Tag: Mafia Raj

Mafia Raj

  • Jamuria: বিরোধীদের সুরে মাফিয়া-রাজ, সিন্ডিকেট-রাজ নিয়ে সরব তৃণমূল বিধায়ক

    Jamuria: বিরোধীদের সুরে মাফিয়া-রাজ, সিন্ডিকেট-রাজ নিয়ে সরব তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ কয়লার কারবার, গরু পাচার, সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত রয়েছে রাজ্যের শাসক দলের নেতারা। বিরোধীরা এই অভিযোগ মাঝেমধ্যেই করেন। ইতিমধ্যেই জেলায় এসে এসব নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। এবার পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার (Jamuria) তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিংয়ের গলায় বিরোধীদের সুর শোনা গেল। তিনি দলেরই নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে কয়লার অবৈধ কারবারকে কেন্দ্র করে ‘সিন্ডিকেট ও মাফিয়া-রাজের’ অভিযোগ তুললেন। আর এই বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Jamuria)

    কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে জামুড়িয়ায় (Jamuria) একটি মিছিলের পরে পথসভা করে তৃণমূল। থানা মোড়ের ওই সভা থেকেই তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন, ‘কিছু নেতা গোলমাল করছেন। ওঁদের দল থেকে বার করতে হবে। জামুড়িয়ায় যাঁরা মাফিয়া-রাজ, সিন্ডিকেট-রাজ চালাচ্ছেন, তাঁরা বিজেপি বা তৃণমূল, যে দলেরই হোক, রেয়াত করা যাবে না। কিছু দিন  কয়লা চুরি বন্ধ হয়েছিল। আবার তা শুরু হয়েছে। এমনকী জামুড়িয়া বিধানসভায় নদী থেকে কিছু গরিব লোক সামান্য বালি নিয়ে বিক্রি করছিলেন। প্রশাসন সেটা বন্ধ করে দিয়েছে। ভালো উদ্যোগ। অথচ, অন্য বিধানসভায় অবৈধ বালির রমরমা। সেখানে পুলিশ প্রশাসন কী করছে? আমি পুলিশকে বলতে চাই, অবৈধ কারবার যদি চালাতে হয়, তাতে সব গরিব মানুষকে সামিল করতে হবে।’

    বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়ে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির অন্যতম রাজ্য সম্পাদক তথা বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুইয়ের বক্তব্য, এতদিন আমরা বলছিলাম, অবৈধ বালি ও কয়লার সিন্ডিকেট চালাচ্ছে তৃণমূল। এখন তৃণমূলের বিধায়কই সে কথা বলছেন। তবে, উনি নিজে বখরা পাচ্ছেন না বলেই কি এমন মন্তব্য করছেন? বিরোধীদের অভিযোগে আমল দেননি তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, হরেরাম কী বলেছেন, ওঁর সঙ্গে কথা বলে জেনে নেব। তার আগে মন্তব্য করব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: কয়লা, গরুর পর বালি! অবৈধ খাদানে দিনের আলোয় চলছে মাফিয়ারাজ

    Arambagh: কয়লা, গরুর পর বালি! অবৈধ খাদানে দিনের আলোয় চলছে মাফিয়ারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু, কয়লার পর চলছে বালি চুরি। আরামবাগ মহকুমা (Arambagh) জুড়ে বেআইনিভাবে অবৈধ বালি খাদানগুলি থেকে লুট হচ্ছে বালি। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বালিখাদানগুলি সরকারিভাবে প্রশাসন বন্ধ করে দিলেও, বালি চুরি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন। আরামবাগের মহকুমা ভূমি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্বারকেশ্বর নদ এবং মুণ্ডেশ্বরী নদী মিলিয়ে, মোট বৈধ বালি খাদান রয়েছে ১৪টি। এর মধ্যে ১০টির ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেই মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বালি খাদানগুলি থেকেই অবৈধভাবে বালি তুলছে মাফিয়ারা।

    বালি খাদানে মাফিয়ারাজ (Arambagh)

    প্লাবনের পরে, জল কমতেই আরামবাগ মহকুমার (Arambagh) বিভিন্ন নদ-নদী থেকে বালি চুরি ফের শুরু হয়ে গিয়েছে। টাস্ক ফোর্স গঠন, অভিযান, ধরপাকড়, জরিমানা আদায় কোনও কিছুতেই চুরি আটকানো যাচ্ছে না। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া খাদানগুলি থেকে কখনও রাতের অন্ধকারে, আবার কখনও প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে বালি চুরি। নদ-নদী সংলগ্ন গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইজারার মেয়াদ উত্তীর্ণ পরেও বিভিন্ন বালিখাদানের মাফিয়ারাজ চলছে।

    নজর নেই প্রশাসনের

    উৎসবের মরশুমে একটানা ছুটির অবকাশে, নদ-নদীগুলিতে এমনিতেই সেভাবে প্রশাসনের (Arambagh) নজরদারি নেই। পুলিশ অবশ্য বিভিন্ন রাস্তায় ‘চেকিং’ চালাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এখানেই, তাহলে কী করে রাস্তা দিয়ে অবৈধ খাদান থেকে বালি পাচার হচ্ছে? যদিও কয়েক দিন ধরেই রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোঘাটে দ্বারকেশ্বর নদের বিভিন্ন জায়গা থেকে বালি চুরির সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ইঞ্জিন ভ্যান এবং বালি ভর্তি ট্রাক্টর আটক করেছে। ধৃতদের আরামবাগ আদালতে তোলা হলে, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    ভূমি দফতরের বক্তব্য

    মহকুমা ভূমি দফতর (Arambagh) সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমায় মোট বৈধ বালি খাদান ১৪টি। এর মধ্যে ১০টির ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাকি চারটি ইজারার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই শেষ হবে। তবে বালি চুরির ঘটনা অস্বীকার করেনি ভূমি দফতর। এখানকার এসডিপিও অভিষেক মণ্ডল বলেন, “নির্দিষ্ট চালান ছাড়া বালির গাড়ি রাস্তায় পেলেই আমরা আটকাচ্ছি। গত ১৫ দিনে চারটি থানায় ৪টির বেশি মামলা হয়েছে। পুলিশের সক্রিয়তায় চুরি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ হয়েছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, “মাফিয়ারাজ চলছে সারা রাজ্য জুড়ে, আরামবাগেও এর প্রভাব পড়েছে। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই মাফিয়াদের বার-বাড়ন্ত হয়েছে। রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে, কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি চুরি হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন সব জেনেও চুপ করে আছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মানুষের যোগ্য জবাব দেবে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mafia Raj: পুকুরের মাটি কেটে ট্রাক্টরে দেদার পাচার, মাটি-মাফিয়াদের মাথায় কাদের হাত?

    Mafia Raj: পুকুরের মাটি কেটে ট্রাক্টরে দেদার পাচার, মাটি-মাফিয়াদের মাথায় কাদের হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাটি-মাফিয়াদের কি স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে আরামবাগ মহকুমার বেশ কিছু এলাকা? অভিযোগ, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রকাশ্যে চলছে মাটি-মাফিয়াদের (Mafia Raj) দৌরাত্ম্য। পুকুর থেকে মাটি জেসিবি দিয়ে কেটে, ট্রাক্টরে পাচার হচ্ছে অন্যত্র। ঘটনাস্থল গোঘাটের পশ্চিমপাড়া পঞ্চায়েতের ভাতশালা এলাকা। সেখানেই শতাধিক ট্রাক্টরে চাপিয়ে মাটি এইভাবে পাচার হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। শুধু তাই নয়, সেই খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়। এমনকি গ্রামের লোকজন ডেকে ঘেরাও করে রাখার হুমকি দেওয়া হয়।

    খবর সংগ্রহে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের হুমকির মুখে

    কয়েকদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, ভাতশালা এলাকার একটি পুকুর থেকে অবৈধভাবে জেসিবি দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে এবং পুকুরের পাড়ে না ফেলে তা অন্যত্র পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভাতশালা এলাকায় ঢুকতেই পুকুরপাড়ে থাকা সমস্ত ট্রাক্টর তড়িঘড়ি এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিকদের দেখে সাময়িক ভয় পেলেও মুহূর্তের মধ্যে হাজির হয় স্থানীয় দুই তৃণমূল কর্মী। তারপরেই সাংবাদিকদের ক্যামেরা বন্ধ করার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকী গ্রামের লোকজন ডেকে তারা ঘেরাও করে রাখার হুমকি দেয়। তাদের কথাতেই বোঝা গেল, এই মাটি চুরির (Mafia Raj) ক্ষেত্রে মাথায় হাত রয়েছে একাধিক নেতার। শুধু তাই নয়, রয়েছে সরকারি আধিকারিকদের সমর্থনও। সেই প্রভাব খাটিয়েই দেদার চলছে পুকুর থেকে মাটি তুলে অন্যত্র পাচার।

    কী বলছে শাসকদল এবং প্রশাসন?

    কয়েকদিন ধরে ট্রাক্টরের পর ট্রাক্টর মাটি পাচার (Mafia Raj) হলেও, কেন পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল না? তাহলে কি শাসকদলের নেতাদের হাত মাথায় থাকলে সব সম্ভব? যদিও ঘটনায় তৃণমূলের কেউ জড়িত থাকলে ছাড় পাবে না বলে জানান গোঘাট ২ নং তৃণমূল ব্লক সভাপতি অরুণ ক্যাউড়া। অন্যদিকে ঘটনায় আরামবাগ এসডিপিও অভিষেক মন্ডলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share