যারা মাধ্যমিক (Madhyamik Result 2024) পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকেও পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পাবেন। wbbse.wb.gov.in এবং Wbresults.Nic.In -এ ক্লিক করে রেজাল্ট দেখতে পাবেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখার জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন দুটি অ্যাপ। এগুলি হল মাধ্যমিক রেজাল্ট ২০২৪ ও মাধ্যমিক রেজাল্ট। ওই সময় তাঁদের হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড। ফল জানার সময় পরীক্ষার্থীকে লিখতে হবে রোল নম্বর। তবেই স্ক্রিনে ফুটে উঠবে মার্কশিট।

    কবে হাতে মার্কশিট

    উল্লেখ্য, ওই দিনই বিভিন্ন ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কিশট ও শংসাপত্র স্কুলগুলিকে বিলি করবে পর্ষদ। যা শুরু হবে সকাল ১০ টা নাগাদ। কলকাতার স্কুলগুলি পর্ষদের দফতর থেকে মার্কশিট ও শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে।ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই স্কুলগুলি থেকে ছাত্রছাত্রীরা জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার মার্কশিট পেতে পারবে। চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Result 2024)। যা শেষ হয় ওই মাসের ১২ তারিখে। পরীক্ষা শেষের সঙ্গে সঙ্গেই ৯০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট বেরনোর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ১২মে সেই ডেড লাইন পূরণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই রেজাল্ট প্রকাশ করছে পর্ষদ। 

    আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহের কবলে একের পর এক জেলা, মঙ্গলবার রাজ্যের কোথায় তাপমাত্রা কত ছিল?

    কীভাবে রেজাল্ট দেখবেন 

    ওয়েবসাইটে লগ-ইন ক্রেডেনসিয়ালে রোল নম্বর, ডেট অব বার্থ দিয়ে পরীক্ষার্থীর ফলাফল দেখা যাবে

    — অফিশিয়াল ওয়েবসাইট wbresults.nic.in ক্লিক করুন

    — WBBSE মাধ্যমিক ক্লাস ১০ রেজাল্ট লিঙ্ক-এ ক্লিক করুন

    — রোল নম্বর, জন্ম তারিখ লাগবে লগ-ইন করতে

    —লগ-ইন করলেই দেখা যাবে রেজাল্ট

    — এখান থেকে মার্কশিটের পিডিএফ নেওয়া যাবে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Madhyamik Higher Secondary Results: মে মাসেই মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা, আগামী বছর পরীক্ষা কবে?

    Madhyamik Higher Secondary Results: মে মাসেই মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা, আগামী বছর পরীক্ষা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই ফল বের হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Higher Secondary Results)। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশিত হয়ে আসছে গত কয়েক বছর ধরে। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, মাধ্যমিকে ফল প্রকাশিত হবে ২ মে। আর ৮ মে প্রকাশিত হবে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট।

    আগামী বছর পরীক্ষা কবে? (Madhyamik Higher Secondary Results)

    আগামী বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তারিখও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। শেষ হবে ওই মাসেরই ২৪ তারিখে। আর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ৩ মার্চ। শেষ হবে ১৮ মার্চ। ২২ এপ্রিল পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, “ফল প্রকাশের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই আমরা রেজাল্ট প্রকাশ করব।” ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হবে সাত দফায়। তাই মে মাসে ফল প্রকাশ হলে, তা হবে নির্বাচনের মধ্যেই। এ প্রসঙ্গে রামানুজ বলেছিলেন, “লোকসভা নির্বাচনের মধ্যেই মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ করার ক্ষেত্রে কোনও আইনগত বাধা নেই। তাই আমরা নির্দিষ্ট দিনেই রেজাল্ট বের করতে পারব (Madhyamik Higher Secondary Results)।”

    ৯০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ

    এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষের পরেই ব্রাত্য জানিয়েছিলেন ফল প্রকাশ হবে ৯০ দিনের মধ্যেই। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওযার পর ৯০ দিন হচ্ছে ১২ মে। তার আগেই জোড়া পরীক্ষার ফল বের করে দিচ্ছে রাজ্যের শিক্ষা দফতর।বিগত বছরগুলিতে পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লগ ইন করে দেখা গিয়েছে মাধ্যমিকের ফল। এবারও সেভাবেই দেখা যাবে রেজাল্ট। এবারও রেজাল্ট দেখা যাবে wbbse.wb.gov.in এবং wbresults.nic.in-এ। রেজাল্টের দিনগুলিতে চালু রাখা হবে ওয়েবসাইট দু’টি।

    আরও পড়ুুন: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি”, কেন কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী?

    পর্ষদ সূত্রে খবর, রেজাল্টের দিনই মার্কশিট ও সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে ২ মে পর্ষদের নির্দিষ্ট ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কশিট ও সার্টিফিকেট বিলি করা হবে স্কুলগুলিকে। জানা গিয়েছে, এবার মানব শ্রম কমিয়ে যন্ত্রের ভূমিকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা এবার আগের চেয়ে অনেক কম হবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। যন্ত্রনির্ভর কাজ হওয়ায় বজায় থাকবে স্বচ্ছতাও (Madhyamik Higher Secondary Results)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠে ধান পোঁতার কাজ সেরে পড়াশোনা। এই প্রথম একটি গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হল এমনই ৪ ছাত্রী৷ আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম শান্তিনিকেতনের সাহেবডাঙা। বিংশ শতাব্দীতে এসে নারী শিক্ষার অগ্রগতির নজির এই চার ছাত্রীর উত্তীর্ণ হওয়ার খবরে খুশি গ্রামবাসীরা৷

    কীভাবে এল এই সাফল্য (Madhyamik Result)?

    শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবডাঙা আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত একটি গ্রাম। উন্নয়নের আলো সেভাবে পৌঁছায়নি এই গ্রামে। পাশাপাশি শিক্ষার আলো থেকেও এতকাল বঞ্চিত ছিল এই গ্রাম৷ অথচ, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতির পীঠস্থান হিসাবে পরিচিত শান্তিনিকেতন। কিন্তু, প্রবাদবাক্য আছে ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার’। যদিও, এই প্রবাদবাক্যকে উপেক্ষা করে এই প্রথম এই গ্রাম থেকে ৪ জন মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হল। বোলপুর পারুলডাঙা শিক্ষানিকেতন আশ্রম বালিকা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী বাসন্তি টুডু, লতিকা মুর্মু, মিরু হাঁসদা ও গুসকড়ার পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলের ছাত্রী সুমিত্রা টুডু এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হয়েছে। এর আগে এই গ্রাম থেকে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেইনি, উত্তীর্ণ হওয়া তো দূরের কথা৷ নারী শিক্ষার অগ্রগতি নিয়ে আন্দোলন চলছে বহু দিন ধরেই৷ সেই আন্দোলনের নজির বলা যায় ৪ আদিবাসী কন্যার সাফল্যকে৷ বাবা-মায়ের সঙ্গে মাঠে ধান পোঁতা, ধান কাটার কাজ করে তারা৷ তার ফাঁকেই পড়াশোনা। তারা জানায়, এর আগে কোনও মেয়ে সেভাবে পড়াশোনা করতে পারেনি৷ কারণ পরিকাঠামো নেই, বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই পড়াশোনার পরিবেশ। সদ্য একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই গ্রামটিকে দত্তক নিয়েছে৷ তাদের তত্ত্বাবধানেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে তারা৷ যে যুবকের উদ্যোগে তাদের এই সাফল্য সেই বুদ্ধিশ্বর মণ্ডল বলেন, “এই গ্রামের উন্নয়ন একেবারেই নেই৷ প্রত্যন্ত একটি গ্রাম থেকে ৪ টি মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ। আমি ওদের সঙ্গে আছি বহু দিন ধরে৷ তাদের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি।”

    কী বলল উত্তীর্ণরা (Madhyamik Result)?

    সুমিতা টুডু, বাসন্তি টুডু, মেরু হাঁসদা বলে, “এই গ্রামে আগে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক (Madhyamik Result) পাশ করেনি৷ কারণ কোনো রকম সুযোগ সুবিধাই ছিল না৷ টিউশন পড়তে পারতাম না। আমাদের গ্রামের অবস্থাও ভালো নয়৷ সবাই মাঠে কাজ করে৷ আমরাও ধান পোঁতার কাজ করি৷ আমরা পাশ করায় গ্রামের সবাই খুব খুশি। আগামীতে গ্রামের বাকি মেয়েদের বলব, তারাও যেন পড়াশোনা করে আরও ভালো ফল করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা! টানাটানির সংসারে কি পূরণ হবে স্বপ্ন?

    Madhyamik Result: অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা! টানাটানির সংসারে কি পূরণ হবে স্বপ্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাতলা গড়ন। সাধারণ খেটে খাওয়া ঘরের আর পাঁচটা মেয়ের মতোই। কিন্তু পড়াশোনার জগৎটা তার একেবারেই আলাদা। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী স্নেহা বিশ্বাস। মাধ্যমিকে ৬৪২ পেয়ে নজর কেড়েছে গরিব কৃষকের মেয়ে এই স্নেহা। দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের আউটিনা অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রাম খলসি। সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে তিলন হাই স্কুল থেকে সেই সাফল্যের খবর (Madhyamik Result) তাই খুব সহজেই পৌঁছে যায় বালুরঘাটে।

    ছিল শুধু একজন গৃহশিক্ষক (Madhyamik Result)!

    উচ্চ মাধ্যমিক পাশ বাবা হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস তিন বিঘা জমিতে চাষ করেন। দুই ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে টানাটানির সংসার। স্নেহা পরিবারের বড়। ছোট ভাই তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া। মা অর্চনার কাছেই স্নেহার পড়াশোনা। স্নেহা বাংলায় ৯০, ইংরেজিতে ৯১, অঙ্কে ৯৩, ভৌতবিজ্ঞানে ৯৮, জীবন বিজ্ঞানে ৯১, ইতিহাসে ৮৭ ও ভূগোলে ৯২ নম্বর (Madhyamik Result) পেয়েছে। মেয়েটাকে আরও সাহায্য করতে পারলে আরও ভাল করতো। আনন্দের মাঝেও যেন কিছুটা আক্ষেপ বাবা-মায়ের। এক গৃহশিক্ষক ছাড়া আর কারও কাছে পড়ার সুযোগ ছিল না স্নেহার। বালুরঘাটের ললিতমোহন আদর্শ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস চক্রবর্তী স্নেহাকে একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি করিয়ে সমস্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। কষ্ট হলেও বালুরঘাটে ছোট একটি ঘর ভাড়া নিয়ে মেয়ের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে ফের লড়াইয়ের জন্য তৈরি, জানান অর্চনা। আর স্নেহা জানায়, অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা রয়েছে।

    কেউ যদি সাহায্য করত (Madhyamik Result), আর্জি বাবার

    এই বিষয়ে স্নেহার বাবা হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমার স্ত্রী, তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার। অতি কষ্টে আমাদের দিন চলে। আমার মেয়ের মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) সাফল্য দেখে আমরা গর্বিত। আমার মেয়ে ভবিষ্যতে অঙ্ক নিয়ে গবেষণা করতে চায়। কিন্তু মাঝে আমার আর্থিক অবস্থা বাধা হয়ে পড়ছে। মেয়েটাকে কেউ যদি সাহায্য করত, তাহলে ভালো হতো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: আর্থিক সঙ্কটকে দূরে ঠেলে নিজের প্রতিভায় মাধ্যমিকে উজ্জ্বল টোটো চালকের মেয়ে

    Malda: আর্থিক সঙ্কটকে দূরে ঠেলে নিজের প্রতিভায় মাধ্যমিকে উজ্জ্বল টোটো চালকের মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন টোটো চালকের মেয়ে এবছর মাধ্যমিকের ফলাফলে সবাইকে চমকে দিয়েছে। মালদা (Malda) জেলার রতুয়ার ওই টোটো চালকের মেয়ে, উত্তর মালদা সহ নিজের ব্লকেও মাধ্যমিকে নজরকাড়া ফল করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। পরিবার, স্কুলের শিক্ষক এবং এলাকার মানুষ স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত।

    স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষা নিয়ে সমাজের জন্য বিশেষ কিছু করা

    মালদার (Malda) রতুয়ার ১ নং ব্লকের কাহালা অঞ্চলের লক্ষ্মীপুর প্রত্যন্ত গ্রামের এই কৃতী ছাত্রীর নাম তাপসী মণ্ডল, বাবা কৃষ্ণ মণ্ডল। মাধ্যমিকে তাপসীর প্রাপ্ত নম্বর হল ৬৭১। সে যে স্কুলে পড়াশুনা করত, সেই স্কুলের নাম নরোত্তমপুর কাহালা বি বি হাই স্কুল। তাপসীর এই ফলাফলেই পরিষ্কার, শহরের তুলনায় গ্রাম্য অঞ্চলের ছেলেমেয়েরাও মেধা তালিকায় পিছিয়ে নেই। মাধ্যমিক পরীক্ষায় শহরের থেকে দূরে গ্রামের দুঃস্থ ও মেধাবীদের জীবন সংগ্রামের প্রধান অস্ত্র পড়াশুনা। আর তাকেই হাতিয়ার করে সমাজের বুকে বিশেষ জায়গা করে নেওয়ার নানান দৃষ্টান্ত এবছর মাধ্যমিকের ফলাফলে লক্ষ করা যাচ্ছে। সেরকমই একটি প্রতিভার পরিচয় মিলল মালদা জেলার মধ্যেও। পরিবারের অর্থনৈতিক সঙ্কটকে কখনও প্রতিবন্ধকতা মনে না করে, কেবলমাত্র পড়াশুনাকে নিজের প্রতিভা হিসাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে তাপসী। এবার তার স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষা নিয়ে সমাজের জন্য বিশেষ কিছু করা।

    কৃ্তী ছাত্রীর এখন কীভাবে স্বপ্ন পূরণ হবে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাপসী মণ্ডল খুব ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী। তাঁর পরিবার ভীষণ হতদরিদ্র এবং দুঃস্থ। এলাকার মানুষ বলেছেন, শহরের ভালো স্কুলগুলো বাছাই করে ভালো ছাত্রদের নিয়ে থাকে। কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রাম্য এলাকার (Malda) স্কুলের দিকে সবার নজর একটু কম থাকে। তবুও এই স্কুলে তাপসী নিজের যোগ্যতায় ভালো ফল করেছে। এলাকার মানুষ ওকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, বাবা খুব পরিশ্রম করে সংসার চালান। এই অবস্থায় বাড়িতে তাপসীর পড়াশুনার জন্য খুব কষ্ট করে অর্থের ব্যবস্থা করতে হত। বাবা নিজে টোটো চালিয়ে যা রোজগার করেন, তাতে পরিবারের পেট চলে না বললেই চলে। নুন আনতে পান্তা ফুরায়, এমন অবস্থায় অনেক কষ্ট করে মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন কৃষ্ণবাবু। আর সেই মতো মেয়েও রতুয়া ১ নং ব্লক সহ গোটা উত্তর মালদায় খুব ভালো ফল করেছে। আর তাতেই খুশি গোটা এলাকা। তাপসী মণ্ডলের ইচ্ছা, আগামীতে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা করে ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা ঠিক না থাকায় ভালো ফল করেও আগামী দিনের পড়াশোনা নিয়ে চিন্তিত। এই কৃ্তী ছাত্রীর এখন কীভাবে স্বপ্ন পূরণ হবে, সেটা নিয়েই চিন্তায় পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share