Tag: madhyom news

madhyom news

  • Winter Air Pollution: খোলা জায়গায় পোড়ানো প্লাস্টিক অত্যন্ত বিষাক্ত, কলকাতার বায়ু দূষণ নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Winter Air Pollution: খোলা জায়গায় পোড়ানো প্লাস্টিক অত্যন্ত বিষাক্ত, কলকাতার বায়ু দূষণ নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লার আগুন, যানবাহনের ধোঁয়া, অনিয়ন্ত্রিত কলকারখানা এবং শিল্প কেন্দ্রের বর্জ্য কলকাতার দূষিত বাতাসের প্রধান কারণ। অবশ্য আরও একটি কারণ রয়েছে, যাকে একেবারেই উপেক্ষা করা ঠিক নয় কিন্তু খুব কমই সমাধান নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হয়। এবার ভাবনা চিন্তা শুরু করা উচিত। আর তা হল বর্জ্য পোড়ানো এবং সেখান থেকে সৃষ্টি হওয়া ধোঁয়া। এই সবটাই পরিবেশকে (Winter Air Pollution) মারাত্মকভাবে দূষিত করে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, কঠিন বর্জ্যে প্লাস্টিক পোড়ানোর ফলে গুরুতরভাবে বেড়ে যায় স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। খোলা জায়গায় পোড়ানো হলে প্লাস্টিক অত্যন্ত বিষাক্ত এবং কার্সিনোজেনিক নির্গত করে।

    পিএম ১০ এবং পিএম ২.৫ দূষণ প্রধান কারণ

    ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কলকাতার দূষিত (Winter Air Pollution) বাতাসের প্রধান কারণ নির্ধারণের জন্য দ্য এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আবর্জনা পোড়ানো পিএম ১০ (PM10) এবং আরও মারাত্মক পিএম ২.৫ (PM2.5) উৎপাদনে ৫ শতাংশ ভূমিকা রাখে। এই উভয় ক্ষুদ্র কণাই আমরা বাতাসের সঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করি। এই দুটির মধ্যে, পিএম ২.৫, ২.৫ মাইক্রোমিটার বা তার কম ব্যাসের কণা হওয়ায় জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বৃহত্তর ঝুঁকি কারণ। এই বিষাক্ত কণাই (Kolkata Environment) মানুষের ফুসফুসে ঢুকতে পারে। যার পরিণতিতে অসুস্থতা এবং প্রাণহানিও ঘটতে পারে।

    বালিগঞ্জ, বিধাননগর, যাদবপুরে বায়ুর মান কেমন?

    প্রতি শীতকালে, কলকাতার বাতাসের মান নিম্নগামী হয় এবং তাপমাত্রার পারদও কমে যায়। শনিবার সকাল ১০ টায়, ভিক্টোরিয়ায় বাতাসের মান খুব খারাপ ছিল। বালিগঞ্জ, বিধাননগর, যাদবপুর এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিটি রোড ক্যাম্পাস) বাতাস আরও খারাপ ছিল। তবে ফোর্ট উইলিয়ম এবং রবীন্দ্র সরোবরে বাতাসের মান ছিল মাঝারি।

    কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড কর্তৃক প্রস্তুত জাতীয় বায়ু মানের সূচকে “মাঝারি” “ভালো” এবং “সন্তোষজনক” এর নীচে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। অপর দিকে “নিরাপদ” এবং “খুব খারাপে”র ওপর রয়েছে কলকাতার বাতাস। গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালে দূষণের (Winter Air Pollution) উৎসগুলি একেবারে যে থাকে না তা নয়, উষ্ণ বাতাস এবং বৃষ্টির মতো জলবায়ুগত (Kolkata Environment) কারণগুলি কিছু দূষণকারী পদার্থগুলিকে ছড়িয়ে দেয় বা ধুয়ে ফেলে। এতে দূষণের মাত্রাটা কিছুটা হলেও কম থাকে। তবে শীতকালে, বাতাস ঠান্ডা এবং ভারী থাকে। ফলে উষ্ণ বাতাসের মতো দ্রুত উপরে ওঠে না। শীতকালে বাতাসের গতিও সাধারণত কম থাকে। তাই এই সমস্ত দূষণকারী পদার্থগুলি আটকে থাকে নিম্ন বায়ুমণ্ডলে।

    দূষণে অংশীদারিত্ব কত?

    কলকাতায় দূষিত বাতাসের প্রধান উৎসগুলি হল ধুলো, কয়লা এবং জৈববস্তু পুড়িয়ে রান্না, যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমন, শিল্প দূষণ এবং আবর্জনা পোড়ানো। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হল ধুলো, পিএম ১০। দূষণ সৃষ্টির জন্য ৪৩ শতাংশ দায়ী। রাস্তার ধারের খাবারের দোকান, খোলা জায়গায় রান্নার জন্য কয়লার ব্যবহার, জৈববস্তুর ব্যবহার এবং ইস্ত্রি করে কয়লার ব্যবহার সহ আরও নানা কারণে পিএম ২.৫ দূষণ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে। আনুমানিক দূষণের ২৯ শতাংশ ভূমিকা পালন করে। একইভাবে শিল্প দূষণ (Kolkata Environment) ২১ শতাংশ এবং যানবাহন ২০ শতাংশ ধোঁয়া ছড়ায়।

    বেশিরভাগই গলা এবং বৃহৎ শ্বাসনালীতে জমা হয়

    পিএম১০ এবং পিএম২.৫ উভয়ই আমাদের ক্ষতি করে। কিন্তু পিএম২.৫ আরও বেশি ক্ষতি করে। পিএম২.৫-তে সূক্ষ্ম এবং অতি-সূক্ষ্ম উভয় ধরনের কণাই থাকে, যা ফুসফুসজুড়ে ভ্রমণ করতে পারে। এই কণাগুলি রক্ত ​​সঞ্চালনে প্রবেশ করতে পারে এবং সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কলকাতা মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পালমোনোলজিস্ট অরূপ হালদার বলেন, “শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রভাব এক্সপোজারের সময়কাল ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। দীর্ঘদিন ধরে এক্সপোজারের স্পষ্টতই খারাপ প্রভাব পড়ে। একই সঙ্গে অল্প সময়ের জন্য তীব্র এক্সপোজারও ক্ষতির কারণ হয়।”

    বায়ুর মান সূচক (AQI) অনুসারে, “মাঝারি” বায়ুর মানও হাঁপানি, ফুসফুসের রোগ এবং হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। “খারাপ” বাতাসের গুণমান কমে গেলে দীর্ঘদিন ধরে সংস্পর্শে থাকার ফলে বেশিরভাগ মানুষের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে “খুব খারাপ” বাতাস (Kolkata Environment) দীর্ঘক্ষণ সংস্পর্শে থাকার ফলে “শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা” দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকরা বলেছেন পিএম ১০ বেশিরভাগই গলা এবং বৃহৎ শ্বাসনালীতে জমা হয়। এগুলি নাক এবং বৃহৎ শ্বাসনালীতে জ্বালাভাবের সৃষ্টি করে।

    বর্জ্য পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন

    নয়াদিল্লির সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের পরিচালক অনুমিতা রায় চৌধুরী বলেন, “পিএম২.৫ এর উৎপাদনে অবশ্যই রাশ টানতে হবে। শিল্প দূষণ, যানবাহনের নির্গমন এবং বর্জ্য পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের করণীয় তালিকার শীর্ষে থাকা উচিত। শিল্প দূষণের উৎসগুলি বেশিরভাগই স্থানীয় এবং পার্শ্ববর্তী। সরকারের উচিত একটি অঞ্চলের মধ্যে শিল্প দূষণ (Winter Air Pollution) নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সুকৌশল ঠিক করা। এটা করতে পারলেই কলকাতার বায়ুর (Kolkata Environment) মান উন্নত করা সম্ভব হবে। হতে পারে সে দূষণ হাওড়া অথবা কলকাতার উপকণ্ঠ থেকে আসছে। এর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জায়গাগুলির কথাও  বিবেচনা করা উচিত।”

    দূষণ নিয়ন্ত্রণের উপায় কী?

    ডিজেল এবং পেট্রোলচালিত যানবাহনের পরিবর্তে আরও বৈদ্যুতিক যানবাহন বেশি বেশি ব্যবহার করতে হবে। সমস্ত কয়লাচালিত ওভেনকে বিদ্যুৎচালিত ইন্ডাকশন ওভেন দিয়ে প্রতিস্থাপন করলে বায়ু দূষণে ছোট খাবারের দোকানগুলির ভূমিকা কমে যাবে। হকার এবং যারা ইস্ত্রি ইউনিট চালান তাঁদের বৈদ্যুতিক চালিত ইন্ডাকশন ওভেন বা হিটিং চালানোর জন্য উৎসাহিত করা উচিত।

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান পুনর্বসু চৌধুরী বলেন, “সরকারের উচিত তাদের ভর্তুকিযুক্ত বিদ্যুৎব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা। রাজ্য দূষণ (Kolkata Environment) নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের কর্তারা জানান, শহরজুড়ে নির্মাণ কাজের কারণে বাতাসে এত ধুলো ঝুলে আছে। জল ছিটিয়ে রাস্তার ধুলো ওড়ানো বন্ধ করা যেতে পারে। নির্মাণস্থলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জল ছিটিয়ে মাটি এবং নির্মাণ সামগ্রী আর্দ্র রাখা উচিত। এটি ধুলো উড়তে বাধা দেবে।”

  • Winter Health: বছরশেষের উদযাপনে স্বাস্থ্যঝুঁকি! সতর্ক না হলে বাড়বে সংক্রমণ

    Winter Health: বছরশেষের উদযাপনে স্বাস্থ্যঝুঁকি! সতর্ক না হলে বাড়বে সংক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরশেষের উদযাপনে স্বাস্থ্যে কোন সঙ্কট দেখা দিতে পারে? কীভাবে সুস্থ থাকবেন? কোন ঘরোয়া উপাদানে ভরসা বিশেষজ্ঞ মহলের?

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, শীত জাঁকিয়ে পড়েছে। বছর শেষের এই মরশুমে থাকে নানান উদযাপন। বন্ধুদের সঙ্গে দিনভর পিকনিক, রাত জেগে আড্ডা! পরিবারের সঙ্গে একটু বিশেষ সময় কাটানো! অনেকেরই এমন নানান পরিকল্পনা থাকে। তবে, এই সবকিছুই উপভোগ করা যায়, যদি শরীর সুস্থ থাকে। বছর শেষে এই শীতের মরশুমে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সতর্ক আর সচেতন না থাকলেই বিপদ বাড়বে। তবে শরীর সুস্থ রাখতে সচেতনতা আর সতর্কতার পাশপাশি কিছু ঘরোয়া উপাদানেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন স্বাস্থ্য সঙ্কটের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    বাড়তে পারে ফুসফুসের সংক্রমণ!

    বছর শেষের এই সময়ে বাড়তে পারে ফুসফুসের সংক্রমণ। এমনটাই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে বায়ুদূষণের মাত্রা আরও বাড়ে। তাছাড়া কলকাতা, হাওড়া সহ রাজ্যের একাধিক শহরে শীতের মরশুমে বায়ু দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। ইংরেজি বছর শেষের এই উদযাপনে অনেকেই বাজি পোড়ায়। এর ফলে পরিবেশ আরও বেশি দূষিত হয়। ফলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    ভাইরাস ঘটিত রোগের দাপট বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে বাতাসে নানান ভাইরাস সক্রিয়তা বাড়ে। তাই ভাইরাস ঘটিত জ্বর-সর্দির ভোগান্তি হয়। আবার এই সময়ে নানান উৎসব উদযাপনের জন্য ভিড় হয়। তাই ভিড় থেকে সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাছাড়া ফুসফুসের সংক্রমণের জেরে শ্বাসনালীর নানান রোগের দাপট বাড়ে। তাই অনেকেই কাশিতে নাজেহাল হন।

    বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জেরেই হৃদরোগের সমস্যা বাড়ছে। আবার শীতের মরশুমে শরীরের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হয়। তাছাড়া, অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, নিয়মিত শারীরিক কসরত না করার মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। উৎসবের মরশুমে অনেকেই অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করেন, পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতি দেখা যায়। এগুলো শরীরে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা তৈরি করে আবার কোলেস্টেরলের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

    পেটের অসুখ আর হজমের সমস্যা বাড়তে পারে!

    বছর শেষের এই সময় পিকনিকের মরশুম। তাই দেদার খানাপিনা চলে। অনেকেই অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খান। এর ফলেই পেটের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। আবার অনেক সময়েই নানান উদযাপনে জল পরিশ্রুত কিনা সেদিকে নজরদারি থাকে না। তাই পেটের অসুখের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাছাড়া, এই সময়ে অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার খাওয়ার জেরে এবং রাত জাগলে হজমের সমস্যা বাড়তে পারে। বমি, পেট ব্যথার মতো নানান সমস্যায় ভোগান্তি দেখা যেতে পারে।

    লিভারের ক্ষতি হতে পারে!

    হজম সমস্যা লাগাতার হলে লিভারের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। লিভারের কার্যক্ষমতা কমে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছর শেষের নানান উৎসবে অনেকের উদযাপনের অংশ হয় মদ্যপান। আর এই অভ্যাস বিপজ্জনক। মদ্যপানের অভ্যাস লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। তাই প্রত্যেক বছরেই শীতের পরে লিভারের রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যায়।

    কোন ঘরোয়া উপাদানে ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    রান্নাঘরের চেনা উপাদানে কমবে সংক্রমণের ঝুঁকি!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে নানান ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে রান্নাঘরের চেনা উপাদান সাহায্য করবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদা, রসুন, হলুদ, এলাচ, দারুচিনির মতো পরিচিত মশলা নিয়মিত রান্নায় ব্যবহার করলে একদিকে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। বক্ষঃনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমাতেও সাহায্য করবে। এই মশলাগুলো শরীরকে ভাইরাস ঘটিত অসুখের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

    উৎসবের মেনু নির্বাচনেও থাকুক সচেতনতা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উৎসব উদযাপনে দেদার খাওয়া চলে। কিন্তু সামান্য সচেতনতা থাকলে ভোগান্তি কমবে। খাবারের মেনু নির্বাচনের সময়েও স্বাস্থ্য সচেতনতার দিক বাদ দিলে চলবে না। বিশেষত রাতের দিকে খাবারের সময় পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। আবার কী খাওয়া হচ্ছে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অতিরিক্ত পরিমাণ চর্বি জাতীয় মাংসের পদ এড়িয়ে চলা উচিত। আবার অনেক রকম তেলেভাজা জাতীয় খাবার খাওয়া চলবে না।‌ বরং পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, মেনুতে নানান রকমের স্যালাড রাখা যেতেই পারে। সব্জি, ফলের স্যালাড সহজে হজম হয়। আবার ফল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। তার পাশপাশি তেলে ভাজার বদলে হরেক রকমের স্যুপ রাখা যেতে পারে। শীতের আমেজে গরম স্যুপ ভালো লাগবে।‌ আবার হজম সহজেই হবে। মাংসের পদ রান্না করলেও তেল মশলা নিয়ে সজাগ থাকা জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, মাংসের পদ রান্নার সময় খেয়াল রাখা জরুরি, যাতে মাংসের সঙ্গে নানান সব্জি থাকে। প্রোটিনের সঙ্গে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন, ফাইবার, মিনারেল পৌঁছলে হজম শক্তি ভালো থাকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি। শীতের আবহাওয়ায় অনেকেই নিয়মিত শারীরিক কসরত করেন না। আর উপরে বাড়তি খাওয়া শরীর সুস্থ থাকার পথে বাড়তি বিপদ তৈরি করে‌। নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। ফলে অতিরিক্ত ওজন এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

  • Ramakrishna 542: “আমি বলি, চৈতন্যলাভের পর সংসারে গিয়ে থাক, অনেক পরিশ্রম করে যদি কেউ সোনা পায়”

    Ramakrishna 542: “আমি বলি, চৈতন্যলাভের পর সংসারে গিয়ে থাক, অনেক পরিশ্রম করে যদি কেউ সোনা পায়”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বরে রাখাল, মাস্টার, মহিমাচরণ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    দ্বিজ, দ্বিজের পিতা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ — মাতৃঋণ ও পিতৃঋণ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে সেই পূর্বপরিচিত ঘরে রাখাল, মাস্টার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। বেলা তিনটা-চারিটা।

    ঠাকুরের গলার অসুখের সূত্রপাত হইয়াছে। তথাপি সমস্ত দিন কেবল ভক্তদের মঙ্গলচিন্তা করিতেছেন—কিসে তাহারা সংসারে বদ্ধ না হয়,—কিসে তাহাদের জ্ঞান-ভক্তিলাভ হয়;—ঈশ্বরলাভ হয় (Kathamrita)।

    দশ-বারো দিন হইল, ২৮শে জুলাই মঙ্গলবার, তিনি কলিকাতায় শ্রীযুক্ত নন্দলাল বসুর বাটীতে ঠাকুরদের ছবি দেখিতে আসিয়া বলরাম প্রভৃতি অন্যানা ভক্তদের বাড়ি শুভাগমন করিয়াছিলেন।

    শ্রীযুক্ত রাখাল বৃন্দাবন হইতে আসিয়া কিছুদিন বাড়িতে ছিলেন। আজকাল তিনি, লাটু, হরিশ ও রামলাল ঠাকুরের (Ramakrishna) কাছে আছেন।

    শ্রীশ্রীমা কয়েকমাস হইল, ঠাকুরের সেবার্থ দেশ হইতে শুভাগমন করিয়াছেন। তিনি নবতে আছেন। ‘শোকাতুরা ব্রাহ্মণী’ আসিয়া কয়েকদিন তাঁহার কাছে আছেন।

    ঠাকুরের কাছে দ্বিজ, দ্বিজর পিতা ও ভাইরা, মাস্টার প্রভৃতি বসিয়া আছেন। আজ ৯ই অগস্ট, ১৮৮৫ খ্রী: (২৫শে শ্রাবণ, ১২৯২, রবিবার, কৃষ্ণা চতুর্দশী)।

    দ্বিজর বয়স ষোল বছর হইবে। তাঁহার মাতার পরলোকপ্রাপ্তির পর পিতা দ্বিতীয় সংসার করিয়াছেন। দ্বিজ—মাস্টারের সহিত প্রায় ঠাকুরের কাছে আসেন,—কিন্তু তাঁহার পিতা তাহাতে বড় অসন্তুষ্ট।

    দ্বিজর পিতা অনেকদিন ধরিয়া ঠাকুরকে দর্শন করিতে আসিবেন বলিয়াছিলেন। তাই আজ আসিয়াছেন (Kathamrita)। কলিকাতায় সওদাগরী অফিসের তিনি একজন কর্মচারী—ম্যানেজার। হিন্দু কলেজে ডি. এল. রিচার্ডসনের কাছে পড়িয়াছিলেন ও হাইকোর্টের ওকালতি পাস করিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (দ্বিজর পিতার প্রতি)—আপনার ছেলেরা এখানে আসে, তাতে কিছু মনে করবে না।

    “আমি বলি, চৈতন্যলাভের পর সংসারে গিয়ে থাক। অনেক পরিশ্রম করে যদি কেউ সোনা পায়, সে মাটির ভিতর রাখতে পারে—বাক্সের ভিতরও রাখতে পারে, জলের ভিতরও রাখতে পারে—সোনার কিছু হয় না।

  • Syria: সিরিয়ায় শুক্রবারের নামাজে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ৮, আহত ১৮

    Syria: সিরিয়ায় শুক্রবারের নামাজে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ৮, আহত ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ায় (Syria) শুক্রবারের নামাজের সময় মসজিদে এক বোমা হামলায় ৮ জন নিহত, ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও মাত্র একবছর আগে কট্টর ইসলামপন্থীরা এই দেশের ক্ষমতা দখল করেছিল। এরপর থেকে এটি একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ (Bomb blast)। জুন মাসে দামাস্কাসের একটি গির্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২৫ জন নিহত হবার ঘটনা ঘটেছিল। কট্টরপন্থীদের সরকার এলেও শান্তিতে নেই সিরিয়া।

    হোমস সাম্প্রদায়িকতার কেন্দ্রবিন্দু (Syria)

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, হোমস শহরের (Syria) ওয়াদি আল-দাহাব পাড়ায় ইমাম আলী বিন আবি তালিব মসজিদের ভিতরে একটি বিস্ফোরণ (Bomb blast) ঘটেছে। ওই দেশের স্বাস্থ্য দফতর সব রকম সুবিধা পৌঁছে দিতে ঘটনাস্থলে ডাক্তার এবং মেডিক্যাল টিমকে সতর্ক করেছে। প্রাথমিক ভাবে কমপক্ষে আটজন নিহত এবং ১৮ জন আহতের সংখ্যা জানা গিয়েছে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জুম্মার নামাজের সময় মসজিদটিকে লক্ষ্য করে একটি সন্ত্রাসী বিস্ফোরণ হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের আবহ যখন চরমে ছিল, সেই সময় হোমস ছিল তীব্র সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একেবারে কেন্দ্রবিন্দু।

    পুঁতে রাখা বিস্ফোরকে বিস্ফোরণ

    সানা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে মসজিদের (Syria) ভেতরে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইসের কারণেই বিস্ফোরণটি (Bomb blast) ঘটেছে। এলাকার একজন বাসিন্দা, নিজের নিরাপত্তার ভয়ে নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “প্রথমে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। পরে আশেপাশের সকলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার কেউ বাড়ি থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছে না এবং আমরা অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শুনতে পাচ্ছি।”

    ২০২৪ সালে আসাদের পতনের পর থেকে হোমস প্রদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের লক্ষ্য করে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনা বার বার সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। গত মাসের শেষের দিকে, হোমস এবং অন্যান্য অঞ্চলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নতুন করে হামলার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ আলাউইট উপকূলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল।

    জাতীয় তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গত একবছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ১,৪২৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে। আবার সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস পর্যবেক্ষণকারীরা নিহতের সংখ্যা ১,৭০০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে।

  • Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে গাছে ঝুলিয়ে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের মতো নারকীয় ঘটনা গোটা বিশ্বে গভীর ভাবে দাগ কেটে গেছে। কট্টর মৌলবাদীরা এই হিন্দু যুবকের পোড়া মাথা এবং ধড় নিয়ে উল্লাসের নৃত্য করেছে। শুধু তাই নয় অন ক্যামেরায় ভিডিও করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াও হয়েছে। কট্টর ইসলামপন্থী মৌলবাদীদের নয়নের মণি মহম্মদ ইউনূসের ভূমিকায় সরাসরি তোপ দেগেছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। সম্পূর্ণ ঘটনাকে “বর্বরতার বাংলাদেশ” বলে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালা, অভিনেত্রী জয়া প্রদা।

    ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এবার এই বিবৃতির প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের কট্টর মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটেছে অত্যন্ত জঘন্য এবং বর্বরতার পরিচয়। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গণপিটুনি দিয়ে অমানবিক ভাবে খুন করা হয়েছে। ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে ভালো করে দেখুন। প্রশ্ন করুন। আর এই সব ঘটনা দেখে যদি আপনাদের বোধোদয় না হয়, তাহলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনাদের ভণ্ডামির জন্য সব ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে এখানেই থেমে থাকেননি অভিনেত্রী।

    কেঁদেও কূল পাবেন না

    জাহ্নবী (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) আরও বলেন, “আমাদের ভাইবোনদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। গোটা বিশ্বকে এই সন্ত্রাস গ্রাস করবে। আর তখন কেঁদেও কূল পাবেন না। তাই পৃথিবীর বুক থেকে মানবতা মুছে যাওয়ার আগে যে কোনও রকম কট্টর মনোভাবকে উগ্রবাদকে গুঁড়িয়ে দিন।” বাংলাদেশের ঘটনা সারা বিশ্বের কাছে চরম অমানবিকতার পরিচয়বাহী। একটি ভার্চুয়াল প্রতিবাদে যোগদান করেছিলেন, কাজল আগরওয়াল, পবন কল্যাণ, মুনাওয়ার ফারুকী সহ আরও অনেকেই। ইতিমধ্যে দীপুর উপর প্রতিবাদ নিয়ে গান বেঁধেছেন নেহা, টনি কক্কর।

    জেগে ওঠো হিন্দুরা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু হত্যার বিরুদ্ধে বলিউড অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) নিজের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, “অল আইজ অন বাংলাদেশ হিন্দুস। প্রতিবেশি রাষ্ট্রে লাগাতার হিন্দুদের উপর নির্যাতন চলছে। ইসলামি উগ্রপন্থীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হিন্দুদের নির্মম ভাবে হত্যা করছেন। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মীয় সন্ত্রাস দিন দিন মারাত্মক আকার নিয়েছে। একই ভাবে তিনি নিজের পোস্টে গণপিটুনি, গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ছবিও বিনিময় করেছেন। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে লিখেছেন, “জেগে ওঠো হিন্দুরা নীরবতা তোমাদের বাঁচাতে পারবে না।”

    আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো!

    দীপু হত্যাকাণ্ডের (Bangladesh) বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ জয়া প্রদা। তিনি বলেন, “দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড গভীর ভাবে ব্যথিত করেছে। আমি খুবই দুঃখিত, আমার হৃদয় রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে। নিরীহ হিন্দু বলেই মৌলবাদীরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু পিটিয়ে হত্যাই নয়, গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। এটাই কি নতুন বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে গণপিটুনি মানেই হিংস্রতার চরম সীমায় পৌঁছে যাওয়া। মন্দির ভেঙে ফেলা হচ্ছে, হিন্দু বাড়িতে লক্ষ্য করে আগুন ধরিয়ে দেওয় হচ্ছে। মহিলাদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা চুপ করে বসে আছি। আমাদের এবার আওয়াজ তুলতে হবে। সকল জায়গায় আক্রান্ত হওয়া হিন্দুদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকার দেশ রাষ্ট্র সকলের দায়বদ্ধতা রয়েছে।”

    গাজা নিয়ে তৎপর! বাংলাদেশে কেন নয়?

    আবার অভিনেতা মনোজ যোশী বলেন, “গাজা বা ফিলিস্তিনে কোনও কিছু ঘটলেই সকলে এগিয়ে আসেন। কিন্তু হিন্দু নির্যাতন হলে বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে বক্তব্য উঠে আসেনা। একজন হিন্দুকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে কেউ কোনও কথা বলছেন না।” গায়ক টনি কক্কর তার নতুন গান ‘চার লগ’–এ দীপু দাসের গণপিটুনির কথা উল্লেখ করেছেন। গানে ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং বৈষম্যকে দূর করার আহ্বান জানান।

    এখনও পর্যন্ত এই হত্যা মামলায় ১২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দীপুর বিরুদ্ধে কোনও রকম ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য বা কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলেনি। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সাক্ষী পাওয়া যায়নি।

  • Amit Shah: “শীঘ্রই সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত, শুরু হবে রপ্তানি”, অমিত শাহ

    Amit Shah: “শীঘ্রই সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত, শুরু হবে রপ্তানি”, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ধীরে ধীরে কেবল একটি বড় বাজার নয়, বরং একটি উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদনকারী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। সেই দিকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) গোয়ালিয়রে অনুষ্ঠিত ‘অভ্যুদয় মধ্যপ্রদেশ গ্রোথ সামিট’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানালেন, সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors) ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে ভারত দ্রুত এডেস্কঃ এবং অদূর ভবিষ্যতেই এই খাতে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে ভারত।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কেবল স্লোগান নয় (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে প্রবেশ করতে আমাদের কিছুটা দেরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রবেশটা হয়েছে খুব শক্ত ভিতের উপর। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত শুধু এই ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরই হবে না, বরং বিশ্বের বাজারে সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductors) রপ্তানি শুরু করবে।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এখন কেবল স্লোগান নয়, বরং প্রযুক্তিগত বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে।

    মধ্যপ্রদেশের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যটির ভৌগোলিক অবস্থান ও উর্বর জমির বিশেষ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রদেশ এমন একটি রাজ্য যেখানে তুলনামূলকভাবে কম বিনিয়োগেও বড় মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যুৎ ঘাটতির রাজ্য থেকে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত রাজ্যে রূপান্তর এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকেও তিনি ‘উন্নয়নের মডেল’ হিসেবে তুলে ধরেন।

    এই গ্রোথ সামিটে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগমূল্যের একাধিক শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অমিত শাহ। এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী-র ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। বাজপেয়ীকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “অটলজি ছিলেন এক অসাধারণ বক্তা, সংবেদনশীল কবি, জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ নেতা এবং রাজনীতিতে ‘অজাতশত্রু’ – যাঁর কোনও শত্রু ছিল না।”

    এদিন অমিত শাহ শ্রদ্ধা জানান সমাজ সংস্কারক পণ্ডিত মদন মোহন মালব্যের জন্মবার্ষিকীতে এবং ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল সি রাজাগোপালাচারীর মৃত্যুবার্ষিকীতেও। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, আধুনিক ভারতের নির্মাণে এই মনীষীদের অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

    অটল মিউজিয়াম

    সামিট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) গোয়ালিয়র মেলার উদ্বোধন করেন এবং অটল মিউজিয়ামের সংস্কার কাজ সাধারণ মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। জানা গেছে, এই গ্রোথ সামিটে প্রায় ২৫ হাজার উপভোক্তা, পাশাপাশি হাজার হাজার উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী (Semiconductors) অংশগ্রহণ করছেন। সামিটে ঘোষিত ও উদ্বোধন হওয়া শিল্প প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, এই সামিট কেবল একটি বিনিয়োগ সম্মেলন নয়-বরং তা ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আত্মনির্ভরতার দিকেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Veer Bal Diwas: তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে বীর বাল দিবস, জানেন এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব?

    Veer Bal Diwas: তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে বীর বাল দিবস, জানেন এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস কেবল তারিখ আর যুদ্ধের সংকলন নয়। এই ইতিহাসের মধ্যে মানবিক অভিপ্রায় এবং সংবেদনশীলতাও রয়েছে। ভারতীয়রা (Young Bharat) কীভাবে নিজেদের সাহস, নৈতিক দৃঢ়তা এবং আত্মিক শক্তিকে জীবন্ত করে রেখেছে তারও বাস্তব উদাহরণ রেখে গিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। প্রতি বছর ২৬শে ডিসেম্বর পালিত হয় বীর বাল দিবস (Veer Bal Diwas)। এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় একটি অমর অধ্যায়। এই দিনেই দশম শিখ গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং-এর কনিষ্ঠ পুত্রদ্বয়—জোরাবর সিং এবং ফতেহ সিং-আত্মবলিদান দিয়েছিলেন। না নিজের ধর্ম এবং রাষ্ট্রের জন্য বিদেশী শাসকের বশ্যতা স্বীকার করেননি। মাত্র নয় আর ছয় বছর বয়সে দুই বালক নিজদের বীরত্বের পরিচয়ে অমর হয়ে আছে। মুঘল শাসকদের সামনে তারা নিজধর্ম এবং আত্ম-সম্মান রক্ষার জন্য যে সাহস দেখিয়েছিল , তাদের সেই বলিদান আজও ভারতবাসীর কাছে অমর।

    দেওয়ালের মধ্যে গেঁথে হত্যা করা হয়েছিল (Veer Bal Diwas)

    তখন সময়টা ছিল ১৭০৫ সাল। মুঘল অত্যাচার তখন চরমে, এবং গুরু গোবিন্দ সিং জির পরিবারকে চরম কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল। গোবিন্দ সিং-এর দুই পুত্রের ঠাকুমা গুজরিকেও বন্দি করা হয়। মুঘল শাসক উজির খানের নির্দেশে তাদের ধর্ম ত্যাগ করার জন্য হুমকি, প্রলোভন এবং ক্রমাগত চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই শিশুরা অসাধারণ স্থিরতা ও সংকল্পের সঙ্গে মুঘলদের সবরকম দাবিকে নস্যাৎ করে। ফলস্বরূপ, তাদের জীবন্ত অবস্থায় একটি দেওয়ালের মধ্যে গেঁথে হত্যা করা হয়। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল না, এটি ছিল মানব আত্মার সর্বোচ্চ পরীক্ষা—যেখানে শরীরকে নিষ্ঠুর ভাবে আঘাত করলেও তাদের স্থির সিদ্ধান্ত ছিল অটুট। আর এই জন্যই গোবিন্দ সিং-এর দুই সন্তান কর্ম এতো মহৎ (Veer Bal Diwas) হয়ে উঠেছে।

    বয়স একটা সংখ্যামাত্র

    দেশের শিশু ও যুব সমাজ যাতে এই আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে, সেই লক্ষ্যে ২০২২ সালে ভারত সরকার ২৬ ডিসেম্বরকে বীর বাল দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই দিনটি শুধু স্মরণের জন্য নয়, দিনের সত্যতা, নৈতিকতা এবং আত্ম-সম্মানকে আমাদের জীবনের কেন্দ্রে যাতে রাখার মন্ত্র স্বরূপ ভাবা যায় সেই কথাকেই সরকারের তরফ থেকে প্রচার করা হয়। ফলে অনেক ইতিহাসবিদরাই মনে করছেন বয়স একটা সংখ্যামাত্র, মনের অভীষ্ট সিদ্ধান্ত কতটা সুদূর প্রসারী (Young Bharat) হতে পারে তা এই বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) ভাবনায় স্পষ্ট।

    জেন জি-দের জন্য অনুপ্রেরণার

    বর্তমানে, এই বীর বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) ভাবনা জেন জি (Gen Z)-এর জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। যারা গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্যের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন তাদের জন্য ভীষণ ভাবে অণুপ্রেরণা দেবে। গবেষণায় দেখা যায়, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী প্রতি পাঁচজন ভারতীয় তরুণের মধ্যে প্রায় একজন উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা মানসিক কষ্টের লক্ষণ দেখায়। এই সময়ে, বীর বাল দিবসের গল্পটি একটি প্রতিবিম্বের মতো। সেই সঙ্গে একটি প্রদীপের মতও। এক দিকে যেমন প্রতিরূপ (Young Bharat) দেখায় ঠিক একই ভাবে আবার  উদ্যমতার আগুনও জ্বালিয়েও দেয়।

    বীরত্ব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়

    গুরু গোবিন্দ সিং-এর দুই সন্তানের জীবন আজকের তরুণ প্রজন্মের সমাজকে শেখায় আত্ম-সম্মান বাইরের অনুমোদন থেকে নয়, বরং ভেতরের বিশ্বাস থেকে আসে। চরম চাপের মধ্যেও তারা নিজেদের মূল্যবোধে অবিচল ছিলেন। তাদের গল্প আমাদের (Young Bharat) মনে করিয়ে দেয়, জীবনের মহত্ত্ব, তার দৈর্ঘ্যে নয়, বরং তার গভীরতা ও উদ্দেশ্যের মধ্যে নিহিত রয়েছে। মানসিক দৃঢ়তা বয়সের দ্বারা আবদ্ধ নয়। জীবনের পূর্ণতা কর্ম এবং আদর্শের মধ্যেই। আজকের জগতে, বীরত্ব কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, মনের ভেতরের ভূখণ্ডেও সমানভাবে প্রয়োজন। পড়াশোনায় ব্যর্থ হওয়ার পর আবার উঠে দাঁড়ানো, মানসিক কষ্ট নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা, সাহায্য চাওয়া, ক্ষতিকারক অভ্যাস ত্যাগ করা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, এই সকল ক্ষেত্রে বীর বাল দিবসের (Veer Bal Diwas) গুরুত্ব অপরিসীম।

    মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রগতি বৃদ্ধি পাবে

    ২০২৫ সালের এই বীর বাল দিবস (Veer Bal Diwas) আজকের তরুণদের এই আশ্বাস দেয় যে তারা একা নয়। তারা এমন এক উত্তরাধিকারের ধারক যা মানসিক শক্তি, আত্ম-সম্মান এবং উদ্দেশ্যের অনুভূতির ধারক বাহক। তাই বীর বাল দিবসে নিজেরা এবং পারিপার্শ্বিক বন্ধুদের মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রগতি কিভাবে বৃদ্ধি পাবে তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা যেতে পারে। একে অপরের কথা শোনা এবং সাহস নিয়ে বাঁচতে শেখার সংকল্পও গ্রহণ করে। বর্তমান প্রজন্মের তরুণ সমাজকে মূল্যবোধের দ্বারা মনকে আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ ভাবে অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।

  • Calcutta High Court: রাজ্যের মনোভাবে চরম অসন্তোষ! চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রাজ্যের মনোভাবে চরম অসন্তোষ! চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মনোভাবে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। চিংড়িঘাটা মেট্রোর অসমাপ্ত কাজ নিয়ে বড় নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছেন, মেট্রো রেলের (Metro Rail) বকেয়া কাজ আগামী ১৫ ফেব্রিয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। ৬ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্য এবং ট্রাফিক পুলিশকে নিয়ে জানাতে হবে কবে কবে রাস্তা বন্ধ করে কাজ করতে হবে। মমতা সরকার ফের আরেকবার কোর্টে ভর্ৎসনা হয়েছে।

    নির্দেশ দেওয়া শর্তেও কাজ হচ্ছে না (Calcutta High Court)

    চিংড়িঘাটায় মেট্রো রেলের (Metro Rail) কাজ নিয়ে জট কাটাতে ৪ সেপ্টেম্বর সবপক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু সকলে ঐক্যমত হলেও শেষ পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। এরপর আবার ১৭ ডিসেম্বর ফের আরেকবার সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হলেও কাজের কোনও গতিপ্রকৃতি এগোয়নি। ফলে তাই মঙ্গলবার হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি বলেন, “এখন উৎসবের মরসুম শুরু হবে, এটা কোনও প্রকার অজুহাত নয়। ভারতবর্ষ উৎসবের দেশ। মেট্রোরেলের কাজের সঙ্গে বৃহত্তর সমাজের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত। রাজ্যের যুক্তিকে কখনও গ্রহণ করা যায় না। বার বার নির্দেশ দেওয়া শর্তেও কোনও ভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই আমরা এবার নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছি।”

    কাজ বন্ধ রাখা যায় না

    রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, “ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ফেসটিভ সিজন শুরু হয়ে যাচ্ছে। চলবে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত। এরপর আসবে গঙ্গাসাগর মেলা। ফলে চিংড়িঘাটাতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করলে সর্বত্র ট্রাফিক নিয়ে সমস্যা হবে। আশেপাশে প্রচুর হাসপাতাল রয়েছে, রাস্তায় প্রচুর অ্যাম্বুল্যান্স যাতায়েত করে।” হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বলেন, “আমাদের দেশে এক উৎসব শেষ হলে আরেকটা আসে, অজুহাত দিয়ে এই ভাবে কাজ বন্ধ রাখা যায় না। আমরা রাজ্য এবং ট্রাফিক পুলিশকে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিচ্ছি। ৬ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে জানাতে হবে, যাতে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজটা সম্পন্ন করা যায়।”

  • Ramakrishna 541: “তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!”

    Ramakrishna 541: “তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    গুহ্যকথা—“তিনজনই এক”

    “তখন যীশু বললেন, তোমার দিদিই ধন্য, কেন না মানুষ জীবনের যা প্রয়োজন (অর্থাৎ ঈশ্বরকে ভালবাসা—প্রেম) তা ওঁর হয়েছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আচ্ছা তোমার এ-সব দেখে কি বোধ হয়?

    মণি—আমার বোধ হয়, তিনজনেই এক বস্তু!—যীশুখ্রীষ্ট, চৈতন্যদেব আর আপনি—একব্যক্তি!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এক এক! এক বইকি। তিনি (ঈশ্বর),—দেখছ (Kathamrita) না,—যেন এর উপর এমন করে রয়েছে!

    এই বলিয়া ঠাকুর নিজের শরীরের উপর অঙ্গুলি নির্দেশ করিলেন যেন বলছেন, ঈশ্বর তাঁরই শরীরধারণ করে অবতীর্ণ হয়েই রয়েছেন।

    মণি—সেদিন আপনি এই অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারটি বেশ বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কি বল দেখি।

    মণি—যেন দিগ্‌দিগন্তব্যাপী মাঠ পড়ে রয়েছে! ধু-ধু করছে! সম্মুখে পাঁচিল রয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি না;—সেই পাঁচিলে কেবল একটি ফাঁক!—সেই ফাঁক দিয়ে অনন্ত মাঠের খানিকটা দেখা যায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বল দেখি সে ফাঁকটি কি?

    মণি—সে ফাঁকটি আপনি! আপনার ভিতর দিয়ে সব দেখা যায় (Kathamrita);—সেই দিগ্‌দিগন্তব্যাপী মাঠ দেখা যায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ অতিশয় সন্তুষ্ট, মণির গা চাপড়াতে লাগলেন। আর বললেন, “তুমি যে ওইটে বুঝে ফেলেছ।—বেশ হয়েছে।”

    মণি—ওইটি শক্ত কি না; পূর্ণব্রহ্ম হয়ে ওইটুকুর ভিতর কেমন করে থাকেন, ওইটা বুঝা যায় না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—‘তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে (দীনহীন কাঙালের বেশে) ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!’

    মণি—আর আপনি বলেছিলেন যীশুর কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কি, কি?

    মণি—যদু মল্লিকের বাগানে যীশুর ছবি দেখে ভাবসমাধি হয়েছিল। আপনি দেখেছিলেন যে যীশুর মূর্তি ছবি থেকে এসে আপনার ভিতর মিশে গেল।

    ঠাকুর কিয়ৎকাল চুপ করিয়া আছেন। তারপর আবার মণিকে বলিতেছেন, “এই যে গলায় এইটে হয়েছে, ওর হয়তো মানে আছে—সব লোকের কাছে পাছে হালকামি করি।—না হলে যেখানে সেখানে নাচা-গাওয়া তো হয়ে যেত।”

    ঠাকুর দ্বিজর কথা কহিতেছেন। বলিতেছেন(Kathamrita), “দ্বিজ এল না?”

    মণি—বলেছিলাম আসতে। আজ আসবার কথা ছিল; কিন্তু কেন এল না, বলতে পারি না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তার খুব অনুরাগ। আচ্ছা, ও এখানকার একটা কেউ হবে (অর্থাৎ সাঙ্গোপাঙ্গের মধ্যে একজন হবে), না?

    মণি—আজ্ঞা হাঁ, তাই হবে, তা না হলে এত অনুরাগ।

    মণি মশারির ভিতর গিয়া ঠাকুরকে বাতাস করিতেছেন।

  • Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনি দিয়ে প্রথমে খুন এবং এরপর গাছে ঝুলিয়ে আগুন দেওয়া হয়। নির্মম ভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনার প্রতিবাদে এবার দিল্লিতে (Delhi) বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসের (Bangladesh High Commission) সামনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ভিএইচপি এবং বজরং দল সহ অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। ক্ষুব্ধ জনতার একটাই প্রশ্ন, কেন মিথ্যা অপবাদ এবং গুজব রটিয়ে হিন্দুপরিবারের ছেলেকে খুন করা হল? তাই অবিলম্বে মহম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত হিন্দু সংগঠনগুলি।

    দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তির দাবি (Delhi)

    দিল্লিতে (Delhi) বিক্ষোভের আশঙ্কা অবশ্য আগে থেকেই ছিল। তাই আগের দিনই বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছিল। ত্রি-স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে এলাকাটি সুরক্ষিত করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত ১৫,০০০ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের এগিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার জন্য ডিটিসি বাসগুলিকে রাস্তায় দাঁড় করানো হয়েছিল। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, হাইকমিশন থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যার ঘটনায় জনসাধারণের মনে ক্ষোভের আগুন ব্যাপক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে এদিন। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “একজন হিন্দু ব্যক্তিকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তাঁকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা দাবি জানাই যে বাংলাদেশ পুলিশকেও এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তি দিতে হবে।

    ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন

    গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মিথ্যা রটিয়ে ২৫ বছর বয়সী পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে প্রথমে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এরপর তাঁকে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে নিয়ে গেলেও পুলিশ পরে জনতার হাতে ছেড়ে দেয়। এরপর তাঁকে প্রথমে পিটিয়ে খুন করা হয় এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের বড় ছেলে ছিল দিপু।

    দিল্লি-ঢাকার সম্পর্কের অবনতি

    উল্লেখ্য কট্টর ভারত বিরোধী ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীর ভারতীয় দূতাবাস এবং উপদূতাবাসে জামাত, এনসিপির নেতার হামলা করেছিল। এরপর বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক তলব করেছিল দিল্লিতে। বর্তমানে বাংলাদেশের সব ভিসা সেন্টারকে বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। কট্টরপন্থীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধ শুরু করেছে। ফলে হাসিনাকে হাতে পেতে বার বার ভারেতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যকে বিছিন্ন করার হুমকি দিয়ে চলেছে। একে হিন্দু যুবক হত্যা পরে ভারতে আক্রমণ করার হুমকিতে প্রত্যেক ভারতীয়দের মনেও ইউনূস বাহিনী চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতাতেও ইউনূসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। উপহাইকমিশনারের (Bangladesh High Commission) অফিসের বাইরে পোড়ানো হয় মহম্মদ ইউনূসের কুশপুতুল। অপরদিকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারপাশে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশি সেনাবাহিনীকে গেটের বাইরে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share