Tag: Maha Kumbh 2025

Maha Kumbh 2025

  • Maha Kumbh 2025: ‘অমৃত কুম্ভে’র সন্ধানে ‘বিলম্বিত’ স্নান অখিলেশের, কটাক্ষ বিজেপির

    Maha Kumbh 2025: ‘অমৃত কুম্ভে’র সন্ধানে ‘বিলম্বিত’ স্নান অখিলেশের, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণে গুণে ১১টা ডুব দিলেন। প্রয়াগরাজে অখিলেশ যাদবের পুণ্যস্নানের সেই ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে সমাজবাদী পার্টি। রবিবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। কুম্ভমেলা (Maha Kumbh 2025) শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। এতদিন পরে কুম্ভস্নান করায় অখিলেশকে নিশানা করেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম পার্টির মতে, অখিলেশের মহাকুম্ভে পা রাখার ঘটনা ‘রাজনৈতিক মোক্ষ’। প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগরাজে হয় পূর্ণকুম্ভ। ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার সেই যোগ।

    মিডিয়ার নজর কাড়ার চেষ্টা!

    হিন্দুদের বিশ্বাস, প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়। যেহেতু এবার মহাকুম্ভ, তাই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসে জড়ো হয়েছেন প্রয়াগরাজে। ১ ফেব্রুয়ারি ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সারবেন বিশ্বের ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা। ৫ ফেব্রুয়ারি স্নান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কুম্ভস্নানের আগে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সেরে মিডিয়ার ফোকাস হয়ে কৌশলে প্রচার সেরে ফেললেন অখিলেশ।

    বিলম্বিত বোধদয়

    কুম্ভস্নান শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই কুম্ভস্নান করেছেন ১০ কোটিরও বেশি মানুষ। এক এক করে স্নান করেছেন বিজেপির নেতামন্ত্রীরা। ১০ ফেব্রুয়ারি স্নান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। বিরোধীদের কাউকে এতদিন কুম্ভস্নান করতে দেখা যায়নি। সেই রীতি ভেঙে প্রথম অমৃতস্নান সারলেন ইন্ডি জোটের নেতা অখিলেশ। এদিন কুম্ভস্নান (Maha Kumbh 2025) শেষে বাবা মুলায়ম সিং যাদবের মূর্তিতে মাল্যদান করেন অখিলেশ। পরে সাক্ষাৎ করেন কুম্ভমেলায় আগত পুণ্যার্থী ও সাধু-সন্তদের সঙ্গে। কুম্ভ-ডুব শেষে অখিলেশ বলেন, “সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভ মুহূর্তে সঙ্গমে ১১ ডুব দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। আজকের বিশেষ দিনে ভেদাভেদ ভুলে, সৌভ্রাতৃত্ব ও সহনশীলতাকে সঙ্গী করে দেশ গঠনের প্রতিজ্ঞা করা উচিত আমাদের।”

    বিজেপির কটাক্ষ

    অখিলেশের ‘বিলম্বিত’ কুম্ভস্নানকে কটাক্ষ করেছে পদ্ম শিবির। উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক বলেন, “বেটার লেট দ্যান নেভার। আজ তিনি বিশ্বাসের ঢেউ প্রত্যক্ষ করলেন।” তিনি বলেন, “তাঁর অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত। সনাতন সবার জন্য এবং এখানকার ব্যবস্থাপনাও চমৎকার (BJP)। তিনি নিজের চোখে দেখলেন, কীভাবে সারা বিশ্বের মানুষ এখানে জড়ো (Maha Kumbh 2025) হয়েছেন।”

    পদ্ম শিবিরের দাবি

    পদ্ম শিবিরের দাবি, মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025) হল হিন্দু ঐক্যের এক বিরাট প্রদর্শন। হিন্দুদের এই একতা দেখে ভয় পেয়েছেন অখিলেশ যাবদ। যার জেরেই রাজনীতির মোক্ষলাভে কুম্ভে ডুব দিয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য, হিন্দু ভোট নিজের দিকে টানা। তবে সমাজবাদী পার্টির মাফিয়ারাজ ও তোষণের রাজনীতি আগেই দেখেছে উত্তরপ্রদেশ। তাই এই ডুবে বিশেষ কাজ হবে না।

    রাহুলের কুম্ভস্নান

    অখিলেশের কুম্ভস্নানের পরে কুম্ভ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। কংগ্রসের দাবি, প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করেছেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, এবার (BJP) তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন রাহুলও। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি কবে কুম্ভস্নানে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, অমৃস্নানের এখনও তিনটি তিথি রয়েছে। একটি ৩ ফেব্রুয়ারি, বসন্ত পঞ্চমীর দিন, আর একটি ৪ ফেব্রুয়ারি মৌনী অমাবস্যা, এবং শেষ কুম্ভস্নান হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি, মহা শিবরাত্রির দিন। কংগ্রেস সূত্রে খবর, মোক্ষ লাভের আশায় বসন্ত পঞ্চমীর দিন পুণ্যস্নান সারতে পারেন রাহুল।

    কুম্ভে অমিত শাহ

    এদিকে, আজ, সোমবার প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করার কথা (Maha Kumbh 2025) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। পাঠক বলেন, “আমরা অমিত শাহজিকে স্বাগত জানাতে উত্তেজিত, যিনি দেশের যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং উত্তরপ্রদেশের মানুষের মানুষের প্রতি অপার ভালোবাসা দেখিয়েছেন। ২৫ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।”

    সরকারি, বিবৃতি অনুযায়ী, শাহ প্রয়াগরাজে পৌঁছে অমৃতস্নান করবেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। তিনি বড়ে হনুমানজির মন্দির, অক্ষয়বট এবং জুনা আখড়া পরিদর্শন করবেন। সাধু-সন্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎও করবেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তাঁদের সঙ্গে। গুরু শরণানন্দজির আশ্রমেও যাওয়ার কথা তাঁর। শৃঙ্গেরি, পুরী এবং দ্বারকা থেকে (BJP) আগত শঙ্করাচার্য-সহ বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে (Maha Kumbh 2025) সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

  • Maha Kumbh 2025: ফেব্রুয়ারিতে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন বিশ্বের ৭৩ কূটনীতিক

    Maha Kumbh 2025: ফেব্রুয়ারিতে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন বিশ্বের ৭৩ কূটনীতিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা (Maha Kumbh 2025)। মহাকুম্ভ যোগ আসে প্রতি ১৪৪ বছর অন্তর। এবার এসেছে সেই যোগ। ইতিমধ্যেই প্রায় ১০ কোটি মানুষ স্নান (Holy Dip) সেরেছেন গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমে। মেলা ও পুণ্যস্নান চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তাই উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের আশা, মাস দেড়েকের এই মেলায় সব মিলিয়ে স্নান করবেন ৪০ কোটি পুণ্যার্থী। হিন্দুদের বিশ্বাস, কুম্ভস্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়। সেই বিশ্বাসেই আমজনতার সঙ্গে সঙ্গে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন বিশ্বের ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা। আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নান করবেন তাঁরা। মহামিলনের এই মেলায় সঙ্গমে ডুব দেবেন যুদ্ধে লিপ্ত রাশিয়া এবং ইউক্রেনের কূটনীতিকরাও। জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ থেকেও কূটনীতিকরা আসছেন পুণ্যস্নানে।

    ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান

    ১ ফেব্রুয়ারি যে ওই ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান সারবেন, সে ব্যাপারে বিদেশমন্ত্রকের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিবকে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে চিঠিতে জানানো হয়েছে, পবিত্র সঙ্গমে ডুব দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা দর্শন করবেন বড়ে হনুমান মন্দির ও অক্ষয়াবত। নৌকোয় চড়ে তাঁরা দর্শন করবেন সঙ্গমস্থল (Maha Kumbh 2025)। সঙ্গমে স্নান সেরে ওই কূটনীতিকরা যাবেন ডিজিটাল মহাকুম্ভ এক্সপিরিয়েন্স সেন্টারে। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তাঁরা জানবেন মহাকুম্ভের মাহাত্ম্য সম্পর্কে। মহাকুম্ভ-পর্ব সেরে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাবেন তাঁরা। কুম্ভমেলায় আখড়া পরিদর্শনও করবেন তাঁরা। একাধিক প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক ট্যুরও করানো হবে তাঁদের। ওই কূটনীতিকরা ঘুরে দেখবেন যমুনা কমপ্লেক্স, অশোক স্তম্ভ-সহ অন্যান্য দ্রষ্টব্য স্থান।

    কুম্ভমেলা

    প্রতি ১২ বছর অন্তর উত্তরপ্রদেশের এই ত্রিবেণী সঙ্গমে হয় কুম্ভমেলা। এগুলিকে বলা হয় পূর্ণকুম্ভ। ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার সেই যোগ। এই যোগ আবার আসবে ১৪৪ বছর পরে। এবার প্রয়াগরাজের এই কুম্ভমেলায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি পবিত্র স্নান করবেন ৫ ফেব্রুয়ারি। ১০ ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নান করবেন (Holy Dip) রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Maha Kumbh 2025)।

  • Maha Kumbha 2025: জুনা আখরার মহামণ্ডলেশ্বরকে খুনের ছক? মহাকুম্ভে হিন্দু সেজে এসে ধৃত মুসলিম যুবক

    Maha Kumbha 2025: জুনা আখরার মহামণ্ডলেশ্বরকে খুনের ছক? মহাকুম্ভে হিন্দু সেজে এসে ধৃত মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে সাধুকে খুনের পরিকল্পনা? গ্রেফতার আয়ুব নামের এক যুবক। জানা গিয়েছে, এই মুসলিম যুবক নিজের পরিচয় হিন্দু হিসেবে দেয় এবং আয়ুষ নাম নিয়ে মহাকুম্ভে (Maha Kumbha 2025) যতি নরসিংহনন্দ নামের সাধুর তৈরি শিবিরের কাছে চলে যায়। প্রসঙ্গত, যতি নরসিংহনন্দ (Yati Narsinghanand) হলেন গাজিয়াবাদে অবস্থিত দাসনা মন্দিরের প্রধান পূজারী এবং জুনা আখরার মহামণ্ডলেশ্বর (প্রধান)। ইতিমধ্যে পুলিশ আয়ুবকে হেফাজতে নিয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    দেখা করতে চায় নরসিংহানন্দের সঙ্গে

    সম্প্রতি, আয়ুষ নাম নিয়ে যতি নরসিংহনন্দের (Yati Narsinghanand) ক্যাম্পের সামনে চলে যায় আয়ুব এবং সেখানে সে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে। সে সেখানে বলে যে, নরসিংহনন্দের সঙ্গে দেখা করতে চায়। এরপরেই ওই ক্যাম্পের বাকি সাধুরা পুলিশকে খবর দেয়। তখনই তার আসল পরিচয় সামনে আসে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় আয়ুব আলি জানিয়েছে, সে উত্তরপ্রদেশের আলিগঞ্জের বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম হচ্ছে সাকির আলি। তারা দুই ভাই এবং তিন বোন। আয়ুব দাবি করেছে সে একা এবং নিজের ইচ্ছাতেই কুম্ভমেলায় (Maha Kumbha 2025) এসেছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, এখানে আসার অনুমতি নেই, এটা সে জানত না। পুলিশি জেরায় সে জানিয়েছে, সে ট্রেনে করে প্রয়াগরাজে এসেছে গোরক্ষপুর হয়ে।

    কী জানালেন যতি নরসিংহনন্দ (Maha Kumbha 2025) 

    প্রসঙ্গত, যতি নরসিংহনন্দ (Yati Narsinghanand) এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, হতে পারে এ বিষয়ে কোনও ষড়যন্ত্র ছিল। কয়েক মাস আগে ১০ হাজার মৌলবাদীদের একটি একটি ভিড় গাজিয়াবাদে মন্দির প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন যতি নরসিংহনন্দ। প্রসঙ্গত যতি নরসিংহনন্দ বর্তমানে দুজন নিরাপত্তা রক্ষী পান এবং এ দুজনেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কর্মী। প্রসঙ্গত, নরসিংহনন্দের (Yati Narsinghanand) ওপর এমন হামলার ষড়যন্ত্র আগেও হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দাসনা মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেফতার করা হয় তিন মৌলবাদীকে। এরা প্রত্যেকেই ওই মন্দিরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। তারও আগে ২০২৩ সালের মে মাসে ও ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে একই ঘটনা সামনে আসে। গ্রেফতার করা হয় বেশ কয়েকজন মৌলবাদীকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha kumbh 2025: মাঝরাতে ১০৮ বার গঙ্গায় ডুব, কঠোর ব্রত পালন, মহাকুম্ভে শুরু নাগা সাধু হওয়ার প্রক্রিয়া

    Maha kumbh 2025: মাঝরাতে ১০৮ বার গঙ্গায় ডুব, কঠোর ব্রত পালন, মহাকুম্ভে শুরু নাগা সাধু হওয়ার প্রক্রিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কঠিন ব্রতের মধ্য দিয়ে হওয়া যায় নাগা সাধু (Naga Sadhu)। মৌনী অমাবস্যার আগেই, সাতটি শৈব এবং উদাসীন আখড়া নতুনভাবে নাগা সাধুদের নিয়োগ করবে বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এর জন্য নাগা সাধুদের অনেক কঠিন ব্রতের মধ্য দিয়েই যেতে হয়। মধ্যরাতে তাঁদের ১০৮ বার গঙ্গায় ডুব দিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়।

    ১৮০০-রও বেশিজনকে দীক্ষা দেওয়া হবে (Maha kumbh 2025)

    জানা গিয়েছে, ১৮০০-রও বেশিজনকে দীক্ষা দেওয়া হবে নাগা সাধুর। মহানির্বাণী, নিরঞ্জনী, অটল, অগ্নি, আবাহন সহ উদাসীন আখড়ায়, এই নাগা সাধু নিয়োগ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরই নতুনভাবে দীক্ষিতরা নাগা সন্ন্যাসী (Maha kumbh 2025) হবেন। তার প্রক্রিয়াই শুরু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা তাঁরা খাবার ও জল ছাড়া তপস্যা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে নাগা সাধু দীক্ষিত (Maha kumbh 2025) হবেন?

    শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে নাগা সাধুদের (Maha kumbh 2025) নিয়োগ। এই পর্ব চলবে মৌনি অমাবস্যা পর্যন্ত। জুনা আখড়ার মহন্ত রমেশ গিরি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রথমে সাধুরা আখড়ার ধর্মীয় পতাকার নীচে তপস্যা শুরু করবেন। জানা গিয়েছে, ২৪ ঘণ্টা ধরে এই তপস্যা করবেন নাগা সাধুরা। এই সময় তাঁরা (Naga Sadhu) অন্ন বা জল কোনওটাই গ্রহণ করবেন না। এরপর তাঁরা মাঝরাতে গঙ্গায় ১০৮ বার ডুব দিয়ে অমৃতস্নান করবেন। এরপর তাঁদের ক্ষৌর কর্ম এবং বিজয় হবন করা হবে। এখানে পাঁচজন গুরু নব সন্ন্যাসীদের বিভিন্ন জিনিস অর্পণ করবেন। এরপর আখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষা দেবেন। এরপর ফের হবন বা যজ্ঞ হবে। প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারির সকালে কটিবস্ত্র খুলে নাগায় রূপান্তরিত করা হবে। উল্লেখ্য, নাগা সন্ন্যাসীদের (Maha kumbh 2025) পোশাক পরে বা দিগম্বর আকারে বসবাসের বিকল্পও দেওয়া হয়। যাঁরা বস্ত্র নিয়ে থাকেন, তাঁরা অমৃতস্নানের সময় শুধুমাত্র নাগা রূপে স্নান করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: মেলে অপার শান্তি, মন হয় পবিত্র, জানুন মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নানের মাহাত্ম্য

    Maha Kumbh 2025: মেলে অপার শান্তি, মন হয় পবিত্র, জানুন মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নানের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ। প্রশাসনের অনুমান, মহাকুম্ভকে (Maha kumbh 2025) কেন্দ্র করে ৪৫ থেকে ৫০ কোটি ভক্তের সমাবেশ হতে পারে। ইতিমধ্যে সারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ। মুসলিম দেশগুলির মধ্যেও সবচেয়ে বেশি ট্রেন্ডিং চলছে মহাকুম্ভ সার্চে। সবচেয়ে বেশি সার্চ হয়েছে পাকিস্তানে, এরপর কাতার। প্রসঙ্গত, ১৩ জানুয়ারি শুরু হওয়া মহাকুম্ভ চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভারতবর্ষের সনাতন পরম্পরা, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজে। প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভে শাহি স্নানের এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ১৩ জানুয়ারি মহাকুম্ভ শুরু হওয়ার দিনে সম্পন্ন হয়েছে প্রথম শাহি স্নান। মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তির দিনে সম্পন্ন হয়েছে দ্বিতীয় শাহি স্নান (Maha kumbh 2025)। পরবর্তী শাহি স্নান সম্পন্ন হবে ২৯ জানুয়ারি মৌনী অমাবস্যার দিন। মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নানের (Mauni Amavasya) এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে এবং এক আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। কেন মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নান এত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য ঠিক কী রয়েছে , এই নিয়ে আমরা আজকে আলোচনা করব।

    আভ্যন্তরীণ শুদ্ধিকরণ ও পবিত্রতা (Maha kumbh 2025)

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌনী শব্দটি এসেছে মৌনতা থেকে। যার আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় নীরবতা। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌনী অমাবস্যার দিন (Maha kumbh 2025) নীরবতা পালন করলে মানসিক স্বচ্ছতা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি বিরাজ করে ব্যক্তির মধ্যে। একই সঙ্গে তাঁরা জানাচ্ছেন যে, গঙ্গা যমুনা ও সরস্বতীর নদীর যে সঙ্গমস্থল, যা প্রয়াগরাজ নামে পরিচিত, সেখানে মৌনী অমাবস্যায় পবিত্র স্নান করলে আত্মা শুদ্ধ হয় এবং অতীতের সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি মেলে।

    মোক্ষলাভ করা যায় মৌনী অমাবস্যা স্নানে

    অনেক শাস্ত্র বিশেষজ্ঞের মতে, মৌনী অমাবস্যায় পবিত্র নদীর জলে আধ্যাত্মিক শক্তি বিরাজ করে এবং জল ঐশ্বরিক হয়ে ওঠে। তাই এই দিনে যদি কেউ স্নান করে তাহলে তাঁর মোক্ষলাভ (Maha kumbh 2025) হয়। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, এই সময়ে স্নান করলে মোক্ষলাভ করতে পারেন ভক্তরা।

    জৈনগুরু ঋষভদেবের কাহিনি

    জানা যায়, মৌনী আমাবস্যার (Maha kumbh 2025) অন্য আরেকটি গুরুত্ব রয়েছে। এই হল সেই পবিত্র মুহূর্ত যে সময়ে জৈন ধর্মের একজন তীর্থঙ্কর ঋষভদেব তিনি নদীতে স্নান করে, তাঁর নীরবতার ব্রত শেষ করেছিলেন। জানা যায়, পরবর্তীকালে ঋষভদেবের পথকেই অনুসরণ করেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। তাঁর দেখানো পথই অনুসরণ করে আজও মৌনী ব্রত পালন করে থাকেন অনেক জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ।

    মুক্তি হয় পূর্বপুরুষদেরও

    শাহিস্নান অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভে। এই সময়ে সাধু সন্তরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন শোভাযাত্রা বের করেন এবং পবিত্র জলে স্নান করে তারপরেই তাঁদের দিনের শুরু করেন। সমস্ত সাংসারিক মানুষকে এই আচার পালন করার জন্য তাঁরা অনুপ্রাণিত করেন। মনে করা হয় এই দিনে যে সমস্ত মানুষ স্নান করেন, তাঁরা শুধুমাত্র নিজের কর্মকে শুদ্ধ করেন না, তাঁরা তাঁদের পূর্ব পুরুষদেরও উদ্ধার করেন এবং তাঁদের মুক্তির পথে নিয়ে যান।

    ধুয়ে যায় সমস্ত অহঙ্কার

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌনী অমাবস্যার ব্রত পালন এবং পবিত্র নদীতে স্নান করলে পরে নিজের সমস্ত অহংকার ধুয়ে যায় এবং মানুষজন নিজেদের পার্থিব আসক্তি ত্যাগ করতে সক্ষম হন। নিজেদের আধ্যাত্মিক উন্নতিতে মৌনী অমাবস্যা স্নানের এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

    ১৪৪ বছর পর পূর্ণ মহাকুম্ভ

    মহাকুম্ভমেলা হল বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয়, সামজিক এবং সাংস্কৃতিক মহামিলন মেলা। প্রতি ১২ বছর এক যোগে পূর্ণকুম্ভের আয়োজন হয়ে থাকে। আর প্রতি বছর যে মেলা হয়, তাকে বলা হয় কুম্ভ। ছয় বছরে একবার কুম্ভকে বলা হয় অর্ধকুম্ভ। প্রতি ১২ বছরে অনুষ্ঠিত কুম্ভকে বলা হয় পূর্ণকুম্ভমেলা। আবার ১২টি পূর্ণকুম্ভ অতিক্রান্ত হয়ে বা ১৪৪ বছর পর যে পূর্ণকুম্ভমেলা আসে, তাকে বলা হয় মহাকুম্ভ মেলা। এই কুম্ভ মূলত চারটি জায়গায় চক্রাকারে অনুষ্ঠিত হয়। জায়গাগুলি হল, উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা, যমুনা ও (পৌরাণিক) সরস্বতী নদী সঙ্গমে প্রয়াগরাজ (Triveni Sangam), উত্তরাখণ্ডের গঙ্গা নদীর তীরে হরিদ্বার, মধ্যপ্রদেশের শিপ্রা নদীর তীরে উজ্জয়িনী এবং মহারাষ্ট্রের গোদাবরীর তীরে নাসিকে। সব জায়গায় মূলত নদী সঙ্গমে মেলা বসে এবং পুণ্যস্নান সম্পন্ন হয়। এই বছর পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলা আয়োজিত হচ্ছে প্রয়াগরাজে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela 2025: বিশ্বের আধ্যাত্মিক হৃদয় মহাকুম্ভ, প্রয়াগরাজের মহাতীর্থে মিশল ইউরোপ থেকে আমেরিকা

    Maha Kumbh Mela 2025: বিশ্বের আধ্যাত্মিক হৃদয় মহাকুম্ভ, প্রয়াগরাজের মহাতীর্থে মিশল ইউরোপ থেকে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে মহাকুম্ভে (Maha Kumbh Mela 2025) মহাযজ্ঞ। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে মহাকুম্ভ। সেখানে একত্রিত হয়েছেন পুণ্যার্থীরা। কোটি কোটি ভক্তের আরাধনায় ত্রিবেণী তীর্থ এখন ভারত তীর্থ। যেখানে মিলে-মিশে একাকার হয়ে গিয়েছে স্পেন, ব্রাজিল, ইটালি, পর্তুগাল, জাপান। সকলের কাছেই “মেরা ভারত মহান”। কুম্ভমেলার আয়োজন, আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া সর্বোপরি উত্তরপ্রদেশ সরকারের এই মহান যজ্ঞের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনায় মুগ্ধ সকলে। শুধু ধর্মীয় ভাবাবেগের জন্য নয়, যাঁরা পর্যটনের টানে ভারতে এসেছেন, তাঁদের কাছেও মহাকুম্ভ এক অন্য আবেগ। তাঁদের কথায়, এখানেই ভারতের আসল রূপ দেখতে পাচ্ছেন তাঁরা।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সমাবেশ

    কুম্ভ মেলা (Maha Kumbh Mela 2025) হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সমাবেশ। যা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, বলে দাবি এক বিদেশিনীর। এক রাশিয়ান মহিলার কথায়, “‘মেরা ভারত মহান’… ভারত একটি মহান দেশ। আমরা এখানে কুম্ভ মেলায় প্রথমবার এসেছি। এখানে আমরা আসল ভারত দেখতে পাচ্ছি – ভারতীয় মানুষের মধ্যে সত্যিকারের শক্তি আছে। এই পবিত্র স্থানে মানুষের পরিবেশে আমি শিহরিত। আমি ভারতকে ভালোবাসি।”

    দক্ষিণ আফ্রিকার এক ভক্তও ভারতের সংস্কৃতি ও মানুষের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “এখানে রাস্তা পরিষ্কার, প্রত্যেকেই একে অপরের বন্ধু। হাজার হাজার তীর্থযাত্রী এখানে আছেন এবং আমরা তাদের সান্নিধ্য উপভোগ করছি। আমরা সনাতন ধর্ম পালন করি এবং এভাবেই মহাকুম্ভের এই শৃঙ্খলিত আয়োজনকে ভালোবাসি।”

    ভারতীয় সংস্কৃতির শক্তি

    অ্যারিজোনার সাধ্বী ভাগবতী সরস্বতী, ৩০ বছর ধরে ঋষিকেশের পারমার্থ নিকেতনে বসবাস করছেন। মহাকুম্ভে (Maha Kumbh Mela 2025) যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “এটি শুধু সঙ্গমে পুণ্যস্নান নয়। এটি মানুষের বিশ্বাস এবং ভক্তির মধ্যে এক পবিত্র স্নান। এটি ভারতীয় সংস্কৃতির শক্তি এবং মহানতার উদাহরণ… এটি কোনও রক কনসার্ট বা ক্রীড়া ইভেন্ট নয়। এত বড় সংখ্যায় মানুষ কেন একত্রিত হয়েছে? তাদের বিশ্বাসের জন্য, তাদের ভক্তির জন্য।”

    সুন্দর আয়োজন

    পোল্যান্ড থেকে এসেছেন ক্লদিয়া নামে এক পর্যটক। তিনি বলেন, “এটা খুবই স্পেশাল। এর আগে কখনও আমি এমন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারিনি।” দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন থেকে আগত এক পুণ্যার্থী বলেন, “এটা কী সুন্দর! রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। এখানকার মানুষও কী সহজে আপন করে নেন। তাঁরা কত সুখী! আমরা সনাতন ধর্ম মেনে চলি।”

    আবার হোসে এক স্প্যানিশ পুণ্যার্থী বলেন যে, “এখানে আমাদের প্রচুর বন্ধু রয়েছেন। তাঁরা স্পেন, ব্রাজিল, পর্তুগাল থেকে এসেছেন। আমরা তীর্থযাত্রায় এসেছি। আমি পুণ্যস্নান করেছি। খুবই উপভোগ করেছি। আমি খুবই সৌভাগ্যবান।” 

    মহাকুম্ভে ব্যবস্থাপনা 

    সোমবার থেকে শুরু হওয়া মহাকুম্ভ (Maha Kumbh Mela 2025) চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। হবে ৬টি পুণ্যস্নান। ‘ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ’-এর তকমা পাওয়া কুম্ভমেলাকে ঘিরে সাজসাজ রব। প্রয়াগে গঙ্গা, যমুনা আর পৌরাণিক সরস্বতীর সঙ্গমতটে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিকে ২৪টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রায় আড়াই হাজার সিসি ক্যামেরা বসিয়ে চলছে নজরদারি। মহাকুম্ভে দেড় লক্ষ তাঁবুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১২ কিলোমিটার অস্থায়ী ঘাট তৈরি করা হয়েছে। যেখানে মানুষ স্নান করবেন। ৪০০ কিলোমিটার অস্থায়ী পায়ে চলার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। ২ লক্ষ ৬৯ হাজার বর্গমিটার এলাকা এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে মানুষের চলার ক্ষেত্রে কোনওরকম সমস্যা না হয়। এছাড়াও থাকছে আরও ব্যবস্থাপনা। ৩০টি অস্থায়ী সেতু তৈরি করা হয়েছে। ২০১টি রাস্তা, অলি-গলি চওড়া করা হয়েছে। ১৮০০ হেক্টর জমির উপর পার্কিং তৈরি করা হয়েছে। মহাকুম্ভে আসা পুণ্যার্থীদের জন্য দেড় লক্ষ অস্থায়ী শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য ১৪৪টি চেঞ্জিং রুম তৈরি করা হয়েছে। ২৫ হাজার ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৫ হাজার সাফাই কর্মী টানা ৪৫ দিন কাজ করবেন। ৬৯ হাজার এলইডি সোলার লাইট লাগানো হয়েছে। এ সব কিছুই মুগ্ধ করেছে বিদেশিদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Maha Kumbh 2025: সংক্রান্তিতে মহাকুম্ভে ‘অমৃত স্নান’, যোগ দিল ১৩ আখড়া, পবিত্র ডুব দিলেন কোটির বেশি ভক্ত

    Maha Kumbh 2025: সংক্রান্তিতে মহাকুম্ভে ‘অমৃত স্নান’, যোগ দিল ১৩ আখড়া, পবিত্র ডুব দিলেন কোটির বেশি ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীত উপেক্ষা করেই ভক্তদের ভিড় পূর্ণকুম্ভের প্রয়াগরাজে। উত্তরপ্রদেশের  প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti) সকালে ১০টা পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ (Maha kumbh 2025) ‘পুণ্যস্নান’ করেছেন প্রয়াগরাজে। ক্রমশ ভিড় বাড়ছে। তাই বেলা বাড়লে এই সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি সূত্র জানাচ্ছে, ৩ কোটি ছুঁয়ে যেতে পারে সংখ্যা। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন, সকাল ৭টায় বিভিন্ন আখড়ার সাধু-সহ প্রায় ৯৮ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক সরস্বতী নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে ‘অমৃত স্নান’ করেন।

    ১৩ আখড়ার অমৃত স্নান (Maha kumbh 2025) 

    মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তির (Maha kumbh 2025) পবিত্র মুহূর্তে প্রথম অমৃত স্নানে ১৩টি আখড়া অংশগ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন, অল ইন্ডিয়া আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত রবীন্দ্র পুরী। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ১৩টি আখড়া তিনটি প্রধান দলে বিভক্ত। এগুলি হল সন্ন্যাসী (শৈব), বৈরাগী (বৈষ্ণব) এবং উদাসীন। শৈব আখড়ার মধ্যে রয়েছে শ্রী পঞ্চ দশনম জুনা আখড়া, শ্রী পঞ্চায়েতি আখড়া, নিরঞ্জনী, শ্রী শম্ভু পঞ্চায়েতি অটল আখড়া, শ্রী পঞ্চায়েতি আখড়া মহানির্বাণী, শ্রী শম্ভু পঞ্চাগ্নি আখড়া, শ্রী পঞ্চদশনাম আবাহন আখড়া, এবং তপোনিধি আখড়া। বৈষ্ণব আখড়ায় রয়েছে শ্রী পঞ্চ নির্মোহি আনি আখড়া, শ্রী পঞ্চ দিগম্বর আনি আখড়া, এবং শ্রী পঞ্চ নির্বাণী আনি আখড়া নিয়ে গঠিত। এদিকে উদাসীন আখাদের মধ্যে রয়েছে শ্রী পঞ্চায়েতি আখড়া বড় উদাসীন, শ্রী পঞ্চায়েতি আখড়া নয়া উদাসীন এবং পঞ্চায়েতি আখড়া নির্মল।

    প্রথমে স্নান কোন আখড়ার (Maha kumbh 2025) 

    রবীন্দ্র পুরী আরও জানিয়েছেন, জুনা আখড়া প্রথম অমৃত স্নানে যাওয়ার জন্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল, কারণ তাদের সদস্য সংখ্যা বিপুল ছিল। তবে, আখড়া পরিষদ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অমৃত স্নানের রীতি মেনেই প্রতিটি আখড়াকে পর পর পাঠানো হয়। রীতি অনুযায়ী সাতটি সন্ন্যাসী আখড়া পবিত্র স্নানের নেতৃত্ব দেয়। এরপরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় তিনটি বৈরাগী আখড়া। সবশেষে যায়, তিনটি উদাসীন আখড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha kumbh 2025: মুসলিম দেশগুলিতে ইন্টারনেট সার্চে ট্রেন্ডিং ‘মহাকুম্ভ’, সবচেয়ে এগিয়ে পাকিস্তান

    Maha kumbh 2025: মুসলিম দেশগুলিতে ইন্টারনেট সার্চে ট্রেন্ডিং ‘মহাকুম্ভ’, সবচেয়ে এগিয়ে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সার্চে ট্রেন্ডিং ‘মহাকুম্ভ’। সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা, ইসলামি দেশগুলিতে মহাকুম্ভ নিয়ে ব্যাপক কৌতুহল রয়েছে। সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে পাকিস্তানে।

    শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ (Maha kumbh 2025)। সোমবারই প্রথম শাহি স্নান সম্পন্ন করেন ভক্তরা। উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের পরিসংখ্যান বলছে, প্রথম দিনেই ডুব দিয়েছেন ৫০ লক্ষ ভক্ত (Maha kumbh)। মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে চলছে অমৃত স্নান। আশা, এদিন কয়েক কোটি ভক্ত ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিয়ে পুণ্য-স্নান সারবেন। প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভে শুধুমাত্র ভারতীয়রাই যে হাজির হচ্ছেন এমনটা নয়। এটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানব-সমাবেশে পরিণত হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, ৪০ থেকে ৫০ কোটি ভক্ত সামিল হতে পারেন প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে।

    সবচেয়ে বেশি সার্চ (Maha kumbh 2025) করছেন পাকিস্তানিরা  

    এই মহাকুম্ভকে (Maha kumbh 2025) কেন্দ্র করে ব্রাজিল, জার্মানি, জাপান, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, স্পেন – এই সমস্ত দেশের ভক্তরাও হাজির হয়েছেন। তাঁরা ডুব দিচ্ছেন পুণ্যার্জনের আশায়, মোক্ষলাভের আশায়। এই সময়ে মহাকুম্ভকে ইন্টারনেটে সার্চ করার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে ইসলাম ধর্মাবলম্বী দেশে। প্রথমেই নাম আসছে পাকিস্তানের। অর্থাৎ পাকিস্তানের মতো একটি ইসলামিক দেশ, তারাও মহাকুম্ভের বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠেছে এবং ইন্টারনেটে মহাকুম্ভকে সবচেয়ে বেশি সার্চ করছে।

    পাকিস্তানের পরে সব চেয়ে বেশি সার্চ কাতারের

    পাকিস্তানের পরে অন্য আরেকটি দেশের নাম উঠে এসেছে, যারা ইন্টারনেটে মহাকুম্ভকে (Maha kumbh 2025) সার্চ করছে। সেটি হল কাতার। তালিকায় রয়েছে আমিরশাহি, বাহরিনও। এর পাশাপাশি নেপাল, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, তাইল্যান্ডল আমেরিকা— এই সমস্ত দেশগুলি মহাকুম্ভকে সার্চ করছে ইন্টারনেটে। অর্থাৎ প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভকে নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা, চর্চা চলছে সারা বিশ্বে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে।

    ঢেলে সাজানো হয়েছে মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025)  নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে

    ঢেলে সাজানো হয়েছে মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। মেলা এলাকায় ২,৭৫১টি সিসি ক্যামেরায় নজরদারি চলছে সর্বক্ষণ। প্রতিটি জায়গাতেই নিরাপত্তা আধিকারিকরা নজর রাখছেন। এরমধ্যে ৩২৮টি ক্যামেরা এআই বৈশিষ্ট্যযুক্ত। প্রয়াগরাজ জোনের অতিরিক্ত মহানির্দেশক ভানু ভাস্কর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কুম্ভ মেলা এলাকায় শক্তিশালী সাত স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। সন্দেহজনক কার্যকলাপের ওপর নজর রাখতে সদা তৎপর গোয়েন্দা বাহিনী। নজরদারি জোরদার করার জন্য অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম এবং টেথার্ড ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। মেলা এলাকা এবং তার আশেপাশে প্রায় ৪০,০০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maha Kumbh 2025: মাইনাস তাপমাত্রাতেও বস্ত্রহীন থাকেন নাগা সাধুরা, কোন আধ্যাত্মিক শক্তিতে?

    Maha Kumbh 2025: মাইনাস তাপমাত্রাতেও বস্ত্রহীন থাকেন নাগা সাধুরা, কোন আধ্যাত্মিক শক্তিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে (Maha Kumbh 2025) ব্যাপক ভিড় নাগা সাধুদের। প্রবল শীতেও তাঁরা বস্ত্র ধারণ করেন না। সাম্প্রতিক, ৮ বছরের নাগা সাধু গোপাল গিরির একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ঈশ্বরই তাঁর জ্যাকেট। এই কারণে তাঁর ঠান্ডা লাগে না। নাগা সাধুরা (Naga Sadhu) শূন্য কিংবা মাইনাস তাপমাত্রাও সহ্য করতে সক্ষম। কীভাবে সম্ভব হয় এটি? চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়মানুসারে, মানুষ পোশাক ছাড়া মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। তবে নাগা সাধুরা একথা একেবারেই মানেন না। তাঁরা মনে করেন, আধ্যাত্মিক অনুশীলনের মাধ্যমে চরম ঠান্ডা সহ্য করা যায়।  ঠিক এই কারণে তাঁরা তিন ধরনের সাধনা করেন।

    নাগা সাধুদের তিন ধরনের সাধনা (Maha Kumbh 2025)

    অগ্নি সাধনা: নাগা সাধুরা (Naga Sadhu)  একধরনের ধ্যান অনুশীলন করেন। এই অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁদের শরীরের মধ্যে আগুনের উপাদান জমতে থাকে। এভাবেই প্রবল শীতেও তাঁদের শরীর উষ্ণ থাকে।
     
    নাড়ি শোধন: নাড়ি শোধন প্রাণায়ামের মাধ্যমে, নাগা সাধুরা তাঁদের শরীরের মধ্যে বায়ুপ্রবাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন। এভাবেই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত এবং উষ্ণ থাকে। 

    মন্ত্রোচ্চারণ: অন্যদিকে নাগা সাধুদের মতে, মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমেও তাঁদের শরীরে শক্তি উৎপন্ন হয়, যা শরীরে তাপ তৈরি করে। প্রবল ঠান্ডার তাপমাত্রা এভাবেই সহ্য করতে পারেন তাঁরা।

    ছাই দিয়ে ঢাকা থাকে শরীর, কাজ করে অন্তরকের  (Maha Kumbh 2025)

    এ ছাড়া (Maha Kumbh 2025) নাগা সাধুরা ছাই দিয়ে তাঁদের শরীর ঢেকে রাখেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এটি একটি অন্তরক স্তর হিসেবে কাজ করে। ছাইতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে, যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এভাবেই ঠান্ডা থেকে রক্ষা পান তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela 2025: বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী ভারত! মহাকুম্ভে যোগ দিয়ে আবেগে ভাসলেন বিদেশিরা

    Maha Kumbh Mela 2025: বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী ভারত! মহাকুম্ভে যোগ দিয়ে আবেগে ভাসলেন বিদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্ব থেকে লাখো ভক্ত, পুণ্যার্থী, সাধুসন্ত এবং পর্যটকেরা পাড়ি জমাচ্ছেন এই মেলায়। পৃথিবীর অন্যতম বড় আয়োজন, বড় সমাবেশ মহাকুম্ভ। ভারতে এখন বহু বিদেশিরই গন্তব্য প্রয়াগরাজ। পৌষ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে শাহী স্নান সারতে সোমবারই ঘাটে ঘাটে উপচে পড়ছে ভিড়। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মেলার প্রথম দিন সকাল আটটায় ত্রিবেণী সঙ্গমে জলে ডুব দিয়েছেন প্রায় ৬০ লাখ পুণ্যার্থী। এই মহাযজ্ঞ চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। 

    বিদেশ থেকে ভক্ত সমাগম

    শুধুমাত্র ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে নয়, বিদেশ থেকেও বহু ভক্ত এসেছেন প্রয়াগরাজে। কুম্ভমেলার শুরুর দিন থেকেই তাঁরা শাহী স্নানে মন দিয়েছেন। ইতিমধ্যে একাধিক বিদেশি নাগরিকের ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেওয়ার ছবি, ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সময়টা অত্যধিক ঠান্ডা থাকে। স্বভাবতই জলও মারাত্মক ঠান্ডা। তবে শাহী স্নানে কোনও রকম কার্পণ্য করছেন না কেউই। স্পেন থেকে আসা এক ভক্ত ১২ বছর আগে পূর্ণকুম্ভে ৪দিনের জন্য এসেছিলেন। স্বল্প সময়ে তাঁর মন ভরেনি, তাই এবার এসেছেন এক মাস সময় নিয়ে। মহাকুম্ভের রঙ, জৌলুস, অবাক করেছে ইটালির এক ভক্তকেও। তাঁর কথায় নানা আবেগের মিলনস্থল মহাকুম্ভ।

    মোক্ষের লক্ষ্যে কুম্ভে

    ‘জল ঠান্ডা তো কী হয়েছে, এখানে এসে হৃদয় উষ্ণতায় ভরে গেছে…’ এই ভাষায়ই মনের ভাব প্রকাশ করছেন বিদেশিরা। কুম্ভে এসে এক ব্রাজিলিয় ভক্তের বক্তব্য, মোক্ষ খুঁজতে তিনি ভারতে এসেছেন। আর কুম্ভমেলায় এসে তাঁর মন ভরে গেছে। তিনি প্রথমবার ভারতে এসেই কুম্ভমেলায় গেছেন। বলছেন, ভারত তো বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী। তাই এখানে এই পরিবেশ পেয়ে তিনি ধন্য। 

    সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা

    ব্রাজিল ছাড়াও স্পেন, পর্তুগাল, রাশিয়া, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা-সহ একাধিক দেশ থেকে ভক্তরা এসেছেন কুম্ভমেলায়। প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতীর মিলনস্থলই হয়ে উঠেছে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। সাধু-সন্ন্যাসী, সাধারণ মানুষ তো বটেই, মহাকুম্ভ যজ্ঞে বহু হেভিওয়েটও অংশ নিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল। তবে বিপুল এই ভক্ত সমাগমকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলেছে উত্তরপ্রদেশ এমনই অভিমত ইটালি থেকে আসা এক পুণ্যার্থীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share