Tag: madhyom news

madhyom news

  • Sandip Ghosh: ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করল আইএমএ

    Sandip Ghosh: ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করল আইএমএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) সাসপেন্ড করল চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (Indian Medical Association)। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাতেই এমন পদক্ষেপ করেছে আইএমএ। বুধবার আইএমএ-র তরফ থেকে সন্দীপের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আইএমএ জানিয়েছে, আরজি করে নির্যাতিতার পরিবার এবং অন্যান্য চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পরেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। আইএমএ-র মতে, ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’!

    নির্দেশিকায় কী জানাল আইএমএ?

    সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) কাছে যে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে আরজি করের ঘটনার পর স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে আইএমএ। আইএমএ-র সর্বভারতীয় সভাপতি আর ভি অশোকান একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। সেই কমিটির সদস্যরা আরজি করের নির্যাতিতার বাড়িতে যান এবং সেখানে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেন। সেই সময় নির্যাতিতার পরিবার আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বলে খবর। এর পাশাপাশি আইএমএ মনে করেছে, আরজি কর কাণ্ডে সন্দীপের (Sandip Ghosh) ভূমিকা মোটেও আশানুরূপ নয়। সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনের মতে, যেভাবে সন্দীপ গোটা বিষয়টি সামলানোর চেষ্টা করেছেন, তাতে যথেষ্ট সহানুভূতির অভাব ছিল। সন্দীপকে সাসপেন্ড করার আগে কেন্দ্রীয় আইএমএ পশ্চিমবঙ্গ শাখার পদাধিকারীদের সঙ্গেও কথা বলে। প্রসঙ্গত, সন্দীপ ঘোষ নিজে আইএম-এর কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ওই নির্দেশিকায় আইএমএ আরও জানিয়েছে, সন্দীপের বিরুদ্ধে সংগঠনেরই অনেক চিকিৎসক ক্ষুদ্ধ। সন্দীপ এই পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন বলেও অভিযোগ এনেছে আইএমএ। অনেকেই সন্দীপের শাস্তির দাবিও জানিয়েছে, এমনটাই জানা গিয়েছে আইএমএ-এর তরফে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সন্দীপকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএমএ।

    প্রথম থেকেই ক্ষোভ সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে

    প্রসঙ্গত, আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলনে নামেন। প্রথম থেকেই তাঁদের ক্ষোভ দেখা গিয়েছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। প্রথম দিন থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আন্দোলনের চাপে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) নিজে ইস্তফা দেন। সকালে ইস্তফা দেওয়ার পরে বিকেলে তাঁকে প্রাইজ পোস্টিং দেয় রাজ্য সরকার। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ করা হয়। আরজি কর কাণ্ড কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছালে সন্দীপ ঘোষকে প্রধান বিচারপতি লম্বা ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং ন্যাশনাল মেডিক্যালের দায়িত্ব থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মামলার তদন্তভার সিবিআই গ্রহণ করলে সন্দীপ ঘোষকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে থাকে। গত রবিবার তাঁর বাড়িতেও হানা দেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরই মাঝে আইএমএ (Indian Medical Association) সাসপেন্ড করল সন্দীপ ঘোষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযান! বড় কর্মসূচির ডাক দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযান! বড় কর্মসূচির ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দাবি এক- মমতার পদত্যাগ’, এই স্লোগানকে সামনে রেখেই এবার একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযানের ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ বুধবার, বন‍্‍ধ সফল করার আহ্বান জানিয়ে নন্দীগ্রামে বিরাট মিছিল করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (LoP West Bengal)। সেখানেই তিনি এই কর্মসূচির কথা জানান। তবে ঠিক কবে এমন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে তার দিনক্ষণ অবশ্য ঘোষণা করেননি নন্দীগ্রামের বিধায়ক। স্লোগান দিতে দিতে এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘‘দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। ছাত্রদের ওপর লাঠি চলল কেন? মমতা জবাব দাও। টিয়ার গ্যাসের শেল ছুড়লে কেন, মমতা জবাব দাও।’’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বন‍্‍ধ সর্বাত্মক। চারদিক শুনশান। এটা বিজেপির বন‍্‍ধ নয়, সাধারণ মানুষের বন‍্‍ধ। এই সরকারের সময় হয়ে এসেছে।’’

    মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    গতকাল মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযান কর্মসূচি নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ছাত্রদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও পথে নেমেছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, আজ বুধবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। এনিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘৭০ বছরের প্রবীণা আজকের সমাবেশে কী করতে যাবেন? উনি কি ছাত্রী?’’ শুভেন্দুর (LoP West Bengal) কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর জর্জিয়া ইউনিভার্সিটির ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়ো। ওঁর ভাইপো তথা ‘বাছুর’-এর এমবিএ ডিগ্রি ভুয়ো। তাঁরা আবার ছাত্র সমাবেশে কী বার্তা দেবেন?’’ শুভেন্দুর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিঙ্গুরে তাঁকে টেনে বের করা সুপ্রতিম সরকারকে এখন কলকাতার নগরপাল করতে চাইছেন। সে কারণে বিনীত গোয়েল যে কোনওভাবে মমতাকে তুষ্ট রাখতে চাইছেন।’’

    ভাটপাড়াতে গুলি চলল কেন, মমতা জবাব দাও

    অপর দিকে, বাংলা বন‍্ধের মধ্যেই ভাটপাড়ায় গুলি চলে। কানে গুলি লাগে এক ব্যক্তির। এই ঘটনাতেও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জবাব চাইলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ভাটপাড়াতে গুলি চলল কেন, মমতা জবাব দাও।’’ এরপরেই ফের স্লোগান তুললেন, ‘‘জনতা রাজপথে, তৃণমূল হুঁশিয়ার।’’ পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের হয়ে যাঁরা নবান্ন চলো কর্মসূচি নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম সায়ন লাহিড়িকে মঙ্গলবার একটি নিউজ চ্যানেলের অফিসের বাইরে থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এনিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘সায়নের পাশে আমরা আছি। সায়নের পরিবার আদালতে গিয়েছে। চার ছাত্রকে গতকাল মুক্তি দিয়েছে। তবে অ্যারেস্ট মেমো বা ওয়ারেন্ট দেখাতে হবে, কেন গ্রেফতার করা হয়েছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: গৃহবন্দি সজল ঘোষ, বাড়ি ঘিরে বিশাল পুলিশ বাহিনী, পাল্টা পাহারা মহিলাদের

    BJP Bangla Bandh: গৃহবন্দি সজল ঘোষ, বাড়ি ঘিরে বিশাল পুলিশ বাহিনী, পাল্টা পাহারা মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন‍্ধের দিন (BJP Bangla Bandh) সকাল থেকেই বিজেপি নেতা সজল ঘোষের (Sajal Ghosh) বাড়ি ঘিরে রাখল বিশাল পুলিশ বাহিনী। বুধবার সকাল থেকে বন‍্ধের সমর্থনে সজল ঘোষ নিজের এলাকায় মিছিল শুরু করেন। এই সময়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এরপরে সজল ঘোষ বাড়িতে চলে যান। তারপরেই তাঁর বাড়ি ঘিরে ধরে বিশাল পুলিশ বাহিনী। অন্যদিকে, সজল ঘোষের এলাকার মহিলারা পাল্টা বাড়ির সামনে পাহারা দিতে শুরু করেন, যাতে বিজেপি নেতাকে পুলিশ তুলতে না পারে।

    কী বলছেন সজল ঘোষের পাড়ার মহিলা?

    সজল ঘোষের সপক্ষে দাঁড়ানো এক মহিলা বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘আমাদের একজন মহিলা বন্ধুকে যেমন হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে নিয়ে গেল, ঠিক একইভাবে সজল ঘোষকেও একবার হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। আমাদের ওপর দিয়ে সজল ঘোষকে (Sajal Ghosh) নিয়ে যেতে হবে।’’ সজল ঘোষের বাড়ির সামনে হাজির হন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও। সজল ঘোষের বাড়ির বাইরে এত পুলিশ নিয়ে ইতিমধ্যে উঠতে শুরু করছে প্রশ্নও। কেউ কেউ বলছেন, এই পুলিশই আরজি করে সক্রিয় থাকলে এমন কাণ্ড হত না।

    কী বলছেন সজল ঘোষ?

    এই পরিস্থিতিতে ঘরে আটকা পড়া সজল বলেন, ‘‘আমি চাই পুলিশ এখানে থাকুক। আমাদের আন্দোলনকারীরা বাকি জায়গায় আন্দোলন করুক। আমাকে যা করার করুক। দরজা ভেঙে নিয়ে যাক না। পালিয়েছি নাকি? আমি চাইলে এখনও পালাতে পারি। কিছু করতে পারবে না। কিন্তু, পালাব না।’’

    বুধবার সকালের ঘটনা (BJP Bangla Bandh) 

    আজ বুধবার সকালে সজল ঘোষ বের হন বন‍্ধের সমর্থনে। দোকানদারদের উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘দাদা আজ বন‍্‍ধ’, ‘বাকি দিনগুলি ভালো কাটাতে গেলে একটা দিন কষ্ট করতে হবে’। এক মিষ্টির দোকানেও ঢুকতে দেখা যায় সজলকে। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘এই লড়াই আমার একার নয়। এই লড়াই সবার।’’ এই সময় হঠাৎ করেই দেখা যায় একদল তৃণমূল কর্মী সমর্থক এসে ঝামেলা শুরু করেন, ‘বন‍্‍ধ কীসের?’, ‘কোনও বন‍্‍ধ হবে না’, ইত্যাদি বলতে শুরু করেন। এরপরেই তাঁরা বিজেপির (BJP Bangla Bandh) মিছিলে ঝাঁপিয়ে পড়েন বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP Bangla Bandh: ওভারহেড তারে কলাপাতা, লাইন অবরোধ সমর্থকদের, বিজেপির বন‍্ধে থমকে রেল

    BJP Bangla Bandh: ওভারহেড তারে কলাপাতা, লাইন অবরোধ সমর্থকদের, বিজেপির বন‍্ধে থমকে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে বন‍্ধের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। দিকে দিকে রেল অবরোধে সামিল হয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা (BJP Bangla Bandh)। একাধিক স্টেশনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ট্রেনের ওভারহেডের তারে কলাপাতা ফেলে ট্রেন চলাচল বন্ধ করার চেষ্টা করেন। হুগলি, কাটোয়া, শিয়ালদা দক্ষিণ, মুর্শিদাবাদ, কৃষ্ণনগর— এই সমস্ত জায়গাগুলিতে ট্রেন চলাচলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিজেপির বন‍্ধের ফলে অনেক জায়গাতে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছে লোকাল ট্রেন।

    হুগলিতে রেল লাইনে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক বিজেপি কর্মী 

    বুধবার সকালেই (BJP Bangla Bandh) হুগলি স্টেশনে অবরোধ শুরু করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ব্যান্ডেল-হাওড়া লোকাল অবরোধ করেন তাঁরা। রেল লাইনে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক বিজেপি কর্মী। চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ অবরোধ তোলার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ টেনে হিঁচড়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়। ১ ঘণ্টা পরে অবরোধ ওঠে। অন্যদিকে, হিন্দমোটর স্টেশনে অবরোধে বসে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। রেল লাইনে বসেই তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ট্রেন চলাচল আটকাতে ওভারহেড তারে কলাপাতা ছুড়ে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি বন‍্ধের সমর্থনে জনগণকে আজ রাস্তায় না বেরনোর আবেদনও জানান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পুরুলিয়া রেল স্টেশনে লাইনের ওপরে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে দলের পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

    বারাকপুর ও মুর্শিদাবাদে রেললাইনে অবরোধ

    অন্যদিকে, বারাকপুর স্টেশনেও বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীরা অবরোধ শুরু করেন। দলের নেতা কৌস্তভ বাগচীকে দেখা যায় রেললাইন ধরে হাঁটতে, তাঁর কাঁধে ছিল বিজেপির পতাকা (BJP Bangla Bandh)। পরে এখানেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মুর্শিদাবাদ জেলাতেও ট্রেন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। সাত সকালেই অবরোধ শুরু হয় জিয়াগঞ্জ স্টেশনে। মুর্শিদাবাদ স্টেশনেও একই চিত্র দেখা যায়। এর পাশাপাশি বহরমপুর স্টেশনেও অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা।

    সোনারপুরে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি বিজেপির (BJP Bangla Bandh)

    অন্যদিকে, সোনারপুরেও ট্রেন অবরোধ করে বিজেপি। সোনারপুরে রেল লাইনের উপর শুয়ে পড়েন পদ্ম-কর্মীরা। জোর করে অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এই ঘটনায় কমপক্ষে ১৫জন বিজেপি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরে সোনারপুর থানাতেও বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি বেধে যায়। কৃষ্ণনগরেও রেললাইনে নেমেও বিক্ষোভ দেখাত থাকেন বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা। এরফলে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন পরিষেবা।

    লক্ষীকান্তপুর লাইনের একাধিক স্টেশনে ওভারহেডের তারে কলাপাতা ফেলে দেন বন‍্‍ধ সমর্থকরা

    বীরভূম জেলার রামপুরহাট স্টেশনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রেল অবরোধ শুরু করেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার লক্ষীকান্তপুর লাইনের একাধিক স্টেশনে ওভারহেডের তারে কলাপাতা ফেলে দেন বন‍্‍ধ সমর্থকরা। যার জেরে ওভারহেডের তারের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হয়। অন্যদিকে, বনগাঁ হাওড়া-ব্যান্ডেল-কাটোয়া শাখায় রেল পরিষেবা ব্যাহত হয় সকাল থেকেই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা স্টেশনে রেল অবরোধ করেন। বসিরহাট স্টেশনেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা সকাল থেকেই অবরোধ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    BJP Bangla Bandh: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানে পুলিশি সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাজ্যে আজ ১২-ঘণ্টার বন‍্‍ধ ডেকেছে বিজেপি। সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই একদিকে যেমন বন‍্ধের সমর্থনে ব্যাপক সাড়া দেখা গিয়েছে, তেমনই বন‍্‍ধ সমর্থনকারী ও পুলিশ এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের খবরও আসছে।

    জেলায় জেলায় বিক্ষোভ-অবরোধ বিজেপির

    জেলায় জেলায় বিক্ষোভ-অবরোধে সামিল বিজেপি কর্মীরা। এরই মধ্যে পুরাতন মালদায় বন্‌ধকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশের সামনেই হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় তৃণমূল-বিজেপি সমর্থকদের। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও, তাদের কার্যত হিমশিম খেতে হয়। দুই দলের কর্মীদের মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায়। কোচবিহারে বনধ পালন করতে গিয়ে আটক করা হয় দুই বিজেপি বিধায়ক তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় ও কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে-কে। বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বন্‌ধের সমর্থনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা পিকেটিং করেন। গ্রেফতার করা হয় বালুরঘাট টাউন বিজেপির সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্তকে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বন্‌ধের প্রভাব পড়েছে রাজ্যজুড়ে স্থানীয় বাজারগুলিতেও। বন্ধ দোকানের ঝাঁপ। 

    ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    বুধবার সকাল থেকেই ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায়। লক্ষ্মীকান্তপুর লাইনের একাধিক স্টেশনে ওভারহেড তারে কলাপাতা ফেলে দেন বন‍্‍ধ সমর্থকেরা। যার জেরে রেলের ওভারহেড তারের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে পড়ে শিয়ালদা থেকে লক্ষ্মীকান্তপুর, কাকদ্বীপ, নামখানাগামী ট্রেন চলাচল। বিজেপির (BJP) কর্মী সমর্থকরা বনগাঁ স্টেশনেও রেল অবরোধ করেন। অবরোধ করা হয় কৃষ্ণনগর স্টেশনেও  (BJP Bangla Bandh)।

    রানাঘাটের বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকারের নেতৃত্বে একাধিক রেল স্টেশনে অবরোধ শুরু করেন বন্‌ধ সমর্থকেরা (BJP Bangla Bandh)। এখানেও শাসক দলের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। মুর্শিদাবাদ জেলারও বেশ কয়েকটি স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। মুর্শিদাবাদ স্টেশনেও ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেন পদ্ম শিবিরের কর্মীরা। বহরমপুরেও বন্‌ধের প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট। উত্তরবঙ্গের বালুরঘাটে বুধবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়।

    বন্‌ধের প্রভাব কলকাতায়

    অন্যদিকে, ভবানীপুরে বনধ পালন করতে হাজির বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। যদুবাবুর বাজারে এক পুলিশ কর্তার সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেত্রী।  টালা ব্রিজে বন‍্‍ধ সফল করতে অবরোধ শুরু কেন বিজেপি কর্মীর। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের তরফে রাজ্য সরকারের খাদ্য ভবনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। বন‍্‍ধ সফল করতে সরকারি কর্মচারীদেরকে কাজে যোগদান না করার কথা বলা হয় বিজেপির তরফে। ধর্মতলায় মেট্রো বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টাও করেন বিজেপি কর্মীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 115: “একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে প্রয়োজন নাই”

    Ramakrishna 115: “একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে প্রয়োজন নাই”

    সার্কাস রঙ্গালয়েগৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীযুক্ত মনোমোহন ও শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রের বাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণ

    পরের পরিবারে (১৯ শে নভেম্বর ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ) জগদ্ধাত্রীপূজা, সুরেন্দ্র নিমন্ত্রণ করিয়াছেন। তিনি ঘর বাহির করিতেছেন—কখন ঠাকুর (Ramakrishna) আসেন। মাস্টার দেখিয়া তিনি বলিতেছেন (Kathamrita), তুমি এসেছ, আর তিনি কোথায়? এমন সময় ঠাকুরের গাড়ি আসিয়া উপস্থিত। কাছে শ্রীযুক্ত মনোমোহনের বাড়ি, ঠাকুর প্রথমে সেখানে নামিলেন, সেখানে একটু বিশ্রাম করিয়া সুরেন্দ্রের বাড়িতে আসিবেন।

    মনোমোহনের বৈঠকখানায় ঠাকুর বলিতেছেন, যে আকিঞ্চন যে দীন তাঁর ভক্তি ঈশ্বরের প্রিয় জিনিস। খোল মাখানো জাব যেমন গরুর প্রিয়! দুর্যোধন অত টাকা অত ঐশ্বর্য দেখাতে লাগল; কিন্তু তার বাটিতে ঠাকুর গেলেন না। তিনি বিদুরের বাটি গেলেন। তিনি ভক্তবৎসল, বৎসরের পাছে যেমন গাভী ধায় সেইরূপ তিনি ভক্তের পাছে পাছে যান।

    ঠাকুর (Ramakrishna) গান গাহিতেছেনঃ

    যে ভাব লাগি পরম যোগী, যোগ করে যুগ-যুগান্তর।

    হলে ভাবের উদয় লয় সে যেমন লোহাকে চুম্বক ধরে।

    চৈতন্যদেবের কৃষ্ণনামে অশ্রু পড়ত। ঈশ্বরই বস্তু, আর সব অবস্তু। মানুষ মনে করলে ঈশ্বরলাভ করতে পারে। কিন্তু কামিনী-কাঞ্চন ভোগ করতেও মত্ত। মাথায় মাণিক রয়েছে তবু সাপ ব্যাঙ খেয়ে মরে!

    ভক্তিই সার। ঈশ্বরকে (Ramakrishna) বিচার করে কে জানতে (Kathamrita) পারবে। আমার দরকার ভক্তি। তাঁর অনন্ত ঐশ্বর্য অত জানবার কি দরকার? এক বোতল মদে যদি মাতাল হই শুড়ির দোকানে কত মন মদ আছে, সে খবরে আমার কি দরকার? একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে আমার প্রয়োজন নাই।

     

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট’ কি সব হাসপাতালেই সক্রিয়? কাদের দাপটে চলছে এই সিন্ডিকেট?

    RG Kar: ‘স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট’ কি সব হাসপাতালেই সক্রিয়? কাদের দাপটে চলছে এই সিন্ডিকেট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ ছড়িয়েছে সর্বত্রই! অন্তত এমনই অভিযোগ তুলছে রাজ্যের চিকিৎসক মহল। দুর্নীতির শিকড় (Health Syndicate) নাকি গভীরে পৌঁছে গিয়েছে! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতাল ব্যতিক্রম নয়, রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই চলছে এমন দুর্নীতি। এমন অভিযোগ তুলেই সরব হয়েছে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ। আর তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক কলেজ কাউন্সিল অভিযুক্ত চিকিৎসক ও পদাধিকারীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে! এমনটাই জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট কী?

    রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজেই এক অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে। কলেজের হস্টেলে ঘর পাওয়া থেকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার অনুমতি, এমনকী পাশ করানোর ক্ষেত্রেও দুর্নীতির এই চক্র সক্রিয় থাকে। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা না করলে পড়ুয়াদের পাশ করানো হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হয়। পাশপাশি অভিযোগ, ইন্টার্ন কিংবা হাউজ স্টাফদের হুমকি দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা না দিলে ওই পড়ুয়ার এমবিবিএস সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া হবে। এমনকী এমবিবিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেরও ‘দাম’ নির্ধারিত রয়েছে। মেডিক্যাল পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্দিষ্ট দাম দিতে পারলে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া যায়। এমনকী পরীক্ষার সময়ে অবাধে বই দেখে লেখার সুযোগও পাওয়া যায়।

    কাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ?

    সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, রাজ্যের কয়েকজন প্রভাবশালী চিকিৎসক এই স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের মাথায় রয়েছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস হাসপাতাল, এমনকী খোদ স্বাস্থ্য ভবনেও রাজ্যের শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু চিকিৎসকের ছবি দিয়ে পোস্টার আটকেছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, ওই চিকিৎসক নেতাদের অঙ্গুলি হেলনেই রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য দুর্নীতি চলছে। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য এবং বারাসত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল এবং রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা সুদীপ্ত রায়, শাসক ঘনিষ্ঠ এই তিন চিকিৎসক রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে নানান অসাধু চক্র চালাচ্ছেন।

    কেন উঠছে অভিযোগ?

    আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর পরেই রাজ্যের চিকিৎসক মহল সরব হয়। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার পাশপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্য দুর্নীতি নিয়েও নানান অভিযোগ উঠছে। নির্যাতিতার মৃত্যুর (RG Kar) পিছনে এই দুর্নীতির সঙ্গে আপস না করার কারণও থাকতে পারে বলে মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষের দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। 
    আর তার সঙ্গেই জোরালো হচ্ছে রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালেও দুর্নীতির আঁতুরঘরের অভিযোগ। সম্প্রতি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে সরব হন পড়ুয়া ও চিকিৎসকদের একাংশ। এরপরেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ওই হাসপাতালের আরও তিনজন চিকিৎসক-শিক্ষকের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের হেনস্থা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওঠে। এরপরেই দ্রুত কলেজ কাউন্সিলের তরফে ওই তিন জন চিকিৎসক-শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত কলেজের কোনও কাজ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজেও পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে নানান অভিযোগ উঠছে। অসৎ উপায়ে পরীক্ষা নেওয়া এবং পাশ করানোর অভিযোগও উঠেছে। যদিও ওই কলেজ কর্তৃপক্ষ এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। আর এই সব ঘটনার জেরেই জোরালো হচ্ছে রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযুক্তরা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে মূলত তিনজন চিকিৎসকের নাম বারবার সামনে আসছে। এই নিয়ে অবশ্য স্বাস্থ্য ভবন মুখ খুলতে চায়নি। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের (Health Syndicate) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এই বিষয়ে কিছুই বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন। আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সুহৃতা পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনের উত্তর দেননি। সুদীপ্ত রায় অবশ্য জানান, তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ansarullah Bangla Team: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    Ansarullah Bangla Team: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে (Bangladesh) কোটা বিরোধী আন্দোলনের চাবিকাঠি জামাত-বিএনপির হাতে চলে যায়। গত ৫ অগাস্ট দখল হয়ে যায় গণভবন। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন। আশ্রয় নেন ভারতে। হাসিনার পদত্যাগের পরেই সেদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কট্টর ইসলামপন্থীরা। আওয়ামি লিগের সরকার যেসব জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল, এখন তাদেরই মুক্ত করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এবার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জামিনে কারামুক্ত হলেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (Ansarullah Bangla Team) প্রধান মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি। সোমবার দুপুরেই কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁকে মুক্তি দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জানা গিয়েছে, মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানির আদি বাসস্থান বরগুনা সদর থানার খাজুরতোলা গ্রামে। এই কট্টর ভারত-বিরোধী জঙ্গিদের প্রত্যেকেরই লক্ষ্য হল এদেশে নাশকতার কাজ চালানো। প্রতিবেশী দেশে ভারত বিরোধী জঙ্গিদের মুক্তি এদেশের কাছে উদ্বেগের বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    নাম জড়ায় খাগড়াগড় বিস্ফোরণে (Ansarullah Bangla Team)

    জানা যায়, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের যে ওয়েবসাইট সার্ভার ছিল, তা চলত পাকিস্তান থেকে। ২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ড ঘটে। এই ঘটনাতে উঠে আসে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নাম এবং তাদের যোগ থাকার প্রমাণ পায় ভারতের গোয়েন্দারা। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে যে আল-কায়েদার ঘাঁটিতে পৌঁছে সশস্ত্র প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন জসিমউদ্দীন। এর পরে দেশে ফিরে ২০০৩ সাল থেকেই তিনি উগ্র ইসলামিক মতাদর্শের প্রচার শুরু করেন।

    কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিল এই জঙ্গি

    কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের আধিকারিক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মুফতি জসিমউদ্দিন রাহমানি সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জামিন পেয়েছেন। জামিনের কাগজপত্র যাচাই করার পরই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ওই মামলায় গত রবিবার ২৫ অগাস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পান তিনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে করা আরও তিনটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ব্লগার হত্যায় নাম জড়ায় (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পল্লবী থানার পলাশনগরে নিজের বাড়ির সামনে ব্লগার রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নাম জড়ায় জসিমউদ্দিন রাহমানির। ২০১৩ সালের ১২ অগাস্ট বরগুনা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত। এছাড়াও আসিফ মহিউদ্দিন, অভিজিৎ রায়, ওয়াসিকুর রহমান, অনন্ত বিজয় দাস, শফিউল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন ব্লগারকে খুনের ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিল আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (Ansarullah Bangla Team)। ২০১৫ সালের মে মাসে, বাংলাদেশ সরকার সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে।

    ভারতেও নাশকতা চালাতে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম সক্রিয় ছিল

    ভারতেও নাশকতা চালাতে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম সক্রিয় ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এদেশে অনুপ্রবেশের সময় অসমে পাঁচজন এই সংগঠনের জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২২ সালের জুলাই মাসে, অসমে এই জঙ্গি সংগঠনের দুটি মডিউলকে ভাঙা হয়েছিল। আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) এবং ইসলামিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল কায়েদার যোগসূত্রের একাধিক প্রমাণও মিলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Unified Lending Interface: সহজেই মিলবে ঋণ! ইউপিআইয়ের পর আসছে ইউএলআই

    Unified Lending Interface: সহজেই মিলবে ঋণ! ইউপিআইয়ের পর আসছে ইউএলআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছে। দুনিয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই এখন ইউপিআইয়ের সুবিধা মেলে। এই সিস্টেমের পাশাপাশি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নিয়ে আসছে ইউএলআই (Unified Lending Interface)। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস নিজে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে এই খবরের সত্যতায় সিলমোহর দিয়েছেন। এই নতুন পরিষেবায় সহজেই মিলবে ঋণ।

    ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস (Unified Lending Interface) আসলে কী?

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বেঙ্গালুরুতে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ইমার্জিং টেকনোলজিস সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে তাঁর ভাষণে ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস  (Unified Lending Interface) কী, তা খুব সহজে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাষণ অনুযায়ী, আরবিআই সমস্যামুক্ত ঋণের জন্য ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস (ইউএলআই) প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের একটি পাইলট প্রকল্প চালাচ্ছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী ঋণ অনুমোদন ব্যবস্থাকে সুবিন্যস্ত করা হবে যাতে খুব অল্প সময়ে মানুষকে ঋণ দেওয়া যায় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে স্বল্প পরিমাণের ঋণগ্রহীতাদের অনেক উপকার হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস  (Unified Lending Interface) কবে আসছে বাজারে

    আরবিআই গভর্নর ইউনিফাইড লেন্ডিং ইন্টারফেস চালু হওয়ার বিষয়ে বলেন, শীঘ্রই সারা দেশে ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস (ইউএলআই) চালু করা হবে। শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, ইউপিআই পেমেন্ট সিস্টেম যেভাবে পুরো ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে একটি বড় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে, একইভাবে ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস ভারতের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কৃষি ও এমএসএসই সেক্টরের যাঁরা ঋণ নিতে চান তাঁরা অনেক উপকৃত হবেন 

    শক্তিকান্ত দাস আরও জানিয়েছেন- এই প্ল্যাটফর্মে একাধিক ডেটা প্রদানকারীর সঙ্গে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিও বিভিন্ন রাজ্যের জমির রেকর্ড থাকবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও গ্রামীণ এলাকায় সহজে এবং কম সময়ে ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণগ্রহীতারা ক্রেডিট নির্বিঘ্নে ডেলিভারি পাবেন এবং বেশি ডকুমেন্টেশন বা অন্যান্য জটিল প্রক্রিয়া  থেকে মুক্তি পাবেন। আরবিআই গভর্নর বলেছেন, ‘‘ইউনিফায়েড লেন্ডিং ইন্টারফেস সেই সব সেক্টরকে উপকৃত করবে যেখানে এখনও ঋণের চাহিদা মেটানো হয়নি। বিশেষ করে কৃষি ও এমএসএসই সেক্টরের যাঁরা ঋণ নিতে চান তাঁরা অনেক উপকৃত হবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chickpeas Benefits: সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা! নিমেষেই কাবু কোন কোন রোগ?

    Chickpeas Benefits: সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা! নিমেষেই কাবু কোন কোন রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস জল। আর ঠিক তার পরেই রাতের ভেজানো ছোলা। এই খাবার খেয়েই কি দিন শুরু করেন? তাহলে কিন্তু একাধিক রোগকে সহজেই কাবু করা সম্ভব! পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, ছোলার একাধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। তার উপরে খালি পেটে ভেজা ছোলা (Chickpeas Benefits) খেলে আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়। এবার দেখে নেওয়া যাক, নিয়মিত ভিজে ছোলা খেলে কোন রোগকে কাবু করা সম্ভব?

    স্থূলতা কাবু সহজেই (Chickpeas Benefits)

    সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা খেলে স্থূলতা সহজেই কাবু হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। পাশপাশি ছোলায় গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই অল্প পরিমাণ ছোলা খেলেও পেট ভরে যায়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কমে (Empty Stomach)। স্থূলতার সমস্যাকেও সহজেই এড়ানো যায়।

    কাবু ডায়াবেটিসও

    ছোলা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ভেজানো ছোলায় থাকে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফাইবার। এর জেরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এর জেরেই টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। তাই নিয়মিত ছোলা (Chickpeas Benefits) খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ যেমন কমে, তেমনি ডায়াবেটিস আক্রান্তরাও নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে তাঁদের সহজেই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মহিলাদের আয়রনের ঘাটতির সমস্যা বেশি দেখা যায়। এর জেরে শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়‌। শরীর দুর্বল হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। আয়রনের ঘাটতির জেরে কার্যক্ষমতাও কমে। নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে (Empty Stomach) আয়রনের ঘাটতি সহজেই পূরণ হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, গর্ভবতী মহিলারা এবং সদ্যোজাতের মায়েরা নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে বাড়তি উপকার পাবেন‌। অ্যানিমিয়ার ঝুঁকিও কমবে।

    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে (Chickpeas Benefits)

    ভেজানো ছোলা সকালে নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ছোলায় থাকে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের মতো খনিজ। এই ধরনের উপাদান হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে‌।

    চুল ও ত্বকের সমস্যা কমে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ভেজানো ছোলায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমায়। হজম শক্তি বাড়ায়। এর ফলে চুল ও ত্বকের সমস্যা কমে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, হজমের গোলমালের জেরেই অধিকাংশের চুল ও ত্বকের সমস্যা হয়। শরীরে নানান রকম অ্যাসিড তৈরি হয়। তার ফলেই ত্বকে নানান সমস্যা হয়‌। চুল পড়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই নিয়মিত ছোলা (Chickpeas Benefits) খেলে এই ধরনের সমস্যা কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share