Tag: Maha Kumbh mela 2025

  • Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলায় (Mahkumbh Viral Girl) ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা! অন্তত, এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে আসেন মোনালিসা। কারণ তিনি বিয়ে করেছিলেন মুসলিম যুবক ফারমান খানকে (Farman Khan)। ওই ঘটনায় মোনালিসার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই তরুণী আসলে অপ্রাপ্তবয়স্ক। জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের (NCST) তদন্তেও প্রকাশ পায় পরিবারের দাবির সত্যতা। কমিশনের চেয়ারপার্সন অন্তর সিং আর্য এই তদন্তের নেতৃত্ব দেন। তিনি নিশ্চিত করেন, মোনালিসা আদতে এক নাবালিকা। তিনি পারধি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র (Mahkumbh Viral Girl)

    মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বরের সরকারি হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, মোনালিসার জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে। অর্থাৎ, বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ১৬ বছর। এও জানা গিয়েছে, কেরালায় একটি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ফারমান খানের। যে মন্দিরে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে তাঁরা প্রমাণপত্র হিসেবে দাখিল করেছিলেন শুধুই আধার কার্ড। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), তফশিলি জাতি ও উপজাতি আইন (SC/ST Act) এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের (POCSO Act) অধীনে এফআইআর দায়ের করেছে। প্রশাসন কেরালার একটি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে নিবন্ধিত ভুয়ো নথি বাতিল করার নির্দেশও দিয়েছে (Mahkumbh Viral Girl)।

    সমন জারি

    জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশন কেরল এবং মধ্যপ্রদেশের ডিজিপিদের সমন জারি করেছে এবং ২২ এপ্রিল কমিশনের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁদের (Farman Khan)। এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি ৩ দিন অন্তর বিস্তারিত রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত মাসেই কেরলের একটি মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন মোনালিসা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া মারাঠি মুসলিম যুবক ফারমান খানকে। তখনই তাঁর পরিবার দাবি করেছিল, মোনালিসা নাবালিকা। যদিও মোনালিসা স্বয়ং জানিয়েছিলেন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক। সে সংক্রান্ত শংসাপত্র যে জাল, তা জানা (Farman Khan) গিয়েছে তদন্তে। ফারমানের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে পকশো মামলা (Mahkumbh Viral Girl)।

  • Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’: ‘‘ক্ষমা চান’’, মুখ্যমন্ত্রী মমতার ‘মৃত্যুকুম্ভ’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ সাধু-সমাজ

    Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’: ‘‘ক্ষমা চান’’, মুখ্যমন্ত্রী মমতার ‘মৃত্যুকুম্ভ’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ সাধু-সমাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভকে ‘‘মৃত্যুকুম্ভে’’র সঙ্গে তুলনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে বিজেপির পাশাপাশি সাধু সম্প্রদায়ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জোরালো হচ্ছে। বিধানসভায় মহাকুম্ভ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সাধু সম্প্রদায় বলেছে যে মমতার বক্তব্য সনাতন ধর্মের অপমান। তাঁর মন্তব্য সনাতন ধর্মের এবং মহাকুম্ভের পবিত্রতার প্রতি অবমাননা। সাধু-সন্তদের মতে, মহাকুম্ভ শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং সনাতন সংস্কৃতির আত্মা, যা কোটি কোটি ভক্তের কাছে গভীর আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে।

    মহাকুম্ভের মহিমা দেখেছে বিশ্ব

    শ্রী পঞ্চায়েতি আখড়া মহাননির্বাণীর জাতীয় সম্পাদক মহন্ত যমুনা পুরী বলেছেন যে, দায়িত্বশীল পদে থেকেও এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শোভা পায় না। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভ হল অমৃত পর্ব, যার দেবত্ব এবং মহিমা সমগ্র বিশ্ব দেখেছে। মহাকুম্ভের নামের সাথে এই ধরনের অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়।’’ এবং এই মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অরুণ গিরি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ হিন্দু সনাতনীদের জন্য ‘মৃত্যুর রাজ্য’ হয়ে উঠছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তাঁর উচিত উত্তরপ্রদেশের নয়, নিজের রাজ্যের কথা চিন্তা করা।’ যোগী আদিত্যনাথ মহাকুম্ভের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছেন এবং তিনি এই মহৎ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন।’’

    সনাতন ধর্মের ওপর আক্রমণ

    নির্মোহী আনি আখাড়ার মহান্ত রাজেন্দ্র দাস মমতার মন্তব্যকে সনাতন ধর্মের ওপর আক্রমণ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভ সনাতন ধর্মকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। মমতা এর গুরুত্ব বুঝতে পারেন না কারণ তিনি সবসময় সনাতন মূল্যবোধ এবং ঐতিহ্যকে অবমাননা করেছেন।’’ তিনি মন্তব্য করেন। মহামণ্ডলেশ্বর ঈশ্বর দাস মহারাজ মমতার মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘এটা তাঁর সনাতন বিরোধী মনোভাবের প্রতিফলন। তিনি সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে ছিলেন এবং তিনি পশ্চিমবঙ্গকে আরেকটি বাংলাদেশে পরিণত করতে চান।’’

    প্রয়াগরাজে আসুন মমতা

    অযোধ্যা হনুমান গড়ী মন্দিরের মহান্ত রাজু দাস মমতার মন্তব্যকে ‘‘অলভনীয়’’ বলে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন জানান। একইভাবে, স্বামী জিতেন্দ্রনন্দ সরস্বতী এই মন্তব্যের নিন্দা করে বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ সনাতন সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের প্রতীক। সন্ন্যাসী সম্প্রদায় মমতার কথার নিন্দা করেছে।’’ গোবর্ধন মঠ পুরী’র স্বামী অঢোকশজনন্দ দেব তীর্থ মমতাকে প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভে আসার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে তিনি এর আধ্যাত্মিক মহিমা উপলব্ধি করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‘৫০ কোটিরও বেশি সনাতনিরা এই ‘অমৃত কুম্ভ’ থেকে দৈবিক অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। একে ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাজনীতিকদের ধর্মীয় বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত।’’

  • Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’: ‘‘মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলছেন’’! ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী, মমতাকে তোপ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’: ‘‘মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলছেন’’! ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী, মমতাকে তোপ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় মহাকুম্ভকে মৃত্যকুম্ভ বলে বিপাকে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’)। বিজেপি বিধায়কেরা সে সময়ে অধিবেশন কক্ষে ছিলেন না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের খবর ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে না পড়তেই আক্রমণ তুঙ্গে তুলেছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদার বা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো বটেই, মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্যও। একযোগে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাধু-সন্তরাও।

    ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী

    শুভেন্দু তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘লজ্জাজনক, নিন্দনীয় এবং অসম্মানজনক! পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন এটা মহাকুম্ভ নয়, মৃত্যুকুম্ভ! যে পবিত্র মহাকুম্ভ ১৪৪ বছর পর হচ্ছে, তার সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ধারণাই নেই।’ শুভেন্দুর দাবি, ‘‘ মুখ্যমন্ত্রী (Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’) এই মন্তব্য প্রত্যাহার করুন, ক্ষমা চান। মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলতে পারেন না। ৪০ কোটি হিন্দু পুণ্যার্থী এখানে স্নান করেছেন। হিন্দু সমাজ, সন্ত সমাজকে বলছি প্রতিবাদ করুন। এটা হিন্দুদের উপর আঘাত, মহাকুম্ভের উপর আঘাত।’’

    বাংলা থেকে অমৃত-কুম্ভের সন্ধানে

    মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মহাকুম্ভের প্রসঙ্গ টেনে মৃত্যুকুম্ভ (Mamata’s ‘Mrityu-Kumbh’) বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অধিবেশনে মহাকুম্ভ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মহাকুম্ভের পুণ্যস্নান, এক হয়েছে হিন্দুস্থান। মহাকুম্ভকে কেন্দ্রকে গোটা পৃথিবীর হিন্দুরা অনেকদিন পর ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। দলদাস আইপিএসরা ওনাকে যে রিপোর্ট দিয়েছেন, তাতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কয়েক লক্ষ হিন্দু, সেটা ১ কোটির বেশি ২ কোটিও হতে পারে, স্রোতের মতো গিয়েছেন। তৃণমূলের অনেক পরিচিত সাংসদ, রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ তাঁরাও নিজেদের মহাকুম্ভে ডুব দেওয়ার ছবি দিয়েছেন। বাধ্য হয়েছেন ছাড়তে। তাই মুখ্যমন্ত্রী আজকে ভয় পাচ্ছেন কুম্ভকে দেখে।”

    কুম্ভের অপমান সহ্য করবে না হিন্দুস্থান

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এখনও পর্যন্ত মহাকুম্ভে ৪০ কোটি মানুষ গিয়েছেন। সবাই আশা করছেন, আরও ১০ কোটি মানুষ যাবে। সেখানে আপনি মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলেছেন। আপনি বলেছেন কুম্ভমেলা টাকা রোজগারের জন্য করা হয়েছে। এতবড় অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য। এই মন্তব্যের খেসারত আপনাকে দিতে হবে। মহাকুম্ভের অপমান হিন্দুস্থান সহ্য করবে না। হিন্দুস্থান আপনাকে গণতান্ত্রিকভাবে সবক শেখাবে। মহাকুম্ভকে অপমান করার জন্য যেখানেই সুযোগ পাবেন, মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ান। প্রয়াগরাজের সব আখড়াকে অনুরোধ করব, এই অপমানের উপযুক্ত জবাব দিতে হবে।”

    প্রতিবাদ মিছিল বিজেপির

    শুভেন্দুর আরও বক্তব্য, ‘তাঁর (মমতার) জানা উচিত যে, এ বার পশ্চিমবঙ্গ থেকে রেকর্ড সংখ্যক পুণ্যার্থী মহাকুম্ভে গিয়েছেন এবং এখনও যাচ্ছেন।’ মমতার শব্দবন্ধ কেন্দ্র করে কর্মসূচিও ঘোষণা করে দিয়েছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর ‘মৃত্যুকুম্ভ’ শব্দবন্ধ এবং বিজেপি বিধায়কদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে বিজেপি পরিষদীয় দল বৃহস্পতিবার গোটা বিধানসভা জুড়ে মিছিল করবে বলে শুভেন্দু ঘোষণা করেছেন। বিধানসভা চত্বর থেকে বেরিয়ে সেই মিছিল যাবে রাজভবনে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে অভিযোগ জানানো হবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। সে জন্য মঙ্গলবারই রাজ্যপালের কাছ থেকে সময় চাওয়া হয়েছে।

    মহাকুম্ভ পৃথিবীর ঐতিহ্য

    রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আপাতত সরকারি সফরে আন্দামানে। সেখান থেকেই তিনি বলেছেন, ‘‘মহাকুম্ভ শুধু হিন্দুদের উৎসব নয়, এটা গোটা পৃথিবীর কাছে একটা ঐতিহ্য। কিন্তু শুধু নিজের ভোটব্যাঙ্ককে তোষণ করবেন বলে তিনি মহাকুম্ভ সম্পর্কে এই কথা বললেন।’’ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করে সুকান্ত বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ ঘুরে আসুন। যেখানে ইতিমধ্যেই ৫০ কোটি ভক্ত ডুব দিয়েছেন, সেখানকার জন্য কী বিশাল ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে দেখে আসুন।’’ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা বাংলার সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য লিখেছেন, ‘‘মহাকুম্ভকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অযাচিত আক্রমণ হল ২০২৬ সালে তাঁর আশু পরাজয়ের প্রথম লক্ষণ। দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে দেখে তিনি ঘাবড়ে গিয়েছেন। তিনি চূড়ান্ত পরাজয়ের ভয় পাচ্ছেন।’’

    ভয় পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

    মহাকুম্ভ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণও। তিনি বলেন, ‘‘আমার মনে হয় সমস্যা হল সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করা খুবই সহজ। একই স্তরে অন্য কোনও ধর্মের সমালোচনা করতে পারে না। বুঝতে পারে না যে তাঁরা কোটি কোটি মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করছে।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি জাতীয় সাধারণ সম্পাদক স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী। তিনি বলেন, ‘‘মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের কড়া নিন্দা করছি। মমতাদিদি এটা সত্যি যে মহাকুম্ভ নয় আপনার জন্য এটা মৃত্যুকুম্ভের বরাবর। ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, পূর্ব ভারত থেকে যেভাবে আসছেন কুম্ভস্নানের জন্য আসছেন। আপনার অস্থির হওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ রয়েছে। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে আপনার রাজনৈতিক কেরিয়ারের জন্য মৃত্যুকুম্ভই হতে চলেছে।’’

  • Maha Kumbh 2025: ফেব্রুয়ারিতে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন বিশ্বের ৭৩ কূটনীতিক

    Maha Kumbh 2025: ফেব্রুয়ারিতে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন বিশ্বের ৭৩ কূটনীতিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা (Maha Kumbh 2025)। মহাকুম্ভ যোগ আসে প্রতি ১৪৪ বছর অন্তর। এবার এসেছে সেই যোগ। ইতিমধ্যেই প্রায় ১০ কোটি মানুষ স্নান (Holy Dip) সেরেছেন গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমে। মেলা ও পুণ্যস্নান চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তাই উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের আশা, মাস দেড়েকের এই মেলায় সব মিলিয়ে স্নান করবেন ৪০ কোটি পুণ্যার্থী। হিন্দুদের বিশ্বাস, কুম্ভস্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়। সেই বিশ্বাসেই আমজনতার সঙ্গে সঙ্গে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন বিশ্বের ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা। আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নান করবেন তাঁরা। মহামিলনের এই মেলায় সঙ্গমে ডুব দেবেন যুদ্ধে লিপ্ত রাশিয়া এবং ইউক্রেনের কূটনীতিকরাও। জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ থেকেও কূটনীতিকরা আসছেন পুণ্যস্নানে।

    ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান

    ১ ফেব্রুয়ারি যে ওই ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান সারবেন, সে ব্যাপারে বিদেশমন্ত্রকের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিবকে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে চিঠিতে জানানো হয়েছে, পবিত্র সঙ্গমে ডুব দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা দর্শন করবেন বড়ে হনুমান মন্দির ও অক্ষয়াবত। নৌকোয় চড়ে তাঁরা দর্শন করবেন সঙ্গমস্থল (Maha Kumbh 2025)। সঙ্গমে স্নান সেরে ওই কূটনীতিকরা যাবেন ডিজিটাল মহাকুম্ভ এক্সপিরিয়েন্স সেন্টারে। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তাঁরা জানবেন মহাকুম্ভের মাহাত্ম্য সম্পর্কে। মহাকুম্ভ-পর্ব সেরে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাবেন তাঁরা। কুম্ভমেলায় আখড়া পরিদর্শনও করবেন তাঁরা। একাধিক প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক ট্যুরও করানো হবে তাঁদের। ওই কূটনীতিকরা ঘুরে দেখবেন যমুনা কমপ্লেক্স, অশোক স্তম্ভ-সহ অন্যান্য দ্রষ্টব্য স্থান।

    কুম্ভমেলা

    প্রতি ১২ বছর অন্তর উত্তরপ্রদেশের এই ত্রিবেণী সঙ্গমে হয় কুম্ভমেলা। এগুলিকে বলা হয় পূর্ণকুম্ভ। ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার সেই যোগ। এই যোগ আবার আসবে ১৪৪ বছর পরে। এবার প্রয়াগরাজের এই কুম্ভমেলায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি পবিত্র স্নান করবেন ৫ ফেব্রুয়ারি। ১০ ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নান করবেন (Holy Dip) রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Maha Kumbh 2025)।

LinkedIn
Share