Tag: Magnesium

Magnesium

  • Spinach: শীতে কেন খাবেন পালং শাক? কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে সবুজ, সতেজ এই সবজিটিতে?

    Spinach: শীতে কেন খাবেন পালং শাক? কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে সবুজ, সতেজ এই সবজিটিতে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের বাজার মানেই হরেক রঙের সবজি। আর তার সঙ্গে হাজির থাকে সবুজ, সতেজ পালং শাক (Spinach)। শীতের মরশুমে বাঙালির পাতে পালং শাক থাকবেই। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু স্বাদে নয়, গুণেও পালং শাক অতুলনীয়। বিশেষত শীতের সময়ে পালং শাক খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। একাধিক রোগ মোকাবিলায় পালং শাক খুবই সাহায্য করে। তাই মরশুমের সবজি হিসেবে শীতে পালং শাক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারী (Spinach)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার রকমফেরে অনেক সময়েই রক্তচাপ ওঠানামা করে। তাই যাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না, অথবা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত, তাঁরা শীতে পালং শাক খেলে বাড়তি উপকার পাবেন। কারণ, পালং শাকে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। শীতের শুরুতে কিংবা শীতের বিদায়পর্বে আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়। আর তার জেরেই নানান ভাইরাসের দাপট বাড়ে। ফলে, অনেকেই নানান সংক্রমণের শিকার হন। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি পর্যাপ্ত থাকলে ভোগান্তি কমবে‌। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন এ। এই উপাদান দেহের রক্তের শ্বেত কণিকাকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে বাড়তি সাহায্য করে।

    ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য

    শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষত প্রবীণদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। আদ্রর্তার অভাবেই এই সমস্যা হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাক এক্ষেত্রে বাড়তি উপকারী।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে (Spinach) ভিটামিন এ থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে এই উপাদান‌‌ বিশেষ সাহায্য করে। এছাড়াও, পালং শাকে থাকে ফলিক অ্যাসিড।‌ ফলে এই সবজি খেলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। শীতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই হৃদরোগ রুখতে পালং শাক‌ বিশেষ সাহায্য করে।

    তবে, শুধু শীতের সমস্যা কমায় না। পালং শাক শরীরে একাধিক উপকার করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে‌ বিটা ক্যারোটিন। এর ফলে চোখ ভালো থাকে। চোখে ছানির ঝুঁকি কমায় এই উপাদান। এছাড়াও পালং শাকে থাকে ক্লোরোফিল। এর ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

    পালং শাক খাওয়ার সময় কোন দিক নজরে থাকবে? (Spinach)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকের উপকারিতা অনেক। স্বাস্থ্যগুণও প্রচুর। কিন্তু কয়েকটা দিক নজরে রাখা জরুরি। তবেই শরীর ভালো থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাক অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। গ্যাস, পেটব্যথাও হতে পারে। তাই পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। আবার পালং শাক নিয়মিত খেলে কিডনির সমস্যা হতে পারে। কারণ পালং শাক বেশি খেলে শরীরে অক্সালিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত পালং শাক (Vegetable) খেলে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনির সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়‌।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pulses: শিশু থেকে বয়স্ক, নিয়মিত ডাল খেলে কোন কোন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে? 

    Pulses: শিশু থেকে বয়স্ক, নিয়মিত ডাল খেলে কোন কোন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভাত হোক কিংবা রুটি, ভারতীয়দের খাবারে ডাল (Pulses) অতি পরিচিত এক পদ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত ডাল খেলে শরীরে রোগের ঝুঁকি কমবে। এমনকী বেশ কিছু রোগের মোকাবিলা সহজ করে দেবে ডাল। তাই শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সেরই খাবারের তালিকায় ডাল রাখতে হবে‌। দুপুর কিংবা রাতে ভাত-রুটির সঙ্গে ডাল আবশ্যিক। এবার দেখে নেওয়া যেতে পারে, কোন ডালে কোন রোগ কাবু হয়?

    মুগ ডালে বাড়তি উপকার ডায়াবেটিস আক্রান্তদের (Pulses)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মুগ ডালে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফেনলিগ যৌগ। এই দুই উপাদান শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। বিশেষত ডায়াবেটিস আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান খুবই জরুরি। কারণ, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের একাধিক রোগে বিশেষত সংক্রামক রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই মুগ ডাল তাদের জন্য বাড়তি উপকারী। এছাড়াও, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের শরীরে এনার্জির জোগানে ঘাটতি দেখা দেয়। মুগ ডালে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, দস্তার মতো খনিজ পদার্থ। এর জেরে এই ডাল নিয়মিত খেলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ হবে। ফলে, ক্লান্তি বোধ কমবে‌।

    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে ছোলার ডাল

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোলার ডাল শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। বিশেষত, উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের সমস্যায় আক্রান্তদের এই ডাল বাড়তি উপকারী। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোলার ডাল দেহে জমে থাকা অতিরিক্ত টক্সিন দূর করে। বাজে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে‌। তাছাড়া এই খাবারে রয়েছে ফাইবার। তাই মস্তিষ্ক ও হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ায়‌। তাই চল্লিশোর্ধ্বদের নিয়মিত ছোলার ডাল (Pulses) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সপ্তাহে অন্তত দুই বা তিন দিন ভাত-রুটির সঙ্গে থাকুক এক বাটি ছোলার ডাল। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে। স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমবে।

    মুসুর ডাল পেশির সমস‌্যা কমাবে, রুখবে অস্ট্রিয়পোরেসিস (Pulses)

    মুসুর ডালে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, মহিলাদের নিয়মিত অন্তত এক বাটি মুসুর ডাল খাওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, দেশ জুড়ে মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে পেশির সমস্যা। কম বয়স থেকেই পেশি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে‌। হাড় ক্ষয়ের সমস্যাও বাড়ছে। বিশেষত অধিকাংশ পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলাদের অস্ট্রিয়পোরেসিসের মতো সমস্যা বাড়ছে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতির জেরেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাই দেহে প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের জোগান বজায় রাখতে মুসুর ডাল খুবই উপকারী (Pulses in Diet)।

    হজমের গোলমাল কমাবে মটর ডাল

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মটর ডালে (Pulses) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। তাই নিয়মিত মটর ডাল খেলে হজমের গোলমাল কমে। অন্ত্রের জন্য মটর ডাল খুবই উপকারী।

    উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ করবে রাজমা

    ভারতের আরেক জনপ্রিয় ডাল‌ হল রাজমা। এই ডালে (Pulses) প্রোটিন, ভিটামিনের পাশপাশি রয়েছে ফাইবার। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজমা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। পাশাপাশি রাজমা ওজন নিয়ন্ত্রণে খুবই সাহায্য করে। তাই ভাতের সঙ্গে রাজমা খেলে শরীর ভালো থাকে। ভাতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। তার সঙ্গে রাজমার মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে দেহে এনার্জির জোগান হয়। আবার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ভাতের সঙ্গে রাজমা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sooji: নিয়মিত খেলে ভাল থাকবে হৃদযন্ত্র, সুজির আর কী কী গুণ জানেন?

    Sooji: নিয়মিত খেলে ভাল থাকবে হৃদযন্ত্র, সুজির আর কী কী গুণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুষ্টিগুণে ভরপুর সুস্বাদু সুজি (Sooji)। ভারতের প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরেই দেখা মেলে এই খাবারের। সুজি ওজন এবং ডায়াবেটিস (Diabates) নিয়ন্ত্রণে রাখে।  পাচনতন্ত্র ও হার্টের জন্যও সুজি উপকারী। তাই খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখা উচিত সুজি। ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সুজিতে ক্যলোরি, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে। ৬০ গ্রাম সুজিতে ১৯৮ ক্যালোরি থাকে। থাকে ৪০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৭ গ্রাম প্রোটিন সহ আয়রন, ম্যাঙ্গানিজের মতো প্রয়োজনীয় উপাদানও। 

    আরও পড়ুন: জানুন ডেঙ্গির লক্ষণ, প্রতিকারের উপায়ই বা কী?

    সুজির পুষ্টিগুণ

    রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুজি হল আদর্শ খাদ্য। সুজিতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium) এবং ফাইবার যা শরীরে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সহজে হজম হয়ে যাওয়ায় শরীরে কোনও ক্ষতি করে না।

    হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে: সুজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। কোলেস্টেরল (Cholesterol) ও রক্তচাপ কমিয়ে হার্টের সুস্থতা বজায় রাখে সুজি। পাব মেড সেন্ট্রাল প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত সুজি খেলে হৃদরোগের সমস্যা কমে যায়।

    হজমে সাহায্য করে: ফাইবার (Fibre) সমৃদ্ধ সুজি হজম প্রক্রিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। ন্যশানাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের মতে, পাচনতন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটিরিয়া বৃদ্ধির কাজে সাহায্য করে।কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের পাশাপাশি রক্তে পুষ্টির শোষক হিসেবেও ভাল কাজ করে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, দু সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন সুজি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাগুলি কমে। 

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে: ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সুজি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সুজি থালামিন, ফোলেট এবং ভিটামিন বি-র ভালো উৎস। সুজিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন থাকে। ওজন কমানোর ডায়েটে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

    কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখে: সুজিতে থাকা পটাসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শরীরের অতিরিক্ত ক্ষারকে শরীর থেকে নির্গত করে কিডনিকে সুস্থ রাখে। পটাসিয়াম যুক্ত খাবার কিডনিকে সুস্থ রাখে।

    হাড় মজবুত করে: সুজিতে থাকা পটাসিয়াম হাড়কে মজবুত করে। এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাসের (Phosphorus) মতো উপাদানগুলি পেশীকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

    রক্তাল্পতা কমায়: সুজিতে থাকা আয়রন শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। এর ফলে রক্তশূন্যতা, ক্লান্তি, ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যাগুলির সমাধান হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share