Tag: madhyom news

madhyom news

  • Pranab Mukherjee: ‘‘বাবার প্রয়াণে শোক জ্ঞাপনের জন্য বসেনি ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক’’, কংগ্রেসকে তোপ প্রণব কন্যার

    Pranab Mukherjee: ‘‘বাবার প্রয়াণে শোক জ্ঞাপনের জন্য বসেনি ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক’’, কংগ্রেসকে তোপ প্রণব কন্যার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) প্রয়াণের পরপরই শুক্রবার বসে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। এই আবহে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের (Pranab Mukherjee) কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাঁর পিতা প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর শোক জ্ঞাপনের জন্য কোনও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়নি।

    শর্মিষ্ঠার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট

    শর্মিষ্ঠা নিজের পোস্টে লেখেন, ‘‘বাবা যখন মারা গেলেন, তখন শোক জ্ঞাপনের জন্যে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকার প্রয়োজনও মনে করেনি। আমাকে সেই সময় এক সিনিয়র কংগ্রেস নেতা বলেছিলেন, প্রেসিডেন্টদের জন্যে এমনটা করা হয় না। যদিও সেটা মিথ্যা। পরে আমি বাবার ডায়েরি থেকে জানতে পেরেছিলাম, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট কেআর নারায়ণের প্রয়াণে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেই সময় শোক বার্তা ড্রাফ্ট করেছিলেন বাবা নিজেই।’’

    প্রণব মুখোপাধ্যায়কে (Pranab Mukherjee) বঞ্চনা

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার দিল্লিতে দলের সদর দফতরেই বসে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। সেই বৈঠকে মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, কেসি বেণুগোপালরা। সেই বৈঠকেই মনমোহনের শেষকৃত্য নিয়ে আলোচনা হয়। এই আবহে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পরে কেন এমন বৈঠক ডাকা হয়নি, সেই প্রশ্ন তুললেন প্রণব কন্যা (Pranab Mukherjee)। আগেও একাধিক মহলে গুঞ্জন শোনা গিয়েছে,  প্রণব মুখোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রীও হতে দেয়নি কংগ্রেস!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis 1: অগাস্টেই শুরু হয় জঙ্গলের রাজত্ব, বাংলাদেশজুড়ে চলতে থাকে গণপিটুনিতে হত্যা NO 1 Do not publish

    Bangladesh Crisis 1: অগাস্টেই শুরু হয় জঙ্গলের রাজত্ব, বাংলাদেশজুড়ে চলতে থাকে গণপিটুনিতে হত্যা NO 1 Do not publish

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ প্রথম পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৫ অগাস্ট বিএনপি ও জামাতের ষড়যন্ত্রে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা (Bangladesh Crisis 1)। দখল হয় গণভবন। এরপর থেকেই বাংলাদেশে নেমে আসে অরাজকতা। সে দেশে ইউনূস সরকারের আমলে কার্যত জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয় বাংলাদেশ। বেড়ে যায় গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা। হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক পরেই দুইজন ছাত্রনেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। যাঁদের মধ্যে একজন হলেন তোফাজ্জল হোসেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কাঠালতোড়ি ইউনিয়নের পাথরঘাটার উপজেলার বরগুনার বাসিন্দা। তোফাজ্জলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের মধ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অন্য আরেকজন হলেন শামিম আহমেদ। যাঁর অপর নাম হচ্ছে শামিম মোল্লা। তাঁকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলিগের নেতা ছিলেন শামিম। বিএনপি-জামাতের কাছে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হতেই এমন আক্রমণ নেমে আসে।

    কী বলছে সেদেশের সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্ট?

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিও সরব হয় গণপিটুনির ঘটনায়। একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট সামনে আসে। বাংলাদেশের (Targeting Minority) জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই ৩৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে ২৮ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অপর এক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার তাদের রিপোর্টে জানাচ্ছে যে হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫৩টি ঘটনা ঘটেছে গণপিটুনির, যার মধ্যে ৪৪টিতেই মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে অপর এক সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, অগাস্টের ৫ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ পর্যন্ত ৪৪টি গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২১টি সংঘটিত হয়েছে অগাস্ট মাসে। বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে সেপ্টেম্বর মাসেই গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনার সংখ্যা ২০। অক্টোবর মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬।

    জেলায়-জেলায় পরিসংখ্যান (Bangladesh Crisis 1)

    বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদসংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজধানী ঢাকাতে হাসিনা সরকারের পতনের ৩৮ দিনের মাথায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে গণপিটুনিতে।

    দিনাজপুর জেলায় তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে অগাস্ট মাসের ১১ তারিখ। অন্যদিকে সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখেও ওই জেলায় তিনজন গণপিটুনিতে মারা যান।

    বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় ৩১ অগাস্ট একজনকে ও ১৮ সেপ্টেম্বর অন্য একজনের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে।

    রাজশাহী জেলাতে প্রাক্তন ছাত্রলিগের নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৭ সেপ্টেম্বর।

    চট্টগ্রামে একজন স্থানীয় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলাতে একজন বয়স্ক মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় সেপ্টেম্বর মাসে।

    বাংলাদেশের খুলনাতে ৪০ বছর বয়স্ক একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৪ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ঝালকাঠিতে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলাতে একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১২ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের গাজীপুর ও বরিশালে দুজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। একজনকে হত্যা করার অগাস্টে, অপরজনকে সেপ্টেম্বরে।

    বাংলাদেশের নাটোরে ৩৬ বছর বয়সি একজন পুরুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ২ অগাস্ট।

    বাংলাদেশের টাঙ্গাইল ও খাগড়াছাড়িতেও গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর অন্যদিকে অপরজনকে খাগড়াছাড়িতে হত্যা করা হয় ১৮ সেপ্টেম্বর।

    গণপিটুনির কারণ কী কী? (Bangladesh Crisis 1)

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এই ধরনের গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনার একাধিক কারণ রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলি নিচে আলোচনা করা হল-

    রাজনৈতিক কারণ

    প্রসঙ্গত, ৫ অগাস্ট বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্রে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পরেই আওয়ামি লিগের সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের ওপর ব্যাপক সন্ত্রাস নেমে আসে। বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদেরকে টার্গেট করতে থাকে বাংলাদেশের মৌলবাদী তথা বিএনপি-জামাতের নেতৃত্ব।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    জামাত-বিএনপি নেতৃত্বে বাংলাদেশের মসনদ দখল হওয়া মাত্রই সে দেশে জঙ্গলের রাজত্ব শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি নজরে আসতে থাকে। সে দেশে প্রশাসন বলে আর কিছুই বাকি ছিল না, যখন হাসিনা সরকারকে পদচ্যুত করা হয়। এই অবস্থায় সুযোগ নিতে শুরু করে বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন ও বিএনপি জামাতের মতো রাজনৈতিক দলগুলি।

    গুজব (Bangladesh Crisis 1)

    গুজব একটা বড়সড় কারণ গণপিটুনিতে হত্যার। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে ব্যাপক গুজব ছড়ানো হয় এবং এতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশে হিংসা এবং গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘‘দেশের প্রতি তাঁর অবদান আজীবন মনে থাকবে’’, মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল আরএসএস

    RSS: ‘‘দেশের প্রতি তাঁর অবদান আজীবন মনে থাকবে’’, মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ৭ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Manmohan Singh)। তাঁর প্রয়াণে শোকাতুর গোটা দেশ। এই আবহে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ জানাল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)।

    মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণে গোটা দেশ শোকাহত 

    এ দিন আরএসএসের (RSS) তরফে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বলা হয়, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা ডঃ সর্দার মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) প্রয়াণে গোটা দেশ শোকাহত। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ তাঁর পরিবার ও অগুনতি অনুরাগীদের সমবেদনা জানাচ্ছে।” আরএসএসের তরফে আরও বলা হয়, “সাধারণ ঘর থেকে উঠে এসেও তিনি দেশের সর্বোচ্চ পদে পৌঁছেছিলেন। দেশের প্রতি তাঁর অবদান আজীবন মনে রাখা হবে। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।”

    নিজের বাড়িতেই সংজ্ঞাহীন হয়ে যান তিনি

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান আরএসএসের সর সঙ্ঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত ও দত্তাত্রেয় হোসাবলে। প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন মনমোহন সিং। নিজের বাড়িতেই সংজ্ঞাহীন হয়ে যান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি দিল্লির এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সবরকমের চেষ্টা করা হলেও, শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন চিকিৎসকরা। রাত ৯টা ৫১ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং (Manmohan Singh)।

     

    আরও পড়ুন: বিশ্বের নেতারা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন, করলেন স্মৃতিচারণও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABVP: ‘‘দেশ গঠনের কাজ করছে এবিভিপি’’, বললেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি

    ABVP: ‘‘দেশ গঠনের কাজ করছে এবিভিপি’’, বললেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা এবিভিপির (ABVP) ৪৯তম রাজ্য সম্মেলনে হাজির ছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। সেখানেই তিনি জানান যে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এমন একটি সংগঠন, যারা দেশ গঠনের কাজ করে চলেছে নিরন্তরভাবে। এবিভিপির জ্ঞান-চরিত্র-একতা আদর্শের কথাও তিনি তুলে ধরেন এদিন। তিনি আরও জানান, শিক্ষা এবং সমাজের বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রসঙ্গত, এবিভিপি ওড়িশার ৪৯তম রাজ্য সম্মেলন শুরু হয় কটকের ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এবং সেখানেই একথা বলতে শোনা যায় ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে (Odisha CM)। মোহন মাঝি আরও বলেন, ‘‘জাতীয় স্বার্থে, জাতির পুনর্গঠনে দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে বহন করে চলেছে এবিভিপি।’’

    যে কোনও নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয় ওড়িশায়

    একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ওড়িশা সরকারের (ABVP) ছাত্রদরদী বিভিন্ন নীতির কথাও এদিন তুলে ধরেন নিজের বক্তব্যে। তিনি জানান, পরীক্ষা ব্যবস্থায়ও স্বচ্ছতা আনা হয়েছে ওড়িশায়। যে কোনও নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয় ওড়িশায়। এর পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০ নিয়েও এদিন কথা বলেন তিনি। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন স্কলারশিপের ব্যবস্থাও ওড়িশায় রয়েছে বলে নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন তিনি।

    রাজ্য সম্মেলনে হাজির ছিলেন এবিভিপি (ABVP) ওড়িশার রাজ্য সম্পাদক অরিজিৎ পট্টনায়ক

    ওড়িশায় পরবর্তী অ্যাকাডেমিক বছর থেকে বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের বক্তব্যে মোহন চরণ মাঝি আরও জানান, আগামী দিনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ছাত্র নেতৃত্বকেই ভবিষ্যতে ওড়িশার দায়িত্ব নিতে হবে। প্রত্যেক ছাত্র নেতৃত্বকে তিনি তাঁদের কর্তব্য এবং সমাজের দায়বদ্ধতাও স্মরণ করান। রাজ্য সম্মেলনে হাজির ছিলেন এবিভিপি (ABVP) ওড়িশার রাজ্য সম্পাদক অরিজিৎ পট্টনায়ক। তিনি সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন। ওড়িশা এবিভিপি এক লাখ সদস্য করাতে পেরেছে বলে তিনি নিজের রিপোর্টে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই অ্যাকাডেমিক বছরে ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৭ জন পড়ুয়া সংগঠনে নাম লিখিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    BJP: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন ও ক্ষমতাসীন ডিএমকে সরকারকে সরানো না পর্যন্ত তিনি জুতো পরবেন না, এমনই সংকল্প নিলেন তামিলনাড়ুর বিজেপির (BJP) সভাপতি কে আন্নামালাই (K Annamalai)। এর পাশাপাশি তাঁর আরও ঘোষণা, আজ শুক্রবার নিজের বাড়ির সামনে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাবেন এবং নিজেকে ছয়বার চাবুক মারবেন।

    ৪৮ দিন অনশনের কথা ঘোষণা তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধানের (BJP) 

    প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহে চেন্নাইয়ের আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কলেজ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কে আন্নামালাই (BJP) তোপ দাগেন ডিএমকে সরকারকে। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক সম্মেলনে, কে আন্নামালাই ঘোষণা করেন যে তিনি নিজের বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন এবং নিজেকে ছয়বার চাবুক মারবেন। এর পাশাপাশি আজ শুক্রবার থেকে ৪৮ দিন অনশন করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। ডান হাতে জুতো নিয়েই তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

    তামিলনাড়ুর মহিলারা নিরাপদ নন

    আন্নামালাই (BJP)  ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে আরও জানান যে এই রাজ্য আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি বলে কিছু নেই। ‘‘যারা বেআইনি কার্যকলাপ করে তাদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তামিলনাড়ু’’, একথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। তিনি (K Annamalai) আরও বলেন, ‘‘তামিলনাড়ুতে মহিলারা মোটেও নিরাপদ নন, কারণ এখানকার পুলিশ প্রশাসন বিরোধীদের চুপ করতে ব্যস্ত থাকে সর্বদা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manmohan Singh: প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, শোক প্রকাশ মোদির

    Manmohan Singh: প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, শোক প্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাত ন’টা ১৫ মিনিটে দিল্লির এইমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং (Manmohan Singh)। পরিবার সূত্রে খবর, তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত আটটা নাগাদ তাঁকে দিল্লি এইমসের এমারজেন্সি ডিপার্টমেন্টে ভর্তি করা হয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। মৃত্যুকালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত টানা দশ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। এছাড়া, ১৯৮২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৮৫ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের দায়িত্ব সামলান তিনি (Former Prime Minister)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াণে আজ শুক্রবার সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠান বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকপালনের ঘোষণা করেছে মোদি সরকার।

    শোক প্রকাশ মোদির

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডলে মোদি জানান, প্রায়ই তাঁদের মধ্যে কথা হত। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দেশের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘দেশের অনত্যম সেরা একজন নেতা মনমোহন সিংহের প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। খুব সাধারণ একটা পরিবার থেকে উঠে দেশের সম্মানীয় নেতা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। হয়ে উঠেছিলেন একজন বলিষ্ঠ অর্থনীতিবিদও। তিনি একজন সফল অর্থমন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। সংসদে তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নে প্রভূত ভূমিকা নিয়েছিলেন।’’

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    ১৯৩২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর জন্মেছিলেন মনমোহন সিং। বর্তমান পাকিস্তানে গাহতে জন্মেছিলেন তিনি। তিনি পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটিতে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। কেমব্রিজেও পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। ভারত সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, প্ল্যানিং কমিশনে, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে দেশের অর্থনীতির নব রূপায়নে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে আছে আজও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia: রাশিয়ান মিসাইল হানায় ভেঙে পড়ে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের বিমান? কী বলল মস্কো?

    Russia: রাশিয়ান মিসাইল হানায় ভেঙে পড়ে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের বিমান? কী বলল মস্কো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজাখস্তানে দুর্ঘটনাগ্রস্ত আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের (Azerbaijan Airlines) বিমান ভেঙে পড়ে রাশিয়ান (Russia) মিসাইল হানায়! এমনই দাবি উঠতে থাকে বিভিন্ন মহল থেকে। একাধিক মাধ্যমে দাবি করা হয়, ওই বিমানকে দূর থেকে ইউক্রেনের ড্রোন ভেবে মিসাইল ছুড়েছিল রাশিয়া। সেই কারণেই তা ভেঙে পড়ে। তবে এই ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুলল মস্কো।

    কী জানাল মস্কো (Russia)?

    রাশিয়ার (Russia) তরফে জানানো হয়েছে, বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে, তাই আগে থেকে যেন কেউ কিছু কল্পনা না করে ফেলেন। কেউ কেউ এখনই বিষয়টি নিয়ে নানারকম দাবি করছেন, সেগুলি ঠিক নয়। নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ এভাবেই অস্বীকার করেছে মস্কো। আজারবাইজান প্রশাসন ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কাজাখস্তান প্রশাসনও আলাদাভাবে ঘটনার তদন্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। ঠিক এই আবহে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, বাকু থেকে রাশিয়ার গ্রোজনিতে যাচ্ছিল বিমানটি।

    আরও পড়ুন: দেশের প্রথম কেবল ব্রিজ জম্মু-কাশ্মীরের আঞ্জি খাদ সেতুতে রেলের সফল ট্রায়াল রান সম্পন্ন হল

    কোনও দাবিরই অকাট্য প্রমাণ মেলেনি

    বিমানটিতে (Russia) ৩৭ জন আজারবাইজানের, ১৬ জন রাশিয়ার, ৬ জন কাজাখস্তানের এবং ৩ জন কিরগিস্তানের বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আকতাউ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি আকাশের মাঝপথ থেকেই ক্রমশ নীচের দিকে নামতে শুরু করে এবং তাতে আগুন লেগে যায়। প্রাথমিক অনুমান, কুয়াশার কারণে হয়তো পাইলট দিকভ্রষ্ট হয়েছিলেন। যার ফলে তিনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। আবার কেউ কেউ মনে করেছেন পাখির ঝাঁকের সঙ্গে কোনওভাবে ধাক্কা লেগেছিল বিমানটির। তাতেই কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি তৈরি হয়। এছাড়া বিমানের ইঞ্জিনেও কোনও সমস্যা থাকতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। তবে কোনও দাবিরই (Azerbaijan Airlines) অকাট্য কোনও প্রমাণ মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ভারত বিরোধী সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে স্বরাষ্ট্র সচিব করল বাংলাদেশ

    Bangladesh: ভারত বিরোধী সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে স্বরাষ্ট্র সচিব করল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিজাব-উৎ-তাহারির (Hizb Ut Tahrir) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাসিমুল গাজিকে স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ করল ইউনূস সরকার। গতকাল বুধবার ২৫ ডিসেম্বর তাঁকে এই পদে নিয়োগ করা হয়। নাসিমুল গাজির মতো সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের এমন নিয়োগ সামনে আসতেই, জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, নাসিমুল গণি ছিলেন বাংলাদেশের বিএনপি দলের নেতা জামিরউদ্দিন সরকারের ব্যক্তিগত আপ্ত সহায়ক। এরপরে ২০০০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা হয় হিজাব-উৎ-তাহারির  নামক এই সংগঠনের। জানা যায়, এই সংগঠনের শীর্ষ নেতা ছিলেন শহীদ গোলাম মওলা। যিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক। ২০০০ সালে বাংলাদেশে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি ও জামাত-ই-ইসলামের সরকার। সেই সময় তিনি এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৩ সালে নাসিমুল গনিকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয় সরকারি চাকরি থেকে। প্রসঙ্গত, মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কর্তা ব্যক্তিদের নিয়োগ পর্ব লেগেই রয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ মৌলবাদীদের হাতেই রয়ে গিয়েছে। জামাত-ই-ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম- এই সমস্ত সংগঠনগুলিরই সক্রিয় প্রভাব দেখা যাচ্ছে সেখানে।

    ভারত বিরোধী সংগঠন

    প্রসঙ্গত আন্তর্জাতিকভাবে গনির এমন নিয়োগের ফলে বিভিন্ন দেশও অসন্তুষ্ট, যার মধ্যে ভারত অন্যতম। কারণ এই সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে মৌলবাদী শিক্ষা প্রদান, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি, সন্ত্রাসের ফান্ডিং ইত্যাদি। ভারতের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এনআইএ এখনও পর্যন্ত ওই সংগঠনের নানা কার্যকলাপের তদন্ত করছে। তামিলনাড়ুতে এই সংগঠনের বেশ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে পরিকল্পনামাফিক সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং ভারত বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার।

    প্রথম থেকে টার্গেট করত শিক্ষিত যুব সমাজ

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ২০০০ সালের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেই প্রথম কয়েক বছর দেখা যেত এই সংগঠন শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়কেই লক্ষ্যবস্তু বানাত। যুবকদের মধ্যে উগ্র ইসলামিক ভাবাদর্শ প্রচার করত। এই সংগঠন খলিফারাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতেও আন্দোলন করত। এর পাশাপাশি দুর্নীতি অথবা অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধেও আন্দোলনে দেখা যেত এই সংগঠনকে। নিজেদের সমর্থন বাড়ানোর জন্য এমনটা করত তারা। পরবর্তীকালে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় (Bangladesh) দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় এই সংগঠন। যার ফলে মৌলবাদী সংগঠনগুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pravasi Bharatiya Divas: ৮-১০ জানুয়ারি ওড়িশায় আয়োজিত হতে চলেছে ‘প্রবাসী ভারতীয় সম্মেলন’

    Pravasi Bharatiya Divas: ৮-১০ জানুয়ারি ওড়িশায় আয়োজিত হতে চলেছে ‘প্রবাসী ভারতীয় সম্মেলন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রবাসী ভারতীয় সম্মেলন সাড়ম্বরে পালিত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, ওড়িশার (Odisha) ভুবনেশ্বরে এই অনুষ্ঠান হবে। ভারতীয় বংশোদ্ভুতরা এবং প্রবাসী ভারতীয়রা সমস্ত দেশ থেকে হাজির হবেন এই সম্মেলনে (Pravasi Bharatiya Divas)। প্রবাসী ভারতীয়দের এই সম্মেলনের আয়োজনে ওড়িশা সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে বলে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, মোদি সরকার পূর্বোদয় নীতি গ্রহণ করেছে এবং সেখানে অন্যতম রাজ্য হল ওড়িশা। প্রবাসী ভারতীয় দিবস ওড়িশায় আয়োজনের মাধ্যমে মোদি সরকার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে সেরাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন।

    কেন ৯ জানুয়ারি প্রবাসী ভারতীয় দিবস (Pravasi Bharatiya Divas)

    প্রতিবছর ৯ জানুয়ারি প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালন করা হয়। ঐতিহাসিকভাবে ১৯১৫ সালের ৯ জানুয়ারি, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরেছিলেন মহাত্মা গান্ধী। সেই ঘটনার স্মৃতিতেই প্রতিবছর ৯ জানুয়ারি প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালিত হয়। চলতি বছরে এটা আয়োজিত হতে চলেছে ওড়িশায় এবং প্রবাসী ভারতীয়দের সম্মেলনে উঠে আসবে সেরাজ্যের উন্নয়নের নানা বিষয়। বিদেশ থেকে আগত প্রবাসী ভারতীয়রা দেখবেন ওড়িশা সরকারের উন্নয়নমূলক নানা কর্মসূচি (Pravasi Bharatiya Divas)। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের যে অর্থনৈতিক উন্নতি এবং পূর্বাঞ্চলের প্রতি সরকারের যে নীতি সেটাও পর্যবেক্ষণ করবেন প্রবাসী ভারতীয়রা।

    খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ ওড়িশা (Pravasi Bharatiya Divas)

    ওড়িশার ভুবনেশ্বরকে (Pravasi Bharatiya Divas) বলা হয় মন্দিরের শহর। প্রযুক্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং শিল্প – এই সমস্ত ক্ষেত্রগুলিতে কীভাবে এগিয়ে চলেছে ওড়িশা, সেটাই প্রচার করা হবে প্রবাসী ভারতীয়দের সম্মেলনে। ওড়িশা খনিজ সম্পদেও পরিপূর্ণ। কয়লা থেকে লোহা, বক্সাইট প্রভৃতি মাটির নিচে প্রচুর পরিমাণে মজুদ রয়েছে এখানে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সারা দেশের ২৫ শতাংশ লোহাই রয়েছে ওড়িশাতে। সারাদেশে যত পরিমাণে স্টিল উৎপাদন হয়, তার দশ শতাংশই আসে ওড়িশা থেকে। লোহার পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনেও উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে ওড়িশা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maulana Masood Azhar: হৃদরোগে আক্রান্ত জঙ্গি মাসুদ আজহার, ভর্তি হাসপাতালে

    Maulana Masood Azhar: হৃদরোগে আক্রান্ত জঙ্গি মাসুদ আজহার, ভর্তি হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মৌলানা মাসুদ আজহার (Maulana Masood Azhar) হৃদরোগে আক্রান্ত। বর্তমানে এই জঙ্গি নেতা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবারই তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে সংসদে জঙ্গি হামলার মূল ষড়যন্ত্রী ছিলেন মাসুদ আজহার (Maulana Masood Azhar)। আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে সূত্রের খবর। এরপরে তাঁকে তড়িঘড়ি পাকিস্তানের হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    করাচির কম্বাইনড মিলিটারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানে লুকিয়ে থাকার সময়েই তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। সেখানে থেকেই সড়কপথে তাঁকে দ্রুত পাকিস্তানে নিয়ে আসা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, তাঁকে করাচির কম্বাইনড মিলিটারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ইসলামাবাদ থেকে কার্ডিওলজিস্টরা গিয়েছেন মাসুদকে দেখতে। সূত্রের খবর, মাসুদকে (Maulana Masood Azhar) রাওয়ালপিন্ডির সবথেকে বড় সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

    ২০১৯ সালে মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গির তকমা দেয় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে দেশের সংসদে ভয়াবহ জঙ্গি (Jaish E Mohammed) হামলা হয়। এই হামলায় প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন মাসুদ (Maulana Masood Azhar)। বছর পাঁচেক আগে ২০১৯ সালে মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গির তকমা দেয় রাষ্ট্রসঙ্ঘ। তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্বের বহু দেশে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ভারতেও একাধিক মামলায় মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছে এই জয়েশ প্রধান। প্রসঙ্গত মাসুদ আজহারের জন্ম পাকিস্তানে, ১৯৬৮ সালে। শুধু সংসদ হামলা নয়, ভারতে অন্যান্য জঙ্গি হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িত রয়েছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের পাশাপাশি ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং ব্রিটেনে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন মাসুদ আজহার। ২০১৬ সালে পাঠানকোট হামলা, পরবর্তীকালে ২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গি হামলাতেও মাসুদ আজহারের নাম উঠে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share