Tag: madhyom news

madhyom news

  • Sri Ramakrishna Kathamrita: “ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন! পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব”

    Sri Ramakrishna Kathamrita: “ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন! পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব”

     

    এটি রাসমণির দেবালয়

    সিধুর সঙ্গে ঘরের বাহিরে আসিতে না আসিতে আরতির মধুর শব্দ হইতে লাগিল। এককালে কাঁসর, ঘণ্টা, খোল, করতালি বাজিয়ে উঠল। বাগানের দক্ষিণসীমান্ত হইতে নহবতের মধুর শব্দ আসিতে লাগিল। সেই শব্দ ভাগীরথীবক্ষে যেন ভ্রমণ করিতে করিতে অতিদূরে গিয়া কোথায় মিশিয়া যাইতে লাগিল। মন্দ মন্দ কুসুমগন্ধবাহী বসন্তানিল! সবে জ্যোৎস্না উঠিতেছে। ঠাকুরদের আরতির যেন চতুর্দিকে আয়োজন হইতেছে! মাস্টার দ্বাদশ শিবমন্দিরে, শ্রীশ্রী রাধাকান্তের মন্দিরে ও শ্রীশ্রীভবতারিণীর মন্দিরে আরতি দর্শন করিয়া পরম প্রীতিলাভ করিলেন। সিধু বলিলেন, “এটি রাসমণির দেবালয়। এখানে নিত্যসেবা। অনেক অতিথি, কাঙাল আসে।”

    কথা কহিতে কহিতে ভবতারিণীর মন্দির হইতে বৃহৎ পাকা উঠানের মধ্য দিয়া পাদচারণ করিতে করিতে দুইজনে আবার ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরের সম্মুখে আসিয়া পড়িলেন। এবার দেখিলেন, ঘরের দ্বার দেওয়া (Sri Ramakrishna Kathamrita)। 

    এইমাত্র ধুনা দেওয়া হইয়াছে। মাস্টার ইংরেজী পড়িয়াছেন, ঘরে হঠাৎ প্রবেশ করিতে পারিলেন না। দ্বারদেশে বৃন্দে (ঝি) দাঁড়াইয়াছিল। জিজ্ঞাসা করিলেন, “হ্যাঁ গা, সাধুটি কি এখন এর ভিতর আছেন?”

    বৃন্দে– হ্যাঁ এই ঘরের ভিতর আছেন।

    মাস্টার– ইনি এখানে কত দিন আছেন –

    মাস্টার—আচ্চা, ইনি এখানে কতদিন আছেন?

    বৃন্দে—তা অনেকদিন আছেন –

    মাস্টার—আচ্ছা, ইনি কি খুব বই-টই পড়েন?

    বৃন্দে– আর বাবা বই-টই পড়েন?

    বৃন্দে—আর বাবা বই-টই! সব ওঁর মুখে!

    মাস্টার সবে পড়াশুনা করে এসেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বই পড়েন না শুনে আর অবাক্‌ হলেন।

    মাস্টার—সবে পড়াশুনা করে এসেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বই পড়েন না শুনে আরও অবাক্‌ হলেন।

    মাস্টার—আচ্ছা, ইনি বুঝি এখন সন্ধ্যা করবেন?—আমরা কি এ-ঘরের ভিতর যেতে পারি?—তুমি একবার খবর কিবে?

    বৃন্দে—তোমার যাও না বাবা। গিয়ে ঘরে বস।

    তখন তাঁহার ঘরে প্রবেশ করিয়া দেখেন, ঘরে আর অন্য কেহ নাই। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ঘরে একাকী তক্তপোশের উপর বসিয়া আছেন। ঘরে ধুনা দেওয়া হইয়াছে ও সমস্ত দরজা বন্ধ। মাস্টার প্রবেশ করিয়াই বদ্ধাঞ্জলি হইয়া প্রণাম করিলেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বসিতে অনুজ্ঞা করিলেন তিনি ও সিধু মেঝেতে বসিলেন। ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিলেন, “কোথায় থাক, কি কর, বরাহনগরে কি করতে এসেছ” ইত্যাদি। মাস্টার সমস্ত পরিচয় দিলেন। কিন্তু দেখিতে লাগিলেন যে, ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন (Sri Ramakrishna Kathamrita)। পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব। যেমন কেহ ছিপ হাতে করিয়া মাছ ধরিয়া মাছ ধরিতে বসিয়াছে। মাছ আসিয়া টোপ খাইতে থাকিলে ফাতনা যখন নড়ে, সে ব্যক্তি যেমন শশব্যস্ত হইয়া ছিপ হাতে করিয়া ফাতনার দিকে একদৃষ্টে একমনে চাহিয়া থাকে, কাহারও সহিত কথা কয় না; এ- ঠিক সেইরূপ ভাব। পরে শুনিলেন ও দেখিলেন, ঠাকুর সন্ধ্যারপর এই রূপ ভাবান্তর হয়, কখন কখন তিনি একেবারে বাহ্যশূন্য হন!

    মাস্টার – আপনি এখন সন্ধ্যা করবেন, তবে এখন আমরা আসি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবস্থ)– না – সন্ধ্যা — তা এমন কিছু নয়।

    আর কিছু কথাবার্তার পর মাস্টার প্রণাম করিয়া বিদয় গ্রহণ করিলেন। ঠাকুর বলিলেন, “আবার এস”।

    মাস্টার ফিরিবার সময় ভাবিতে লাগিলেন, “এ সৌম্য কে? যাঁহার কাছে ফিরিয়া যাইতে ইচ্ছা করিতেছে। বই না পড়িলে কি মানুষ মহৎ হয়?—কি আশ্চর্য, আবার আসিতে ইচ্ছা হইতেছে। ইনি বলিয়াছেন, “আবার এস! কাল কি পরশু সকালে আসিব (Sri Ramakrishna Kathamrita)।”  

     

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ২য় পরিচ্ছেদ, প্রথম দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita: “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    Sri Ramakrishna Kathamrita: “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষা পহম্‌।

    শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণান্তি যে ভূরিদা জনাঃ।।

    গঙ্গাতীরে দক্ষিণেশ্বরে কালীবাড়ি। মা-কালীর মন্দির। বসন্তকাল, ইংরেজী ১৮৮২ খ্রীস্টাব্দের মার্চ মাস। ঠাকুর জন্মোৎসবের কয়েক দিন পরে। শ্রীযুক্ত কেশব সেন ও শ্রীযুক্ত জোসেফ্‌ কুক সঙ্গে ২৩শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার (১২ই ফাল্গুন, ১২৮৮, শুক্লাষষ্ঠী) ঠাকুরের স্টীমারের বেড়াইয়াছিলেন—তাহারই কয়েকদিন পরে। সন্ধ্যা হয় হয়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরে মাস্টার আসিয়া উপস্থিত। এই প্রথম দর্শন। দেখিলেন একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত (Sri Ramakrishna Kathamrita) পান করিতেছেন। ঠাকুর তক্তপোশে বসিয়া পুর্বাস্য হইয়া সহাস্যবদনে হরি কথা কহিতেছেন। ভক্তেরা মেঝেয় বসিয়া আছেন।

    মাস্টার দাঁড়াইয়া অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন। তাঁহার বোধ হইল যেন সাক্ষাৎ শুকদেব ভগবৎ-কথা কহিতেছেন, আর সর্বতীর্থের সমাগম হইয়াছে। অথবা যেন শ্রীচৈতন্য পুরীক্ষেত্রে রামানন্দ স্বরূপাদি ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন ও ভগবানের নামগুণকীর্তন করিতেছেন। ঠাকুর (Sri Ramakrishna Kathamrita) বলিতেছেন, “যখন একবার হরি বা একবার রামনাম করলে রোমাঞ্চ হয়, অশ্রুপাত হয়, তখন নিশ্চয়ই জেনো যে সন্ধ্যাদি কর্ম—আর করতে হবে না। তখন কর্মত্যাগের অধিকার হয়েছে—কর্ম আপনা আপানি ত্যাগ হয়ে যাচ্ছে। তখন কেবল রামনাম, কি হরিনাম, কি শুদ্ধ ওঁকার জপলেই হল।” আবার বলিলেন, “সন্ধ্যা গায়ত্রীতে লয় হয়। গায়েত্রী আবার ওঁকারে লয় হয়।”

    মাস্টার সিধুর সঙ্গে বরাহনগরের এ-বাগান ও-বাগান বেড়াইতে বেড়াইতে এখানে আসিয়া পড়িয়াছেন। আজ রবিবার অবসর আছে, তাই বেড়াইতে আসিয়াছেন; শ্রীযুক্ত প্রসন্ন বাঁড়ুজ্যের বাগানে কিয়ৎক্ষণ পূর্বে বেড়াইতেছিলেন। তখন সাধু বলিয়াছিলেন, “গঙ্গার ধারে একটি চমৎকার বাগান আছে, সে-বাগানটি কি দেখতে যাবেন? সেখানে একজন পরমহংস (Sri Ramakrishna Kathamrita) আছেন।”

     

    বাগানে সদর ফটক দিয়া ঢুকিয়াই মাস্টার ও সিধু বরাবর ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরে আসিলেন। মাষ্টার অবাক্‌ হইয়া দেখিতে দেখিতে ভাবিতেছেন, আহা কি সুন্দর স্থান! কি সুন্দর মানুষ! কি সুন্দর কথা! এখান থেকে নড়তে ইচ্ছা করছে না।” কিয়ৎক্ষণ পরে মনে মনে বলিতে লাগিলেন, “একবার দেখি কোথায় এসেছি। তারপর এখানে বসব।” (Sri Ramakrishna Kathamrita)

     

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ২য় পরিচ্ছেদ, প্রথম দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Taxi: ভারতে চালু হচ্ছে উড়ন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা! কবে থেকে, কোথায় চলবে জানেন?

    Air Taxi: ভারতে চালু হচ্ছে উড়ন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা! কবে থেকে, কোথায় চলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শুধু রাস্তায় নয়, আকাশে উড়বে ট্যাক্সি (Air Taxi)। অভাবনীয় চিন্তাভাবনা ইন্ডিগোর। রাজধানীর রাস্তার যানজট এড়িয়ে মাত্র সাত মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যাবে কনট প্লেস থেকে গুরুগ্রাম। এই পরিষেবা আনতে আমেরিকার আর্চার অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে কাজ চালাচ্ছে ইন্টারগ্লোব। ইন্ডিগোর (Indigo) মূল সংস্থা ইন্টারগ্লোব এন্টারপ্রাইজ এবং ইউএস-ভিত্তিক আর্চার এভিয়েশন ভারতে একটি ইলেকট্রিক এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা (Air Taxi) চালু করতে চলেছে।

    কোন কোন রাজ্যে চালু হবে এই পরিষেবা (Air Taxi)?

    সংস্থার তরফে জানা গেছে, দিল্লির পাশাপাশি প্রথম দফায় এই একই পরিষেবা (Air Taxi) চালু করা হবে মুম্বই এবং বেঙ্গালুরুতে। এই উড়ানগুলির বিশেষত্ব হল, এগুলি একেবারে ভার্টিক্যালি অর্থাৎ উল্লম্বভাবে টেক অফ ও ল্যান্ডিং করতে পারে। ঠিক যেমনটা হেলিকপ্টার ওঠানামা করে। শুধু আওয়াজ অনেকটা কম। পাইলট-সহ পাঁচ জন যাত্রী বহন করার ক্ষমতা রাখবে এই উড়ানগুলি। কোম্পানির অন্য একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে এই বিমানটিতে ছয়টি ব্যাটারি প্যাক থাকবে যা ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাবে। এক মিনিট চার্জ হবে মোটামুটি এক মিনিটের ফ্লাইটের সমান। আর্চার এভিয়েশন আপাতত ২০০ টি উড়ন্ত ট্যাক্সি (Air Taxi) সরবরাহ করবে। এমন ২০০টি এয়ারক্র্যাফ্টের জন্য খরচ হচ্ছে ৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। জানা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের মধ্যেই ভারতে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক এয়ার ট্যাক্সি (Electric Air Taxi) পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ইন্টারগ্লোব এন্টারপ্রাইজ। সংস্থা সূত্রে খবর, ডিজিসিএ এই পরিষেবায় ছাড়পত্র দিলেই পরিষেবা চালু করে দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ভোট শুরু হতেই অশান্ত রায়গঞ্জ, দলের কর্মীকেই মারধর তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের

    আকাশপথে ট্যাক্সি যাত্রায় খরচ কত?

    তবে আকাশপথে ট্যাক্সি (Air Taxi) যাত্রায় খরচ কিন্তু নাগালের মধ্যেই থাকছে। আর্চার অ্যাভিয়েশন সূত্রের খবর, দিল্লির (Delhi) কনট প্লেস থেকে হরিয়ানার গুরুগ্রাম পর্যন্ত সাত মিনিটের যাত্রাপথে খরচ পড়বে মাত্র ২-৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ সাধ্যের মধ্যেই হবে এই পরিষেবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: হাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    SSC Recruitment Scam: হাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Recruitment Scam) মামলায় যুগান্তকারী রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সোমবার বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের প্যানেল। চাকরি খুইয়েছেন ২৩ হাজার ৭৫৩ জন। হাইকোর্টের নির্দেশে দেখা দিয়েছে জটিলতা। বিপাকে পড়েছে নির্বাচন কমিশন।

    কী হবে চাকরি খোয়ানোদের নিয়ে? (SSC Recruitment Scam)

    এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ১৯ এপ্রিল, শুক্রবার। পরের দফার নির্বাচন হবে ২৬ এপ্রিল। এই দফায় যাঁরা ভোটের ডিউটিতে যাবেন, তাঁদের ট্রেনিং হয়ে গিয়েছে। ভোট নিতে যাওয়ার আগে যে প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তাও নিয়েছেন তাঁরা। তবে হাইকোর্টের এদিনের রায়ে চাকরি গিয়েছে এঁদের অনেকেরই। এমতাবস্থায় তাঁরা ভোটের ডিউটিতে (SSC Recruitment Scam) যেতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। চাকরি খোয়ানো অযোগ্য শিক্ষকরা ভোটের ডিউটিতে যেতে পারবেন কিনা, চাকরি না থাকায় তাঁরা আদৌ যেতে রাজি হবেন কিনা, যেহেতু হাইকোর্টের নির্দেশের পর থেকে তাঁরা আর সরকারি কর্মী নন, তাই তাঁদের দিয়ে নির্বাচন করানো যাবে কিনা, এসব হাজারো প্রশ্ন উঠছে।

    কী বলছে কমিশন?

    রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের অ্যাডিশনাল সিইও অরিন্দম নিয়োগী বলেন, “আমাদের ভোটকর্মীদের মধ্যে একটা অংশ শিক্ষক। তবে ভোট কর্মীদের ২০-২৫ শতাংশ রিজার্ভ থাকে। তাই তাঁদের দিয়েই ভোট করিয়ে নিতে পারব।” তিনি বলেন, “রিজার্ভ ফোর্সে থাকা ভোট কর্মীদের ডিসি অফিসে রিপোর্ট করার চিঠি চলে গিয়েছে। তাঁরা ডিসি অফিসে চলে যাবেন। ভোটের ডিউটি বণ্টনের দিন যাঁরা অনুপস্থিত থাকবেন, তাঁদের রিজার্ভ ভোট কর্মী দিয়ে রিপ্লেস করা হবে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের নির্দেশে যাঁদের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১২ হাজার ৯৪৬ জন সহকারি শিক্ষক পদে চাকরি পেয়েছিলেন। নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক পদে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৭৫৬ জন। গ্রুপ সি পদে নিয়োগ করা হয়েছিল ২ হাজার ৬৭ জনকে। আর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৫৫০ জন (SSC Recruitment Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে ইডি নাম নিতে পারে আপ-কেজরি-কবিতার

    Arvind Kejriwal: সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে ইডি নাম নিতে পারে আপ-কেজরি-কবিতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আবগারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। সূত্রের খবর, ইডি যে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করতে চলেছে, তাতে কেজরির পাশাপাশি নাম থাকতে পারে বিআরএস নেতা কে কবিতার এবং আম আদমি পার্টির।

    কবে পেশ চার্জশিট?

    ১৫ মে-র মধ্যেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হতে পারে। এর ঠিক ৬০ দিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল কবিতাকে। ইডির এক আধিকারিক বলেন, “আইন অনুযায়ী, কাউকে গ্রেফতার করার ৬০ দিনের মধ্যেই পেশ করতে হবে চার্জশিট।” কবিতাকে ইডি হেফাজতে নিয়েছিল ১৫ মার্চ। সেই হিসেবে ১৫ মে-র মধ্যেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত বছর (Arvind Kejriwal) অক্টোবরেই আপের নাম নেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল ইডি। কেজরিওয়ালের পাশাপাশি কবিতার নামও মূল চক্রী হিসেবে থাকতে পারে অতিরিক্ত চার্জশিটে। এই চার্জশিটে নাম থাকতে পারে আপের গোয়া অ্যাসোসিয়েট চরণপ্রীত সিংহেরও।

    বিস্ফোরক দাবি ইডির

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ‘সাউথ গ্রুপ’ নামের ব্যবসায়ীরা ঘুষ হিসেবে যে টাকা দিয়েছিল, সেই টাকা নির্বাচনী ফান্ডিং খাতের টাকা দেখিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল আপের গোয়া ইউনিটে। হাওয়ালার মাধ্যমে অন্ততপক্ষে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি টাকা। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে নাম থাকতে পারে চ্যারিয়ট প্রোডাকশনস মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডেরও। গোয়ায় এই সংস্থাই আপের হয়ে দায়িত্বে ছিল প্রচারের। ইডির অভিযোগ, ২০২১ সালের অগাস্ট থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে অঙ্গদিয়াদের মাধ্যমে চরণপ্রীত সংগ্রহ করেছিল ১৭ কোটিরও বেশি টাকা। এই টাকা দেওয়া হয়েছে ইলেকশন ভেন্ডরদের। এর কিছুটা অংশ আবার ভেন্ডরদের দেওয়া হয়েছে নগদে।

    আরও পড়ুন: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে আপের নাম থাকতে পারে বেনিফিশিয়ারি অফ ক্রাইম হিসেবে। পার্টির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পত্তি ইডি অ্যাটাচও করতে পারে বলে খবর। প্রসঙ্গত, কেজরিওয়াল গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেই হইচই জুড়ে দেয় আপ। তাদের দাবি, লোকসভা নির্বাচনের প্রচার থেকে কেজরিওয়ালকে দূরে সরিয়ে রাখতেই ভোটের আগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। একই অভিযোগ করেছিল কংগ্রেসও (Arvind Kejriwal)।

    আরও পড়ুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment News: বড় খবর! তিন বছরে ভারতে ৫ লাখ কর্মী নিয়োগ করবে অ্যাপল!

    Recruitment News: বড় খবর! তিন বছরে ভারতে ৫ লাখ কর্মী নিয়োগ করবে অ্যাপল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং ডিজিটাল ইন্ডিয়ার আওয়াজ তুলেছেন। দেশ ক্রমেই এগোচ্ছে ডিজিটাল যুগের দিকে। প্রত্যাশিতভাবেই চাহিদা বাড়ছে স্মার্ট ফোনেই (Recruitment News)। হাতের মুঠোয় একটা স্মার্ট ফোন থাকলে বাড়িতে বসেই সেরে ফেলা যাবে দুনিয়ার সব কাজ। এহেন আবহে ভারতে চাহিদা বাড়ছে অ্যাপল আইফোনের।

    পাঁচ লাখ কর্মী নিয়োগ

    এই চাহিদা সামাল দিতেই মোদির দেশে এই ফোনের উৎপাদন বাড়াতে চাইছে সংস্থা। ভেন্ডরদের দিয়েই বাড়নো হবে উৎপাদন। আশা করা যাচ্ছে, তার জেরে আগামী তিন বছরের মধ্যেই ৫ লাখ কর্মসংস্থান হবে। রবিবার সরকারি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। ভারতে বর্তমানে (Recruitment News) অ্যাপলের কর্মী রয়েছেন দেড় লাখের কাছাকাছি। এঁরা কর্মরত টাটা ইলেকট্রনিক্সের দুটি প্ল্যান্টে। প্রবীণ এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “অ্যাপল ভারতে কর্মী নিয়োগের ওপর জোর দিচ্ছে।” জানা গিয়েছে, মোটামুটিভাবে আগামী তিন বছরের মধ্যে এ দেশে তারা নিয়োগ করবে পাঁচ লাখ কর্মী। মূলত তাদের ভেন্ডরদের মাধ্যমেই নিয়োগ করা হবে এঁদের।

    কত ফোন উৎপাদন

    মার্কিন এই ফোন উৎপাদনকারী সংস্থা ভারতে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মী নিয়োগ করে টাটা ইলেকট্রনিক্সের মাধ্যমে। কোম্পানির এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, “ভারতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানি দ্রুত কাজ করতে চাইছে।” যদিও অ্যাপলের তরফে অফিসিয়ালি এনিয়ে মুখ খোলা হয়নি। ক্রমেই ভারতে বাড়ছে অ্যাপল আইফোনের উৎপাদন। আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে সংস্থা ভারতে উৎপাদন পাঁচ গুণেরও বেশি বাড়িয়ে ৪০ বিলিয়ন ডলার করার পরিকল্পনা করেছে। ভারতীয় মুদ্রায় টাকার পরিমাণ প্রায় ৩.৩২ লাখ কোটি।

    আরও পড়ুন: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি অ্যাপল কর্মীদের জন্য বাড়িও বানিয়ে দিতে চলেছে। এ দেশে প্রায় ৭৮ হাজার বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হবে। এর সিংহভাগই হবে তামিলনাড়ুতে। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে এর সংখ্যা ৫৮ হাজার। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় তৈরি হবে ওই বাড়ি। বাড়ি তৈরির খরচের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ টাকা দেবে কেন্দ্র। বাকি টাকা দেবে রাজ্য সরকার ও অ্যাপল (Recruitment News)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok sabha elections 2024: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    Lok sabha elections 2024: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটে যে ফাটল ধরেছে, তার প্রমাণ মিলছিল ঢের আগেই। ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে সাম্প্রতিক এক ঘটনার উল্লেখ করে রবিবার জোটকে একহাত নিল (Lok sabha elections 2024) বিজেপি। দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সমাবেশ হচ্ছিল ইন্ডি জোটের। সেখানে আচমকাই হাতাহাতি শুরু হয় লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডি এবং কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে।

    রবিশঙ্করের নিশানায় ‘ইন্ডি’ (Lok sabha elections 2024)

    ‘ঘরোয়া এই দ্বন্দ্বে’র উল্লেখ করে ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করেন বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, “ওঁরা নিজেদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি করছেন।” ‘ইন্ডি’ জোটকে তিনি ‘ঝগড়ুটে জোট’ বলেও দেগে দিয়েছেন। রবিশঙ্কর বলেন, “আজ রাঁচিতে ইন্ডি জোটের দুই শরিক কংগ্রেস এবং আরজেডি কর্মীরা নিজেদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি করছেন। আমরা অনেক আগেই বলেছিলাম যে এই জোট ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে গঠন করা হয়েছে। ওদের মধ্যে (আরজেডি এবং কংগ্রেস) মাঝে-মধ্যেই সংঘর্ষ হচ্ছে। লোকজন জখম হচ্ছেন। ওঁদের মধ্যে ঐক্য কোথায়? ওঁরা নিজেরাই যখন ঐক্যবদ্ধ নন, তখন কীভাবে দেশকে এক সুতোয় বেঁধে রাখবেন?”

    ‘মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে দেশ’

    ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগে ওঁদের অনেকেই জেলবন্দি। দেশ নরেন্দ্র মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে। তারা চাইছে একটা স্থায়ী সরকার। এই যখন দেশবাসীর ইচ্ছে, তখন কী এহেন ঝগড়ুটে একটা জোট দেশ চালাতে পারবে?”

    আরও পড়ুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বাতিল ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি

    রবিবার ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তিনি বলেন, “‘ঘমণ্ডিয়া’ (উদ্ধত) পার্টিগুলোর নেতারা হয় জেলে নয় বেলে(জামিনে) রয়েছে।” তিনি বলেন, “বিজেপিই দেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল, গণতন্ত্রের প্রতি যার শ্রদ্ধা রয়েছে। এই দলই সাধারণ পরিবার থেকে লোকজন আনে, তাঁদের নেতা বানায়।” নাড্ডা বলেন, “অন্য দিকে, ইন্ডিয়া নামে রয়েছে ঘমণ্ডিয়া জোট। আর বিজেপিতে গণতন্ত্র রয়েছে। এই দল সাধারণ পরিবার থেকে নেতা তুলে আনে।”

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “ফারুক আবদুল্লা-ওমর আবদুল্লা, মুফতি মহম্মদ সঈদ-মেহবুবা মুফতি, চৌটালা পরিবার, মূলায়ম-অখিলেশ-ডিম্পল যাদব পরিবার, লালু-রাবড়ি-তেজস্বী-তেজপ্রতাপ যাদবের পরিবার – এসবই পরিবার সর্বস্ব রাজনীতির উদাহরণ (Lok sabha elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বাতিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি

    SSC Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বাতিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় (SSC Recruitment Scam) বিরাট রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করে দিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনও চাকরিই বৈধ বলে গণ্য হওয়া উচিত নয়, সাফ জানাল আদালত। সোমবার হাইকোর্টে হয় রায়দানের প্রক্রিয়া। রায়দান হয় ৯টি ইস্যুতে। ২৮১ পাতার নির্দেশে রয়েছে ৩৭০টি অনুচ্ছেদ।

    নিয়োগ বাতিল (Calcutta High Court)

    আদালত জানিয়েছে, এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Recruitment Scam) মামলায় সব নিয়োগ বাতিল করা হচ্ছে। ২০১৬-র পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিল হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে ওই প্যানেলে হওয়া চারটে নিয়োগ প্রক্রিয়া- গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ— সকলেরই প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও যাঁদের চাকরি হয়েছে, তাদের প্রাপ্ত বেতন ১২ শতাংশ সুদ সহ আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে জমা করতে হবে। বেতন ফেরত হয়েছে কিনা, সেটা দেখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ডিআই-কে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ২ সপ্তাহের মধ্যে ওই টাকা আদালতের কাছে জমা করবেন জেলাশাসক।

    হেফাজতে নিতে পারবে সিবিআই

    এই দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্তের প্রয়োজনে যখন যাকে প্রয়োজন হবে, তখন তাঁকেই হেফাজতে নিতে পারবে সিবিআই। যাঁরা অতিরিক্ত শূন্য পদ তৈরি করেছিলেন, তাঁদেরও হেফাজতে নিতে পারবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। কেবল তাই নয়, ওএমআর শিটের সমস্ত কপি আপলোড করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। ওএমআর শীট পুনঃমূল্যায়ন করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে এসএসসিকে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতেও বলেছে আদালত (Calcutta High Court)। ১৫ দিনের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বলে জানিয়ে দিল হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    নিয়োগ কেলেঙ্কারির (SSC Recruitment Scam) অভিযোগ প্রমাণিত হলে যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁদের কী হবে? ১৩ মার্চ শুনানি চলাকালীন এই প্রশ্নের দুটি বিকল্পের উল্লেখ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক। পর্যবেক্ষণে তিনি দু’টি বিকল্পের কথা বলেছিলেন। এক, দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সম্পূর্ণ নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে। দুই, গোটা নিয়োগের অংশ বিশেষ বাতিল করা হতে পারে। ওই দিন বিচারপতি বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, পিছনের দরজা দিয়ে চাকরি পেলে কী করা উচিত? পদ ভরাতে হবে বলে অযোগ্যদের কেন নিয়োগ করা হবে? অযোগ্য ব্যক্তিরা কী শেখাবেন? যদি সবটা অবৈধ হয়, তাহলে যা পরিণতি, তাই হবে। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে বলা হয়, কমিশনকে বিশ্বাস করতে না পারলে তো গোটা নিয়োগই বাতিল করা উচিত। 

    প্রসঙ্গত, এসএসসি মামলায় (SSC Recruitment Scam) প্রায় পাঁচ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court)। মানবিক কারণে সোমা দাস নামক এক চাকরিপ্রাপকের চাকরি থাকবে। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় মানবিক কারণে তাঁর চাকরি বাতিল করা হয়নি বলেও জানাল আদালত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • World Earth Day 2024: আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস, দিনটির তাৎপর্য জানেন?

    World Earth Day 2024: আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস, দিনটির তাৎপর্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস (World Earth Day 2024)। এই গ্রহ থেকে যাতে প্রাণের অস্তিত্ব হারিয়ে না যায়, তাই ফি বছর ২২ এপ্রিল দিনটি পালিত হয় বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস হিসেবে। পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হওয়া, পরিবেশগত সমস্যা যেমন দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বাস-গ্রহের হাজারো সমস্যার দিকে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ দেয় বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস।

    বিশ্ব বসুন্ধরা দিবসের থিম (World Earth Day 2024)

    এই গ্রহ যাতে চিরকালের জন্য বাসযোগ্য থাকে, তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তারও সুযোগ দেয় দিনটি। প্রকৃতিকে কীভাবে বাঁচানো যায়, জীববৈচিত্রকে কীভাবে রক্ষা করা যায়, এই গ্রহের ভবিষ্যৎ কীভাবে উজ্জ্বলতর করা যায়, তা নিয়েও ভাবনা-চিন্তার সুযোগ দেয় বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস। ফি বছরই বিশ্ব বসুন্ধরা দিবসের (World Earth Day 2024) একটি থিম থাকে। এবার ছিল, ‘প্ল্যানেট বনাম প্লাস্টিক’। এহেন থিম বেছে নেওয়ার কারণ হল পরিবেশ ও এই গ্রহের বাসিন্দাদের ওপর প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। প্লাস্টিক নষ্ট হয় না। তাই তা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার পক্ষে খুবই ক্ষতিকর একটি বস্তু।

    প্লাস্টিকের উৎপাদন কমানোর পরামর্শ

    এই প্লাস্টিকের ব্যবহার কীভাবে কমানো যায়, উৎপাদনই বা কীভাবে কমানো যায়, মানুষ যাতে এসব নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেন, সেই কারণেই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে অভিনব এই থিম। ২০৪০ সালের মধ্যে প্লাস্টিক উৎপাদন ৬০ শতাংশ কমানোর পরামর্শ দিয়েছে অফিসিয়াল আর্থ ডে সংগঠক, আর্থডে ওআরজি। এ বিশ্বকে কীভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাসযোগ্য করে তোলা যায়, তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করতে ১৯৭০ সালে ঠিক হয়, ফি বছর ২২ এপ্রিল দিনটি পালন করা হবে বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস হিসেবে। বসুন্ধরাকে বাঁচাতে যাতে আস্ত একটি দিন উৎসর্গ করা হয়, এই ভাবনা প্রথম মাথায় আসে মার্কিন সেনেটর গেলর্ড নেলসন ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ডেনিস হেইসের।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    বায়ু দূষণ এবং জল দূষণের হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে আন্দোলনও করেছিলেন তাঁরা। তার পরেই ঠিক করেন ২২ এপ্রিল দিনটিকে গ্রহণ করা হবে বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস হিসেবে। কারণ এই সময় স্কুল-কলেজে বার্ষিক পরীক্ষা থাকে না। থাকে স্প্রিং ব্রেক। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয় ২২ এপ্রিলকে। প্রকৃতির স্বাস্থ্য ভালো থাকলে যে আমরা ভালো থাকব, প্রকৃতি বাঁচলে যে আমরা বাঁচব, এই ভাবনা মানুষের মনে সঞ্চারিত করতেই আজও ঘটা করে পালিত হয় বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস (World Earth Day 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বিশেষ বেঞ্চের রায় ঘোষণা সম্ভবত আজই

    Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বিশেষ বেঞ্চের রায় ঘোষণা সম্ভবত আজই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, তাঁর সময়কালীন শিক্ষা দফতরের একটা বড় অংশ এবং তৃণমূলের অনেক নেতা-বিধায়ক জেলে রয়েছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। অবশেষে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বঞ্চিত চাকরীপ্রার্থীরা। আজ সোমবার স্কুল সার্ভিস (SSC) সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করতে পারে কলকাতা হাইকোর্ট।

    টানা শুনানি চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে (Recruitment Scam)

    শিক্ষক নিয়োগে বিপুল দুর্নীতি (Recruitment Scam) ও বেনিয়মের অভিযোগে জেলে রয়েছেন (Partha Chattopadhyay) পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তিপ্রসাদ সিনহার মতো প্রাক্তন শিক্ষাকর্তারা। সুবিচার পাননি বহু যোগ্য প্রার্থী। প্রায় ২৫ হাজার প্রার্থী এবার এই মামলায় আশার আলো দেখছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই রায়ের উপরে। প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কলকাতা হাইকোর্টকে (Calcutta Highcourt) বিশেষ বেঞ্চ তৈরি করে মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছিল। নিষ্পত্তি করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৬ মাস। নভেম্বর মাসে এই রায় দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও সাব্বির রাশিদির ডিভিশন বেঞ্চে শুরু হয়েছিল শুনানি। কয়েক মাস ধরে টানা শুনানি চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে। ৬ মাস পার হওয়ার আগেই রায় ঘোষণা হতে চলেছে আজ সোমবার। সকাল ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।

    ওএমআর শিটে (OMR Sheet) শূন্য পেয়েও চাকরি!

    হাইকোর্ট সূত্রে খবর, এসএসসি, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম, দশম ও দ্বাদশ-একাদশে নিয়োগ সংক্রান্ত (Recruitment Scam) শুনানি চলছিল বেশ কয়েক মাস ধরে। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “এই সব কটি ক্ষেত্রে ২৪,৬৪০ টি পদ ফাঁকা ছিল। দেখা যায় ২৫,৭৫৩ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অতিরিক্ত নিয়োগ করা হয়েছিল বহু ক্ষেত্রে। ছিল একাধিক অভিযোগ। ওএমআর শিটে (OMR Sheet) শূন্য অথবা এক পাওয়া সত্ত্বেও সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তালিকায় নাম না থাকা প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। মেধা তালিকার নীচে প্রার্থীদের চাকরি দিয়ে উপরের প্রার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ সহ নানান অভিযোগ ছিল শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে। সেই সব বিষয়ই শোনার পর রায় দিতে চলেছে আদালত।”

    রায় প্রকাশে অস্বস্তিতে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার রায় এলে তা শাসকপক্ষের (TMC) মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। ভোটের মরশুমে রায় ঘোষণাার প্রভাব পড়তে পারে লোকসভা নির্বাচনে। রায় ঘোষণার পর বিরোধীরা সুর চড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে আগে থেকেই বেসামাল শাসক শিবির। বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে একাধিক নেতার নাম জড়ানো থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সহ শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে বেসামাল তৃণমূল নেতারা। শাসক দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তালিকা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানা স্তরে দলের একাধিক নেতা মন্ত্রীর সরাসরি যোগের বিষয়ে সামনে আসছে। দুর্নীতির অভিযোগে বিরোধীদের নিশানায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত শাসকদলের নেতানেত্রী ও তাঁদের বন্ধু-বান্ধবীর ঘর থেকে টাকা পয়সা, সোনা, গহনা উদ্ধারের ঘটনায় দলের ভাবমূর্তিতে যে ধাক্কা লেগেছে, তা নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কেউ ধরা পড়লেই দায় ঝেড়ে ব্যক্তিগত দুর্নীতির অভিযোগ বলা হয় শাসকের মুখপাত্রদের তরফে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই মামলার (Recruitment Scam) রায় অবশ্যই রাজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শাসকদলের ছোট, বড়, মাঝারি, অনেকেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। আশা করব কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর যোগ্যরা চাকরি পাবেন এবং বঙ্গে যোগ্যদের চাকরি পাওয়ার জন্য আর লক্ষ লক্ষ টাকা কাউকে ঘুষ দিতে হবে না।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের বাজারে উলট পুরাণ সিউড়িতে! তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে পাল্টা রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “এই মামলায় (Recruitment Scam) তৃণমূল কংগ্রেসকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছিল। এর মধ্যে রাজনীতিও ছিল। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার বিষয়টিকেই রাজ্য গুরুত্ব দিয়ে ভেবে দেখবে। মুখ্যমন্ত্রী যোগ্য প্রার্থীদের জন্য যথেষ্ট সহানুভূতিশীল।” প্রসঙ্গত যোগ্যদের চাকরি হোক, এই দাবি নিয়ে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সহানুভূতির কথাও বলেছেন। কিন্তু যোগ্য ও বঞ্চিতদের চাকরি মিলছে কোথায়, প্রশ্ন চাকরি প্রার্থীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share