Tag: madhyom news

madhyom news

  • Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ সময় শেষ হওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিক (Diplomat Relations) সিলেটের সিনিয়র কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে বলেছেন, “ভারত শীঘ্রই বাংলাদেশে সমস্ত ভিসা পরিষেবা চালু করবে। সমস্ত ভিসা পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ততার পর্যায়ে পৌঁছে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তালানিতে যায়।

    সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনিরুদ্ধ দাস বিডিনিউজ২৪-কে বলেছেন, “ভারত-বাংলাদেশ (Bangladesh) সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের উপর প্রতিষ্ঠিত। এখন মেডিকেল এবং ডাবল-এন্ট্রি ভিসা জারি করা হচ্ছে, এবং ভ্রমণ ভিসা সহ অন্যান্য বিভাগ পুনরায় চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের (Diplomat Relations) ক্ষেত্রে উভয় দেশের সাধারণ মানুষই প্রধান অংশীদার হবেন। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা। তাই একে অপরের পরিপূরক সম্পর্ক নির্মাণে আগ্রহী।”

    আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার করণে বন্ধ ভিসা

    ২০০৯ সালে হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো ছিল। নয়াদিল্লি হাসিনার শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে। কিন্তু ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে পৌঁছায়। ইউনূসের শাসনামলে ভারত-বিরোধী মৌলবাদীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই সময় বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী প্রচারণা তুঙ্গে ওঠে। ভারত সরকারের বিদেশমন্ত্রক আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।

    ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি শপথ গ্রহণে গিয়েছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যথেষ্ট ইতিবাচক বৈঠক হয়। উভয় পক্ষই দীর্ঘ ইতিহাসের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের (Diplomat Relations) জন্য কাজ করবে বলে আশ্বাস বিনিময়ও করেন।

    ভারত কেন বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছিল?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) জুলাই মাসের বিদ্রোহের মাঝামাঝি এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে বিতারিত হওয়ার পর ভারত প্রথমবারের মতো ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ভিসা স্থগিত করে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের সমস্ত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) এর কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ২০২৫ সালের শুরুর দিকে এবং ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে, ভিসা প্রদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের আগে দৈনিক ইস্যু করা ভিসার সংখ্যা ৮,০০০ থেকে বর্তমানে কমে প্রায় ১,৫০০-এ দাঁড়িয়েছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভিসা স্থগিতাদেশের পরবর্তী দফা শুরু হয়, যখন উগ্রপন্থী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ভারত বিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছিল। ১৭ নভেম্বর ঢাকা আইভিএসি বন্ধ হয়ে যায়, তারপরে ২২ নভেম্বর চট্টগ্রাম, খুলনা এবং রাজশাহী কেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা এবং অন্যান্য কনস্যুলারগুলিতে ভিসা পরিষেবা (Diplomat Relations) স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

  • India Ai Summit: ‘‘ভারত এমন কিছু তৈরি করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি’’, ইউপিআই-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মাক্রঁ

    India Ai Summit: ‘‘ভারত এমন কিছু তৈরি করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি’’, ইউপিআই-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মাক্রঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইমানুয়েল মাক্রঁ  (Emmanuel Macron)। বললেন, “ভারত এমন কিছু তৈরি করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি।” এআই সামিটে (India Ai Summit) ডিজিটাল বিপ্লবের প্রশংসা করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। তিনি ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম ইউপিআই (UPI) -এর প্রশংসা করে বলেন, “ভারত এমন একটি কৃতিত্ব অর্জন করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি।১৪০ কোটি মানুষের জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয় তৈরি করা কম বড় বিষয় নয়।”

    ভারত পরিবর্তনের উদাহরণ (India Ai Summit)

    দিল্লিতে এআই সামিটে (India Ai Summit) বক্তব্য রাখার সময় মাক্রঁ (Emmanuel Macron) একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “দশ বছর আগে মুম্বইয়ের একজন হকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারতেন না— ঠিকানা নেই, কাগজপত্র নেই, সুযোগ নেই। আজ সেই একই হকার তাঁর ফোনের মাধ্যমে দেশের যে কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এবং বিনামূল্যে পেমেন্ট গ্রহণ করছেন। এটা গোটা বিশ্বের কাছে বিরাট আলোড়ন।”

    ইউপিআইতে মোহিত মাক্রঁ

    তবে এই (India Ai Summit) প্রথমবার নয় যে, মাক্রঁ (Emmanuel Macron) ইউপিআই-এর প্রশংসা করলেন। ২০২৪ সালে ভারত সফরের সময় জয়পুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চা খাওয়ার পর মোদি যখন নিজের ফোনে থাকা ইউপিআই ব্যবহার করে বিল মেটান, তখন মাক্রঁ বেশ অবাক ও অভিভূত হয়েছিলেন। বলেছিলেন, ভারতের মতো দেশে এই ডিজিটাল লেনদেন অত্যন্ত চমৎকার।

    ফ্রান্সে ইউপিআই

    ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারতীয় পর্যটকরা ফ্রান্সে ইউপিআই ব্যবহার করতে পারবেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্রান্স ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম গ্রহণ করে। ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট সংস্থা এনপিসিআই (NPCI) ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টস লিমিটেড এবং ফরাসি সংস্থা লাইরা (Lyra)-এর মধ্যে একটি চুক্তির দৌলতে ফ্রান্সজুড়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বিপণীগুলিতে ইউপিআই (UPI) ব্যবহার শুরু হয়। এতে দুই দেশের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্টে বিরাট গতি আসে। এর ফলে ফ্রান্সে ভারতীয় পর্যটক এবং পড়ুয়ারা তাদের ফোন থেকে ইউপিআই (UPI) অ্যাপ ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারেন।

    ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক

    তাঁকে এআই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাক্রঁ বলেন, “এআই সামিটে (India Ai Summit) ফিরে আসাটা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং এই প্ল্যাটফর্মটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিশ্বব্যাপী ভবিষ্যৎ গঠনে বড় ভূমিকা পালন করবে।” মাক্রঁর (Emmanuel Macron) এই প্রশংসা দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটায়।

  • Bangladesh: হিন্দু পুলিশকে খুন করেছিল বুক ফুলিয়ে! বিদেশে পালানোর পথে দিল্লিতে আটক, ঢাকায় ফেরত পাঠানো হল সেই মেহেদিকে

    Bangladesh: হিন্দু পুলিশকে খুন করেছিল বুক ফুলিয়ে! বিদেশে পালানোর পথে দিল্লিতে আটক, ঢাকায় ফেরত পাঠানো হল সেই মেহেদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পেলেও অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ ছিলেন ডক্টর মহম্মদ ইউনূস। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দু সমাজের উপর নেমে আসে বিরাট অত্যাচার। লুটপাট, খুন, ধর্ষণ, মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা অতি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। সেই সময় যেসব হিন্দু পুলিশ অফিসারকে নৃশংস ভাবে হত্যা (Killing Hindu) করা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি। বুধবার অভিযুক্ত এই যুবককে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করে বাংলাদেশে (Bangladesh) ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেফ ট্রানজিট হিসেবে ভারতকে ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় এই খুনি।

    বুক ফুলিয়ে স্বীকার (Bangladesh)

    আহমেদ রাজা হাসান মেহদি হল সেই ব্যক্তি যে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে স্বীকার করেছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে হত্যার (Killing Hindu) কথা। যেহেতু বাংলাদেশে বিএনপি সরকার গঠন করেছে তাই পুরনো খুন-হত্যার মামলার তদন্ত শুরু হতে পারে। এই আশঙ্কা এবং ভয়ে মেহেদি বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে অন্যত্র পালানোর চেষ্টা করছিল বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশে জামায়েত ইসলামি (জামাত শিবির) এবং কট্টর মৌলবাদীরা যাকে জুলাইয়ের বিপ্লব বলছে, তা আদতে একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্র ছিল। পুলিশ প্রশাসন, হাসিনার দল এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আক্রমণ করে কট্টরপন্থীরা । গোটা বাংলাদেশের আর্থিক, সামাজিক অস্থিরতায় দেশের জনজীবনকে ব্যাপক ভাবে ভয়াবহতার দিকে নিয়ে চলে গিয়েছে। এই সব চক্রের পিছনে অন্যতম নেতৃত্ব ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদিরও।

    হত্যা করে দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়

    বাংলাদেশের (Bangladesh) হবিগঞ্জের স্টুডেন্ট কো-অর্ডিনেটর ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি। ২০২৪ সালে সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ কোটা বিরোধিতার নামে উত্তাল হয়ে ওঠে। উন্মত্ত ছাত্র জনতার হাতে নির্মম ভাবে খুন হন বেনিয়াচ্যাং থানার সব ইনস্পেক্টর সন্তোষ চৌধুরী। হত্যা করে তাঁর দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন সন্তোষ। মাত্র ১০ মাস হয়েছিল বিবাহের। সন্তোষের মৃত্যুর তিনমাস পরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। উল্লেখ্য মেহেদি নিজেই স্বীকার করেছিল, সে নিজে ওই পুলিশ অফিসারকে খুন করেছে। বাংলাদেশের একটি থানার ভিতরে বসে মেহেদির ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    ‘‘সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম’’

    মেহেদি বলেছিল, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম (Killing Hindu), এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।” ২০২৪ সালে থানায় বসে পুলিশের সামনে পুলিশ হত্যার কথা স্বীকার করে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছিল মেহেদি। যদিও এই বক্তব্যের পর তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল, তবে কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্তি পেয়ে গিয়েছিল। এবার বাংলাদেশে পট-পরিবর্তন হওয়ায় ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল মেহেদি। সেই কারণে, ট্রানজিট করতে ভারতে এসেছিল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারে এসেছিল মেহেদি। তার গন্তব্য ছিল ফিনল্যান্ডে। সেখানেই ভিসা আবেদন করতে আসে সে। এরপর সেখানেই তাকে অনেক চিনে ফেলেন। তার চলাফেরাকে ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হয় মেহেদিকে। তবে মেহেদির অভিযোগ, তাকে ফোন করে নাকি প্রচুর পরিমাণে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

    ধরা পড়ার পর মেহেদির বক্তব্য

    মেহেদির ভারত ও ইউরোপ ভ্রমণের পরিকল্পনা সম্পর্কে ভারতী সরকারের কাছে পূর্ব তথ্য ছিল। এর ভিত্তিতে, দিল্লি বিমানবন্দরের অভিবাসন বিভাগ  বিমান ওড়ার আগেই তাকে আটক করে। ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে রেকর্ড করা একটি ভিডিওতে মেহেদি অভিযোগ করে, আটকের সময় পুলিশ কর্মকর্তারা তার সঙ্গে  দুর্ব্যবহার করেছে। তাকে প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল এবং তার ফোন পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশে ফিরে আসার পর এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় মেহেদি।

    ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় আটক

    জানা গিয়েছে, মেহেদি ভারতের পথ ধরে ইউরোপে পালিয়ে যাচ্ছিল। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ইমিগ্রেশনে আটক করে বাংলাদেশের ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয় মেহেদিকে। বাংলাদেশ হাইকমিশনও মেহেদির ধরা পড়া এবং ঢাকায় (Bangladesh) ফেরত পাঠানোর বিষয়কে সুনিশ্চিত করেছে। আবার বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মেহেদিকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর তাকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শেষে দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে নিরাপত্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। দিল্লি থেকে ইন্ডিগোর উড়ানে নাকি ঢাকায় ফেরে মেহেদি।  বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার।

  • SIR: এসআইআর-এ গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

    SIR: এসআইআর-এ গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এ (SIR) গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন (Election Commisson)। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কোনও ভাবেই আপসের রাস্তায় হাঁটছে না। অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে ভোটার তালিকা সংশোধনে হস্তক্ষেপ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। নিজের দায়িত্বকে অন্যের হাতে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু (SIR)

    মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commisson) এক্স হ্যান্ডল থেকে একটি পোস্টে জানা গিয়েছে, কমিশন জেলা থেকে রিপোর্টের ভিত্তিতে বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচনে ভোটার তালিকা সংশোধন করার কাজে আধিকারিকদের নিজ নিজ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। এই কাজ কোনও ভাবেই অন্যের মাধ্যমে করা যাবে না। মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিযুক্ত বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, ইউকো ব্যাঙ্কের সিনিয়র ম্যানেজার এবং ইন্সপেক্টর অফ সেন্ট্রাল ট্যাক্স সিজিএসটি অ্যান্ড সিএক্সকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই তিনজনের (SIR) বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    অনলাইনে ভোটারের নাম অনলাইনে তোলা হয়নি

    অপর দিকে নিবিড় তালিকা সংশোধনের (SIR) শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম অনলাইনে তোলা হয়নি। সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২ জন। এই সমস্ত নথি আপলোড হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের শোকজ করবে নির্বাচন কমিশন। জেলা ভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, কোচবিহারে ১০,৪৭৯, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০২৮৫, উত্তর কলকাতায় ১৫০৩১, উত্তর ২৪ পরগনা ২০৭০৭ নথি এখনও সিস্টেমে তোলা হয়নি। ফলে কাজের গতি এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক ভাবে রয়েছে। হাওড়াতেও বাকি ১০,৪৯৯। এছাড়া দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি আপলোডের অপেক্ষায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইআরও-এইআরও-দের শোকজ করা হবে বলে সিইও দফতর সূত্রে খবর।

  • Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পাজামার ফিতে খোলা ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সম্প্রতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছে। যৌন অপরাধ সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একটি বড় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে শীর্ষ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও মহিলার শরীরের গোপনাঙ্গ স্পর্শ করা বা জোরপূর্বক তার পাজামার ফিতে খোলার চেষ্টা করা কেবল ‘শ্লীলতাহানি’ নয়, বরং এটি ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ (Attempt to Rape) হিসেবে বিবেচিত হবে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Attempt to Rape)

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতিদের একটি মামলার রায়ে বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি কোনও অভিযুক্তের আচরণ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে তার উদ্দেশ্য যৌন সঙ্গম স্থাপন করা। তাহলে সেই কাজকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার সাথে ৫১১ ধারা অর্থাৎ ধর্ষণের চেষ্টা যুক্ত করে মামলা দায়ের করে বিচার করতে হবে। ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) মতো সংবেদনশীল মামলায় এই আদেশ কার্যকর হবে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, নারীর মর্যাদা এবং শারীরিক অখণ্ডতা রক্ষা করা আইনের প্রধান লক্ষ্য। পাজামার ফিতে খোলা বা অন্যায়ভাবে স্পর্শ করাকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই, কারণ এটি অপরাধীর চূড়ান্ত যৌন লালসা চরিতার্থ করার একটি প্রাথমিক ও সরাসরি পদক্ষেপ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সুপ্রিম কোর্টের এই রায়টি এসেছে একটি পুরনো মামলার প্রেক্ষিতে। এক অভিযুক্ত অপর আরেক মহিলার পায়জামার ফিতে খুলে তাকে যৌন হেনস্থা (Attempt to Rape) করার চেষ্টা করেছিল। এরপর সওয়াল জবাবের পর নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্টের রায়ের পর্যালোচনার পর শীর্ষ আদালত এই কঠোর অবস্থান নেয়। নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে এই রায় ভীষণ ভাবে প্রাসঙ্গিক।

    পার্থক্য নিরূপণ

    আদালত স্পষ্ট করেছে ‘শ্লীলতাহানি’ (Outraging Modesty) এবং ‘ধর্ষণের চেষ্টা’র মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা রয়েছে। যদি অভিযুক্তের পদক্ষেপ অপরাধ সম্পন্ন করার বা ধর্ষণ করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তবে সেটি কেবল শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) ধারায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। তখন তা ধর্ষণের ধারায় যুক্ত হবে। এই রায়ের ফলে এখন থেকে এই ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের আরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আগে অনেক ক্ষেত্রে এই ধরণের অপরাধকে কেবল শ্লীলতাহানি হিসেবে দেখা হতো, যাতে শাস্তির মেয়াদ কম ছিল।

  • Ramakrishna 584: “যে ব্যক্তি সদাসর্বদা ঈশ্বরচিন্তা করে, সেই জানতে পারে, তাঁর স্বরূপ কি”

    Ramakrishna 584: “যে ব্যক্তি সদাসর্বদা ঈশ্বরচিন্তা করে, সেই জানতে পারে, তাঁর স্বরূপ কি”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঈশ্বরকে লাভ না করতে পারলে, এ-সব বুঝা যায় না। সাধকের জন্য তিনি নানাভাবে নানারূপে দেখা দেন। একজনের এক গামলা রঙ ছিল। অনেকে তার কাছে কাপড় রঙ করাতে আসত। সে লোকটি জিজ্ঞাসা করত, তুমি কি রঙে ছোপাতে চাও। একজন হয়তো বললে, ‘আমি লাল রঙে ছোপাতে চাই।’ অমনি সেই লোকটি গামলার রঙে সেও কাপড়খানি ছুপিয়ে বলত, ‘এই লও, তোমার লাল রঙে ছোপানো কাপড়।’ আর-একজন হয়তো বললে, ‘আমার হলদে রঙে ছোপানো চাই।’ অমনি সেই লোকটি সেই গামলায় কাপড়খানি ডুবিয়ে বলত, ‘এই লও তোমার হলদে রঙ।’ নীল রঙে ছোপাতে চাইলে আবার সেই একই গামলায় ডুবিয়ে সেই কথা, ‘এই লও তোমার নীল রঙে ছোপানো কাপড়।’ এইরকমে যে যে রঙে ছোপাতে চাইত, তার কাপড় সেই রঙে সেই একই গামলা হতে ছোপানো হত। একজন লোক এই আশ্চর্য ব্যাপার দেখছিল (Kathamrita)। যার গামলা, সে জিজ্ঞাসা করলে, ‘কেমন হে! তোমার কি রঙে ছোপাতে হবে?’ তখন সে বললে, ‘ভাই! তুমি যে রঙে রঙেছ, আমায় সেই রঙ দাও!’ (সকলের হাস্য)

    “একজন বাহ্যে গিছিল—দেখলে, গাছের উপর একটি সুন্দর জানোয়ার রয়েছে। সে ক্রমে আর একজনকে বললে, ‘ভাই! অমুক গাছে আমি একটি লাল রঙের জানোয়ার দেখে এলুম।’ সে লোকটি বললে, ‘আমিও দেখেছি, তা সে লাল রঙ হতে যাবে কেন? সে যে সবুজ রঙ।’ আর একজন বললে, না, না; সে সবুজ হতে যাবে কেন, কালো ইত্যাদি। শেষে ঝগড়া। তখন তারা গাছতলায় গিয়ে দেখে একজন লোক বসে। জিজ্ঞাসা করায়, সে বললে, ‘আমি এই গাছতলায় থাকি, আমি সে জানোয়ারটিকে বেশ জানি। তোমারা যা যা বলছো সব সত্য, সে কখনও লাল, কখনও সবুজ, কখনও হলদে, কখনও নীল আরও সব কত কি হয়। আবার কখনও দেখি কোন রঙই নাই (Kathamrita)!’

    “যে ব্যক্তি সদাসর্বদা ঈশ্বরচিন্তা (Ramakrishna) করে, সেই জানতে পারে, তাঁর স্বরূপ কি। সে ব্যক্তিই জানে যে ঈশ্বর নানারূপে দেখা দেন। নানাভাবে দেখা দেন। তিনি সগুণ আবার নির্গুণ। গাছতলায় যে থাকে সেই জানে যে, বহুরূপীর নানারঙ, আবার কখন কখন কোন রঙই থাকে না। অন্য লোকে কেবল তর্ক ঝগড়া করে কষ্ট পায়।

  • Supreme Court: “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় আমরাই আতঙ্কিত”, সুপ্রিম কোর্টে ইডি

    Supreme Court: “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় আমরাই আতঙ্কিত”, সুপ্রিম কোর্টে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কোর্টকে বুধবার সাফ কথায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বলেছে,“ইডিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় ইডিই আতঙ্কিত হয়েছে।” অপর দিকে ইডির পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথার ইডিকে টার্গেট করে বলেন, “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ইডিকে।”

    গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নিয়ে যান। এই ভাবে তদন্তকে প্রভাবিত করার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি।

    শুনানির দিনেই ইডি হলফনামা জারি (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এদিন বিচারপতি হিসেবে ছিলেন, প্রশান্ত কুমার মিশ্র, বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন। ইডির পক্ষে প্রশ্ন তোলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু। এর আগে মমতার আইনজীবী কপিল সিব্বলের অসুস্থতার জন্য শুনানি একবার স্থগিত রাখা হয়েছিল। এরপর আদালত ১৮ ফেব্রিয়ারি পরবর্তী শুনানি ঘোষণা হয়। এদিন সলিসেটার জেলারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ইডি শুনানির দিনেই ইডি হলফনামা জারি করে। এরপর ১৮ মার্চ পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

    পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে মমতার (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ইডি জানিয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ চাই।” যদিও কোর্টের তরফে ১৫ জানুয়ারি একটি নির্দেশনামায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ দেয়। সেই সঙ্গে ৮ জানুয়ারি তল্লাশি অভিযান দিনের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল রেকর্ড সংগ্রহ করতে বলা হয়।

    দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত আইপ্যাক কর্তা

    ওপরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আইনজীবী আদালতে (Supreme Court) নিজেদের হালফ নামা দিয়ে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের গোপন এবং মালিকানাধীন তথ্য উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে আরও দাবি করা হয়, গত ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আই প্যাকের সহ প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে এবং বিধাননগরে ভারতীয় কর্ম কমিটির আইপ্যাক দফতরে তল্লাশির সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে বলে খবর পান। মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তথ্য এবং ডিভাইসগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তদন্তকারী অফিসাররা পাত্তা দেননি। এরপর বাধ্য হয়ে নিজের কিছু ডিভাইস নিয়ে চলে যান। এখানে যাকে অভিযুক্ত বলা হচ্ছে তিনি কোন মামলায় অভিযুক্ত নন ফলে দলের মালিকানাধীন তথ্যের উপর ইডির কোনও অধিকার নেই। ২০২৬ সালের আগে এই ভাবে ইডির এই অভিযান অত্যন্ত উদ্দেশ্য প্রণেদিত। এই অফিসে আইপ্যাকের দফতরে আসন্ন নির্বাচনের তালিকা এবং আরও নথি ছিল। এক প্রকার ইডির এই ভাবনা গোপন রাজনৈতিক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য নিয়ে তল্লাশি চালানো।

  • India AI Impact Summit: চিনা রোবট-কুকুরকে নিজস্ব উদ্ভাবন দাবি করায় এআই সম্মেলন থেকে বরখাস্ত গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

    India AI Impact Summit: চিনা রোবট-কুকুরকে নিজস্ব উদ্ভাবন দাবি করায় এআই সম্মেলন থেকে বরখাস্ত গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে তৈরি রোবট-কুকুর নিয়ে বিতর্কের জেরে গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে (Galgotia University) ইন্ডিয়া এআই সামিট থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানে আয়োজিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (India AI Impact Summit) থেকে গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের স্টল সরিয়ে নিতে এবং জায়গা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিনে তৈরি একটি রোবট-কুকুরকে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি হিসেবে প্রদর্শনের দায়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে ‘ওরিয়ন’ (India AI Impact Summit)

    পুরো ঘটনাটি ঠিক কী? জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (India AI Impact Summit) গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্টলে (Galgotia University) সরাসরি চিনে তৈরি করা একটি রোবট-কুকুরকে নিজেদের উদ্ভাবন ও উৎপাদন দাবি করে প্রচার করে বেরিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করে, ওই  রোবট-কুকুরটির নাম ‘ওরিয়ন’। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা দাবি করেছিলেন যে, এটি তাদের নিজস্ব ৩৫০ কোটি টাকার এআই প্রজেক্টের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা যায় যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে এই রোবটটির ভিডিও শেয়ার করে প্রশংসা করেছিলেন।

    একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কীভাবে এটা করল?

    কিন্তু পরে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি যাকে নিজেদের উদ্ভাবন হিসেবে তুলে ধরছে সেটি আসলে চিনা কোম্পানি ‘ইউনিট্রি’ (Unitree) তৈরি করেছে। যার দাম আনুমানিক ২-৩ লক্ষ টাকা। সামাজিক মাধ্যমের অনেকই তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে নেট নাগরিকরা বলেন, রোবটটি আসলে ইউনিট্রি গো-২ (Unitree Go2) মডেলের একটি চিনা পণ্য, যা অনলাইনে সহজেই কেনা যায়। এমনকি রোবটটির শরীরের এক জায়গায় চিনা কোম্পানির লোগোও স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল। খবর জানাজানি হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। প্রশ্ন ওঠে, কীভাবে অন্য দেশের প্রস্তুত সামগ্রীকে নিজেদের বলে প্রচার করল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান? একটি চিনা সংস্থার তৈরি পণ্যকে নিজেদের বলে দাবি করে ফলাও প্রচার চালানো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। নেটাগরিকদের একাংশ কেন্দ্রীয় সরকারকেও একহাত নেয়। তাদের প্রশ্ন, কী করে এধরনের জিনিস সম্মেলনে প্রবেশ করল? কেন কেউ খতিয়ে দেখল না? এর পরই, পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। এইভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এআই সামিটে অংশগ্রহণ করায় কড়া অবস্থান নিয়েছে আয়োজক সংস্থা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা

    সরকারের কড়া পদক্ষেপ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এআই সামিটের (India AI Impact Summit) আয়োজকরা। কারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে চিনা পণ্যকে ‘ভারতীয় উদ্ভাবন’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। এর ফলে মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) এবং ভারতের এআই মিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে এই বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয় (Galgotia University) কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে সামিট প্রাঙ্গণ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশের পর তাদের স্টলটি ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    চিনের একটি সংস্থার দাবি

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Galgotia University) বক্তব্যের বিরুদ্ধে একটি এক্স হ্যান্ডল কমিউনিটি ব্যাপক ভাবে আপত্তি জানিয়েছে। এতে দাবি করা হয়, রোবটটিকে নিজস্ব হিসেবে উপস্থাপন করেনি বলে যে দাবি করছে তা কার্যত মিথ্যা। কমিউনিটি নোটে বলা হয়েছে, এআই সামিটের (India AI Impact Summit) উপস্থাপনার সময় রোবটটিকে স্পষ্টভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তৈরি করেছে বলে বর্ণনা করেছিল। এমনকি চিন-সংযুক্ত একটি এক্স অ্যাকাউন্টও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিটি পোস্ট করেছে। দিল্লিতে এআই সামিটে এই বিতর্কিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিনা রোবট ইউনিট্রি গো২-কে তাদের নিজস্ব উদ্ভাবন হিসেবে সাফ জানিয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য

    গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Galgotia University) তরফে বলা হয়, আমরা কখনই বলেনি যে রোবটটি আমাদের তৈরি। এটিকে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য এবং এআই সিস্টেম পরীক্ষার জন্য কেনা হয়েছিল। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, রোবটটির সফটওয়্যার মডিউল নিয়ে তারা কাজ করছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে (India AI Impact Summit) দেখা যাচ্ছে কীভাবে তাঁকে ঘিরে একতা উত্তেজনা এবং আকর্ষণের ভরকেন্দ্র হয়েছে। রোবোডগটি আসলে একটি চীন-নির্মিত ইউনিট্রি গো২ এবং অভ্যন্তরীণ উদ্ভাবন নয়। প্রকৃতপক্ষে, ইউনিট্রি গো২ একটি বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ, ব্যাপকভাবে উৎপাদিত রোবোডগ যা প্রায় ২-৩ লক্ষ টাকা দিয়ে সহজেই কেনা যায়।

    কংগ্রেসের তোপ

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বিরোধীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারকে কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপি সরকার যাচাই না করেই চিনা পণ্যকে ভারতের সাফল্য হিসেবে প্রচার করছে। এই ‘রোবোডগ ফিয়াস্কো’ বা রোবট-কুকুর কেলেঙ্কারি (India AI Impact Summit) বর্তমানে ভারতের প্রযুক্তি মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সরকারকে আরও দায়বদ্ধতার দিকে নজর দিতে হবে।

  • Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের জন্য নির্বাচন কমিশন দিন ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য মোট ৫টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসনে ভোট গ্রহণ হবে। আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ আসন-সহ দেশের মোট ৩৭টি রাজ্যসভার আসনে ভোট হবে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ৩৭টি আসনে নির্বাচনের (Election Commission) জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৬ মার্চ, এবং প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ মার্চ। ভোটগ্রহণ ১৬ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এর পরে, ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোট গণনা একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা ২০ মার্চ।

    পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে (Election Commission)

    রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদের মধ্যে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন মৌসুম বেনজির নূর। তৃণমূলের এখন রাজ্যসভায় সাংসদ রয়েছেন সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী। যাদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২ এপ্রিল। সেই সঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে কার্যকালের মেয়াদ দেশ করবেন সিপিএমের নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিধানসভার প্রেক্ষিতে ৫ আসনের মধ্যে ৪টিতে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় খুব পাকা। বিধানসভায় বিজেপির সমীকরণ অনুযায়ী একটি আসনে জয়ী (Election Commission) হওয়ার কথা বিজেপির। তবে পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে।

    কোন রাজ্যে কটা আসন?

    ১০টি রাজ্য থেকে মোট ৩৭টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসন খালি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক সংখ্যক আসন রয়েছে ৭টি, তামিলনাড়ু-বিহারে মোট ৬টি করে, পশ্চিমবঙ্গে ৫টি, ওড়িশায় ৪টি, আসামে ৩টি, তেলেঙ্গানায়-ছত্তিশগড়-হরিয়ানায় ২টি করে, হিমাচল প্রদেশে ১টি করে। তবে রাজ্যভার এই আসনগুলিতে এপ্রিল মাসে সদস্যদের অবসর গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, “আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে নির্বাচনের জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়ন যাচাই করা হবে ৬ মার্চ। মনোনয়ন প্রত্যহারের শেষদিন ৯ মার্চ। তবে একটি আসনে যদি মাত্র একজন মনোনয়ন জমা করেন তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না।

  • SIR in Bengal: কমিশনের কড়া ‘ডোজ’, সময়সীমা শেষের আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রাজ্যের

    SIR in Bengal: কমিশনের কড়া ‘ডোজ’, সময়সীমা শেষের আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিল জাতীয় কমিশন। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সময় অতিক্রম করার আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর (SIR in Bengal) করল রাজ্য সরকার। এই চার জনের মধ্যে ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও। শেষ পর্যন্ত কমিশনের চাপে রাজ্য সরকার এফআইআর করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য নিয়ম না মানলে এই রকম আরও অনেক এফআইআর (FIR files against 4 officials) হবে।

    নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা (SIR in Bengal)

    এসআইআর-এ (SIR in Bengal) ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও–র বিরুদ্ধে ভোটার লিস্টে কারচুপি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর সঙ্গে নাম জারিয়েছে ডেটা অপারেটারের। সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ না মানার অভিযোগও উঠেছিল নবান্নের বিরুদ্ধে। শেষে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা দেয় নির্বাচন কমিশন। চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার বিকেল ৪ টে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় শেষ হওয়ার আগেই সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR files against 4 officials) করল রাজ্য সরকার।

    এই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা নিয়ে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আইন নিশ্চয় মানব। আইন আইনের পথে চলবে। তুঘলকি কমিশনের যেটুকু আইন মানার প্রয়োজনে সেটা নিশ্চয় মানব। কিন্তু, তার একটা বাউন্ডারি আছে। বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে।”

    সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে

    অপরদিকে বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতকালই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেমন সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে, তেমন মুখ্যসচিবকে বলা হয়েছিল, যদি ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তাতে কাজ হয়েছে। ইআরও এবং এইআরও-দের (SIR in Bengal) কাছে স্পষ্ট বার্তা, সাত ও চার মিলে এগারো হল, এটা ১১১ হতে বেশি সময় লাগবে না। এটা ২০০২ সালের মতো এসআইআর হচ্ছে না। এখানে কোন বিএলও, কোন ইআরও, কোন ডিইও কী কাজ করছেন, তার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট রয়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কোনও গাফিলতি ধরা পড়লে, তাহলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে, তার হাল্কা ইঙ্গিত (FIR files against 4 officials) দিয়েছে।”

LinkedIn
Share