Tag: Madras High Court

Madras High Court

  • MS Dhoni: আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টের দ্বারস্থ এম এস ধোনি

    MS Dhoni: আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টের দ্বারস্থ এম এস ধোনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএস অফিসার জি সম্পথ কুমারের (G Sampath Kumar) বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টে মামলা করলেন ক্যাপ্টেন কুল এম এস ধোনি (MS Dhoni)। ম্যাচ ফিক্সিং (IPL Match Fixing) সংক্রান্ত ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট অবমাননার অভিযোগ এনে আদালতে আমলার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। শুক্রবার বিচারক পিএন প্রকাশের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।

    ২০১৩ সালে ধোনির বিরুদ্ধে আইপিএল স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন আইপিএস অফিসার সম্পথ কুমার। ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন অধিনায়কের দাবি, আদালতের নিষেধ স্বত্তেও জি সম্পথ কুমার নামে ওই আইপিএস অফিসার তাঁর বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। 

    আরও পড়ুন: মর্গে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করে নিলেন জোড়া খুনের আসামী ডেভিড ফুলার

    ২০১৪ সালে তৎকালীন ইন্সপেক্টর জেনারেল সম্পথ কুমারের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন এম এস ধোনি এবং একটি টিভি চ্যানেল। সেই মামলায় আদালতে ধোনি আবেদন জানিয়েছিলেন, এমন নির্দেশ দেওয়া হোক যাতে তাঁর  বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং সংক্রান্ত কোনও মন্তব্য না করেন সম্পথ। ধোনি সেই মানহানির মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণেরও দাবি করেছিলেন। ধোনির সেই মামলার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ একটি অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ দেয় আদালত, যেখানে স্পষ্ট ভাবে সম্পথ কুমারকে ধোনির সম্পর্কে কোনও ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সম্পথ মানহানির মামলা বাতিল করার জন্য মাদ্রাস হাইকোর্টে একটা লিখিত আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানিয়েছিলেন, এই ধরণের মামলার মাধ্যমে তাঁর কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। 

    তবে এই ঘটনায় ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ধোনি। প্রাক্তন অধিনায়কের অভিযোগ, সম্পথ কুমার আদালতের নির্দেশ পালন করেননি। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ২০১৪ সালের রায়ের অবমাননা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টে এক হলফনামা দাখিল করে বিচারবিভাগ এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলাগুলিতে রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা বর্ষীয়ান আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেন তিনি। সূত্রের খবর, আদালতে আবেদন করার আগে তামিলনাড়ুর এজির থেকে অনুমতি নেন ধোনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Chess Olympiad: চেজ ওলিম্পিয়াডের পোস্টারে প্রধামমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির ছবি,  কী বলল মাদ্রাজ হাইকোর্ট?

    Chess Olympiad: চেজ ওলিম্পিয়াডের পোস্টারে প্রধামমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির ছবি, কী বলল মাদ্রাজ হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেন্নাইতে হতে চলেছে ৪৪তম চেজ ওলিম্পিয়াড(Chess Olympiad)। সেই উপলক্ষে টাঙানো হয়েছে বিলবোর্ড (Bill Board)। তাতে ছবি নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। এর পরেই কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মী গিয়ে বিলবোর্ডে সাঁটিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এর ঠিক পরের দিনই মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) তামিলনাড়ু সরকারকে সাফ জানিয়ে দেয়, ওলিম্পিয়াডের বিলবোর্ড, পোস্টারে রাখতে হবে রাষ্ট্রপতি (President) এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি।
    কিছুদিন পরেই তামিলনাড়ুতে হতে চলেছে ৪৪তম চেজ ওলিম্পিয়াড। আন্তর্জাতিক এই দাবা প্রতিযোগিতা উপলক্ষে শহর ছয়লাপ মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছবি সম্বলিত পোস্টারে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হওয়া সত্ত্বেও তাতে রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী ছবি ছিল না। আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যখন দেশ ব্যস্ত তখন রাষ্ট্রপতির ছবি মেলেনি। তাই পোস্টারে ছবি দেওয়া হয়নি রাষ্ট্রপতির। আর পোস্টারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া হয়নি কারণ, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে তাঁর ছবি ছাপার অনুমতি এসেছিল দেরিতে।

    আরও পড়ুন : শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    রাজ্য সরকারের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি মুনিশ্বর নাথ ভাণ্ডারি ও বিচারপতি এ আনন্থির ডিভিশন বেঞ্চ। তাঁরা জানান, দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে জাতির গুরুত্বটাই সবার ওপরে হওয়া উচিত। যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের ছবি থাকে। কারণ তাঁরাই দেশের প্রতিনিধি। এটা শুধুই দেশের উন্নতির চিত্র প্রদর্শন নয়, এটা অল্প সময়ে ওই দেশের আয়োজনের ক্ষমতাও প্রমাণ করে। রাজ্য সরকার সহ প্রত্যেক সরকারের এ ব্যাপারে কাজ করা উচিত। যখন দেশ এমন এক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে, তখন সেটা যাতে নিখুঁতভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেটা যাতে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, তার ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা প্রশাসনকে আদালত এও জানিয়ে দিয়েছে, যেসব বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মাননীয় রাষ্ট্রপতি এবং প্রধামন্ত্রীর ছবি রয়েছে, তা যেন বিকৃত করা না হয়। যদি  এমন খবর আসে, তাহলে অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন : রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

     

     

  • Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণী তারকা ধনুষকে (Dhanush) তলব করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। কয়েকবছর আগে এক দম্পতি অভিনেতাকে তাদের ঔরসজাত তৃতীয় সন্তান বলে দাবি করার পরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন অভিনেতা। সেই সংক্রান্ত মামলাতেই এই দক্ষিণী সুপারস্টারকে তলব করল হাইকোর্ট। 

    ২০১৬ সালে কাথিরেসান এবং মীনাক্ষি নামের এক প্রবীণ দম্পতি,তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মাদুরাই জেলার মেলুরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিনেতাকে তাঁদের ছেলে দাবি করে একটি পিটিশন দাখিল করেন। তারপরেই শুরু হয় মামলাটি। 

    দম্পতি অভিযোগ করেন যে, তাদের তৃতীয় পুত্র সন্তান ধনুষ কম বয়সেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন চোখে নিয়ে চেন্নাইয়ে পাড়ি দেওয়ার জন্যেই ঘর ছেড়েছিলেন। মেলুর আদালতে ধনুষকে নিজেদের ছেলে বলে দাবি করেন দম্পতি এবং আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণে অভিনেতার থেকে ভরণপোষণের জন্যে মাসে ৬৫ হাজার টাকা দাবি করেন।  

    দম্পতির দাবি, স্কুলে পড়াকালীনই ঘর ছাড়েন ধনুষ। তারপর অভিনেতাকে সিনেমায় দেখে চিনতে পারেন তারা। চেন্নাইয়ে গিয়ে দেখা করতে চাইলেও দেখা করতে পারেননি ওই দম্পতি। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে মাদ্রাজ হাইকোর্ট দম্পতির আবেদন খারিজ করে দেয়। ধনুষ মামলাটি জিতে যান। ২০২০ সালে আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আরও একটি মামলা করেন নিজেকে ধনুষের জন্মদাতা বলে দাবি করা প্রৌঢ় কাথিরেসান।

    মাদুরাই আদালত আবেদন খারিজ করলে মামলাটি মাদ্রাজ হাইকোর্টে যাওয়ার পর নোটিশ জারি করা হয়। আদালতের তরফে এই পিতৃত্ব (Paternity Case) বিতর্কে একটি ডিএনএ পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে, ধনুষ এবং তাঁর আইনজীবীরা তাতে সম্মত হননি।  

    শনাক্তকরণ চিহ্নের জন্য একটি মেডিকেল পরীক্ষা করেছিলেন ধনুষ। রিপোর্ট অভিনেতার পক্ষেই আসে। রিপোর্টের বিরোধিতা করে, দম্পতি আরও দাবি করেন যে, তাঁর বাবা-মায়ের দ্বারা দাখিল করা নথি, যেমন জন্ম ও স্থানান্তর শংসাপত্র এবং শনাক্তকরণ চিহ্নগুলি জাল।  এর পাল্টা দাবি করে ধনুষ জানান, এই সব অভিযোগই ভুয়ো। তিনি বলেন, তামিল চলচ্চিত্র নির্মাতা কস্তুরি রাজা এবং তাঁর স্ত্রী বিজয়লক্ষ্মীর ঘরেই জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি।

     

LinkedIn
Share