Tag: madhyom news

madhyom news

  • Bondi Beach Attack: বন্ডি বিচের ২ হামলাকারীর পাকিস্তান-আইসিস যোগ! ইহুদিদের উৎসবে আচমকা গুলিবর্ষণে মৃত কমপক্ষে ১৬

    Bondi Beach Attack: বন্ডি বিচের ২ হামলাকারীর পাকিস্তান-আইসিস যোগ! ইহুদিদের উৎসবে আচমকা গুলিবর্ষণে মৃত কমপক্ষে ১৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের হানুক্কা মানে আলোর উৎসব। ক্রিসমাসের আগে আটদিন ধরে আনন্দের উৎসব করেন ইহুদিরা। এবার ইহুদিদের উৎসবকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা জঙ্গিদের। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি বিচে (Bondi Beach Attack) গুলি চালানোর ঘটনায় উৎসবের চিত্র শোকে পরিণত হল। রবিবার সেখানে ইহুদিদের হনুকা উৎসব চলছিল। দুই জঙ্গির হামলায় গুলি বর্ষণে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জনের। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। এলোপাথাড়ি ৫০ রাউন্ড গুলি চলে বলে জানা গিয়েছে। তবে হামলাকারী জঙ্গিদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই খতম এবং অপর জনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের পরিচয় পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত। হামলার (Australia Gunmen Attack) সময়ে তাঁর পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের জার্সি পরা একটি ছবি ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। উল্লেখ্য পাকিস্তান যে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানায় পরিণত হয়েছে তা আরও একবার প্রমাণিত হল বন্ডি বিচ গুলিকাণ্ডে। ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে আইএসআইএস-এর পতাকা। আইসিসের সঙ্গে জঙ্গিদের যোগ থাকার বিষয়টিকেও খোঁজ করে দেখা হচ্ছে।

    জঙ্গির পরনে ছিল পাকিস্তনি জার্সি (Bondi Beach Attack)

    অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজ–এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী বলা হয়েছে, দুই জঙ্গিদের মধ্যে একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুই জঙ্গির সম্পর্ক হল বাবা-ছেলে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ কমিশনার মাল ল্যানয়নের বক্তব্যের সূত্র জানা গিয়েছে, “সন্দেহজনক জঙ্গির নাম নাভেদ আক্রম (Bondi Beach Attack)। তবে এখনও পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়েছে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা যায়নি। তবে সিডনির আল-মুরাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছে নাভেদ। তদন্তকারী অফিসারদের কাছে একাধিক ছবি ধরা পড়েছে। তবে এই জঙ্গির পরনে পাকিস্তনি একটি জার্সি ছিল। সেই ছবি এখন প্রকাশ্যে এসেছে।” অপর দিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জেরুহজালেম পোস্ট ও নাভেদকে পাকিস্তানি বলে উল্লেখ করেছে। বিভিন্ন পরিচয়ের সূত্রে ধরে এখন অস্ট্রেলিয়ার তদন্তকারী অফিসাররা তদন্ত শুরু করেছেন। ভারতেও গত এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পাকিস্তানের জঙ্গিরা হামলা করেছিল। ধর্ম পরিচয় জিজ্ঞাসা করে ২৬ জন ভারতীয়কে নৃশংস ভাবে হত্যা (Australia Gunmen Attack) করেছিল।

    তল্লাশি এবং ফরেনসিক পরীক্ষা

    আবার পুলিশ জানিয়েছে হামলার স্থল (Bondi Beach Attack) থেকে একটি গাড়ির ভিতরে বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে। আশেপাশের বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তুকে তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে। সম্পূর্ণ এলাকাকে ঘিরে রেখে তল্লাশি এবং ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সূত্র ধরে নিউ সাউথ ওয়েলসের বনিরিগ এলাকায় অবস্থিত নাভেদ আক্রমের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় তৃতীয় কোনও বন্দুকবাজের ভূমিকা থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখনই সব নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আবার অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এএসআইও প্রধান মাইক বার্জেস জানিয়েছেন, হামলাকারীদের (Australia Gunmen Attack) পরিচয় এবং সমাজে তাদের মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে আর কেউ সক্রিয় আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দুজনের মধ্যে একজন পরিচিত বলে জানা গিয়েছে।

    ইহুদিদের উপরে হামলা তিনগুণ বৃদ্ধি

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রায় ২ কোটি ৮০ লক্ষ জনসংখ্যার অস্ট্রেলিয়ার ১ লক্ষ ১৭ হাজার ইহুদির বসবাস রয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ থাকে নিউ সাউথ ওয়েলসে। তবে গত কয়েক বছরে ইহুদি বিদ্বেষ সীমা ছাড়িয়েছে, এমন অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। সরকারের অ্যান্টিসেমিটিজম মোকাবিলায় নিযুক্ত বিশেষ দূত জিলিয়ান সেগাল গত জুলাইতে বলেছিলেন, “২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামাসের আক্রমণের পরে অস্ট্রেলিয়ায় ইহুদিদের উপরে হামলা (Australia Gunmen Attack) তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।” বন্ডি বিচে (Bondi Beach Attack) এই হামলার ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া জুড়ে এখন শোকের ছায়া। তদন্ত যত এগিয়ে যাচ্ছে ততই সমানে আসছে নতুন নতুন তথ্য। আতঙ্কের পরিবেশ এখনও গোটা দেশে বর্তমান।

  • Ramakrishna 533: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    Ramakrishna 533: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীযুক্ত নন্দ বসুর বাটীতে শুভাগমন

    চৈতন্যলাভ ভোগান্তে—না তাঁর কৃপায় 

    পশুপতি—আমাদের বিকার চিরকাল বুঝি থাকবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কেন ঈশ্বরেতে মন রাখো, চৈতন্য হবে।

    পশুপতি (সহাস্যে)— আমাদের ঈশ্বরে যোগ ক্ষণিক। তামাক খেতে যতক্ষণ লাগে। (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তা হোক; ক্ষণকাল তাঁর সঙ্গে যোগ হলেই মুক্তি।

    “অহল্যা বললে, রাম! শূকরযোনিতেই জন্ম হউক আর যেখানেই হউক যেন তোমার পাদপদ্মে মন থাকে, যেন শুদ্ধাভক্তি (Kathamrita) হয়।

    “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও, আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই, এই আশীর্বাদ করো। আন্তরিক তাঁর কাছে প্রার্থনা করলে, তাঁতে মন হয়,—ঈশ্বরের (Ramakrishna) পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়।”

     ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    এ পর্যন্ত গৃহস্বামী ঠাকুরের মিষ্ট মুখ করাইবার কোনও চেষ্টা করেন নাই। ঠাকুর স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া গৃহস্বামীকে বলিতেছেন —

    “কিছু খেতে হয়। যদুর মাকে তাই সেদিন বললুম — ‘ওগো কিছু (খেতে) দাও’! তা না হলে পাছে গৃহস্থের অমঙ্গল হয়!”

    গৃহস্বামী কিছু মিষ্টান্ন আনাইয়া দিলেন। ঠাকুর খাইতেছেন (Kathamrita)। নন্দ বসু ও অন্যান্য সকলে ঠাকুরের দিকে একদৃষ্টে চাহিয়া আছেন। দেখিতেছেন তিনি কি কি করেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) হাত ধুইবেন, চাদরের উপর রেকাবি করিয়া মিষ্টান্ন দেওয়া হইয়াছিল, সেখানে হাত ধোয়া হইবে না। হাত ধুইবার জন্য একজন ভৃত্য পিকদানি আনিয়া উপস্থিত হইল।

    পিকদানি রজোগুণের চিহ্ন। ঠাকুর দেখিয়া বলিয়া উঠিলেন, “নিয়ে যাও, নিয়ে যাও।” গৃহস্বামী বলিতেছেন, “হাত ধুন।”

    ঠাকুর অন্যমনস্ক। বলিলেন, “কি? — হাত ধোবো?

  • Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নববর্ষের আগেই মেট্রো যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা করল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো (Kolkata Metro) চালাবে কলকাতা মেট্রো (Metro Services)। তবে এখন তা পরীক্ষামূলক ভাবেই করা হবে। অফিস আওয়ার বা ব্যস্ততার সময়ে এই পরিষেবা চালানো হবে। একটি চলবে সকালের ব্যস্ততার সময়ে আরেকটি চলবে বিকেলের ব্যস্ততার সময়ে।

    দুটো মেট্রো চলবে (Kolkata Metro)

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি সকালে এবং অপরটি বিকেলে। যে সময় পিক আওয়ার এবং যাত্রীদের ভিড় বেশি থাকবে সেই সময়েই চালানো হবে ট্রেন। আগে যারা বিমান বন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট কিংবা মহানায়ক উত্তম কুমার বা শহিদ ক্ষুদিরামের-এর দিকে যেতে চান আগে তাদের ট্রেন বদল করতে হতো। এখন থেকে বিমান বন্দরে যারা নামেন তাদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবেনা। ভোগান্তি কমবে এবং যাত্রা হবে আরও সুন্দর এবং স্বচ্ছ বলে মত অনেকের। তবে মেট্রো নিজের সূচি দিয়ে জানিয়েছে, প্রথম ডাইরেক্ট পরিষেবা সকাল ৯ টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে ট্রেন (Metro Services)। আর দ্বিতীয় পরিষেবাটি ছাড়বে রাত্রি ৯টায়। তবে দুই ট্রেন যাবে ক্ষুদিরাম পর্যন্ত। এই যাতায়েত পরিষেবায় কোন রকম যাত্রীদের ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।

    এখনও চিংড়িঘাটা মোড়ের জট

    মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের অবশ্য বক্তব্য, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। তবে যাত্রীদের সুবিধা এবং চাহিদা অনুযায়ী গাড়ির সংখ্যা আগামীতে আরও বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, কবি সুভাষ থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পরিষেবা এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি। চিংড়িঘাটা মোড়ের জট না কাটায় এখনও পর্যন্ত তিন পিলারের লাইনে পাতার কাজ বাকি। সেই কাজ সম্পন্ন হলেই সরাসরি পৌঁছে যাবে বিমানবন্দর (Metro Services) পর্যন্ত। বর্তমানে কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো চলছে।

  • MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের এনডিএ জোটের মোদি (Pm Modi) সরকারের তরফে বাড়ানো হল ন্যূন্যতম কাজের দিন (MGNREGA)। বদল করে দেওয়া হল প্রকল্পের নাম। মনরেগা নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মনরেগা প্রকল্পের নাম বদলে রাখা হল ‘পুজ্য বাপু গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি’। একই ভাবে এই বছরে কাজের দিনের পরিমাণ আগে ছিল ১০০, এখন তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২৫ দিন। এবার থেকে বছরে এই প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ দেওয়া দেওয়া হবে। আর কমপক্ষে দেওয়া হবে দিনপ্রতি ২৪০ টাকা।

    নাম বদলের মানসিকতার বদল

    এই নাম পরিবর্তনকে বিজেপির (Pm Modi) ভাবনায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশ থেকে ব্রিটিশরা চলে গেলেও ঔপনিবেশিক মানসিকতার তেমন বদল ঘটেনি। তাই নাম এবং নামের সঙ্গে যুক্ত মানসিকতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যেমন- প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নাম হয়েছে সেবা তীর্থ, রাজপথ হয়েছে কর্তব্য পথ, রাজভবনের নাম হয়েছে লোকভবন, রাজ্যপালের নাম লোকপাল। রেড কোর্স রোডের নাম হয়েছে লোক কল্যাণ মার্গ। এবার মনরেগার (MGNREGA) নাম বদল করে রাখা হয়েছে বাপুজির নামে। তবে নাম বদল যে শুধু কাজের জন্যই হয়েছে তা নয়, এই বদলের সঙ্গে মানসিকতার বদলও ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন প্রথম ২০০৫ সালে পাস হয়েছিল। ২০০৯ সালে, ইউপিএ সরকারের আমলে, এর নামকরণ করা হয় মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (মনরেগা)। এই আইন ওই বছরের ২ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। এইবার এনডিএ সরকার এটির নাম পরিবর্তন করে ১২৫ দিন কাজের গ্যারান্টি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ১০০ দিনের কাজ সুনিশ্চিত

    ২০০৯ সালে যখন ইউপিএ (MGNREGA) আইনটির নাম পরিবর্তন করে, তখন তৎকালীন সরকার যুক্তি দিয়েছিল যে মহাত্মা গান্ধীর নাম আইনের সাথে যুক্ত করলে সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির উপর মনোযোগ আরও জোরদার হবে। যদিও আইনে প্রত্যেক যোগ্য ব্যক্তিকে ১০০ দিন পর্যন্ত কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে সরকারী তথ্য অনুসারে, গত বছর ৪০.৭০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের পুরো কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিল। ২০২৫-২৬ সালে মাত্র ৬.৭৪ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছে। ফলে, এই প্রকল্পে অনেক ফাঁকফোকড় ছিল, যা প্রকট হয়েছে। মোদি সরকার, সেগুলিকে ভরাট করতে তৎপর।

    সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্ম দিবস

    ২০২৪-২৫ সালে, মনরেগা (MGNREGA) সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্মদিবসের কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল। তবে, রাজ্য সরকারগুলি তাদের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে মাত্র ৪.৩৫ কোটি কর্মদিবস তৈরি করেছিল। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ, কেরালা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সীমার বাইরে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের জন্য তাদের নিজস্ব বাজেট ব্যবহার করেছে।

    ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান

    আইনত মনরেগা আইনের ৩(১) ধারায় প্রতি পরিবারকে বছরে ন্যূনতম একশো দিনের কাজের সংস্থান দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে, ১০০ দিনের কাজ ন্যূনতম হওয়ার পরিবর্তে সর্বোচ্চ সীমা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ প্রকল্পের সফ্টওয়্যার এই সীমার অতিরিক্ত এন্ট্রি করার অনুমতি দেয় না। তাই কাজকে একটি বিশেষ নিয়েমে বাঁধা রাখা হয়েছে। তবে ২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর থেকে মনরেগা (MGNREGA) ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই প্রকল্পের অধীনে মোট ব্যয় এখন পর্যন্ত প্রায় ১১.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। ২০০৬-০৭ সালে ২০০টি পিছিয়ে পড়া জেলায় প্রাথমিকভাবে এটি চালু করা হয়েছিল,পরের বছর এটি আরও ১৩০টি জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছিল এবং ২০০৮-০৯ সালের মধ্যে সমগ্র দেশে বাস্তবায়ন করা হয়।

    কোভিডের ধাক্কা

    কোভিড-১৯ মহামারীর সময় (MGNREGA) এর চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ২০২০-২১ সালে, রেকর্ড ৭.৫৫ কোটি গ্রামীণ পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে কাজ চেয়েছিল কারণ লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের গ্রামে ফিরে এসেছিল। তারপর থেকে, অংশগ্রহণ ক্রমাগত হ্রাস পেয়েছে, ২০২১-২২ সালে ৭.২৫ কোটি পরিবার থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৫.৭৯ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। গত তিন বছরের তথ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্তর্ভুক্ত নয়, যেখানে ২০২২ সালের মার্চ থেকে এই প্রকল্পটি স্থগিত রয়েছে। সিএজির রিপোর্টে মনরেগার টাকা নয়ছয় করার অভিযোগের ভিত্তিতে বরাদ্দ টাকার প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের সাফ কথা হিসেব না দিলে টাকা মিলবে না। তবে মোদির এই ঘোষণায় বিরাট সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শুক্রবার রেলমন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়াছেন, দেশে মোট দুটি দফায় জন গণনা হবে। সমগ্র প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে এবং এই জনগণনার সঙ্গে জাতিগণনাও যুক্ত করা হবে। সর্ব শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। কিন্তু ২০১৯ সালে করোনা অতিমারির কারণে এনপিআর-এর কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইবার সেই কাজে ফের আরেকবার গণনা শুরু হবে।

    প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে (Census 2027)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “শেষ বার দেশে জনগণনা (Census 2027) হয়েছিল ২০১১ সালে। তারপর ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্বজুড়ে কোভিড অতিমারির জন্য এই কাজকে সাময়িক ভাবে স্থগিত করে রাখা হয়। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়, ২০২৭ সালে জনগণনা করা হবে। শুক্রবার সেই কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে এই নতুন হিসেব বাস্তবায়ন করা হবে।” রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে। বাড়ি, জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে সরকার। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চলবে। তবে সরকারের সুবিধামতো এক একজায়গায় ৩০ দিনের মধ্যে জনগণনা করা হবে। এরপর শুরু হব দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা হবে। উল্লেখ্য বেশ কিছু এলাকা যেমন- লাদাখ, হিমাচল, জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং তুষারপাতের জন্য ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই গণনা সম্পন্ন করা হবে।”

    মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ

    কীভাবে এই জনগণনার (Census 2027) কাজ হবে তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে পোর্টালে আপলোড করতে হবে। আধুনিক অ্যাপ ব্যবহার করে সংস্কারের কাজ করতে হবে। তবে গণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত সকল গণনাকারীদের মোবাইলে তথ্য জোগাড় করতে হবে। আবার যদি কেউ খাতায় কলমে তথ্য সংগ্রহ করেন তাহলেও সঙ্গে সঙ্গে তাকে পোর্টালে তুলতে হবে। ফলে তথ্য সময়ে আপডেট থাকলে ভুলের সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। তাই গণনা কাজের প্রাথমিক স্তর থেকেই ডিজিটালাইজ হবে। গণনার তথ্যকে পেতে আর কোনও অসুবিধা হবে না। সারা দেশজুড়ে এই কাজে মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে।

    কেন প্রয়োজন?

    ভারতবর্ষে বিগত ১৫০ বছর ধরে সেনসাস বা আদম শুমারির কাজ হয়ে আসছে। আগামী ২০২৭ সালে ভারতে ১৬তম আদমশুমারি এবং স্বাধীনতার পর থেকে অষ্টম আদমশুমারি হতে চলেছে। ছোট গ্রাম, শহরাঞ্চল, থেকে ওয়ার্ড লেভেল পর্যন্ত প্রতিটি জায়গায় জনবৈচিত্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, ইত্যাদি বিষয়গুলি এই জনগণনা বা আদম শুমারির মাধ্যমেই ফুটে উঠবে। সরকারের বাজেট এবং আয় ব্যায়ের হিসেবের জন জনগণনা একান্ত প্রয়োজন। তবে সম্প্রতি ইন্ডিজোটের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে জনগণনা এবং জাতি গণনায় আপত্তি করা হয়েছে। তাদের যুক্তি দেশে জতির পরিচয়ে বিশেষ বিশেষ ধর্মের মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য বাড়বে। তবে বিজেপি অবশ্য বিরোধীদের তোষণের রাজনীতিকেই দায়ী করেছে।

  • Indian Railways: ৩.০২ কোটি ভুয়ো আইডি ব্লক রেলের, অনলাইন তৎকালে চালু ওটিপি ভেরিফিকেশন

    Indian Railways: ৩.০২ কোটি ভুয়ো আইডি ব্লক রেলের, অনলাইন তৎকালে চালু ওটিপি ভেরিফিকেশন

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: ভুয়ো আইডি দিয়ে রেলের টিকিট বুকিং সিস্টেমের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতীয় রেল। জানা গিয়েছে, ৩.০২ কোটি ভুয়ো আইডি বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। রেল হল ভারতের অন্যতম প্রধান গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। সম্প্রতি রেলের টিকিট সংরক্ষণ এবং নিরাপদ যাত্রায় বৈধ টিকিটের জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যাত্রীদের সুবিধা এবং সঠিক পরিষেবার রেশ বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রেলের টিকিটে (Irctc) কালো বাজারি বহুল অংশে বন্ধ হবে বলে মনে করছেন যাত্রীদের একাংশ।

    অ্যান্টি-বট সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে (Indian Railways)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ট্রেনের টিকিটে কালোবাজারি রোধ করতে ৩ কোটি ২০ লক্ষ সন্দেহজনক ইউজার আইডি ব্লক করেছে। এখন তৎকালে টিকিট বুকিংয়ের (Indian Railways) জন্য অ্যান্টি-বট সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে কেবলমাত্র যথার্থ যাত্রীরাই বুকিং করতে পারবেন। অপর দিকে ৩২২টি ট্রেনে অনলাইন তৎকাল টিকিটের জন্য আধার ভিত্তিক ওটিপি ভেরিফিকেশন চালু হয়েছে। সেই সঙ্গে ২১১টি ট্রেনের (Irctc) রিজার্ভিশন কাউন্টারে এই সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে।

    তবে রেলমন্ত্রকের সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৯৬টি জনপ্রিয় ট্রেনের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ট্রেনের তৎকাল টিকিট (Irctc) সহজলভ্য সময় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আগের তুলনায় যাত্রীরা খুব সহজেই নিজেদের টিকিট নিশ্চিত ভাবে তৈরি করতে পারবেন। তবে রেলের পক্ষ থেকে বার বার আধিকারিকরা বলেন, “ট্র্যাভেল ওয়েবসাইটগুলির উপর বিশ্বাস না রেখে টিকিট সংগ্রহ করুন। প্রিমিয়াম পরিষেবার নামে কিছু ওয়েবসাইট ৩ গুণ রিফান্ডের মতো স্কিম উপলব্ধ করে। কিন্তু এই ধরনের সুবিধা পাওয়ার আগে গ্রাহকদের সতর্ক থাকতে হবে।”

    আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করুন

    অনলাইন প্রতারকরা নানা সময়ে বিভিন্ন লিঙ্ক পাঠিয়ে রেলের (Indian Railways) সস্তায় টিকিট দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করলেই ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে যায়। তবে একবার ব্যক্তিগত ভুল তথ্য দিলে প্রতারকরা দ্রুত টাকা হ্যাক করে নেয়। তাই ট্রেনের টিকিট (Irctc) বুক করার সময় সর্বদা আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করুন। একই ভাবে টাকা পেমেন্ট করার সময় শুধুমাত্র গুগুল-পে স্টোর, অ্যাপেল অ্যাপ স্টোর ডাউনলোড করুন। এইগুলি ছাড়া অন্য কোনও সাইটে এই সব আবেদন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনও সময়ে প্রতারণা হওয়ার সুযোগ থাকে। তবে যদি নিজে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন, তাহলে সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ জানাতে পারেন।

  • Ramakrishna 532: “আমি কি হাড়, না মাংস, না রক্ত, না নাড়ীভুঁড়ি? আমি খুঁজতে খুঁজতে ‘তুমি’ এসে পড়ে”

    Ramakrishna 532: “আমি কি হাড়, না মাংস, না রক্ত, না নাড়ীভুঁড়ি? আমি খুঁজতে খুঁজতে ‘তুমি’ এসে পড়ে”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীযুক্ত নন্দ বসুর বাটীতে শুভাগমন

    চৈতন্যলাভ ভোগান্তে—না তাঁর কৃপায় 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমরা কোথায়? তিনিই সব হয়েছেন। যতক্ষণ না তাঁকে জানতে পাচ্ছ, ততক্ষণ ‘আমি’ ‘আমি’ করছ!

    “সকলে তাঁকে জানতে পারবে—সকলেই উদ্ধার হবে, তবে কেহ সকাল সকাল খেতে পায়, কেহ দুপুর বেলা কেউ বা সন্ধ্যার সময়; কিন্তু কেহ অভুক্ত থাকবে না! সকলেই আপনার স্বরূপকে জানতে পারবে।”

    পশুপতি — আজ্ঞা হাঁ, তিনিই সব হয়েছেন বোধ হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমি কি, এটা খোঁজো দেখি। আমি কি হাড়, না মাংস, না রক্ত, না নাড়ীভুঁড়ি? আমি খুঁজতে খুঁজতে ‘তুমি’ এসে পড়ে, অর্থাৎ অন্তরে সেই ঈশ্বরের শক্তি বই আর কিছুই নাই। ‘আমি’ নাই! — তিনি। তোমার অভিমান নাই! এত ঐশ্বর্য। ‘আমি’ একেবারে ত্যাগ হয় না; তাই যদি যাবে না তবে থাক শ্যালা ঈশ্বরের দাস হয়ে। (সকলের হাস্য) ঈশ্বরের ভক্ত, ঈশ্বরের ছেলে, ঈশ্বরের দাস, এ-অভিমান ভাল। যে ‘আমি’ কামিনী-কাঞ্চনে আসক্ত হয়, সেই ‘আমি’ কাঁচা আমি, সে ‘আমি’ ত্যাগ করতে হয়।

    অহংকারের এইরূপ ব্যাখ্যা শুনিয়া গৃহস্বামী ও অন্যান্য সকলে সাতিশয় প্রীতিলাভ করিলেন।

    ঐশ্বর্যের অহংকার ও মত্ততা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— জ্ঞানের দুটি লক্ষণ, প্রথম অভিমান থাকবে না; দ্বিতীয় শান্ত স্বভাব। তোমার দুই লক্ষণই আছে। অতএব তোমার উপর ঈশ্বরের অনুগ্রহ আছে।

    “বেশি ঐশ্বর্য হলে, ঈশ্বরকে ভুল হয়ে যায়; ঐশ্বর্যের স্বভাবই ওই। যদু মল্লিকের বেশি ঐশ্বর্য হয়েছে, সে আজকাল ঈশ্বরীয় কথা কয় না। আগে আগে বেশ ঈশ্বরের কথা কইত।

    “কামিনী-কাঞ্চন একপ্রকার মদ। অনেক মদ খেলে খুড়া-জ্যাঠা বোধ থাকে না, তাদেরই বলে ফেলে, তোর গুষ্টির; মাতালের গুরু-লঘু বোধ থাকে না।”

    নন্দ বসু—তা বটে।

    Theosophy — ক্ষণকাল যোগে মুক্তি — শুদ্ধাভক্তিসাধন 

    পশুপতি—মহাশয়! এগুলো কি সত্য— Spiritualism, Theosophy? সূর্যলোক, চন্দ্রলোক? নক্ষত্রলোক?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—জানি না বাপু! অত হিসাব কেন? আম খাও; কত আমগাছ, কত লক্ষ ডাল, কত কোটি পাতা, এ হিসাব করা আমার দরকার কি? আমি বাগানে আম খেতে এসেছি, খেয়ে যাই।

    “চৈতন্য যদি একবার হয়, যদি একবার ঈশ্বরকে কেউ জানতে পারে তাহলে ও-সব হাবজা-গোবজা বিষয় জানতে ইচ্ছাও হয় না। বিকার থাকলে কত কি বলে,—‘আমি পাঁচ সের চালের ভাত খাবো রে’ — ‘আমি একজালা জল খাবো রে।’— বৈদ্য বলে, ‘খাবি? আচ্ছা খাবি!’ —এই বলে বৈদ্য তামাক খায়। বিকার সেরে, যা বলবে তাই শুনতে হয়।”

  • PM Modi: ২০ ডিসেম্বর রানাঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু

    PM Modi: ২০ ডিসেম্বর রানাঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর। ভুয়ো ভোটার, মৃত ভোটার, ঠিকানা বদল হয়েছে বা একই নাম একাধিক জায়গায় রয়েছে, এমন সংখ্যাটা এই রাজ্যেও কম নয়। প্রায় ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যেতে পারে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই বঙ্গে ভোট প্রচারের জন্য আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২০ ডিসেম্বর নদিয়ার রানাঘাটে জনসভা করবেন মোদি। বিজেপিকে (Bengal BJP) একটা বড় অঙ্কের ভোট দেয় মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। এবার মতুয়া অধ্যষুত ভোটকে টার্গেট করে ২০২৬ সালের ভোটের প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    তাহেরপুরের উদ্বাস্তু এলাকায় সভা (PM Modi)

    বিজেপির দলীয় (Bengal BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলার ভোট পর্বে মোট ১০টি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকার মধ্যে আলিপুরদুয়ার, দমদম, দুর্গাপুর ইতিমধ্যে সেরে ফেলেছেন এবার বাকি কয়েক মাসের মধ্যে আরও ৭টি সভা করবেন। তবে এবার প্রচারের সূচনা হবে রানাঘাট থেকেই। উল্লেখ্য রানাঘাট লোকসভা এবং বনগাঁ লোকসভা পরপর দুবার লোকসভায় বিজেপি জয়ী হয়েছে। ফলে পাখির চোখ করে মোদির জনসভা এবং প্রচার অভিযানকে কাজে লাগিয়ে মমতাকে সরিয়ে বিজেপি যাতে ক্ষমতা দখল করতে পারে, সেই রণনীতিই ঠিক করছে বঙ্গ বিজেপি। রানাঘাটে এইবারের মোদির সভা হবে নদিয়ার তাহেরপুরের উদ্বাস্তু এলাকায়।

    মমতা মতুয়া বিরোধী

    এদিন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “আগামী ২০ ডিসেম্বর রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন সভা করবেন তাহেরপুর ময়দানে। বেশকিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করবেন। বিহারের পর বাংলা আর গঙ্গা এক হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেও ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিহারের মতো বাংলায়ও পরিবর্তন হবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের মতো নদিয়ার রানাঘাটেও মতুয়াদের বিরাট বসতি রয়েছে। তাই মতুয়াদের কথা মনে করেই রানাঘাট থেকে প্রচার করবেন নরেন্দ্র মোদি।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে মতুয়াদের ভুল বুঝিয়ে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা করছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়া বিরোধী – এই অভিযোগে বিজেপি (Bengal BJP) বারবার সরব হয়েছে। অপর দিকে এসআইআর থেকে মতুয়াদের নাম বাদ দেওয়ার অপপ্রচার করছে তৃণমূল, এই অভিযোগেও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজপি। পূর্ববঙ্গ থেকে আগত কোনও শরণার্থীকেই কোনও রকম ভাবে অসুবিধায় পড়তে হবে না বলে বিজেপি আশ্বাস দিয়েছে। রাজ্যের প্রত্যেক হিন্দুর জীবনকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব বিজেপির, এই অভয় বাণী দিতেও শোনা গিয়েছে।

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, “অবৈধ সরকারের অবৈধ নির্বাচন”, ইউনূসকে আক্রমণ হাসিনার দলের

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, “অবৈধ সরকারের অবৈধ নির্বাচন”, ইউনূসকে আক্রমণ হাসিনার দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিনেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের (Bangladesh Election) ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হবে। তাই ইউনূসের ইচ্ছানুসারেই ঘোষণা হল নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তবে এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বাংলাদেশ আওয়ামি লিগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরুদ্দিন ঘোষণা করেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে জাতীয় সংসদের নির্বাচন এবং জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হবে। একই ভাবে নিষিদ্ধ করা আওয়ামি লিগ অংশ নিতে পারেব না বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দল এক বিবৃতি দিয়ে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রত্যাখান করার কথা ঘোষণা করেছে।

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট (Bangladesh Election)

    বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশন এএমএম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে বলেছেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে হবে গণভোট। এক দফাতেই আয়োজন হবে নির্বাচনের। এদিন নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নেওয়া হবে ভোট। সকাল সাতটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নের তারিখও জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন দাখিল পর্ব চলবে ২৯ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন গৃহীত হলে, কোনও প্রার্থীর প্রত্যহার হলে সেই তালিকা দেওয়া হবে ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ তারিখ দেওয়া হবে প্রতীক দেওয়ার কাজ। ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ভোট প্রচারের কাজ। তবে এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের দিনেই ঘোষণা হবে গণভোট। এটাও একটা ঐতিহাসিক ঘটনা। একদিকে নির্বাচনের (Bangladesh) জন্য থাকবে সাদা ব্যালট ওপর দিকে গণভোটের জন্য থাকবে গোলাপি ব্যালট।

    ‘‘খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গ্যাংয়ের অবৈধ নির্বাচন’’

    ইউনূস সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামি লিগ একটি লিখিত বিবৃতি আকারে জানিয়েছে, “বাংলাদেশ (Bangladesh) আওয়ামি লিগ গভীর ভাবে অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গ্যাংয়ের অবৈধ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল পর্যবেক্ষণ করেছে। এটা সুস্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত যে, বর্তমান দখলদার বাহিনী শতভাগ পক্ষপাতদুষ্ট এবং তাদের অধীনে সুষ্ঠ-স্বাভাবিক পরিবেশ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে জনগণের মতমতের প্রতিফলন অসম্ভব। হাসিনার দলের অবশ্য দাবি, নির্বাচনে রাজনৈতিক ভাবেই লড়াই আর জনপ্রিয়তাই দলের মাপকাঠি। আওয়ামি লিগ দল নির্বাচনমুখী দল, জনগণের সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর মতো শক্তি কোনও দলেরই নেই। আওয়ামি লিগের শক্তি, সাহস এবং সামর্থ রক্ষায় বিশেষভাবে সক্ষম। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আমরা এখনও পর্যন্ত ১৩টি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছি তাঁর মধ্যে ৯টিতে ব্যাপক ভাবে জয়ী হয়েছে।

    রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি চাই

    অন্তর্বর্তী সরকারে গভীর চক্রান্তে বাংলাদেশের (Bangladesh) নির্বাচন এখন একটি প্রহসনে পরিণত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সহমর্মতা রয়েছে এমন রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একটা বড় অংশকে ষড়যন্ত্র করে বাইরে রাখা হয়েছে। সমগ্র দেশ এবং জাতিকে একটা সঙ্কটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই হাসিনার দলের দাবি, বাংলাদেশ আওয়ামি লিগের উপর আরোপিত সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা-সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি চাই। বর্তমান বর্ণচোরা দখলদার সরকার বাদ দিয়ে নির্বাচনকালীন একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

    ইউনূসের প্রতিক্রিয়া

    অপর দিকে নির্বাচন এবং গণভোট ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করল। ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ এখন যে নতুন পথে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এই তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করবে। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে স্বাধীনভাবে, নিরপেক্ষভাবে এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে।”

  • India’s Desi GPS: দেশীয় জিপিএস ‘নাবিক’ তৈরি করেছে ভারত, কোথায় ব্যবহার হচ্ছে জানেন?

    India’s Desi GPS: দেশীয় জিপিএস ‘নাবিক’ তৈরি করেছে ভারত, কোথায় ব্যবহার হচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে এখন দেশীয় উৎপাদনে বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। তারই একটি উদাহরণ হল স্বদেশীয় জিপিএস সিস্টেম— নেভিগেশন থ্রু ইন্ডিয়ান কনস্টিলেশন বা ‘নাবিক’ (India’s Desi GPS), যা তৈরি করেছে ভারতের তুখোড় প্রযুক্তিবিদরা। এই অত্যাধুনিক জিপিএস সিস্টেম এখন ১৫ লক্ষ গাড়ি থেকে শুরু করে ১০ হাজার ট্রেনে, ৩০ হাজারের বেশি মাছ ধরার ট্রলারে, ৬০টির বেশি স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হচ্ছে। গবেষকরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে আরও একধাপ।

    মহাকাশ বিভাগ সম্প্রসারিত করেছে (India’s Desi GPS)

    লোকসভায় এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, “মহাকাশ বিভাগ দেশব্যাপী নাবিক (India’s Desi GPS) প্রযুক্তির ব্যবহারকে সম্প্রসারিত করছে। নাবিকক ব্যবহারে করা হচ্ছে একাধিক কর্মকাণ্ড। এই সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে পাইলট প্রকল্প, ভারতীয় শিল্পে প্রযুক্তি স্থানান্তর, প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং পরীক্ষামূলক সহায়তা। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এখন ডিওএস বা মহাকাশ বিভাগ কাজ করে চলেছে। ধারাবাহিক, নিরবচ্ছিন্ন এবং পণ্য পরিবহণকে সরল এবং সহজ করতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। এই জন্য নাবিককে অত্যাধুনিক ভাবে তৈরি করা হয়েছে। গ্লোবাল পজিশন সেট করতে বিরাট ভূমিকা পালন করবে দেশীয় উৎপাদন নাবিক।”

    পিএনটি অ্যাপ্লিকেশন নাবিকের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নাবিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার নির্মিত ৬০টির বেশি অতিরিক্ত স্মার্ট মোবাইলে নাবিককে যুক্ত করা হয়েছে। এই নাবিককে ব্যবহার করে যে যে ক্ষেত্রে কাজ করা যাবে তাঁর মধ্যে হল ১> রিয়েল টাইম ট্রেন ট্র্যাকিং (India’s Desi GPS)। এখানে ১০ হাজারের বেশি ট্রেনে নাবিক ট্র্যাকিং ডিভাইস রয়েছে। ২> মাছ ধরার ট্রলার ট্র্যাকিং, যেখানে ৩০ হাজারের বেশি জাহাজে নাবিক ট্রান্সপন্ডার রয়েছে। পাবলিক এবং বাণিজ্যিক যানবাহন পরিচালনায় ট্র্যাকিং যেখানে ১৫ লক্ষের বেশি গাড়িতে স্থাপন করা হয়েছে নাবিক।” তবে সরকার ভারতীয় স্মার্টফোন বা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিগুলির তৈরি ডিভাইসগুলিতে নাবিকের ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত করেছে। তবে নাবিককে এখনও বাধ্যতামূলক করা হয়নি। পজিশন, নেভিগেশন এবং টাইমিং অর্থাৎ পিএনটি অ্যাপ্লিকেশনের জন্য নাবিকের অসামরিক সিগন্যালগুলি অবাধে ব্যবহার করতে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share