Tag: Madras HC

Madras HC

  • Saurav Das: ‘ককরোচ’ নেতা সৌরভ দাসের নাগরিকত্ব ও পরিচয় নিয়ে তদন্তের আর্জি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলায় নোটিস জারি

    Saurav Das: ‘ককরোচ’ নেতা সৌরভ দাসের নাগরিকত্ব ও পরিচয় নিয়ে তদন্তের আর্জি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলায় নোটিস জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র মুখপাত্র তথা সাংবাদিক সৌরভ দাসের নাগরিকত্ব ও ব্যক্তিগত পরিচয় খতিয়ে দেখার দাবিতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় নোটিস জারি করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। পাশাপাশি, বিচারব্যবস্থা এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে তাঁর কথিত অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে সমাজমাধ্যমে সৌরভের এক্স ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করারও আবেদন জানানো হয়েছে। শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, প্রধান বিচারপতি এস এ ধর্মাধিকারী এবং বিচারপতি জি অরুল মুরুগনের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কাঞ্চিপুরম জেলার বাসিন্দা গণেশ কুমার এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। গত ২৬ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করা হয় এবং ২৮ অক্টোবর তা নথিভুক্ত হয়। আগামী ১১ ডিসেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

    সৌরভ দাসের প্রকৃত পরিচয় নিয়ে তদন্ত

    আবেদনকারীর দাবি, সৌরভ দাসের প্রকৃত পরিচয় নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। মামলায় তাঁকে ‘যোগেশ শর্মা ওরফে সৌরভ দাস’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর বাবা-মায়ের পরিচয়-সহ পারিবারিক পটভূমিও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন মামলাকারী। তদন্তে তিনি বিদেশি নাগরিক বলে প্রমাণিত হলে তাঁর পাসপোর্ট এবং আধার কার্ড বাতিলের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়েছে। শুক্রবারের শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী বি জগন্নাথ, সৌরভ দাসের পরিচয় ও ঠিকানা সংক্রান্ত কয়েকটি নথি আদালতের সামনে পেশ করেন। বিচারপতিরা সেই নথিগুলি খতিয়ে দেখেন এবং তাতে উল্লেখ করা কয়েকটি তথ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা চান বলে জানা গিয়েছে।

    বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে সৌরভের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন

    এছাড়াও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে সৌরভ দাসের কথিত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তোলেন মামলাকারীর আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি নিয়ে আদালতও প্রশ্ন তোলে। হাইকোর্ট জানতে চায়, আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে মামলাকারী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও অভিযোগ জানিয়েছিলেন কি না। এর উত্তরে আইনজীবী জানান, গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গণেশ কুমার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই আবেদনের কোনও জবাব মেলেনি। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই আবেদনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

    সোশ্যাল সাইটে সৌরভ দাসের অ্যাকাউন্ট বন্ধের দাবি

    সৌরভ দাসের নাগরিকত্ব নিয়ে তদন্তের পাশাপাশি তাঁর নামে পরিচালিত এক্স এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন মামলাকারী। একই সঙ্গে, বিচারব্যবস্থা ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের সম্পর্কে ভবিষ্যতে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য করা থেকে তাঁকে বিরত রাখার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। এই মামলায় যাঁদের নোটিস পাঠানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চেন্নাইয়ের আঞ্চলিক পাসপোর্ট আধিকারিক, ইউআইডিএআই-এর চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, বিদেশসচিব এবং আইন ও বিচার মন্ত্রক ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের আধিকারিকরা। অন্যদিকে, এই মামলার প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য আশুতোষ রাঙ্কা আবেদনটির সমালোচনা করেছেন।

  • Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অপমান করা এবং ঘৃণা-ভাষণ দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুর উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনকে চরম ভর্ৎসনা করল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ।  সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করা হল। হাইকোর্ট জানিয়েছে, একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়, বিশেষত যখন সেই বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করা হয়নি। এই এফআইআরটি দায়ের করা হয়েছিল মালব্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি ‘সনাতন ধর্ম’ (Sanatana Dharma) নিয়ে মন্তব্য করার জন্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin) কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

    মালব্যের প্রতিক্রিয়া আইন লঙ্ঘন করেনি (Udhayanidhi Stalin)

    বিচারপতি এস শ্রীমতী বলেন, “অমিত মালব্য কেবল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়া ভুল এবং ক্ষতিকর হবে।” বিচারপতি এও বলেন, “মালব্যের প্রতিক্রিয়া কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি এবং মামলাটি চালু রাখলে তা আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার হবে।” লাইভ ল–এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদালত এই প্রসঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত উল্লেখ করেছে, যে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, অথচ সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে যাঁরা আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তাঁরা প্রায়ই পার পেয়ে যান, কিন্তু যাঁরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    লাইভ ল–এর প্রতিবেদনে আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “এই আদালত অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, যাঁরা বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সূচনা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকেন, কিন্তু যাঁরা সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁরা আইনের কঠোরতার মুখে পড়েন। এমনকি আদালতও প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের প্রশ্ন করছে, কিন্তু যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না (Udhayanidhi Stalin)।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘সনাতন বিলোপ সম্মেলন’ (Sanatana Abolition Conference) নামে একটি অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মের তুলনা করেছিলেন ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে (Sanatana Dharma)। একে বিলোপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।

    স্ট্যালিনের মন্তব্য

    এই বক্তব্যের পর অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভাষণের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন এবং মন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন যে বক্তব্য দেন, তার একটি আনুমানিক অনুবাদ নীচে দেওয়া হল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। “কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করা যায় না, সেগুলিকে নির্মূল করতে হয়। আমরা শুধু ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া বা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না, সেগুলি নির্মূল করতে হয়। সনাতনের ক্ষেত্রেও কেবল বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত।”

    স্ট্যালিনের এই প্রতিক্রিয়ায় অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন (Sanatana Dharma), “তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের পুত্র ও ডিএমকে সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা (Udhayanidhi Stalin) করেছেন। তাঁর মতে, এর বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি ভারতের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে গণহত্যার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাঁরা সনাতন ধর্ম অনুসরণ করেন।” মালব্য আদালতে জানান, তিনি কেবল প্রকাশ্যে দেওয়া একটি বক্তব্যই শেয়ার করেছিলেন এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পোস্টগুলির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Udhayanidhi Stalin)।

     

  • BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পাথরের স্তম্ভে ঐতিহ্যবাহী কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলনের নির্দেশ বহাল রাখল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ (Madras HC)। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধর্মীয় আচার পালনের ফলে শান্তি বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে, রাজ্য সরকারের এমন আশঙ্কার কোনও ভিত্তিই নেই। বিচারপতিরা বলেন, বহু (BJP) বছরের ঐতিহ্যবাহী এই আচার শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে এসেছে।

    বিজেপির নিশানায় কংগ্রেস-ডিএমকে (BJP)

    আদালতের রায় বের হওয়ার পরেই ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে নিশানা করেছে বিজেপি। আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেতা সিআর কেশবন ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে ডিএমকে এবং কংগ্রেসের তোষণমূলক রাজনীতি আজ তামিলনাড়ুর মানুষের সামনে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে।” কেশবনের দাবি, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অবস্থান নেওয়ার ফলেই এই দলগুলি জনসমর্থন হারাচ্ছে। কার্তিগাই দীপম তামিল সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, যা বিশেষ করে তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড় ও তিরুভান্নামালাইয়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। আদালতের এই রায়কে ঐতিহ্য রক্ষার বড় জয় হিসেবেই দেখছেন ভক্তরা।

    সত্যমেব জয়তে!

    কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে (Madras HC) তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি এই ঘটনাকে ডিএমকে সরকারের তোষণমূলক ও বিভাজনমূলক রাজনীতির বড় পরাজয় বলে দাবি করেন (BJP)। বিজেপি নেতা লেখেন, “সত্যমেব জয়তে! তামিল জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে বারবার আঘাত হানছে এমন ডিএমকে সরকারের সাম্প্রদায়িক তোষণনীতির বিরুদ্ধে এটি এক বিশাল পরাজয়।” তিনি আরও বলেন, “ডিএমকে সরকারকে অবিলম্বে কোটি কোটি হিন্দু ভক্তের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কারণ বারবার তাঁদের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, থিরুপারানকুন্দ্রম পাহাড়ের দীপথূন (Deepathoon)-এ পবিত্র কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলিত হবে এবং তা আবারও গৌরবের সঙ্গে পাহাড়চূড়ায় আলোকিত হয়ে উঠবে। বিজেপির ওই নেতার আরও অভিযোগ, “ডিএমকে এবং কংগ্রেসের দ্বিচারী, বিপজ্জনক এবং বিভাজনমূলক রাজনীতি আজ সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে (Madras HC)।” এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এদিকে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চের রায়ের প্রশংসা করলেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে অন্নামালাই-ও। তিনি বলেন, “থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত ‘দীপাথুন’ যে মন্দিরেরই সম্পত্তি, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে (BJP) দিয়েছে আদালত।

    অন্নামালাইয়ের বক্তব্য

    ডিএমকে সরকারের দাখিল করা আপিল এবং বিচারপতি জিআর স্বামীনাথনের আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদন খারিজ করে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ। এই রায়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে অন্নামালাই বলেন, “সম্মানীয় বিচারপতিরা তাঁদের রায়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একটি শক্তিশালী রাজ্য সরকার এই আশঙ্কা পোষণ করতে পারে যে বছরে মাত্র একদিন মন্দিরের প্রতিনিধি ও ভক্তদের একটি পাথরের স্তম্ভে প্রদীপ জ্বালানোর অনুমতি দিলে শান্তি বিঘ্নিত হবে (Madras HC)?” আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের অশান্তি কেবল তখনই ঘটতে পারে, যদি রাজ্য সরকার নিজেই তাতে ইন্ধন জোগায় (BJP)।” অন্নামালাই জানান, আদালত আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে যে থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত দীপাথুন সম্পূর্ণভাবে মন্দিরের সম্পত্তি। ডিএমকে সরকারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে আদালত বলেছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সরকার যেন এমন নিচু স্তরে না নামে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যে আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছিল, তা আদতে “একটি কল্পিত ভূত”, যা প্রশাসন নিজের সুবিধার জন্য তৈরি করেছে এবং যার মাধ্যমে এক সম্প্রদায়কে অন্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর আশঙ্কা রয়েছে (Madras HC)।

    দীপাথুনে দীপ জ্বালানোর অধিকার

    অন্নামালাই বলেন, “এই রায় রাজ্যের সাংবিধানিক নীতির জয় এবং ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ নজির।” তাঁর আশা, তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার অবিলম্বে তাদের প্রকাশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান জানাবে। তিনি বলেন, “আদালত যেহেতু যথাযথভাবে রায় দিয়ে ভগবান মুরুগার ভক্তদের দীপাথুনে (Deepa Thoon) দীপ জ্বালানোর অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই সরকারকে এখন ভক্তদের সেই ধর্মীয় আচরণে বাধা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে (BJP)। আন্নামালাইয়ের মতে, দীপাথুনে দীপ জ্বালানো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় প্রথা নয়, বরং এটি ভক্তদের বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আদালতের রায়ের পরেও যদি রাজ্য সরকার এতে হস্তক্ষেপ করে, তবে তা হবে আইনের শাসনের সরাসরি লঙ্ঘন।

    ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ!

    তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার কোনওভাবেই ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না এবং আদালতের নির্দেশ মেনে চলাই সংবিধানসম্মত পথ।” তামিল অভিনেতা বিজয়ের পার্টি তামিলগা ভেট্ট্রি কাজগম (TVK) বিজেপি এবং ডিএমকে – উভয় দলকেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে। দলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ইস্যুটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে দুই প্রধান দলই (Madras HC)। টিভিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এই ইস্যুকে সামনে রেখে আসন্ন নির্বাচনের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও আগ্রহই নেই (BJP)।”

    দলটির আরও অভিযোগ, ডিএমকে ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ইস্যুটিকে নির্বাচনের সময় পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চাইছে। টিভিকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ডিএমকে এই বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত করবে- এটাই তাদের রাজনৈতিক কৌশল।” টিভিকের মতে, সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যা ও স্বার্থের বদলে রাজনৈতিক লাভের জন্য ইস্যুকে ঘনীভূত করা হচ্ছে, যা আদতে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর (Madras HC)।

  • Bhagavad Gita: “ভগবদগীতা ভারতীয় সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ”, রায় মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Bhagavad Gita: “ভগবদগীতা ভারতীয় সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ”, রায় মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভগবদগীতা (Bhagavad Gita) কোনও ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এটি নৈতিক বিজ্ঞান এবং ভারতীয় সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।” ঠিক এমনই মন্তব্য করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের (Madras HC) বিচারপতি জিআর স্বামীনাথন। তাঁর মতে, ভগবদ গীতার শিক্ষা দিলেই কোনও ট্রাস্টকে ধর্মীয় বলা যাবে না এবং সেই কারণে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (FCRA), ২০১০–এর অধীনে নিবন্ধন অস্বীকার করাও যায় না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আদালত ভারতীয় চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত যে সত্যটিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে, তা হল গীতা কোনও সাম্প্রদায়িক ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি একটি সভ্যতাগত জ্ঞানভান্ডার।

    জনকল্যাণমূলক ট্রাস্টের এফসিআরএ আবেদন (Bhagavad Gita)

    এই মামলার সূত্রপাত একটি জনকল্যাণমূলক ট্রাস্টের এফসিআরএ আবেদন খারিজ হওয়া থেকে। সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টটি বেদান্ত, সংস্কৃত, যোগশাস্ত্র ও ভগবদগীতার শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের কাজেও যুক্ত ছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এই আবেদনটি এই অনুমানের ভিত্তিতে খারিজ করে যে, এই কার্যকলাপগুলি ধর্মীয় প্রকৃতির। ঔপনিবেশিক যুগের ভুল ধারণা থেকে উৎসারিত এই আমলাতান্ত্রিক যুক্তিকে সংবিধানসম্মত স্পষ্টতার ভিত্তিতে মাদ্রাজ হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে খারিজ করে দেয়।

    ভগবদগীতা কোনও ধর্মীয় গ্রন্থ নয়

    এর পরেই বিচারপতি স্বামীনাথনের মন্তব্য, “ভগবদগীতা কোনও ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এটি নৈতিক বিজ্ঞান এবং ভারতীয় সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধু একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি সভ্যতাগত ঘোষণা। গীতা উপাসনা, আচার বা কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্বের গ্রন্থ নয়। এটি একটি দার্শনিক সংলাপ, যা কর্তব্য, কর্ম, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, অনাসক্তি এবং জটিল পরিস্থিতিতে ন্যায়সঙ্গতভাবে (Madras HC) কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় অন্তর্নিহিত শৃঙ্খলার কথা বলে। মন্দির নয়, যুদ্ধক্ষেত্রকে পটভূমি হিসেবে বেছে নেওয়াই প্রতীকী, এটি জীবনের নৈতিক দ্বন্দ্বের প্রতিচ্ছবি, ধর্মীয় বিধান নয় (Bhagavad Gita)।”

    নিষ্কাম কর্মের তত্ত্ব

    হাজার হাজার বছর ধরে ভগবদগীতা ভারতের নৈতিক দিশারি হিসেবে কাজ করে এসেছে। নিষ্কাম কর্মের তত্ত্ব নিঃস্বার্থ জনসেবার ভিত্তি রচনা করেছে। স্বধর্মের ধারণা অধিকার নয়, দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। কর্মের মধ্যেও সমত্ব বজায় রাখার শিক্ষা ভারতীয় শাসনব্যবস্থা, যুদ্ধনীতি, বিচারব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত আচরণের বোধকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। এই কারণেই মহাত্মা গান্ধী থেকে লোকমান্য তিলক, শ্রী অরবিন্দ থেকে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চিন্তাবিদরা, সকলেই গীতার ভাবধারা থেকে প্রেরণা গ্রহণ করেছেন।

    সভ্যতাগত পক্ষপাত

    হাইকোর্টের এই রায় ভারতীয় শাসনব্যবস্থার এক দীর্ঘদিনের অন্তর্নিহিত বৈপরীত্যকে উন্মোচিত করেছে। পাশ্চাত্য দার্শনিক ঐতিহ্য, অ্যারিস্টটল, প্লেটো, কান্ট – নির্বিবাদে ধর্মনিরপেক্ষ জ্ঞান হিসেবে স্বীকৃত হলেও ভারতীয় দার্শনিক ধারাগুলিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধর্মীয় তকমা দেওয়া হয়। যোগ আজ বিশ্বজুড়ে একটি সুস্থতা ও কল্যাণমূলক অনুশীলন হিসেবে স্বীকৃত। অথচ ভারতের ভেতরেই তা প্রায়ই আদর্শগত সন্দেহের চোখে দেখা হয়। সংস্কৃত বিশ্বের অন্যতম সূক্ষ্ম ও পরিশীলিত ভাষাতাত্ত্বিক ব্যবস্থাগুলির একটি হলেও, তার শিক্ষাদানকে বহু সময় সাম্প্রদায়িক বলে ভুলভাবে চিহ্নিত করা হয়। বেদান্ত চেতনা ও বাস্তবতার ওপর এক গভীর দার্শনিক অনুসন্ধান, তবু ইউরোপীয় দর্শনশাস্ত্রের সমতুল্য দর্শন হিসেবে তাকে খুব কমই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই বৈষম্য ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, এটি এক ধরনের সভ্যতাগত পক্ষপাত(Bhagavad Gita)।

    রায় প্রশ্নাতীত

    সংবিধানের দৃষ্টিতে এই রায় প্রশ্নাতীত। সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ আইনের সামনে সমতার নিশ্চয়তা দেয় এবং খামখেয়ালি শ্রেণিবিভাগ নিষিদ্ধ করে। কেবল সাংস্কৃতিক উৎসের কারণে ভারতীয় দর্শনের পাঠদানকে পাশ্চাত্য দর্শনের পাঠদানের থেকে আলাদা করে দেখা যায় না। ২৫ ও ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারতীয় জ্ঞানের প্রতিটি দিককে ধর্মের সংকীর্ণ সংজ্ঞার মধ্যে আবদ্ধ রাখতে হবে। ভারতের সংবিধান রাষ্ট্রকে সভ্যতার প্রতি বিরূপ হতে বলে না, বরং বলে রাষ্ট্রকে ন্যায্য হতে(Madras HC) ।

    প্রক্রিয়াগত শৃঙ্খলার ওপর আদালতের জোর

    এফসিআরএ ব্যবস্থার অধীনে প্রক্রিয়াগত শৃঙ্খলার ওপর আদালতের জোর দেওয়াটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যাখ্যানের আদেশটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বদলে অনুমাননির্ভর ধারণার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল, এবং পূর্ববর্তী কারিগরি ত্রুটিগুলি, যেগুলি ইতিমধ্যেই আইনের আওতায় নিষ্পত্তি হয়েছিল, অযৌক্তিকভাবে আবার অযোগ্যতার কারণ হিসেবে সামনে আনা হয়। বিদেশি তহবিলের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজনীয়, কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রণ যেন আদর্শগত প্রহরায় পরিণত হতে না পারে। আদালত যথার্থভাবেই এই নীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে যে, জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা ন্যায্যতা, স্পষ্টতা এবং সাংবিধানিক সংযমের সঙ্গে আমাদের সহাবস্থান করতেই হবে (Bhagavad Gita)। ভারত যেভাবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বোঝে, সেই প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ নিজের ঐতিহ্য মুছে ফেলা নয়। এর অর্থ হল, সব পথের প্রতি সম্মান দেখানো, কিন্তু কাউকেই বিশেষ সুবিধা না দেওয়া। এর মানে হল, এই সত্যকে স্বীকৃতি দেওয়া যে সভ্যতাগত গ্রন্থগুলি বিশ্বাস চাপিয়ে না দিয়েই সর্বজনীন নৈতিকতা দান করতে পারে। ভগবদগীতা ঠিক সেটাই করে। গীতা আসক্তিহীন কর্মের শিক্ষা দেয়, অহংকারহীন নেতৃত্বের কথা বলে, এবং বিদ্বেষহীন কর্তব্য পালনের পথ দেখায়। এই মূল্যবোধগুলি সমাজকে শক্তিশালী করে, বিভক্ত করে না(Madras HC) ।

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়

    অতএব, মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়টি শুধু এফসিআরএ নিবন্ধনের তাৎক্ষণিক প্রশ্নেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি ভারতীয় প্রজ্ঞার ভুল ব্যাখ্যার বিরুদ্ধে এক সাংবিধানিক সীমারেখাও টেনে দেয়। এই রায় প্রজাতন্ত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে আধুনিক শাসনব্যবস্থা বৌদ্ধিক বিস্মৃতির ওপর দাঁড়াতে পারে না। গীতাকে সাম্প্রদায়িক ধর্মগ্রন্থ নয়, বরং নৈতিক বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আদালত সাংবিধানিক ব্যাখ্যাকে সভ্যতাগত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছে (Bhagavad Gita)। ভগবদগীতার শিক্ষা দেওয়া ধর্মপ্রচার নয়, বরং শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সংক্রমণ হিসেবে পুনরায় নিশ্চিত করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট ভারত জাতির প্রতি এক নীরব কিন্তু ঐতিহাসিক সেবা দিয়েছে। এই রায় নিশ্চিত করেছে যে ভারতের আত্মাকে কোনও ব্যুরোক্র্যাটিক অসুবিধা হিসেবে নয়, বরং শক্তির উৎস হিসেবে দেখা হবে।

LinkedIn
Share