Tag: madhyom news

madhyom news

  • Ramakrishna 538: “পাড়ার ছেলে-বুড়ো সকলেই ঠাকুরের আগমন সংবাদ শুনিয়া ব্যস্ত”

    Ramakrishna 538: “পাড়ার ছেলে-বুড়ো সকলেই ঠাকুরের আগমন সংবাদ শুনিয়া ব্যস্ত”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    গণুর মার বাড়িতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    গণুর মার বাড়ির বৈঠকখানায় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বসিয়া আছেন। ঘরটি একতলায়, ঠিক রাস্তার উপর। ঘরের ভিতর ঐকতান বাদ্যের (Concert) আখড়া আছে। ছোকরারা বাদ্যযন্ত্র লইয়া ঠাকুরের প্রীত্যর্থে মাঝে মাঝে বাজাইতেছিল।

    রাত সাড়ে আটটা। আজ আষাঢ় মাসের কৃষ্ণা প্রতিপদ। চাঁদের আলোতে আকাশ, গৃহ, রাজপথ সব যেন প্লাবিত হইয়াছে। ঠাকুরের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তেরা আসিয়া ওই ঘরে বসিয়াছেন।

    ব্রাহ্মণীও সঙ্গে সঙ্গে আসিয়াছেন। তিনি একবার বাড়ির ভিতর যাইতেছেন, একবার বাহিরে আসিয়া বৈঠকখানার দরজার কাছে আসিয়া দাঁড়াইতেছেন। পাড়ার কতকগুলি ছোকরা বৈঠকখানার জানলার উপর উঠিয়া ঠাকুরকে দেখিতেছে। পাড়ার ছেলে-বুড়ো সকলেই ঠাকুরের আগমন সংবাদ শুনিয়া ব্যস্ত হইয়া মহাপুরুষ(Ramakrishna) দর্শন করিতে আসিয়াছেন।

    জানলার উপর ছেলেরা উঠিয়াছে দেখিয়া ছোট নরেন বলিতেছেন, “ওরে তোরা ওখানে কেন? যা, যা বাড়ি যা।” ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ সস্নেহে বলিতেছেন (Kathamrita), “না, থাক না, থাক না।”

    ঠাকুর মাঝে মাঝে বলিতেছেন, “হরি ওঁ! হরি ওঁ!”

    শতরঞ্জির উপর একখানি আসন দেওয়া হইয়াছে, তাহার উপর শ্রীরামকৃষ্ণ বসিয়াছেন। ঐকতান বাদ্যের ছোকরাদের গান গাহিতে (Kathamrita) বলা হইল। তাহাদের বসিবার সুবিধা হইতেছে না, ঠাকুর তাঁহার নিকটে শতরঞ্জিতে বসিবার জন্য তাহাদের আহ্বান করিলেন।

  • PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর আবহে শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন নদিয়ার রানাঘাটের তাহেরপুরের মাঠে জনসভা করবেন। তাহেরপুরের এই জনসভা অপারেশন সিঁদুরের পর আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর এবং দমদমের সভার পর চতুর্থ সভা হতে চলেছে। এই সভা থেকে বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এসআইআরের আবহ। তার ওপর বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই মতুয়া সমাজের ভোটকে বিজেপির খাতায় সম্পূর্ণ ভাবে আনতে এদিনের সভা গুরুত্বপূ্র্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দলের তরফে সভাকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে সফর সূচি।

    একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন

    ঘোষিত সময় সূচি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সকালে দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র (PM Modi) মোদি বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে যাত্রা শুরু করবেন। সকাল ১০টায় কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে যাবেন। এরপর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে ১১টা ০৫ মিনিটে রানাঘাটের (Nadia) হ্যালিপ্যাডে নামবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছে যাবেন। সেখানে ১১টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এই অনুষ্ঠানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছাবেন। ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত জনসভায় বক্তৃতা দেবেন। সভা শেষ করে আবার হ্যালিপ্যাডে পৌঁছাবেন এবং এরপর হেলিকপ্টারে করে কলকাতা বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর বায়ুসেনার বিমানে করেই তিনি রওনা দেবেন অসমের গুয়াহাটির উদ্দেশে।

    এসআইআর ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে

    তবে রাজ্য বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) সমানে রেখে নির্বাচনী কৌশল ঠিক করছে। নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা (Nadia) বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তু নাগরিকদের নাগরিকত্ব এবং ভোটাধিকার নিয়ে দিতে পারেন সদর্থক বার্তা। তাই এসআইআর, সিএএ, অনুপ্রবেশ, হিন্দু সুরক্ষা, জনবিন্যাস পরিবর্তন বিষয়ে প্রধান চুম্বক থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Bangladesh: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ইউনূসের বাংলাদেশে! ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ বিজেপির

    Bangladesh: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ইউনূসের বাংলাদেশে! ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু যুবককে (Hindu Youth Brutally Murder) খুন করে কার্যত গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে বীভৎস ভাবে পুড়িয়ে হত্যার ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছে বিজেপি। ভারত বিরোধী ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রীতিমতো গোটা দেশে উত্তাল হয়ে উঠেছে। পদ্মাপারের সোনার বাংলা এখন রক্তাক্ত বাংলায় পরিণত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন দেশে এখন গৃহযুদ্ধ লেগেছে। ঢাকা থেকে হিংসার আগুন এখন জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। টার্গেট করা হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দু এবং সাংবাদিকদের। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন ফেবুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করেছে। তাই হাসিনাকে টার্গেট করে অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগী দলগুলি এবং কট্টর মৌলবাদী সংগঠনগুলি ভারত বিরোধিতার সুর চরম পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইছে। তাই হিংসার ঘটনা বেলাগাম ভাবে পরিকল্পনা করে ঘটানো হচ্ছে। মহম্মদ ইউনূস আইন শৃঙ্খলাকে ইচ্ছে করেই বেলাগাম করেছেন, এমনটাই মনে করছে বিজেপি।

    কট্টর মৌলবাদের দাপাদাপি (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশের (Bangladesh) একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে ময়মনসিংহে এক হিন্দু ধর্মের যুবককে পিটিয়ে প্রথমে নৃশংস ভাবে হত্যা (Hindu Youth Brutally Murder) করা হয়। এরপর মৃতদেহকে গাছের ডালে ঝুলিয়ে পাশবিক ভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই নির্মম হত্যার পিছনে স্থানীয় উন্মত্ত জনতার প্রত্যক্ষ হাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভালুকা থানার ডিউটি অফিসার রিপন মিয়া। এই অমানবিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আবার উপস্থিত জনতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরালও করেছে। ফলে কট্টরপন্থীদের সাফ বার্তা, এটা কোনও সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়, তার ভয়াবহতা এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। লক্ষ্য একটাই হিন্দুদের উপর হত্যালীলা যত বাড়বে কট্টর মৌলবাদ তত সুনিশ্চিত ভাবে নতুন নির্বাচিত সরকারে প্রতিষ্ঠা পাবে। আর তাই এই নির্মম হত্যাকাণ্ড!

    মৃত যুবকের নাম দীপু চন্দ্র দাস

    এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি আইটি সেলের নেতা অমিত মালব্য। বাংলাদেশে শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু যুবকদের জীবন কতটা বিপজ্জনক, তা খুব স্পষ্ট করে বলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “মৃত যুবকের নাম দীপু চন্দ্র দাস (Hindu Youth Brutally Murder)। তিনি একটি পোশাকের করখানায় কাজ করতেন।” তবে এখন হাসিনা (Bangladesh) এবং ভারত বিরোধী উন্মত্ত জনতার রোষের শিকার শুধু একজন হিন্দু যুবকই হননি। কট্টর মৌলবাদীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন বহু মুক্তমনা সাংবাদিকেরাও। প্রথম আলো, দ্যা ডেইলি স্টার সংবাদ মাধ্যমকের অফিস কার্যত তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কোনও ক্রমে পালিয়ে বেঁচেছেন মহিলা সাংবাদিকরা। পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ রূপ নেয় যে শুক্রবারের সংস্করণও প্রকাশিত হয়নি। কার্যত সবটা মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন এক বদ্ধভূমিতে পরিণত হয়েছে কট্টরপন্থীদের দৌরাত্মে।

    ভোটে জিততেই কি হত্যাকাণ্ড?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট একদিনে হবে এই কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। ঠিক তার পরে পরেই দেশে চরম অশান্তির বাতাবরণের পরিস্থিতি। তবে মূল সূত্রপাত অবশ্য হয়েছে গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট। যেদিন কট্টরপন্থীরা গণভবন দখল করেছিল। হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। মহম্মদ ইউনূস এই সব কিছুর মাস্টার মাইন্ডদের কথা বারবার প্রকাশ্যে বলেছেন। আইএসআই, সিএমএম এবং সিআইএ-এর প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কট্টর ভারত বিরোধী নেতা হাদি নির্বাচনী প্রচারে নানা ভাবে উস্কানি দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল আওয়ামিলীগের। গত ১২ ডিসেম্বর ই-রিকশাতে চেপে যাচ্ছিলেন। আচমকা সেই সময় দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতলে এরপর সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর নেমে পড়ে কট্টরপন্থীরা। বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয় হামলা, অগ্নি সংযোগ এবং হত্যাকাণ্ড। শুক্রবারও তাণ্ডবের ধারা অব্যাহত ঢাকাজুড়ে।

    গৃহযুদ্ধ

    অপরদিকে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) এখন গৃহযুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চর্চার পীঠস্থান ছায়ানটে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছে। সব কিছুকে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। ‘নাড়ায়ে তাকবির আল্লা হো আকবর’ স্লোগান দিয়ে একের পর এক ভবনে ভাঙচুর চলছে।” যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস মুখে ‘প্রথম আলো’ বা ‘দ্যা ডেইলি স্টার’ সংবাদ মাধ্যমের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু দেশের আইন শৃঙ্খলা যে তালানিতে ঠেকেছে তা দেখতে পাচ্ছেন না। মুখে তা নিয়ে অবশ্য কোনও রা নেই। একই ভাবে লাগাতার ভারতীয় উপ-হাইকমিশনারের অফিসে লাগাতার হামলার ঘটনায় সতর্ক বাণীও বলতে শোনা যায়নি। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত পদ্মার জল এখন কোন পথে গড়ায় তাই এখন দেখার।

  • Bangladesh: কট্টরপন্থী হাদির মৃত্যুর পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, হামলা ভারতীয় উপদূতাবাসেও! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চুপ ইউনূস

    Bangladesh: কট্টরপন্থী হাদির মৃত্যুর পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, হামলা ভারতীয় উপদূতাবাসেও! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চুপ ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ (Bangladesh) এখন ফের অশান্ত। দেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি (Osman Hadis Death) প্রায়াত। এই কট্টরপন্থী নেতা ভারত-বিরোধী হিসেবে বেশ কুখ্যত ছিলেন। ১২ ডিসেম্বর অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছিলেন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাদির মৃত্যুর পর পরই উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকার শাহবাগ সহ জায়গায় জায়গায় অশান্তি এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে। দেশের একাধিক ভারতীয় উপদূতাবাসে হামলা করার অভিযোগও উঠেছে। ইতিমধ্যে রাজপথে নামানো হয়েছে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারত বিরোধী জনতার রোষ সামাল দিতে আসরে নেমেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ওই দেশে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে ইউনূস বলেন, “দেশের জনগণকে আমি ধৈর্য ধরতে বলব। হাদির মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।”

    শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খোলেননি ইউনূস (Bangladesh)

    হাদির মৃত্যর খবর জানাজানি হতেই গোটা বাংলাদেশে (Bangladesh) দাবানলের মতো আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আক্রশের মূল টার্গেট ভারত। তাই ঢাকা সহ একাধিক শহরে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। উন্মত্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’, ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর অফিসে। রোষ আবারও আছড়ে পড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে। সেখানেও আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। এই অবস্থায় নিরুপায় হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস রাত ১১টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “শনিবার দেশের সব সরকারি, সরকারের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি এবং বেসরকারি ভবন, বিদেশে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই ভাবে শুক্রবার দেশের প্রত্যেক মসজিদ থেকে ওসমানের জন্য শোক প্রকাশ করা হবে। শনিবার দিনভর রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। ওসমানের স্ত্রী এবং সন্তানদের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে।” তবে আইন শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খোলেননি ইউনূস। ভারত বিরোধী আন্দলন নিয়ে মুখ খোলেননি। শুক্রবার সন্ধ্যে বেলায় হাদির দেহ সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশে ফেরানো হবে। তবে দেহ ফেরার পর পরিস্থিতি আরও উত্তাল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাজশাহীতে মজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর

    বিবিসির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, হাদির মৃত্যুর পরেই উন্মত্ত জনতা ঢাকার (Bangladesh) সংবাদ মাধ্যমকে টার্গেট করে। প্রথম আলো, দ্য ডেলি স্টার –এর মতো সংবাদ মাধ্যমের অফিসে জোর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে চালানো হয় বিরাট ভাঙচুর। অফিসের ভিতরে আটকে থাকা সাংবাদিকদের উদ্ধার করা হয়। অবশ্য আটকে থাকা সাংবাদিকরা জানান, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সব জেনে শুনেই চুপ ছিলেন। পুলিশ কোনও রকম ভাবেই সহযোগিতা করেনি। আইন শৃঙ্খলা এখন চরম অবনিতে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে খুলনায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। আবার ময়মনসিংহ জেলার এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই ভাবে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু মজিবুর রহমানের একটি বাড়ি এবং আওয়ামি লিগের দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের আগ্রাসন থেকে রেহাই পায়নি দেশের প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। রাতভর ছায়ানট ভবনে তাণ্ডব ও লুটপাট চলেছে। আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আছড়ে ভাঙা হয়েছে হারমোনিয়াম।

    বেশির ভাগ বিক্ষোভ দেখানো হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের বিরোধিতা করে দেওয়া হয় ভারত-বিরোধী নানা হিংসাত্মক স্লোগান। কট্টরপন্থীরা বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামে ভারতীয় ভারতীয় সহকারী-হাইকমিশনারের বাসভবন  লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট, পাটকেল। রাতেই দূতাবাসের সামনে উন্মত্ত ছাত্র-যুবরা অবস্থান করে। দিকে দিকে ফের ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছে একদল। উল্লেখ্য গত ১৬ ডিসেম্বর ছিল বিজয় দিবস। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার এই বিজয় দিবসকে বিজয় দিবস হিসেবে মানতে নারাজ। এনসিপির এক নেতা প্রকাশ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। ভারতও এই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভোটের আগে ভারত-বিরোধী আবহ তৈরি করতে কট্টরপন্থীরা ব্যাপক প্রচেষ্টা করছেন। বাংলাদেশে এই অশান্তির দিকে নজর রাখছে ভারত।

    নির্বাচনকে ঘিরে হিংসা-হানাহানি

    ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে হাসিনাকে চক্রান্ত করে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে বিতারিত করা হয়। এরপর থেকেই ক্ষমতা চলে যায় কট্টর মৌলবাদী এবং জেহাদি সংগঠনের হাতে। অন্তর্বর্তী সরকারের মাথায় বসেন মহম্মদ ইউনূস। পাকিস্তানের আইএসআই এবং সেনাবাহিনীর উচ্চপদ কর্তাদের শুরু হয় অবাদ যাতায়েত। ১৯৭১ সালের পর থেকে যে রাস্তায় বাংলাদেশ হাটেনি সেই রাস্তায় শুরু হয় নতুন যাত্রা। ঢাকা-ইসলামাবাদ, করাচি- চট্টগ্রামের মধ্যে শুরু হয় আকাশপথ এবং জলপথের মাধ্যমে যাতায়েত। পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট। সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয় ওইদেশের সংখ্যা লঘু হিন্দুরা। দেশের আইন শৃঙ্খলা এখন চরম অবনতিতে পরিণত হয়েছে। গত দেড় বছরের বেশি সময়ে মৌলবাদী কট্টর সংগঠনগুলি আরও শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। তাই নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ভোট এবং প্রচারকে ঘিরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পারদ তত বেশি চড়ছে।

  • Ramakrishna 537: “সকলকে বলি, আয়রে আমার সুখ দেখে যা!—যাই,—যোগীনকে বলিগে, আমার ভাগ্যি দেখে যা!”

    Ramakrishna 537: “সকলকে বলি, আয়রে আমার সুখ দেখে যা!—যাই,—যোগীনকে বলিগে, আমার ভাগ্যি দেখে যা!”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শোকাতুরা ব্রাহ্মণীর বাটীতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ব্রাহ্মণী (Ramakrishna) অধীর হইয়া বলিতেছেন, “ওগো, আমি যে আহ্লাদে আর বাঁচি না, গো! তোমরা সব বল গো আমি কেমন করে বাঁচি! ওগো, আমার চণ্ডী যখন এসেছিল, — সেপাই শান্ত্রী, সঙ্গে করে— আর রাস্তায় তারা পাহারা দিচ্ছিল—তখন যে এত আহ্লাদ হয়নি গো!—ওগো চণ্ডীর শোক এখন একটুও আমার নাই! মনে করেছিলাম, তিনি যেকালে এলেন না, যা আয়োজন করলুম, সব গঙ্গার জলে ফেলে দেব;—আর ওঁর (ঠাকুরের) সঙ্গে আলাপ করব না, যেখানে আসবেন একবার যাব, অন্তর থেকে দেখব,—দেখে চলে আসব।

    “যাই— সকলকে বলি, আয়রে আমার সুখ দেখে যা!—যাই,— যোগীনকে বলিগে, আমার ভাগ্যি দেখে যা!”

    ব্রাহ্মণী (Ramakrishna) আবার আনন্দে অধীর হইয়া বলিতেছেন, “ওগো খেলাতে (লটারী-তে) একটা টাকা দিয়ে মুটে এক লাখ টাকা পেয়েছিল,—সে যেই শুনলে এক লাখ টাকা পেয়েছি, অমনি আহ্লাদে মরে গিছল—সত্য সত্য মরে গিছল!—ওগো আমার যে তাই হল গো! তোমরা সকলে আশীর্বাদ কর, না হলে আমি সত্য সত্য মরে যাব।”

    মণি ব্রাহ্মণীর আর্তি ও ভাবের অবস্থা দেখিয়া মোহিত হইয়া গিয়াছেন। তিনি তাঁহার পায়ের ধুলা লইতে গেলেন। ব্রাহ্মণী বলিতেছেন, ‘সে কি গো!’—তিনি মণিকে প্রতিপ্রণাম করিলেন।

    ব্রাহ্মণী, ভক্তেরা আসিয়াছেন দেখিয়া আনন্দিত হইয়াছেন আর বলিতেছেন, “তোমরা সব এসেছ,—ছোট নরেনকে এনেছি,—বলি তা না হলে হাসবে কে!” ব্রাহ্মণী এইরূপ কথাবার্তা কহিতেছেন, উহার ভগ্নী আসিয়া ব্যস্ত হইয়া বলিতেছেন, “দিদি এসো না! তুমি এখানে দাঁড়ায়ে থাকলে কি হয়? নিচে এসো! আমরা কি একলা পারি।”

    ব্রাহ্মণী আনন্দে বিভোর! ঠাকুর ও ভক্তদের দেখিতেছেন। তাঁদের ছেড়ে যেতে আর পারেন না।

    এইরূপ কথাবার্তার পর ব্রাহ্মণী অতিশয় ভক্তিসহকারে ঠাকুরকে অন্য ঘরে লইয়া গিয়া মিশটান্নাদি নিবেদন করিলেন। ভক্তেরাও ছাদে বসিয়া সকলে মিষ্টমুখ করিলেন।

    রাত প্রায় ৮টা হইল, ঠাকুর বিদায় গ্রহণ করিতেছেন। নিচের তলায় ঘরের কোলে বারান্দা, বারান্দা দিয়ে পশ্চিমাস্য হইয়া উঠানে আসিতে হয়। তাহার পর গোয়ালঘর ডান দিকে রাখিয়া সদর দরজায় আসিতে হয়। ঠাকুর যখন বারান্দা দিয়া ভক্তসঙ্গে সদর দরজার দিকে আসিতেছেন, তখন ব্রাহ্মণী (Kathamrita) উচ্চৈঃস্বরে ডাকিতেছেন, “ও বউ, শীঘ্র পায়ের ধুলা নিবি আয়!” বউ ঠাকুরানী প্রণাম করিলেন। ব্রাহ্মণীর একটি ভাইও আসিয়া প্রণাম করিলেন।

    ব্রাহ্মণী ঠাকুরকে বলিতেছেন, “এই আর একটি ভাই; মুখ্যু।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—না, না, সব ভাল মানুষ।

    একজন সঙ্গে সঙ্গে প্রদীপ ধরিয়া আসিতেছেন, আসিতে আসিতে এক যায়গায় তেমন আলো হইল না।

    ছোট নরেন উচ্চৈঃস্বরে বলিতেছেন, “পিদ্দিম ধর, পিদ্দিম ধর! মনে করো না যে, পিদ্দিম ধরা ফুরিয়ে গেল!” (সকলের হাস্য)

    এইবার গোয়ালঘর। ব্রাহ্মণী ঠাকুরকে বলিতেছেন, এই আমার গোয়ালঘর। গোয়ালঘরের সামনে একবার দাঁড়াইলেন, চতুর্দিকে ভক্তগণ। মণি ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিতেছেন ও পায়ের ধুলা লইতেছেন।

    এইবার ঠাকুর গণুর মার বাড়ি যাইবেন।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ওমানের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ওমানের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক

    মাধ্য্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ওমান (Oman) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে বৃহস্পতিবার সুলতান হাইথাম বিন তারিক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ওমানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান অর্ডার অফ ওমানে ভূষিত করলেন। জর্ডান এবং ইথিওপিয়া সহ তিন দেশে সফরের শেষ পর্যায়ে মোদি বৃহস্পতিবার ওমান পৌঁছেছেন। সেখানে ওমানের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাদ্য সঙ্গীত পরিবেশন করে বরণ করা হয় তাঁকে। সেই সঙ্গে দেওয়া হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং গার্ড অফ অনার। আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত পুরষ্কারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯। ওমানে এদিন সন্ধ্যায় ভারতীয়দের একটি সভায় বিশেষ ভাষণও রাখেন।

    কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০তম বার্ষিকী পূরণ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ২৯টিরও বেশি সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কারের তালিকার সর্বশেষ সংযোজন হয়েছে ওমানের (Oman) এই পুরস্কার। এই সূচিতে রয়েছে ইথিওপিয়ার গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া এবং কুয়েতের অর্ডার অফ মুবারক আল-কবীরের মতো সাম্প্রতিক সম্মাননা। মোদির মাস্কাট সফর ছিল বিদেশনীতির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সফর। ভারত ও ওমানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০তম বার্ষিকী পূরণ হয়ছে। দুই দেশ উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং সংস্কৃতিতে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর এবং সুরক্ষিত করার দিকে বিশেষ জোর দিয়েছে। তবে মুসলিম বিশ্বে ভারতের কাছে ওমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এই মুহূর্তে ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ।

    ১৪০ কোটি দেশবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা

    মঙ্গলবার, ভারত-ইথিওপিয়া অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সেই দেশ সফরে গিয়েছিলেন মোদি। ব্যতিক্রমী অবদান এবং একজন বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ, আদ্দিস আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার, “ইথিওপিয়ার মহান সম্মান নিশান” প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতার কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করা সম্মানের।” প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কারটি ভারতীয় এবং ইথিওপীয় উভয়কেই উৎসর্গ করেছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বয়ে নিয়ে চলেছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপণ করেছেন। ১৪০ কোটি ভারতীয়ের পক্ষ থেকে মোদি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

  • SIR: প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং, জানাল নির্বাচন কমিশন

    SIR: প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং, জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স্কদের এখন আর চিন্তা নেই। প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং। এই কাজে সাহায্য করবেন নির্বাচন কমিশনের বিএলও এবং এইআরও-রা (SIR)। ৮৫ বছর বা তার বেশি ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স, তাঁরা যদি শুনানির আওতায় পড়েন, তাঁদের ক্ষেত্রে হেয়ারিং-এর জন্য দফতরে যেতে হবে না। বাড়িতে হেয়ারিং করার ক্ষেত্রে ইআরও এবং নির্বাচন আধিকারিক এইআরও এবং বুথ লেভেল অফিসাররা (বিএলও) সহযোগিতা করবেন। বয়স্ক ভোটারদের যাতে কোনও ভাবেই হয়রানির মুখে না পড়তে হয় তাই কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্ত। খসড়া তালিকায় ইতিমধ্যে বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম। দেড় কোটির বেশি নামে তথ্যের ভুল রয়েছে। তবে সব মিলিয়ে এক লক্ষের বেশি হেয়ারিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোডে একাধিক অভিযোগ আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে।

    বেশ কিছুই এলাকায় গড়মিল (SIR)

    এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় একাধিক ভুল ধরা পড়ায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলওদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শোকজ নোটিস জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। শিলিগুড়ি, দার্জিলিং জেলার বিভিন্ন বিএলও-দের বিরুদ্ধে শোকজ করা হয়েছে। একই ভাবে হুগলির চণ্ডীতলা, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, এবং কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভার মোট তিনজন বিএলওকেও শোকজ করা হয়েছে। কমিশন (Election Commission) ইতিমধ্যে এই কেন্দ্রগুলিতে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

    খসড়া তালিকায় জীবিত ব্যক্তি মৃত

    ডানকুনির এক কাউন্সিলরের নিজের নাম খসড়া তালিকায় (SIR) মৃত দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। কমিশনের তরফে ইতিমধ্যে বিলওকে শোকজ করা হয়েছে। এই ঘটনায় কমিশন এলাকার বিডিও এবং এইআরওদের কাজের হিসেব চেয়ে নোটশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আপডেট এবং কপির সঙ্গে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। শিলিগুড়িতে এক মৃত ভোটারের নামে গোলমাল হওয়ায় বিএলওকে শোকজ করা হয়েছে। আবার কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভা ক্ষেত্রেও একই ভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। কমিশনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই দুই ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ভুল করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশনের (Election Commission) সাফ কথা যেহেতু ভুল হয়েছে তাই ভোটারদের দিয়ে বিএলওকে ফর্ম ৬ পূরণ করতেই হবে।

    বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা ঠিক করে হয়নি

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বেলেঘাটা বিধানসভার মোট সাতটি বুথের বিএলও কে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কমিশন নোটিশ ধরিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি উত্তর না পাওয়া যায় তাহলে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আরও অভিযোগ রয়েছে ফর্ম বিতরণ, তালিকা সংশোধন, বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা এবং নথি যাচাই-এর কাজ ঠিক মতো হয়নি। ফর্ম (SIR) জমা পড়লেও তার তথ্য ঠিক করে আপডেট হয়নি। ঠিকানা বা নম্বর সংশোধন ঠিক করে করা হয়নি। আবার বেশকিছু বুথে নিয়মিত পরিদর্শনও করা হয়নি।

    গাফিলতি প্রমাণে বরখাস্ত

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অবশ্য বক্তব্য, সমানেই বিধানসভা নির্বাচন তাই ভোটার তালিকা সংশোধন হওয়া একান্ত জরুরি। নতুন নাম যুক্ত করা, মৃতদের নাম বাদ দেওয়া, ঠিকানা বদল হয়েছে এমন নাম চিহ্নিত করা, একাধিক জায়গায় নাম রয়েছে এবং ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া একান্ত দরকার। বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় অবশ্যই থাকতে হবে। কমিশন এই সংক্রান্ত কাজের কোনও রকম আপোষ করবে না। তবে যদি কাজে গাফিলতি প্রমাণিত হয় তাহলে বরখাস্ত অবধারিত। ভোটের কাজে কোনও রকম আলস্য ভাব দেখালে চলবে না। কাজে গাফিলতি পেলেই কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    শুনানি নিয়ে কমিশনের নির্দেশিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুনানির জন্য দুটি নোটিস ইস্যু করা হবে। একটি নোটিস সংশ্লিষ্ট ভোটারকে দেওয়া হবে। আর একটি নোটিস বিএলও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে স্বাক্ষর করে নিজের কাছে রাখবেন। নোটিশ পাওয়ার পর শুনানিতে যাওয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও-র অফিস তথা সরকারি অফিসে এই শুনানি কেন্দ্র হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০ জনকে নিয়ে শুনানি করতে পারবেন আধিকারিকরা। উপস্থিত থাকবেন ইআরও, এইআরও-রা। কেন্দ্রে রাখতে হবে বসার জায়গা, জেরক্স করার জায়গা, জলের ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট ভোটারকেই হিয়ারিং-এর সময় উপস্থিত থাকতে হবে। যদি কোনও কারণে নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত থাকতে না পারেন, তাহলে সেই তারিখ বদলানো যেতে পারে।

  • Bangladesh: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ঢাকার পর রাজশাহী ও খুলনার ভিসাকেন্দ্রও বন্ধ করল ভারত

    Bangladesh: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ঢাকার পর রাজশাহী ও খুলনার ভিসাকেন্দ্রও বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বুধবার ঢাকার ভারতীয় ভিসাকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও বৃহস্পতিবার খোলা হয়েছে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (Visa Application Centre) বা আইভ্যাক। তবে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্য দুই শহর রাজশাহী এবং খুলনার ভিসাকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে যে, সমস্ত ভিসার আবেদন জমা পড়েছে এবং স্লট বুক করা হয়েছে তাঁদের নতুন তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    জনতার রোষ ভারত বিরোধিতায় (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুর ২টোয় ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রের (Visa Application Centre) কাজকর্ম সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়েই আবার ভিসা চালু করা হছে। তবে নিরাপত্তার কারণে ঢাকার অন্য ২ শহরে ভারতীয় ভিসাকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে এ নিয়ে তলব করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। ঠিক এই তলবের দুই ঘণ্টা আগেই ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত স্বয়ং ঘোষণা করেছিলেন ভারতের হাইকমিশনার। বাংলাদেশে নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে আগেই। হাসিনার জিগির তুলে কোটাবিরোধী নেতারা একাধিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সুর তুলে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ অভিযান চালায়। উত্তেজিত জনতার মুখে ছিল ভারত-বিরোধিতা। আর তাই ভিসার কাজ কর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তার অভাব

    উল্লেখ্য সম্প্রতি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি-র নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে ভারত বিরোধিতা মন্তব্য করেন। তিনি ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করার চরম হুঁশিয়ারি দেন। পূর্ব এবং উত্তর পূর্ব সীমান্তে যেসব জঙ্গি সংগঠন কাজ করছে তাঁদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করবেন। তাঁদের একটাই দাবি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর অনুগামীদেরকে বাংলাদেশে ফেরাতে হবে। রীতিমতো ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এরপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুলকে তলব করে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সনদের গণভোট। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই এখন উত্তাল বাংলাদেশ।

  • Lok Sabha: লোকসভায় ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের! অভিযোগ বিজেপির

    Lok Sabha: লোকসভায় ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের! অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় (Lok Sabha) ই-সিগারেট পান করার অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপির দাবি এই ঘটনা সংসদীয় শিষ্টাচারের আচরণ বিরুদ্ধ। বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এই মর্মে একটি অভিযোগও জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। অবশ্য তৃণমূল নিজের দলের সাংসদের এই আচরণে এখন চরম অস্বস্তিতে।

    মালব্যের পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে (Lok Sabha)

    লোকসভায় (Lok Sabha) কয়েকদিন ধরেই ই-সিগারেট খাওয়া নিয়ে বেশ বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সভায় একটি বিলের আলোচনা চালকালীন অনুরাগ ঠাকুর নিরন্তর সিগারেট পান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ইতিমধ্যে এবার বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করে কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) কুকর্মকে তুলে ধরেছেন। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল সাংসদের নাম উল্লেখ করে সামাজিক মাধ্যমে বিনিময় করেছেন। এই ঘটনাকে সংবিধান এবং সংসদের আইন বিরুদ্ধ বলে মন্তব্যও করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি যদি আইন শৃঙ্খলার নিয়মকে ভেঙে দেন তাহলে সাধারণ মানুষ কি করবেন? যে সভায় আইন নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা এবং বিলকে আইনে পরিণত করা হয়, সেই জায়গায়ই এই অবস্থা। বিজেপি এই তথ্য সম্বলিত ভিডিওর উদাহরণ দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

    ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ

    গত বৃহস্পতিবার লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “তাহলে ধূমপান মান্যতা পেয়েছে লোকসভায়?” অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে আরও এক তৃণমূল সাংসদের সিগারেট খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়কে বাঁ হাত পিছনে নিয়ে সিগারেটে সুখটান দিচ্ছেন। অবশ্য তখনই বিজেপি সাংসদ গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং গিরিরাজ সিং তাঁকে তুলোধনা করতেও দেখা গিয়েছে। নিজের শরীর খারপের সঙ্গে অন্যের শরীর খারাপ করার কোনও অধিকার তৃণমূল সাংসদের যে নেই, তাও এদিন বুঝিয়ে দেন বিজেপি সাংসদরা।

  • Ramakrishna 536: “দিদি এই গেলেন নন্দ বোসের বাড়ি খবর নিতে, কেন এত দেরি হচ্ছে— এতক্ষণে ফিরবেন”

    Ramakrishna 536: “দিদি এই গেলেন নন্দ বোসের বাড়ি খবর নিতে, কেন এত দেরি হচ্ছে— এতক্ষণে ফিরবেন”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শোকাতুরা ব্রাহ্মণীর বাটীতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঠাকুর (Ramakrishna) বাগবাজারের একটি শোকাতুরা ব্রাহ্মণীর বাড়ি আসিয়াছেন। বাড়িটি পুরাতন ইষ্টকনির্মিত। বাড়ি প্রবেশ করিয়াই বাম দিকে গোয়ালঘর। ছাদের উপর বসিবার স্থান হইয়াছে। ছাদে লোক কাতার দিয়া, কেহ দাঁড়াইয়া কেহ বসিয়া আছেন। সকলেই উৎসুক — কখন ঠাকুরকে দেখিবেন।

    ব্রাহ্মণীরা দুই ভগ্নী, দুই জনেই বিধবা। বাড়িতে এঁদের ভায়েরাও সপরিবারে থাকেন। ব্রাহ্মণীর একমাত্র কন্যা দেহত্যাগ করাতে তিনি যারপরনাই শোকাতুরা। আজ ঠাকুর গৃহে পদার্পণ করিবেন বলিয়া সমস্ত দিন উদ্যোগ করিতেছেন। যতক্ষণ ঠাকুর শ্রীযুক্ত নন্দ বসুর বাড়িতে ছিলেন, ততক্ষণ ব্রাহ্মণী ঘর-বাহির করিতেছিলেন, — কখন তিনি আসেন। ঠাকুর বলিয়া দিয়াছিলেন যে, নন্দ বসুর বাড়ি হইতে আসিয়া তাঁহার বাড়িতে আসিবেন। বিলম্ব হওয়াতে তিনি ভাবিতেছিলেন, তবে বুঝি ঠাকুর আসিবেন না।

    ঠাকুর (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে আসিয়া ছাদের উপর বসিবার স্থানে আসন গ্রহণ করিলেন। কাছে মাদুরের উপর মাস্টার, নারাণ, যোগীন সেন, দেবেন্দ্র, যোগীন। কিয়ৎক্ষণ পরে ছোট নরেন প্রভৃতি অনেক ভক্তেরা আসিয়া জুটিলেন। ব্রাহ্মণীর ভগ্নী ছাদের উপর আসিয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া বলিতেছেন—“দিদি এই গেলেন নন্দ বোসের বাড়ি খবর নিতে, কেন এত দেরি হচ্ছে;—এতক্ষণে ফিরবেন।”

    নিচে একটি শব্দ হওয়াতে তিনি আবার বলিতেছেন (Kathamrita)—“ওই দিদি আসছেন।” এই বলিয়া তিনি দেখিতে লাগিলেন। কিন্তু তিনি এখনও আসিয়া পৌঁছেন নাই।

    ঠাকুর সহাস্যবদন, ভক্তপরিবৃত হইয়া বসিয়া আছেন।

    মাস্টার (দেবেন্দ্রের প্রতি)—কি চমৎকার দৃশ্য। ছেলে-বুড়ো, পুরুষ-মেয়ে কাতার দিয়ে দাঁড়িয়া রয়েছে! সকলে কত উৎসুক—এঁকে দেখবার জন্য! আর এঁর কথা শোনবার জন্য!

    দেবেন্দ্র (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—মাস্টার মশাই বলছেন যে, এ জায়গাটি নন্দ বোসের চেয়ে ভাল জায়গা; — এদের কি ভক্তি!

    ঠাকুর হাসিতেছেন।

    এইবার ব্রাহ্মণীর ভগ্নী বলিতেছেন, “ওই দিদি আসছেন।”

    ব্রাহ্মণী আসিয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া কি বলিবেন (Kathamrita), কি করিবেন কিছুই ঠিক করিতে পারিতেছেন না।

LinkedIn
Share