Tag: Madras High Court

Madras High Court

  • Tamil Nadu: বিজেপির অফিসে ‘ভারত মাতা’র মূর্তি ফিরিয়ে দিতে তামিলনাড়ু সরকারকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Tamil Nadu: বিজেপির অফিসে ‘ভারত মাতা’র মূর্তি ফিরিয়ে দিতে তামিলনাড়ু সরকারকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাজ হাইকোর্ট সম্প্রতি বিজেপি অফিস থেকে অবৈধভাবে বাজেয়াপ্ত করা ‘ভারত মাতা’র মূর্তি ফেরত দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত (Madras High Court) ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে যে, এই মূর্তির অপসারণ সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। এমন কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আর ঘটতে দেওয়া উচিত নয়।

    কী ঘটেছিল

    প্রসঙ্গত, গত ৭ অগাস্টের রাতে, আরুপুরকোত্তাই রেভেনিউ ডিভিশনাল অফিসার (RDO) শিবকুমার এবং তহসিলদার বাস্করান বিজেপি অফিসে ঢুকে মূর্তি অপসারণ করেন। তাঁদের দাবি, যে মূর্তিটি অনুমতি ছাড়া বসানো হয়েছিল। এই দলের সদস্যরা পুলিশি সহায়তায় অফিসের গেট খুলে মূর্তি অপসারণে উদ্যোগী হন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে, এক পুলিশ অফিসার বিজেপি অফিসের দেওয়াল টপকে গেট খোলার চেষ্টা করছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি অন্নামালাই এই ঘটনাকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) ডিএমকে সরকার এতটাই দুর্নীতিগ্রস্ত যে, এখন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতেও ‘ভারত মাতা’র মূর্তি স্থাপন করার অধিকার নেই।”

    আদালতের অভিমত

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের (Madras High Court) বিচারক নানদু আনন্দ ভেঙ্কটেশ এই বিষয়ে বলেন, “সরকারি অনুমোদন ছাড়া প্রতিকৃতির স্থাপন যদি জনগণের জায়গায় হয়, তবে নিয়ন্ত্রণ যথাযথ। কিন্তু বেসরকারি জায়গায় এরকম কোনও নিয়ন্ত্রণ অকারণ। ব্যক্তিগত জায়গায় এমন মূর্তি স্থাপন কোনওভাবেই রাষ্ট্রের অধিকারকে লঙ্ঘন করে না।” এছাড়া, আদালত জানায় যে, ভারত মাতার মূর্তি স্থাপন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত এবং সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তির বিষয়, এটা মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক। এই মূর্তি মানুষকে একত্রিত হতে এবং স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। এই রায়ে আদালত বিজেপির অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে মূর্তিটি তাদের অফিসে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে সতর্ক করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madras High Court: ১০ বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ মন্দির খোলার নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    Madras High Court: ১০ বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ মন্দির খোলার নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মন্দির খোলা নিয়ে যুগান্তকারী রায় দিল তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মাদ্রাজ হাইকোর্ট। বিচারপতি জিআর স্বামীনাথন মাদুরাই জেলার উথাপুরম গ্রামে শ্রী মুথালাম্মন এবং শ্রী মারিয়াম্মান মন্দির পুনরায় খোলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধের কারণে এই মন্দির ১০ বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল।

    “দেবতাকে কারারুদ্ধ করার সমান” (Madras High Court)

    জানা গিয়েছে, আবেদনকারীর নাম পান্ডি। তিনি জেলা কালেক্টর, রাজস্ব বিভাগীয় আধিকারিক (আরডিও), তহসিলদার এবং পুলিশ পরিদর্শককে মন্দিরগুলি পুনরায় চালু করতে এবং প্রতিদিনের পুজো এবং উত্সব উদযাপন শুরু করার নির্দেশ চেয়ে আদালতে (Madras High Court) গিয়েছিলেন। বিচারপতি জিআর স্বামীনাথন মন্দির খোলার রায় দিতে গিয়ে বলেন, প্রথাগত পুজো না করে মন্দিরগুলি বন্ধ করা দেবতাকে বন্দি করার সমান। বিচারপতি যুক্তি দিয়েছেন, এই ধারণাটিকে এখন প্রসারিত করা উচিত যাতে দেবতারা তাঁদের উপাসনা এবং যথাযথ যত্নের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন। বিচারপতি স্বামীনাথন অধ্যাপক নানজুন্দা শাস্ত্রীর “দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ এইচএইচ শ্রী চন্দ্রশেখর ভারতী” বই থেকে একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে, একজন শিষ্য শ্রী চন্দ্রশেখর ভারতীকে একটি পুজোর ঝুড়ি উপহার দিয়েছিলেন। একটি শালগ্রাম শিলা পরীক্ষা করার পরে, সাধু দেখেন যে সাত বছর ধরে দেবতা তার প্রয়োজনীয় দৈনিক পুজো থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সাধক শিষ্যকে দেবতার প্রাপ্য বিশেষ উপাসনা এবং নৈবেদ্য সম্পাদন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মন্দির?

    জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে পিল্লাইমার এবং পাল্লার (তফশিলি জাতি) সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধের কারণে উথাপুরম মন্দির বন্ধ হয়ে যায়। যা “অস্পৃশ্যতার প্রাচীর” নামে পরিচিত হয়েছিল। মন্দিরটি ২০১৪ সাল থেকে একটি বিরোধের কারণে বন্ধ ছিল। তফশিলি জাতি সম্প্রদায়ের সদস্যরা উপাসনার নতুন ধরন প্রবর্তনের চেষ্টা করেছিল। যার ফলে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং এলুমালাই থানায় একটি ফৌজদারি মামলা হয়। দ্বন্দ্ব আইনি লড়াইয়ের দিকে নিয়ে যায়। রিট পিটিশন (Madras High Court) দাখিল করা হয় এবং অবশেষে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়। তবে, মন্দিরগুলিতে নিয়মিত পুজো  বন্ধ ছিল। বিচারপতি জিআর স্বামীনাথন তাঁর ১১-পৃষ্ঠার বিস্তারিত আদেশে জোর দিয়েছেন, একটি মন্দিরের প্রথাগত পুজো না করে বন্ধ করা দেবতাকে কারারুদ্ধ করার সমান।

    ১৯২২ সালের মামলার উদ্ধৃতি

    রামব্রমা চট্টোপাধ্যায় বনাম কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যান্যদের ১৯২২ সালের মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে, বিচারপতি (Madras High Court) স্বামীনাথনের ব্যাখ্যা, একজন দেবতাকে জীবন্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিদিনের আচার-অনুষ্ঠান এবং অর্ঘ্য এমনভাবে করা হয় যেন দেবতা বাড়ির কর্তা। তিনি জোর দেন, জেলের কয়েদিদের যেমন মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা হয়, দেবতাকেও অবশ্যই তাঁর প্রাপ্য নৈবেদ্য দেওয়া দরকার। বিচারপতি বলেছেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য দেবতাকে অস্বীকার করা কারাদণ্ডের সমতুল্য।

    মন্দির খোলার নির্দেশ

    বিচারপতি (Madras High Court) স্বামীনাথন বলেন, অস্পৃশ্যতা বা অন্যের অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ না থাকলে, একটি মন্দির অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা যাবে না। তিনি তুলে ধরেন, ভক্তদের উপাসনার অধিকার, প্রথাগত আচার পালনে দেবতার অধিকারের মতোই তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, প্রতিদিনের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান যাতে বাধা ছাড়াই সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। বিচারপতি স্বামীনাথন মন্দিরের বর্তমান অবস্থাকে “দুঃখজনক” বলে বর্ণনা করেছেন। এটি অবিলম্বে পুনরায় চালু করার এবং নিয়মিত পুজোর সময় খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি পুলিশকে এফআইআর নথিভুক্ত করার এবং আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে যে কোনও অপরাধীর বিচার করার নির্দেশ দিয়েছেন। মন্দির যাতে উপাসনার জন্য উন্মুক্ত থাকে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। বিচারক পুনঃনিশ্চিত করেছেন যে সমস্ত পক্ষকে অবশ্যই মন্দিরের ক্রিয়াকলাপের বিষয়ে পূর্বে প্রতিষ্ঠিত চুক্তিগুলি মেনে চলতে হবে, যাতে দেবতা এবং ভক্ত উভয়ের অধিকারকে সম্মান করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madras High Court: দুই পার্টনারের একজন বিবাহিত হলে, সেই লিভ-ইন বৈধ নয়, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    Madras High Court: দুই পার্টনারের একজন বিবাহিত হলে, সেই লিভ-ইন বৈধ নয়, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দিতে গিয়ে সম্প্রতি মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) জানিয়েছে, একজন বিবাহিত পুরুষ অপর মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে থাকলে তাকে কখনও লিভ-ইন বলা যাবে না এবং ওই মহিলাকে উপপত্নী হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, এই ধরনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কগুলির বৈশিষ্ট্য, বিবাহের যে বৈশিষ্ট্য তার সঙ্গে মেলে না। তা একমাত্র মেলে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে। এই ধরনের সম্পর্ক হল পুরুষ ও তার উপপত্নীর সম্পর্ক। সম্প্রতি এই রায় দিয়েছেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি আরএমটি টীকা রমন।

    মামলাটি হল ২০১৬ সালের

    জানা গিয়েছে মামলাটি হল ২০১৬ সালের। মামলার একপক্ষ হলেন জয়চন্দ্রন। জয়চন্দ্রনের বিবাহ হয় স্টেলা নামের একজন মহিলার সঙ্গে। দম্পতির ৫টি সন্তানও রয়েছে। পরবর্তীকালে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জয়াচন্দ্রন প্রবেশ করেন। জনৈকা মার্গারেট আরুলমোঝির সঙ্গে জয়চন্দ্রন লিভ-ইন শুরু করেন। মার্গারেট ছিলেন ছিলেন মামলাকারী (Madras High Court) ইসুরান্থিনামের কন্যা। লিভ-ইন সম্পর্কে থাকাকালীন ২০১০ সালে জয়চন্দ্রন তাঁর সম্পত্তির বড় অংশ প্রদান করেন মার্গারেটকে। একটি ডিড তৈরি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে মার্গারেটই হল তার পত্নী। পরবর্তীকালে দেখা যায় মার্গারেটের মৃত্যু হয় ২০১৩ সালে। মৃত্যুর পরে তাঁর পিতা ইসুরান্থিনাম একটি মামলা দায়ের করেন এবং সেখানে ঘোষণা করেন যে সম্পত্তির উপর তাঁর কন্যারই অধিকার। ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী ওই সম্পত্তি তাঁর কন্যা পেয়েছেন বলে দাবি করেন মার্গারেটের বাবা।

    লিভ-ইন-সম্পর্ককে কখনও বিবাহের মতো সম্পর্কে আনা যায় না

    যদিও এখানে মাদ্রাজ হাইকোর্ট স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, জয়চন্দ্রনের সঙ্গে স্টেলার বিবাহ একমাত্র বৈধ এবং মার্গারেটের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও বৈধ নয়। তাকে লিভ-ইনও বলা যায় না। এদিন মামলার রায় প্রদানের সময় মাদ্রাজ হাইকোর্ট উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী একটি মামলার (Madras High Court) রায়েরও। যেখানে বলা হয়েছিল যে সমস্ত লিভ-ইন সম্পর্ককে কখনও বিবাহের মতো সম্পর্কে আনা যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৯তম প্রতিষ্ঠা বর্ষ চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)। ঠিক এই সময়ে সন্ত রামালিঙ্গ স্বামীগালের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী বিবেকানন্দ এবং বি আর আম্বেদকরের ভাবাদর্শকে প্রচার করতে গত ১৯ নভেম্বর তামিলনাড়ুতে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুটমার্চ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের তামিলনাড়ু শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫৫টি স্থানে এই রুট মার্চ সম্পন্ন হয়।

    আইনি লড়াইয়ে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুচ মার্চ (RSS) 

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) রুটমার্চে অনুমতি প্রদান করেনি তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার। মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট পর্যন্ত। উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের রুটমার্চ অক্টোবর মাসের ২২ এবং ২৯ তারিখ সম্পন্ন করতে হবে। তবে ডিএমকে সরকার উচ্চ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়। সুপ্রিম নির্দেশে সঙ্ঘের রুটমার্চের দিনক্ষণ স্থির হয় ১৯ নভেম্বর। এই দিন সারা রাজ্যজুড়ে সঙ্ঘের শান্তিপূর্ণ এই রুটমার্চ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    জেলায় জেলায় রুট মার্চ (RSS) 

    চেন্নাইতে হাজারেরও বেশি সংখ্যায় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) ইউনিফর্মে রাস্তায় নামেন এবং রুটমার্চে অংশগ্রহণ করেন। চেন্নাই মহানগরে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে এই রুটমার্চ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দু’পাশে মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সঙ্ঘের র‌্যালি দেখতে। এর পাশাপাশি মহিলারা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই রুট মার্চকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁরা স্বয়ংসেবকদের উপর পুষ্প বৃষ্টি করেন। বাজনার ধ্বনিতে, গেরুয়া পতাকা সহযোগে চলতে থাকে রুট মার্চ। চেন্নাইতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন এই পথ সঞ্চালনে। রুটমার্চ সম্পন্ন হয় চেন্নাই-এর বিবেকানন্দ স্কুলে। কারাকুডি জেলায় সঙ্ঘের র‌্যালি শুরু হয় মগর ননবাই থিডাল নামক স্থানে এবং সম্পন্ন হয় থিভার স্ট্যাচুতে। এই জেলায় ৪০০-এর বেশি স্বয়ংসেবককে রুট মার্চে হাঁটতে দেখা যায়। সামনে গৈরিক ধজ নিয়ে হাঁটছিলেন আইনজীবী অরুণ স্বামীনাথন। ত্রিপুর জেলায় র‌্যালি শুরু হয় আলাঙ্গাডু নটরাজ থিয়েটার থেকে এবং তা সম্পন্ন হয় চিল্লার নগরে। নীলগিরি জেলাতে র‌্যালি শুরু হয় পান্ডালুর এরুমাডু অঞ্চল থেকে। নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশাক। থাঞ্জাভুর জেলাতেও র‌্যালিতে ব্যাপক উন্মাদনা চোখে পড়ে। অন্যদিকে সালাম জেলা থেকেও র‌্যালিতে পাঁচশোর বেশি কার্যকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সালাম জেলারই ভাজাপাদি অঞ্চলে সঙ্ঘের তরুণদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানে সম্পন্ন হওয়া এই র‌্যালি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madras High Court: ‘‘মন্দির কোনও পিকনিক স্পট নয়’’, প্রবেশ নিষেধ অহিন্দুদের, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    Madras High Court: ‘‘মন্দির কোনও পিকনিক স্পট নয়’’, প্রবেশ নিষেধ অহিন্দুদের, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মন্দির কোনও চড়ুইভাতির জায়গা নয়, কিন্তু কিছু কিছু মানুষ মন্দিরকে পিকনিক স্পট হিসেবেই দেখেন।’’ মন্দির সংক্রান্ত একটি মামলায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) এমনই পর্যবেক্ষণ করল। তাৎপর্যপূর্ণ এই পর্যবেক্ষণে তামিলনাড়ুর পালানি মন্দিরের গর্ভগৃহে অহিন্দুরা যাতে ভিড় না করেন সেই মর্মে সাইনবোর্ড লাগাতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি?

    প্রসঙ্গত, পালানি মন্দিরের তরফে মাদ্রাজ হাইকোর্টের (Madras High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন জনৈক ডি সেথিলকুমার। এদিনই আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তামিলনাড়ুর ওই নির্দিষ্ট মন্দিরের গর্ভগৃহে কোনওভাবেই প্রবেশ করতে পারবেন না অহিন্দুরা। এবং মন্দিরে ভিড় কমানোর জন্য শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশ অধিকার দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবারই এই মামলাটির শুনানি ছিল বিচারপতি এস শ্রীমতির বেঞ্চে। দুই পক্ষের সওয়াল জবাবের পরে বিচারপতি নির্দেশ এই নির্দেশ দেন তামিলনাড়ু সরকারের উদ্দেশে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, একজন অহিন্দু মানুষ মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢোকার অনুমতি তখনই পাবেন, যদি তিনি (অহিন্দু) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হন যে তিনি দেবতার প্রতি বিশ্বাস রাখেন এবং হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি অনুসরণ করেন। বিচারপতির নিজের কথায়, ‘‘মন্দিরের রীতিনীতি এবং এই রকমের অঙ্গীকারের ভিত্তিতে উল্লিখিত অহিন্দুদের মন্দিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।’’ পাশাপাশি আদালত (Madras High Court) আরও জানিয়েছে, অহিন্দুরা মন্দির প্রাঙ্গণ দেখতে যেতেই পারেন। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে মন্দির কোনও চড়ুইভাতি করার জায়গা নয়। কোনওভাবেই যেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুজো দেওয়া অথবা প্রার্থনায় বিঘ্ন না ঘটে, সেটা দেখতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে।

    মামলার খুঁটিনাটি

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জুন মাসেই পালানি মন্দির সংক্রান্ত মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court)। এক মুসলমান পরিবারের উদাহরণ টেনে এনে অহিন্দুদের যথেচ্ছভাবে প্রবেশ বন্ধ করার আবেদন জানান মামলাকারী। ওই মামলাকারীর দাবি ছিল, বেশ কয়েকজন মুসলমান মহিলা বোরখা পরে মন্দিরে এসেছিলেন। তাঁরা পাহাড়ের গায়ে অবস্থিত পলানি মন্দিরের একদম উঁচুতে যাওয়ার জন্য টিকিট কেনেন শুধুমাত্র ছবি তুলবেন বলে। অর্থাৎ তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে নায়, মন্দিরকে তাঁরা শুধুমাত্র একটি পর্যটনস্থল হিসেবে দেখছিলেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁদের প্রবেশে বাধা দেয়। কিন্তু মহিলারা পাল্টা যুক্তি দেন যে এভাবে বাধা দেওয়া যায় না। কারণ মন্দির চত্বরে কোনও লিখিত নির্দেশ তাদের চোখে আসেনি। সরকার আগে নির্দেশ দিক এ বিষয়ে। যদিও রাজ্য সরকার সাইনবোর্ড লাগাতে চায়নি। অবশেষে এবার ওই মন্দিরে সাইনবোর্ড বসতে চলেছে আদালতের (Madras High Court) নির্দেশে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madras High Court: “বাক স্বাধীনতা যেন ঘৃণা ভাষণ হয়ে না দাঁড়ায়”, মন্তব্য মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras High Court: “বাক স্বাধীনতা যেন ঘৃণা ভাষণ হয়ে না দাঁড়ায়”, মন্তব্য মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক স্বাধীনতা যেন ঘৃণা ভাষণ হয়ে না দাঁড়ায়। শনিবার এক মামলার শুনানিতে এই সতর্কবার্তা শোনাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। বিচারপতি এন শেষাসয়ী বলেন, “সনাতন ধর্ম দেশ, রাজা, মা-বাবা ও গুরুর প্রতি দায়িত্ব পালন, গরিব আর্তজনের যত্নের শিক্ষা দেয়। সনাতন ধর্ম নিয়ে হয়তো অনেক ভুল ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, সনাতন ধর্ম মানেই জাতপাত আর অস্পৃশ্যতা। এটা চূড়ান্ত ভুল ধারণা।”

    কারও বিশ্বাসে আঘাত নয়

    তিনি বলেন, “যদিবা সনাতন ধর্মের ধারণায় জল-অচলের অস্তিত্ব থেকেও থাকে, স্বাধীন দেশে সংবিধানে যেখানে সবার সমান অধিকার স্বীকৃত – সেখানে অস্পৃশ্যতার কোনও ঠাঁই নাই।” বিচারপতি (Madras High Court) বলেন, “ধর্মের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সবার সতর্ক থাকা উচিত যাতে কোনও বক্তব্য কারও বিশ্বাসে আঘাত না করে।” সনাতন ধর্ম নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। দিন কয়েক আগে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্ম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। এই ডিএমকে রয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’য়। ইন্ডি জোটের তরফে এর কোনও প্রতিক্রিয়া না দেওয়ায় ডিএমকের পাশাপাশি ইন্ডি জোটকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণও।

    ইন্ডি জোটকে নিশানা নাড্ডার 

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও নিশানা করেন ইন্ডি জোটকে। তবে এর সঙ্গে এদিন মাদ্রাজ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ এদিন যে মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি ওই মন্তব্য করেছিলেন, সেটি একটি সরকারি শিল্পশিক্ষা কলেজের সার্কুলারের প্রেক্ষিতে। ওই সার্কুলারে শিক্ষার্থীদের ‘সনাতনের বিরোধিতায়’ মতামত জানাতে বলা হয়েছিল। এই সার্কুলার চ্যালেঞ্জ করেই মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানিতেই এমন মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি (Madras High Court) বলেন, “যেহেতু ধর্মীয় আচরণগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলায়, সেহেতু কিছু ক্ষতিকর বা বাজে বিষয় সবার অলক্ষ্যে ঢুকে পড়ে এতে। এগুলো আগাছা। নির্মূল করা উচিত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ফলসটাকেই কেটে ফেলতে হবে!”

    আরও পড়ুুন: জন্মদিনের শুভেচ্ছা-বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, রাহুল, কেজরিওয়াল কে নেই তালিকায়?

    প্রসঙ্গত, উদয়নিধির মন্তব্য প্রসঙ্গে এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণও বলেছিলেন, “যে সব মন্তব্য হিংসা ছড়াতে উৎসাহ দেয় কিংবা হিংসায় ইন্ধন জোগায়, সে সব কথা বলা ঠিক নয়।  সংবিধানেও বলা হয়েছে, যে সব কথায় অশান্তি ছড়ায়, তা বলা ঠিক নয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madras High Court: ধর্মান্তরিত হওয়ার পর কোনও সংরক্ষণ নেই, বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras High Court: ধর্মান্তরিত হওয়ার পর কোনও সংরক্ষণ নেই, বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির পরীক্ষায় সংরক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। মাদ্রাজ হাইকোর্ট থেকে জানানো হয়েছে, কেউ হিন্দু ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্মে পরিবর্তন করলে তিনি জাতিগত সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন না। কারণ মুসলিম ধর্মে কোনও জাতিগত বিভেদ নেই।

    মামলাটি কী?

    ওবিসি সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি সম্প্রতি হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারপরেই তিনি সংরক্ষণের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় শনিবার মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court) বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের নেতৃত্বে বেঞ্চ জানিয়ে দেন, একজন হিন্দু যখন ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হন তখন তিনি সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের দাবি করতে পারেন না। কারণ ইসলামে কোনও জাতিগত বিভেদ নেই।

    ওই আবেদনকারী আদালতে জানান, তিনি এবং তাঁর পরিবার সর্বাধিক অনগ্রসর শ্রেণীর (এমবিসি) হিন্দু ছিলেন। ২০০৮ সালের মে মাসে, আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবার ইসলাম গ্রহণ করেন। আবেদনকারী ২০১৮ সালে তামিলনাড়ু কম্বাইনড সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি পাশ করতে পারেননি। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে আরটিআই করে জানতে পারেন, TNPSC তাঁকে একজন অনগ্রসর শ্রেণীর মুসলিম আবেদনকারীর পরিবর্তে একজন সাধারণ-শ্রেণির (জেনারেল) আবেদনকারী হিসাবে বিবেচনা করে। ফলে তাঁর আবেদন ছিল, তাঁকে যেন মুসলিম ওবিসি হিসেবে গণ্য করা হয়।

    বিচারপতি কী বললেন? 

    বিচারপতি স্বামীনাথন সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, একবার একজন হিন্দু ধর্ম নিয়ে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে গেলে তা বর্ণ প্রথাকে অনুসরণ করে না বা স্বীকৃতি দেয় না। সেই ধর্মান্তরিত ব্যক্তি আর সেই বর্ণের অন্তর্গত হবেন না, যা নিয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

    হাইকোর্ট (Madras High Court) আরও বলেছে যে, একজন ব্যক্তি যিনি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন তিনি সম্প্রদায় সংরক্ষণের যোগ্য কিনা তা সুপ্রিম কোর্টের একটি বিষয়। ফলে হাইকোর্টের পক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যথাযথ হবে না। TNPSC-এর সিদ্ধান্ত তাই আদালত বহাল রেখেছিল, যা হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল যে কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

    কৈলাশ সোনকার বনাম মায়া দেবী মামলার কথাও উল্লেখ করে বেঞ্চের (Madras High Court) তরফে বলা হয়, একজন হিন্দুর জাতি তৈরি হয় তার জন্মের উপরে নির্ভর করে। কেউ যদি হিন্দু থেকে খ্রিষ্টান বা মুসলিম হন তাহলে তাঁর সেই জাতি আর থাকল না, কারণ এই দুই ধর্মে জাতপাতের কোনও জায়গা নেই।

  • MS Dhoni: আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টের দ্বারস্থ এম এস ধোনি

    MS Dhoni: আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টের দ্বারস্থ এম এস ধোনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএস অফিসার জি সম্পথ কুমারের (G Sampath Kumar) বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টে মামলা করলেন ক্যাপ্টেন কুল এম এস ধোনি (MS Dhoni)। ম্যাচ ফিক্সিং (IPL Match Fixing) সংক্রান্ত ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট অবমাননার অভিযোগ এনে আদালতে আমলার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। শুক্রবার বিচারক পিএন প্রকাশের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।

    ২০১৩ সালে ধোনির বিরুদ্ধে আইপিএল স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন আইপিএস অফিসার সম্পথ কুমার। ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন অধিনায়কের দাবি, আদালতের নিষেধ স্বত্তেও জি সম্পথ কুমার নামে ওই আইপিএস অফিসার তাঁর বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। 

    আরও পড়ুন: মর্গে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করে নিলেন জোড়া খুনের আসামী ডেভিড ফুলার

    ২০১৪ সালে তৎকালীন ইন্সপেক্টর জেনারেল সম্পথ কুমারের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন এম এস ধোনি এবং একটি টিভি চ্যানেল। সেই মামলায় আদালতে ধোনি আবেদন জানিয়েছিলেন, এমন নির্দেশ দেওয়া হোক যাতে তাঁর  বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং সংক্রান্ত কোনও মন্তব্য না করেন সম্পথ। ধোনি সেই মানহানির মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণেরও দাবি করেছিলেন। ধোনির সেই মামলার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ একটি অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ দেয় আদালত, যেখানে স্পষ্ট ভাবে সম্পথ কুমারকে ধোনির সম্পর্কে কোনও ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সম্পথ মানহানির মামলা বাতিল করার জন্য মাদ্রাস হাইকোর্টে একটা লিখিত আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানিয়েছিলেন, এই ধরণের মামলার মাধ্যমে তাঁর কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। 

    তবে এই ঘটনায় ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ধোনি। প্রাক্তন অধিনায়কের অভিযোগ, সম্পথ কুমার আদালতের নির্দেশ পালন করেননি। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ২০১৪ সালের রায়ের অবমাননা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টে এক হলফনামা দাখিল করে বিচারবিভাগ এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলাগুলিতে রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা বর্ষীয়ান আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেন তিনি। সূত্রের খবর, আদালতে আবেদন করার আগে তামিলনাড়ুর এজির থেকে অনুমতি নেন ধোনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Chess Olympiad: চেজ ওলিম্পিয়াডের পোস্টারে প্রধামমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির ছবি,  কী বলল মাদ্রাজ হাইকোর্ট?

    Chess Olympiad: চেজ ওলিম্পিয়াডের পোস্টারে প্রধামমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির ছবি, কী বলল মাদ্রাজ হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেন্নাইতে হতে চলেছে ৪৪তম চেজ ওলিম্পিয়াড(Chess Olympiad)। সেই উপলক্ষে টাঙানো হয়েছে বিলবোর্ড (Bill Board)। তাতে ছবি নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। এর পরেই কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মী গিয়ে বিলবোর্ডে সাঁটিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এর ঠিক পরের দিনই মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) তামিলনাড়ু সরকারকে সাফ জানিয়ে দেয়, ওলিম্পিয়াডের বিলবোর্ড, পোস্টারে রাখতে হবে রাষ্ট্রপতি (President) এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি।
    কিছুদিন পরেই তামিলনাড়ুতে হতে চলেছে ৪৪তম চেজ ওলিম্পিয়াড। আন্তর্জাতিক এই দাবা প্রতিযোগিতা উপলক্ষে শহর ছয়লাপ মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছবি সম্বলিত পোস্টারে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হওয়া সত্ত্বেও তাতে রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী ছবি ছিল না। আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যখন দেশ ব্যস্ত তখন রাষ্ট্রপতির ছবি মেলেনি। তাই পোস্টারে ছবি দেওয়া হয়নি রাষ্ট্রপতির। আর পোস্টারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া হয়নি কারণ, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে তাঁর ছবি ছাপার অনুমতি এসেছিল দেরিতে।

    আরও পড়ুন : শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    রাজ্য সরকারের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি মুনিশ্বর নাথ ভাণ্ডারি ও বিচারপতি এ আনন্থির ডিভিশন বেঞ্চ। তাঁরা জানান, দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে জাতির গুরুত্বটাই সবার ওপরে হওয়া উচিত। যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের ছবি থাকে। কারণ তাঁরাই দেশের প্রতিনিধি। এটা শুধুই দেশের উন্নতির চিত্র প্রদর্শন নয়, এটা অল্প সময়ে ওই দেশের আয়োজনের ক্ষমতাও প্রমাণ করে। রাজ্য সরকার সহ প্রত্যেক সরকারের এ ব্যাপারে কাজ করা উচিত। যখন দেশ এমন এক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে, তখন সেটা যাতে নিখুঁতভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেটা যাতে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, তার ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা প্রশাসনকে আদালত এও জানিয়ে দিয়েছে, যেসব বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মাননীয় রাষ্ট্রপতি এবং প্রধামন্ত্রীর ছবি রয়েছে, তা যেন বিকৃত করা না হয়। যদি  এমন খবর আসে, তাহলে অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন : রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

     

     

  • Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণী তারকা ধনুষকে (Dhanush) তলব করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। কয়েকবছর আগে এক দম্পতি অভিনেতাকে তাদের ঔরসজাত তৃতীয় সন্তান বলে দাবি করার পরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন অভিনেতা। সেই সংক্রান্ত মামলাতেই এই দক্ষিণী সুপারস্টারকে তলব করল হাইকোর্ট। 

    ২০১৬ সালে কাথিরেসান এবং মীনাক্ষি নামের এক প্রবীণ দম্পতি,তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মাদুরাই জেলার মেলুরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিনেতাকে তাঁদের ছেলে দাবি করে একটি পিটিশন দাখিল করেন। তারপরেই শুরু হয় মামলাটি। 

    দম্পতি অভিযোগ করেন যে, তাদের তৃতীয় পুত্র সন্তান ধনুষ কম বয়সেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন চোখে নিয়ে চেন্নাইয়ে পাড়ি দেওয়ার জন্যেই ঘর ছেড়েছিলেন। মেলুর আদালতে ধনুষকে নিজেদের ছেলে বলে দাবি করেন দম্পতি এবং আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণে অভিনেতার থেকে ভরণপোষণের জন্যে মাসে ৬৫ হাজার টাকা দাবি করেন।  

    দম্পতির দাবি, স্কুলে পড়াকালীনই ঘর ছাড়েন ধনুষ। তারপর অভিনেতাকে সিনেমায় দেখে চিনতে পারেন তারা। চেন্নাইয়ে গিয়ে দেখা করতে চাইলেও দেখা করতে পারেননি ওই দম্পতি। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে মাদ্রাজ হাইকোর্ট দম্পতির আবেদন খারিজ করে দেয়। ধনুষ মামলাটি জিতে যান। ২০২০ সালে আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আরও একটি মামলা করেন নিজেকে ধনুষের জন্মদাতা বলে দাবি করা প্রৌঢ় কাথিরেসান।

    মাদুরাই আদালত আবেদন খারিজ করলে মামলাটি মাদ্রাজ হাইকোর্টে যাওয়ার পর নোটিশ জারি করা হয়। আদালতের তরফে এই পিতৃত্ব (Paternity Case) বিতর্কে একটি ডিএনএ পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে, ধনুষ এবং তাঁর আইনজীবীরা তাতে সম্মত হননি।  

    শনাক্তকরণ চিহ্নের জন্য একটি মেডিকেল পরীক্ষা করেছিলেন ধনুষ। রিপোর্ট অভিনেতার পক্ষেই আসে। রিপোর্টের বিরোধিতা করে, দম্পতি আরও দাবি করেন যে, তাঁর বাবা-মায়ের দ্বারা দাখিল করা নথি, যেমন জন্ম ও স্থানান্তর শংসাপত্র এবং শনাক্তকরণ চিহ্নগুলি জাল।  এর পাল্টা দাবি করে ধনুষ জানান, এই সব অভিযোগই ভুয়ো। তিনি বলেন, তামিল চলচ্চিত্র নির্মাতা কস্তুরি রাজা এবং তাঁর স্ত্রী বিজয়লক্ষ্মীর ঘরেই জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি।

     

LinkedIn
Share